★Windies start the series by crushing Bangladesh
★
The Bangladesh team pulled a one-day format of one-day series into one-day series. Mashrafe Bin Mortaza's team did not give West Indies the first ODI in the series. After chasing down the Caribbean batsmen, after chasing the run, Bangladesh won 5 wickets, with the ball in hand. The scorecard said the West Indies were 195 for 9 wickets after batting. Bangladesh have chased this run in 35 overs. It was meant to be that, from the start of the match to the end was just over Bangladesh.
Tamim Iqbal, who returned to the national team after suffering a hundred in the preparation match, gave a big impression. In today's match, his 12-run came from the bat. Zimbabwe series in the match, Imrul Kayes could not do well. This is the remorse in this match. Bangladesh has started well in this series of 'fine tuning' in front of the World Cup. After recovering from the injury, Shakib recovered from 26 to 26 in the one-day internationals and did not stay for a long time. If Shakib is on a wicket for some time, Bangladesh will win the win sooner.
Shakib could not stay. Mushfiq has been He left the field with victory Dependable '. Mushfiqur was unbeaten on 55 not out from 70 balls. At the other end, Mahmudullah (14). Sometimes the government took a little storm. But Roston gave Chase a gift to Muzhchus in this match, Bangladesh's fourth opener (19 for 13). It is necessary to say that this strategy is to be played before everyone in front of the World Cup.
The player has played the most in this plan to play - Mashrafe Bin Mortaza - Mashrafe Bin Mortaza His bowling figure in the 200th ODI, 10-3-30-3. Mashrafe has used the technique of playing three fast bowlers. Another pacer Mostafizur Rahman took 3 wickets like him. Another pacer Rubel Hossain has a 'one' share in the remaining three wickets.
Tamim Iqbal and Liton Das started the short run to chase the beginning of the slow-still Only 21 runs came in the first 6 overs. There are no boundaries. In the next over, Kemar Roach was caught by Deep square leg while flicking through sixes and Liton caught. No, not out. 'No Ball' is due to Roach's bowling spin. But Liton could not use it after getting 'life'. He could score more than 41 runs in 57 balls. Could have reached the team at least near victory. But Liton returned to the value of not being able to change the habit.
Tamim Iqbal has returned to Lytan before, first of all. In the eighth over, the spin of Roston Chase has come very slowly, Tamim bat. And Tamim has played a little before. The result of which is Tamim (12 from 24 balls) and the ball is bound to the leg of the batsman Devendra Bishoo. Impressed by the rate at the pace of Thomas in the next over, bowled by Imrul Kayes. Thomas has an average of 140 kilometers above all delivery in the over. Imrul could not translate the form of the Zimbabwe series into the series with the pace at this pace. In the ninth over, when Imrul was out, Bangladesh's score was 42 for two wickets.
Mushfiqit-Liton, who added 47 runs for the third wicket to avoid possible fever, Liton was bowled in the 19th over for playing Chelsea cross in the non-verbal cross. There was no need to play the shot. Lyson apparently could not resist temptation from the weakness of playing on the side. But in the fourth wicket with Shakib-Mushfiq's ball, it did not affect the viewer of the Liton's out gallery. Mushfiqur got 57 runs in 47 balls with Shakib giving wickets to Rowman Powell.
Earlier, bowlers kept the series against Zimbabwe in the series against the West Indies. From the start, the bowlers started chasing the opponent by putting pressure on the opponent, but could not bowl all out. Windies batsmen could not comfortably bowl to bowlers. Dhikake Dhikake crossed the 50-over 195 runs, with 1 wicket in hand. Most 43 runs came from Shai Hope's bat
BD News - cricket
news of cricket all news of cricket
★উইন্ডিজকে গুঁড়িয়ে দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের★
