Hello
Blue Whale
আমাদের পেজটি ভালো লাগলে লাইক দিয়ে সা?
10/09/2021
11/06/2021
আমিন
31/05/2021
Nice
23/02/2021
স্ত্রীর_অধিকার
পর্বঃ০১/০২
লেখিকাঃ Alamin pages
বিয়ের কয়েক মিনিট আগে আমি জানতাম পারলাম যে আমার হুব বরের পা দুটো অচল।নিজে হাঁটা-চলা করতে পারে না।হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতে হয়।কথাটা শোনে আমার চোখ-মুখ কেমন জানি অন্ধকার হয়ে গেলো।চারদিকের মানুষরা আমাকে নিয়ে সমালোচনা করতে শুরু করেছে।আমার বান্ধবীরা তো আমাকে নিয়ে উপহাস করতে শুরু করছে।এইসব দেখে আমার অজ্ঞান হওয়ার উপক্রম হয়েছে।অথচ কালকে অবধি সব ঠিক ই ছিলো।কিন্তু আজকে কী হয়ে গেলো??
,
,
আমি অনন্যা অনু।সবাই অনু বলে ই ডাকে।বড় গরীব ঘরের মেয়ে আমি।বাবা নেই।পরিবারে আছে বড় ভাই,মা,ভাবী আর ভাইপো।আমার বড় ভাই বেকার।তাই সংসার খরচ আমাকে ই চালাতে হয়।আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে জব করি।মায়ের ঔষধ খরচ থেকে শুরু করে সবকিছু ই আমাকে দেখতে হয়।
কিছুদিন আগে আমার বড় ভাই বললো আমার নাকি বিয়ে ঠিক করেছে।ছেলে বড়লোক পরিবারের ছেলে।টাকা-পয়সা কিছুর ই অভাব নাই।আমাকে নাকি একেবারে রাজকন্যার মতো রাখবে।আমি প্রথমে আপত্তি করলে আমার মা আর বড় ভাই আমাকে অনেক কথা শোনায়।তাই বিয়েতে রাজি হতে একপ্রকার বাধ্য ই হলাম।
,
,
আমার বরের নাম অভ্র চৌধুরী।কাল যখন অভ্রের সাথে মোবাইলে কথা বললাম তখন জানতে পারলাম।অভ্রের মা নেই।ঘরে সৎমা।আপনজন বলতে কেবল ওর বাবা আর দাদী ই আছে।কিন্তু অভ্র আমাকে একবারের জন্যে ই বলে নি ও নিজে হাঁটা-চলা করতে পারে না।ওর একটা সমস্যা আছে।
,
,
চারদিকের মানুষের কথা আর উপহাস শোনে আমার চোখ থেকে অশ্রু ঝরতে শুরু করলো।ইচ্ছা করছিলো চিৎকার করে বলতে আমার সাথে কেনো এত বড় অন্যায় হলো??কী অপরাধ ছিলো আমার?আমি কিছু বলতে যাবো ঠিক তখনি আমার মা আমার পাশে এসে বললো অনু রে মা আমার তুই বিয়েটা করে নে।এইটা তোর কাছে আমার আদেশ॥
,
,
মায়ের কথা শোনে বিয়ে করতে বাধ্য হলাম।বিয়ের পর আমাকে অভ্রদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হলো।তার চেয়ে অবাক কান্ড হলো বরযাত্রী হিসেবে মাত্র তিনজন এসেছে।অভ্র,আমার শ্বশুর আর দাদী শ্বাশুড়ি।
,
,
অভ্রদের বাড়ির দরজায় পা দিয়ে বাড়ির ভেতরে ডুকতে যাবে।ঠিক তখনি কেউ একজন বললো দাঁড়াও।আমি বেশ খানিকটা চমকে সামনের দিকে তাকাতে ই দেখি একটা মধ্য বয়স্ক মহিলা,দুটো ছেলে দেখে অভ্রের ভাই ই মনে হচ্ছে।আর দুটো মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে।মধ্যবয়স্ক মহিলাটা কে দেখে আমি বুঝতে পেরেছি এটা অভ্রের সৎ মা ই হবে।আর একটা ছেলেকে আমি চিনতে পেরেছি।কারন কিছুদিন আগে ছেলেটি আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলো।
অভ্রের সৎ মা আমাকে বললো কে তুমি?আর বধূর বেশে এই বাড়িতে কেনো ডুকতেছো?কী তোমার মতলব??
