ASIF TODAY

ASIF TODAY

Share

FOOD SAPLIMENT PRODUCTS

11/05/2025

*প্রচণ্ড গরমে বাইরে কাজ করার সময় স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরী:*

১. *পর্যাপ্ত পানি পান করুন*
- ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়, তাই *নিয়মিত পানি পান করুন* (যদি সম্ভব হয় প্রতি ১৫-২০ মিনিটে কিছুটা পানি পান করুন)।
- *ইলেকট্রোলাইট যুক্ত পানীয়* (যেমন: ওরাল স্যালাইন, নারিকেলের পানি) পান করুন যাতে লবণ ও মিনারেলের ঘাটতি পূরণ হয়।

২. *সঠিক পোশাক পরুন*
- *হালকা রঙের, ঢিলেঢালা ও সুতি কাপড়* পরুন যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে এবং ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়।
- *মাথা ও চোখ সুরক্ষিত রাখতে* টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করুন এবং UV প্রোটেকশন সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

৩. *সূর্যের তাপ এড়িয়ে চলুন*
- *ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিন* এবং কাজের ফাঁকে ফাঁকে ঠাণ্ডা জায়গায় কিছু সময় কাটান।

৪. *শরীরের লক্ষণগুলো মনোযোগ দিন*
- *হিট স্ট্রোক বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ* (মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, মাংসপেশিতে খিঁচুনি, অতিরিক্ত দুর্বলতা, চোখে ঝাপসা দেখা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া) দেখা দিলে *অবিলম্বে কাজ বন্ধ করে ঠাণ্ডা স্থানে বিশ্রাম নিন এবং পানি পান করুন*।
- যদি কারো অবস্থা গুরুতর হয় (জ্ঞান হারানো, ত্বক শুষ্ক ও গরম হয়ে যাওয়া), *দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান*।

৫. *হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খান*
- *ভারী ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে* হালকা, সহজে হজম হয় এমন খাবার (ফল, শাকসবজি, ডাবের পানি) খান।
- *অতিরিক্ত চা-কফি বা অ্যালকোহল* এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো ডিহাইড্রেশন বাড়ায়।

৬. *দলগতভাবে কাজ করুন*
- একা কাজ না করে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন এবং একে অপরের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করুন।

গরমে কাজ করার সময় এই সতর্কতাগুলো মেনে চললে *হিট স্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন বা সানবার্ন* থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। যদি অসুস্থ বোধ করেন, অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

29/10/2024

সবার আগে সুস্থতা : আসুন, সুস্থ থাকি

প্রকৃতি থেকে প্রকৃত খাবারটা জোগাড় করতে না পারলে অন্য কোনো উপায়ে আমাদের রোগ থেকে মুক্তিলাভ তথা সুস্থভাবে বাঁচার আশা নাই!

ঘরের টিনের চাল ফুটো হয়ে বৃষ্টির পানি পড়তে থাকলে ক্রমাগত মেঝের পানি মুছে লাভ হবে না, সবার আগে ছিদ্র বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা আমাদেরকে ক্রমাগত পানি মুছে যাওয়ার বৃথা কৌশলে পরিচালিত করে।

আমরা মুখ দিয়ে যা কিছুই খাই না কেন, লক্ষ-কোটি কোষ দিয়ে তৈরি মানবদেহের প্রত্যেকটি কোষের মূল খাবার অক্সিজেন, পানি ও পুষ্টি। খাবারের অন্য কোনো রূপ (চেহারা) কোষের কাছে পরিচিত নয়।

আপনার যখন ইচ্ছে মুখ দিয়ে খাবার ঢোকাতেই পারেন, কিন্তু কোষ প্রয়োজন ছাড়া হুটহাট খাবার খায় না! কোষের চিকিৎসার দায়িত্ব/অধিকারও দুনিয়ার কোনো চিকিৎসককে দেওয়া হয়নি!

খালি চোখে পানি দেখতে স্বচ্ছ হলেই সেটাকে বিশুদ্ধ ভেবে নেওয়ার কোনো কারণ নাই। পানি পানের ভুলে মানবদেহে অনেক জটিল রোগ-বালাই হতে পারে। আবার সঠিক নিয়মে পানি পান করলে (জলচিকিৎসা) ৭২% রোগ থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।

যখনই পানি পানের প্রয়োজন হবে, হালকা কুসুম গরম পানি পানের অভ্যাস করতে পারলে পেটের কোনো সমস্যা থাকবে না।

আমাদের সব সময় রক্তের তাপমাত্রার সঙ্গে মিলিয়ে হালকা কুসুম গরম পানি (লালা মেশাতে মেশাতে) পান করা উচিত। পানির পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে প্রস্রাবের রং বিশ্লেষণ করে।

আমাদের শরীর সেরা ঔষধালয়- মানবদেহের প্রয়োজন অনুযায়ী ঔষধ তৈরি করে নিতে পারে, কিন্তু মহাপ্রকৃতি থেকে সঠিক কাঁচামাল বেছে নিয়ে আমাদেরকেই মুখ দিয়ে ঢোকাতে হবে।

আমরা বাড়ি তৈরির সময় কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীকে সার্বক্ষণিক দাঁড় করিয়ে রাখি, কিন্তু তারচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার খাদ্যগ্রহণের সময় নূন্যতম বাছ-বিচার করি না!

