30/05/2026
Good morning
Love to Travel
30/05/2026
Good morning
ঈদ মোবারক 🌙
ঈদ মোবারক 🌙
26/05/2026
With Omar Faruk Madani – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
26/05/2026
আরাফার আগে তাওবা করার ৩টা স্তর
প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আজ বাংলাদেশে ৭ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি। আরাফা পরশু।
(সৌদি আরবে আজ ৮ জিলহজ — সেখানে আরাফা কাল।)
গত ৬ দিন আপনি রোজা রেখেছেন। তাকবির পড়েছেন। কুরআন পড়েছেন। ইস্তিগফার করেছেন। সদকা দিয়েছেন। পরিবার নিয়ে আমল করেছেন।
কিন্তু আজ একটা প্রশ্ন —
আপনি কি সত্যিই প্রস্তুত আরাফার জন্য?
কারণ আরাফা মানে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো। আর আল্লাহর সামনে পরিষ্কার হয়ে যেতে হয়। পুরনো গুনাহের বোঝা নিয়ে নয়।
একটা কথা মনে রাখবেন —
ময়লা কাপড় নিয়ে কেউ মেহমানের সামনে যায় না। গোসল করে, পরিষ্কার কাপড় পরে, সুগন্ধি লাগিয়ে যায়।
আরাফায় আল্লাহর সামনে যাচ্ছেন — আপনার অন্তরও কি পরিষ্কার?
আজকের পোস্ট তাওবা নিয়ে। তাওবার ৩টা স্তর নিয়ে। যা আপনাকে পরিষ্কার করবে আরাফার জন্য।
তাওবা কেন জরুরি আরাফার আগে?
নবীজি ﷺ বলেছেন — "যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে তাওবা করে, সে যেন নতুন জন্ম নিল। তার আগের কোনো গুনাহ নেই।" (ইবনে মাজাহ: ৪২৫০)
আরাফায় আল্লাহ বান্দাদের দেখেন। ফেরেশতাদের বলেন — "দেখো, আমার বান্দারা এসেছে। এলোমেলো চুল, ধুলোমাখা শরীর নিয়ে।"
কিন্তু যদি আপনার অন্তর ময়লা থাকে? পুরনো গুনাহ থাকে? তাহলে কেমন লাগবে?
তাই আরাফার আগে তাওবা — ফরজ না হলেও, জরুরি।
আজ সেই দিন। আরাফার ২ দিন আগে। আজ পরিষ্কার হয়ে যান।
তাওবার ৩টা স্তর
স্তর ১: জিহ্বার গুনাহ — যা মুখে করি
প্রিয় ভাই-বোনেরা, জিহ্বা ছোট। কিন্তু এর গুনাহ বড়।
মিথ্যা বলি। গীবত করি। পরনিন্দা করি। গালি দিই। কটু কথা বলি। মানুষের মন ভাঙি।
নবীজি ﷺ বলেছেন — "মানুষ জিহ্বার কারণে জাহান্নামে যাবে।" (তিরমিযি: ২৬১৬)
আজ কী করবেন?
যাকে কষ্ট দিয়েছেন, ক্ষমা চান — ফোন করুন। মেসেজ করুন। "আমি ভুল করেছি। মাফ করো।" যার গীবত করেছেন, তার জন্য দোয়া করুন — "আল্লাহ, তাকে ভালো রাখো। আমি তার পেছনে কথা বলেছি। আমাকে মাফ করো।" আজ থেকে জিহ্বা বন্ধ রাখুন — কথা কম বলুন। যা বলবেন, ভেবে বলুন।
নবীজি ﷺ বলেছেন — "যে আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করে, সে ভালো কথা বলুক অথবা চুপ থাকুক।" (বুখারি: ৬০১৮)
স্তর ২: চোখের গুনাহ — যা দেখে করি
চোখ আল্লাহর আমানত। কিন্তু আমরা কী দেখি?
হারাম ছবি দেখি। হারাম ভিডিও দেখি। মোবাইলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রল করি। নাটক, সিরিজ — যা দেখা উচিত না।
আল্লাহ বলেন —
قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ
"মুমিনদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে।" (সূরা নূর: ৩০)
আজ কী করবেন?