,
,
অভ্রের সৎ মায়ের কথা শোনে আমি বেশ অবাক ই হয়ে যাই।আমি কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলি আমি এই বাড়ির বড় বউ।ওয়াইফ অফ অভ্র চৌধুরী।আমার কথা শোনে অভ্রের সৎমা রেগে আগুন হয়ে যায়।উনি আমাকে বলেন হাও ডেয়ার ইউ?তোমার এত বড় সাহস।আমার বাড়িতে দাঁড়িয়ে আমাকে ই অপমান করছো।বেরিয়ে যাও এই বাড়ি থেকে!!
,
,
হঠাৎ আমার দাদী শ্বাশুড়ি এসে বলে বৌমা কী শুরু করেছো এইসব!!ও এই বাড়ির বড় বউ।ওকে তাড়াতাড়ি করে ঘরে ডুকতে দাও।কথাটা শোনে অভ্রের সৎ মা তো কেঁদেই অস্থির।যাকে বলে ন্যাকা কান্না।আমার দাদী শ্বাশুড়িকে বলছে মা আপনি কী করে আমার বড় ছেলের এত বড় সর্বনাশ করলেন।আমাকে না জানিয়ে আপনি অভ্রের বিয়ে দিয়ে দিলেন।আপনারা কী আমাকে ওর শত্রু ভাবেন!!
আমার শ্বাশুড়ির কথা শোনে আমার দাদী শ্বাশুড়ি বলছে বৌ মা তুমি আমাকে ভুল বুঝতেছ।তুমি আমার কথাটা শোনো।
কিন্তু কে শোনে কার কথা।আমার শ্বাশুড়ি দৌড়ে দৌতলায় চলে গেলো।আমি এতক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দর্শকের মতো নিরবতা পালন করছিলাম।
,
,
হঠাৎ আমার দাদী শ্বাশুড়ি একটা মেয়েকে বলে রিয়া আজ থেকে অনু তোমার বড় জা।যাও ওকে ঘরে নিয়ে যাও।তখন আমি বুঝতে পারলাম মেয়েটি আমার জা হয়।কিন্তু মেয়েটি বললো এমন বস্তির মেয়ে আমার জা।কখনো ই না।এই কথা বলে মেয়েটি ও চলে যায়।
আমার শ্বশুর সেখানে আসে।তিনি এসে বলেন অধরা তোর ভাবীকে অভ্রের রুমে নিয়ে যা।আর ওকে একটু সাহায্য কর।
,
,
অধরা আমাকে একটি রুমে নিয়ে গেলো।রুমটার দেওয়ালে অভ্রের ছবি টাঙ্গানো।তখন আমি বুঝতে পারলাম এটা ই অভ্রের রুম।মেয়েটি আমাকে বললো আমি অভ্রের ছোট বোন অধরা চৌধুরী।মানে তোমার ছোট ননদ কিন্তু।অধরা কথা শোনে আমি একটু হেসে বললাম আচ্ছা বুঝতে পেরেছি।
,
,
একটু পর অধরা চলে গেলো।আর আমিও নিজের বিয়ের শাড়িটা চেন্জ করার জন্যে একটা শাড়ি লাগেজ থেকে বের করে নিলাম।আমি যেই না শাড়িটা পরতে যাবো আমার শ্বাশুড়ি আমার হাত থেকে শাড়িটা কেড়ে নিলো।আর বললো তোমার মতো বস্তির মেয়ের পরনে কী এতো দামি শাড়ি মানায়।এই বলে উনি আমার হাতে দুটো কম দামি শাড়ি ধরিয়ে দিয়ে বললো তোমার মতো মেয়ের পরনে এর চেয়ে ভালো কিছু বেমানান লাগবে।কথাটা বলে ই উনি চলে যান।
,
,
আমার শ্বাশুড়ির কথা শোনে আমার চোখ বেয়ে পানি পড়তে লাগলো।হঠাৎ কেউ আমার,,,,,,,,,,,,
চলবে
#স্ত্রীর_অধিকার
#পর্বঃ০২
#লেখিকাঃ_alamin_facebook_pages
১ম পর্বের পর থেকে,,,,,,,,,,,,,
