The Living System Lab

The Living System Lab

Share

The Living System Lab explores how life works across humans and animals — adaptation, behavior, energy, aging, and survival patterns. Educational only.

Not medical or veterinary advice.

Photos 21/11/2014

সে কি আমাকে ভালোবাসতো বা আজো ভালোবাসে ??

জগতে হাজার মানুষ এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজে।
তারপর মনে ক্ষীন আশা জ্বালিয়ে রাখে.... নিজেকেই বিশ্বাস করায়... হয়তো ভালোবাসতো।
ইচ্ছে করে গভীরে ভাবে না,
কারন কিছু সময় আমরা কষ্ট পেতে চাই না।
ইচ্ছে করে নিজেকে ভুল বোঝাই।
সান্তনা দেই যেঃ সে পাশে আছে।

অনেক অপেক্ষার পর সে হয়তো হারানো মানুষটার জীবনে সুযোগ পায়।
কিন্তু,,
সেটা সাময়িক। কারন ভাংগা আয়নায় মুখ দেখা যায় না।যায় না চোরের স্বভাব আর চলে যাওয়া প্রিয়জন ফিরে এলে হয় বদলে যায় অথবা আবার পর হয় ক্ষনিকের মিলনের পর।

তবু,,
আমরা ভেতরের অচিন পাখির ধুকধুক করে বাড়িয়ে তোলা স্পন্দনের কান্না সহ্য করতে পারি না।
কি অদ্ভুত ভাবে নিজেকে কষ্ট দেয়ার ক্ষমতা এমন কারো হাতে দেই যে এটার অপব্যবহার করবে।

জগতে অপাত্রে প্রেম ভালোবাসা জনিত আবেগের ঠাই বেশি হয়।
বাস্তবে
একজন চরিত্রবানের চেয়ে চরিত্রহীনেররা বেশি সুবিধা নিয়ে বাঁচে।

যে ছেলেটা প্রতি দিন হাজার কবিতা লেখে, চিঠি লেখে কিন্তু সাহস হয় না দেবার এই ভেবে যেঃ মেয়েটা কি ভাববে।

অথচ,
ক্লাসের বখাটে ছেলেটা বিরক্ত করতে করতেই এক সময় মেয়েটার ভেতরে ঠাই পেয়ে যায়।

সমীকরণগুলো নিপাতনে সিদ্ধ।
এখানে ভালো মানুষেরা ভালোবাসার ছবি আঁকে কিন্তু স্পর্শ করতে পারে না।

গত আটারো বছর ধরে একজন আদর্শ ছেলে হতে চেয়েছি।
কোনদিন সিগারেট খাইনি।
খারাপ অভ্যাস নেই।
এসব কি আসলেই কোন মানে রাখে??

তুমি মানুষ।
কিন্তু তুমি বড় না ছোট মানুষ তা নির্ণয় করবে তোমার ক্রেডিট কার্ড।
তুমি যদি দশটা খুন কর টাকা দিয়ে ঢেকে ফেলবে পাপ।
মানুষ হয়ে কি করবে তুমি??
টাকার পিছে ছুটতে থাকো,
এতেই চলবে,......

তারপর কিনতে পারবে স্বপ্ন কিংবা দু চার পয়সার মানুষ।
কেউ পড়ালেখা করে কিছু শেখার দরকার নেই।
শেখ কি শিখলে টাকা পাবে।
অনেক টাকা,
যত টাকা হলে তুমি বড় মানুষ হতে পারবে।।
-----------------------------------------------

21/11/2014

আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ফল হল
আনারস।
অনেকেই আনারস খেতে ভালোবাসেন।
তাছাড়া এই
ফলটি প্রায় ১২ মাসই হাতের নাগালে পাওয়া যায়। এই
ফলটিতে আছে নানা রকমের ভিটামিন ও অনেক সময়
চিকিৎসা সংক্রান্ত কোন কাজে এর ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
#কিন্তু_আপনি_কি_জানেন_সুস্বাদু_এই_আনারসের_বেশ কিছু
খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। চলুন জেনে নেই বিষয় গুলো।

