15/06/2026
মা মা/রা গেছেন, আর ৩ বছর বয়সী ছোট্ট শিশু অকেয়া এখনো বুঝতে পারেনি যে তার মা আর কখনো ফিরে আসবে না। মায়ের জন্য তার আকুলতা প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে। এক নজর মাকে দেখার আশায় সে বারবার ছুটে যাচ্ছে ক‘ব‘রে‘র কাছে। ছোট্ট হাত দিয়ে ক‘ব‘রে‘র মাটি খুঁড়ে মাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে সে।😌
স্বজনরা জানান, অকেয়ার মা মিতু মা/রা যাওয়ার পর দৌলতখানে তাদের পারিবারিক ক‘ব‘রস্থানে তাকে দা‘ফ‘ন করা হয়। কিন্তু ছোট্ট শিশুটি এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না যে তার মা আর পৃথিবীতে নেই। প্রতিদিন সে ক‘ব‘রের কাছে গিয়ে মাকে ডাকতে থাকে। কখনো ক‘ব‘রের মাটি সরিয়ে মাকে বের করে আনারও চেষ্টা করে।😭
অকেয়ার পরিবারের একজন সদস্য বলেন, "আহ্বানের পরে সে কবর খুঁড়তে খুঁড়তে এই পর্যন্ত ক‘ব‘র খুঁড়েছে। সে কোথাও যেত না। শুধু বলত, ওর আম্মুর কাছেই যাবে। অনেক বোঝানোর পরে সে যেত, গেলেও কান্না করত। এখন সে আর কিছুই বোঝে না, মা ছাড়া আর কিছুই বোঝে না।"
এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখে নিহত মিতুর বাবা-মা বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। যৌ‘তু‘কের কারণে গত ৪ জুন মিতুকে তার স্বামী, শাশুড়ি ও ননদ মিলে হ/ত্যা করেছে।
ভোলা শহরের উকিলপাড়ার ক‘ব‘রস্থান মাদ্রাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে সুমায়া আক্তার মিতুর ম*র*দে‘হ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় মিতুর স্বামী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তাসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকেই আসামিরা সবাই আত্মগোপনে রয়েছে।
একজন মায়ের অনুপস্থিতি একটি শিশুর জীবনে কত বড় শূন্যতা তৈরি করতে পারে, ছোট্ট অকেয়ার আচরণ যেন তারই প্রতিচ্ছবি। মায়ের জন্য তার অপেক্ষা যে কোনোদিন শেষ হবে না—ছোট্ট এই শিশুকে তা কে বোঝাবে?
হৃদয়বিদারক এই ঘটনাটি ঘটেছে ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে। পারিবারিক ক‘ব‘রস্থানে মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে অকেয়ার অসহায় চাহনি আর মাটি খোঁড়ার দৃশ্য দেখে উপস্থিত মানুষের চোখেও পানি চলে আসে।😢😢
15/06/2026
স্বর্ণার মা রিনা বেগম কান্না বিজড়িত কণ্ঠে বলেন আমি স্বর্ণার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। তখন স্বর্ণা আমার কোলে মাথা রেখে শুয়ে বলে, ‘মা, এখানে আমার ভালো লাগে না। আমারে ১০ হাজার টাকা দিবা? আমি তোমার জামাইরে নিয়া ঢাকা যামু। কারণ জানতে চাইলে স্বর্ণা বলে ‘মা, তোমার কাছে বলতে আমার লজ্জা লাগে তবুও বলছি, আমার শাশুড়ি আর আমার ননদের জামাই অবৈধ সম্পর্ক করে। আমি দুই-তিন দিন দেখছি।
এ কথা বলার সময় ওই গৃহবধূর শাশুড়ি তা শুনে ফেলেন। পরের দিন ওর শাশুড়ি আমাকে জোর করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এর কিছুক্ষণ পরই শুনি আমার মেয়ে নাকি গলায় ফাঁ/স দিয়েছে।
আশপাশের লোকজন বলছে, তারা কেউ ওরে গলায় ফাঁ//স লাগা অবস্থায় দেখে নাই। আমার মাইয়াটারে ওরা শাশুড়ি-জামাই মিলে মাইরা ফালাইছে আমার এত আদরের একটা মাত্র মেয়েটা এইভাবে চইলা গেল এভাবে ওরে মাইরা ফালাইলো। প্রশাসনের কাছে আমি এর বিচার চাই।
শাশুড়ি মুনজুমার স্বামী ঢাকায় ও মেয়ে মারুফা প্রবাসে থাকার সুযোগে জামাই ও শাশুড়ির মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বিষয়টি জেনে ফেলায় গৃহবধূ স্বর্ণাকে নি'র্ম'ম'ভাবে হ/ত্যা করল পা'ষ'ন্ড শাশুড়ি ও মেয়ের জামাই।
