বুঝলে প্রিয়,
মনটা না একদমই ভালো যাচ্ছে না। জানি না কী হইছে। কেনই বা এতো ভালো না থাকার অভিযোগ। কেন রাতের ঘুম পালিয়েছে শেষ রাতে, কেন দুঃস্বপ্ন আসে রোজ অন্ধকারের ট্রেনে চেপে। যার শেষ গন্তব্য হয় আমারই মস্তিষ্কে! জানি না কিছু। বুঝেও উঠতে পারছি না ঠিক।
হাতে অসংখ্য কাজের চাপ। কিন্তু হাত চলছে না কিছুতেই। কতো কিছু রাতে সাজিয়ে রাখি সকালে করবো বলে। কিন্তু রাতে অন্ধকারের ট্রেনে চেপে আসা দুঃস্বপ্ন সবকিছু উল্টেপাল্টে দেয়। তাই শেষমেষ করাও হয় না কিছু আর। কাজগুলো অযত্নেই পড়ে থাকে।
অযত্নের কথা আর কি বলবো, বলো? আয়নার সামনে দাঁড়াতে ভয় হয় যে ভীষণ। উজ্জ্বলতা কেমন যেন মলিন হয়ে গেছে। কপালে জমেছে দুশ্চিন্তার ভাঁজ। ইদানীং ওদের সংখ্যা বেড়েছে কিছুটা।
যে আমি এক সময় গর্ব করে বলতাম, আমার চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে নি কখনো। সেই আমারই চোখের দিকে আমি এখন আর তাকাতে পারি না।
তুমি বিশ্বাস করো, এই যে বছর তিনেক পরে হঠাৎ করে আমায় যদি তুমি দেখো, তবে তোমার মস্তিষ্ক আমায় চিনতে দেরি করবে কয়েক সেকেন্ড। তুমি অবাক চোখে তাকিয়ে থেকে আফসোসের স্বরে হয়তো বলেই ফেলবে, “এ তোমার কী হাল হয়েছে।” আমি হয়তো মুচকি হেসে এড়িয়ে যাবো সবটা। মানুষ যে তার নিজস্ব দুঃখ নিয়ে আলাপ পছন্দ করে না।
আমরাও তারপর অন্য প্রসঙ্গে ডুব দিয়ে বলবো, অন্য কারো ক্ষতের গপ্প কিংবা তোমার সংসার জীবন। আর আমি? আড়ালে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছেড়ে তোমায় কিচ্ছুটি জানতে না দেওয়ায়, জয়ের হাসি হাসবো।
তবে চমৎকার ব্যাপার হচ্ছে, এই গোলাকার পৃথিবীতে আমাদের কখনো কথা তো দূর দেখাও হবে না। আমরা দু'জন যে দুই মেরুর মানুষ, আমাদের একে অপরকে মনে করাও মানা। ভীষণ রকম অপরাধ!
_ নাবিলা তাসনিম
Kajal Arefin omi
থাকতে মানুষ দেয় না মূল্য
তাইতো মানুষ হারায়,
হারায় গেলে মানুষ তখন
পাগল হয়ে খোঁজে বেড়ায়।
থাকতে যদি পার
তোমরা যারা বলো, “তাকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না।” তাদের বলছি.... কথাটা তিক্ত হলেও সত্য যে তুমি যাদের ছাড়া বাঁচবে না বলে অভিযোগ করেছিলে। বছর পাঁচেক পরে তাদের কথা তোমার মনে পর্যন্ত পড়বে না। আর যদি ভুল করে মনেও পরে তখন কষ্ট নয় বরং নিজের বোকামির জন্য আফসোস ছাড়া আর কিচ্ছু হবে না। হয়তো একগাল হেসে বলেই ফেলবে, “ইশ্! কতো বোকাই না ছিলাম আমি।”
_ নাবিলা তাসনিম
সমস্যাটা আসলে তখনই হলো, যখন মানুষ চিনতে শুরু করলাম। যখন শিখতে শুরু করলাম মুখ আর মুখোশের মধ্যে পার্থক্য। যখন চোখগুলো জানান দিলো কে কাছের আর কে দূরের, কে উপকার করতে জানে আর কে'ই বা স্বার্থ খোঁজে!