১। অ্যালার্জীর আক্রমনঃ আনারস খাওয়ার ফলে অনেক
নারী ও পুরুষের দেহে অ্যালার্জী দেখা দিতে পারে। আনারস
খাওয়ার ফলে অ্যালার্জীর উপসর্গ হল ঠোঁট ফুলে যাওয়া ও
গলায় সুরসুরি বোধ হওয়া। তাই আনারস খাওয়ার
আগে তা কেটে লবন পানি দিয়ে ধুয়ে নেয়া উচিত।
এভাবে ধুয়ে নিয়ে খেলে কোন সমস্যা হওয়ার সম্ভবনা থাকেনা।
২। নারীর গর্ভপাত ঝুঁকিঃ আনারসের কারণে নারীদের গর্ভপাত
হওয়ার ঝুঁকি থাকে। গর্ভাবস্থায় থাকলে নারীদের আনারস
খেতে বারণ করা হয়। তাছাড়া গর্ভাবস্থার পরে চাইলে আনারস
খেতে পারেন কিন্তু শরীরের অবস্থা বুঝে ডাক্তারের
সাথে পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে।
৩। বাতের ব্যথা হওয়ার ঝুঁকিঃ যখন আপনি আনারস খাবেন
তখন এটি আপনার গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল নালীর
কাছে পৌঁছানোর পর এটি অ্যালকোহলে পরিনত হয়। এবং এই
কারণে মানুষের দেহে বাতের ব্যথা শুরু হতে পারে। তাই যে সকল
মানুষের দেহে বাতের ব্যথা আছে কিংবা সন্দেহ করা হচ্ছে বাত
হতে পারে তাদের আনারস না খাওয়াটাই ভালো।
৪। রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়ঃ আনারসে আছে অনেক
বেশি পরিমানে প্রাকৃতিক চিনি। আনারসের ২ টি চিনি উপাদান
সুক্রোজ এবং ফ্রুক্টোজ যা ডায়বেটিস রোগীদের জন্য
ক্ষতিকর। কিন্তু দেহের ক্ষতি, এটি খাওয়ার উপর নির্ভর করে।
এবং আনারসের মধ্যে অতিরিক্ত চিনি আমাদের দেহে রক্তের
চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই আনারস
বেশি না খেয়ে সপ্তাহে ২ দিন খেতে পারেন।
৫। ওষুধের প্রতিক্রিয়াঃ আনারসে আছে ব্রমিলেইন
যা দিয়ে ওষুধ বানানো হয়ে থাকে এবং কোন রোগীর প্রয়োজন
পরলে তাকে তা দেয়া হয়ে থাকে। তাছাড়া আপনি যদি কোন
কারণে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিকনভালসেন্ট ব্যবহার
করে থাকেন তাহলে আনারস খেতে ডাক্তাররা নিষেধ
করে থাকেন। কারন এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
৬। কাঁচা আনারসে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ অনেকেই কাঁচা আনারস
ব্যবহার করে থাকেন জুস বানানোর জন্য কিন্তু এটি দেহের
জন্য ক্ষতিকর এবং খুব বিষাক্ত।
এবং মাঝে মাঝে কাঁচা আনারস খাওয়ার কারণে বমির
প্রবনতা দেখা দেয়।
৭। কাঁচা আনারস মুখ ও গলার জন্য ক্ষতিকরঃ
কাঁচা আনারসে আছে অনেক
বেশি পরিমানে এসিডিটি যা আমদের মুখের ভিতর ও গলায়
শ্লেষ্মা তৈরি করে। এবং ফলটি খাওয়ার পর
মাঝে মাঝে অনেকের পেটে ব্যথাও হতে পারে।
৮। রক্ত তরলিকরন ওষুধঃ রক্ত তরল করার জন্য যে ওষুধ
বানানো হয় তাতে আনারস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই ফল
দেহে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াতে বাঁধা প্রদান করে থাকে।
৯। আনারসের ব্রমিলেইনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ ব্রমিলেইন
আনারসের একটি উপাদান যা আমদের দেহের প্রোটিনের
পরিমাণ নষ্ট করাতে দায়ী থাকে। এবং এই ফল
দেহে ডার্মাটাইটিস ও অ্যালার্জী সংক্রামন করে।
১০। দাঁতের জন্য ক্ষতিকরঃ আনারস আমাদের দাঁতের জন্য
ক্ষতিকর। যাদের দাতে কেভিটিস ও জিংজাইভেটিভস এর
সমস্যা আছে তাদের আনারস না খাওয়াই ভালো।

