28/08/2026
তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তাও ছমাস। ঠিক এতদিন প্রতিবেশী দেশ থেকে চাপ আর দাদাগিরির কূটনীতিই দেখাচ্ছিল। হিংসা, বিদ্বে/ষ, হয়রানি, ভিসা নীতি, পুশইন, মিডিয়া ট্রায়াল, সংখ্যালঘু কার্ড, বাণিজ্যসহ নানাভাবে চেপে ধরতে চেয়েছিল। লাভ হয়নি।
উল্টো তারেক রহমানের সরকার জুলাই হ/ত্যাকারীদের বিচার করছে, হাসিনাকে ফেরত চাইছে, সংখ্যালঘু নামে উ/সকানিদাতাদের দমন করেছে, চোখে চোখ রেখে কথা বলছে, চীন-পাকিস্তানসহ বিশ্বে যোগাযোগ বাড়াচ্ছে—এসব কি মানা যায়?
কিন্তু অদ্ভুত এক কারণে শেষ একমাসে সব মেনে নিচ্ছে তারা। প্রথমবারের মতো হাইকমিশনার এসে বলছে, ‘আমরা তো সমানে সমান’। আবার কখনও ‘স্বরণীয় সংবর্ধনা’ দেওয়ার কথা হচ্ছে। কখনও সুন্দর হাসিতে ভিসা চালু করছে, প্রজেক্ট বাড়ানোর চেষ্টা চলছে, বাকপটুতা দেখানো হচ্ছে। বিষয়টি অনেকটা শেষ মুহূর্তে ফল নিয়ে আসার মতো। খাবে না জেনেও বলা হচ্ছে, ‘খাও খাও’। কিন্তু তারা সাধারণত কোনো প্রতিবেশী দেশের জন্য এমন করে না, অন্তত বাংলাদেশের জন্য আগে করেনি।
কিন্তু বাংলাদেশ এই সময়ে কি করেছে? ভারতের প্রোপাগাণ্ডায় কান দেয়নি, পুশইন প্রতিরোধ করেছে, অন্যায়ের দ্রুত প্রতিবাদ করেছে এবং বহি বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে। তার ফলই আজকের অবস্থান। বড় এক জোটের সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছে লাল সবুজের দেশ। তুরস্ক, চীন থেকে অ/স্ত্র আসছে, ড্রোন হচ্ছে এবং আক্ষেপের যু/দ্ধবিমান ও জাহাজ মিলছে, পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ছে। ঠিক এই সময়ে দিল্লিতে একের পর এক ডাক পড়ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
কিন্তু এখানেও বাড়াবাড়ি করেছে বাংলাদেশ সরকার। দুইটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে মাইটি ইন্ডিয়াকে—‘হাদি হ/ত্যাকারিকে এবং হাসিনাসহ অপরাধীদের ফিরিয়ে দাও, আমি কথা বলব।’ ভারত অবশ্য তাদের কূটনীতিক সব চ্যানেল ব্যবহার করেছে, কাজ হয়নি। এবার হয় এসপার নয় ওসপার! বিবিসি বলছে দিল্লি আশাবাদী তারেক রহমান যাবেন, কিন্তু ঢাকার কণ্ঠে উল্টো সুর।
বাংলাদেশের শর্ত ভারতকে হয়ত মানতেই হবে, নয়ত সামনের দিনে আরও অনেক কিছু মানিয়ে নিতে হবে।
পথ হারাবে না বাংলাদেশ।
#অখণ্ডভারত #বাংলাদেশ #তারেকরহমান