টেস্ট সিরিজের ফর্ম ওয়ানডেতেও টেনে নিল বাংলাদেশ দল। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পাত্তাই দেয়নি মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। ক্যারিবীয়দের দুই শ-র নিচে থামিয়ে পরে সেই রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ জিতেছে ৫ উইকেটে, বল হাতে রেখে। স্কোরকার্ড বলছে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটে ১৯৫ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর বাংলাদেশ এই রান তাড়া করেছে ৩৫ ওভারের মধ্যে। এটাই হওয়ার কথা, ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট ছিল শুধুই বাংলাদেশের।
প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি করে বড় কিছুর আভাস দিয়েছিলেন চোট কাটিয়ে জাতীয় দলে ফেরা তামিম ইকবাল। আজ তাঁর ফেরার এই ম্যাচে ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ১২ রান। জিম্বাবুয়ে সিরিজে দুর্দান্ত খেলা ইমরুল কায়েসও ভালো করতে পারেননি। এই ম্যাচে এটুকুই যা আক্ষেপ। বিশ্বকাপ সামনে রেখে বাকি সব জায়গায় ‘ফাইন টিউনিং’ করে নেওয়ার এই সিরিজের শুরুটা ভালোই হয়েছে বাংলাদেশের। চোট কাটিয়ে দলে ফেরা সাকিব ২৬ বলে ৩০ করে ওয়ানডেতে বেশ কিছুদিন না থাকার খামতিটুকু কাটিয়ে নিলেন। সাকিব আর কিছুক্ষণ উইকেটে থাকলে জয়টা আরও আগেই পেত বাংলাদেশ।
সাকিব থাকতে পারেননি। থেকেছেন মুশফিক। জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন ‘মি. ডিপেন্ডেবল’। ৭০ বলে ৫৫ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। অন্য প্রান্তে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ (১৪)। মাঝে সৌম্য সরকার একটু ঝড় তুলেছিলেন। কিন্তু রোস্টন চেজকে মুফতে একটা উইকেট উপহার দিয়ে এসেছেন এই ম্যাচে বাংলাদেশের চতুর্থ ওপেনার (১৩ বলে ১৯)। এই কৌশল যে বিশ্বকাপ সামনে রেখে সবাইকে বাজিয়ে দেখার তা বলাই বাহুল্য।
বাজিয়ে দেখার এই পরিকল্পনায় সবচেয়ে বেশি বাজিয়েছেন অধিনায়ক নিজেই—মাশরাফি বিন মুর্তজা। ক্যারিয়ারের ২০০তম ওয়ানডেতে তাঁর বোলিং ফিগার ১০-৩-৩০-৩। তিন পেসার খেলানোর কৌশল ভালোই কাজে লাগিয়েছেন মাশরাফি। তাঁর মতোই ৩ উইকেট নিয়েছেন আরেক পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। বাকি ৩ উইকেটেও ‘এক’ ভাগ রয়েছে আরেক পেসার রুবেল হোসেনের।
স্বল্প সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের শুরুটা ছিল ধীর-স্থির। প্রথম ৬ ওভারে এসেছে মাত্র ২১ রান। কোনো বাউন্ডারি নেই। পরের ওভারে কেমার রোচকে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে ফ্লিক করে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন লিটন। না, আউট হয়নি। রোচ বোলিং ক্রিজে দাগ পেরিয়ে যাওয়ায় ‘নো বল’। কিন্তু লিটন ‘জীবন’ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি। ৫৭ বলে ৪১ রানের ইনিংসটা তিনি আরও টানতে পারতেন। দলকে অন্তত পৌঁছে দিতে পারতেন জয়ের কাছাকাছি। কিন্তু লিটন ফিরেছেন অভ্যাস পাল্টাতে না পারার খেসারত গুণে।
তামিম ইকবাল ফিরেছেন লিটনেরও আগে, আসলে সবার আগে। অষ্টম ওভারে রোস্টন চেজের স্পিন খুব ধীরে এসেছে তামিমের ব্যাটে। আর তামিম শট খেলেছেন একটু আগে। ফল যা হওয়ার তাই—তামিমের (২৪ বলে ১২) ব্যাটের কানায় লেগে বল দেবেন্দ্র বিশুর মুঠোবন্দী। পরের ওভারে ওশানে থমাসের গতির কাছে হার মেনে বোল্ড ইমরুল কায়েস। ওই ওভারের সবগুলো ডেলিভারিই গড়ে ১৪০ কিলোমিটারের ওপরে করেছেন থমাস। এই গতির কাছে হার মেনেই জিম্বাবুয়ে সিরিজের দুর্দান্ত ফর্ম এই সিরিজে অনূদিত করতে পারেননি ইমরুল (২ বলে ৪)। নবম ওভারে ইমরুল যখন আউট হলেন বাংলাদেশের স্কোর তখন ২ উইকেটে ৪২।
এখান থেকে তৃতীয় উইকেটে ৪৭ রানের জুটি গড়ে সম্ভাব্য মড়ক এড়ান মুশফিক-লিটন। ১৯তম ওভারে কেমো পলকে অযথাই ক্রস খেলতে গিয়ে বোল্ড হন লিটন। শটটি খেলার কোনো প্রয়োজনই ছিল না। অনসাইডে খেলার প্রতি দুর্বলতা থেকে লিটন সম্ভবত লোভ সংবরণ করতে পারেননি। তবে চতুর্থ উইকেটে সাকিব-মুশফিকের বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তোলায় লিটনের আউট গ্যালারির দর্শকের ওপর সেভাবে প্রভাব ফেলেনি। মুশফিকের সঙ্গে ৪৭ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়ে রোভম্যান পাওয়েলকে উইকেট দেন সাকিব।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ে সিরিজের ধারা বজায় রাখেন বোলাররা। শুরু থেকেই বোলাররা দাপুটে শুরু করে প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে রানটা নাগালে রেখেছেন কিন্তু অলআউট করতে পারেননি। বোলারদের দাপটে উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানরা স্বস্তি নিয়ে ব্যাট করতে পারেননি। ধুঁকে ধুঁকে ৫০ ওভার পার করে তুলেছে ১৯৫ রান, হাতে ১ উইকেট রেখেই। সর্বোচ্চ ৪৩ রান এসেছে শাই হোপের ব্যাট থেকে।
Ban vs WI, Dhaka
Day 2: Lunch Break - Bangladesh opt to bat
BAN 1st Innings - 387/6
BAN 1st Innings
BatsmanR(B)4s6sSR
Shadman Islam76(199)6038.19lbw b Bishoo
Soumya Sarkar19(42)0045.24c Shai Hope b Roston Chase
Mominul29(46)2063.04c Roston Chase b Roach
Mithun29(61)0047.54b Bishoo
Shakib(c)80(139)6057.55c Shai Hope b Roach
Rahim14(24)0058.33b Shermon Lewis
Mahmudullah75(129)5058.14batting
