08/09/2025
নেপাল!ছাত্র জনতা! আরেক ৫ আগষ্ট!
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অপ্রতিরোধ্য GEN-Z, Sports, Vill-Moamari, P. O-Taratia bazar, P. S-Dewangonj, District-Jamalpur, Dhaka.
08/09/2025
নেপাল!ছাত্র জনতা! আরেক ৫ আগষ্ট!
30/12/2024
আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে সতর্ক থাকি৷ আতশবাজি না ফুটাই।
সার্বভৌমত্ব
মাতৃভূমি
🇧🇩🇧🇩
" Motherland or Death "
29/11/2024
১৮ জুলাই ২০২৪
যাত্রাবাড়ীর এক গলি থেকে ফজর নামাজ পড়ে ৩/৪ টা ছেলে মেইন রোডের দিকে যাচ্ছিল। তাদের উদ্দেশ্য, ভোর হবার আগেই যাত্রাবাড়ী চিটাগং রোড হাইওয়ে দখলে নেয়া।
আর মাত্র ৫ টা বিল্ডিং পরে গলি শেষ, সামনে মেইন রোড। হঠাৎ গুলির শব্দ, তাদের একজন সঙ্গী লুটিয়ে পড়ল। ছেলেটার নাম মারুফ। হতবিহ্বল বাকীরা বুঝতে পারছিল না কোথা থেকে গুলি এসেছে, কে গুলি করেছে। এদিকে লুটিয়ে পড়া সঙ্গীর শরীর থেকে গলগল করে রক্ত বের হচ্ছে। তার দিকে ভালো ভাবে তাকাতেই ২য় গুলির শব্দটা শোনা গেল। উপস্থিত সবাই মাটিতে শুয়ে পড়ল। এদের গায়ে গুলি লাগে নি। এরা নিরাপত্তার জন্য শুয়েছে৷ আহত মারুফকে টেনে হিঁচড়ে গলির ভেতরে নিয়ে যাওয়া হলো। মারুফের কাঁধ ছুয়ে গুলি বেরিয়ে গেছে। রাবার বুলেট না। এটা স্নাইপার বুলেট। এগুলো যুদ্ধে ব্যবহার করা হয় আরেক দেশের সৈন্য হত্যা করতে।
এদিকে যাত্রাবাড়ী বাসী গত ৩ দিন গুলির শব্দ শুনে অভ্যস্ত তবে এখন ভোর হওয়ায় শব্দের মাত্রাটা বেশি ছিল। এলাকার সবার ঘুম ভেঙে গেল। অনেকে বাসা থেকে নেমে গেল। বাইরে কী হচ্ছে জানার জন্য।
গুলির শব্দের উৎস নিয়ে আলোচনা করে বের করা হলো গলির মাথায় কোনো বাড়িতে স্নাইপার আছে। গলি থেকে বের হলেই গুলি করবে। কিন্তু কোন বিল্ডিং এ স্নাইপার সেটা জানে না কেউ। আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে হলে মেইন রোডে যেতে হবে। যদিও এটা যাত্রাবাড়ী। মেইন রোডে যাওয়ায় অনেকগুলো রাস্তা আছে। আশেপাশের গলি থেকেও সেইম তথ্য এলো। গলি থেকে বের হতেই অদৃশ্য স্থান থেকে তাদের উপর গুলি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী সিদ্ধান্ত নিল যে করেই হোক স্নাইপারের লোকেশন বের করতে হবে। এটা বের করার জন্য জানবাজ কিছু লোক দরকার যার গুলি খাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কয়েকজনকে আগে গলি থেকে বের হতে হবে। পেছনে পেছনে কিছু লোক দেখবে কোন বাসা থেকে গুলি করছে। কে হবে সেই জানবাজ?
