21/01/2026
জানিয়ে দিন আপনার মতামত👇👇👇
খেলাধুলা বিষয়ক সকল প্রকার নতুন নতুন সংবাদ আপডেট পেতে আমাদের পেইজটিতে ফলো দিয়ে সাথে থাকুন।💝
21/01/2026
জানিয়ে দিন আপনার মতামত👇👇👇
15/01/2026
বিপিএল বন্ধ হলে ক্ষতিপূরণের পুরো দায় বিসিবির—কোয়াবের হুঁশিয়ারি।
বিভিন্ন গুঞ্জনের ভিড়ে সামনে এলো আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খবর। বৃহস্পতিবার রাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমকে বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ক্রিকেটাররা নতুন করে কড়া বার্তা দিয়েছে।
নাজমুল ইস্যুকে কেন্দ্র করে যদি বিপিএল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে এর ফলে যে আর্থিক ক্ষতি হবে—তার সম্পূর্ণ দায় বিসিবিকেই নিতে হবে। ক্রিকেটার, কোচ ও সাপোর্ট স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট সবার পাওনা পরিশোধের দায়িত্ব পড়বে বোর্ডের ওপর।
সব মিলিয়ে এই ক্ষতিপূরণের অঙ্ক দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪০ কোটি টাকা।
| |
15/01/2026
বিসিবির একজন সিনিয়র দায়িত্বশীলের সাথে কথা হচ্ছিল। তিনি জানান সংবাদ সম্মেলনে বেশিরভাগ খেলোয়াড়কে একরকম জোরপূর্বক নিয়ে আসা হয়।
আপনারা প্রেস ব্রিফিং এর ছবি দেখেই আন্দাজ করছেন। এবং এটা অনেক বড় সত্য।
ইন্টারনাল পলিটিক্সের লিডে মিথুন মিরাজরা।
তামিম ইকবাল নিজের পকেট কমিটি করার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের মধ্যে একধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করার রাজনীতি করছেন। সবাইকে বোঝানো হয় বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তামিম বোর্ড প্রেসিডেন্ট হবে। সুতরাং কথা না শুনলে টিমে থাকা যাবেনা।
আল্টিমেটলি তারা জানেন তারা বিপিএলের খেলা বন্ধ করলে বিপিএল অফ হয়ে যেতে পারে। আর বিপিএল অফ হয়ে গেলে সবথেকে বেশি খুশি খুব সম্ভবত পাশের দেশ ভারত হবে, বলতে আর বাকি থাকেনা।
মূলত এখানের ক্রিকেটের স্বার্থ কম, রাজনীতি বেশি।
--
আহনাফ তাহমিদ
15/01/2026
উনার মন্তব্যের সাথে একমত?
15/01/2026
যে ক্রিকেটাররা দেশকে ভালবাসতে পারে না তাদের খেলার প্রয়োজন নাই, আর সত্যিকার অর্থেই ক্রিকেট প্রেমিরা নাজমুল সাহেবের সাথে আছেন কারণ তিনি দেশ প্রেমিক ❤️🔥
15/01/2026
নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিলেও, এখনো তিনি পরিচালক পদে আছেন। কেন তাকে পরিচালক পদ থেকে সরাতে পারবে না। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো পরিচালককে অব্যাহতি দিতে পারে না বোর্ড। একজন চার বছরের জন্য পরিচালক নির্বাচিত হন।
15/01/2026
শুনেন!