স্বর্ণার বাবা কান্না বিজড়িত কণ্ঠে বলেন আমি লোকজনের কাছে হাত পেতে চান্দা উঠাইয়া আমার মাইয়াটারে বিয়া দিছিলাম। কে জানতো এমন করে ওরা আমার মাইয়াটারে মাইরা ফালাইবে? আমার অনেক কষ্টের মাইয়া। ওরে সবসময় পর্দায় রাখছি, ওরা এইভাবে ওরে মাইরা ফালাইলো, মানতে পারি না।
আচ্ছা, গরিবের জন্য কি কোনো বিচার নাই? ওরা শাশুড়ি-জামাই কীভাবে পালিয়ে যায়? আমি ওদের বিচার চাই। ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর বড়বিঘাই ইউনিয়নের পশুরীবুনিয়া গ্রামে।
15/06/2026
খুলনায় মসজিদে ফজরের নামাজরত অবস্থায় লোকমান নামের এক ব্যক্তিকে গু*লি, আশঙ্কজনক অবস্থায় ঢাকা প্রেরন....
ঘটনাটি আজ দৌলতপুর ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জামে মসজিদে ফজরের নামাজের সময় ঘটেছে। গু*লির পর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়... 😢
15/06/2026
১৪.০৬.২৬ তারিখে ঢাকায় একটি বাসের বি*ব্র*ত*কর ঘটনা।😥
বাংলাদেশে কিছু হি’জ’ড়া’দের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে গণপরিবহন, ফেরিঘাট ও জনসমাগমস্থলে জো-র-পূ-র্ব-ক টাকা আদায়, টাকা না দিলে যাত্রীদের অ”স্বস্তিকর বা বি”ব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা এবং ভ-য়ভীতি দেখানোর মতো আচরণের অভিযোগ শোনা যায়।
এসব ঘটনার কারণে অনেক সাধারণ মানুষ দু/র্ভোগে পড়ে এবং জনপরিসরে এক ধরনের অ”স্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়। কিছু ক্ষেত্রে চাঁ-দা-বা-জি বা সংঘবদ্ধভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগও সামনে এসেছে, যদিও প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে আইনগত তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
যদি আপনার সাথে ভদ্র আচরণ করে তাহলে আপনিও ভদ্র আচরণ করবেন। আর যদি দেখেন কাপড়ে হাত দেওয়া শুরু করছে বা কাপড় তোলা শুরু করছে তাহলে আপাতত মা/ই/র ছাড়া অন্য কিছু দিয়েন না।
আপনি ভাবতে পারবেন আপনার আত্মীয়-স্বজন হক বা আপনার ছোট ছেলে মেয়ের সামনে যদি এরকম অবস্থা হয় তাহলে আপনার সম্মান টা কোথায় থাকবে সেজন্য এদেরকে শক্ত হাতে প্র-তি-হত করুন। বাংলাদেশ সরকারের উচিত এদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার।
বাসে যদি এমন কিছু হয় আপনার সাথে তাহলে প্রথমে হি’জ’ড়া’টাকে প্র-তি-হত করুন এবং তারপরে বাসের যে সুপারভাইজার থাকবে তাকে একটু উ”ত্ত”ম মধ্যম দেবেন কারণ ও ওর বাসে এদেরকে প্রবেশ করতে দেয়। আপনারা যদি শক্ত না হোন এরকম অবস্থা সারা জীবনে থেকে যাবে।
বিষয়টা শেয়ার করবেন এবং অন্যদেরকেও সচেতন করুন।
15/06/2026
বন্ধুদের সঙ্গে বা*জি ধরে বান্ধবীকে ৩ ঘণ্টা দলবদ্ধ ধ/র্ষ/ণ…
ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে প্রথমে ডেকে আনা হলো বান্ধবী সামিয়াকে এরপর সেখানে ডাকা হয় আরও দুই তরুণকে কিশোরী সামিয়া হয়তো ভেবেছিল, বেস্ট ফ্রেন্ডের কাছে সে পুরোপুরি নিরাপদ। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন বদলে গেল সবকিছু। বন্ধু প্রথমে সামিয়াকে নিয়ে যায় বাবার গোডাউনে এরপর সেখানে ঢুকে পড়ে বাকি দুই বন্ধু কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই শুরু হয় গণধ/ র্ষ/ ণ একবার-দুবার নয়, তিন বন্ধু মিলে টানা তিন ঘণ্টা ধরে ওই তরুণীকে করে গ*ণ*ধ/ র্ষ/ ণ। এক পর্যায়ে সরে যেতে চাইলে সামিয়া গোসল করিয়ে আবারও করা হয় ধ/ র্ষ/ ণ..