ইন্টার পড়ুয়া একটা ছেলে আগে যেতে রাজি হলো। সে একা একা আগে যাবে।
ছেলেটার নাম অনিক। সে বন্ধুর সাথে কোলাকুলি করল। এক বন্ধুর কানে কানে বলল "আমার কিছু হলে মাকে সান্ত্বনা দিস।" বন্ধু দুস্টামি করে উত্তর দিল "আর তোর ক্রাশ?" অনিক উত্তর দিল "তাকে আমার কথা বলিস।'
হাসিমুখে অনিক গলির মুখের দিকে এগোলো। তার চোখে সতর্ক দৃষ্টি। আগে যেখানে মারুফ গুলি খেয়েছে ঠিক সেই স্থানে আসার সাথে সাথে গুলির শব্দ শোনা গেল। এদিকে অনিক আগে থেকেই একে বেঁকে চলছিল। গুলি তার গায়ে লাগে নাই। তবে গুলিটা আশেপাশের কোথাও দিয়ে গেছে বোঝা গেছে। অনিক পেছন দিকে না গিয়ে সামনের দিকে দৌড় দিল। এবার আরেকটা গুলি হলো। এটাও অনিকের গায়ে লাগে নাই। এদিকে অনিকের পেছন পেছন আরো ২ টা ছেলে এলোমেলো ভাবে দৌড়াচ্ছিল। পেছন থেকে শরীফ আর শাহাদাৎ ভাই মোটামুটি একটা ধারনা পেলেন কোন বিল্ডিং থেকে গুলি করেছে। এদিকে অনিক ও ২ টা ছেলে গলির মাথায় পৌঁছে গেছে। তারা একটা বিল্ডিং এর ঠিক নিচে অবস্থান করছে। এখানে উপর থেকে কেউ গুলি করতে পারবে না। এদিকে শরীফ আর শাহাদাৎ আগের জায়গায় ফিরে গেল। সেখানে এখন মিনিমাম ১০০ জন আন্দোলনকারী। আরো অনেকেই জড়ো হচ্ছে।
সবাই ইতিমধ্যে জেনে গেছে গলির মুখে অদৃশ্য স্নাইপার অবস্থান করছে। কোন বিল্ডিং থেকে গুলি করা হয়েছে সেই ধারনাও পেয়ে গেছে। তারা এটা নিয়ে বলাবলি করল। এক পর্যায়ে তারা জানতে পারল ঐ বিল্ডিংটার মালিক এক আওয়ামীলীগ নেতা। তার মানে তাদের ধারণা সঠিক। আওয়ামীলীগ নেতার বাসায় পুলিশ অথবা আওয়ামীলীগের স্নাইপার অস্ত্র তাক করে বসে আছে।
বিল্ডিং টা ৬ তলা। গুলি করা হয়েছে ৩ থেকে ৬ তলার মধ্য থেকে যেকোনো একটা ফ্ল্যাট থেকে। গলির যে পয়েন্টে ভোরে মারুফ গুলি খেয়েছে সেখান থেকে ৪/৫/৬ তলা ভালো করে দেখা যায়। তার মানে ৩ তলা থেকে গুলি করা হয় নি। আবার ছাদ থেকেও গুলি করা হয় নি। এদিকে ২ টা করে মোট ৬ টা ফ্ল্যাট আছে। ৩ টা ফ্ল্যাট আগেই বাদ দেয়া হলো। কারণ এই ৩ টা ফ্ল্যাট থেকে মেইন রোডের দিকে গুলি করা যাবে, গলির ভেতরের দিকে নয়। ৪/৫ ও ৬ তলাকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হলো কিন্তু কাউকে দেখা গেলো না। ৫ তলার একজন মহিলা বারান্দায় এসে কী যেন দেখে রুমে ঢুকে গেলেন। তার মানে ৫ তলাতেও স্নাইপার নেই। অর্থাৎ ৪ ও ৬ তলার এদিকের ফ্ল্যাটের যেকোনো একটায় স্নাইপার আছে। এখন আন্দোলনকারীরা টার্গেট নিয়েছে এই বিল্ডিং এর দখল নিবে। তারপর বিল্ডিং এ ঢুকে স্নাইপারকে বের করবে। কাজটা খুবই ভয়ানক কারণ আন্দোলনকারী কারো হাতে পিস্তল নাই। লাঠি ও ইটের টুকরাই একমাত্র ভরসা।