আমার শ্বাশুড়ির কথা শোনে আমার চোখ বেয়ে পানি পড়তে লাগলো।হঠাৎ কেউ আমার কাঁধে হাত রাখলো।চমকে গিয়ে পেছনে তাকাতে ই দেখি দাদী।দাদী আমার চোখের পানি মুছে দিয়ে বললো তোকে আরো শক্ত হতে হবে।শুধু শক্ত নয়;কঠোর থেকে কঠোর হতে হবে।কারন ওরা তোকে অনেক অপমান-অসম্মান করবে।ওরা চাইবে তুই চলে যাস।আর ওরা একাই এই বাড়িতে রাজত্ব করবে।তুই কখনো ওদের কথায় কান দিবি না।কথাগুলো বলে ই দাদী চলে গেলো।
,
,
দাদী চলে যাওয়ার পর আমি একা একা বসে বসে ভাবছি কালকেও তো আমার জীবন সম্পূর্ন ঠিক ছিলো।কিন্তু আজ ক্ষণিকের মধ্যে কী হয়ে গেলো।ক্ষণিকের মধ্যে কী আমি বিবাহিতা হয়ে গেলাম।শুধু কবুল বললে বা একটা কাগজে সাইন করলে কী বিবাহিতা হয়ে যায়।মনের মতামত বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কী একটা কাগজে সাইন করলে ই বিবাহিতা হয়ে যায়।কী অদ্ভূত সমাজ!কী অদ্ভূত বিচার।কথাগুলো ভাবছি আর নিজের ভাগ্যকে ই দোষ দিচ্ছি।হঠাৎ আমার মোবাইলটা বেজে উঠলো।মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখি রাহুল কল করেছে।রাহুল আমার কলেজ ফ্রেন্ড।অনেকবার আমাকে প্রপোজ ও করেছিলো।আমি এক্সপেক্ট করি নি।কিন্তু আজ রাহুল কেনো কল করেছে?এইসব ভাবতে ভাবতে কলটা রিসিভ করলাম।কল রিসিভ করার,,,,,,,,,
হ্যালো!(আমি)
কী রে অনু শোনলাম তোর নাকি বিয়ে হয়ে গেছে।কথাটা কী সত্যি??(রাহুল)
হ্যাঁ সত্যি।।(আমি)
তো তোর বর কী করে??(রাহুল)
ব্যবসা করে।ব্যবসায়ী।।(আমি)
মিথ্যে কেনো বলছিস অনু।তোর বর তো হুইল চেয়ারে বসে চলাফেরা করে।হাঁটতে পারে না।(রাহুল)
?????(আমি)
শোন অনু এখনো সময় আছে।ছেলেটাকে ডিভোর্স দিয়ে আমার কাছে চলে আস।তোর জন্যে আমার দরজা সারাজীবনের জন্যে খোলা থাকবে।।(রাহুল)
সেটা আর কোনোভাবে ই সম্ভব ময়।কারন আমার বিয়ে হয়ে গেছে।আমি এখন অন্যজনের বিবাহিতা স্ত্রী।তোর কাছে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।রাখছি।(আমি)
কথাটা বলে আমি কল রেখে দিলাম। কে কল করেছে?বয়ফ্রেন্ড তাই না!!হঠাৎ কারো এমন কথা শোনে আমি বেশ ভয় পেয়ে যাই।পেছনে তাকাতে ই দেখি অভ্র।তার মানে অভ্র এতক্ষণ আমার আর রাহুলের কথাগুলো লুকিয়ে লুকিয়ে শুনছিলো।
,
,
অভ্র আমাকে বললো আপনার বয়ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলছিলেন বুঝি!!অভ্রের কথা শোনে আমি হেসে বললাম জ্বী না।আমার এক কলেজ ফ্রেন্ড কল করেছিলো ওর সাথে কথা বলছিলাম।
আমার কথা শোনে অভ্র বললো প্লীজ অনু মিথ্যে বলবেন না।আমি জানি ফ্যামিলির চাপে পড়ে আপনি আমাকে বিয়ে করেছেন।কিন্তু আপনি কখনো আমাকে স্বামী হিসেবে মেনে নিতে পারবেন না।আসলে আমি তো আপনার নয় কারোর ই স্বামী হওয়ার যোগ্য নই।আর তাছাড়া হয়তো আমি আপনাকে কোনোদিন ও স্ত্রীর অধিকার দিতে পারবো না।
,
,
অভ্রের কথা শোনে আমি মনে মনে বললাম স্ত্রীর অধিকার যেহেতু দিতে পারবেন না সেটা আপনি জানেন ই তাহলে বিয়েটা করলেন কেনো??কেনো একটা মেয়ের জীবন এইভাবে নষ্ট করলেন??
