The Sports Maniac

The Sports Maniac

Share

Here without sport pictures⚽🏏

15/07/2026

ফ্রান্স কে হারিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবার ফাইনালে স্পেন। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফ্রান্স কে ২-০গোলে গুঁড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে তারা গেলো। স্পেন প্রথম গোল করে লিড এনে দেয় halftime আগে ওয়ারজাবাল। তারপরে halftime পর জয় সূচক গোল করে পেদ্রো পোর। অভিনন্দন স্পেন এভাবে এগিয়ে যাও।

12/07/2026

আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে। Alexis Mac Allisterপ্রথম ১০মিনিট গোলে লিড নিয়ে বিরতিতে যায়। halftime পর সুইজারল্যান্ড ফরোয়ার্ড Dan Ndoye ৬৭" মিনিটে গোলে ১-১সমতা। তারপরে অবিশ্বাস্য ভাবে এক্সট্রা টাইমে ১১২"তম মিনিটে Alvarez দুর্দান্ত গোলে এবং Lautaro গোলে জয় নিয়ে ৩-১গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
অভিনন্দন আর্জেন্টিনা এভাবে এগিয়ে যাও।👍👍🇦🇷

11/07/2026

মিকেল মেরিনো স্পেন দলের ত্রাণ কর্তা। স্পেন যখন খাদের কিনারে যতবারই পড়ছে ততবার বাঁচিয়েছে। সুপার সাব হিসেবে নেমেছে ততবারই দলকে জিতিয়েছেন।রাউন্ড -১৬ তে পর্তুগাল এর বিপক্ষে স্পেন যখন ০-০ গোল তখন সুপার সাব হিসেবে নেমেই শেষ পর্যন্ত ১গোল করে স্পেন কে জয় এনে দেন।আর পরবর্তী ম্যাচ কিছুটা ভিন্ন কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়াম ম্যাচে স্পেন যখন ১-১সমতা তখন সেই একই গল্প সুপার সাব হিসেবে নেমে শেষ পর্যন্ত আরো একটা গোল। স্পেন কে সেমিফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে মিকেল মেরিনো। মিকেল মেরিনো কে ইতিহাস প্রথম সুপার সাব বা বদলি খেলোয়াড় বলা যায় নকআউট ম্যাচে

11/07/2026

বিদায় বেলজিয়াম টিমের লিজেন্ডস

10/07/2026

ঊনবিংশ শতাব্দীর দিকে হাঙ্গেরি ফুটবল টিম ছিল অপ্রতিরোধ্য। সেই সময় হাঙ্গেরি ফুটবল টিম কে গোল্ডেন জেনারেল বলা যায়।ফেরেঙ্ক পুসকাস, স্যান্ডর কোকসিস, নান্দর হিদেকুতি এবং বোজসিকদের মতো কিংবদন্তিদের নিয়ে গড়া এই দলটি ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত টানা ৩১টি ম্যাচে অপরাজিত ছিল। ইউরোপে স্পেন , জার্মান, ফ্রান্স, ইংল্যান্ডের মোতন ফুটবল পরাশক্তি ছিল।সে হাঙ্গেরি এখন আর বিশ্বকাপ খুজে পাওয়া দুষ্কর।পুরো ফুটবল বিশ্বকে যারা শাসন করত তার ১৯৮৬ সালের পর আর কোন বিশ্বকাপ qualify করতে পারে নি।
হাঙ্গেরি ফুটবল ইতিহাস উত্থান পতন সম্পর্কে জানাবো।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোচ গুস্তভ সেবেস-এর অধীনে হাঙ্গেরি ফুটবল দলে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে। এই দলটিকে ফুটবল ইতিহাসে "গোল্ডেন টিম"বা "মাইটি ম্যাগিয়ার্স" বলা হয়। ফেরেঙ্ক পুসকাস, স্যান্ডর কোকসিস, নান্দর হিদেকুতি এবং জোসেফ বোজসিকদের মতো কিংবদন্তিদের নিয়ে গড়া এই দলটি ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত টানা ৩১টি ম্যাচে অপরাজিত ছিল।
১৯৫৪ সালের সুইজারল্যান্ড বিশ্বকাপে হাঙ্গেরি ছিল শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার। গ্রুপ পর্বে তারা দক্ষিণ কোরিয়াকে ৯-০ এবং পশ্চিম জার্মানিকে ৮-৩ গোলে উড়িয়ে দেয়। কোয়ার্টার ও সেমিফাইনালে যথাক্রমে ব্রাজিল ও উরুগুয়েকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে তারা।