ভুক্তভোগী সামিয়া কা•ন্না জড়িত কণ্ঠে বলেন তামিম আমার বেস্ট ফ্রেন্ড।ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে তামিম আমাকে সঙ্গে নিয়ে যায়। পরে একটি নির্জন গোডাউনে নিয়ে গিয়ে আমাকে ভ*য়*ভী*তি দেখানো হয়। সেখানে ধা/রা/লো অ/স্ত্রের মুখে আমাকে জোরপূর্বক ধ/ র্ষ/ ণ করা হয়।
ভুক্তভোগীর বাবা বলেন জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে মেয়ে আমার কাছে থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে বের হয়। পরে ফোনে জানায় সে বান্ধবীর বাসায় থাকবে। গভীর রাতে পুলিশ ফোন করে জানায়, তার মেয়েকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান।
পুলিশ জানায়, গভীর রাতে কালীতলা বাজার এলাকায় টহলের সময় একটি মোটরসাইকেলের সন্দেহজনক চলাচল নজরে আসে। অভিযান চালিয়ে একটি গোডাউন থেকে মু* মূ* র্ষু অবস্থায় কিশোরীকে উদ্ধার করা হয় এবং তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁয়ে কলাতলী বাজার এলাকায়।
15/06/2026
মা-বাবা কেউ নেই, এই বিশাল ও নিষ্ঠুর পৃথিবীতে ওরা দুজনই এখন একে অপরের একমাত্র আশ্রয়, একমাত্র পরিবার। রোদ- বৃষ্টি মাথায় নিয়ে এভাবেই ফুটপাতে কেটে যায় ওদের দিন-রাত।
কেউ দয়া করে দিলে দুটো মুখে অন্ন জোটে, আর না দিলে বুকভরা ক্ষুধা নিয়েই ঘুমিয়ে পড়তে হয় খোলা আকাশের নিচে। নিজের পেটে খিদে নিয়ে, নিজের মুখের শেষ গ্রাসটুকু ছোট বোনটার মুখে তুলে দেওয়ার এই যে আকুলতা-তা কেবল কোনো বড় বোনের পক্ষেই সম্ভব। এই নিষ্পাপ মুখগুলোর দিকে তাকালে বুকটা ভেঙে যায়। আমাদের সামান্য একটু সহানুভূতি আর বাড়িয়ে দেওয়া হাত হয়তো বদলে দিতে পারে ওদের এই কষ্টের জীবন। আসুন, অবহেলা না করে যার যার সাধ্যমতো এই অসহায় প্রাণগুলোর পাশে দাঁড়াই। মানবতা বেঁচে থাকুক আমাদের হাত ধরে। জানিনা এদের ভাগ্য কোনোদিন বদলাবে কিনা!
14/06/2026
সব সময় শুধু শাশুড়িরাই খা,রা,প হয় না
অনেক সময় বউরা অনেক খা,রা,প হয়ে থাকে হায়রে বউ হা-য়রে মানুষ! ছেলে আবার পা-ড়ি জ-মানোর পরদিনই বৃ-দ্ধা মাকে ঘর থেকে বে-র করে দিয়েছেন পুত্রবধূ, ভা-ঙা গলায় কথাগুলো যখন ৯৬ বছরের এক মা বলেন, তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজেদের মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতেও ল-জ্জা হয়!
১০ মাস গ-র্ভে ধা-রণ করা, নিজের র-ক্ত পানি করে বড় করা সন্তানের আলিশান নতুন বিল্ডিংয়েও ঠাঁ-ই হলো না ৯৬ বছর বয়সী বৃ-দ্ধা মা ছামেনা খাতুনের!
যে ছেলে (ফয়েজ আহমেদ) ২০০৬ সাল থেকে সৌদি আরবে থেকে মাথার ঘা-ম পায়ে ফে-লে টাকা উপার্জন করেছেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে এসে নতুন চকচকে বিল্ডিং বানিয়েছেন—সেই ছেলের ঘরেই আজ তার জ-ন্মদা-ত্রী মায়ের জায়গা নেই। গত ৪ মে ছেলে আবার প্রবাসে পা-ড়ি জ-মানোর পরদিনই, গ-ভীর রা-তে বৃ-দ্ধা মায়ের সামা-ন্য মালপত্রসহ তাকে ঘর থেকে বে-র করে দিয়েছেন পুত্রবধূ রুমা বেগম।
২০০৮ সালে স্বামী আবদুল হকের মৃ*ত্যুর পর থেকেই ছামেনা খাতুনের ক/ষ্টের শুরু। ২০১১ সালে ছেলে তাকে পাঠিয়ে দেয় বোন রোকেয়া বেগমের কাছে। রোকেয়া বেগম নিজেও একজন স্বামীহা/রা অসহা-য় নারী। দুই সন্তান নিয়ে নিজের অভা-বের সংসার, থাকার ঘরটিও জ-রাজী-র্ণ। কিন্তু ভাইয়ের মতো কোটি টাকার বিল্ডিং না থাকলেও, এই মেয়ের বুকে মায়ের জন্য বিশা-ল জায়গা আছে। নিজেরা ক/ষ্ট করেও গত ১৫ বছর ধরে মায়ের মুখে অন্ন তুলে দিচ্ছেন এই মেয়ে।
গ্রামবাসীর অনুরো-ধে ছেলে এবার দেশে এসে মাকে নিজের নতুন ঘরে তুলেছিলেন ঠিকই, কিন্তু প্রবাসের বিমান ধরার পরদিনই মায়ের কপা-লে জু-টলো ঘরছা-ড়া হওয়ার অপ-মা-ন। অথচ সাংবাদিকের ফোন পেয়ে অ-পরা-ধী পুত্রবধূ কথা না বলে ফোন কে-টে দেন!
ইউপি চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বা-স দিয়েছেন। আমরা আশা করি প্রশা-সন দ্রু-ত এই বৃ-দ্ধা মায়ের অধি-কার এবং ভর-ণপো-ষণ নি-শ্চিত করবে।
কিন্তু প্রশা-সনের চেয়েও বড় প্রশ্ন আমাদের বিবে-কের কাছে— আমরা কোন সমাজে বাস করছি? যে মা নিজের জী-বন বি-লিয়ে সন্তানকে মানুষ করলেন, সেই সন্তানের রাজপ্রাসাদে মায়ের জন্য কয়েক ফুট জায়গা হয় না? এই কি আমাদের শিক্ষা? এই কি আমাদের মা-ন-বিকতা?
আল্লাহ্ আমাদের হেদা-য়েত দিন, আর ছামেনা খাতুনের মতো সব মায়েদের এই নি/ষ্ঠুর পৃথিবী থেকে র-ক্ষা করুন। 🤲
#সচেতনতা #মা #মানবিক #অবেগী
14/06/2026
১২ বছরের শি"শুকে নিয়মিত ধ-র্ষ-ণ করে গেছেন পুলিশ অফিসার নিজেই! কী সাংঘা-তিক ব্যাপার ভাবা যায়! শি"শুটির মা ও ভাই দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীর হাতিয়ার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে ওই শি"শুরও তদন্ত কেন্দ্রে যাতায়াত ছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে‚ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শি"শুটিকে বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডেকে নিতেন। তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ডাকলে যেতে তো বাধ্যই। সেখানে ভ-য়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধ-র্ষ-ণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। শুধু তাই না‚ ঘটনাগুলো কাউকে না জানানোর জন্য পুলিশ কর্মকর্তা শি"শুটিকে হু-মকি দিতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সময় টাকা দেয়ার প্রলোভনও দেখানো হতো বলে দাবি করা হয়েছে। অসহায় পরিবার নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এতদিন কাউকে জানায়নি।
এই স্ট্যাটাস দেয়া পর্যন্ত জানা যায়‚ অভিযুক্ত তদন্ত ইনচার্জকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং ঘটনা তদন্ত করা হবে বলে স্থানীয় ওসির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