অনু আপনি কী ভাবছেন??হঠাৎ অভ্রের ডাকে ভাবনার ঘোর কাটলো।।কই কিছু ই ভাবছি না আমি বললাম।আমার কথা শোনে অভ্র একটু মুচকি হেসে বললো আমি জানি আপনি কী ভাবছেন!!আপনি হয়তো এইটা ভাবছেন আমার সমস্যা থাকা স্বত্ত্বেও কেনো আমি আপনাকে বিয়ে করেছি।আসলে আমি আপনাকে নয় শুধু কোনো মেয়েকে ই বিয়ে করতে ইচ্ছুক ছিলাম না।কারন আমি কাউকে ঠকাতে চায় নি।কিন্তু বাবা বললো আপনার ফ্যামিলি নাকি সব জানে।তাই বাবার কথায় বাধ্য হয়ে বিয়েটা করলাম।যেমনটা আপনি আপনার মায়ের কথায় বাধ্য হয়ে করেছিলেন।
,
,
অভ্রের কথা শোনে আমি অবাক না হয়ে পারলাম না।কারন অভ্র কীভাবে জানলো যে আমি মায়ের কথায় বাধ্য হয়ে ওকে বিয়ে করেছি।হঠাৎ শোনতে পেলাম কেউ পুরুষ কন্ঠে বললো ভাবী আসবো!!পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখি অধরা আর একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে।আমি বললাম জ্বী আসেন।ছেলেটি আমার কাছে এসে বললো আমি অর্নব।অভ্র ভাইয়ের ছোট ভাই।মানে তোমার ছোটো দেবর।তখন আমি একটু হেসে বললাম প্লীজ আপনারা বসুন।আমার কথা শোনে অর্নব একটু চোখ রাঙ্গিয়ে বলে আপনি নয় আমাদের সবাই কে তুমি করে বলবে।তুমি এই বাড়ির বড় বউ।আমি হেসে বললাম আচ্ছা ঠিক আছে।
,
,
তখন আমাকে অভ্র বলতে শুরু করে আসলে ভাইয়া আমাদের সবার বড়।কিন্তু ভাইয়ার,,,,,,,,,,
......চলবে....... এই রকম আরো গল্প পেতে আমাদের গ্রুপে যোগ দিয়ে এবং পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন ধন্যবাদ ।
15/12/2020
বিজয় দিবসের অগ্রিম শুভেচ্ছা
29/11/2020
দিন😊 দিন সবার ⛔বিরক্তির
৷৷ 😭 কারন হচ্ছি
প্রমিস একদিন হারিয়ে
৷৷ 😭😭যাব 😭😭😭
যেখানে গেলে আর
❤️ কখনো ফিরে❤️
😭😭আসবো না😭
♈
বিদায় নিতে চাই
এই অভিনয়ের
শহর থেকে
14/11/2020
Click here to claim your Sponsored Listing.