29/05/2026
ভাই বৈভবের জন্য সিরিয়াসলি মায়া লাগলো, আগের দিন ৯৭ করে আউট, আজ ৯৬। টানা দুই ম্যাচে ওয়েল ডিজার্ভড সেঞ্চুরি মিস!
গত চার ম্যাচে তিনটা ৯০+ স্কোর, ছেলেটা যে সেঞ্চুরির জন্য খেলে না এটাই তার বড় প্রমাণ। “৩১ বলে ফিফটি” থেকে “৪৬ বলে ৯৬” এ চলে গিয়েছিলো! ৪৭তম বলেও এটাক করতে গিয়ে দিয়ে এলো উইকেটটা!
খুব করে চাইবো, ফাইনালটা বৈভব খেলুক, সেখানে ডাক মারলেও সমস্যা নাই, তবে ছেলেটা খেলুক! প্লে অফে দুইটা ৯০+ স্কোর যে করেছেন, তিনি ফাইনাল ডিজার্ভ করেন।
স্ক্রিপ্ট - নিওটেরিক টকিস
29/05/2026
অহংকার পতনের মূল। অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না যে রশিদ খানের, সেই রশিদ খান-ই আজকে কোয়ালিফায়ার ম্যাচে মাত্র ২ ওভারে ৪৫ রান দিলেন। প্রথম ওভারে ১৮ দিয়েছিলেন, আর নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে ৪ ছক্কার সাথে ২৭ রান দিয়েছেন। গত আইপিএলেও রশিদ খুবই বাজে বোলিং করেছিলো।
29/05/2026
সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোলিংয়ের যুগে অভিষেক হলে মুশফিকের ওয়ানডে ক্যারিয়ার হয়তো শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ত। আজকের দিনের মতো ফেসবুক-ইউটিউবের দাপট তখন থাকলে তিনি এতদূর আসতেই পারতেন না।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে বিষয়টা পরিষ্কার হবে। ২০১১ তে চার নম্বরে নামতেন সাকিব (যার ব্যাটিং গড় ছিল ৩৪), আর ছয়ে নামতেন মাহমুদউল্লাহ (ব্যাটিং গড় ২৯)—তাদের ঠিক মাঝখানে, অর্থাৎ পাঁচ নম্বরে টানা প্রায় ৮০টি ওয়ানডে ইনিংস খেলার পরও একজনের ব্যাটিং গড় মাত্র ২৩! এই পারফরম্যান্স কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
অনেকে হয়তো "সেই আমলের ক্রিকেট" এমন একটা টার্মের দোহাই দিয়ে বলবেন, তখন ২৩ গড়ই অনেক ছিল। কিন্তু একটু খতিয়ে দেখলে এই যুক্তি একদমই টিকবে না। মুশফিক মূলত ২০০৬ সালের পর থেকে নিয়মিত ওয়ানডে খেলা শুরু করেন। আর ততোদিনে বাংলাদেশ দল কিন্তু বেশ গোছানো ও আধুনিক ক্রিকেট খেলতে শুরু করেছে। দলে তখন শাহরিয়ার নাফিস, তামিম ইকবাল, সাকিব বা মাহমুদউল্লাহর মতো পারফর্মাররা থিতু হয়ে গেছেন। এমনকি ওই সময়ে যার ব্যাটিং নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হতো, সেই রকিবুল হাসানের পরিসংখ্যানও মুশফিকের চেয়ে ভালো ছিল।
কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, ২০১১ বিশ্বকাপের পরপরই বিসিবি মুশফিকের হাতে ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব তুলে দেয়। অধিনায়ক হওয়ার পরও ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তাঁর ব্যাট হাসেনি, কেবল দুটো এশিয়া কাপ ছাড়া বাকি সময় পারফরম্যান্স ছিল একেবারেই সাদামাটা। তবে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ থেকে যেন নতুন মুশফিকের জন্ম হয়। সব সমালোচনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজেকে পুরোপুরি বদলে ফেলেন এবং সেখান থেকেই মূলত তাঁর ক্যারিয়ারের আসল মোড়টা ঘোরে। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের আগে দল থেকে বাদ পড়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন, কিন্তু ভাগ্যক্রমে দুইটা ভালো ইনিংস খেলে সেই যাত্রায় রক্ষা পান। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরে তো এক প্রকার বাধ্য হয়েই ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নেন।
