বাংলাদেশ মিমস মন্ত্রণালয়

বাংলাদেশ মিমস মন্ত্রণালয়

Share

বাংলাদেশের একমাত্র স্বাধীন মন্ত্রণালয়।

27/06/2026

বিশেষজ্ঞরা এমনটাই মনে করেন...

27/06/2026

বুঝতে পারছি না আছিটা কোথায় বাংলাদেশ নাকি সৌদিআরব? তার ওপর আবার কারেন্ট নাই।

27/06/2026

না হলে অক্সফোর্ড ইউনিয়নের পেজ ভাড়া করে নিজেদের ছবি পোস্ট দিলো শিবির ও এনসিপি।

26/06/2026

এখন একটু সাধু সাজছে মাত্র।

26/06/2026

১৮ই অক্টোবর, ২০১৬ সাল।

দিনাজপুরে সমবয়সী বান্ধবীর সাথে খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান ০৫ বছর বয়সী একজন মেয়ে শিশু। সন্তানকে সন্ধান করতে করতে হয়রান মেয়েটির বাবা-মা পরদিন নিজেদের বাসার কাছে মেয়েকে খুঁজে পান। ০১ রাতের মাঝে সুস্থ শিশুটির অবস্থা তখন সংকটাপন্ন। ছোট্ট শিশুটির স্পর্শকাতর অঙ্গ, মাথা, গলা, হাত ও পায়ে দৃশ্যমান তখন ধারালো অস্ত্রের নৃশংস আঘাতের চিহ্ন। নারকীয় ঘটনাটি সংঘটিত হওয়ার পর Bangladesh Police তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলাম নামের প্রতিবেশীকে দোষী হিসাবে ধরতে সমর্থ হয়।

অতঃপর শুরু হয় দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক বিচার প্রক্রিয়া। পাশবিক নির্যাতনের ভয়ানক আঘাতে শিশুটির প্রজনন অঙ্গ তখন ধুঁকছে। নিজ প্রস্রাবের ওপর তিনি তখন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন। প্রস্রাব তাঁর সার্বক্ষণিক ঝরতে থাকে। এরকম অবস্থা নিয়ে শিশুটিকে ঘন্টার পর ঘন্টা বিচারের জন্য আদালতে বসে থাকতে হতো। অতঃপর ০৬ বছর চেষ্টার পর আদালত থেকে পাষণ্ড আসামিটিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হলো।

কিন্তু, এখানেই ঘটনা শেষ হয়ে যায়নি। তারপর কি হয়েছে, তা জানতে আমাদের চলে আসতে হবে গেলো ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের ২৮ তারিখে। সেদিন হাই-কোর্টে এক ভয়ঙ্কর কাণ্ড সংঘটিত হয়। দীর্ঘসময় কারাগারে থাকবার অজুহাত দেখিয়ে হাই-কোর্ট আসামি সাইফুলকে সেদিন আচমকা জামিন মঞ্জুর করে বসে।

ধর্ষণ মামলার 'Convicted' আসামি সাইফুল সেদিন অসহায় মেয়েটির বাবার চোখের সামনে দিয়ে মাইক্রোতে করে বাড়িতে ফেরত যায়। মেয়েটির বাবা বলেন - "আমার বাসার কাছেই বাসা। চোখের সামনে সে ঘুরে বেড়ায়। আর আমার মেয়ে, মেয়ের মা ঘর থেকে কম বের হয়। মেয়েটা চুপ হয়ে গেছে। মনটা ভারী করে থাকে।"

এখন চিন্তা করুন, এই আসামিকে মুক্তি দেওয়া হলো। ওদিকে, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ওপর আক্রমণের মামলায় নাঈম আহমাদ আরিফ নামের একজনকে এত বছর পর মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো৷ যেখানে তিনি যদি এমনকি অপরাধটি সংঘটিত করেও থাকতেন (সাধারণ জনতার চিন্তাধারা অনুযায়ী তিনি অপরাধটি করেননি), তবুও তিনি ইতিমধ্যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সমতূল্য সময় তো জেলেই অতিবাহিত করে ফেলেছেন, কোনো সরাসরি রায় ছাড়াই। এরপর এই মানুষটাকে ফাঁসি দেওয়া কতখানি মানবিক হবে!

আমি এখানে তিনি অপরাধী কিনা সেই প্রশ্নে যাব না৷ আমার কথা হলো, এমন ভয়াল অপরাধী, যে একটি ছোট্ট নিষ্পাপ শিশুকে ধর্ষণ শুধু নয়, ধর্ষণের সময় ধারালো অস্ত্র দ্বারা প্রজনন অঙ্গে কাঁটা-ছেড়ার মতো নারকীয়তার পর স্রেফ দীর্ঘদিন কারাগারে থাকবার কারণ দেখিয়ে রায়ের পরও জামিন পেতে পারে, সেখানে এই মানুষটির অপরাধটি কি তার থেকেও ভয়াবহ! আমি ধরে নিচ্ছি অপরাধটি তিনি করেছিলেন। তারপরেও, যদি ঐ ধর্ষক মৃত্যুদণ্ড না পায়, তাহলে এই মানুষটার মৃত্যুদণ্ড এত সুদীর্ঘকাল কারাগারে থাকার পর হওয়াটা কিভাবে মানবতার পরিচয় হতে পারে! এখানে মানবতার বড় শত্রু কে!

মানুষ পরবর্তীতে এই ধর্ষককে নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু করলে Rapid Action Battalion (RAB) অনেক চেষ্টার পর পলাতক অবস্থা হতে একে আবার আটক করে। পরে আদালত পুনরায় ওকে জেলে পুরে দেয়।

ধন্যবাদ।
©Revan M

25/06/2026

এর ভবিষ্যত কী?

25/06/2026

Photo : khaled bhi (পিএমের সিনিয়র পোঁদগ্রাফার)

25/06/2026

আমার লাভ লস নাই, আমার লাইফটাই লস

24/06/2026

চাঁদপুর ভায়া

23/06/2026

প্রধানমন্ত্রী কি তার অনুরোধ রাখবেন?

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka