12/07/2020
একটি বিনীত নিবেদন-
আমাদের ভালোবাসার একটা বড় জায়গা জুড়ে আছে এই মানুষটা। একহারা গঠন। চেহারায় তেমন কোন বিশেষত্ব নেই। কিন্তু দিলখোলা হাসি দিয়ে যখন কথা বলে তখন বড্ড মায়া লাগে। ভাইয়ের সাথে প্রথম পরিচয় ক্যাম্পাসের সেই টিনশেডের ক্যান্টিনে। বিকেল হলেই ছেলেমেয়েদের হট্টগোলে গমগম করতো ক্যান্টিন। আফজাল ভাইয়ের তখন এতটুকু ফুসরত নেই। টেবিলে টেবিলে গরম পেয়াজু, আলুর চপ বা চা দিয়ে যাচ্ছে। চারিদিক থেকে আওয়াজ আসছে, আফজাল ভাই সস লাগবে, আফজাল ভাই আরেকটা পুরি! ভাই ছুটে ছুটে সবার টেবিলে যাচ্ছে কিন্তু হাসিমুখে। চেহারায় এতটুকু বিরক্তির ছাপ নেই। এরপর ক্যান্টিনটা উঠে যায়। কিছুদিন পরে দেখি তারা তিনভাই মিলে আবারো দোকান দিয়েছে ফাস্ট গেইটে। তাদের খাবারের মান আর আন্তরিকতায় ছেলেমেয়েরা আবারো হুমড়ি খেয়ে পড়লো ভাইয়ের দোকানে। বিশেষ করে ভাইয়ের রান্না করা শুক্রবারের বিরিয়ানি ছিল ক্লাসিকাল পর্যায়ের। যেমন ঘ্রাণ তেমন স্বাদ। কিন্তু নামমাত্র দাম!
আমাদের সেই আফজাল ভাই ভালো নেই। জনতা কলেজের সামনে তার ছোট্ট একটা পেঁয়াজুর দোকান ছিল। কিন্তু করোনার এই সময়ে সব স্কুল, কলেজ ছুটি আর আমাদের ক্যাম্পাসেও কেউ নেই। বিক্রি একেবারেই হতো না। তাই দোকানটাও বেঁচে দিতে হয়। কয়েক মাস ভাই একেবারেই বেকার। ডাল, ভাত খেয়ে খুব কষ্টে তার দিনগুলো পার হচ্ছে। ভাইয়ের মুখের সেই মিষ্টি হাসিটা একেবারেই ম্লান। তার এখন ইচ্ছা ছোট্ট একটা চায়ের দোকান দেয়া। এতে বেশ কিছু টাকার প্রয়োজন। কিন্তু পুঁজি যে নেই!
পবিপ্রবির সকলের কাছে বিনীত আর্জি জানাচ্ছি আমাদের সকলের প্রিয়মুখ আফজাল ভাইয়ের দুর্দিনে তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য। আমার বিকাশ নম্বরঃ ০১৬২৪৮৩৩০৮৫ (পার্সোনাল)। অন্তত ৫০০ টাকাও করেও যদি আমরা দেই তাহলেও একটা বড় এমাউন্ট হয়। আপনাদের সমস্ত টাকা এক করে ভাইয়ের হাতে তুলে দিব ইনশাআল্লাহ। টাকা পাঠানোর আগে দয়া করে এই নম্বরে ফোন দিবেন।
যে আফজাল ভাইয়ের পেঁয়াজু আর আদর খেয়ে আমরা আজ এতদূর এসেছি, সেই আমরা কি পারিনা তার বিষন্ন মুখে এক চিলতে হাসি ফোঁটাতে?