হ্যাঁ সমস্যাটা তখনই শুরু হলো। যখন মানুষ চিনলাম খুব কাছ থেকে, বোকা আমিটা ধোকা খেয়ে হলাম দারুণ কঠোর। ঠিক তখনই, চোখ থেকে সরে গেলো আবেগের কালো পর্দা। আলোর ঝটকায় চোখগুলোকে স্থির করে যখন আলতো করে চোখ খুলে তাকালাম। তখন বুকের ভিতর কিসের যেন ধাক্কা অনুভব করলাম এবং যা দেখালাম তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না মোটেই। চেয়ে দেখি আমার আশেপাশে কেউ নেই। ধু ধু মরুভূমির মধ্যে আমি একা ঠাঁই দাঁড়িয়ে। ভয় পেলাম খুব। দৌড় দিলাম নিজের সবটুকু শক্তি দিয়ে। কিছু দূরে যাওয়ার পরে দেখলাম। দু'একজন দাঁড়িয়ে। আর এরা তারাই ছিলো, যাদের আমি দূরে সরিয়ে দিয়েছি অন্য কারো মোহে পড়ে। বুঝলাম আমি ভুল ছিলাম।
সব কিছু বুঝে এখন মনে হচ্ছে, এই এক জীবনে মানুষের মুখোশ চিনতে পারাটাই আমার জন্য ভীষণ অভিশাপের। না মানুষ চিনতাম, আর না কাছের মানুষের সত্যের আড়ালের মিথ্যেকে জেনে যন্ত্রণায় আহত সৈনিকের মতো ছটফট করতাম!
_ নাবিলা তাসনিম
মানুষ মানুষের ক্ষ'তি করে পৈশা-চিক একটা আনন্দ পায়। যেমন ধরেন, কেউ কারোর নামে একটা বদ'নাম করে আত্মিক শান্তি পাচ্ছে। কেউবা ফিজিক্যাল ট'র্চার করে কেউ বা মেন্টাল ট'র্চার করে শান্তি পাচ্ছে বোধ করে। আসলেই কি এসবে শান্তি খুঁজে পাওয়া যায়? হয়তো পাওয়া যায় বলেই আমরা করি। কোনো এক কালে হয়তো আমিও এসবে শান্তি পেতাম বলে করেছিলাম। ফেরেশতা নই যে ভুল হবে না।
আব্বু একটা কথা বলতেন, যার সাথে মিলবে না, বোধ করো যে সম্পর্ক খারাপ হবে তার সাথে পাশে থেকো না। প্রয়োজনের অধিক কথা বলা অনুচিত। মারাত্মক অনুচিত।
কথার তাৎপর্য হোক কিংবা মর্ম, মানুষ এক সময় বুঝে যায়। আমিও বুঝেছিলাম, দারুণ ভাবে মাথায় ছিল সেসব কথা। তবে কথা কি, সেসব আরকি গুরুত্ব দিচ্ছিলাম না। ফলাফল, টের পাচ্ছি।
একজন বললো কথার প্রেক্ষিতে কুকুর, একজন শুনলো কু-ত্তার বাচ্চা, তৃতীয় জনের কানের গেলো, আহ, তোমারে তো এসবের বাচ্চা বলিয়া ভ'ৎসনা দেওয়া হয়েছে, জানো কিছু কি?
এসব সাময়িক আত্মীক শান্তি বৈকি কিছুই না, এসব মোহ কিংবা মরিচিকা। সব ভারী হচ্ছে কিন্তু হালকা হচ্ছে না কিছুই।
সময় নাও, আর কিছু দিন দেখো, অপর জনের পরিস্থিতি বুঝে দেখো, তোমার নিজেরই খারাপ লাগা কাজ করবে। কারোর প্রতি কারোর রাগ, অভিমান যতটা না প্রখর কিংবা কষ্টদায়ক তার'চে ঢের কষ্টের নিজের অনুতপ্তবোধ। দেখা গেলো, একটা মানুষ আমাদের সাথেই থাকতো, হাসতো, আড্ডা দিত হুট করে মানুষটা উধাও। কোথাও নেই। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কোথাও নাহ, কখনও জানা হলো আমরাও দায়ী এসবে। তখনও কী আমাদের পৈশা'চিক আনন্দ কিংবা আত্মতুষ্টি বিরাজ করবে? নাকি কিছু অনুতপ্তবোধ কিংবা পা'পের দায় মাথায় নিয়ে সারা জীবন কাটিয়ে দিতে হবে?
কী ভ'য়ংকর ব্যাপার-সকল। কেউ একজন স্বপ্নে এলো, এসে বলে গেলো, আমার অনেক গুলো অভিযোগ। অভিযোগ করার সময়সীমা ৩ সেকেন্ড। অথচ, আমাদের মনে হবে অসীম অনন্ত এককাল।
আহ! দুঃস্বপ্ন যে!
.....