আন্দোলনকারীরা এক এক করে গলির বিল্ডিং গুলোর দেয়ালের সাথে গা ঘেঁষে ঘেঁষে মেইন রোডের দিকে এগোলো। একজন একজন করে আগানোর কারণে উপর থেকে কেউ দেখার সুযোগ নেই। তাই গুলিও হলো না।
৫ মিনিটের মধ্যে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ির সামনে প্রায় শ খানেক আন্দোলনকারী হাজির হয়ে গেল।
এদিকে দারোয়ান এত লোক দেখে ভয় পেয়ে গেল। তাকে হুমকি ধামকি দিতেই সে গেইট খুলে দিল। সবাই এলাকার স্থানীয় পোলাপান। এদেরকে ক্ষেপিয়ে দারোয়ানের চাকরি করা যাবে না। গেইট খোলা পেয়েই হুড়মুড় করে ছাত্ররা বিল্ডিং এ ঢুকে পড়ল। একদল ৪ তলার টার্গেটেড ফ্ল্যাটের দরজায় আরেকদল ৬ তলার ফ্ল্যাটের দরজা ধাক্কা দিতে লাগল। ৪ তলার দরজা খুলল না কিন্তু ৬ তলার দরজা খুলে ফেলল। ভেতরে ভয়ার্ত বাসার লোকজনকে দেখে বুঝল এখানে কোন স্নাইপার থাকার কথা না। ৪ তলার দরজা কেউ খুলছে না। শব্দ শুনে পাশের রুমের দরজা খুলে একজন দেখা দিয়ে বললেন "এই বাসাটা ফাঁকা।" ফাকা বাসার কথা শুনে পোলাপানদের উৎসাহ আরো বেড়ে গেল। এক পর্যায়ে তারা দরজা ভেংগে ফেলল। ভেতরে হুড়মুড় করে ঢুকেই তারা সেই কাঙ্ক্ষিত স্নাইপারের দেখা পেল। পুলিশের পোষাক পরা দুইজন লোক রাইফেল হাতে এই বাসায় অবস্থান করছে। এই বাসাটা আসলেই ফাঁকা। দুইজন পুলিশ প্রাণ ভিক্ষার উদ্দেশ্যে মাফ চাওয়ার ভঙ্গিতে হাত জোড় করে রাখল। উত্তেজিত জনতার এখন এসব দেখার সময় নেই। তারা পুলিশ দুইজনকে উত্তম মধ্যম লাগানো শুরু করল। একজন এক রুমে দুইটা রাইফেল খুজে পেল। রাইফেলের নল এখনো গরম। তার মানে এই রাইফেল থেকেই গুলি করা হয়েছে। পুলিশ দুইজনকে মারতে মারতে বিল্ডিং এর নিচে নামানো হলো। এদিকে শোরগোল টের পেয়ে বিল্ডিং এর মালিক পালিয়ে গেল। তাকে অবশ্য বিল্ডিং এ হামলাকারী আন্দোলনকারীরা চিনত না। চিনলে তার পালানোর সুযোগ হতো না।
আধা ঘণ্টা পরে যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারে দুইটা উলঙ্গ লাশ ঝুলে রইল। তাদের পা উপরের দিকে আর মাথা নিচের দিকে। এদিকে সূর্য উঠে গেছে। রাস্তায় হাজার হাজার মাদ্রাসার ছাত্র তাকবির ধ্বনি দিচ্ছিল। আশেপাশের মাদ্রাসা থেকে পঙপালের মত ছাত্র আসছিল। খুনি পুলিশের এই পরিণতি দেখে সমবেত জনতার উৎসাহ বেড়ে গেলো। আজকে যাত্রাবাড়ীর বেরিকেড ভাঙতেই হবে। এমনিতেই যাত্রাবাড়ী থেকে কাঁচপুর ব্রীজ ৩ দিন ধরে অচল৷ কয়েকশো গাড়ির চাকা পাংচার করে রাখা হয়েছে। চাইলেও এখান দিয়ে কোনো গাড়ি আসা যাওয়া করতে পারবে না। ১৮ জুলাই ২০২৪ ছিল আন্দোলনের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন।