20/11/2014

- আচ্ছা আমি ঘুমিয়ে গেলে তোমার ফোন ব্যস্ত দেখায় কেন ?
: আমি ইরিনের সাথে কথা বলতেছিলাম।
- কি বললা ? আরেকবার বল !
: ইরিনের সাথে ...
- ইরান না ফিরানের সাথে কিসের এত পিরিত হ্যাঁ ? এইজন্য বুঝি আগেই ঘুম পাড়ায় দাও !
: ও একটা নোট বুঝতে ছিলো না ! তাই আমি ...
- আহারে আমার পন্ডিত , ঐ তুই নিজেই তো টাইনা পাস করিস !
: প্রভাত , দেখ তুমি বাচ্চা মেয়েদের মত আচরণ করছো !
- আমি বাচ্চা বলেই তো আরেকটা লাগে তাই না ? আমি তো সব বুঝি !
: তুমি কিন্তু বেশি বুঝতেছো । রাগ তুইলো না !
- যা তুই ইরিনের কাছে । এক বস্তা রাগ কর ! তুই মর ! আর ফোন দিবি না ! আমি দিবো না !
: ভালোবাসলে অবশ্যই দিবা ।
- আমার বয়েই গেছে ভালবাসতে , দিবো না ফোন।সারাজীবন বসে বসে অপেক্ষা কর !
: প্রভাত ...

প্রভাত কারনে অকারনে রাগ করে আর পুরো ঘটনার দায়ভার পড়ে শাওনের ওপর।শাওন খুব একটা রাগ করে না বলে পাত্তা পায় না প্রভাতের কাছে।
কিন্তু আজ মেজাজ চরমে চলে গেছে।

ফোনটা হাতে নিয়ে ভয়েস মেসেজে বলেঃ
"দেখ , তোমার সাথে প্রেম করে মনে হয় না কোনদিন তোমাকে বোঝাতে পারবো , আর জ্বালাবো না।"

শাওনের কন্ঠে এমন বিষাদঝড়া কথা শুনে প্রভাত ফোন দেয়।কিন্তু নাম্বার অফ।শাওন কখনো এভাবে বলে না।শাওনের বন্ধুরা বলেছিলোঃ
ছোট বেলার প্রেমিকার জন্য নাকি ছাদ থেকে ঝাপ দেবার রেকর্ড আছে।

আর জ্বালাবো না !
শব্দটা মাথায় ঘুরতে থাকে প্রভাতের।
রাত বাজে দেড়টা !
কি করবে এখন !
ফোন দেয় শাওনের বন্ধু অনিক কে।অনিক জানায় শাওনের রুমের দরজা বন্ধ।রাতে খায়ও নি !