মোবাইল পরিষ্কার করুন — যে apps হারাম দেখায়, ডিলিট করুন। যে গ্রুপে খারাপ পোস্ট আসে, leave করুন। Screen time কমান — আজ থেকে ১ ঘণ্টা কম। চোখ ব্যবহার করুন ভালো কাজে — কুরআন পড়ুন। ইসলামিক বই পড়ুন। আল্লাহর সৃষ্টি দেখুন।
একটা কথা মনে রাখবেন — চোখ দিয়ে যা ঢুকে, তা অন্তরে থাকে। আর অন্তর ময়লা হলে নামাজ ভালো লাগে না।
স্তর ৩: অন্তরের গুনাহ — যা ভেতরে লুকানো
এটা সবচেয়ে কঠিন। কারণ এটা কেউ দেখে না। শুধু আল্লাহ দেখেন।
হিংসা। অহংকার। রাগ। লোভ। হিসাব। প্রতিশোধ। কারো ক্ষতি চাওয়া।
আল্লাহ বলেন — "সেই দিন কোনো সম্পদ কাজে আসবে না, কোনো সন্তান কাজে আসবে না। শুধু যে পরিষ্কার অন্তর নিয়ে আসবে।" (সূরা শুআরা: ৮৮-৮৯)
আজ কী করবেন?
হিংসা ছেড়ে দিন — যার প্রতি হিংসা করেন, তার জন্য দোয়া করুন। "আল্লাহ, তাকে আরও দাও।" অহংকার ভাঙুন — কারো সামনে নিজেকে বড় করবেন না। মনে রাখবেন — আপনিও আল্লাহর বান্দা। ক্ষমা করুন — যে আপনার সাথে খারাপ করেছে, তাকে মনে মনে ক্ষমা করুন। "আল্লাহ, আমি তাকে মাফ করলাম। তুমিও মাফ করো।"
নবীজি ﷺ বলেছেন — "যে ক্ষমা করে, আল্লাহ তার মর্যাদা বাড়ান।" (মুসলিম: ২৫৮৮)
তাওবার সবচেয়ে বড় দোয়া — সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আনতা, খালাকতানি ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়া'দিকা মাস্তাতা'তু, আউযু বিকা মিন শাররি মা সানা'তু, আবুউ লাকা বিনি'মাতিকা আলাইয়্যা, ওয়া আবুউ বিযানবি ফাগফিরলি, ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনুবা ইল্লা আনতা।
অর্থ:
হে আল্লাহ, তুমি আমার রব। তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো এবং আমি তোমার বান্দা। আমি যথাসাধ্য তোমার সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় চাই। আমার প্রতি তোমার নিয়ামত স্বীকার করছি এবং আমার গুনাহ স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করো। নিশ্চয়ই তুমি ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার কেউ নেই।
নবীজি ﷺ বলেছেন — "যে বিশ্বাসের সাথে দিনে এই দোয়া পড়ে এবং সন্ধ্যার আগে মারা যায়, সে জান্নাতবাসী। আর যে রাতে পড়ে এবং সকালের আগে মারা যায়, সেও জান্নাতবাসী।" (বুখারি: ৬৩০৬)
তাওবা আসলে কী?
প্রিয় ভাই-বোনেরা,
তাওবা মানে শুধু "আস্তাগফিরুল্লাহ" বলা না। তাওবা মানে —
গুনাহ স্বীকার করা — "হ্যাঁ, আমি করেছি।" অনুতপ্ত হওয়া — "আমি ভুল করেছি।" ছেড়ে দেওয়া — "আমি আর করবো না।" আবার না করার দৃঢ় সংকল্প — "ইনশাআল্লাহ, আর কখনো না।"
আর যদি কারো হক নষ্ট করেছেন — ফিরিয়ে দিন। ক্ষমা চান।
কাল কী হবে?