Liton Das(wk)53(54)8198.15batting
Extras 12
(b 2, lb 6, nb 4)
Total 387
(115 ovrs, 6 Wkts) RR 3.37
Did not bat:
Mehidy Hasan, Taijul Islam, Nayeem Hasan
Bowling
BowlerOMRWRoach223572Shermon Lewis171521Roston Chase240931Warrican222650Bishoo241982Kraigg Brathwaite60140
Fall Of Wickets
WktRunsOvsBatsman14215.3Soumya Sarkar28733.5Mominul315156.1Mithun416158.5Shadman Islam519067.3Rahim630196.5Shakib
টেস্ট ক্রিকেট কতটা কঠিন, বুঝছেন মিঠুন
অভিষেক টেস্টে দুই ইনিংসে পেয়েছিলেন দুইরকম স্বাদ। দ্বিতীয় টেস্টে দুই ইনিংসেই অভিজ্ঞতা একই। এবার স্বাদ কেবলই তেতো। দুই টেস্ট খেলে মোহাম্মদ মিঠুনের উপলব্ধি, টেস্ট ক্রিকেটে ব্যাট করাটা অনেক কঠিন।
মিঠুনের অভিষেক ছিল আগের সিরিজের শেষ টেস্টে। মিরপুরে অভিষেক ইনিংসে বাজে শটে আউট হয়েছিলেন শূন্য রানে। পরের ইনিংসে খেলেছিলেন ৬৭ রানের গুরুত্বপূর্ন ইনিংস। সেই ইনিংস তাকে জায়গা করে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দলেও। এবার দুই ইনিংসে আউট হয়েছেন ২০ ও ১৭ রান করে।
বড় রান পাননি, তার চেয়েও চোখে পড়ার মতো ছিল মিঠুনের আউট হওয়ার ধরন। চট্টগ্রামে দুই ইনিংসেই আউট হয়েছেন ভীষণ দৃষ্টিকটু শট খেলে।
ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান স্কোরারদের একজন মিঠুন। টেস্টের আঙিনায় এসে বুঝতে পারছেন, পার্থক্যটা অনেক বেশি। বললেন উইকেটের চ্যালেঞ্জের কথাও। সোমবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানালেন, চেষ্টা করবেন সামনে সুযোগ পেলে ভালো করতে।
“এখানে পার্থক্য হচ্ছে, টেস্টে বোলার অনেক মানসম্পন্ন থাকে। তাছাড়া যে কন্ডিশনে খেলা হচ্ছে, এখানে অবশ্যই ব্যাটিংটা কঠিন। আমরা তো ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে খেলছি না। ঘরোয়া ক্রিকেটে আমাদের উইকেট নিষ্প্রাণ থাকে, অনেক বেশি আলগা বল পাওয়া যায়, এখানে তুলনায় বোলাররা ভালো। সবকিছু মিলিয়ে ব্যাটিং করাটা অবশ্যই কঠিন।
“তারপরও যেভাবেই হোক, যত কঠিনই হোক, ব্যাটসম্যান হিসেবে আমাকে মেনে নিতে হবে এবং ওখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যেটা আশা করেছিলাম সেটা হয়নি। সামনে আরেকটা টেস্ট আছে। সুযোগ হলে ওখানে ভালো করার চেষ্টা করব।”
চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে তেঁড়েফুড়ে মারতে গিয়ে আউট হন। দ্বিতীয় ইনিংসেও যেভাবে আউট হয়েছেন, টেস্টের সঙ্গে মানানসই নয়। তবে মিঠুনের দাবি, শট খেলা ছাড়া খুব বিকল্প ছিল না ওই উইকেটে।
“যদি এমন কন্ডিশন হয়, তাহলে আপনি যে কোনো সময় আউট হয়ে যেতে পারেন। কারণ বোলারদের অনেক সহায়তা ছিল। বল একেক সময় একেক রকম আচরণ করছিল। এটা শুধু কঠিন কন্ডিশন বলে নয়, যে কোনো কন্ডিশনে ব্যাটসম্যান রান না করা পর্যন্ত সেট নয়। যখনই সে রান করতে পারবে, তখনই তার কাছে ব্যাটিংটা অনেক স্বাভাবিক হবে।”
“যে কোনো কন্ডিশনেই ব্যাটসম্যানের রানটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। উইকেটে যত সময়ই কাটাই, আমি রান না করতে পারলে সেটা দলেও যোগ হবে না, আমার ব্যক্তিগতভাবেও যোগ হবে না।”
দ্বিতীয় টেস্টেও তামিমের না থাকা প্রায় নিশ্চিত
দুই দিনের নেট সেশন আশার সঞ্চার করেছিল অনেকটাই। কিন্তু স্ক্যান রিপোর্ট সেই আশার প্রদীপ নিভিয়েই দিল এক রকম। চোটের নাটকীয় উন্নতি না হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টেও তামিম ইকবালকে পাচ্ছে না দল।
মিরপুর টেস্টে ফেরার সম্ভাব্যতা দেখতেই রোববার সন্ধ্যায় একটি স্ক্যান করানো হয় তামিমের। সেটির রিপোর্ট জানিয়েছে, বাঁহাতি ওপেনারকে নিয়ে শঙ্কা কাটেনি এখনও। আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও রিপোর্টের তথ্য প্রকাশ করেনি বিসিবি। তবে বোর্ডের নানা সূত্র থেকে জানা গেছে, চোটের জায়গায় এখনও খানিকটা তরল জমা হয়ে আছে। ভেতরে ফুলেও আছে খানিকটা।
টেস্ট শুরু শুক্রবার। তার আগে যা অবস্থা, সেটি নিয়েও হয়তো খেলা সম্ভব। তবে একই জায়গায় আবার চোট পেলে ওয়ানডে সিরিজ তো বটেই, ছিটকে যেতে হতে পারে লম্বা সময়ের জন্য। সেই ঝুঁকি দল নেবে না বলেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত প্রায়।
এই সিরিজে তামিম খেলতে পারছেন না সাম্প্রতিক সময়ের দ্বিতীয় দফা চোটে। গত সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে আঙুলে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন। সেই চোট কাটিয়ে ফেরার লড়াইয়ে এই মাসেই শুরু করেছিলেন নেট সেশন। কিন্তু সেখানেই বিপত্তি বাধে আবার। এবার হানা দেয় সাইড স্ট্রেইন। ছিটকে যান শরীরের ডান পাশের চোটে।
নতুন এই চোট কাটিয়ে ফেরার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। ব্যাটিংয়ে ফিরেছিলেন, শনি ও রোববার মিরপুরে ব্যাট করেছেন স্পিনে। রোববার নেট ব্যাটিংয়ে স্পিনে চার-ছক্কার ঝড়ও তুলেছিলেন। সবকিছুতেই ছিল ইতিবাচক ইঙ্গিত। কিন্তু স্ক্যান রিপোর্টই বদলে দিল ভাবনা।