বুকের ভেতরটা ধ্বক করে ওঠে মেয়েটার । শাওন আবার কিছু করে বসবে না তো ! স্লিপিং ড্রেসটা খুলে অন্য একটা ড্রেস পড়ে ড্রাইভারকে গাড়ি বের করতে ফোন দেয়।কিন্তু শেষে নিজেই ড্রাইভ করে যায় শাওনের বাসায়।গিয়ে হেডলাইটের আলো ফেলতেই দারোয়ানের কাঁচা ঘুমটা ভেঙে যায়।হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসে।ঢাকা মেট্টো ভ এর ৯৬৬৯ নং গাড়িটা ভালো করেই চেনে।
বুঝতে পারে হয়তো ঝামেলা হয়েছে।

গাড়ির চাবি ফেলে দিয়ে বলে পার্ক করতে।পায়ে জুতা পড়তে পর্যন্ত ভুলে গেছে।ঈশ ফোনটা পর্যন্ত আনা হয় নি !

ওপরে উঠে দরজা নক করতে গিয়ে দেখে দরজা খোলা।
নিচে নেমে আসে দ্রুত।দারোয়ান জানায় একটু আগে ছাদের চাবি নিয়ে গেছে শাওন।

সিঁড়ির ধাপ গুলো প্রায় লাফিয়ে পার হয় প্রভাত।গিয়ে দেখে ছাদের রেলিং এর উপর বসে আছে শাওন।পিছন থেকে কলার ধরে ছাদে ফেলে দেয় হ্যাঁচকা টানে।
বলেঃ
- এই কুত্তা ! তোর এত্ত সাহস
: সাহসের কি আছে !
- দেখ তুই মুখে মুখে কথা বলবি না ।
: একশবার বলবো । তুই তো বলছিস যোগাযোগ না করতে।আমাকে আর দরকার নাই । ভালো তো ।

প্রভাত দ্বিতীয় বাক্যব্যয় করে না।দু চোয়ালের দাঁত বসিয়ে দেয় শাওনের হাতে।তীব্র ব্যাথায় একটু কাঁকিয়ে ওঠে শাওন।কিন্তু কিছু বলে না।পাগলিটাকে দেখে মায়া লাগে।কামড় দিয়ে নিজেই কাঁদছে।
দেখে শাওনের ব্যাথার বদলে একটা প্রহসনমূলক হাসিতে ঢলে পড়ে বলে উঠেঃ
- বাপু রে! কি কাহিনী, হাত ব্যাথ্যা লাগছে আমার আর কাঁদছে উনি ! ঈশরে কত ভালোবাসা ।

হাত ছেলে দেয় কিন্তু ফোঁপাতে থাকে।শাওন আর একটু খোঁচা দেয়ঃ
- দেখ বিড়ালের মত ম্যাও ম্যাও করে কাঁদবি না তোরে দেখতে আরো বশি ইয়ে লাগে।

অন্যদিন হলে হয়তো কানমলা বা থাপ্পড় খেতো!কিন্তু প্রভাত অস্বাভাবিক মায়াভরা কান্নাজড়ানো কন্ঠে বলেঃ
: তুই ছাদ থেকে লাফ দিতে গেছিলি কেন?
- কে বলছে এটা ?
: অনিক !
- ওই হারামি মজা করছে।
: আমি যে দেখলাম !
- কি ?
: তুই লাফ দিতে ধরছিলি !
- না তো !
: হ্যাঁ তো !
- এত সহজে মরলে তোরে জ্বালাবে কে ?
: যাহ দুষ্ট!

শেষ কথাটা বলে উল্টো ঘুরে চলে আসতে ধরে।শাওন এসে পাজকোলা করে উঠিয়ে নিয়ে বসিয়ে দেয় ছাদের ওপর রাখা ইজি চেয়ারে।প্রভাত হাত ছাড়িয়ে নিতে চায়।হাত দিয়ে চোখের জল মুছতে চায়।কিন্তু শাওন হাত ধরে রাখে মুঠোর মধ্যে।
প্রভাত কান্না থামাতে চায় পারে না।নিঃশব্দে দু গাল গড়িয়ে নোনা জলের বন্যা নামে।শাওন এসে নাকের ওপর নাকটা বসিয়ে কপালের সাথে কপাল ঘসে বলেঃ
- পাগলী আমার ! আমি তোকেই ভালোবাসি। তোকে ছেড়ে যাবো কখনো কল্পনাও করি না !

