01/06/2026
ফিরোজ কামাল ফুটবল একাডেমি
ঈদের পঞ্চম দিন
১ জুন ২০২৬
চ্যানেল 24
দুপুর ৩টা, রাত ৮টা এবং পরদিন (২ জুন) সকাল ৮:৩০
যেখানেই বাংলাদেশ সেখানেই ফোরাম
যেখানেই থাকুন ফোরামের সাথেই থাকুন
01/06/2026
ফিরোজ কামাল ফুটবল একাডেমি
ঈদের পঞ্চম দিন
১ জুন ২০২৬
চ্যানেল 24
দুপুর ৩টা, রাত ৮টা এবং পরদিন (২ জুন) সকাল ৮:৩০
31/05/2026
বসুন্ধরা কিংস বিএফএসএফ অনূর্ধ্ব-১৪ একাডেমী কাপ ২০২৫ এর চ্যাম্পিয়ন টু স্টার বোদা উপজেলা ফুটবল একাডেমী পঞ্চগড় দলকে সংর্বধনা দিয়েছে বোদা উপজেলা প্রশাসন। এসময় সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব ফরহাদ আজাদ সহ আরও অনেকেই।
বাংলাদেশ ফুটবল সাপোর্টার্স ফোরাম এর পক্ষ হতে উক্ত মহতী আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে কিশোর ফুটবলাররা আরও বেশি ভালো খেলা ও ভালো ফলাফলের জন্য অনুপ্রেরণা পাবে।
31/05/2026
ঘরোয়া ফুটবল জনপ্রিয়করণ: আঞ্চলিক স্টেডিয়ামসমূহে ফ্লাডলাইট স্থাপনের যৌক্তিকতা ও রূপরেখা
বাংলাদেশের ফুটবলের জোয়ার তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে জেলাভিত্তিক ভেন্যুগুলোর উন্নয়ন অপরিহার্য। ঘরোয়া ফুটবল লিগ ও টুর্নামেন্টগুলোকে ঢাকার বাইরে জনপ্রিয় করতে কুমিল্লা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ এবং গোপালগঞ্জ স্টেডিয়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই স্টেডিয়ামগুলোতে আধুনিক ফ্লাডলাইট ব্যবস্থা স্থাপন করলে তা দেশের ফুটবল উন্নয়নে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে।
✅ ফ্লাডলাইট স্থাপনের মূল উদ্দেশ্যনৈশকালীন ম্যাচ আয়োজন: গ্রীষ্মকালীন তীব্র গরম ও কর্মদিবসের ব্যস্ততা এড়িয়ে দর্শকদের মাঠে টানা সম্ভব হবে।
✅ দর্শকের উপস্থিতি বৃদ্ধি: চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষজন সন্ধ্যার পর মাঠে এসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন।
✅ সম্প্রচার সুবিধা: ফ্লাডলাইটের আলোয় ম্যাচগুলো টেলিভিশনে উচ্চমানের (HD) সম্প্রচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
✅ খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স উন্নয়ন: তীব্র রোদ ও গরম এড়িয়ে ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় খেলোয়াড়দের সেরা পারফরম্যান্স বের করে আনা যাবে।
➡️➡️ নির্বাচিত ৫টি স্টেডিয়ামের ভৌগোলিক ও কৌশলগত গুরুত্ব
🟥 কুমিল্লা স্টেডিয়াম: ঐতিহ্যগতভাবেই কুমিল্লার দর্শক ফুটবলপ্রেমী। ঢাকার বাইরে অন্যতম প্রধান ও সফল ভেন্যু এটি। ফ্লাডলাইট বসালে এখানে দর্শক উপস্থিতি দ্বিগুণ হবে।
🟥 মানিকগঞ্জ স্টেডিয়াম: ঢাকার একদম কাছের জেলা হওয়ায় যাতায়াত সহজ। ঢাকার ক্লাবগুলোর জন্য এটি একটি চমৎকার 'আদর্শ হোম ভেন্যু' হতে পারে।
🟥 গাজীপুর স্টেডিয়াম: শিল্পাঞ্চল হওয়ায় এখানে বিশাল শ্রমজীবী ও তরুণ জনগোষ্ঠী বাস করে। নৈশকালীন ম্যাচ হলে বিপুলসংখ্যক দর্শক মাঠে আসবেন।
🟥 মুন্সিগঞ্জ স্টেডিয়াম: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের (BFL) নিয়মিত ভেন্যু হিসেবে এটি সফল প্রমাণিত হয়েছে।
🟥 গোপালগঞ্জ স্টেডিয়াম: দক্ষিণবঙ্গের ফুটবলের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ালে এই অঞ্চলের ফুটবল কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।
➡️ সম্ভাব্য সুবিধা ও প্রভাব বাণিজ্যিক প্রসার: স্পনসর প্রতিষ্ঠানগুলো নৈশকালীন ম্যাচে বিনিয়োগ করতে বেশি আগ্রহী হবে।
✔️ স্থানীয় অর্থনীতির গতিশীলতা: সন্ধ্যার পর ম্যাচ হলে স্টেডিয়ামের চারপাশের হোটেল, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতে আয় বাড়বে।
✔️ তারুণ্যকে উদ্বুদ্ধকরণ: যুবসমাজকে মাদকাশক্তি ও ডিজিটাল স্ক্রিন আসক্তি থেকে দূরে রেখে মাঠমুখী করা সম্ভব হবে।
✔️ বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও সুপারিশবিদ্যুৎ সরবরাহ: নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে শক্তিশালী জেনারেটর ব্যাকআপের ব্যবস্থা রাখা।
