09/04/2026
🔮দুই দিন আগে আমাদের পেজে করা প্রেডিকশন পোস্ট থেকে আমরা পেয়েছি দুজন সঠিক ভবিষ্যৎদ্রষ্টা। কিছুটা দেরিতে রেজাল্ট দিতে হচ্ছে, কারণ আমি এই কয়দিন অসুস্থ ছিলাম।
🎯 Habib Chowdhury
🎯Mohammad Irfat Hosen
আপনাদের দুজনের প্রেডিকশনই ১০০% সঠিক হয়েছে!
📩 ইনবক্সে নক করুন—আপনাদের মধ্যে একজনকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে সাথে থাকার জন্য ❤️
06/04/2026
🎉গিভওয়ে , গিভওয়ে🎉
▫️ রিয়াল মাদ্রিদ vs বায়ার্ন মিউনিখ।
▫️ বুধবার রাত ১:০০ মিনিট
▫️স্কোরলাইন এবং প্রথম গোলদাতার নাম কমেন্ট করে জিতে নিন ১টি এক্সক্লুসিভ জার্সি।
বিঃদ্রঃ পোস্টটি শেয়ার করতে হবে, এবং অবশ্যই Extra Football পেইজটি ফলো করতে হবে।
06/04/2026
কার্লো আনচেলোত্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে আবারও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। সিবিএফ অনেকদিন ধরেই তার সঙ্গে চুক্তি নবায়নের ব্যাপারে কথা বলছে। গত মাসেই নতুন চুক্তি হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কিছু আইনি জটিলতার কারণে বিষয়টি এখনো ঝুলে আছে।
এর মাঝেই ইতালি জাতীয় দল থেকে কার্লোর কাছে প্রস্তাব যায়। তবে সেই অফার তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। কার্লো জানিয়েছেন, তিনি ব্রাজিলে ভালো আছেন এবং এখানকার কাজ নিয়েই আপাতত সন্তুষ্ট। এই কথায় ব্রাজিল সমর্থকরা কিছুটা স্বস্তি পেলেও পুরো বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়।
কারণ বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি, কার্লো আপাতত ব্রাজিলের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন নাও করতে পারেন। বরং তিনি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চান। অর্থাৎ, এখনই তিনি দীর্ঘমেয়াদি কোনো সিদ্ধান্তে যেতে চাইছেন না।
এখানেই তৈরি হচ্ছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। ইতালিকে না বললেও সেই অপশন পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। ফলে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত ঠিক করে দিতে পারে, কার্লো আনচেলোত্তি ব্রাজিলের সঙ্গেই থাকবেন, নাকি নতুন কোনো পথে হাঁটবেন।
সব মিলিয়ে বলা যায়, কার্লোর ব্রাজিল অধ্যায় এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। তবে এটুকু নিশ্চিত— বিশ্বকাপের পর তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত আসতে পারে, আর সেটাই এখন ফুটবল বিশ্বের অন্যতম বড় আলোচনার বিষয়।
04/04/2026
🚨 ব্রেকিং নিউজ -
গতম্যাচে হলুদ কার্ড পাওয়ার পর সান্তোসের লকার রুমে রাগে কেঁদে ফেলেন নেইমার। তিনি আগামী রবিবার ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে খেলতে খুব আগ্রহী ছিলেন 🥹💔
সূত্র - opilhado
03/04/2026
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম Diario AS নেইমারের রেমোর বিপক্ষে পারফরম্যান্স নিয়ে দারুণ প্রশংসা করেছে।
তাদের মতে, নেইমার যেন আবারও নিজের সেই চেনা জাদু ফিরিয়ে আনছেন। সান্তোসের ১০ নম্বর জার্সিধারী এই তারকা শুধু মাঠে খেলেননি, বরং প্রতিটি মুহূর্তে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন— তিনি এখনো বড় মঞ্চের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।
ম্যাচে তার অসাধারণ একটি অ্যাসিস্ট ছিল চোখে পড়ার মতো, তবে শুধু সেটুকুই নয়— পুরো ম্যাচজুড়ে তার লড়াই, বল কন্ট্রোল, আত্মবিশ্বাস আর জয়ের ক্ষুধা আলাদাভাবে নজর কেড়েছে। তিনি এক মুহূর্তের জন্যও হাল ছাড়েননি, বরং দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আবারও প্রমাণ করেছেন, নেইমারকে শেষ ভেবে ভুল করা যাবে না।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, তিনি যেন কার্লো আনচেলত্তির নজরে পড়ার জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দিচ্ছেন। আর এমন পারফরম্যান্স যদি তিনি ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যেতে পারেন, তাহলে ব্রাজিল দলে তার প্রত্যাবর্তন শুধু সময়ের ব্যাপার।
নেইমার যখন নিজের ছন্দে থাকেন, তখন ফুটবলটা দেখতে আলাদা লাগে। আর এই ম্যাচটা যেন সেই পুরোনো নেইমারেরই এক ঝলক দেখিয়ে দিল।
নেইমারের এই পারফরম্যান্স দেখে আপনার কেমন লেগেছে? তিনি কি আবার ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে উঠতে পারবেন?
03/04/2026
ব্রেকিং নিউজ: ব্রাজিলের কুইয়াবা শহরের মেয়রের এক ঘোষণায় এখন ফুটবল দুনিয়ায় তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ম্যাচ চলাকালীন সময়ে শহরের কর্মীদের ছুটি দেওয়া হবে— তবে শর্ত একটাই, স্কোয়াডে থাকতে হবে নেইমারকে।
শুনতে অবাক লাগলেও, এই ঘোষণার ভেতরে লুকিয়ে আছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল সংস্কৃতির আসল চেহারা। সেখানে ফুটবল শুধু ৯০ মিনিটের খেলা নয়, এটা মানুষের অনুভূতি, ভালোবাসা, বিশ্বাস আর জীবনের অংশ। আর সেই আবেগের কেন্দ্রবিন্দুতে যদি কেউ থাকে, তাহলে তার নাম নেইমার।
মেয়রের বক্তব্য ছিল একদম স্পষ্ট— নেইমার থাকলে ব্রাজিলের জয়ের আশা এখনো বেঁচে থাকে। এই একটি লাইনই বলে দেয়, একজন খেলোয়াড় কীভাবে পুরো একটি জাতির স্বপ্ন হয়ে উঠতে পারে। ব্রাজিলিয়ানদের কাছে নেইমার শুধু একজন স্টার ফুটবলার নন, তিনি আত্মবিশ্বাসের নাম, মাঠে নামার আগেই সমর্থকদের মনে জয়ের আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার নাম।
আজকের ফুটবলে অনেক বড় বড় তারকা আছে, কিন্তু এমনভাবে পুরো শহর, পুরো দেশ, এমনকি অফিসের ছুটির সিদ্ধান্ত পর্যন্ত যার নামের সঙ্গে জড়িয়ে যায়— সেটা খুব কম খেলোয়াড়ই পারে। তাই এই ঘোষণাকে শুধুমাত্র মজার খবর ভেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এটা আসলে দেখিয়ে দেয়, নেইমার এখনো ব্রাজিলের ফুটবল হৃদয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামগুলোর একটি।
একটা দেশ যখন একজন খেলোয়াড়কে ঘিরে এতটা আশা বাঁচিয়ে রাখে, তখন বোঝা যায় তিনি শুধুই ফুটবলার নন— তিনি এক প্রজন্মের অনুভূতি।
সত্যি বলতে, ব্রাজিলে ফুটবল ধর্মের মতো, আর সেই ধর্মে নেইমার এখনো সবচেয়ে বড় বিশ্বাসের নাম।
এখন প্রশ্ন একটাই— বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও কি নেইমার ব্রাজিলকে স্বপ্ন দেখাতে পারবেন?
02/04/2026
ব্রাজিল দলের হয়ে পেনাল্টি জয় এবং মার্টিনেল্লীর গোলের এসিস্ট করার পর নিজের স্ত্রীর সাথে আবেগঘন মূহুর্ত এন্ড্রিকের। এন্ড্রিক আর তার স্ত্রী মিরান্ডা এভাবেই একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন। ❤️
ম্যাচের সুন্দর এই মূহুর্তের সাক্ষী হয় ব্রাজিল ভক্তরা..
01/04/2026
তরুণ মিডফিল্ডার দানিলোর খেলা আপনাদের কেমন লাগলো?🇧🇷😍
বিশ্বকাপে জায়গা পেয়ে যাবে মনে হচ্ছে!😍
30/03/2026
🎉গিভওয়ে , গিভওয়ে🎉
▫️ ব্রাজিল vs ক্রোয়েশিয়া
▫️ বুধবার ভোর ৬:০০ মিনিট
▫️স্কোরলাইন এবং প্রথম গোলদাতার নাম কমেন্ট করে জিতে নিন ২টি এক্সক্লুসিভ জার্সি।
বিঃদ্রঃ পোস্টটি শেয়ার করতে হবে, এবং অবশ্যই Extra Football পেইজটি ফলো করতে হবে।
27/03/2026
🟢🇧🇩 বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে কথা বলার আগে একটা জিনিস পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে—শুধু বড় দলের স্টাইল দেখে সেটা নকল করতে গেলেই ভালো ফুটবল খেলা যায় না।
বার্সেলোনার মতো হাই-লাইন, পজেশনভিত্তিক ফুটবল দেখতে দারুণ লাগে, কিন্তু এই ধরনের ফুটবল খেলতে হলে দরকার খুব দ্রুতগতির ডিফেন্ডার, পজিশন ধরে রাখার বুদ্ধি, নিখুঁত পাসিং আর ম্যাচের মধ্যে ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। শুধু পরিকল্পনা থাকলেই হয় না, সেই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়ন করার মতো খেলোয়াড়ও লাগবে।
আমাদের কোচ হয়তো আধুনিক ফুটবল খেলাতে চেয়েছেন, যেটা ভাবনায় অবশ্যই ভালো। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে—যে স্টাইল খেলতে গেলে ছোট্ট ভুলও বড় শাস্তি ডেকে আনে, সেই জায়গায় আমরা এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত না। ডিফেন্স একটু ওপরে উঠলেই পেছনে জায়গা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে, আর প্রতিপক্ষ সেই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে খুব সহজেই। তখন সুন্দর ফুটবলের স্বপ্নটাই উল্টো বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
অন্যদিকে ভিয়েতনামকে দেখলে বোঝা যায়, তারা নিজেদের সীমাবদ্ধতা জেনেও কতটা গোছানো ফুটবল খেলছে। অযথা ঝুঁকি নেয় না, ডিফেন্সে শৃঙ্খলা রাখে, আর সুযোগ পেলেই আঘাত করে। বড় বড় নাম নয়, তারা খেলছে পরিকল্পনা আর সংগঠনের জোরে। আর এটাই আধুনিক ফুটবলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক।
বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের এখন দরকার “দেখতে সুন্দর” ফুটবল না, “ফল এনে দেয়” এমন ফুটবল। আগে দলটাকে কমপ্যাক্ট হতে হবে, ডিফেন্স শক্ত করতে হবে, তারপর ধীরে ধীরে পজেশন আর আক্রমণাত্মক স্টাইলে যেতে হবে। এক ধাপে ইউরোপিয়ান বা বার্সা স্টাইল খেলতে চাওয়া মানে নিজেরাই নিজের জন্য ফাঁদ তৈরি করা।
ফুটবলে আবেগ দরকার, স্বপ্নও দরকার—কিন্তু তার চেয়েও বেশি দরকার বাস্তবতা বোঝা। নিজেদের শক্তি, গতি, ফিটনেস আর মানসিকতা অনুযায়ী একটা স্টাইল তৈরি করতে পারলেই বাংলাদেশ আরও ভালো করবে। অন্যের ছায়া হয়ে নয়, নিজেদের পরিচয়ে খেলতে শিখলেই আসবে আসল উন্নতি।
সত্যিটা যত দ্রুত মেনে নেওয়া যাবে, বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য ততই ভালো। কারণ স্টাইল কপি করে করতালি পাওয়া যায়, কিন্তু বাস্তবতা বুঝে খেললেই ম্যাচ জেতা যায়।🟢🔴
26/03/2026
বড় ভাইকে বার্সেলোনার জার্সিটা পড়িয়ে দিলে রেটিং থাকতো 9★ আর মাঠে থাকতো টানা ৯৬ মিনিট। ☹🥹
26/03/2026
🗣️রদ্রি-(স্পেনিশ মিডফিল্ডার)। :-
"ভিনি জুনিয়রের বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই,ব্যালন ডি’অর জেতার বছরেও তিনি যা কিছু করেছেন,তার জন্য আমি তাকে সর্বোচ্চ সম্মান করি,
ব্যালন ডি’অর কে জিতবে,তা অন্যরাই ঠিক করে। তারা আমাদের একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছিল,কিন্তু ব্যাপারটা তেমন নয় ।"