নাজমুল হাসানকে জোর করে পদত্যাগ করানো মানে ক্রিকেট বোর্ড দালালদের দখলে চলে যাওয়া।
ক্রিকেটার রা যদি অনশন বা খেলা বিরতি দেয় তাহলে বোর্ডের উচিৎ নতুন দের নিয়ে ভাবা।
নতুবা জনগনের যদি দালাল ঠেকাতে রাস্তায় নামা লাগে তাহলে বর্তমান সব প্লেয়ারের বাধ্যতামূলক অবসরের ঘোষনা না নিয়ে ফিরবেনা। ক্রিকেট ধ্বংস করতে চাইনা। বর্তমান ক্রিকেটারগুলো ধ্বংস হোক।
সারা জীবনে একটা ট্রফি ছুয়ে দেখার মরদ নেই আবার আন্দোলন দোচায়।
শরীফ ওসমান হাদির বিখ্যাত উক্তি খনিকের পোলাদের শাও*য়া মাও*য়া ছিড়ে ফেলা উচিৎ।
পরিচালক নাজমুলের পদত্যাগ তো দূরের কথা, বরং এই সাহসী বক্তব্যের জন্য ওনাকে পরবর্তীতে বিসিবির সভাপতি করার দাবি জানাই! 👍
07/01/2026
৩৪ শে এসে টি টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেরা ৯০ ইনিংসটা খেলেলেন নাসির হোসেন।
নোয়াখালীর বিপক্ষে ৩ নম্বরে সুযোগ পেয়ে অসাধারণ এক ইনিংস খেলেছেন নাসির হোসেন। ৫০ বলে ১৪ চার ও ২ ছক্কায় ৯০* রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন তিনি। এই ইনিংস খেলার পথে মাত্র ২১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরন করেন তিনি। এটি স্বীকৃত টি টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। এর আগে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস ছিল ৮০।
খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, এনসিএল টি টোয়েন্টি তে
দ্বিতীয় কোয়ালিফাই ম্যাচে ৪১ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে রংপুরকে ফাইনালে তোলেন নাসির হোসেন।
এরপর ফাইনালে খুলনার বিপক্ষে ৩১ বলে করেন ৪৬ রান। রংপুর রাইডার্স চ্যাম্পিয়নস হয়।
এর আগে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ৩২ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হন।
ঐ টূর্নামেন্টে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ৩ টি ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন নাসির। এরপর এলেন বিপিএলে। শুরুর ম্যাচ গুলোতে সেভাবে ভালো করতে না পারলেও আজ উপরের দিকে সুযোগ পেয়ে নিজের সেরাটা দিয়ে প্রমাণ করলেন মি: ফিনিশার এখনো ফুরিয়ে যায়নি।
নাসির হোসেন ক্রিকেট খেলেন কালেভদ্রে। সর্বশেষ ২ বছর আগে বিপিএলে লম্বা সময়ের জন্য খেলেছিলেন। এরপর নিয়মিত অনুশীলন করার সুযোগটুকুও পান না। মিরপুরে সবুজ ঘাসে দৌড়বেন, ইনডোরে প্রাকটিস। জিমে গিয়ে জিম করবেন, জাতীয় দল কিংবা জাতীয় দলের নেট বোলারদের বিপক্ষে ব্যাটিং অনুশীলন তাদের জন্য অলীক কল্পনা। শরীরের ওজন বেড়েছে, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, ঘুরে ঘুরে নানা ধরনের খাবার খাওয়া, সর্বপরি শখের বসে ক্রিকেট খেলা। এরপরেও দেখা যায় অভিজ্ঞতার জোরে ব্যাট হাতে ক্রিকেট ভক্তদের নান্দনিক ইনিংস উপহার দেন।
🖊️Md Rasel patuakhali
04/01/2026
১১(১১), ৩৯(২০),৫৪(*৪০), ৫২(৩৭)
মোহাম্মদ নাঈম শেখের মূল্য যদি ১.৫০ কোটিও হতো, তবুও বলতাম বিপিএলে নাঈমের মূল্য ঠিক আছে। আর যারা তার প্রথম ইনিংস নিয়ে দাঁত বের করে হাসছিল তারা তার পারফরম্যান্স দেখে নিক। ঢাকার বিপক্ষে ১২৩ রান তারা করতে নেমে ১২.৪ ওভারে ১০ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। আজ * সিলেটের বিপক্ষে ২১৭ রান তাড়া করল ১৬.০ ওভারে ৯ উইকেট হাতে রেখেই।
আপনি যতোই বলেন পারর বোলারদের পিটিয়ে রান করে নাঈম শেখ। এটা বলে শুধু নাঈম শেখ নয়, পুরো টূর্নামেন্টকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। কেননা এই বিপিএলে যারা খেলে তারাই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে আছেন। আবার বিদেশি বোলাররাও বিশ্বকাপ সহ সেই দলের জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ। তাহলে এই কথা বলে লাভ কি?
চলুন দেখে আসি নাঈমের খেলা ৪ ইনিংস।
নাঈম শেখ প্রথম ইনিংসে নোয়াখালীর বিপক্ষে করেন ১১ রান।
২য় ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে ২০ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৩৯ রান। সেদুন পিটিয়েছিলো নাহিদ রানা, ফাহিম আশরাফ, মোস্তাফিজদের মতো বোলারদের।
৩য় ম্যাচে ঢাকার বিপক্ষে ৪০ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ রান করেন। সেদিন খেলেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, ইমাদ ওয়াসসিম, সালমান মির্জা, তাসকিন আহমেদের মতো বোলারদের।
৪র্থ ম্যাচে সিলেটের বিপক্ষে ৩৭ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৫২ রানের ইনিংস খেলেছেন। এই ম্যাচে খেলেছেন মোহাম্মদ আমির, ওমরজাই, খালেদ আহমেদ, নাসুম আহমেদের মতো বোলারদের বিপক্ষে।