জিহবাকে ক্ষণিকের পরিতৃপ্তি দিতে গিয়ে আমরা দেহের 'বারোটা' বাজিয়ে ফেলি! যত দামি খাবারই খান না কেন, গলাধঃকরণের পরে তার ভিন্ন কোনো স্বাদ থাকে না!

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হলো নিজেকে সুস্থ রাখার ক্রমাগত প্রচেষ্টা চালানো আর শরীরকে আজীবন সুস্থ রাখতে পারাটাই শ্রেষ্ঠ ব্যবসা! খাদ্যগ্রহণ ইবাদত-তূল্য, কিন্তু আমরা এর গুরুত্ব বুঝি না, বোঝার চেষ্টাও করি না।

আমাদের প্রতিদিনকার খাদ্য-তালিকার ৭০% ক্ষারীয় এবং বাকি ৩০% আম্লীয় হতে হবে।

হজম প্রক্রিয়ার ৬০% মুখে আর বাকি ৪০% পেটে সম্পন্ন হয়। সে কারণে খাবার যথাসম্ভব চিবিয়ে, লালা মিশিয়ে, ধীরে-সুস্থে খেতে হবে।

১০ গ্রাম বিষ সরাসরি পেটে চালান করে দিলে বিষক্রিয়ায় তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু সেই বিষ কিছুক্ষণ মুখে রেখে লালা মেশালে ক্ষতি অপেক্ষাকৃত কম হবে। লালা এতোটাই শক্তিশালী হজমিকারক!

সমগ্র পৃথিবীর ৪০% মানুষ রাসূলুল্লাহ (সা.) নির্দেশিত খাদ্যগ্রহণের ১/৩ সূত্র (খাওয়ার সময় পাকস্থলীর এক তৃতীয়াংশ পানি দিয়ে, এক-তৃতীয়াংশ খাবার দিয়ে এবং বাকি অংশ বাতাসের জন্য খালি রাখা) অনুসরণ করেন। এদের মাত্র ২% মুসলমান ধর্মাবলম্বী; বাকি ৯৮% অন্যান্য ধর্মানুসারী।

মানুষসহ সকল প্রাণীকূলের রোগজীবাণুর মধ্যেই বসবাস, তবু মানুষ সুস্থভাবে বেঁচে থাকে শারীরিক রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতার (immunity) কারণে। ভুলভাল জীবনযাপন আর উল্টাপাল্টা খাদ্যাভ্যাসের কুপ্রভাবে immunity কমে গেলে সুস্থতা বজায় রাখা কঠিন।

আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা মূলত অসুস্থ মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে ব্যবসা ছাড়া কিছুই নয়! সমগ্র বিশ্বজুড়ে অস্ত্র আর ড্রাগস ব্যবসা মাফিয়াদের কব্জায়; দিনকে দিন পরিস্থিতি আরো ভয়াল রূপ ধারণ করছে।

কোনো মানুষই অসুস্থ থাকতে চায় না, আবার ড্রাগস সেবন ছাড়তেও পারেন না। তাহলে সুস্থ থাকবেন/হবেন কিভাবে? নিয়মিত ড্রাগস সেবন শরীরের কোষগুলোকে দুর্বল করে দেয়।

অসুস্থ রোগীরা চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেবা নিতে গিয়ে চিকিৎসা-ব্যবসার শিকার হচ্ছেন। দ্রুত মরতে যদি চাও, চিকিৎসা ব্যবসায়ীদের কাছে ধরনা দাও!