প্রভাত মুখ খোলে কিন্তু শব্দ করতে পারে না।কান্না করায় গলা বসে গেছে।

একজোড়া উষ্ম ঠোঁট শাওনের ঠোঁট ছুঁয়ে দেয়।
অনেক কথা মুখ ফুটে বলতে হয় না।কাছের মানুষ নির্বাক অভিব্যক্তিই যথেষ্ট কথার চেয়ে অধিক কথা বুঝিয়ে দিতে।

শাওন প্রভাতকে আলতো করে জড়িয়ে রাখে বুকের ভেতর।জোছনার আলোয় চিকচিক করে ওঠে প্রভাতের ভেজা গাল।
----------------------------------------------------------------------------------------------------

19/11/2014

বিশেষ গল্পঃ
ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে দাঁড়িয়ে আছে মেয়েটা।লোকটা বলছে আর টিকিট নেই।মেয়েটা ডান হাত নাড়িয়ে কিছু বলছিলো।মেয়েটার কণ্ঠ শুনে মুহিবের ভেতরটা কেঁপে ওঠে,কন্ঠটা এত বেশি পরিচিত যে চাইলেও মুছে ফেলা যায় না।

হাতের পেপার ফেলে খানিকটা মন্ত্রমুগ্ধের মত মেয়েটার পাশে দাঁড়িয়ে কথোপকথন শুনতে থাকে।

কাউন্টারের লোকটা জোর গলায় বলছেঃ
দেখুন মিস , আমাদের আজকের ট্রেনে আর কোন কেবিন ফাঁকা নেই !

মেয়েটা খানিকটা অনুনয়ের সুরে বলেঃ আর একবার চেক করুন।আমার যাওয়া খুব জরুরী।
লোকটি নিরুত্তাপ কন্ঠে উত্তর করেঃ
নেই ম্যাম।লোকাল সিট হবে আর নয়তো পরের ট্রেনে।

মুহিব আস্তে করে ডাকেঃ ইরা !

মেয়েটা চকিতে ঘুরে যায়।খানিকটা অপ্রস্তুত আর অবিশ্বাস নিয়ে তাকায় সামনে দাঁড়ানো মানুষটার।এক কালে কত শাসন করতো অথচ আজ কেন জানি গলা ধরে আসছে।ভেতরে থাকা হাজারটা স্মৃতি এলোমেলো করে দিচ্ছে!

ইরার লাগেজটা উঠিয়ে নিয়ে পাশের স্টীলের বসার সীটের সাথে রেখে বসে পড়ে।
ইরাও এসে বসে চুপ করে।কেউ কথা বলছে না।অথচ ইরা কথা বলতেই থাকতো।কেউ বাঁধা দিলে নখ দিয়ে আঁচড়ে দিতো অথবা কামড় বসাতো।ইরা বদলে গেছে।কিছু মানুষ বদলে গেলে অচেনা হয়।ইরাও কি অচেনা?নাকের ওপর তিলটা পর্যন্ত মেলে আর ইরার উপস্হিতি জানান দিতে তার কড়া পারফিউমই যথেষ্ট!তবু মুহিব আড় চোখে তাকায়।ফ্যাকাসে চেহারার বিধ্ধস্ত পাথরের মত বসে থাকা মেয়েটার সাথে আগের ইরার যেন কোন মিল নেই।
-ইরা চা খাবে?
:চা?আচ্ছা আনতে পাঠাও।
-বাড়ি যাচ্ছো?
:টিকেট আর মিলেছে কই?
-যদি আমার সাথে যেতে বলি !
:না না ! তা কি করে হয়!আমি ঠিক যেতে পারবো।
-জানি যেতে পারবে।তবু অনুরোধ করলে রাখবে?
:অনুরোধ না করাটাই বোধহয় ভালো।
-যাবে?একবার কথা দিয়েছিলে যা চাইবো দিবে।আজ এতটুকুন সময় না হয়!
:আচ্ছা যাবো।

