25/08/2026
হাসান মাহমুদকে সকল ফরম্যাটেই দেখতে চান?
Sports keep people healthy.
25/08/2026
হাসান মাহমুদকে সকল ফরম্যাটেই দেখতে চান?
24/08/2026
বলুন তো,ছবিতে থাকা ক্রিকেটারের জার্সি নম্বরটি কত?
24/08/2026
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন লিটন দাস। তিন ইনিংসে ব্যাট করে তিনবারই রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।ফলে একাধিক ম্যাচের দ্বিপাক্ষিক সিরিজে বাংলাদেশের প্রথম ডেজিগনেটেড ব্যাটার হিসেবে তিন ইনিংসে তিন ডাকের হতাশাজনক রেকর্ড গড়লেন লিটন।
এর আগে এক দ্বিপাক্ষিক সিরিজে বাংলাদেশের হয়ে তিনটি ডাকের রেকর্ড ছিল রাজিন সালেহর,শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ছয় ইনিংসে ব্যাট করে তিনবার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন তিনি।সেখানে লিটনের ক্ষেত্রে তিন ইনিংসেই এসেছে তিনটি ডাক।
অস্ট্রেলিয়া সফরে লিটনের ব্যর্থতার ধরনও ছিল বেশ হতাশাজনক।প্রতিবারই মিচেল স্টার্কের বলে তিনি উইকেটের পেছনে স্লিপ কর্ডনে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন।দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ওয়েবস্টার সহজ ক্যাচটি ফেলে না দিলে সেখানেও একইভাবে সাজঘরে ফিরতে হতো তাকে।
সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফরটি লিটনের জন্য হয়ে থাকল ভুলে যাওয়ার মতো।তিন ইনিংসে একবারও রানের খাতা খুলতে না পারার এই ব্যর্থতা নিঃসন্দেহে দীর্ঘদিন মনে থাকবে বাংলাদেশের এই ব্যাটারের।
23/08/2026
ম্যাচ শেষে অস্ট্রেলিয়ার প্লেয়াররা নিজেদের এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করছিলেন বাংলাদেশী প্লেয়ারদের সাথে,পেসার শরিফুল ইসলামের সাথে মিচেল স্টার্ক এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করছেন।যেটা দেখতে খুব ভালো লেগেছে।
23/08/2026
দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৭ উইকেট শিকার করেছেন শরিফুল ইসলাম।
22/08/2026
টেস্ট ক্রিকেটে ডে ওয়ানে ১৮ টা উইকেটের পতন! স্টার্কের ৬ উইকেটের জবাবে ৬ উইকেট-নিলেন শরিফুল।
22/08/2026
আকবর আলী এইচপি, ইমার্জিং কিংবা অনূর্ধ্ব-২৩ জাতীয় দলের পাইপলাইনের গুরুত্বপূর্ণ কোনো দলেই নেই।অথচ একটা সময় এই আকবরকেই বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখা হয়েছিল। প্রশ্নটা তাই থেকেই যায় কোথায় হারিয়ে গেলেন আকবর?
আগের বোর্ডের সময়ে ক্রিকেটারদের নানা ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হওয়ার ঘটনা ছিল নিয়মিত। সেই সময় কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুনের অবস্থানের সঙ্গে মিল রেখে অনেক ক্রিকেটারই বিভিন্ন বিষয়ে পোস্ট দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সরগরম করেছিলেন। কিন্তু আকবর ছিলেন ব্যতিক্রম। অন্যদের মতো তিনিও পোস্ট দিয়ে নিজের অবস্থান জানাননি।
গুঞ্জন আছে, একটি পক্ষের বিরাগভাজন হয়ে পড়েন আকবর। এরপর সময় গড়িয়েছে,বোর্ড বদলেছে, অনেক ক্রিকেটারই জাতীয় দলের আশপাশে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন। কিন্তু আকবরের ক্ষেত্রে সেই পথটা যেন ক্রমেই কঠিন হয়েছে।
অথচ বয়স,অভিজ্ঞতা আর পারফরম্যান্স বিবেচনায় এই সময়ে তার জাতীয় দলের পাইপলাইনে আরও শক্ত অবস্থানে থাকার কথা ছিল। বয়সভিত্তিক ক্রিকেট পেরিয়ে ‘এ’ দল, এইচপি কিংবা ইমার্জিং দলের নিয়মিত মুখ হওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা জাতীয় দলের দরজার আশপাশেও এখন তাকে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে না।
সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা এখানেই ক্রিকেটারের মূল্যায়ন কি হওয়া উচিত মাঠের পারফরম্যান্সে,নাকি মাঠের বাইরের অবস্থান দিয়ে?
