¶¶কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স¶¶

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ¶¶কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স¶¶

¶¶কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স¶¶ Official Cricket fans page. Here You Can Get All EXCLUSIVE News, Update,
Information, Live Score Of. Official fan page Cricket live and news.

সাগর–রুনি হত্যা মামলার সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁদের বাসার কেয়ারটেকার এনামুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর তার কাছ থেকে স্বী...
08/09/2026

সাগর–রুনি হত্যা মামলার সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁদের বাসার কেয়ারটেকার এনামুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য তাকে নিয়মিত শক দেয়া হয় এবং নির্যাতন করা হয়। এখন সে এনামুল পাগল। তার আর কিছু মনে নেই। ১৪টি বছর কেটে গেছে—কিন্তু কারাগারের দরজা আর তার জন্য খোলেনি।

এখন সাগর–রুনির হত্যায় গঠিত নতুন টাস্কফোর্স বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এনামুলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই; তাঁকে মুক্তি দেওয়া হোক। ১৪ বছর জেলে কাটিয়ে একজনকে পাগল বানিয়ে দেয়ার পর বলা হচ্ছে তাকে যেন ছেড়ে দেয়া হয়। তিনি নির্দোষ !! ওয়াট এ ফাকিং জোক !

কিন্তু প্রশ্ন হলো—এত দিন পর মুক্তি পেয়ে এনামুল কোথায় ফিরবে? কী নিয়ে বাঁচবে? তার হারিয়ে যাওয়া ১৪টি বছর কে ফিরিয়ে দেবে? তার ধ্বংস হয়ে যাওয়া জীবনের দায় কে নেবে?

যে মানুষটি কারাগারে ঢুকেছিল, সে কি আজও বেঁচে আছে? নাকি আমরা শুধু একটি জীবন্ত লাশকে মুক্তি দেওয়ার কথা বলছি?

তার চেয়ে এই জীবন্ত লাশটিকে কবর দিয়ে দিলেই কি রাষ্ট্রের দায় শেষ হয়ে যায় না?

আমরা এমন একটি রাষ্ট্র বানিয়েছি, যেখানে ন্যায়বিচার পেতে পেতে মানুষের জীবন ফুরিয়ে যায়; যেখানে দুর্বলকে সবলরা নির্যাতন করে, তার পাশে কেউ থাকে না।

এমন একটি রাষ্ট্রকে কি আদৌ কখনো মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব?

বাংলাদেশ দুর্বলদের জন্য কত বড় একটা জাহান্নাম সেটা বুঝতে একবার কোর্টগুলো থেকে ঘুরে আসবেন। এদেশের কোর্টের বারান্দাগুলোই বাংলাদেশ।
Copy post

04/09/2026

আল্লাহ ছাড় দেন, কাউকে ছেড়ে দেন না?
আয়না ঘরের কারিগর শেষ পরিনতির জন্য অপেক্ষা করতেছে!!

04/09/2026

প্রথম বারের মতো হাতকড়া লাগিয়ে আদালতে আনার পর খুনী জিয়াউল আহসানের চোখে-মুখে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ার আভাস স্পষ্ট হয়ে ধরা পড়েছে!

দুই বছর আগে গ্রেপ্তারের পরপর তার চোখে- মুখে যে তাচ্ছিল্যর হাসি ছিল , অবশেষে একের পর এক সাক্ষীর বক্তব‍্য শুনে নিজের
শেষ পরিণতি সম্পর্কে তার ধারণা স্পষ্ট হয়ে গেছে!
দৃষ্টি নরম হয়ে গেছে;
মাথা ঝুঁকেছে মাটির দিকে;
কপালেও ভাঁজ পড়েছে;
মুখের অভিব্যক্তি গুরুগম্ভীর ও হতাশাপূর্ণ!

এই অপ/রাধী হয়ত বুঝতে পেরেছে যারা তাকে ফ্রাঙ্কেস্টাইন বানিয়েছে-তারাই এখন লেজ তুলে দৌড়ের ওপর।

তাকে রক্ষা করতে কেউ আসবে না!

