12/09/2026
#কিছু_জরুরি_কথা:✍️
👉 সন্তানকে ভর্তি করানোর আগে প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের ব্যাপারে ভালো করে খোঁজ খবর নিয়ে ভর্তি করান।
👉 কারও কাছে পড়তে দেওয়ার আগে তার ব্যাকগ্রাউন্ডের খোঁজ খবর নিন।
👉 ওয়ান টু ওয়ান পড়াতে দিলে সবসময় উৎকর্ণ থাকুন, চোখ-কান খোলা রাখুন।
👉 যে প্রতিষ্ঠানে আমলি পরিবেশের পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা বা উত্তম মনিটরিং-এর ব্যবস্থা আছে, সেখানে সন্তানকে পড়তে দিন।
👉 সন্তান যেতে না চাইলে বিচক্ষণতার সাথে তার সমূহ সুবিধা অসুবিধা জানার চেষ্টা করুন।
👉 সন্তানের সব কথাবার্তা যেমন সত্য নয়, তেমনি সব কথা মিথ্যাও নয়। তাই নিরপেক্ষভাবে সত্যাসত্য যাচাই করে সন্তর্পণে পদক্ষেপ নিন।
👉 আজকাল অমনোযোগী ছাত্র-ছাত্রীকে চাপ দিলে তারা শিক্ষকের ওপর অপবাদ ও তুহমত উঠায়। এটা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন।
👉 অনেক সময় বাচ্চার মুখের কথায় নির্দোষ নিরীহ দুর্বল শিক্ষককে গিয়ে পাকড়াও করা হয়, তারপর মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে ফাঁসানো হয়। জিজ্ঞেস করলে অভিভাবক বলে মিথ্যা হলেও বিষয় যেহেতু চাউর হয়ে গেছে, তাই এখন আর ফিরে আসার সুযোগ নেই। আফসোস!
👉 মানুষের ইজ্জত তার জীবনের মতো মূল্যবান। তাই কারও ইজ্জতের ওপর হামলা করার আগে ১০০বার চিন্তা-ভাবনা করুন। অবশ্য অবরাধীর ছাড় নেই, কিন্তু নিরপরাধীকে অপরাধী সাব্যস্ত করা মারাত্মক অপরাধ।
👉 অনেক সময় দোষ করে একজন অথচ গালি দেওয়া হয় গোটা আলিম সমাজকে। এটা বড়োই খতরনাক বিষয়। এতে আল্লাহর লা'নত নেমে আসে। তাই এটা থেকে অবশ্যই নিবৃত্ত থাকুন।
👉 ছাত্রের যেমন নিরাপত্তার দরকার তেমনি উস্তাদদেরও নিরাপত্তার দরকার আছে। তাই কর্তৃপক্ষকে এটা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।
👉 কারও চেহারা দেখেই তাকে অপরাধী বলা ঠিক হবে না। এছাড়া কোনো গুজব শোনেই যাচাই করা ছাড়া তা বিশ্বাস করা ঠিক হবে না। এটা খেয়াল রাখুন।
👉 অনেকে বলে, যা রটে তার কিছু না কিছু ঘটে। অথচ আজকাল সমাজে হাজারও রটনা রটে চলেছে কোনো ঘটনা ঘটা ছাড়াই। তাই, কিছু শুনলেই লাফ দিতে নেই।