ফাইনাল ট্র্যাজেডি: ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল সেই পশ্চিম জার্মানি, যাদের তারা গ্রুপ পর্বে ৮-৩ গোলে হারিয়েছিল। ম্যাচের মাত্র ৮ মিনিটের মধ্যে হাঙ্গেরি ২-০ গোলে এগিয়ে গেলেও অলৌকিকভাবে পশ্চিম জার্মানি ঘুরে দাঁড়ায় এবং ৩-২ ব্যবধানে ম্যাচটি জিতে নেয়। ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচটি 'মিরাকল অব বার্ন' নামে পরিচিত। এটিই ছিল চার বছরের মধ্যে হাঙ্গেরির প্রথম পরাজয়, যা তাদের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়।
পতনের সূচনা:
১৯৫৬ সালের হাঙ্গেরিয়ান বিপ্লব ১৯৫৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে হাঙ্গেরির জনগণ বিদ্রোহ ঘোষণা করে। এই রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় হাঙ্গেরির শীর্ষ ক্লাব 'হনভেদ' দেশের বাইরে একটি ম্যাচ খেলতে গিয়েছিল। দেশের পরিস্থিতি দেখে দলের প্রধান তারকা ফেরেঙ্ক পুসকাস, স্যান্ডর কোকসিস এবং জোল্টান চিবর আর দেশে না ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। তারা স্পেনে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন এবং স্প্যানিশ ক্লাবে যোগ দেন (পুসকাস যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে)।

তারকাদের বিদায়: এক নিমেষেই বিশ্বের সেরা আক্রমণভাগটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। এর ফলে হাঙ্গেরিয়ান ফুটবলের সোনালী অধ্যায়ের আকস্মিক ও স্থায়ী সমাপ্তি ঘটে।
এই পরবর্তী কারণে হাঙ্গেরি কে আর তেমন ধারাবাহিক খুঁজে পাওয়া যায় না।

10/07/2026

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। বোস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ফরাসিদের হয়ে গোল দুটি করেন কিলিয়ান এম্বাপ্পে এবং উসমান দেম্বেলে।
প্রথমার্ধ (০-০): ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্স বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে। ২৬ মিনিটে কিলিয়ান এম্বাপ্পে বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। তবে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু দুর্দান্ত এক সেভে এম্বাপ্পের পেনাল্টি শটটি রুখে দেন।

ডেডলক ভাঙলেন এম্বাপ্পে (৬০ মিনিট): ম্যাচের ৬০তম মিনিটে পেনাল্টি মিসের ক্ষত ভুলে দুর্দান্ত এক কোণাকুণি শটে ফ্রান্সকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন অধিনায়ক কিলিয়ান এম্বাপ্পে।

ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন দেম্বেলে (৬৬ মিনিট): প্রথম গোলের মাত্র ৬ মিনিট পরেই এম্বাপ্পের পাস থেকে বল পেয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ২-০ করেন উসমান দেম্বেলে।

07/07/2026

২০২৬ বিশ্বকাপ আজকে সেরা ম্যাচ দেখলো ফুটবল বিশ্ব। ইতিহাসে সেরা ম্যাচ বলতে গেলে এটা। মিশরে সাথে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ সময় পর্যন্ত ৩-২ গোলে জয় পেলো আর্জেন্টিনা যা অবিশ্বাস্য। what a come back Argentina.
অভিনন্দন আর্জেন্টিনা

