14/03/2026
গত কয়েকদিন ধরে হাদি ভাইয়ের হত্যাকাণ্ড নিয়ে চারদিকে তোলপাড় চলছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কিছু লোককে গ্রেফতার করার পর থেকেই বাংলাদেশের কিছু বিএনপি ঘরানার ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্ট যেন অস্বাভাবিক উল্লাসে মেতে উঠেছে।
গ্রেফতারের খবর পাওয়ার সাথে সাথেই তারা কোনো তদন্ত বা সত্য উদঘাটনের অপেক্ষা না করে তড়িঘড়ি করে জাবের জুমা ও হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচার দাবিতে সোচ্চার থাকা মানুষদের ওপর দোষ চাপাতে শুরু করেছে। পরিকল্পিতভাবে জুমা আপুর আইডিতে রিপোর্ট মারাও শুরু করা হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায় যে, আইডি হারানোর আশঙ্কায় তাকে বাধ্য হয়ে নিজের আইডি ডি-অ্যাক্টিভেট করতে হয়েছে।
এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এখন তাকে হাদি ভাইয়ের হত্যার প্ল্যানার বানানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। শুধু তাই নয় যারা শুরু থেকেই হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচার নিয়ে সক্রিয় ছিল তাদের অনেককেই একইভাবে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ এতটা বোকা নয় যে এসব সাজানো গল্প সহজে বিশ্বাস করবে। মানুষ ইতিমধ্যেই আঁচ করতে পেরেছে কারা এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকতে পারে এবং কারা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে।
অনেকের ধারণা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে আপনাদের একাংশ গোয়েন্দা সংস্থার একাংশ, ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং তাদের আশ্রয়দাতা ভারত এই পুরো নেক্সাসের ভূমিকা থাকতে পারে।
আজ আপনারা ক্ষমতায় আছেন। ক্ষমতার জোরে অনেক কিছুই করতে পারেন। চাইলে শিয়ালকে বাঘ আর বাঘকে শিয়াল বানানোর গল্পও দাঁড় করাতে পারেন। কারণ ক্ষমতার চাবি এখন আপনাদের হাতেই।
কিন্তু মনে রাখবেন বাংলার মানুষকে এত সহজে বোকা বানানো যায় না। এই দেশের মানুষ বহু আগ থেকেই আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শিখেছে।
১২শ শতাব্দীতেই এই অঞ্চলের মানুষ দিল্লি সালতানাতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল। তখন থেকেই বাংলার মানুষ ভারতের মূল ভূখণ্ডের দাদাগিরি মেনে নেয়নি। এখন তো আমরা সম্পূর্ণ আলাদা দুটি স্বাধীন দেশ তাহলে সেই দাদাগিরি মেনে নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
যেমন ইসরায়েল প্যালেস্টাইনকে দেখে অনেকের চোখে ভারতও ঠিক সেই দৃষ্টিতেই বাংলাদেশকে দেখে। কিন্তু বাস্তবতা হলোবাংলাদেশ কোনো দেশের অধীনস্থ নয়, কারও অর্ডারে চলার দেশ নয়। প্রতিটি দেশের সাথে সম্পর্ক থাকবে দেশীয় স্বার্থে, বাণিজ্যিক স্বার্থে; কারও আধিপত্য মেনে নেওয়ার জন্য নয়।
তাই যারা আজ ক্ষমতায় আছেন, তাদের বলি ভবিষ্যতে যা করবেন, ভেবে চিন্তে করবেন।
এই দেশের মানুষ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো নেতৃত্বকে বারবার ক্ষমতায় বসিয়েছে। কিন্তু যদি আপনারা সেই পথ ছেড়ে আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করেন, তাহলে সেই মাথা নত করার কুফল একদিন আপনাদেরই ভোগ করতে হবে।
বাংলার মানুষ নীরব থাকতে পারে, কিন্তু অন্যায় ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে তারা শেষ পর্যন্ত দাঁড়াতেই জানে।
Arif Hossain Abdullah Al Jaber
Fatima Tasnim Zuma
27/01/2026
আবিদুল খানেরা নিজেরাই নিজেদের হাসির পাত্র হিসেবে উপস্থাপন করতে উঠে-পড়ে লেগেছে।
এটা অনলাইনের যুগ এই ন্যূনতম বাস্তবতাটাও মনে হয় ভুলে গেছেন।
আপনাদের মিডিয়া এক্টিভিটি এত দুর্বল কেন ভাই?