Adnan
ভাইস-প্রিন্সিপাল,
সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী,
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
19/07/2017
Adnan Hossain Sakib
এই বর্গকিমি আয়তনে
আমার প্রাণের শহর,
পবিপ্রবি নামটি যে তার আমার দ্বিতীয় ঘর।
সবুজ শাড়িতে মোড়া তার
রূপেরমোহ শরীর,
সেই সবুজে ব্যস্ত শহর পাখির কিচিরমিচির।
শহর বুকে যাচ্ছে বয়ে
লাল-নীল কমল, তরঙ্গতনু আর সালসাবিল,
দক্ষিণা শাড়ির আচল উড়িয়ে বাতাস বহে অনাবিল।
জয় বাংলা আর প্যারিস রোডে
আড্ডা, গান আর পায়চারি,
ডায়নিংয়েতে বিখ্যাত ডাল, রুবেলে হলুদ মাখা তরকারি।
প্রতিটি হল রাজপ্রসাদ সম
ব্লকে ব্লকে ধাধা,
নীল বাস আর লাভ রোডেতে আমাদের প্রেম বাধা।
ছবির থেকেও সুন্দর যে ক্যাম্পাস
বিশেষণ দিতে ভুলে সব কবি,
ভালোবাসার আরেক শহর আমার পবিপ্রবি।।
💜💜💜
30/06/2017
তুমি যখন" রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের, "নীল- সাদা " বাসের পেছনের কোন সিটের জানালার পাশে বসে আছ, বাসটা তখন
ব্যস্তময় রাস্তায় এসে থামলো। অনেক লম্বা জ্যাম!সারি হয়ে দাড়িয়ে আছে প্রাইভেট কার, রিক্সা,পাবলিক বাস। হাসপাশ করছে গরমে, এই জ্যাম ছাড়ার লক্ষন নেই।
তখন একটা সময় দেখতে পাবা অচিরেই তোমার "রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় " লেখা বাসটা সব গুলো গাড়িকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তার ডান দিকে এসে
সাই সাই করে টান দেবে। অসাধারণ শীতল একটা বাতাস এসে তোমার গায়ে পরশ দিয়ে যাবে। তুমি জানালা দিয়ে একটু
মাথা বের করে দেখতে পাবা যদিও তুমি উল্টো পথে যাচ্ছ, তবুও গাড়ি গুলো সসম্মানে তোমাকে সাইড দিয়ে দিচ্ছে, পাশের লাইনের প্রাইভেট কার থেকে কেউ কেউ গলা বের করে একবার দেখে নেবে তোমার বাসটা।
+
এই বাসেই হয়তো বসে আছে ভবিষ্যৎ
ইঞ্জিনিয়ার, ম্যাজিস্ট্রেট, অধ্যাপক, ব্যাংকার,
লেখক সহ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান গুলো।
+
তুমি ফুটপাতের দিকে তাকিয়ে দেখবে একজন বাবা তার ছোট্ট শিশুটার হাত ধরে হাটছে, আর সন্তানকে ইশারায় তোমার বাস
দেখিয়ে দিচ্ছে। তুমি বুঝতে পারবে বাবা বলছে এই বাসে দেশসেরা ছাত্র গুলো যাচ্ছে, তোমার চোখ ভিজে আসবে যখন তুমি মনে করবা সেই দিন টার কথা যেদিন এমন একটা গাড়ি দেখে তোমার বাবাও স্বপ্ন
দেখেছিলেন। তোমাকে ঠিক এভাবেই চিনিয়ে দিয়েছিলেন।।এইতো সেরা পাওয়া ভাইয়া! এটাই হলো অর্জন।
+
তখন তুমি ভুলেই যাবে কত রাত না
ঘুমিয়ে তুমি আজ বাসে একটা সিট
পেয়েছো,সব গুলো কষ্ট ধুয়ে দেবে সে
মৃদু হাওয়া।
+
একটু পরিশ্রম করো।
"রাবি "
তোমার অপেক্ষায়.
(PSTUANS)???
11/04/2017
নিজাম উদ্দিন সাব্বির
হে Mother জাতি.......
