03/09/2026
যারা এখনো প্রশ্ন করেন বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে আসলেই কোনো fan culture বা ultras culture আছে কিনা, তাদের জন্য আমাদের কিছু tifo হয়তো একটা ছোট্ট উত্তর হতে পারে।
নিজেদের দলকে সমর্থন করতে আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন ফুটবল মাঠে গিয়েছি। গ্যালারিতে শুধু দলকে সমর্থন করাই নয়, আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের কালচার, সিনেমা,সাহিত্য, ইতিহাস, মানবতা এবং আরও অনেক গল্পকে তুলে ধরতে। আর হ্যাঁ, প্রতিপক্ষকে নিয়ে একটু আধটু banter তো করেছি সব সময়!
আমাদের কাছে এটা শুধু ৯০ মিনিটের ফুটবল নয়। এটা একটা journey। মাঠে যাওয়া, একসাথে দাঁড়ানো, দলকে সমর্থন করা এবং গ্যালারিতে নিজেদের মতো করে কিছু তৈরি করার চেষ্টা।
এই journey তে আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন আপনিও। বাংলাদেশের লোকাল ফুটবলের দিকে আমাদের আরও attention দরকার, আরও মানুষ দরকার, আরও কণ্ঠ দরকার।
31/08/2026
Best wishes to our young U-20 Warriors!
30/08/2026
পোস্ট দিলাম লিগ কমিটির বিরুদ্ধে। কিন্তু গায়ে লেগেছে একটা নির্দিষ্ট ক্লাবের ভাড়াটে কামলাদের। প্রায় প্রতিটা ক্লাব এবং এই ফুটবল লিগ ফলো করা প্রতিটি ভক্ত সমর্থকদের অভিযোগ এই লিগ কমিটি নিয়ে। তাহলে একটা ক্লাবের সমর্থকরা কেনো দালালীতে ব্যাস্ত?? নিশ্চয়ই তারা সেই কমিটি এবং ক্লাব থেকে বিশেষ সুবিধাভোগী। নাহলে তো এই ব্যাপারে নিরপেক্ষ কারো প্রশ্ন থাকা উচিত না।
সাধারণত দেখা যায়, আমরা নিজেরাই সারাদিন নিজেদের ক্লাবের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সরব থাকি। এমন লোকদের নিয়ে প্রশ্ন তুলি যাদের ক্ষমতা আমাদের থেকে অনেক বেশি।
কিন্তু একটা ক্লাবের “রেজিস্টার্ড দালাল” হলে মনে হয় এগুলো করা যায় না৷ তাদের সব সময় মালিকের আকাম কুকাম সবকিছুর পক্ষে সাফাই গেয়ে যেতে হয়।
শেষে শুধু একটা কথা বলবো,
“তুমিও মানুষ, আমিও মানুষ,
তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায়।”
29/08/2026
Despite being from a rival club, Ahmed Shaaek bhai never hesitated to appreciate our dedication, passion, and creativity, especially our tifos and the work we put into supporting our club.
So, his success is something we would genuinely love to celebrate, not as rivals but as fellow Bangladeshis.
Congratulations to “বাইলজ মাওলানা” Ahmed Shaaek on this incredible achievement! Wishing you even greater success and many more milestones ahead.
29/08/2026
আরেকটি বাংলাদেশ ফুটবল লিগ মৌসুম শুরু হতে যাচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এতদিন ধরে লিগ কমিটি আসলে কী করেছে?
লিগ অনেক আগেই শুরু হওয়ার কথা ছিল। কয়েকটি ক্লাবের FIFA ban ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে পুরো ঘরোয়া মৌসুম পিছিয়ে দেওয়া হলো। লিগ পিছিয়েছে, অন্যান্য ঘরোয়া টুর্নামেন্টের সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে, ক্লাবগুলোকে তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বসুন্ধরা কিংসের বিপুল সংখ্যক FIFA ban সমাধানের জন্যও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা হয়েছে।
কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে লিগ কমিটি কী প্রস্তুতি নিয়েছে?
মাঠের উন্নয়ন হয়নি। ঘাসের মান উন্নত হয়নি। মাঠগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন নেই। অথচ লিগ শুরু হওয়ার এত কাছাকাছি সময়েও ক্লাব গুলো জানে না তাদের হোম ভেন্যু কোনটি। এতদিন সময় নেওয়ার পরও যদি মৌলিক বিষয়গুলো ঠিক না করা যায়, তাহলে এই সময়টা কোথায় গেল?
এখন আবার হঠাৎ করেই তাড়াহুড়া করে লিগ শুরু করার প্রস্তুতি। কিন্তু প্রস্তুতি কোথায়? মাঠ প্রস্তুত নয়, ভেন্যু অনিশ্চিত, প্রশাসনিক অনেক বিষয় এখনো পরিষ্কার নয়। এমনকি এখনো একটি ক্লাবের FIFA ban থাকার বিষয়টিও রয়েছে।
সবচেয়ে হতাশার বিষয়, এগুলো নতুন সমস্যা নয়। গত মৌসুমেও মাঠের মান নিয়ে সমালোচনা ছিল, ব্রডকাস্টিং নিয়ে সমালোচনা ছিল, আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তার আগের মৌসুমেও একই চিত্র।
তবুও কোনো কার্যকর পরিবর্তন নেই।
আর এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ইমরুল হাসানকে নিয়ে। তিনি একই সঙ্গে বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি এবং লিগ কমিটির চেয়ারম্যান। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে, দীর্ঘ সময় ধরে লিগ পিছিয়ে যাওয়ার পরও কেন পুরো লিগের প্রস্তুতিতে কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হলো না?
একটি ক্লাবের সমস্যার জন্য পুরো ঘরোয়া মৌসুম অপেক্ষা করতে পারে না। লিগ কমিটির দায়িত্ব কোনো নির্দিষ্ট ক্লাবের জন্য নয়, পুরো দেশের ক্লাব ফুটবলের জন্য।তবুও তিনি তার ক্ষমতা দিয়ে লিগ থামিয়ে রাখলেন।যে লোক নিজের ক্লাব চালাতে পারে না ঠিক ভাবে৷ বেহায়ার মতো ১৪টা ব্যান খায় তার ক্লাব। এমন একটা ভাদাইম্মা লোক কিভাবে দেশের লিগ চালাবে?
প্রতি বছর বলা হয় লিগের মান উন্নত হবে। কিন্তু বাস্তবতা একই। মাঠ খারাপ, ব্রডকাস্টিং খারাপ, পরিকল্পনার অভাব এবং শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত।
এত ব্যর্থতার পরও একই কমিটি, একই চেয়ারম্যান এবং একই পদ্ধতি রেখে দিলে ফলাফল কীভাবে বদলাবে?
সময় অনেক নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই সময়ের ব্যবহার কোথায় হয়েছে, তার উত্তর এখন ফুটবলপ্রেমীরা জানতে চায়।
বাংলাদেশের ফুটবলের সবচেয়ে বড় সমস্যা শুধু অবকাঠামোর অভাব নয়, সমস্যা হলো পরিকল্পনার অভাব এবং ব্যর্থতার কোনো জবাবদিহিতা না থাকা। এবং ইমরুলের মতো ভাদাইম্মারা বড় জায়গায় বসে থাকা।
কথা অনেক হয়েছে। এবার জবাব চাই জনাব ইমরুল।
28/08/2026
এবার লীগ শুরু হবে গাইছ...!!