কাল বাংলাদেশে ৮ জিলহজ। আরাফার ১ দিন আগে।
(সৌদি আরবে আজই আরাফার দিন শুরু হচ্ছে।)
কাল আপনি দোয়া লিখে রাখবেন। কারণ পরশু আরাফায় যে ৭টা দোয়া চাইবেন, সেগুলো কালই ঠিক করতে হবে।
কিন্তু আজ তাওবা না করলে — কালকের দোয়া লেখা অসম্পূর্ণ থাকবে। কারণ পরিষ্কার অন্তর ছাড়া দোয়া পৌঁছায় না।
তাই আজ পরিষ্কার হয়ে যান। জিহ্বা, চোখ, অন্তর — সব পরিষ্কার।
মনে রাখবেন!
পরশু আরাফা। দোয়া কবুলের দিন। ২ বছরের গুনাহ মাফের দিন।
কিন্তু আরাফার দোয়া তখনই কবুল হয়, যখন আপনি পরিষ্কার অন্তর নিয়ে যাবেন।
আজ সেই দিন। আজ পরিষ্কার হয়ে যান।
জিহ্বা বন্ধ করুন। চোখ বন্ধ করুন। অন্তর খুলে দিন — শুধু আল্লাহর জন্য।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সত্যিকারের তাওবা করার তাওফিক দিন। জিহ্বা, চোখ, অন্তর — সব পরিষ্কার করে দিন। আর আরাফার দিন পরিষ্কার অন্তর নিয়ে তাঁর সামনে দাঁড়ানোর তাওফিক দিন। আমিন।
আজ কোন গুনাহ থেকে তাওবা করবেন?
১. জিহ্বার গুনাহ ২. চোখের গুনাহ ৩. অন্তরের গুনাহ
কমেন্টে লিখুন — নাম্বার। আর 'তাওবা কবুল করো' দোয়া করুন।
রেফারেন্স:
সহীহ বুখারি: ৬০১৮, ৬৩০৬ / সহীহ মুসলিম: ২৫৮৮ / জামে তিরমিযি: ২৬১৬ / সুনানে ইবনে মাজাহ: ৪২৫০ / সূরা নূর: ৩০ / সূরা শুআরা: ৮৮-৮৯
/EKRAMHOSSAIN
21/05/2026
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট!
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই আসুন, আমরা আগে থেকেই কিছু আমল ঠিক করে নেই, যেন এই দিনগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে চলে না যায়।
সুন্দরভাবে গুছিয়ে আমল লিস্ট শেয়ার করছি যেন রেডি হয়ে যেতে পারেন--
১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা:
সব আমলের ভিত্তি হলো ফরয ইবাদত। চেষ্টা করি সময়মতো, মনোযোগের সাথে সালাত আদায় করতে।
২. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা:
বারবার বলি:
*আস্তাগফিরুল্লাহ*
নিজের গুনাহের জন্য লজ্জিত হই, আল্লাহর কাছে ফিরে যাই।
৩. তাকবীর, তাহমীদ, তাহলীল ও তাসবীহ বেশি পড়া:
এই দিনগুলোতে বেশি বেশি পড়ি:
আল্লাহু আকবার**
আলহামদুলিল্লাহ**
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ**
সুবহান-আল্লাহ**
এভাবেও পড়তে পারি:
--আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
৪. কুরআন তিলাওয়াত করা
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন পড়ার লক্ষ্য ঠিক করি। অল্প হলেও নিয়মিত পড়ি। এখন থেকেই পড়া শুরু করুন, যিলহজ্জের ১০ দিনের মধ্যে একটা কুরআন খতিমা কমপ্লিট করতে পারেন।
৫. ফরজ নামাজের যত্ন নেয়ার পরে নফল সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া:
বিশেষ করে:
* তাহাজ্জুদ
* সালাতুদ দুহা
৬. রোযা রাখা
সম্ভব হলে যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখি।
বিশেষভাবে আরাফার দিনের রোযা অনেক ফযীলতপূর্ণ তাদের জন্য যারা হজে নেই। ঐ দিনের রোজার মাধ্যমে আগের এবং পরের ২ বছরের গুনাহ মাফ হয় সুবহানআল্লাহ!