ট্রেনে ছাড়তেই ইরা চোখ বন্ধ করে ফেলে।ট্রেনের শুরুর ঝাঁকুনিতে তার বমিভাব হয়।মুহিব রুমাল এগিয়ে দেয়।রুমাল হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে ইরা।প্রশ্ন করেঃ
-এত বছর রুমালটা আছে।হারানো ছেড়ে দিয়েছো?
:না।সব হারিয়ে ফেলেছিলাম তাই নতুন করে কিছু হারাই না।

প্রসংঙ্গ পাল্টে ফেলতে ইরা বলেঃ
-বৌ বাচ্চা কেমন আছে।
:একজনকে ভালোবাসি,বিয়েটা করা হয়নি।দেখবে?
-না না!দেখাতে হবে না।বাড়ি যাচ্ছো যে ?
:ঠিকানাটা তো ওখানেই।মাকে দেখতে যাচ্ছি।শরীরটা ভালো যাচ্ছে না মায়ের।তা তোমার উনি কোথায়?

খুব সহজ স্বাভাবিক প্রশ্নের উত্তর অনেক সময় জটিল হয়।ইরার কাছে প্রশ্নটার উত্তর নেই।ট্রেন চলছে একই গতিতে।ইরা উত্তর করে না আর মুহিবও দ্বিধায় পড়ে অপরাধবোধে ভোগে।ভাবেঃ
কি দরকার ছিল ?

আসলে জীবনে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলোই ঘটে বেশি।কয়েক বছর আগে মুহিবকে নিয়ে ইরা পালিয়ে যেতে চেয়েছিলো!মুহিব সারারাত স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিলো।গুনে গুনে সাতাশটা সিগারেট খেয়েছিলো।শেষ ট্রেনের দুটো টিকিট কিনেছিলো!
কিন্তু দ্বিতীয় টিকিটের সীটটা ফাঁকা গেছে।জোছনার আলোক ছটা শূন্যস্হানটাকে আলোকিত করে বুঝিয়ে দিচ্ছিলোঃ কারো আসার কথা ছিলো।

প্রকৃতি কি অদ্ভূত নিয়মে চলে ! আজকের জোছনায় ইরা মুহিবের সামনে।মুহিব আজো ইরার হাসিমাখা ছবিটা ওয়ালেটে ভরে রেখেছে।জীবনে ইরার মত বিশেষ মানুষ হয়ে আসে নি কেউ আর।

দুজনের আর একটি কথাও হয় না।ইরা বাচ্চাদের মত দলা পাকিয়ে শুয়ে পড়ে।আর মুহিবের ঠোঁটে থাকে একটা জ্বলন্ত সিগারেট।প্রতিটা শ্বাসে মুহিবের মুখের অস্পষ্ট অবয়ব ভেসে ওঠে।
ইরা বলেঃ
-সিগারেট ছাড়ো নি!
:কেউ তো বারণ করে নি!
-এতটুকু অনুরোধ অন্তত রাখতে পারতে!
:জীবনটায় প্রহসনের নগ্ননৃত্যে অনুরোধ রাখার মত ছোট কাজগুলো পাথর হয়ে চেপেছিলো বুকে।তাই সরিয়ে দিয়েছি।

ইরা একটু পরই ঘুমিয়ে যায়।মুহিবের মনে হয় জোছনায় আঁকা পটে এক অচিনপুরীর রাজকন্যা তার সামনে।কপালের অবাধ্য চুলগুলো সরিয়ে দিতে ইচ্ছে করে কিন্তু সে অধিকার তার নেই।

দেখতে দেখতে পাহাড়তলীর স্টেশনটা চলে আসে।মুহিব আস্তে করে ডাকেঃ ইরা ! ইরা !