দলের সেরা ওপেনারের অনুপস্থিতিতে উদ্বোধনী জুটি ধুঁকছে প্রতি ম্যাচেই। চট্টগ্রাম টেস্ট শেষে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান অসহায় কণ্ঠে বলেছিলেন, দল এখন তামিমের ফেরার অপেক্ষায়। সেই অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হয়েই চলছে।
ট্যাগ: বাংলাদেশ তামিম বাংলাদেশ-ওয়েস্ট
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দলে জায়গা পাননি এই সংস্করণে ধুঁকতে থাকা ইমরুল কায়েস। ঢাকা টেস্টের দলে এই একটিই পরিবর্তন এনেছে চট্টগ্রামে জিতে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ।

পুরোপুরি সেরে না উঠায় আগামী শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া টেস্টের দলে নেই দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।
গত রোববার সন্ধ্যায় একটি স্ক্যান করানো হয় তামিমের। সেটির রিপোর্টে দেখা যায় চোটের জায়গায় এখনও খানিকটা তরল জমা হয়ে আছে। ভেতরে ফুলেও আছে খানিকটা। একই জায়গায় আবার চোট পেলে ওয়ানডে সিরিজ তো বটেই, ছিটকে যেতে হতে পারে লম্বা সময়ের জন্য। সেই ঝুঁকি নেয়নি দল।
প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো করে চট্টগ্রাম টেস্টের দলে পরে ডাক পাওয়া সাদমান ইসলাম টিকে গেছেন। দলে ওপেনার দুই জন থাকায় ঢাকায় ২৩ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের অভিষেক অনেকটাই নিশ্চিত।
এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের হয়ে সাদমান খেলেন ৭৩ রানের ইনিংস। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় লিগে সর্বোচ্চ রান স্কোরার তিনি, ৬৪.৮০ গড়ে করেন ৬৪৮ রান। লিগে একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেন এবার ১ হাজারের বেশি বল।
এবার লিগের প্রথম ম্যাচে স্বাদ পেয়েছিলেন ক্যারিয়ারের প্রথম দেড়শ রানের। সেই ১৫৭ রান ছাড়িয়ে পরের ম্যাচেই করেছিলেন ১৮৯। বয়সভিত্তিক বিভিন্ন পর্যায় পার হয়ে জাতীয় দলে আসেন সাদমান। ২০১৪ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ১০১.৫০ গড়ে ৪০৬ রান করে হয়েছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী।
বয়সভিত্তিক পর্যায় থেকেই বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটের জন্য বেশি মানানসই মনে করা হয়েছে তার ব্যাটিং। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৪২ ম্যাচ খেলে ৭ সেঞ্চুরিতে ৩ হাজার ২৩ রান করেছেন ৪৬.৫০ গড়ে। অনেক পরিশ্রম করে ডিফেন্সে উন্নতি করে টেস্টে এর ফল পাওয়ার অপেক্ষায় বাঁহাতি এই ওপেনার।
টেস্টে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি ধুঁকছে অনেক দিন ধরে। ভালো শুরু এনে দিতে এবার স্বাগতিকদের বাজি হতে পারে দুই তরুণ সৌম্য সরকার ও সাদমানের জুটি।
সব শেষ ২২ টেস্টে কোনো ফিফটি নেই ইমরুলের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৬৪ রানে জেতা প্রথম টেস্টে করেন ৪৪ ও ২ রান। তবে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন জানান, ফর্মের জন্য বাদ পড়েননি বাঁহাতি এই ওপেনার। ইমরুল ভুগছেন কাঁধের ও পায়ের অগ্রভাগের চোটে।
“ওর সেরে উঠতে দশ দিনের মতো সময় লাগতে পারে। ওকে ওয়ানডে সিরিজের শুরু থেকে পাওয়ার ব্যাপারে আমরা আশবাদী।”
দ্বিতীয় টেস্টের বাংলাদেশ দল: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাদমান ইসলাম, মোহাম্মদ মিঠুন, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, আরিফুল হক, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাইজুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, নাঈম হাসান।
আফগানদের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টিই পছন্দ বাংলাদেশের
আফগানিস্তান সিরিজ নিয়ে একটু একটু করে কেটে যাচ্ছে সংশয়। কদিন আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান জানান, ভারতের উত্তরাখন্ডের ভেন্যু দেরাদুনের চেয়ে বাংলাদেশ সিরিজটা কলকাতা ও বেঙ্গালুরুতে খেলতে বেশি আগ্রহী। পরে জানা গেল, আফগানিস্তান প্রস্তাব দিয়েছে সিরিজটা ওয়ানডে সংস্করণে খেলতে। তবে বাংলাদেশ দ্বিধায়, ওয়ানডে খেলবে, নাকি টি-টোয়েন্টি!
আজ বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে নাজমুল হাসান জানালেন, দেরাদুনে খেলতে তাঁদের কোনো আপত্তি নেই। তবে ওয়ানডে নয়, সিরিজটা বাংলাদেশ খেলতে চায় টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। বিসিবি সভাপতি বললেন, ‘সংস্করণ ঠিক হয়ে গেছে। আমরা ওদের সঙ্গে টি-টোয়েন্টিই খেলব। এখন কথা হচ্ছে, তিনটি খেলব নাকি চারটি । আমরা তিনটির কথা বলেছিলাম। ওরা চারটার জন্য অনুরোধ করেছে। এটা আমাদের পরিচালনা বিভাগ ঠিক করবে।’
ফেব্রুয়ারিতে দেশের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি খেলেই মার্চে কলম্বোয় বাংলাদেশ নিদাহাস ট্রফি খেলেছে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। শ্রীলঙ্কায় দারুণ পারফরম্যান্সই হয়তো বিসিবিকে আফগানদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলতে উৎসাহিত করেছে। কিন্তু ভ্রমণ জটিলতার কারণ দেখিয়ে দেরাদুনে খেলতে যে অনাগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখান থেকে বিসিবি সরে এল কেন?