#রক্তের_বন্ধন
আমাদের ৩ ছাত্রনেতা প্রথম আলোর ইনভাইট পেয়েও যায় নাই, আপনারা জানেন।
এরপর তারা পুলিশ আর জনপ্রশাসনেও একটা বড় চেঞ্জ আনার চেষ্টা করেন। এবং এই করতে গিয়েই, তারা এখন বড় ধরণের বিপদের মুখোমুখি হয়ে গেছে।
এবং খুব সম্ভবত এই বিপ্লব আর বিদ্রোহের বড় ধরণের মূল্য আসিফ, নাহিদ আর মাহফুজকে দিতে হচ্ছে।
শুরুটা হয়েছিলো মাহফুজকে প্রধান উপদেষ্টার অফিস থেকে সরিয়ে ফেলার মাধ্যমে।
মাহফুজের ক্ষমতা কমানোটা ছিলো এই খেলার প্রথম ধাপ। ডক্টর ইউনূসের উপর ছাত্রদের প্রভাব কমাইয়া ফেলা হয়।
ফলাফল?
এতোদিন রিসেট বাটনের কথা বলা ডক্টর ইউনূস গতকাল কথা শুরু করেছেন ৭১ এর কথা বলে।
আহতরা চিকিৎসা পায় নাই। পুরো মিডিয়া দোষ দিলো উপদেষ্টাদের। ছাত্রনেতাদের।
অথচ স্বাস্থ্য, আর জনপ্রশাসনের সচিব কোন দলের জানেন? একটা বিশেষ রাজনৈতিক দলের, সকাল বিকাল যারা নির্বাচন চায়।
এই দলটাই একদিকে মিডিয়ার সামনে এসে আহতদের চিকিৎসা চাইতেছে। অন্যদিকে দলের সচিব দিয়ে চিকিৎসা আটকাইয়া রাখসে। যাতে এই সরকার ফেইল করে।
মাহফুজের পর এবার টার্গেট করা হয়েছে আসিফ মাহমুদকে।
সেই আসিফ মাহমুদ, যিনি ৫ আগস্টে হাসিনা পালানোর পরেও আমাদের মাঠে থাকতে বলেছিলেন।
আসিফ মাহমুদ প্রশাসনে ভারতীয় লবির বিরুদ্ধে স্টেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে এক্টিভ হতে থাকেন গত সপ্তাহ থেকে। বিশেষ করে পুলিশ আর জনপ্রশাসনকে তিনি ভারতের দালাল কর্মকর্তাদের হাত থেকে সরিয়ে বাংলাদেশপন্থীদের হাতে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন।
এবং এখানেও ঐ বিশেষ রাজনৈতিক দল এসে বাগড়া দিতে শুরু করে। এবং শেষমেষ আসিফ মাহমুদের নামে ডক্টর ইউনূসের কাছে অভিযোগ করা হয় যে আসিফ মাহমুদ নাকি প্রশাসনে দুর্নীতি করার চেষ্টা করতেছে।
পুরো খেলাটাই খেলা হচ্ছে দিল্লীর প্রেসক্রিপশনে। দিল্লী থেকে প্রেসক্রিপশন আসছে। সেই প্রেসক্রিপশন বাস্তবায়ন করতেছে দেশের বড় একটা রাজনৈতিক দল। সমস্যা হলো, অন্য দলগুলোও এর বিরুদ্ধে কিছু বলছে না।
অথচ আমাদের ভাইয়েরা, যারা হাসিনার কোটি টাকার প্রস্তাব পায়ে ঠেলে মৃত্যু বুকে নিয়ে ইনকিলাবের পতাকা আঁকড়ে ধরেছিলো, তাদের উপর এখন দুর্নীতির মতো নোংরা অপবাদ দিতেও ওরা ভাবতেছে না।
কেন?
