27/02/2026
বাংলাদেশীদের জন্য খুব দ্রুত চালু হচ্ছে ভারতের পর্যটন ভিসা আজ শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভারতীয় টুরিস্ট ভিসাসহ সব ভিসা খুব শিগগিরই চালু হবে। ইতোমধ্যেই ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে বৈঠক হয়েছে, ভিসা চালুর বিষয়ে তারা ইতিবাচক।
খুব দ্রুত যাতে সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং বাংলাদেশের নাগরিকরা যাতে ভারত যেতে পারে সে বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
আজ শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের খায়াড় গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মাঝে অনুদান বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সূত্র: যমুনা টেলিভিশন, ধন্যবাদ।।
24/02/2026
প্রায় ১৮ মাস পর বন্ধ থাকার পর আবার চালু হয়েছে আগরতলা- ঢাকা- কলকাতা রয়েল মৈত্রী বাস সার্ভিস, গতকাল ত্রিপুরার আগরতলার কৃষ্ণনগর বাস স্ট্যান্ড থেকে এই সার্ভিস চালু হয়।
আপাতত সপ্তাহে ০২ দিন পরীক্ষামূলকভাবে চলবে এই সার্ভিস। তারপরে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে সপ্তাহে ০৩ দিন করে নিয়মিত এই বাস পরিষেবা শুরু হবে।।
ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা এই বাস পরিষেবা আগেও চালু ছিল। তবে গত দেড় বছর ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা আর ভিসা জটিলতায় সাময়িকভাবে তা বন্ধ ছিলো।
ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের পরিবহনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান, এই পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ, পর্যটন ও ব্যাবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির পথ সুগম হবে বলেও আশাবাদী তিনি।।
এছাড়া আগরতলা থেকে ঢাকা হয়ে কলকাতা পর্যন্ত বাস পরিষেবা ফের চালু হওয়ায় স্বাগত জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও।
প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে ট্রেনে গুয়াহাটি হয়ে কলকাতায় পৌঁছাতে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। তবে বাসে ঢাকা হয়ে সেই যাত্রাপথ অনেকটাই কমে যায়। আগরতলা থেকে ঢাকা হয়ে বাসে কলকাতায় মাত্র ৫০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়।। সূত্র: ডেইলি ইত্তেফাক
22/02/2026
শেষ বিকেলে,📍অ্যাঙ্কর ইকো রিসোর্ট, ইনানী, কক্সবাজার।
কটেজ / রুম ভাড়ায় চলছে ৬০% ছাড় 📣
20/02/2026
দিল্লিতে ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হাই কমিশন প্রায় দুই মাস বন্ধ রাখার পর ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ভিসা কার্যক্রম চালু করেছে। আজ শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি সেখানে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশের ভিসা দেওয়া শুরু হয়। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার তিন দিনের মাথায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে এই অগ্রগতি ঘটলো। বাংলাদেশ হাই কমিশনের বরাতে ইন্ডিয়া টুডে লিখেছে, শুক্রবার সকাল থেকে ভারতীয়দের জন্য সব ধরনের ভিসা পরিষেবা শুরু হয়।
এর আগে, বৃহস্পতিবার ভারতের তরফে জানানো হয়, তারা ‘শিগগিরই’ বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম চালু করবে।।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যু ঘিরে দ্বিপক্ষীয় কূটনেতিক সম্পর্কের অবনতির মধ্যে গেলে ডিসেম্বর ২০২৫ দুই দেশই ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়।
২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে। নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফল আসার আগে ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে তারেক রহমানকে এক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এরপর পূর্ণাঙ্গ ফল ঘোষণার পর বিকালে তারেকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন তিনি। ওই ফোনালাপে তাকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তার কাজে সমর্থনের দেওয়ার কথা বলেন।।