বিসিবি সভাপতির ব্যাখ্যা, ‘ভেন্যু এখনো পর্যন্ত দেরাদুনই আছে। মুম্বাই-বেঙ্গালুরুতে খেলা নিয়ে চিন্তা করছি না। কিন্তু সব ভেন্যুতেই এখন খেলা হচ্ছে। এই মুহূর্তে তাদের কাছে ভেন্যু নিয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই। ১৫ দিন আগেও যদি ভেন্যু জানা না যায়, সেটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে হবে। আপাতত আমরা ধরে নিচ্ছি দেরাদুনেই খেলা হবে।’
দেরি সইছে না মোস্তাফিজের
২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো আইপিএল খেলতে গিয়েই সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শিরোপা জয়ে রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। একই দলের হয়ে গত আইপিএলটা অবশ্য মনে রাখার মতো কিছুই করতে পারেননি বাঁহাতি পেসার। এবার দল বদলেছে মোস্তাফিজের। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে খেলতে আজ বিকালে উড়াল দিয়েছেন ‘ফিজ’।
২০১৬ আইপিএলে প্রথম বিদেশি হিসেবে ‘সেরা উদীয়মান’ ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছিলেন। ১৬ ম্যাচে ২৪.৭৬ গড়ে নেন ১৭ উইকেট, ইকোনমি রেট ৬.৯০। বাংলাদেশের দর্শকের কাছে সেবার আইপিএল হয়ে উঠেছিল মোস্তাফিজের ৪ ওভার! গত মৌসুমে শ্রীলঙ্কা সফরে থাকায় ভারতে গিয়েছিলেন আইপিএল শুরুর পাঁচ দিন পর। ভারতে পৌঁছানোর পরদিনই ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। ম্যাচে ২.৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৩৪ রান। ছিলেন উইকেটশূন্য। মে মাসে সাসেক্সে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার আগে ভারতে মাস খানেক ছিলেন। কিন্তু আর কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি মোস্তাফিজ। মাত্র একটি ম্যাচ দিয়েই শেষ হয়েছে তাঁর আইপিএল।
মোস্তাফিজের হায়দরাবাদ-পর্ব যে শেষ হয়ে যাচ্ছে, বেশ বোঝা যাচ্ছিল। পরে হয়েছেও তাই। এবার বাংলাদেশ দলের তরুণ বাঁহাতি পেসারের আইপিএল-অধ্যায় শুরু হচ্ছে মুম্বাইয়ের হয়ে। নতুন দলে যোগ দিতে তাঁর যেন দেরি সইছে না! বিকেল জেট এয়ারওয়েজের উড়োজাহাজে ওঠার আগে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আইপিএলের সময় হয়ে গেছে, ভারতে যাচ্ছি। মুম্বাই ইন্ডিয়ানস স্কোয়াডে যোগ দিতে আর তর সইছে না!’
মোস্তাফিজ অবশ্য সরাসরি নয়, ঢাকা থেকে প্রথমে যাবেন কলকাতায়। সেখান থেকে মুম্বাই। বাংলাদেশের আরেক খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান আইপিএল খেলতে যাবেন ২ এপ্রিল। মোস্তাফিজ একটু আগেভাগে যাচ্ছেন বোলিং নিয়ে বাড়তি কিছু কাজ করতে।
অবিশ্বাস্য! সেই আফগানরা গেইলদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়নও!
ছোট বিশ্বকাপ ট্রফি জেতার উল্লাস আফগানদের। বাছাইপর্বের প্রথম ধাপেই বাদ পড়তে বসেছিল আফগানিস্তান। সেই আফগানরা অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল। শেষটা হলো রূপকথার মতো। ফাইনালে হারিয়ে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ৭ উইকেটে জিতল আইসিসি ট্রফি নাম নেওয়া এই বাছাইপর্ব। বিশ্বকাপের মূল পর্ব নিশ্চিত হয়েছিল আগেই, এবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে ২০১৯ বিশ্বকাপের জন্যও একটা বার্তা দিয়ে রাখল। সাবধান, আমরা আসছি সিংহের থাবা বসাতে!
আফগানদের উত্থানটা নতুন কিছু নয়। তবে বাছাইপর্বের শুরুতে দেখা মিলেছিল হতাশায় ন্যুব্জ এক দলের। চার ম্যাচের তিনটায় হেরে চলে গিয়েছিল খাদের কিনারে। সমীকরণ এমন ছিল, নিজেরা শেষ ম্যাচ জিতলেও হয়তো বাদ পড়ে যেত। যদি হংকং হারিয়ে দিত নেপালকে। ভাগ্য ভালো, নেপাল হংকংকে জিততে দেয়নি। নিজেদের শেষ ম্যাচটা জিতে রান রেটে এগিয়ে থেকে আফগানরা টিকিট পেয়েছিল সুপার সিক্সের।
আর সেখানেই কী অবিশ্বাস্য আফগানিস্তান! নিজেদের তিন ম্যাচের প্রতিটা জিতে উঠে গিয়েছিল ফাইনালে। আর আজ ফাইনালে তো তারা হারাল দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। রশিদ খানের ওয়ানডেতে দ্রুততম ১০০ উইকেট পাওয়ার বিশ্ব রেকর্ডের দিনে গেইলরা অলআউট হয়ে গিয়েছিল ২০৪ রানে। বল হাতে নায়ক অবশ্য রশিদ নন। এমনকি এভিন লুইস আর মারলন স্যামুয়েলসের মহামূল্যবান দুটি উইকেট নেওয়া গুলবাদিন নাইবও নন। নায়ক ৪ উইকেট নেওয়া মুজিব উর রহমান।
গেইল-নিম্নচাপকে ঝড়ে রূপান্তর হওয়ার আগেই (১০ রান) ফিরিয়েছেন। ফিরিয়েছেন সাতে নেমে ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৪ রান করা রভম্যান পাওয়েলকেও। এরপর নিজের শেষ ও ইনিংসের ৪৭তম ওভারে টানা দুই বলে শেষ দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে অলআউট করেছেন। বেচারা হ্যাটট্রিকের সুযোগটাই পেলেন না!