ইতোমধ্যে যে কয়জন সাক্ষ‍্য দিয়েছেন তাতে বিশ্বের শীর্ষ সিরি/য়া/ল, কি/লা/রদের তালিকায় তার নাম নির্দিষ্ট হয়ে গেছে।

কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হলো, হেসে-খেলে শত শত মানুষ হত্যাকারী এই খু/নী আজ আদালতে আজ বায়না ধরেছে- “হাতকড়া, বুলেট প্রুফ জ্যাকেট আর হেলমেট সে পড়তে চায়না।”

প্রথম বারের মতো হাতকড়া লাগিয়ে আদালতে আনার পর এই খুনী আদালতের কাছে এসব থেকে অব্যাহতি চেয়েছে! সে আদালতে বলেছে, সেনাবাহিনীতে নাকি প্রশিক্ষণের সময় সে কোমর ও ঘাড়ে ব্যথা পেয়েছিল।
তাই ‘কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আনার সময় হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট ও বুকে জ্যাকেট (ভেস্ট) পরানো থেকে অব্যাহতি চাই।’
আদালত ও নাকি হাতকড়া, হেলমেট থেকে অব্যাহতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছে !?

কিয়েক্টাবস্থা!
আপনারা কি মনে করেন? কি করা উচিত?

যুবক-যুবতীদের ভয়ংকর কিছু প্রশ্ন—১। আমি দীর্ঘদিন রিলেশনে ছিলাম; হাত ধরাধরি, কাঁধে-কাঁধ রেখে ঘুমানো, একসাথে অনেক জায়গায় ঘো...
03/09/2026

যুবক-যুবতীদের ভয়ংকর কিছু প্রশ্ন—

১। আমি দীর্ঘদিন রিলেশনে ছিলাম; হাত ধরাধরি, কাঁধে-কাঁধ রেখে ঘুমানো, একসাথে অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি, ১৮+ চ্যাটসহ বিভিন্ন ছবি আদান-প্রদান হয়েছে, তবে শারিরীক সম্পর্ক হয়নি। সে আমাকে বিয়ে করতে চায় না। এখন পারিবারিকভাবে অন্যত্র বিয়ে করলে করণীয় কি, শুধু তওবা করলেই হবে?

২। আমি রিলেশনে ছিলাম; আমাদের আলিঙ্গন হয়েছে, টুকিটাকি অনেককিছুই হয়েছে, তবে ফিজিক্যাল হয়নি। তার কাছে আমাদের একসাথে তোলা অনেক ছবি আছে। পরে কোথাও বিয়ে হলে সে যদি ব্লাক মেইল করে। যদিও তা সাধারণ একসাথে তোলা ছবি। আমি এখন কি করবো। আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?

৩। জীবনের ১ম প্রেম ছিলো, তাকে অনেক ভালোবাসতাম, অনেক ছবি মেমোরি হয়ে আছে দু’জনের ফোনে, অনেক বন্ধু-বান্ধব জানে আমাদের রিলেশনের কথা, বিভিন্ন পার্কে, রেস্তোরাঁতে গিয়েছি, শরীরের অনেক জায়গায় তার হাত আছে, তার শরীরের অনেক জায়গায় আমার হাত আছে(ব্যাড টাস)। কিন্তু শারীরিক সম্পর্ক হয়নি। কোনো এক কারণে সে আমাকে বিয়ে করতে চায় না। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি? আমি কি স্বামীর হক নষ্ট করে ফেলেছি?

৪। আমাদের অন-সাইডেড লাভ ছিলো। আমি তাকে আমার ভালোবাসার প্রমাণ দেওয়ার জন্য নিজের শরীর তাকে দিয়ে দিয়েছিলাম, এখন আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি। আমাকে পথ দেখালে কৃতজ্ঞ থাকবো।

৫। দীর্ঘদিন রিলেশনে ছিলাম। একে অন্যকে ভালোভাবে বুঝতাম। একসাথে ঘোরাঘুরি, আড্ডা দেওয়া, চুমু খাওয়া, হ্যান্ডশেক করা, শারীরিক সম্পর্ক সবই হয়েছে। এখন তার সাথে ব্রেকআপ হয়েছে। এখন অন্য কাওকে বিয়ে করলে তাকে কি পূর্বের বিষয় জানাতে হবে?

৬। আমি আমার ভাবির সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি অনেকবার। এখন আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। সামনে আমার বিয়ে। এখন আমি কি আমার স্ত্রীর হক নষ্ট করেছি, তার আমানতের খেয়ানত করেছি?