ইরা উঠে বসে।তারপর আস্তে করে নেমে যায়।ট্রেন এখানে পনের মিনিট থামবে।ইরা নামতে গিয়ে পড়ে যেতে ধরে কিন্তু মুহিব ধরে ফেলে।অমনি স্টেশনে দাঁড়ানো ইরাদের প্রতিবেশীদের কেউ একজন বলেঃ
ঈশ স্বামী ছেড়ে এখন অন্য লোকের সাথে ফস্টিনস্টি।সাধে কি আর বউ ফেলে গেছে মানুষটা!সমাজটা রসাতলে গেল !

এতটুকু কথা শুনে অনেক প্রশ্নের উত্তর মুহিবের জানা হয়ে গেলো। ইরা হাত ছাড়িয়ে একটা ট্যাক্সি নিয়ে চলে গেল ।এদিকে ট্রেন ছেড়ে দিচ্ছে।মুহিবের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে।তবু দৌড়ে গিয়ে ট্রেনটাকেই ধরে আর ট্যাক্সির জানালা দিয়ে তাকানো ইরার মুখটা দেখে ভেতরটা ছল্যাত্‍ করে উঠে।

মুহিবের চোখ ফেটে কান্না আসে।ইরাকে সে কখনো কাঁদতে দেখেনি।পরের স্টেশনে ট্রেন থামে।মুহিব নামে।এ গ্রামেই আসার কথা কিন্তু এটাই কি তার সত্যিকার গন্তব্য ? নাকি এক স্টেশন আগেই থেমে আছে তার জীবন?

মুহিব ব্যাগ লাগেজ সব ফেলে এগিয়ে যায় টিকিট কাউন্টারের দিকে।
এখনো দেরি হয়ে যায় নি!
এখনো সব কিছু ঠিক হতে পারে!!
দরকার পড়লে ইরার বাড়ির সামনে দিনের পর দিন অপেক্ষা করবে তবু ইরাকে আর হারাতে চায় না মুহিব।জীবন তাকে দ্বিতীয় সুযোগ দিয়েছে।ট্রেনের টিকিট নিয়ে উত্তেজনায় কাঁপতে থাকে মুহিব।

দুর থেকে ট্রেনের আওয়াজ আসছে।
মুহিব কি শুনতে পাচ্ছে ??
--------------------------------------------------------------------------
বিঃদ্রঃ গল্পটি স্যার হুমায়ুন আহমেদকে উত্‍সর্গকৃত।