✍️মিথিলা ফারজানা
#ফ্যানপোস্ট
#লিখালিখি
দাসত্বের মনোভাবকে আমরা যতদিন জিইয়ে রাখবো, অহেতুক বিনয়কে যতদিন সম্পদ ভেবে যাবো— ততদিন আমরা মেঘ জমা আকাশকে সুন্দর ভেবে, দূরে রাখবো সূর্যকে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে বাদ দিয়ে আমাদের ভিতরে জমে থাকা ভয়কে আমরা প্রতিনিয়ত শক্তিশালী করে তুলছি। ভারী হতে থাকা পাপ আর নিজেকে প্রশ্ন করার সাহস না থাকা, কখনো কখনো অন্যের ভুলকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে নিজের ভুলকে ভুলে যাওয়া। আমরা দেখি— অন্ধকার একটা জীবনে— আলো বলতে বেঁচে থাকার বিষয়টা মূল।
আজকে যাকে ছোট করে কথা বললে, একদিন তোমাকেও কেউ ছোট করে কথা বলবে। যাকে আজকে দুর্বল ভেবে যা খুশি তা বলে অপমান করলে, একদিন এরচেয়েও চরম অপমানিত তোমাকেও কেউ করবে।
কথার আঘাতে যাকে আজ দুমরে মুচরে দিলে, এরচেয়েও কঠিন কথা কেউ তোমাকে বলে তোমাকে ভিতর থেকে ভেঙ্গে দেবে। নিরপরাধ মানুষটাকে তুমি আজকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সবার চোখে অপরাধী বানালে, একদিন এরচেয়েও কঠিন অপরাধী হবে।
অসহায় মানুষটাকে আজকে তুমি শরীরের বল দিয়ে মেরে রক্তাক্ত করলে, একদিন তোমার শরীরের বলও ফুরাবে, সেদিন তুমি এরচেয়ে আরো অসহায় হয়ে যাবে।
সব ফেরত পাবে সব, সব। উপরওয়ালা সবার প্রতি সমান বিচার করেন। অভিশাপ দেওয়া লাগে না। উপরওয়ালা সব দেখছেন। একদিন তুমি তোমার সব কাজের ফলাফল তোমার মাঝেই ফেরত পাবে।
অপেক্ষা করো, সব ফেরত পাবে। দুদিন আগে হোক কিংবা দুদিন পরে!
- লিপি সরকার
নভেম্বর এবং শীতের সকাল
[]
দুঃখ মানুষকে ডুবিয়ে দেয়। সম্পর্ক মানুষকে নতুন নতুন পথ দেখায়। কিন্তু সবকিছু জেনে গেলে, সবকিছু চিনে গেলে মানুষ আর বেঁচে থাকার আনন্দ পায় না।
নভেম্বর, গায়ে হালকা করে স্পর্শ করে শীত
পিছনে তাকাতে পারি না
তোমার ছায়া যেন অপেক্ষা করছে আমার জন্য।
চলে গেছে অনেকে। জীবন কেবল দুঃখ দেয়।
মাটির দুঃখ হলো পাতার স্পর্শ না পাওয়া।
আমার দুঃখ তোমার কাছাকাছি থাকতে না পারা।
অনেকেই চলে যাবে, চলে যাওয়ার স্রোত শক্তিশালী বিধায়।
নভেম্বরের এই শীত, শীতের সকাল
গড়িয়ে দুপুর এবং সন্ধ্যা। হেঁটে চলে যায় মানুষ, মানুষকে ছেড়ে।
দেখছি নিজেকে, অস্তিত্বের একটা সংকট
গ্রহণ করতে পারার অক্ষমতা। আমি দাঁড়িয়ে থাকি যে গাছের ছায়ায়, সে গাছের দুঃখ কেবল ঝরে পড়া পাতা।
জন্ম নেয় নতুন শোক। চোখের নিচে কালো দাগ।
মানুষ গেলে, মানুষ মূলত নতুন কেউ হয়ে ফিরে।
আমার অনেক কথা ছিলো। কারো কানে ফিসফিসিয়ে হয় নি বলা। ছন্দ করে কাব্যরূপে নোটখাতাতে হয় নি লেখা। কিংবা কারো চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে ভুলের বশে মুখ ফসকে হয় নি বলা। যে কথাটা খুব গোপনে আটকে গেছে বুকের ভেতর, নিজের মতোন।
আমার অনেক কথা ছিলো। বলতে পারলে ভালোই হতো। জীবন থেকে দুঃ'খ নামক অংশটুকু বাদ পড়তো। চোখের নিচের কালশিটে আর মুখ গোমড়া ভাবটুকু সব বিলীন হতো। হঠাৎ হঠাৎ মন খা'রা'প আর মাথার ব্যামো দূর আকাশে উড়াল দিতো।
আমার অনেক কথা ছিলো। যার কারণে বিষণ্ণতায় বুকের ব্যাথায় জমাট বেঁধে র'ক্তক্ষরণ। কিংবা কোনো মধ্য রাতে দুঃস্বপ্নে আতকে উঠে ঘুমের ম'র'ণ। তাই হয়তো সকালগুলো একটু বেশি খামখেয়ালি!
