22/06/2026
কল্পনা করুন—লর্ডস কিংবা ওভালের আকাশ মেঘলা, বাতাসে হালকা ঠান্ডা স্যাঁতসেঁতে ভাব। ক্রিজে দাঁড়িয়ে আছেন কোনো ব্রিটিশ ব্যাটার । ঠিক তখনই বোলিং রান-আপের ওপর থেকে দৌড় শুরু করলেন ১৪৫-১৫০ কিলোমিটার গতির এক এক্সপ্রেস বোলার। গতি আর বাউন্সে ব্যাটারকে পরাস্ত করলেন নাহিদ রানা।
ইংল্যান্ডের মাটিতে ২০২৭ সালের মে মাসে যখন বাংলাদেশ দল একমাত্র টেস্ট খেলতে নামবে, তখন এই দৃশ্যটা কেবল কল্পনাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। একসময় ঘরের মাঠে স্পিন উইকেট বানিয়ে ম্যাচ জেতার যে সংস্কৃতি আমাদের ছিল, তা আজ অনেকটাই বদলে গেছে। আর এই বদলের গল্পটা লিখছেন আমাদের পেসাররা।
ইংল্যান্ডের সুইং সহায়ক কন্ডিশনে আমাদের পেস আক্রমণের মূল ভরসা হতে যাচ্ছেন তিনজন আলাদা বৈশিষ্ট্যের বোলার।
একদিকে থাকবে নাহিদ রানার র গতির কাঁপন। অন্য প্রান্তে পুরোনো বলে রিভার্স সুইংয়ের মায়াজাল বুনে ব্রেক-থ্রু এনে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবেন অভিজ্ঞ তাসকিন আহমেদ। আর তাদের সাথে যোগ দেবেন হাসান মাহমুদ, যিনি ইতিমধ্যেই ইংলিশ কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়ার জাদুটোকা রপ্ত করে ফেলেছেন—কাউন্টিতে মাত্র ৪ ইনিংসে ১২ উইকেট নেওয়ার অবিশ্বাস্য কীর্তিই তার প্রমাণ।
মে মাসের ইংল্যান্ডের কন্ডিশন পেসারদের জন্য বরাবরই স্বর্গ। আমাদের এই বৈচিত্র্যময় পেস ত্রয়ী যদি নিজেদের সেরাটা দিতে পারেন, তবে ঘরের মাঠেও ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন-আপকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে।
গতির ঝড়, রিভার্স সুইং আর নিখুঁত লাইন-লেন্থের এই জুটিতে আপনার বাজি কার ওপর?