অন্যদিকে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানায় ঢাকা। তবে ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের’ কারণে তিনি শপথ অনুষ্ঠাতে আসতে পারবেন না বলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়। তবে মোদীর পরিবর্তে শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিয়মকালে সিলেটের ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস জানান, সব ধরনের ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া শিগগিরই ‘স্বাভাবিক পর্যায়ে’ ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেন।।
তার এই ঘোষণার পরের দিনই দিল্লিতে ভিসা ও কনস্যুলার সেবায় ফিরল বাংলাদেশ হাই কমিশন।। ধন্যবাদ।।
সূত্র: ডেইলি ইত্তেফাক।। Sayeed The Traveler
19/02/2026
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুতই স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস।
আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকালে সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। অনিরুদ্ধ দাস বলেন, বর্তমানে মেডিকেল ও ডাবল এন্ট্রি ভিসা চালু থাকলেও পর্যটনসহ অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবে এসব ভিসা পুনরায় চালুর জন্য জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা কার্যক্রম সীমিত করা হয়। মেডিকেল ভিসা ছাড়া অধিকাংশ ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।।। ধন্যবাদ।।
14/02/2026
ভালোবাসা কি, ইহা কত প্রকার কি কি সংজ্ঞাসহ উদাহরণ লেখ এবং প্রেম কাকে বলে, প্রেম কত প্রকার কি কি, উদাহরণ সহ লেখ।।
উত্তরঃ ভালোবাসা হলো অদৃশ্য/অন্ধ যা খালি চোখে দেখা যায় না, যা একটি মায়ায় আবদ্ধ হওয়া, মানুষের সঙ্গে প্রাণী/মানুষের আবেদনময় একটি সম্পর্কই হচ্ছে ভালোবাসা।।
অন্য দিকে- প্রেম হচ্ছে, কোন মানুষের উপর ভালোবাসার আসক্তি বেড়ে গিয়ে যা হয় তাই প্রেম। মানুষের আবেগের বহিঃপ্রকাশের মাধ্যমে মানুষ যখন খুব কাছাকাছি আসে তখনই প্রেমের সৃষ্টি হয়।।
এবার আসি ভালোবাসা কত প্রকার কি কি:- ভালবাসা বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-
০১. কথ্য ভালবাসাঃ যে ভালবাসা কথার মাধ্যমে প্রকাশ হয় তাকে কথ্য ভালবাসা বলে।
০২. লেখ্য ভালবাসাঃ যে ভালবাসা চিঠিপত্র, এস.এম.এস বা চ্যাট (ডিজিটাল যুগে) প্রভৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তাকে লেখ্য ভালবাসা বলে।
০৩. মৌন ভালবাসাঃ যে ভালবাসা মনের আবেগ থেকে হয় তাকে মৌন ভালবাসা বলে।
০৪. ইঙ্গিতপূর্ণ ভালবাসাঃ যে ভালবাসা আকার ইঙ্গিত বা ভাবের মাধ্যমে বোঝানো হয় তাকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভালবাসা বলে।
০৫. সত্যি/প্রকৃত ভালোবাসাঃ যে ভালোবাসা সত্য হয়।
০৬. মিথ্যা/ভন্ড ভালোবাসাঃ যে ভালোবাসা মিথ্যা হয়।
০৭. উৎপাদিত ভালোবাসাঃ যে ভালোবাসা জোর করে তৈরী করা হয়।।
এবার আসি প্রেম কত প্রকার, কি কি, নিম্ন দেয়া হলো।
------------------------------------------------------------------------------
০১. প্রথম প্রেমঃ জীবনের প্রথমবার যে প্রেম তাকে প্রথম প্রেম বলে।।
০৩. বন্ধুত্ব থেকে প্রেমঃ এই ধরনের প্রেমের ক্ষেত্রে প্রেমিক ও প্রেমিকা দু’জনেই প্রথমে বন্ধু থাকে।
০৫. বিবাহোত্তর প্রেমঃ বিবাহের পরে যে প্রেম হয়।
০৬. পরকীয়া প্রেমঃ বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন পুরুষ বা মহিলার সাথে প্রেমই হচ্ছে পরকীয়া প্রেম।
০৭. অপরিণত প্রেমঃ এ ধরনের প্রেম সাধারণত স্কুলে পড়া অবস্থায় হয়ে থাকে। মেয়েরাই এ ধরনের প্রেমে বেশি পড়ে। তবে ছেলেরাও পড়ে। প্রেমিক প্রেমিকাদের দু’জনই সমবয়সী হতে পারে।
০৮. কর্মক্ষেত্রে প্রেমঃ কর্মসূত্রে দু’জন মানুষের পরিচয়ের মাধ্যমে এ ধরনের প্রেম গড়ে ওঠে। উক্ত দু’জন হতে পারেন কোন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীর।
০৯. মোবাইল প্রেমঃ বন্ধুর কাছ থেকে চেয়ে নিয়ে বা ফোনবুক থেকে চুরি করে, পাড়ার ফ্লেক্সির দোকান নাম্বার নিয়ে যে প্রেম হয়।।