06/07/2026

ফুটবল বিশ্বকাপ প্রভাবের কারণে তোদের এসকল ম্যাচ দেখতেছে না। সবাই এখন ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে পরে আছে ।তা না হলে দেখলে পরে ফেসবুক ট্রলের বন্যা বয়ে যেতো। তোদের লজ্জা পাওয়া উচিত জিম্বাবুয়ে মতোন ছোট টিমের কাছে হেরে যাস ।তাও আবার ১৪২ টার্গেট নেমে। ভাবলাম যে টেস্টে তোরা হারলেও পরে ODI প্রিয় ফরমেট ঘুরে দারাবি। দেশের ক্রিকেট কে এভাবে লজ্জা ডুবাস না।😡

06/07/2026

তাঁর ক্লাব ক্যারিয়ার ভালো না গেলেও। তাঁর নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করা তার কাছে গর্বের।তিনি এই পর্যন্ত নিজের দেশের হয়ে যে কটি ম্যাচ খেলেছে সে কটি ম্যাচ হারে নি। তাঁর শুরুটা এত সহজ ছিল না।নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও হাল না ছেড়ে আজ তার নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। তাঁর নাম হলো Conversation with Gemini
Ørjan Nyland।ক্যারিয়ারের সবচেয়ে খারাপ বা কঠিন সময়
নিল্যান্ডের ফুটবল ক্যারিয়ার উত্থান-পতনে ভরা। বিশেষ করে ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যবর্তী সময়টিকে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।অ্যাস্টন ভিলায় ইনজুরি ও ছন্দপতন (২০১৮–২০২০): ২০১৮ সালে ইংলিশ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলায় যোগ দেওয়ার পর প্রথম দিকে তিনি নিয়মিত খেললেও পরবর্তীতে ইনজুরির কারণে দলে জায়গা হারান। অ্যাকিলিস টেন্ডনের মারাত্মক ইনজুরির কারণে তাকে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকতে হয়। ২০২০ সালে শেষ পর্যন্ত ক্লাবটির সাথে তার চুক্তি বাতিল করা হয়।

ক্লাবহীন ও ব্যাক-আপ কিপার হিসেবে সংগ্রাম (২০২১–২০২২): অ্যাস্টন ভিলা ছাড়ার পর নিল্যান্ডকে তীব্র দলীয় অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তিনি নরউইচ সিটি, বোর্নমাউথ এবং রিডিংয়ের মতো বিভিন্ন ক্লাবে স্বল্পমেয়াদী চুক্তিতে যোগ দেন। এই সময়টাতে তিনি বেশিরভাগ ম্যাচেই বেঞ্চে বসে কাটিয়েছেন এবং নিয়মিত খেলার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। একজন প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক গোলরক্ষকের জন্য বছরের পর বছর ম্যাচ খেলার সুযোগ না পাওয়া মানসিক ও পেশাদার দিক থেকে অত্যন্ত কঠিন একটি সময় ছিল।

সেভিয়া-তে ব্যাক-আপ ভূমিকা (২০২৫–২০২৬): সাম্প্রতিক ২০২৫-২৬ মৌসুমে স্প্যানিশ ক্লাব সেভিয়া-তে তাকে পুনরায় দ্বিতীয় পছন্দের (Backup) গোলরক্ষক হিসেবে খেলানো হয় এবং লিগে তিনি মাত্র কয়েকটি ম্যাচে শুরুর একাদশে সুযোগ পান।

বর্তমান ঘুরে দাঁড়ানো: তবে দীর্ঘ এই কঠিন সময় এবং ক্লাবে নিয়মিত সুযোগ না পাওয়ার পরেও, ৩৫ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক জাতীয় দল নরওয়ের হয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে নরওয়ের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে।

05/07/2026

হালান্ডের জোড়া গোলে রাউন্ড -১৬ থেকে বিদায় ব্রাজিল।আর প্রথমবারের মতোন নরওয়ে চলে গেলো কোয়ার্টার ফাইনালে।১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম ২০২৬বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে প্রথমবারের মতো ইতিহাস রচনা করলো নরওয়ে। অভিনন্দন নরওয়ে।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility?

Website