15/04/2026
লালমনিরহাটের ৫ জন ছেলে বান্দরবান ঘুরতে এসেছে,গতকাল দুপুর ১২টার আগে ফ্যামিলির সাথে কথা বলেছিল,এরপর থেকে কোন খবর নাই।
কেউ যদি দেখে থাকেন অথবা বিস্তারিত জানেন ইনবক্সে যোগাযোগ করবেন,
একজনের ছবি দেওয়া হয়েছে।
15/04/2026
লামা বাজারে তীব্র যানজট।
বান্দরবানের লামা উপজেলা সদর লামা বাজার ও মাদ্রাসা সড়কে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ব্যাপক মানুষের সমাগমে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ বৈশাখ উদযাপনে লামা বাজারে আসতে শুরু করলে প্রধান সড়কসহ মাদ্রাসা সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। এতে করে দীর্ঘ সময় ধরে যানজট লেগে থাকে এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশেষ করে লামা বাজারের মোড় সহ মাদ্রাসা সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। এতে পথচারী, ব্যবসায়ী ও যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
বি:দ্র: ছবি কালেক্টেট করা।
14/04/2026
লামার সরই ইউনিয়নে ভূমি দখল ও বনভূমি ধ্বংসের অভিযোগ: ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি
বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাচনাভিটা এলাকায় সরকারি বনভূমি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি দখল এবং গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন জানু’র বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরাতন ফরেস্ট বিট এলাকায় বন বিভাগের আওতাধীন প্রায় ২২ শতাংশ সরকারি জমি এবং দেরাজ মিয়ার প্রায় ১ একর ব্যক্তিগত জমিতে মাটি কাটা ও সেগুন গাছ কেটে বিক্রির কার্যক্রম চালানো হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, এ কাজে ভারী যন্ত্র (এক্সকাভেটর) ব্যবহার করা হয়েছে এবং একটি ইটভাটা চক্রের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সরকারি বনভূমি ও পাহাড়ি জমি দখল, মাটি কাটা এবং কাঠ পাচারের মতো কার্যক্রম চলছে। তারা আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক নজরদারি থাকলেও এসব কার্যক্রম থেমে নেই।
তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায় পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন জানু’র পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তার বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ
এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসন, লামা উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সরকারি বনভূমি ও ব্যক্তিগত জমি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।
প্রেক্ষাপট
পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই বনভূমি দখল, মাটি কাটা এবং ইটভাটার কাঁচামাল সংগ্রহ নিয়ে পরিবেশ ও ভূমি ব্যবস্থাপনা সংকটের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এসব কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রয়োজন।
10/04/2026
সাংগ্রাই উৎসবকে ঘিরে বান্দরবানের পাহাড়ে উৎসবের আমেজ
শৈলুমং মারমা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:
বান্দরবানের রুমা উপজেলা ও আশপাশের অন্যান্য উপজেলায় মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘সাংগ্রাই’ বা নববর্ষ উদযাপনকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশ। পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে পাহাড়জুড়ে চলছে নানা আয়োজন ও প্রস্তুতি।
চলতি বছরের ১৩ থেকে ১৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবকে সামনে রেখে রুমা, থানচি ও জেলা সদরের বিভিন্ন বাজারে বেড়েছে কেনাকাটার চাপ। বিশেষ করে মারমা তরুণ-তরুণী ও শিশু-কিশোররা দলবেঁধে বাজারে এসে ঐতিহ্যবাহী পোশাক ‘থামি’ ও ‘আঙ্গি’ কেনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
উৎসবকে কেন্দ্র করে দর্জিপাড়ায়ও বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য। নতুন পোশাক তৈরির অর্ডার সামলাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জিরা। দিন-রাত পরিশ্রম করে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পোশাক প্রস্তুতের চেষ্টা করছেন।
এদিকে সাংগ্রাই উপলক্ষে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রস্তুতিও চলছে জোরেশোরে। পিঠা তৈরি, জলকেলি বা মৈত্রী পানি বর্ষণ এবং ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে তরুণ-তরুণীরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
রুমা উপজেলার বিভিন্ন পাড়া ও পাহাড়ি গ্রামগুলোতেও উৎসবের ছোঁয়া লেগেছে। নতুন কাপড় কেনা, ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা এবং সাজসজ্জার কাজ চলছে পুরোদমে। ফলে পুরো এলাকায় বিরাজ করছে এক আনন্দঘন পরিবেশ।
ঐতিহ্যবাহী এই সাংগ্রাই উৎসব শুধু মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; পাহাড়ের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও বাঙালি সম্প্রদায়ের মাঝেও এর প্রভাব পড়েছে। সবাই মিলে আনন্দ ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপন করে থাকেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
10/04/2026
রূপসী পাড়া ইউনিয়নে এখনো একটা পরিপক্ব খেলার মাঠ নেই—এটা সত্যিই দুঃখজনক।
* মাঠের সমস্যা
১. মাঠের মাঝে অব্যবহারযোগ্য ছাত্রাবাস
২. স্কুল কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপে মাঠের মধ্যে বৃক্ষ রোপন।
৩. বালু ইট ময়লা মাঠের মধ্যে ফেলা
৪. পর্যন্ত গর্ত করে ফেলা মাঠে
*সমস্যা সমাধান
১.অব্যবহারযোগ্য হোস্টেল ও গাছ মাঠ থেকে সরিয়ে ফেলা
২. মাঠের পাশে অব্যব্যবহারযোগ্য পুকুরটি ভরাট করে মাঠে বিনির্মাণ করা।
#সহজতম সমাধান :
হোস্টেল ভাঙ্গার খরচ ও গাছ সরানোর খরচের তুলনায় পুকুরটি ভরাট করিলে সহজে সুন্দর পরিবেশের একটি মাঠ উপহার দেওয়া সম্ভব।
এই এলাকার শিশু-কিশোররা কোথায় খেলবে? মোবাইল আর অনলাইনেই কি তাদের ভবিষ্যৎ সীমাবদ্ধ থাকবে?
একটা খেলার মাঠ শুধু বিনোদনের জায়গা না, এটা স্বাস্থ্য, শৃঙ্খলা আর সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি—রূপসী পাড়া ইউনিয়নে দ্রুত একটি মানসম্মত খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা হোক।
#রূপসী_পাড়া #খেলার_মাঠ_চাই #যুবসমাজ