নাকি সবাই একসাথে চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত, তাই কিছু যাচাই করার সুযোগই পান না?
সিনিয়র থেকে জুনিয়র সবাইকে দেখি এক জলের মাছ।
দায়িত্ববোধ, যাচাই, সচেতনতা কিছুই যেন নেই।
রুহুল কবির রিজভী সাহেব একবার তো এআই দিয়ে বানানো ভুয়া ভিডিও দেখে
সাদিক কায়েমকে খুনির সাথে চায়ের আড্ডায় বসিয়েছেন
এটা কী ধরনের রাজনীতি? 🤦♂️
এডিট, চেক, যাচাই এই শব্দগুলো কি আপনাদের ডিকশনারিতে নেই?
ভাই, অন্তত সচেতন হোন।
নইলে প্রতিদিনই এমন ভুলে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতাই শেষ করে ফেলবেন।
20/01/2026
চোখ মেলে দেখুন কারা নীতি আর সততার কথা বলে রাজনীতি করে।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড)
মো. আসলাম চৌধুরী খেলাপি ঋণ ১,৭০০ কোটি টাকা
নারায়ণগঞ্জ-২
নজরুল ইসলাম আজাদ খেলাপি ঋণ ১২২ কোটি টাকা
কুমিল্লা-৪
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী খেলাপি ঋণ ৮৯ কোটি টাকা
নীলফামারী-৩
সাইয়েদ আলী খেলাপি ঋণ ৩৫ কোটি টাকা
চট্টগ্রাম-২
সরওয়ার আলমগীর খেলাপি ঋণ ৪০০ কোটি টাকা (অভিযোগ)
এরা দেশ চালানোর আগেই ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ শুরু করেছে।
সংসদে যাওয়ার কথা বলে কিন্তু মানুষ প্রশ্ন করে,
সংসদে গেলে তাহলে দেশের কী পরিণতি হবে?
যারা নিজের ঋণের হিসাব দিতে পারে না তারা রাষ্ট্রের হিসাব দেবে
এসব বাওতাবাজি এসব নাটক আর কতদিন চলবে?
চুপ থাকা আর নিরপেক্ষ থাকা এক নয় সচেতন হোন, প্রশ্ন তুলুন।
12/01/2026
এরা এদের পুরনো খেলায় ফিরতেছে আবার,
তবে এটা তো ক্লিয়ার।
যে এরা বাংলাদেশী কোনো প্রতিষ্ঠান নই,
এরা এখানে বসে বসে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেছে।
08/01/2026
জুলাইয়ের পর থেকেই পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করা হয়েছে জুলাইয়ের নেতৃত্বদানকারীদের।
একটি নোংরা কিলিং মিশন বাস্তবায়নের শিকার হয়েছেন আমাদের প্রাণপ্রিয় হাদি ভাই।
আর সবচেয়ে ভয়ংকর সত্যটা কী জানেন?
এই ষড়যন্ত্রে সহায়তা করেছে তারাই,
যাদের আমরা নিজের হাতে ক্ষমতায় বসিয়েছি আমাদের তথাকথিত উপদেষ্টারা আমাদের তথাকথিত গোয়েন্দা সংস্থা আমাদের তথাকথিত সেনাবাহিনী যাদের কাজ ছিল
এই দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
তারা আজ কাজ করছে ভিনদেশের স্বার্থে এটা শুধু ব্যর্থতা নয়,এটা বিশ্বাসঘাতকতা এটা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের উপর ছুরি চালানো।
হাদি ভাইয়ের রক্ত প্রশ্ন করছে
এই দেশ কার এই রাষ্ট্র কার পক্ষে দাঁড়ায়?