আফগান ব্যাটসম্যানরা অবশ্য সুযোগ পেলেন ফাইনালটা স্মরণীয় করে রাখার। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা মোহাম্মদ শেহজাদ ৯৩ বলে ৮৪ রানের ইনিংস খেলে সুযোগটা লুফে নিলেন। ১ উইকেটে ১৪৮ তুলে ফেলা আফগানরা শেহজাদকে হারালেও আর পথ হারাল না। রহমত শাহর ৫১ রাখল বড় ভূমিকা। গেইলের তিন বলে টানা তিন ছক্কা মেরে ৪১তম ওভারে খেল খতম করে দিলেন মোহাম্মদ নবী।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চার ম্যাচে এটি আফগানিস্তানের তৃতীয় জয়! এর মধ্যে দ্বিতীয় জয়টা বাছাইপর্বের সুপার সিক্সেই। কোনো বোনাস পয়েন্ট নিয়ে সেরা ছয়ে আসেনি। এখানে তিন ম্যাচের একটাতে হারলেই বিদায় হয়ে যেত আফগানদের। এমন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েই তাদের সুপার সিক্স শুরু। পরে হারিয়েছে আরব আমিরাতকে। আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে নিশ্চিত হয় তাদের ২০১৯ বিশ্বকাপ। কিন্তু তাতেও ক্ষুধা তো মেটেনি। এবার ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও হারিয়ে দিল তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অবশ্য বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছিল আগেই।
তবে সবার নজরে এখন আফগানদের ওপর। সাবধান ক্রিকেট-বিশ্ব, আফগানিস্তান আসছে
Incredible! The Afghans lost the Gayle champions!
The Afghans are excited to win the World Cup trophy. Afghanistan was going to be dropped at the first stage of the qualifying phase. The Afghans wrote the story of the incredible return. The end is like a fairytale. West Indies beat West Indies in final This qualifying title, named after the 7-wicket win, is ICC Trophy. The original episode of the World Cup was confirmed earlier, with a message for the 2019 World Cup champions. Caution, we're coming to put a lion's thief!
The rise of Afghans is nothing new. However, at the beginning of the qualifying match, one team downplayed despair. Lost in three matches of the four-match match at the edge of the pit The equation was such that if they won their last match, they could have been dropped. If Hong Kong lost Nepal Luck is good, Nepal does not allow Hong Kong to win. After winning their last match, the Afghans got tickets ahead of the run rate Super Six.
And there is incredible Afghanistan! Each of their three matches won the final. And in the final, they lost twice to world champions. Rashid Khan's fastest 100 wickets in ODI's world record Gay Gayle got all out for 204 runs. The ball with the ball is not Rashid. Gulbadin Naib was not even taking two valuable wickets from Evin Lewis and Marlon Samuels. Mujib Ur Rahman took 4 wickets of the hero.
Gayle slowed down (10 runs) before the thunderstorm was converted. Ryan Powell, who scored 44 runs in the innings, returned to the crease. Then, in the 47th over of his innings and innings, the two batsmen have been allotted back. The poor hattrick did not get the chance!
Afghan batsmen got the chance to keep the final memorable. Mohammed Shehzad returned to the ban after scoring 84 runs in 93 balls. Afghans who lost 148 by 1 wicket lost the Shehzad but did not lose their way. Rahmat Shahar 51 Rakhal's big role. Mohammed Nabi finished the game in the 41st over when Gayle hit three sixes in three balls.
This is Afghanistan's third win in four matches against the West Indies! In the second win, the qualifier of Super Six No bonus points came with the best holes. Here Afghans, who were defeated in one of the three matches, would have lost. The West Indies lost their Super Six on the back of their walled walls. Later, the UAE lost Ireland have lost their 2019 World Cup. But hunger did not meet. They also lost the West Indies in the final. The West Indies confirmed the World Cup, however.
But at the same time all the attention of the Afghans Careful Cricket - World, Coming to Afghanistan
বিশ্বকাপ নিশ্চিত হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজের
৮ পয়েন্ট পাওয়ায় বিশ্বকাপে জায়গা পাকা করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
টানা দুই হারে বিশ্বকাপে যাওয়া হচ্ছে না স্কটল্যান্ডের।
কাল জিতলেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত জিম্বাবুয়ের।
এই প্রথম কোনো সহযোগী দল ছাড়াই হবে ক্রিকেট বিশ্বকাপ।
প্রথম দুটি বিশ্বকাপ জয়ী দল, হ্যাটট্রিক শিরোপা জিততে না পারাটাকেও ধরা হয় ক্রিকেটের অন্যতম দুর্ঘটনা হিসেবে। সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপে থাকবে না—এও সম্ভব! আজ আরেকটুর জন্য সেটাই হতে যাচ্ছিল। এক পশলা বৃষ্টিই সেটা হতে দেয়নি। বৃষ্টি আইনে স্কটল্যান্ডকে ৫ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট কাটল উইন্ডিজরা।
সহজ এক সমীকরণ নিয়ে মাঠে নেমেছিল দুই দল, জিতলেই বিশ্বকাপ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আগের ম্যাচেও সেই সুযোগ ছিল স্কটল্যান্ডের। কিন্তু সেই ম্যাচ হেরে বসায় আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আরও একবার পরীক্ষায় নামতে হয়েছিল স্কটিশদের। ম্যাচের প্রথমার্ধে ভালোই করেছিল তারা। ২ রান তুলতেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে সে চাপ সামলে নিয়েছিল উইন্ডিজ। এভিন লুইস (৬৬) ও ফর্মে ফেরা মারলন স্যামুয়েলসের (৫১)—দুটি ফিফটিতে ৫ উইকেটে ১৫৮ রান তুলে ফেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