✔️ রক্ষণাবেক্ষণ: ফ্লাডলাইটগুলো সচল রাখতে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ বাজেট ও দক্ষ টেকনিশিয়ান প্যানেল গঠন করা।
🟥 সমন্বিত উদ্যোগ: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (NSC) এবং বাফুফে (BFF)-এর যৌথ অর্থায়ন ও তদারকিতে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা।
পরিশেষে কুমিল্লা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ ও গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট স্থাপন কেবল আলোর ব্যবস্থাপনাই নয়, এটি বাংলাদেশের ফুটবলকে পুনরুজ্জীবিত করার একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘরোয়া ফুটবলকে টেকসই ও জনপ্রিয় করতে অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।
31/05/2026
বাংলাদেশের বন্ধ থাকা জেলা ফুটবল লীগ: অবক্ষয়ের চিত্র ও পুনর্জাগরণের আকুল আবেদন
তৃণমূল হলো যেকোনো দেশের ফুটবলের হৃদস্পন্দন। আর সেই স্পন্দনকে সচল রাখার মূল ধমনী হলো জেলা ফুটবল লীগ। দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের এই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তরটি বছরের পর বছর ধরে স্থবির হয়ে আছে। দেশের অধিকাংশ জেলাতেই এখন আর নিয়মিত ফুটবল লীগের বাঁশি বাজে না। একসময়ের উৎসবমুখর স্টেডিয়ামগুলো এখন যেন একেকটি নীরবতার প্রতীক। তৃণমূল ফুটবলের এই দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা দেশের ফুটবলকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এক সোনালী অতীতের স্মৃতিচারণ একটা সময় ছিল যখন জেলা ফুটবল লীগকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় উৎসবের আমেজ তৈরি হতো। থানা পর্যায় থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্লাবগুলো এই লীগে অংশ নিত। গ্যালারি ভর্তি দর্শক প্রিয় দলের জন্য গলা ফাটাত। স্থানীয় তরুণদের স্বপ্নই থাকত নিজ জেলার লীগে ভালো খেলে ঢাকার বড় ক্লাবে জায়গা করে নেওয়া। সেই জৌলুস আর উন্মাদনা আজ কেবলই অতীত স্মৃতি। বর্তমান প্রজন্মের কাছে জেলা স্টেডিয়ামগুলো এখন কেবলই ফাঁকা মাঠ বা অন্য কোনো ইভেন্টের ভেন্যু।
লীগ বন্ধ থাকার মূল কারণ সমূহ
তহবিল ও স্পন্সরের চরম সংকট: জেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোর সবচেয়ে বড় অজুহাত হলো অর্থসংকট। স্থানীয় পর্যায়ে কর্পোরেট বা ব্যক্তিগত স্পন্সর না মেলায় লীগ আয়োজনের খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ে।
কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সমন্বয়হীনতা: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোর (ডিএসএ) মধ্যে দীর্ঘদিনের দূরত্বের কারণে নিয়মিত তদারকি হয় না। বাফুফে থেকে চাপ বা সহযোগিতা কোনোটিই মাঠ পর্যায়ে পৌঁছায় না।
মাঠের ওপর ক্রিকেটের একচ্ছত্র আধিপত্য: দেশের অধিকাংশ জেলা স্টেডিয়াম এখন ক্রিকেটের দখলে। ফুটবল খেলার জন্য বছরের একটা বড় সময় মাঠ বরাদ্দ পাওয়াই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
নেতৃত্বের উদাসীনতা ও রাজনীতি: জেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোর শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিদের অনেকেরই ফুটবল নিয়ে কোনো দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি বা আগ্রহ নেই। অনেকেই পদ আঁকড়ে আছেন কিন্তু খেলা মাঠে নামানোর কোনো সদিচ্ছা তাদের নেই।
দেশের ফুটবলে এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাবপাইপলাইনে প্রতিভার আকাল: জাতীয় দল কিংবা প্রিমিয়ার লীগের ক্লাবগুলোর জন্য নতুন ফুটবলার উঠে আসার প্রধান উৎস ছিল জেলা লীগ। এই স্তরটি বন্ধ থাকায় পাইপলাইন সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেছে। ফলে জাতীয় দলে ভালো মানের ফুটবলারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