৭। আমি আমার বন্ধুর সাথে খোলামেলা চলেছি, হাত ধরা, একসাথে বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া-খাওয়া, ঘোরাঘুরি করা, আড্ডা দেওয়া, কোলাকুলি করা, তার বুকে মাথা রাখা এবং মাঝেমধ্যে হাতের মাধ্যমে কিছু গোনাহ হয়ে গিয়েছে। এখন আমি কি আমার স্বামীর হক নষ্ট করেছি?

৮। আমি দীর্ঘদিন আমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি। তার সাথে এখন আমার আর সম্পর্ক নেই। তার কাছে আমার অনেক ছবি+ভিডিও আছে। এখন আমার অন্য একজনের সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে। আমি তওবা করেছি। কিন্তু স্বামীর হক নষ্ট করেছি। আমি এটা ভেবে ভেবে মানুষিক রুগী হয়ে যাচ্ছি। আমাকে পথ দেখান প্লিজ।

৯। আমি পতিতালয়ে(বে*শ্যা*খানায়) যায়। বলতে পারেন বহুবার গিয়েছি। অনেক টাকা নষ্ট করেছি তাদের পেছনে। সামনে/পিছনে সবদিকে মিলিত হয়েছি। আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে। এখন আমি খুবই অনুতপ্ত। আমার হবু স্ত্রীকে ধোঁকা দিয়েছি মনে হচ্ছে। এদিকে শরীরের অবস্থাও বেশি ভালো না। আল্লাহর কাছে অনেক কান্নাকাটি করেছি, তওবা করেছি। কি করা উচিত আমার?

১০। ফ্রি মিক্সিং করেছি, যেখানে সেখানে রাত থেকেছি। ছেলেদের সাথে কোলাকুলি করেছি, লং জার্নিতে গিয়েছি একসাথে, সিগারেট খেয়েছি, গায়ের উপর হাত দিয়ে চলেছি, বাসে-রিক্সায় একসাথে ঘুরেছি, বুকে-হাটুতে মাথা রেখে ঘুমিয়েছি। ভার্সিটি লাইফে অনেক কিছুই হয়ে গিয়েছে। আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন? দোয়া করলে আমি কি গায়রতবান জীবনসঙ্গী পাবো?

১১। আমার পূর্বের প্রেমিক, কিছু ছবি ভিডিও ফাঁস করার কথা বলে ব্লাক মেইল করে। আমার থেকে টাকা নেয় এবং শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়। যদি আমি তার ঢাকে সাড়া না দেয়, তাহলে সে স্বামীকে সব পাঠিয়ে দিবে বলে ধমকি দেয়। আমি এটা থেকে কিভাবে বের হবো?

১২। আমার সাবেক প্রেমিকা আগের বিভিন্ন Screenshot, একসাথের ছবি আমার স্বামীকে দিয়ে দিবে বলে ব্লাক মেইল করে আমার সাথে শারিরীক সম্পর্ক করে, আমি চাইলেও কিছু করতে পারতেছি না। আমাকে পথ দেখান প্লিজ।

১৩। ভার্সিটিতে থাকতে হারাম রিলেশন থেকে বের হতে পরিবারকে না জানিয়ে বন্ধু-বান্ধবদের সাক্ষী রেখে ২জনে বিয়ে করেছিলাম। আমরা একসাথেও থাকতাম। কিন্তু ২বছর পর সে আমাকে তালাক দিয়ে দিয়েছে। আমি এখন নিরুপায়। কাউকে কিছু বলতেও পারি না। পরিবারকে কি বলবো! ডিপ্রেশনে কান্না করতে করতে জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। আত্নহত্যা করতেও মনে চাই। অন্য জায়গায় বিয়েতে বসবোও কি করে। ভবিষ্যতে অন্য একজনের সাথে বিয়ে ঠিক হলে পূর্বের বিষয়টা জানানো উচিত? আপনারা তো অনেক অনেক মানুষকে গাইডলাইন দিয়ে থাকেন। আমার প্রতি একটু দয়া করেন। পরামর্শ দিন প্লিজ।

📌 আরো ভয়ংকর কিছু প্রশ্ন ইনবক্সে এসেছে।
সমাধান দিতে যেয়ে গা শিহরে উঠে, আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক।

১। আমি আমার মায়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি, এবং এখনো করি। আমি এটা থেকে বের হতে পারি না। আমাকে সমাধান দিন।

২। আমি আমার শালিকার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি। এখন আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে কি?