29/05/2026
এমন গুলুমুলু কিউটি বাচ্চাদের দেখলেই আদর করতে ইচ্ছে করে। 🥰
নিজের জমজ কন্যাদের সাথে নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব।
28/05/2026
আয়ারল্যান্ডে সিন্ডিকেট নেই, তাই তারা এতো ভালো কোয়ালিটির ব্রডকাস্টিং এবং স্কোরকার্ড গ্রাফিক্স প্রোভাইড করতে পারে। আর বাংলাদেশের জন্য এসব স্বপ্ন, কারণ এখানে মাঠের ক্রিকেটের চেয়ে মাঠের বাইরের রাজনীতি বেশি হয়, ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সবকিছুর দায়িত্ব সিন্ডিকেটের লোকদেরই দেওয়া হয়। যার কারণে সবকিছুতেই পিছিয়ে থাকতে হয়।
28/05/2026
কথিত দেশসেরা অলরাউন্ডার মিরাজ আয়ারল্যান্ডের এন্ডি ম্যাকব্রাইন থেকেও টেস্ট ব্যাটিংয়ে পিছিয়ে আছেন। মিরাজ অলরেডি ৫৮ টি টেস্ট খেলে ফেলেছেন, কিন্তু টেস্টে তার ব্যাটিং এভারেজ মাত্র ২৩.৭৩। অন্যদিকে ১২ টেস্ট খেলা ম্যাকব্রাইনের টেস্ট ব্যাটিং এভারেজ ৩৫.৫৬*। অনেকেই বলতে পারেন, ম্যাকব্রাইন তো মাত্র ১২ টেস্ট খেলেছে, আর মিরাজ খেলেছে ৫৮ টেস্ট; তাদের বলতে চাই মিরাজের ক্যারিয়ারের প্রথম ১২ টেস্টের ব্যাটিং এভারেজটা একটু বলেন।
28/05/2026
সব্বাইকে "ঈদ মুবারক" জানিয়েছে ক্যাপ্টেন বাংলাদেশ নাজমুল হোসেন শান্ত ❤️
28/05/2026
সব্বাইকে ঈদ মুবারক জানিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ❤️
27/05/2026
আয়ারল্যান্ডের ব্রডকাস্টিং কোয়ালিটি দেখেন, একদম টপনচ। আর বাংলাদেশের ব্রডকাস্টিং কোয়ালিটির কথা তো আপনারা জানেনই। আয়ারল্যান্ডের স্কোরকার্ড গ্রাফিকসটাও বেস্ট। আয়ারল্যান্ড এসব পারে কারণ সেখানে সিন্ডিকেট নেই।
27/05/2026
২৬ মে, ২০২৬ সালে প্রকাশিত আইসিসির সর্বশেষ টেস্ট র্যাংকিংয়ে বোলারদের তালিকায় ১১ নম্বরে উঠে এসেছেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম, এক লাফে ১০ ধাপ এগিয়ে ব্যাটারদের তালিকায় ১৬ নম্বরে উঠে এসেছেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের এই দুইজনই আছেন শীর্ষ ২০ এ।
🚨 বাংলাদেশি ব্যাটারদের টেস্ট র্যাংকিং: (২৬ মে, ২০২৬)
১। মুশফিকুর রহিম: ১৬তম (+১০)
২। লিটন দাস: ২৪তম (+১৪)
৩। নাজমুল হোসেন শান্ত: ৩০তম (-৭)
৪। মুমিনুল হক: ৩৮তম (-৩)
৫। সাদমান ইসলাম: ৫৯তম (-১)
৬। মেহেদী হাসান মিরাজ: ৬৫তম (-৩)
৭। জাকের আলী: ৭৩তম (-১)
৮। মাহমুদুল হাসান জয়: ৭৫তম (+২)
🚨 বাংলাদেশি বোলারদের টেস্ট র্যাংকিং: (২৬ মে, ২০২৬)
১। তাইজুল ইসলাম: ১১তম (+২)
২। মেহেদী হাসান মিরাজ: ২৫তম (+২)
৩। নাঈম হাসান: ৪৩তম
৪। তাসকিন আহমেদ: ৪৮তম
৫। হাসান মাহমুদ: ৫০তম (-১)
৬। হাসান মুরাদ: ৫১তম (-১)
৭। নাহিদ রানা: ৫৪তম (+১০)
৮। শরীফুল ইসলাম: ৭০তম
৯। খালেদ আহমেদ: ৭৭তম (-৪)
১০। ইবাদত হোসেন: ৭৯তম (-২)
তাইজুলের নেক্সট টার্গেট হওয়া উচিৎ কিভাবে সেরা দশে ঢোকা যায়, জিম্বাবুয়ে সিরিজে ফাইফার নিতে পারলে তাইজুলের জন্য অসম্ভব হবে না৷
ডাটা - নিওটেরিক টকিস
এডিট - ক্রিক টাইগার্স
27/05/2026
দুর্বল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে টেস্ট খেলতে নেমেছে নিউজিল্যান্ড৷ অন্যদিকে আয়ারল্যান্ড খেলতে নেমেছে দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে। অবশ্য এর কারণও আছে -আয়ারল্যান্ডের টেস্ট দলের গুরুত্বপূর্ণ ৫ ক্রিকেটার ইনজুরিতে।