ঝরে পড়ছে হাজারো তরুণ প্রতিভা: ঢাকার বাইরে হাজারো কিশোর ও তরুণ ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু জেলায় খেলা না থাকায় তারা প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায় না। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে তারা ফুটবল ছেড়ে জীবিকার তাগিদে অন্য পেশা বেছে নেয়।মাদক ও যুবসমাজের অবক্ষয়: মাঠের খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়ছে যুবসমাজের ওপর। বিকেলে মাঠে যাওয়ার অভ্যাস হারিয়ে তরুণরা ডিজিটাল স্ক্রিনে আসক্ত হচ্ছে কিংবা মাদক ও নানা সামাজিক অপরাধের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।
ফুটবল সংস্কৃতির বিলুপ্তি: স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবল ম্যাচ না দেখলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হবে না। জেলা লীগ বন্ধ থাকায় ফুটবল এখন কেবল টেলিভিশন স্ক্রিন বা ঢাকা-কেন্দ্রিক কিছু ম্যাচে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
সংকট উত্তরণের পথ ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা
বাফুফের কঠোর নীতিমালা ও জবাবদিহিতা: বাফুফেকে প্রতিটি জেলার জন্য লীগ আয়োজন বাধ্যতামূলক করতে হবে। যে জেলা লীগ আয়োজন করবে না, তাদের অনুদান বন্ধ করাসহ প্রয়োজনে ফুটবল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বহিষ্কারের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বাজেট: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রতি বছর জেলা লীগ আয়োজনের জন্য জেলা ক্রীড়া
সংস্থাগুলোকে নির্দিষ্ট এবং অডিটেবল বাজেট বরাদ্দ দিতে হবে।
স্থানীয় কর্পোরেট পার্টনারশিপ: প্রতিটি জেলার বড় শিল্প গ্রুপ, ব্যাংক বা স্থানীয় সফল ব্যবসায়ীদের জেলা লীগের দলগুলোর স্পন্সর হতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে এর বিনিময়ে তাদের কর ছাড়ের সুবিধা দেওয়া যেতে পারে।
স্থায়ী ফুটবল ক্যালেন্ডার: বাফুফেকে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় (যেমন: ৩ মাস) নির্ধারণ করে দিতে হবে, যখন দেশের সব জেলায় একযোগে লীগ চলবে। এতে মাঠের সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।
পরিশেষে : তৃণমূলের ফুটবলকে আইসিইউতে রেখে জাতীয় দলের সাফল্য কামনা করা আর শিকড় কেটে গাছে পানি দেওয়া একই কথা। জেলা ফুটবল লীগ কেবল কিছু ম্যাচের আয়োজন নয়; এটি বাংলাদেশের ফুটবলকে বাঁচিয়ে রাখার অক্সিজেন। দেশের ফুটবলের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে হলে অতি দ্রুত এই অচলাবস্থা ভাঙতে হবে। কর্তৃপক্ষের উচিত ব্যক্তিস্বার্থ ও অজুহাত দূরে ঠেলে মাঠের ফুটবলকে আবারও মাঠে ফিরিয়ে আনা।
30/05/2026
এবারের সর্বশেষ একাডেমী কাপের আয়োজনটি কিভাবে এবং কত-শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে শেষ করেছি সেটা একমাত্র আমি এবং আমার আল্লহপাক ভালো জানেন। আড়ালে আবডালে বহু নোংরা মানসিকতার মানুষজন বহু আজেবাজে কথা বলতে পারে কিন্তু কারও সৎ সাহস নেই সামনে এসে কথা বলার। তাই সবাইকে অনুরোধ করব যা কিছু জানার, বলার ও প্রশ্ন করার আমাকে করুন, আমি সকল কিছুর জবাব দেয়ার জন্য সব সময় ১০০% প্রস্তুত আছি। ভিতরগত অনেক কথাই আছে যেটা প্রকাশ্যে সবাইকে ফেসবুকে জানিয়ে বলা সম্ভব নয়। কাজেই যার যা জানার দরকার আড়ালে সমালোচনা না করে সৎ সাহস নিয়ে সামনা-সামনি আসুন কথা বলার জন্য, ধন্যবাদ।
মোঃ শাহাদাত হোসেন
সদস্য সচিব, টূর্নামেন্ট কমিটি
26/05/2026
ঈদ মুবারক
26/05/2026
বসুন্ধরা কিংস বিএফএসএফ অনূর্ধ্ব-১৪ একাডেমী কাপ ২০১৯ এর চ্যাম্পিয়ন শামস্ উল হুদা ফুটবল একাডেমী দলের ট্রফি গ্রহন করার মুহূর্ত
26/05/2026
বাংলাদেশ ফুটবল সাপোর্টার্স ফোরাম এর নানান সময়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন ফুটবল ইভেন্টের ছবি সমূহ
22/05/2026
গৃহপালিত ফ্যান ।। কি রাগ করলা!!
বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে ভালো ভালো গোল হয় কিন্তু ভালো ক্যামেরা এঙ্গেলের কারনে সেগুলো তেমন সাড়া ফেলতে এবং দর্শকদেরকে আকৃষ্ট করতে পারে না!