12/07/2026
২০১০ সালে স্পেনের সাথে বিশ্বকাপ জেতা জাবি আর ২০১৮ সালে ফ্রান্সের সাথে বিশ্বকাপ জেতা এমবাপ্পে দুইজনের মতেই বিশ্বকাপ জেতার চেয়ে ইউরো জেতাটা কঠিন।এমবাপ্পে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম একজন প্লেয়ার একইভাবে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক অথচ নামের পাশে নেই ইউরো গোলসংখ্যা মাত্র ১ টি।
এর প্রমাণ পাওয়া যায় এই বছরের বিশ্বকাপ আসরের আর্জেন্টিনাকে দেখলে যারা সেমিফাইনাল পর্যন্ত কোয়ালিফাই করে ফেলেছে শীর্ষ ১০ দলের মুখোমুখি হওয়া ছাড়াই।কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে যারা ৭২ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনাল কোয়ালিফাই করেছে।অথচ ইউরোর গ্রুপে দেখা হয় সব ভাগা ভাগা দলের সাথে নকআউট তো এক মরনফাঁদ।
অথচ যখন রোনালদো ইউরো জেতে তখন তা হয়ে যায় মূল্যহীন।যখন সে ইউরো সর্বোচ্ছ গোলতাদা হয় তা নিয়ে আলোচনা হয় না।যখন সে বলে ইউরো তার জন্য বিশ্বকাপের সমান মূল্য বহন করে তখন তা নিয়ে শুরু হয় ট্রল।
এটাই সেরা হওয়ার মূল্য।আপনি যখন সেরা হবেন তখন কোন মূল্যবান জিনিস দিয়ে আপনার যোগ্যতা মূল্যায়ন যাবে না।
09/07/2026
ক্যারিয়ারের ইতি সেদিনই টেনে ফেলেছিলেন, যেদিন কনফারেন্স টেবিল থেকে কোকা কোলার বোতল সরিয়ে দিয়ে বিশ্বকে বার্তা দিয়েছিলেন"কোলার বদলে পানি পান করুন!"
আজকের দিনে ফুটবল শুধু আর একটা খেলা নয়, এর পেছনে জড়িয়ে আছে কোটি কোটি ডলারের কর্পোরেট বিজনেস। যারা এই কর্পোরেট দুনিয়ার ক্ষমতা আর প্রভাব সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা রাখেন, তারা জানেন এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে যাওয়া কতটা বিপজ্জনক। ইউরোপীয় ফুটবলের সিংহভাগ স্পনসরশীপ এবং নিয়ন্ত্রণ যাদের হাতে, তাদের ইশারার বাইরে গিয়ে স্বয়ং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত টিকতে পারে না সেখানে রোনালদো একাই লড়ে গেছেন!
ওই এক ঘটনার পর কর্পোরেট চাপের মুখে পড়ে ইউরোপের দরজা একপ্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল, যার ফলে কোনো মুসলিম দেশে (সৌদি আরবে) পাড়ি জমানো ছাড়া হয়তো অন্য কোনো পথ ছিল না। কিন্তু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তো হার মানার পাত্র নন। এটা শুধু ফুটবল মাঠে টিকে থাকার লড়াই ছিল না, এটা ছিল পুরো সিস্টেমের বিরুদ্ধে, সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে এক অদম্য লড়াইয়ের গল্প।হ্যাঁ, নিয়তির নিয়মে নক্ষত্ররাও একদিন ঝরে পড়ে, গোধূলিলগ্ন সবার জীবনেই আসে। কিন্তু নিজের আত্মসম্মান আর আদর্শ বিসর্জন না দিয়ে যেভাবে তিনি বুক চিতিয়ে লড়ে গেছেন, সেটাই তাকে সবার চেয়ে আলাদা করে।
থ্যাংকস গড, আমরা একটা জীবন্ত কিংবদন্তির সময়ে বেঁচে ছিলাম। আমরা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর যুগটা নিজের চোখে দেখেছি! সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, ক্রিস্টিয়ানো।
Legends Never Die
Cristiano Ronaldo 💔
07/07/2026
কি এক দলের হয়ে ছয়টি ওয়ার্ল্ড কাপ শেষ করলেন🙂💔
প্রতিপক্ষ ছাড়া সান্তনা দেওয়ার জন্য কেউ আসেনি 😅💔
05/02/2026
5x Ballon D’Or
4x Golden Boot
3x FIFA The Best
03x UEFA Best
Most Goals In History
Most International Goal in History
Most UCL Goals
Most UCL Assists
Most UCL Final Goals
2nd Most UCL MVP
Most Ballon D’Or Nominations
Most Ballon D’Or Points
2nd Most G+A in History
3rd Most Goals in Finals
07th Most International Assists
10th Most Assists in History
Most Goals For Real Madrid
5th Most Assists For Real Madrid
Most UCL Goals For Real Madrid
Most UCL Assists For Real Madrid
Most Goals For Portugal
Most Assists for Portugal