যারা নীল বাস এ করে যাওয়া আসা করেন
প্রতিদিন পিকনিক ফুচকা খেতে পটুয়াখালী বরিশাল ভ্রমণ করেন
তাদেরকে বলছি
Father জাতি দাঁড়িয়ে যায় বলেই আপনারা
বসে, কানে হেডফোন দিয়ে, অনেকে আবার ঘুমিয়ে যান।
তাই বিশেষ অনুরোধ রোজ রোজ পিকনিক না করে আমাদের বসার সুযোগ করে দিন।
সিটে বসলে নিজেকে আর মানুষ ভাবেন না হয়ে যান দেবী। আর আমরা তো দূরের কথা!
সামান্য নড়াচড়ায় অসুবিধা হয় তাদের (পড়ুন দেবী) বলছি প্রাইভেট কার কিনুন। আপনাদের শুয়ে,বসে যাওয়ার সুযোগ থাকলে আমাদের ও সে অধিকার কিঞ্চিত কম নয়।
নির্ঝঞ্ঝাট ভ্রমণের শুভকামনা
# পবিপ্রবি_নীল_বাস_ফ্যাক্ট।
12/01/2017
Atikullah Zubayer
নীল বাসে প্রেমীকরা পাশে তাকিয়ে চাঁদ দেখে আর অন্যরা জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকায়। নীল বাসের প্রেম হাজার বছর বেঁচে থাকুক।।।।
# নীল_বাস।
02/09/2016
ভালোবাসার নীল বাস।
কৃতজ্ঞতাঃ Adnan Hossain Sakib
02/08/2016
#মার্জিয়া_তাবাসসুম
ভার্সিটির বাস কার কাছে কেমন লাগে জানিনা,
আমার ম্যালা পছন্দের,
যখন এই বাসে থাকি নিজেরে রাস্তার রাজা মনে হয়
অন্যরকম একটা প্রটেক্টেড ফিল হয়,ভালো লাগে,
নিজের ভার্সিটি নিজের বাস।
18/06/2016
A.r. Shamim
আসসালামুআলাইকুম। আশাকরি সবাই ভালো আছেন। সংগীত পরিচালক ও শিল্পী কাজী নওরীন এর কন্ঠে শুনুন আমার লেখা "তুমি বৃষ্টি হবে কি আমার" এই গানটি।
https://m.youtube.com/watch?v=gWXr6zDYkxg&feature=youtu.be&a
ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।
অ্যালবাম: কাজী নওরীন ফিচারিং ভেরিয়াস আর্টিস্ট "অজানা ভালোবাসা"। সম্প্রতি এই অ্যালবামের সফলতার জন্য নারী সংগীত পরিচালক,শিল্পী ও মিউজিক কম্পোজার হিসেবে "বন্ধন কালচারাল অ্যাওয়ার্ড " অর্জন করেন কাজী নওরীন। শুভ কামনা রইলো অ্যালবামের সকল শিল্পী, গীতিকার, কলাকুশলী এবং পৃষ্ঠপোষকদের জন্য। সকল সংগীতপ্রেমী শ্রোতারা ভালো থাকুন।
01/06/2016
আমাদের ক্যাম্পাসে কবে পাব এমন সুবিধা???