যদি সত্যিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান না নেওয়ার কারণে একজন ক্রিকেটারকে দীর্ঘদিন ধরে সুযোগের বাইরে রাখা হয়ে থাকে,তাহলে সেটি শুধু আকবরের জন্য নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও উদ্বেগের বিষয়।কারণ একজন ক্রিকেটারের সুযোগ পাওয়া না পাওয়া পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে হওয়া উচিত,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে নয়।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে যাচ্ছেন ৩৫ বছরের মোহাম্মদ মিঠুন।সামনে যদি জাতীয় দলেও সুযোগ পান অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
অন্যদিকে আকবর আলী,যার হাতে একসময় বাংলাদেশের যুব ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছিল,যার নামকে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা হিসেবে সামনে রাখা হয়েছিল তিনি এখন কোথায়?
এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো সময়ই দেবে।তবে একটা বিষয় পরিষ্কার ক্রিকেটে প্রতিভার মূল্যায়ন যদি সত্যিই মাঠের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে হয়,তাহলে আকবরের মতো একজন ক্রিকেটারকে নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক।
21/08/2026
আমরা অনেকেই লিটন দাসকে কেবল একজন স্ট্রোক-মেকার বা ক্লাসিক্যাল ব্যাটার হিসেবে চিনি।কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ব্যাটিংয়ের একটি গভীর ও বৈপ্লবিক দিক রয়েছে,বিশেষ করে টেস্টে কঠিন পরিস্থিতিতে ৬ ও ৭ নম্বর পজিশনে নেমে তিনি যা করেছেন,তা বিশ্বক্রিকেটের এলিট তালিকায় স্থান পাওয়ার মতো।
২০২১ সাল থেকে বর্তমান সময় ২০২৬ পর্যন্ত পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়,টেস্টে ৬ নম্বর বা তার নিচে ব্যাটিং করতে নেমে বিশ্বক্রিকেটে লিটন দাসের চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আর কেউ করতে পারেননি!টেস্ট ক্যারিয়ারে তাঁর ৬টি সেঞ্চুরির মধ্যে ৫টিই এসেছে লোয়ার-মিডল অর্ডারের এই পজিশনগুলো থেকে।
টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ইনিংসে ৬ নম্বরে নেমে তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে দুবার ১১৪ ও ১২৬ রান এবং আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১২৮ করেন,যখন স্বীকৃত ব্যাটার শেষ,সেই লেজের সারির ব্যাটারদের নিয়ে লঙ্কানদের বিপক্ষে বুক চিতিয়ে খেলেন ঐতিহাসিক ১৪১ রানের ইনিংস।আর রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৬ রানে ৬ উইকেট চলে যাওয়ার পর ৭ নম্বরে নেমে তাঁর অবিশ্বাস্য ১৩৮ রানের ইনিংস তো ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা কামব্যাক স্টোরি।বাকি ১টি সেঞ্চুরি এসেছে ৫ নম্বর পজিশনে।
প্রতিপক্ষ যখন ৫ বা ৬ উইকেট দ্রুত তুলে নিয়ে উৎসবের আমেজে থাকে,লিটন তখন উইকেটে গিয়ে রানের গতি সচল করে উল্টো চাপ ফিরিয়ে দেন বোলারদের ওপর।
টেল-এন্ডারদের ওপর ভরসা রেখে স্ট্রাইক রোটেট করা এবং আলগা বল পেলেই বাউন্ডারি মারা এই কৌশলে লিটন অনন্য।
ওপেনিং বা ওয়ান ডাউনের চেয়ে ৬/৭ নম্বরে লিটন অনেক বেশি ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি রিড করতে পারেন।
ডারউইনে প্রথম টেস্টের স্লেজিং লড়াইয়ে স্টিভ স্মিথকে দেওয়া লিটনের সেই চিরস্মরণীয় জবার "You just bat" আমাদের শিহরণ জাগায়।প্রথম ম্যাচে লিটন বড় রান না পেলেও ম্যাকাইয়ের দ্বিতীয় টেস্টে আমাদের মূল অস্ত্র কিন্তু তিনিই।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অজিদের পেস এবং বাউন্সের মুখে টপ অর্ডার যদি দ্রুত ভেঙেও পড়ে,তাতেও ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারণ,লোয়ার-মিডল অর্ডারে প্যাডআপ করে বসে আছেন এমন একজন জাদুকর, যিনি শূন্য থেকে সাম্রাজ্য গড়তে ভালোবাসেন।
ম্যাকাই টেস্টে লিটনের এই ৬/৭ নম্বরের রাজকীয় রূপ দেখার অপেক্ষায় পুরো বাংলাদেশ।
21/08/2026
আগামীকাল একাদশে কাকে দেখতে চান?