আমরা চুপ থাকলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না।
এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলাই এখন সবচেয়ে বড় দেশপ্রেম।
এই নীরবতা আর নয়।
এই বিশ্বাসঘাতকতা মেনে নেওয়া যায় না।
07/01/2026
ফেলানী খাতুন একটি নাম, একটি লাশ, একটি জাতির অসমাপ্ত বিচার।
২০১১ সাল।
এক কিশোরী তার বাবার হাত ধরে ঘরে ফিরছিল।
কোনো অস্ত্র ছিল না,কোনো অপরাধ ছিল না
ছিল শুধু নিজের দেশে ফেরার আকুতি।
ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত পার হওয়ার সময়
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF)
ফেলানী খাতুনকে গুলি করে হত্যা করে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে তার নিথর দেহ কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকে
আর সেই দৃশ্য বিশ্ব বিবেককে কাঁপিয়ে দেয়।
BSF বলেছিল
সে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হচ্ছিল কিন্তু প্রশ্ন হলো
একজন নিরস্ত্র মুসলিম কিশোরীকে
গুলি করে মারাই কি আইন? এটাই কি মানবতা?
এটাই কি সভ্যতার পরিচয়? আজ ১৫ বছর পেরিয়ে গেছে।
ফেলানীর মা এখনো বিচার চায়। বাংলাদেশ এখনো বিচার চায়।
মানবতা এখনো বিচার চায় তবুও আমরা হতাশ নই।
আমরা আশাবাদী
কারণ জনগণের শক্তিতে গঠিত সরকার
ন্যায়ের প্রশ্নে চুপ থাকতে পারে না।
ফেলানীর বিচার মানে
শুধু একটি হত্যার বিচার নয় এটা রাষ্ট্রীয় মর্যাদা
মানবাধিকার
আর সীমান্তে নিহত সব নিরপরাধের পক্ষে দাঁড়ানো।
#ফেলানীর_বিচার
#বিদ্রোহীলেখক
07/01/2026
জীবিত থাকতে হাদি ছিলো অচেনা,
মৃত্যুর পরে পুরো শহর জুড়ে শুধু তারই নাম।
এই সমাজ এমনই
জীবিত মানুষের আর্তনাদে কান নেই
মৃত দেহের চারপাশে হঠাৎ উপচে পড়ে সহানুভূতি।
হাদি বেঁচে থাকতে প্রশ্ন করেছিল ন্যায় চাইতে গিয়েছিল
অন্যায়ের সামনে মাথা নত করেনি
তাই তাকে একা করে দেওয়া হয়েছিল।
আজ সে নেই আজ শহর কাঁদে, স্লোগান ওঠে
পোস্ট হয়, হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড করে
কিন্তু এই কান্না কি তাকে বাঁচাতে পেরেছে?
হাদির মৃত্যু কোনো দুর্ঘটনা নয়
এটা রাষ্ট্রীয় অবহেলা আর সমাজের নীরবতার ফল।
আজ যদি বিচার না হয়,তাহলে হাদি একা নয়
#বিদ্রোহীলেখক
06/01/2026
মাহদী, সুরভীর নামে মাইক কাঁপে পোস্ট ভাইরাল হয়,
আর দাড়ি-টুপি পরা মানুষটার বেলায়
বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটা হঠাৎ বোবা হয়ে যায়
এই নীরবতা কি কাকতালীয়?
নাকি পরিকল্পিত?
নাকি দাড়ি টুপি দেখলেই বিবেক হালাল হয়ে যায়?
বাই দা ওয়ে, আপনিও চুপ থাকুন
কারণ প্রশ্ন করলে পাপ
প্রতিবাদ করলে ফিতনা
আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে আপনি অপরাধী
হাজার হলেও সে হুজুর
তাই কি তার রক্তের দাম কম?
তাই কি তার ন্যায়বিচার ঐচ্ছিক?
আজ যে দাড়ি-টুপি ওয়ালার জন্য চুপ
কাল সেই চুপই আপনাকে গিলে খাবে
কারণ স্বৈরাচার কাউকে আলাদা করে মারেনা
সে শুধু দেখে, কে আগে চুপ ছিল
মনে রাখবেন
ইতিহাস কখনো খুনিদের নয়
নীরব দর্শকদের ক্ষমা করে না
চুপ থাকা আজ নিরাপদ মনে হতে পারে
কিন্তু এই চুপই একদিন হবে
সবচেয়ে বড় অপরাধ
#বিদ্রোহীলেখক