রাবিতে একাধিক সুবিধা সম্বলিত স্মার্ট কার্ড প্রদান।
লেখাটি প্রকাশিত হয়েছেঃ জুন ০১, ২০১৬ ইং তারিখে
মালেক সরদার,রাবি: ডিজিটাল ক্যাম্পাস গড়ার ক্ষেত্রে আর এক ধাপ এগিয়ে উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়(রাবি)। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ই ২০১১ সাল থেকে প্রথম স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদান শুরু করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির পরে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় স্মার্ট আইডি কার্ড। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচয়পত্র হিসেবে এটা ব্যবহার ছাড়াও লাইব্রেরি কার্ড, হল কার্ড, ইন্টারনেট সার্ভিস, মেডিকেল সুবিধাসহ প্রাশাসনিক সকল কাজে ব্যবহার করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।
গত ২৮ মে(শনিবার) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদান শুরু করছে রাবি প্রশাসন। এজন্য শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে নিজ নিজ বিভাগ থেকে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহের ব্যাপারে জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘দেশের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই আরএফআইডি কার্ডের ব্যবহার শুরু করি। ২০১০ সালে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্বল্প পরিসরে একটি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে স্মার্ট আইডি কার্ডের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ২০১১ সালের মাঝামাঝি সময়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে পরীক্ষামূলকভাবে ৩৯০টি কার্ড বিতরণের মাধ্যমে প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয়।
স্মার্ট কার্ডের ব্যাপারে জানতে চাইলে আব্দুল হাসিব ও গাজিউর রহমান শিহাব নামের দুই শিক্ষার্থী জানান,পাবলিক ভার্সিটি হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রথম স্মার্ট কার্ড দেওয়া হচ্ছে, এটা সত্যিই অনেক গর্বের বিষয়।
কথা বললে প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থী লুবনা খাঁন বর্ষা ও ফাহিমা সিদ্দিকা ক্যাম্পাস রিপোর্টকে বলেন, এতটা সুবিধা সম্বলিত এই স্মার্ট কার্ডটি পেয়ে অনেক ভাল লাগছে, তবে সবখানে স্মার্ট কার্ডের ব্যবহার নিশ্চিত হলে আমরা অনেক উপকৃত হব।
আরএফআইডি কার্ডের সুবিধা
আইসিটি সেন্টার পরিচালক বলেন, গত বছরের শেষের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে স্মার্ট কার্ড ব্যবহার শুরু করা হয়েছে। এছাড়া প্রশাসন ভবনের গেটে একসেস কন্ট্রোল সিস্টেম গেট বসানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তা সর্বত্র বসানো হবে এবং রাবির ২৮টি সেক্টরে এর ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। শুধু স্মার্ট কার্ডধারীরা ওই গেট অতিক্রম করতে পারবেন। আগামী তিন মাসের (এপ্রিল) মধ্যেই এসব কাজ শেষ হবে বলেও দাবি করেন তিনি।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সকলকে আধুনিক সেবা দিতে স্মার্ট আইডি কার্ডের ব্যবহার শুরু হচ্ছে। এটি সম্পন্ন হলে এই দেশের প্রথম ডিজিটাল ক্যাম্পাস হবে।’
http://www.campusreport24.com/campus-news/university/1647
রাবিতে একাধিক সুবিধা সম্বলিত স্মার্ট কার্ড প্রদান | Campus Report 24
মালেক সরদার,রাবি: ডিজিটাল ক্যাম্পাস গড়ার ক্ষেত্রে আর এক ধাপ এগিয়ে উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়(রাবি)।..