21/08/2026
আমরা সবাই ক্রিকেট মাঠে তাঁর শান্ত-সৌম্য রূপ আর রানের পাহাড় দেখেছি।কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ ও কঠিন বাস্তবতার দেয়াল ভেঙে তাঁর বিশ্বসেরা ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পেছনের গল্পটা যানিনা!
হাশিম আমলার পূর্বপুরুষরা ছিলেন ভারতের গুজরাটের বাসিন্দা।তাঁর দাদা ব্যবসার উদ্দেশ্যে ভারত থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার নাটাল প্রদেশে পাড়ি জমান। সেখানেই জন্ম হয় আমলার।দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ ও এশীয়দের জন্য সেই সময়টা সহজ ছিল না।বর্ণবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ক্রিকেটের মতো অভিজাত খেলায় জায়গা করে নেওয়াটা ছিল এক চরম পরীক্ষা।
আমলার ক্রিকেটে আসার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তাঁর বড় ভাই আহমেদ আমলার।আহমেদও একজন প্রতিভাবান ক্রিকেটার ছিলেন এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করেছেন।ছোটবেলায় দুই ভাই মিলে বাড়ির উঠোনে ভাঙা ব্যাট দিয়ে ক্রিকেট খেলতেন।অনেক সময় ভালো সরঞ্জাম থাকত না,কিন্তু ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসায় কোনো কমতি ছিল না।ভাইয়ের দেখানো পথেই হাশিম ক্রিকেটের প্রেমে পড়েন এবং বয়সভিত্তিক দলগুলোতে নিজের জাত চেনাতে শুরু করেন।
হাশিম আমলার ক্রিকেটার হয়ে ওঠার গল্পটি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে যদি তাঁর জীবনদর্শনের কথা না বলা হয়।কট্টর ধর্মীয় অনুশাসনে বড় হওয়া আমলা ক্রিকেটের গ্ল্যামার দুনিয়াতেও নিজের নীতিতে অটল ছিলেন।দক্ষিণ আফ্রিকা দলের মূল স্পন্সর একটি মদ প্রস্তুতকারক কোম্পানি হওয়া সত্ত্বেও,তিনি নিজের জার্সিতে সেই লোগো ব্যবহার করতে অস্বীকৃতি জানান।এর জন্য প্রতি মাসে বিশাল অঙ্কের জরিমানা গুণতে হলেও তিনি নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও নড়েননি।এই সততাই তাঁকে সতীর্থ ও প্রতিপক্ষের চোখে পরম শ্রদ্ধেয় করে তোলে।
ক্যারিয়ারের শুরুতে তাঁর ব্যাকলিফ্ট আর ব্যাটিং টেকনিক নিয়ে অনেক সমলোচক বলেছিলেন ও ওয়ানডে খেলতে পারবে না, ও বড্ড ধীরগতির।কিন্তু নিজের কঠোর পরিশ্রম আর একাগ্রতা দিয়ে তিনি ওয়ানডেতেই সবচেয়ে দ্রুততম ২০০০ থেকে ৭০০০ রানের বিশ্বরেকর্ড গড়েন!
ভাঙা ব্যাটের সেই ছেলেটিই একদিন দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে টেস্টে প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি ৩১১* করার গৌরব অর্জন করেন।
ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা জেন্টলম্যান হাশিম আমলা আমাদের শেখান পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক,প্রতিভা,কঠোর পরিশ্রম আর নিজের আদর্শে অবিচল থাকলে পুরো বিশ্বকে জয় করা সম্ভব।