১০. ফেসবুক প্রেমঃ ইন্টারনেটে চ্যাটিংয়ে বা সোসিয়্যাল মিডিয়া সাইটে থেকে যে প্রেম হয়।
১১. ত্রিভূজ প্রেমঃ এ ধরনের প্রেমকে বলা যেতে পারে একজন মেয়েকে নিয়ে দু’জন ছেলের টাগ-অফ-ওয়ার বা দড়ি টানাটানি।
১২. বহুভূজ প্রেম/Multi প্রেমঃ একই মেয়ে বা ছেলের প্রতি ০২ এর অধিক ব্যাক্তির অনুরাগই মূলত বহুভূজ প্রেম।
১৫. দুধের মাছি প্রেম/অর্থসর্বস্ব প্রেমঃ যতোদিন টাকা আছে, ততোদিন সম্পর্ক আছে।
১৬. ঈর্ষাণ্বিত প্রেমঃ অমুক ছেলে প্রেম করে, আমাকেও করতে হবে” বা “অমুকের বয়ফ্রেন্ড আছে,আমারো চাই” অনেকটা এমন মানসিকতা থেকে হয়ে থাকে।
১৭. জেদের বশে প্রেমঃ পূর্ববর্তী বা বর্তমান বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডকে অনেকটা দেখিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে যাকে সামনে পাওয়া যাবে ধরে তার সাথে প্রেম করাই এ ধরনের প্রেমের মূল লক্ষ্য। মনের মতো লোক পাওয়ার বিষয়টি এখানে নগণ্য।
১৮. চড়িয়ে খাওয়া প্রেম/গাধাখাটুনি প্রেম/ঘানি টানা প্রেমঃ প্রেমিক বা প্রেমিকার কাছ থেকে বিশেষ কোন সুবিধা লাভই এ ধরনের প্রেমের উদ্দেশ্য।
১৯. অব্যক্ত প্রেম/না বলা প্রেমঃ নীরবে এক অপরকে ভালোবেসে গেলেও পরিস্থিতি, সময় বা মনোবলের অভাবে প্রেমিক বা প্রেমিকার মধ্যে কেউই একে অপরকে কোনোদিন বলেনি। অব্যক্ত প্রেম হারানোর বেদনা খুব কষ্টদায়ক, জীবনের অন্যতম বড় ভুল হিসেবে মনে থাকে।
২০. সুপ্ত প্রেমঃ একে অপরকে ভালোবাসে কিন্তু কেউই কাউকে বলছে না, পুরো ব্যাপারটাই লুকিয়ে যাচ্ছে।।
অবশেষে বলছি ভালোবাসার এ-বন্ধন টিকে থাক আজীবন। সকলের জন্য রইলো অফুরন্ত ভালোবাসা, হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন্স ডে, অন্যদিকে
ঝরাপাতা আর আগুনরাঙা পলাশ জানান দিচ্ছে ফাগুনের। বসন্তের রঙের ছোঁয়া লাগুক সবার মনে। সেই সাথে সবাইকে পহেলা ফাল্গুনীর শুভেচ্ছা।
ধন্যবাদান্তে: Sayeed The Traveler
09/02/2026
শীতের শেষে,ঋতু রাজ বসন্তকে উদযাপন করতে ঘুরে আসতে পারেন শিমুল বাগান থেকে। ফাল্গুণের লাল শিমুল ফুল যেন বসন্তের বার্তা বয়ে আনা এক কোকিল পাখি। শিমুল ফুল এক দিকে যেমন মানুষের নজরকাড়ে অন্যদিকে মানুষের হৃদয়কে আন্দোলিত করে৷ বছরের এই সময়টাতেই শিমুল গাছের ডালে ডালে লাল আগুনের ঝলকানি দেখা যায়। পুরো শিমুল বাগান ছেয়ে যায় শিমুল ফুলে। সেই সাথে শুনতে পারবেন কোকিল পাখির কুহু কুহু ধ্বনি। প্রকৃতি যেন স্নিগ্ধ এক লাল রংয়ের আকাশে ঢাকা, নির্ঝণ কোন এক জায়গায় লোকানো আপনি। অপরুপ সৌন্দর্যের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিমুল বাগান যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে দেশ ও দেশের বাইরের পর্যটকদের। তাই দেরি কেন এক্ষুনি ঘুরে আসুন শিমুল বাগান থেকে। একজন স্বপ্নবাজ শিমুলের ফুলকে ভালবেসেছিলেন। স্বপ্ন পূরণের বাসনাতেই নিজের ১০০ বিঘা জমিতে লাগিয়েছিলেন ০৩ হাজার শিমুল গাছ। ২০০৩ সালে প্রায় ২২ বছর আগের লাগানো শিমুলের চারাগাছ গুলো এখন হাতছানি দিয়ে ডাকছে সারা দেশের প্রকৃতিপ্রেমী আর ভ্রমণ পিপাসুদের। শিমুল বাগানটি সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর নিকটবর্তী মানিগাঁও গ্রামে।। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন নামে এই শিমুল বাগানটি শুরু করেন। এছাড়াও সুনামগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান সমুহ নিচে দেয়া হলো:
১ টাঙ্গুয়ার হাওর
২ হাসন রাজার স্মৃতি বিজড়িত বাড়ি
৩ বারিক্কা টিলা
৫ আছিম শাহ'র মাজার
৬ জগন্নাথ জিউর আখড়া
৭ পাগলা মসজিদ
৳ লালঘাট ঝর্ণাধারা
৯ লাকমাছড়া
১০ নিলাদ্রী লেক
১১ শিমুল বাগান
১২ ডলরা শহীদদের সমাধি সৌধ
১৩ টেকেরঘাট
১৪ গৌরারং জমিদার বাড়ি
১৫ ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী
১৬ বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের বাড়ি
১৭ রাধা রমন দত্ত এর সমাধি
১৮ সুরমা নদী মোহনা
১৯ সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর
২০ পাইলগাও জমিদার বাড়ি
২১ নারায়ণতলা
২২ লাউড়ের গড়
২৩ যাদুকাটা নদীর মোহনা
আপনার পেশা যাইহোক, ভ্রমণ হোক আপনার নেশা।
ধন্যবাদান্তে: Sayeed The Traveler