শেষ ১০ ওভারে পথ হারায় ক্যারিবীয়দের ইনিংস। ৪০ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্কটিশ দুই পেসার শাফায়ান শরিফ ও ব্র্যাড হুইল—দুজনই ৩ উইকেট পেয়েছেন।
রান তাড়ার শুরুটা খুবই বাজে হয়েছে স্কটল্যান্ডের। তৃতীয় ওভারেই ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা কোয়েতজার ফিরে গেছেন। কেমার রোচ (২০/২) ও জ্যাসন হোল্ডারের তোপে ২৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে স্কটল্যান্ড। চাপে পড়ে রান তোলার গতিটা কখনোই তুলতে পারেনি দলটি। অ্যাশলি নার্সের বলে মিডল অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানের ফেরাটাই ম্যাচের ভাগ্য লিখে দিল। ১০৫ রানে ৫ম উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড।
এর মধ্যেই আকাশ অন্ধকার হয়ে আসছিল। সাতে নেমে মাইকেল লিস্ক তাই দ্রুত রান তলার চেষ্টা করেছিলেন। ৩৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বৃষ্টি নামায় খেলা বন্ধ করা হয়। তখন বৃষ্টি আইন অনুযায়ী স্কটল্যান্ডের রান ১৩০ হলেই বিজয়ী ঘোষণা করা হতো দলটিকে। কিন্তু স্কটল্যান্ডের স্কোর তখন ছিল ১২৫। ১০ বলে ১৪ রান করেছিলেন লিস্ক। কিন্তু অন্য প্রান্তে মুনসে (৫২ বলে ৩২) সে তালে রান তুলতে পারেননি। ফলে ৫ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপের দৌড় থেকে বাদ পড়ে গেল স্কটল্যান্ড।
আগামীকালই বিশ্বকাপের দশম দল হিসেবে জায়গা নিশ্চিত করে ফেলতে পারে জিম্বাবুয়ে। সুপার সিক্সে সবার নিচে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারালেই চলবে তাদের। তবে আমিরাত যদি শেষ বেলায় এসে কোনো অঘটন ঘটায়, সে ক্ষেত্রে পরশু দিনটা হয়ে উঠবে মহাগুরুত্বপূর্ণ। সেদিন বাছাইপর্বে মুখোমুখি হবে ৪ পয়েন্ট পাওয়া দুই দল—আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তান।
The World Cup is sure of the West Indies
West Indies won the World Cup by winning 8 points.
Scotland is not going to win two World Cups
Zimbabwe is sure to win the World Cup
This is the first World Cup without any associate team.
The first two World Cup winners, who have not been able to win the hat-trick title, are also considered as one of the greatest crashes in cricket. That is not possible in the West Indies World Cup. That was going to be a bit different today. A rainy rain did not allow it to happen. Windies won the World Cup tickets by 5 runs in the rain law
The two teams, who took part in an easy-to-use equation, won the World Cup. Scotland had the opportunity to play in the previous match against Ireland. But in the match against the West Indies today, they had to face another test against the Scottish They did well in the first half of the match. West Indies lost two wickets for 2 runs. But the pressure of the Windies took control. Marlon Samuels (51), returning to the form of Ein Lewis (66) and West Indies pulled out 158 runs in 5 wickets for the West Indies.
West Indies innings lost in the last 10 overs. West Indies were all out for 198 runs in the last 5 wickets for 40 runs. Scottish pacer Shafayen Sharif and Brad Wheel - both of them got 3 wickets.
The start of the run chase has been very bad in Scotland. In the third over, the main confidence in batting has come back to Coetzer. Scotland lost three wickets for 25 runs by Kemar Roach (20/2) and Jason Holder. The team has never been able to pick up the pace of pressure after the pressure. Ashley Nurse's return to the middle order's two batsmen said the fate of the match. Scotland lost the fifth wicket by 105 runs
In the meantime the sky was becoming dark. Michael Lisch tried to run quickly to the bottom. The second of the 36th over was played off after rain. Then, according to the rain laws, Scotland's 130 runs were declared the winner. But Scotland's score was then 125. Lecce scored 14 runs from 10 balls But Munce (32 off 52 balls) was not able to score runs in the other end. As a result, Scotland were dropped from the World Cup by 5 points in 5 matches.
Zimbabwe could confirm tomorrow as the 10th team of the World Cup. Under the Super Six, the United Arab Emirates will have to lose. But if the Emirates comes at the end of any event, then it will be a very important day. On that day, there will be four points to be drawn in the qualifying match - Ireland and Afghanistan.
তামিম বনাম মাহমুদউল্লাহর ম্যাচে রোমাঞ্চ

কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সকে ১ রানে হারিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে পেশোয়ার জালমি।আজ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে করাচির মুখোমুখি হবে জালমি।
জয়ের জন্য শেষ বলে কোয়েটার গ্লাডিয়েটর্সের দরকার ৩ রান। ২ রান নিতে পারলে ম্যাচ গড়াবে সুপার ওভারে। স্ট্রাইকে কোয়েটার আনোয়ার আলী। পেশোয়ার জালমির স্পিনার লিয়াম ডসনের ফুলটস ডেলিভারি আনোয়ার আলী ঠিকমতো ব্যাটে লাগাতে পারলে ছক্কা হতো। কিন্তু টাইমিংয়ে গড়বড় করে ফেলায় বল ফিল্ডারের হাতে। ভুল ভেবেছেন। জালমির উমাইদ আসিফ সহজ ক্যাচটা নিতে পারেননি!
তাই বলে কোয়েটাও ম্যাচটা জিততে পারেনি। শেষ বলে ২ রান নিতে গিয়ে রানআউট হন মীর হামজা। ১ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে পৌঁছে গেল তামিম ইকবালের জালমি। আজ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে করাচি কিংসের মুখোমুখি হবে জালমি। অন্যদিকে, জিততে জিততেও এই হারে পিএসএল থেকে ছিটকে পড়ল মাহমুদউল্লাহর কোয়েটা। অথচ জয়ের জন্য শেষ ওভারে ২৫ রানের লক্ষ্যটা কিন্তু তাঁরা প্রায় ছুয়ে ফেলেছিল!