আগেই বলেছিলাম, হাসিনা আর ফেরত আসবে না। তবে নতুন কাউকে হাসিনা বানানো হবে। এতে কি শুধু ভারতের লাভ?
না। চিন্তা করে দেখেন, যাকে হাসিনা বানানো হবে, লাভটা তারও। আরামসে দেশের মানুষের উপর জুলুম করতে পারবে ১০-১৫ বছর। আর কাউকে হাসিনা বানাতে গেলে কী দরকার?
হাসিনার প্রশাসনের ফুল সেট আপ দরকার। যেই সেট আপ নেক্সট সরকারকেও হাসিনা হতে হেল্প করবে।
এই সেট আপটাই আসিফরা ভাঙতে গেছিলেন।
এবং সেটারই মূল্য তারা চোকাতে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশে বিপ্লবীদের পরিণতি কখনোই ভালো হয়নি। এইজন্য বাংলাদেশে কোন বিপ্লব ই আসলে সফল হয়নি।
এবারের বিপ্লবেও খুব সম্ভবত ফাঁসির দড়ি এগিয়ে আসছে বিপ্লবীদের দিকে।
এক দল তো চেয়েও দড়ি পড়াতে পারেনি, এখন আরেকদল সেই দড়ি এগিয়ে নিয়ে আসছে।
তবে এইবার যদি এই বিপ্লবীদের আমরা বাঁচাতে না পারি, আর কোনদিন কোন ছেলে বা মেয়ে এই দেশে আর কোন বিপ্লব করবে না।
এবারের বিপ্লবে আমাদের স্লোগান ছিলো, দিল্লী না ঢাকা? ঢাকা, ঢাকা। দালালি না রাজপথ? রাজপথ,রাজপথ। আপোস না সংগ্রাম? সংগ্রাম, সংগ্রাম।
আমাদের তিন ভাই এই রাস্তার স্লোগানটাই সরকারেও টেনে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলো। প্রশাসন আর পুলিশ প্রশ্নেও তারা আমাদের দিল্লি না ঢাকার প্রশ্নে ঢাকাকেই বেছে নিয়েছিলো।
বাট তারা অবাক হয়ে দেখছে, বাংলাদেশের মানুষ যেমন সবাই ঢাকার পক্ষে ছিলো, প্রশাসনে অমন না। একটা রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ মদদে তাদের পুলিশ রিফর্মেশন আটকে দেওয়া হয়েছে।
ঢাকাকে কাছে টানতে গিয়ে এই তিনজন আপাতত সবকিছু হারিয়ে বসে আছেন। মিডিয়া নাই, প্রথম আলো বা স্টার ওদের পক্ষে নাই,,রাজনৈতিক দল পক্ষে নাই।
অথচ ওদের প্রেসক্রিপশন মানলে সব পক্ষে থাকতো।
জনগণের পক্ষে থাকতে গিয়ে উনারা আপাতত সবকিছু হারিয়ে বসে আছেন। এখনও আমার আপনার হয়ে লড়াই করে যাচ্ছেন দিল্লীর আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে।
এই লড়াই এ যদি আসিফ নাহিদ আর মাহফুজ হেরে যান, ঢাকা হেরে যাবে, বাংলাদেশ হেরে যাবে, ইনকিলাব হেরে যাবে।
মৃত্যুর ভয় আমরা করি না। আমাদের ২০০০ ভাই তো চলেই গেছে, আমরাও ঐ পথে যাইতে আগেও প্রস্তুত ছিলাম, এখনও প্রস্তুত আছি।
তবুও যেই স্বপ্ন নিয়ে আমার ভাইয়েরা জীবন দিলো, পঙ্গু হলো, অন্ধ হলো, সেই স্বপ্নকে আমরা মরে যেতে দিবো না। বুকের রক্ত দিয়ে হলেও, আমরা মরে গিয়ে হলেও এই স্বপ্নকে আমরা বাঁচাবো।