৭. বেশি বেশি দোয়া করা:
নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি।
৮. যিকিরে জিহ্বা সজীব রাখা:
কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে, রান্না করতে করতে, ফাঁকে ফাঁকে যিকির করি। ছোট ছোট যিকিরও অনেক ভারী হয়ে যায় মীযানে।
৯. সদকা করা:
সামর্থ্য অনুযায়ী দান করি। অল্প হলেও আন্তরিকতা নিয়ে দিই।
১০. কুরবানির নিয়ত থাকলে চুল-নখ না কাটা:
যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তিনি যিলহজ্জের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি দেওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটার চেষ্টা করবেন।
১১. ভালো কাজের পরিকল্পনা করে রাখা:
যেমন:
* একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সাহায্য করা
* আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করা
* কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া
* ইসলামি কিছু শেখা বা শেখানো
১২. অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা কর
হিংসা, অহংকার, রাগ, শত্রুতা ইত্যাদি এসব থেকে হৃদয়কে পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। শুধু বাহ্যিক আমল নয়, অন্তরের আমলও জরুরি।
কুরবানীর এই মহান দিনগুলোতে কেবল পশু কুরবানীতে সীমাবদ্ধ না থাকি। বরং নিজেদের গুনাহ, নফসের খেয়াল, অহংকার, রাগ, খারাপ ভাষা —এসবকেও কুরবানী করার চেষ্টা করি।
এ সময় self-purification বা আত্মশুদ্ধির আমলও খুব জরুরি। যেমন:
* নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করা
* মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা
* অন্যের হক সম্পর্কে সচেতন হওয়া
* কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে সংশোধন করা
* অন্তরকে নরম করা
এই ১০ দিন যেন আমাদের ভেতরের মানুষটাকেও বদলে দেয়।
১৩. পরিবারের মাঝেও নিজ ঘরে ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করা:
আমাদের মা-বাবা, সন্তান, ভাইবোনদের, স্বামী/স্ত্রীরা সবাই সবাইকে উৎসাহ দিই—যেন ঘরেও যিলহজ্জের সৌন্দর্য অনুভব করা যায়।
১৪. হজ্জের মৌসুমকে অন্তরে জীবন্ত রাখা:
যারা হজ্জ করতে যাচ্ছেন, তারা তো আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে হজ্জ করবেন।
আর যারা হজ্জে যাচ্ছেন না, তারাও যেন এই দিনগুলোতে এমন মানসিকতা রাখি—আমরাও আল্লাহর জন্যই সাড়া দিচ্ছি, আমরাও ইবাদাতে, যিকিরে, তাওবায়, দোয়ায় নিজেদের হাজির করছি।
এই কথার সাথে মিলে আমরাও বলি:
লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক
অর্থাৎ, হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত, আমি সাড়া দিচ্ছি।
হয়তো শারীরিকভাবে হজ্জে যাওয়া হয়নি, কিন্তু অন্তর যেন আল্লাহর দরবারে হাজির হয়।
১৫. আরাফার দিনটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া:
এই দিনে বেশি বেশি দোয়া, যিকির, তাওবা, কুরআন তিলাওয়াত ও রোযার প্রতি গুরুত্ব দিই।
১৬. ঈদের দিন আল্লাহর শোকর আদায় করা:
ঈদের আনন্দের মাঝেও যেন আল্লাহকে ভুলে না যাই। কুরবানি, সালাত, যিকির— সবকিছুই ইবাদত।
এক নজরে আমল চেকলিস্ট:
☐ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত
☐ কুরআন তিলাওয়াত
☐ ১০ দিনের বিশেষ যিকির
☐ ইস্তিগফার
☐ আরাফার দিনের জন্য বিশেষ দুয়া লিস্ট রেডি করা, দোয়া করা
☐ আরাফার দিনে রোজা রাখা
☐ সম্ভব হলে প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা
☐ সদকা দেয়া
☐ নফল সালাত
☐ আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করা, নিজের বদঅভ্যাস কুরবানী করা
☐ রাগ নিয়ন্ত্রণ করা
☐ ভালো ব্যবহার করা
☐ অন্যের হকের ব্যাপারে সচেতন হওয়া
☐ কুরবানী করা, কুরবানীর গোশত শেয়ার করা হকদারদের সাথে
নিজের জন্য এই নিয়তটি ঠিক করে ফেলুন আজকেই --
*“আমি এই ১০ দিনে আল্লাহর আরও প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ, আমার আমলে, আমার অন্তরে, আমার চেষ্টা দিয়ে!"