ভাবুন তো‚ যাদের কাছে মানুষ নিরাপত্তা চাইবে-বিচার চাইবে। তারাই যদি “রক্ষকই ভক্ষক” হয়‚ তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়! চ্যানেল-২৪ এর এই প্রতিবেদন দেখে রীতিমতো আমি স্তব্ধ।
14/06/2026
ভদ্রমহিলা একজন ডাক্তার‚ সে রোগীর স্বজনকে নিজ রুমে নিয়ে মা-রধর করেছে! সহকারী সার্জন ডা. ইসরাত জাহান মৌ এর নি-র্যাতনে শিকার এই ব্যক্তি ফেসবুক লাইভে এসে কান্নারত অবস্থায় ঘটনার বর্ণনা দিছে। ভিকটিমের ভাষ্যমতে‚ সে কিশোরগঞ্জ সদর হসপিটালে নিজের নবাজাতক সন্তান ও স্ত্রীর জন্য ডাক্তার দেখাতে গেলে‚ দির্ঘ লাইন হওয়া সত্বেও কোনো রোগীকে গুরুত্ব দিচ্ছে না দায়িত্বরত ডাক্তার-কর্মচারীরা। অনেকে সকাল ১০টা বেজে গেলেও হসপিটালেই উপস্থিত হয়নি। সে এগুলো অনিয়ম ভিডিও করছিল। এটা যখন এই ডাক্তার শুনে‚ তখনি এই ছেলেকে রুমে ডেকে নিয়ে ভিডিও কেন করল তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে নাকি ক্ষি-প্ত হয়ে তাকে মা-রপিঠ করে।
এই ঘটনার পরে‚ অভিযুক্ত ডাক্তারের সাক্ষাৎকার দেখলাম। আমার কেন জানি ওনার কথা সুবিধার মনে হয়নি। কয়েকটা চ্যানেলে ভিডিওর নিচে ৯০% মন্তব্য তার বিপক্ষে। ভোক্তাভোগীদের নানান অভিযোগ। শুধু এই ঘটনা না। দেখে থাকবেন‚ দেশের প্রায় সরকারি হসপিটাল গুলোতে ডাক্তার-কর্মচারীদের ভাব যেন মাটিতে পড়ে না। ওনাদের কথা শুনলে মনে হয়‚ রোগীকে তারা নিজের বাবার টাকায় চিকিৎসা দিচ্ছে। সব মিলিয়ে সরকারি হসপিটালের ডাক্তার-কর্মচারীদের চরিত্র সবারই মোটামোটি জানা আছে। আমাদের টেক্সের টাকায় তাদের বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে‚ চিকিৎসা সামগ্রীও আমাদের টেক্সের টাকাতেই তারপরও এদের নানান টালবাহানা দেখতে হয়‚ এটা তো ঠিক না। এদের থামানোটা এখন সময়ের দাবি।
14/06/2026
পাওনা টাকা ফেরত চাওয়াই মধ্যযুগীয় কায়দায় মৌলি বেগমকে বেধড়ক পি'টিয়ে চুল কেটে দিয়ে, মুখে আলকাতরা কালি মাখিয়ে, গলায় জুতার মালা পরিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
ভুক্তভোগী মৌলি বলেন, প্রতিবেশী দেলোয়ার কোটারীর পরিবারের কাছ থেকে পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে পরিকল্পিতভাবে তাকে মারধর করা হয়। মাথার চুল কেটে, মুখে কালি মেখে এবং গলায় জুতার মালা পরিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
ভুক্তভোগী নারী মৌলি কান্নাজড়িত কণ্ঠে আরও বলেন রাস্তার উপরে ফেলে আমাকে ইচ্ছামতো হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়েছে। পিটাতে পিটাতে লাঠি ভেঙে গেছে, তারপরও তারা পেটানো থামায়নি। পরে আমি বাধ্য হয়ে ওই জায়গা থেকে উঠে দৌড়ে একটি বাসার ভিতরে গিয়ে ঢুকেছিলাম। সেই বাসা থেকেও আমাকে টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে আসে। আমি ট্রিপল নাইনে ফোন দিয়েছিলাম, কিন্তু সেই ফোনও আমার হাত থেকে নিয়ে গেছে।
এই মহিলা যদি কোনো অপরাধ করে থাকেন, সেটার জন্য আইন আছে, আদালত আছে। আদালতই বিচার করবে। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের সবাইকে অতিদ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।
ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর পালং এলাকায়। ভুক্তভোগী মৌলি বেগম লিবিয়া প্রবাসী টুটুল সরদারের স্ত্রী।