রোমাঞ্চকর ম্যাচটা না দেখে থাকলে অবাক লাগাই স্বাভাবিক। পেশোয়ার জালমির ১৫৭ রান তাড়া করতে নেমে ১৯ ওভার শেষে কোয়েটার স্কোর ৮ উইকেটে ১৩৩। অর্থাৎ জয়ের জন্য শেষ ওভারেই চাই ২৫ রান। ডসনের সেই ওভারে প্রথম দুই বল থেকেই এসেছে ১০ রান! চার ও ছক্কা মারেন আনোয়ার আলী। পরের বল ‘ডট’ গেলেও চতুর্থ ও পঞ্চম বলে আনোয়ারের টানা দুই ছক্কা! শুধু শেষ বলেই ন্যূনতম ৩ রান নিতে পারলেন না!
কিন্তু পিএসএলে জালমি-কোয়েটা প্লে অফ ম্যাচ মানেই যে রোমাঞ্চের পসরা, সেটা কিন্তু বোঝা গেল। এই নিয়ে টানা তৃতীয় মৌসুম প্লে অফে জালমি-কোয়েটা ম্যাচের নিষ্পত্তি হলো ১ রানের জয়ে!
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ডসনের (৬২) ফিফটিতে লড়াকু স্কোর পেয়ে যায় জালমি। ২৯ বলে ২৭ রান করেন দলটির বাংলাদেশি ওপেনার তামিম ইকবাল। জবাবে কোয়েটার শুরুটা ভালো হয়নি। ১৭ রানের মধ্যে বিদায় নেন দুই ওপেনার। মোহাম্মদ নওয়াজ (৩৫) ও সরফরাজ আহমেদ (৩৫) হাল ধরেন কোয়েটার। মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে এসেছে ২০ বলে ১৯ রানের ইনিংস। এর আগে বল হাতে ২ ওভারে ২০ রানে ১ উইকেট নেন মাহমুদউল্লাহ।
র্যাঙ্কিংয়েও দুঃসংবাদ শুনলেন সাকিব
অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে তিনে নেমে গেলেন সাকিব।
• ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারির পর এই প্রথম তিনে নেমে গেলেন সাকিব।
• শীর্ষ দশে বাংলাদেশের একমাত্র বোলার মোস্তাফিজ।
• আর কোনো র্যাঙ্কিংয়ে সেরা দশে কেউ নেই।
• দল হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান ১০ নম্বরে।
চোটের কারণে সাকিব আল হাসানের খেলা হয়নি দেশের মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। শ্রীলঙ্কায় নিদাহাস ট্রফির প্রথম তিন ম্যাচেও নয়। সবাইকে অবাক করে শেষ দুই ম্যাচ খেললেও ব্যাটে-বলে ‘আসল’ সাকিবকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। যেটির প্রতিফলন গতকাল প্রকাশিত টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়েও। অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে তিন নম্বরে নেমে গেছেন সাকিব। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারির পর এই প্রথম এক-দুইয়ে নেই তিনি।
সাকিব পিছিয়েছেন ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেও। ব্যাটিংয়ে সাত ধাপ পিছিয়ে ৪৫ নম্বরে, বোলিংয়ে দুই ধাপ অবনমিত হয়ে ১২-তে। নিদাহাস ট্রফির পারফরম্যান্স দিয়ে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়েছেন পেসার রুবেল হোসেন। ফাইনালে দুঃস্বপ্নের এক ওভার করা রুবেল ৪০ ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ক্যারিয়ারসেরা ৪২ নম্বরে। শীর্ষ দশে বাংলাদেশের একমাত্র বোলার মোস্তাফিজ, এক ধাপ পেছানোর পরও তিনি অষ্টম স্থানে। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে সাব্বির রহমান। তিন ধাপ এগিয়ে ১৮-তে উঠেছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষিদ্ধ ব্যাটসম্যান। মুশফিকুর রহিম ১৪ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ৪৭ নম্বরে।
ব্যাটসম্যান-বোলার-অলরাউন্ডার-টি-টোয়েন্টিতে এই তিন বিভাগে শীর্ষে আছেন নিউজিল্যান্ডের কলিন মানরো, আফগানিস্তানের রশিদ খান ও অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে কে কোথায়
সাকিব আল হাসান
অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে ৩
মোস্তাফিজুর রহমান
বোলার র্যাঙ্কিংয়ে ৮
সাকিব আল হাসান
বোলার র্যাঙ্কিংয়ে ১৩
সাব্বির রহমান
ব্যাটসম্যান র্যাঙ্কিংয়ে ১৮
সৌম্য সরকার
ব্যাটসম্যান র্যাঙ্কিংয়ে ৩১
তামিম ইকবাল
ব্যাটসম্যান র্যাঙ্কিংয়ে ৪০
মাহমুদউল্লাহ
ব্যাটসম্যান র্যাঙ্কিংয়ে ৪২
সাকিব আল হাসান
ব্যাটসম্যান র্যাঙ্কিংয়ে ৪৫
মাশরাফি বিন মুর্তজা
বোলার র্যাঙ্কিংয়ে ৪৭
মুশফিকুর রহিম
ব্যাটসম্যান র্যাঙ্কিংয়ে ৪৭
মাহমুদউল্লাহ
বোলার র্যাঙ্কিংয়ে ৫৭
তাসকিন আহমেদ
বোলার র্যাঙ্কিংয়ে ৬৫
মেহেদী মিরাজ
বোলার র্যাঙ্কিংয়ে ৮০
দলগত র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ দশ নম্বরে
Click here to claim your Sponsored Listing.