যেসব কথা হয় নি বলা যায় না ভোলা, সেসব কথা সত্যি সত্যি বলতে পারলে ভালোই হতো। শান্তি সুধার সুখ আসতো। গল্পপুরীর ঘুম আসতো। কিন্তু! হয় না বলা, যায় না মোছা আলোর ভেতর বিবর্ণতার মলিন রেখা।
• জামানো কথা
_ নাবিলা তাসনিম
যাহাকে ভালোবাসি সে যদি ভালো না বাসে,
এমনকি ঘৃণাও করে তাও বোধ করি সহ্য হয়!
কিন্তু যাহার ভালবাসা পাইয়াছি
বলিয়া বিশ্বাস করেছি, সেইখানে ভুল
ভাঙ্গিয়া যাওয়াটাই সবচেয়ে নিদারুন।
পূর্বের টা ব্যাথা দেয়।
কিন্তু শেষের টা ব্যাথাও দেয়, অপমান ও করে।
হ্যাঁ!
চলার পথে হোঁচট খাওয়ার পরে ক্লান্তিটা আসতেই পারে। তাই বলে কি থেমে যেতে হবে মাঝপথে? উঁহু, একদমই না। শুনুন একটা সিক্রেট বলি।
আপনার যখন খুব করে ক্লান্তি চলে আসবে জীবনে, তখন আপনার যত্নের দায়ভার বিধাতার হাতে তুলে দিন। কারণ তিনিই একমাত্র, যে আমাদের পথ চেয়ে বসে থাকে এবং বলেন, “তোমরা যখন ক্লান্তবোধ করবে তখন আমার কাছে ছুটে এসো। আমি তোমাদের স্বস্তি দেবো এবং শেখাবো কিভাবে নম্র হৃদয় নিয়ে ক্ষমার চোখকে প্রসারিত করতে হয়। আর যখন তুমি এসব করতে পারবে, তখন তুমি সত্যিকার অর্থেই স্বস্তি পাবে।”🥀
_ নাবিলা তাসনিম
আপনি যখন প্রাক্তনের প্রেমে দ্বিতীয়বার পড়েন তখন আসলে স্মৃতিগুলির প্রেমে পড়েন, মানুষটির প্রেমে নয়। দ্বিতীয়বার একই মানুষকে ভালোবাসা আপনার প্রথম ভালোবাসার মতো কখনোই হবে না বরং কষ্ট পাবেন, প্রত্যাশার কাছে হেরে যাবেন। যতটুকু নিজেকে সামলেছিলেন ততটুকুই ভেঙে পড়বেন আবারো। প্রাক্তনকে প্রাক্তন থাকতে দিন, সিনেম্যাটিক ওয়েতে আপনার প্রাক্তন ফিরে এসে আপনাদের সুখের সংসার হবে এটা নিছক আকাশ কুসুম ভাবনা। নিজেকে ভালো রাখার দায়িত্ব নিজেকেই দিন, দ্বিতীয়বার নিজেকে ঠকাবার সুযোগ দিয়েন না।
~মিহি
আমি নিজেকে যে কতোটা গুটিয়ে নিয়েছি, সেটা আমার বিধাতাই ভালো জানে। এই যে তোমরা আমায় দেখছো। দেখছো, ছুটে চলছি, কথা বলছি, খিলখিলিয়ে হাসছি। অথচ তোমরা এটা দেখতে পারছো না, এই মুখোশের পিছনে একটা অভিমানী মুখ নিজেকে লুকিয়ে রেখেছে। যে প্রত্যাখ্যানের এফোঁড়ওফোঁড় সহ্য করতে না পেড়ে গুটিয়ে নিয়েছে নিজেকে। আলাদা করে ফেলেছে সবার থেকে। অভিনয়টাকেই সত্য বলে চালিয়ে দিচ্ছে সবার মাঝে, অথচ কেউ টেরই পাচ্ছে না।
বিশ্বাস করো, তোমরা যাকে দেখো রোজ। সে আমি নই। আমি নই মোটেই। আমি হারিয়ে গেছি, ফুরিয়ে গেছি ভীষণভাবে নিজের থেকে। অভিনয় করতে করতে ক্লান্ত বি'ধ্ব'স্ত হয়ে পরেছি। চোখের জল, বুকের র'ক্তক্ষরণ ঢাকা পরেছে মিথ্যে হাসির পেছনে। আর তোমরাও সেই হাসিটাকে সত্য ভেবে, আমায় সুখী মনে করে ঈ'র্ষা করো। করো.... করতেই পারো। আপত্তি নেই। অন্তত মিথ্যের পেছনের সত্যটা জেনে, দুঃ'খী তো আর ভাবলে না।
_ নাবিলা তাসনিম
Click here to claim your Sponsored Listing.