27/05/2016
পবিপ্রবিতে তীব্র পরিবহন সংকট: শিক্ষার্থীদের জন্য সিট বরাদ্দ শতকরা ১টি।
Fri, May 27th, 2016 |
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের অন্যতম মৌলিক সুবিধা হল পরিবহন সুবিধা। দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন শিক্ষার্থীরা এই মৌলিক সুবিধাটি সহজে পেলেও ব্যতিক্রম দেশের একমাত্র সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিঃস্থ ক্যাম্পাস, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশালের বাবুগঞ্জস্থ ক্যাম্পাস।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস দুমকী পটুয়াখালীতে হওয়ায় নানা সুযোগ সুবিধা থেকেই বরাবরই বঞ্চিত সুগন্ধা নদী বিধৌত এ ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ক্যাম্পাসে ২ টি ডিগ্রির মোট ০৯ টি ব্যাচের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সাথে গত বছর থেকে ডক্টর অফ ভেটেরিনারি মেডিসিন ডিগ্রির মাস্টার্স কোর্স চালু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছেন। ১০ টি বিভাগের শিক্ষক – কর্মকর্তা –কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় আরো দুই (২) শতাধিক ব্যক্তিবর্গ যুক্ত রয়েছেন এই শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে। তবে অতীব দুঃখের বিষয় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে মাত্র ১টি মিনিবাস। যার আসন সংখ্যা মাত্র ৩৫।
আগে বাস সপ্তাহে ২ দিন চলাচল করতো। কিন্তু বর্তমানে ছুটির দিন ব্যাতীত প্রতিদিন সকালে ও বিকালে যাতায়াত করে (শনিবার সহ)। যেখানে শিক্ষক-কর্মকর্তা কর্মচারীর জন্য বরাদ্দ থাকে ৩০ টি আসন। তাহলে বাকি ৫ টি আসন বরাদ্দ প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য। এই অপ্রতুল পরিবহন সুবিধার জন্য প্রায় প্রতিদিনই বাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সাথে কর্মকর্তা- কর্মচারীদের বিবাদ সৃষ্টি হয়। বার বার প্রশাসনকে জানিয়েও সমাধান পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন সাধারন শিক্ষার্থীরা।
ডিভিএম ডিগ্রির শেষ বর্ষের ছাত্র মোঃ ফাহাদ হোসেন শুভ সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, “সম্প্রতি বাসের দাবিতে আমরা এই বাসটিকে আটকিয়ে দিয়েছিলাম। পরে পরিবহন কর্মকর্তা মোঃ এনায়েত কবীর এর আলোচনার আশ্বাসে আমরা প্রত্যাহার করে নেই। আমাদের দাবী অবিলম্বে আমাদের চলাচলের জন্য নতুন একটি বড় বাস চাই”।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশাল ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ সাব্বির হোসেন সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, “মাত্র একটি মিনিবাস দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারী সবাইকে চলাচল করতে হয় এটা আসলেই শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই কষ্টের। আমরা প্রশাসন কে অনেক বার বলেছি , এমনকি ভাইস চ্যান্সেলর স্যারকেও বলেছি, কয়েক মাস আগে আশ্বাস পেয়েছিলাম একটি নতুন বাস পাওয়ার কিন্তু এখনো তো পেলাম না” তবে আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে”।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্র বলেন, আমরা যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এটা মাঝে মাঝে ভুলেই যাই। কর্মচারীরা পরিবার পরিজন নিয়ে বাসে বসে যায় আর আমরা একটু দাড়ানোর সুযোগ পাই না। আমার তো মনে হয় এই বাস তাদেরই জন্য”।
নাম প্রকাশে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারী বলেন, আমরা প্রতিমাসে ৬০০ টাকা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শাখাকে দেই। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও তো আমাদের টাকা ঠিকই কেটে নেওয়া হয় তাহলে কেন আমরা দাঁড়িয়ে যাবো। আমরা প্রত্যেক সিট মাসিক চুক্তিতে ভাড়া করেছি তাই অবিলম্বে এই পরিবহন সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশাল ক্যাম্পাসে অতি দ্রুত একটি বাস প্রাপ্তি এখন সকলের প্রানের দাবীতে পরিণত হয়েছে।
উল্লেখ্য, তৎকালীন বরিশাল সরকারী ভেটেরিনারি কলেজ ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এনিমেল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদ হিসেবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত করছে এবং ঐ সময়ের কলেজের প্রজেক্টের এই মিনিবাস এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারীদের সবে ধন নীলমণি।
- মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান পাপ্পু, পবিপ্রবি প্রতিনিধি।
21/05/2016
added .
ঝড় বৃষ্টি কিছূতেই আটকাতে পারে না PSTU এর xm/ class.তইতো student দের নিতে পাঠানো হইছে বাস।দ্বীপের মাঝ M.K ALI হল থেকে student নিয়ে যাওয়া হচ্ছে Academic এর দিকে।