2nd Most Goals in Laliga
3rd Most Goals For Al Nassr
5x UCL Winner
4x Club World Cup Winner
3x EPL Winner
2x Nations League Winner
1x Euro Winner
35 Trophies Total (17th Highest)
1x Puskas Award
1x Club World Cup Golden Ball
7x UCL Top Scorer
1x FIFA World Player of The Year
1x FIFA Special Award
1x Euro Golden Boot
1x EPL Golden Boot
2x Nations League Top Scorer
2x EPL Player of The Season
1x Laliga Player of The Season
1x Serie A Player of The Season
1x Golden Foot
3x Pichichi Award
2x Saudi Pro League Golden Boot
15x FIFA FIFPro World 11
Most Followed Footballer
Most Followed Athlete
Most Followed Person in Instagram
Most Followed Person in The World
Happy Birthday Cristiano Ronaldo 🇵🇹
27/11/2025
PORTUGAL ARE CHAMPIONS 🇵🇹🏆
অভিনন্দন 🔥🙅🤍
Seleções de Portugal
11/07/2025
হয়তো বা তোমরা একদিন থাকবে না কিন্তু শুধু রয়ে যাবে স্মৃতিগুলো 🤍Cristiano RonaldoMesut ÖzilAchraf Hakimi
10/06/2025
১৯৫৮ সালের পূর্ববর্তী সময়ে ব্রাজিল ফুটবলে তেমন কোনো ফুটবলীয় দাপট ছিলনা, ছিলনা কোনো ফুটবলীয় নেশনের তকমা। স্বাভাবিক আট দশটা দেশের মতোই ফুটবলকে ভালবাসতো এবং চেষ্টা করতো ফুটবলের মান উন্নয়নে। কিন্তু ১৯৫৮ সালে প্রথম বারের মত বিশ্বকাপ জয় করে ব্রাজিল ফুটবলের মহাকাব্যিক যাত্রা শুরু হয়। এই মহাকাব্যের যাত্রাপথের সূচনা করে তখনকার ১৭ বছর বয়সী বিস্ময়বালক পেলে। তার একক আদিপত্য ব্রাজিল বিশ্বকাপ ঘরে তুলে এবং এই আনন্দে ফুটবল প্রেমে নিমগ্ন হয়ে পরে পুরো জাতি। সেই রেশ ধরে কিং পেলের নেতৃত্বে ব্রাজিল একে একে ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০ বিশ্বকাপ ঘরে তুলে। তখন পেলে ব্রাজিল ফুটবলের ত্রাতা হয়ে উঠেন এবং বিশ্বব্যাপী ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।
১৯৭৮ সালে মারিও কেম্পেসের নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জিতলেও সেটির খ্যাতি ও তকমা বেশি ছড়ায়নি। আর্জেন্টিনা ফুটবলের প্রকৃত ফুটবলীয় খ্যাতি ছড়িয়েছিল ডিয়াগো ম্যারাডোনার একক নৈপুণ্যে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয় করে। এরপর থেকেই আর্জেন্টিনা ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলিং নেশনে পরিণত হয় এবং আর্জেন্টিনা ফুটবলের ত্রাতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন ফুটবল ঈশ্বর খ্যাত ডিয়াগো ম্যারাডোনা।
১৯৩০ সাল থেকে ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হয় আর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের জার্সিতে অভিষেক হয় ২০০৩ সালে। ১৯৩০ সাল থেকে ২০০৩ সাল, এই ৭৩ বছরে পর্তুগাল মাত্র ৩টি বিশ্বকাপ ও ৩টি ইউরো কোয়ালিফাই করতে সমর্থ অর্জন করেছিল। এবং কোন প্রকার ট্রফি জিততে পারেনি। কিন্তু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের জার্সিতে অভিষিক্ত হওয়ার পর থেকে তার নেতৃত্বে এই পর্যন্ত পর্তুগাল ৫ টি থেকে ৫টি বিশ্বকাপ ও ৬ টি ইউরোতেই কোয়ালিফাই করেছে এবং ইউরোসহ ৩ টি মেজর ট্রফি জিতেছে । ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তার অসাধারণ ফুটবল প্রতিভা দিয়ে যেমন সারাবিশ্ব জয় করেছেন তেমনি তার দেশ পর্তুগালকে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত করেছেন। যেমনটি করেছেন পেলে ম্যারাডোনারা। পর্তুগাল মানেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দেশ।
Cristiano Ronaldo
25/05/2025
স্পিড: এই টুর্নামেন্ট রোনালদো জিতবে।
প্রেসিডেন্ট : রোনালদো এই টুর্নামেন্টে নেই।
স্পিড : ইন্টার মিয়ামিকে যেভাবে যোগ করেছ, ঠিক তেমনি ভাবে রোনালদোর দলকেও যোগ করো 😊🔥
ফিফা প্রেসিডেন্ট কে ভরে দিছে একেবারে জায়গা মতো 😁
FIFA Club World Cup