আল্লাহ আমাদের যিলহজ্জের এই বরকতময় দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তাওফীক দিন।
আ-মীন।
লিখা: শারিন সফি অদ্রিতা
15/04/2026
আল্লাহ্ হাজ্বিদের সুস্থ রাখুন, সঠিকভাবে হজ্ব পালনের তৌফিক দিন ও হজ্বকে কবুল করুন, আমীন।
✅ সহজভাবে ধারাবাহিকতা।
হজে তামাত্তু:
ইহরাম → তাওয়াফ → সাঈ > মাথার চুল কাটা ।
আবার
ইহরাম→ মিনা → আরাফাহ → মুযদালিফা → জামারাত → কুরবানি > মাথার চুল কাটা→ তাওয়াফ > সাঈ→ বিদায় তাওয়াফ
হজের সংক্ষিপ্ত মানচিত্র নিচে দেওয়া হল।👇👇
_সংগৃহীত ।
মাশাল্লাহ! মদিনায় প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে 🌧️
#শিলাবৃষ্টি
12/04/2026
দোয়া কবুলের সময় সমূহ:
ইসলামে দোয়া কবুলের জন্য কিছু বিশেষ ও বরকতময় সময় নির্ধারিত রয়েছে, যখন আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রার্থনা দ্রুত কবুল করেন। এর মধ্যে প্রধান হলো রাতের শেষ তৃতীয়াংশ (তাহাজ্জুদের সময়), আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়, সেজদারত অবস্থায়, ফরজ নামাজের পর, জুমআর দিনে আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এবং ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে [১, ২, ৫, ৬, ১৪]।
দোয়া কবুলের অন্যতম বিশেষ সময়সমূহ:
রাতের শেষ তৃতীয়াংশ: এই সময়ে আল্লাহ প্রথম আসমানে নেমে আসেন এবং বান্দার চাওয়া পূরণ করেন [১, ৫, ৬]।
সেজদারত অবস্থা: বান্দা যখন সেজদায় থাকে, তখন সে আল্লাহর সবচেয়ে কাছে থাকে [১, ৬]।
আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়: এ সময় দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না [১, ৪, ১৪]।
ফরজ নামাজের পর: পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ সালাতের সালাম ফিরানোর পর দোয়া কবুল হয় [১, ৪, ১৫]।
জুমআর দিন: জুমআর দিনে একটি বিশেষ মুহূর্ত (সম্ভবত আসরের পর) আছে, যখন দোয়া কবুল হয় [১, ৪]।
ইফতারের পূর্ব মুহূর্ত: রোজাদার ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে যে দোয়া করে, তা কবুল করা হয় [১৪]।
বৃষ্টি হওয়ার সময়: বৃষ্টির সময় দোয়া কবুল হয় [১, ৬]।
সফর বা মুসাফির অবস্থায়: সফরকারীর দোয়া কবুল হয় [৬]।
আরাফার দিন: জিলহজ মাসের ৯ তারিখ, বিশেষ করে আরাফাতের ময়দানে অবস্থানকারীদের দোয়া [৩, ৬]।
মজলুমের দোয়া: অত্যাচারিত বা মজলুমের দোয়া [৩]।
কদরের রাত: রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে [১]।
দোয়া কবুলের শর্ত ও আদব:
শুধু বিশেষ সময় নয়, দোয়া কবুলের জন্য প্রয়োজন হালাল রিজিক, একাগ্রতা, আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস, বিনয়ী হওয়া এবং দোয়া করার সময় তাড়াহুড়ো না করা [৬, ১০, ১৫]।
International Cultural Festival