শরীরের ব্যথা-বেদনা, জ্বর-সর্দি-কাশি, বমি ইত্যাদি মূলত কোষের কান্না বা রোগের সিগনালও বলা চলে। টের পাওয়া মাত্র সতর্ক হলে রোগ-বালাই মোটেও সুবিধা করতে (জেঁকে বসতে) পারবে না।

আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার নামে মুঠোভরে ড্রাগস সেবন করলে মস্তিষ্কের সঙ্গে সমগ্র দেহের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে ব্যথার অনুভূতি টের পাওয়া যায় না। এটাকেই (লক্ষণ ধামাচাপা দেওয়া) আমরা রোগের নিরাময় মনে করি (যদিও সেটা ক্ষণিকের উপশম মাত্র)

মৃত্যু অবধারিত; সেটা নিয়ে ভাবনা (দুশ্চিন্তা করা) অহেতুক। আমাদের ভাবতে হবে সুস্বাস্থ্যচর্চার প্রাকৃতিক উপায়গুলো নিয়ে।

১০০০ বছর বেঁচে থাকার সামর্থ্য নিয়ে এই দুনিয়াতে মানুষের (আদম) যাত্রা শুরু হয়েছিল, কিন্তু সেই মানুষ এখন শত বছর পেরুতে পারছে না। এমনকি বয়স ৪০ না পেরোতেই শরীরের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ damage হয়ে যাচ্ছে।

মায়ের যোনিপথে অগণিত জীবাণু গিজগিজ করে। সেই সকল জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে যোনিপথে নবজাতক পৃথিবীর আলো-বাতাস দেখবে- এটাই সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত প্রাকৃতিক বিধান। এর ফলে শিশু জন্মলগ্নেই রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে শিখে যায়। কিন্তু এখন যে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নবজাতকদের আগমন ঘটছে- এটা নানাবিধ জটিলতা সৃষ্টি করছে। এভাবে জন্ম নেওয়া শিশুগুলো আজীবন রোগে ভুগছে।

মানুষের প্রয়োজনীয় খাবারগুলো তার নাগালের মধ্যেই দেওয়া থাকে (স্থায়ীভাবে বসবাসের জায়গার চারপাশে ২০ মাইল এর মধ্যেই উৎপাদিত হয়), কিন্তু মানবদেহের জন্য বিশেষভাবে উপকারী কিছু খাবার পাওয়া যায় সাগরের তলদেশে, সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়ায় অথবা দুর্গম বনাঞ্চলে। এর উদ্দেশ্য মানুষ যেন কষ্টসাধন করে ভালো খাবারগুলো জোগাড় করে (গুরুত্ব বুঝতে পেরে) খেয়ে নিজেদেরকে রোগমুক্ত করতে/রাখতে পারে।

পৃথিবীতে মানুষ ছাড়া এমন কোনো প্রাণী নাই- যারা মাটির সংস্পর্শে থাকে না। এজন্যই তাদের রোগ-বালাই হয় না!

মানুষকে যতদিনের হায়াত ও রিজিক দেওয়া হয়, সেই অনুপাতে তার দেহে ইন্সুলিন তৈরির ব্যবস্থাও বিদ্যমান থাকে। কিন্তু আমরা যখন প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খেতে থাকি, তখন ইন্সুলিনের অপব্যবহার হয়; পরিণামে দেহ আগেভাগেই ইন্সুলিন তৈরির সক্ষমতা হারায়। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে নিষ্কৃতি চাইলে মহাপ্রকৃতি থেকে সঠিক খাবার বেছে নেওয়ার পাশাপাশি খাদ্যগ্রহণের পরিমাণ কমাতে হবে।

শরীরে খাদ্য যত কম ঢুকাবেন, তত বেশি সুস্থ ও নিরোগ থাকতে পারবেন।

25/09/2023

#

08/06/2023

বাঁচতে হলে জানতে হবে।

12/01/2023
24/11/2022
14/09/2022

বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার।
তিনটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান।
১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা,
২) অতীত নিয়ে অনুশোচনা,
৩) সবসময় দুঃখে কাতর হওয়া।
চারটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন কমিয়ে নিন।
১) লবন,
২) চিনি,
৩) দুগ্ধ /ডিম জাতীয় খাবার,
৪) স্ট্রাচি/কার্ব জাতীয় খাবার।
চারটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন।
১) সব রকমের সবুজ শাক
২)সব রকম সবুজ সব্জি , সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি
৩) ফলমূল,
৪) বাদাম।
সুখে কিংবা দুখে চারটি জিনিস সবসময় সাথে রাখুন।
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু,
২) নিজের পরিবার,
৩) সবসময় সুচিন্তা,
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়।
পাঁচটি জিনিসের চর্চা রাখুন।
১) রোজা রাখা,
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা,
৪)নিয়মিত শরীর চর্চা করা,
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
ছয়টি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য,
২) লোভ,
৩) আলস্য,
৪) ঘৃণা,
৫) সময়ের অপচয়,
৬) পরচর্চা।
ছয়টি জিনিস কখনোই করবেন না।
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া,
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে পানি পান করা,
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেয়া,
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka