H.M.Afnan Habib

H.M.Afnan Habib

Share

লেখালেখি

08/11/2024

আলহামদুলিল্লাহ

08/08/2024

আমাদের সমাজে বিয়েটাকে সহজ করা উচিৎ ৷
বিয়ের সাথে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সম্পর্ক নয় বরং জৈবিক চাহিদার সম্পর্ক ৷

আমাদের দেশে সাধারনত ১৫-১৬ বছর বয়সে একটি ছেলে বা একটি মেয়ে পরিপূর্ণ যৌন সক্ষমতা অর্জন করে ৷ অথচ শহুরে বা শিক্ষিত সমাজে পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে দেওয়া হয় গড়ে ২৮-৩০ বছর বয়সে ৷ এই ১২-১৫ বছর তাদের বৈধ উপায়ে জৈবিক চাহিদা পূরন করার কোনো পথ থাকে না ৷
অথচ এটা এমন কোনো জিনিস নয় যেটা অস্বীকার করা সম্ভব ৷

এই দীর্ঘ সময়ে হারাম সম্পর্ক, যিনা, ব্যাভিচার, পর্ণোগ্রাফি সহ আরো নানা কঠিন গুনাহের পথে তরুণ প্রজন্ম পা বাড়ায় ৷ এসব কাজে সমস্যার সৃষ্টি হলে সেই প্রভাব তাদের আচরণে পড়ে ৷ পরিবারের মানুষদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে ৷ আর এই গুনাহের ভাগ অভিভাবকদেরও নিতে হয় সমানভাবে ৷

আমি বলছি না ১৫ বছর বয়সেই বিয়ে করিয়ে দিন ৷ অন্তত ২২-২৩ বছর বয়সে বিয়ে করাটাকে সহজভাবে নেয়া উচিৎ ৷

এ ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হয় মেয়ের পরিবার ৷ কিছু ক্ষেত্রে ছেলের পরিবারও হয় ৷ ছেলে কি করে " এই প্রশ্নের উত্তর সহ নানা সামাজিক নিয়মকানুনের দোহাই দেওয়া হয় ৷ যেটা মুসলিম সমাজে অমানবিক ও নিষিদ্ধ ৷ এই সময়ে একজন ছেলে বা মেয়ে অন্তত বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলে পড়াশোনা করে ৷ পড়াশোনা শেষ করে তারা নিশ্চয় ক্যারিয়ারের দিকে মনোযোগ দিবে ৷ বিয়ে হলে বরং খামখেয়ালিপনা দূর হয়, মন এক জায়গায় ফিক্সড হয় ৷

অনেক মেয়ের পরিবার মনে করে বিয়ের পর শ্বশুড়বাড়িতে পড়াশোনা হয়না ৷ সেক্ষেত্রে বিয়ে না দিলে আপনার বাড়িতে রেখে যেভাবে পড়াশোনা করাতেন ; বিয়ে দিয়ে সেভাবে করাতে পারেন ৷মেয়ের পড়াশোনা শেষ হলে এবং ছেলে কর্মক্ষেত্রে যোগ দিলে মেয়েকে ছেলের বাড়িতে তুলে দিন ৷ ফলে পড়াশোনাও হলো আর সম্পর্কটাও বৈধ থাকলো ৷

আপনি যখন পড়াশোনা করা একটা ছেলেকে বিশ্বাস করে নিজের মেয়েকে তার হাতে তুলে দেন তখন আপনার ও আপনার পরিবারের প্রতি সেই ছেলের অন্যরকম এক টান তৈরী হয় ৷ সেই সম্পর্কটা আরো সুদৃঢ় হয় ৷ শুরুর কয়েক বছরে একসাথে ওই ছেলে-মেয়ে যে কঠিন দিন পার করে সেটা পরবর্তীতে তাদের বন্ধনকে আরো মজবুত করে ৷ সোনা পুড়লে যেমন খাঁটি হয় ৷

অথচ আজকের দিনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর,
বিয়ে করা লাগে বলে করে ৷ অধিকাংশক্ষেত্রে ঝগড়া-ঝাটি সহ নানা সমস্যা লেগেই থাকে ৷ সামান্য কিছু হলেই আলাদা থাকে, ডিভোর্স করে নেয় ! শহুরে ও শিক্ষিত সমাজে এই হার প্রতিনিয়ত অসংখ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে ৷সত্যি বলতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই সম্পর্কগুলোতে কোনো গভীরতা থাকে না ৷
অথচ ৭০ বছর সংসার করার পরও আমার দাদা-দাদির মধ্যে যে সম্পর্ক সেটা হিংসা করার মতো ৷

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ বর্ণিত , নবিজি (সাঃ) যুবকদের উদ্দেশ্য করে বলেন-

'হে যুবক সম্প্রদায় ! তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিয়ে করে নেয় ৷ কেননা বিয়ে তার দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং চরিত্রকে হেফাযত করে ৷'
(সহিহ বুখারি : ৫০৬৬)

আল্লাহ তায়ালা সূরা নূরের ৩২ নং আয়াতে বলেছেন-

"তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত রয়েছে, তাদের বিয়ে করিয়ে দাও ৷ আর তোমাদের দাস-দাসীর মধ্যে যারা বিবাহের যোগ্য , তাদেরও বিয়ের ব্যবস্থা করো ৷ যদি তারা গরিব হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ তায়ালা আপন মেহেরবানিতে তাদের ধনী করে দেবেন ৷ আল্লাহ তায়ালা বড়ই প্রাচুর্যময় ও সর্বজ্ঞ ৷"

আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের সমাজে বিয়েটাকে সহজ করা হলে যিনা, ব্যভিচার, ইভটিজিং, ধর্ষণ, আত্মহত্যা সহ অসংখ্য অপরাধ অনেকাংশে কমে যেতো ৷



04/01/2024

“রক্ত কখনও ঘুমায় না। প্রতিশোধ নেবার জন্য জেগে থাকে..💪🔪

সময়মত সুখে নিব যেই বা যারা প্যাচ লাগাচ্ছেো...😡👋

04/01/2024

পাশে থাকলেই বন্ধু হয়না...💔👥
নাবাবের পাশেও মীর জাফর ছিল...🙂😐

03/01/2024

হাজারটা বন্ধু বা হাজারটা ব্যক্তির সাথে পরিচয়, চলা-ফেরা,উঠা-বসা এটা প্রত্যেক ব্যক্তিরই হয় বা থাকে।😐
বাট বেস্ট ফ্রেন্ড যখন রাগ করে তখন দুনিয়ার কিচ্ছু আর ভালোলাগেনা, আর যদি সবাই দূরে চলে যায় কিন্তু বেস্ট ফ্রেন্ড সাথে থাকে তাহলে মনেহয় পুরো দুনিয়ায় সাথে... 💔


ILove My Best Friend 🥰

01/01/2024

আল্লাহ না করুন
হয়ত এমন সময় আসতে পারে যে
পটকার এই আওয়াজ গুলো হবে শত্রু পক্ষের বোমার
আর যুবক যুবতীদের আনন্দের এই আওয়াজগুলো হবে করুন আর্তনাদের।
উদাহরণ আমাদের সামনে কিন্তু আমরা শিক্ষা নেই না
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের হিফাজত করুন আমিন।

31/12/2023

আল-বিদা..... ২০২৩ইং

২০২৩ সালের শেষ দিন আজ৷ একটি বছরের বিদায় আনন্দের উপলক্ষ নয়৷ বেদনার বিষয়৷ কেননা জীবনের দেয়াল থেকে কষে পড়েছে ৩৬৫টি ইট৷ ছোট হয়ে এসেছে জীবনের ডায়রি৷ সুতরাং বর্ষবরণের নামে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠা বুদ্ধিমানের কাজ নয়৷ বরং বিগতদিনের হিসাবকষা কর্তব্য৷ সহিহ বোখারির বর্ণনায় রয়েছে, حاسبوا قبل ان تحاسبوا
পরকালে আল্লাহর সামনে হিসাব দেয়ার আগে দুনিয়াতে জীবনের নাও৷ আল্লাহ পাক বলেছেন,
اقترب للناس حسابهم وهم في غفلة معرضون.
অর্থাৎ মানুষের হিসাব-নিকাশের সময় অতি নিকটবর্তী অথচ তারা গাফলতে বিভোর হয়ে বিমুখ রয়েছে৷ (সুরা আম্বিয়া: ১)

বর্তমানে থার্টিফাস্ট নাইটের যে সংস্কৃতি চালু হয়েছে তা আমাদের নয়৷ মুসলিম যুবক-যুবতীদের চরিত্র বিনষ্ট করণের অসৎ উদ্দেশ্যে আমদানী হয়েছে এ সংস্কৃতি৷ এ সংস্কৃতির বেলাল্লাপনা এতটা ভয়াবহ রূপ পরিগ্রহ করেছে যে, তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে নিরাপত্তাকর্মীদের হিমশিম খেতে হয়৷ নারীদের শ্লীলতাহানী আর মাদকের প্রবনতায় প্রশাসন বাধ্য হচ্ছেন থার্টিফাস্ট নাইটের অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করতে৷ ২০০০ইং সালে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে বাধন নামের যে মেয়েকে দিগম্বর করে লাঞ্ছিত করা হয়েছিল তা কি মনে আছে বাংলার তরুণীদের? আমরা মনে করি, সেদিন একজন মেয়েকেই অবমানিত করা হয় নি বরং বাংলাদেশের ষোলকোটি মানুষকে অপমানিত করা হয়েছে বিশ্বদরবারে৷ বাংলাদেশের সমাজচিত্রে কলংকের যে দাগ লেপ্টে রয়েছে তা কি ভুলে গেছে যুবক- যুবতী???

✍️✍️ Afnan Habib ✍️✍️

29/12/2023

"যদি সত্যিই মন থেকে কিছু করতে চাও
তাহলে পথ পাবে,🙂
আর যদি না চাও
তাহলে অজুহাত পাবে।„😒

21/12/2023

জমজম কূপের পানি খাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে কার কার?
আলহামদুলিল্লাহ !!🖤

08/12/2023

বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয় ৷
কালি ফুরিয়ে গেলে কলমটাও আবর্জনার ঝুড়িতে জমা হয়। বাসি হয়ে গেলে প্রিয়জনের দেয়া ফুলটাও পরদিন ডাস্টবিনে পাওয়া যায়।

পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সত্য হলো আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন মনে রাখবে না। জীবনের সবচেয়ে নিদারুণ বাস্তবতা হলো, কার কাছে আপনি কতদিন প্রায়োরিটি পাবেন, সেটা নির্ভর করবে কার জন্য কতদিন কিছু একটা করার সামর্থ্য আছে তার উপর।

এই বাস্তবতা আপনি মানলেও সত্যি, না মানলেও সত্যি। আজ সকালে যে পত্রিকার দাম ১০ টাকা, একদিন পর সে একই পত্রিকার ১ কেজির দাম ১০ টাকা। হাজার টাকা খরচ করে একাডেমিক লাইফে বছরের শুরুতে যে বইগুলো গুরুত্ব দিয়ে কিনেন, বছর শেষে সেই বইগুলোই কেজি মাপে বিক্রি করে দেন।

সময় ফুরিয়ে গেলে এভাবেই মূল্য কমতে থাকে সবার, সবকিছুর। আমরা আপাদমস্তক স্বার্থপর প্রাণী। ভিখারিকে ২ টাকা দেয়ার আগেও মানুষ চিন্তা করে কতটুকু পূণ্য অর্জন হবে। বিনা স্বার্থে কেউ ভিক্ষুককেও ভিক্ষা দেয় না৷

এতকিছুর পরও চলুন একটু হেসে কথা বলি।
রাগটাকে কমাই।যদি সুখী হতে চান তবে প্রত্যাশা কমান।

আপনি কারো জন্য কিছু করে থাকলে সেটা চিরতরে ভুলে যান। কারণ সেটা যতদিন আপনি মনে রাখবেন ততদিন সেটা আপনাকে অহংকারী করে তুলবে।

আবার কেউ যদি আপনার জন্য খুব ছোট কিছুও করে থাকে, তবে সেটা আজীবন মনে রাখবেন। কারণ এটা আপনাকে বিনয়ী ও কৃতজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ভালো মানুষ হিসেবে বাঁচিয়ে রাখবে।😭

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Dhaka