কোন বিশেষ রাজনৈতিক দলের কথাতে আসিফ নাহিদ বা মাহফুজকে সরিয়ে ফেলার কোন ধরণের প্রশাসনিক ক্যু যদি আজকে হয়, আমরাও আমাদের ভাইদের হয়ে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত আছি।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।
-সাদিকুর রহমান খান
৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর সাথে মিটিং-এর সময়ই তাহলে আপনারা রাজনৈতিক বন্দোবস্ত করে এসেছিলেন? সেখানে আমাদের ছেলেদের কেউ উপস্থিত ছিল না। কে আপনাদের সেই অধিকার দিয়েছে মিটিং করার? জাতির সাথে বেঈমানি করার জন্য একদিন না একদিন কাউকে না কাউকে তো এর দায় নিতে হবে।
আমরা জানি, কাদেরকে এ দায়টা নিতে হবে। কাল সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদের ভিডিওটা দেখলাম। এনটিভির আলোচনা অনুষ্ঠানে সে কাঁদতে কাঁদতে বলেছে- "কেন আমাদেরকে সামনে রেখে আপনারা ক্ষমতার রাজনীতি করছেন? লুটপাটের বন্দোবস্ত করছেন?" সে এরপরে কাঁদতে কাঁদতে বলছে - "আর কোন ছাত্র যেন কোন দিন আন্দোলন না করে।"
প্রিয় মাসুদ,
আমার এই লেখা তুমে পড়বে। সে আমি জানি। তোমার কষ্ট আমি বুঝতে পারছি। কারন সেই একই কষ্ট আমি নিজেও বয়ে বেড়াচ্ছি। থাকি বিদেশে। যেখানে বাংলাদেশের মানুষ বিদেশে পাড়ি জমাতে চায়। স্বপ্ন দেখে ইউরোপ-অ্যামেরিকার ভবিষ্যৎ। সেখানে আমি বিদেশ থেকে ঘুরতে গিয়ে যুদ্ধের ময়দানে পড়েছি! এরপরও তোমাদের ছেড়ে আসি নাই।
আন্দোলনে থাকার জন্য র্যাব যখন আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এরপর ছেড়েও দিয়েছে। কিন্তু আমার মানসিক ট্রমা আর দূর হয় নাই। কোন লেখায় বলি নাই। কিন্তু কাল তোমার চোখের পানি দেখে পুরো রাত আমি এপাশ-ওপাশ করেছি। এরপর সকালে উঠে এই লেখা লিখছি।
বিদেশে ফিরে এসে আমি এমনকি ডাক্তার পর্যন্ত দেখিয়েছি। তবুও কাউকে বলি নাই। শুধু ভেবেছি- থাক, আমি ভালো-খারাপ যা-ই থাকি। দেশ ভালো থাকুক। এখন যখন সমীকরণ মেলাই। কিছুই আর মিলছে না।
তবে জেনে রেখো- কাউকে না কাউকে এর দায় একদিন না একদিন নিতেই হবে। আমি জানি- কে বা কাকে সে দায় নিতে হবে। এই লেখায় সেটা বলছি না। কারন আমি এখনও আশায় আছি- যদি পরিবর্তন টুকু হয়...!
© Aminul Islam
28/09/2024
https://youtube.com/watch?v=ygfuHEQP5P0&si=hU9qbgDjHFmi04TZ
কীভাবে গণঅভ্যুত্থান হবে গণবিপ্লব? যা বললেন সলিমুল্লাহ খান | Salimullah Khan | Jamuna Television কীভাবে গণঅভ্যুত্থান হবে গণবিপ্লব? যা বললেন সলিমুল্লাহ খান | Salimullah Khan | Jamuna TelevisionAbout Jamuna Television:Jamuna Television Limited is a private...
23/09/2024
বাহ!!আসার আগেই জনপ্রিয়।।
20/09/2024