Photos 04/11/2014

Photos 29/10/2014

টাইম টু লিভ দা প্লানেট -_-

Photos 25/10/2014

একটা জাদু দেখুন এর জন্য picটা উল্টা করুন :P

Photos 21/10/2014

#নাকফুলটা_বিক্রি_করে_আমার_কাফনের_কাপড়
কিনে দিও.... :(
বিদ্ধাশ্রম থেকে একজন মায়ের চিঠি আমার আদর ও ভালোবাসা নিও।
অনেক দিন তোমাকে দেখি না, আমার খুব কষ্ট হয়। কান্নায় আমার
বুক ভেঙে যায়। আমার জন্য তোমার কী অনুভূতি আমি জানি না। তবে ছোটবেলায় তুমি আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতে না। আমি যদি কখনও
তোমার চোখের আড়াল হতাম মা মা বলে চিৎকার করতে। মাকে ছাড়া কারও কোলে তুমি যেতে না।
সাত বছর বয়সে তুমি আমগাছ থেকে পড়ে হাঁটুতে ব্যথা পেয়েছিলে। তোমার
বাবা হালের বলদ বিক্রি করে তোমার চিকিৎসা করিয়েছেন। তখন তিন দিন, তিন রাত তোমার পাশে না ঘুমিয়ে, না খেয়ে, গোসল না করে কাটিয়েছিলাম।
এগুলো তোমার মনে থাকার কথা নয়। তুমি একমুহূর্ত আমাকে না দেখে থাকতে পারতে না।বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার বিয়ের
গয়না বিক্রি করে তোমার পড়ার খরচ জুগিয়েছি।
হাঁটুর ব্যথাটা তোমার মাঝে মধ্যেই হতো। বাবা... এখনও কি তোমার সেই ব্যথাটা আছে?
রাতের বেলায় তোমার মাথায় হাত না বুলিয়ে দিলে তুমি ঘুমাতে না। এখন
তোমার কেমন ঘুম হয়?
আমার কথা কি তোমার একবারও মনে হয় না?
তুমি দুধ না খেয়ে ঘুমাতে না। তোমার প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমার কপালে যা লেখা আছে হবে। আমার জন্য তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি খুব ভালো আছি। কেবল তোমার চাঁদ মুখখানি দেখতে আমার খুব মন চায়।
তুমি ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করবে। তোমার বোন....তার খবরাখবর নিও। আমার কথা জিজ্ঞেস করলে বলো আমি ভালো আছি।
আমি দোয়া করি, তোমাকে যেন আমার মতো বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে না হয়। কোনো এক জ্যোস্না ভরা রাতে আকাশ পানে তাকিয়ে জীবনের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে একটু ভেবে নিও। বিবেকের কাছে উত্তর পেয়ে যাবে। তোমার কাছে আমার শেষ একটা ইচ্ছা আছে।
আমি আশা করি তুমি আমার শেষ ইচ্ছাটা রাখবে। আমি মারা গেলে বৃদ্ধাশ্রম থেকে নিয়ে আমাকে তোমার বাবার কবরের পাশে কবর
দিও। এজন্য তোমাকে কোনো টাকা খরচ করতে হবে না। তোমার বাবা বিয়ের সময় যে নাকফুলটা দিয়েছিল সেটা আমার কাপড়ের আঁচলে বেঁধে রেখেছি।
নাকফুলটা বিক্রি করে আমার কাফনের কাপড় কিনে নিও। তোমার ছোটবেলার একটি ছবি আমার কাছে রেখে দিয়েছি।ছবিটা দেখে দেখে মনে মনে ভাবি এটাই কি আমার সেই খোকা!’
এভাবে বেদনা ভরা একটি খোলা চিঠি ছেলের উদ্দেশে লিখেছেন মদিনা খাতুন (ছদ্মনাম),মদিনা খাতুনের বয়স এখন আশি। ছয় বছর আগে তার আশ্রয় জুটেছে বৃদ্ধাশ্রমে। :(

Photos 19/10/2014

দেখুন তো আপনি এমনটি ছিলেন কিনা :P

Photos 19/10/2014

agree or not ? :)

Photos 18/10/2014

ইনি একজন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক । নাম Mr.Juong Park পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার । উনার হাতে একটা ঝাড়ু দেখা যাচ্ছে সে ঝাড়ু দিয়ে উনি রাস্তার ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে … আপনে ভাবতে পারেন এইটা কোরিয়ার কোন রাস্তা হয়ত। কোরিয়ার কোন রাস্তার দৃশ্য এটা না , এটা ঢাকার রাস্তার দৃশ্য ! একজন কোরিয়ার প্রকৌশলী বিনা শ্রমে নিজেই ঝাড়ু হাতে নিয়ে গত ১ মাস যাবত কাওরানবাজার সার্ক ফোয়ারা থেকে বসুন্ধরা সিটি পর্যন্ত রাস্তা,ফুটপাত ঝাড়ু দিয়ে যাচ্ছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার এই প্রকৌশলী বাংলাদেশে আসছে নির্মাণ প্রতিস্থানের কাজে, বাংলাদেশের রাস্তার নোংরা অবস্থা দেখে কোরিয়ার এই মানুষটি নিজেই হাতে ঝাড়ু দিতে শুরু করেন যাতে তাকে দেখে বাংলাদেশের অন্যরা শিখে কিভাবে রাস্তা পরিস্কার রাখতে হয় নিজেদের কাজ নিজেদের করতে হয় …

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Gulshan Dhaka
Dhaka
1000