৩। আমি আমার বোনকে দেখে উত্তেজিত হয়ে যায়। এতে কি আমার বাবা-মায়ের বিবাহ ভেঙ্গে যাবে?

৪। আমি এক হিন্দু মহিলার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি। তার গর্ভে সন্তানও এসেছে। এর বিধান কি?

৫। এছাড়া স্ত্রীর পেটে সাবেক প্রেমিকের বাচ্চা, স্বামী জানে না। এমন ভয়াবহ তথ্যও ইনবক্সে আসে।

৬। এদিকে বিয়ের পরের পরকিয়া সম্পর্কে কি আর বলবো। ওটা বলতে গেলে প্রশ্নপত্র আরো বড় হয়ে যাবে। বমি আসবে। বিয়ে করতে গেলে ভয় লাগবে। তাই অন্য প্রশ্নপত্রে তাদের ভয়াবহতা সম্পর্কে তথ্য দিবো। আল্লাহ এইসব বজ্জাত, বদমাইশ, জীবন ধ্বংসকারী ইবলিশ থেকে আমাদের সকলকে হেফাজত করুক, আর ওইসব নারী-পুরুষদের হেদায়েত দান করুক।

📌 আজ শুধু প্রশ্ন বলে গেলাম।
সকল প্রশ্নের উত্তর একবারে দেওয়ার চেষ্টা করবো ইংশাআল্লাহ্।
পরিশেষে বলতে চাই— এমন চরিত্রহীন পুরুষ/নারী কোনো উত্তম মানুষের জীবনে এসে জীবন ধ্বংস না করুক।

সত্য বলতে আমরা আর মানুষ নেই!
আমরা হয়ে গিয়েছি পশু, অমানুষ, জঘন্য নিকৃষ্ট জানোয়ার ও জাহান্নাম পিপাসু।

আপনাকে একটু বলি—
এসব করে আপনি নিজের স্বামী/স্ত্রীকে ধোকা দিলেন, প্রতারণা করলেন। অতঃপর আপনি অন্য জায়গায় বিবাহও করলেন। আর বিয়ের পরে এইসব কর্মকান্ড যদি আপনার স্বামী/স্ত্রী জানতে পারে, তাহলে বিশ্বাস করেন- কোনো উত্তম পুরুষ/নারী জীবনেও এটা মাফ করতে পারবে না। খুবই কম মানুষ এটাকে মাফ করতে পারে। তবুও এটা তার মাথাতে সব সময়ই ঘুরে বেড়াবে। আপনাকে এটার কারণে ঘৃণা করবে। অধিকাংশ পুরুষ/নারী এটার কারণে মানুষিক শান্তি হারিয়ে ফেলে, তার মনে স্বামী/স্ত্রীর প্রতি কোনো আকর্ষণ থাকে না, তাকে দেখলেই খারাপ লাগা কাজ করে, এক পর্যায়ে তাদের ডিভোর্স পর্যন্ত হয়ে যায়।

সুতরাং এইসব তথাকথিত হারাম প্রেম(শরীতে হাত দেওয়া, দেহ নিয়ে খেলা করা বন্ধ করুন)। আপনি যিনা করবেন না। স্বামী/স্ত্রীর হক নষ্ট করবেন না। এই একটা কারণে আপনার ইজ্জত(সম্মান) শেষ, দেহ-মন শেষ, দুনিয়া শেষ, জান্নাত শেষ, সম্পর্ক শেষ, শান্তি শেষ, সব শেষ। সুতরাং সাবধান, সাবধান এবং সাবধান।

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

📌 পোস্ট-টি সকল মা-বোন, ভাইকে সতর্ক করার লক্ষে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। আল্লাহ আমাদের সকলক৷ হেফাজত করুক, আমিন। #আমিন

এই মানুষ টা আমার হাজবেন্ড ছিলো। তার সাথে বিয়ে হয় ২০১৯ এ। তখন সে ইন্টার্ণ ডা: ছিলো এবং তাকে বিয়ে করার প্রধান এবং একমাত্র ...
03/09/2026

এই মানুষ টা আমার হাজবেন্ড ছিলো। তার সাথে বিয়ে হয় ২০১৯ এ। তখন সে ইন্টার্ণ ডা: ছিলো এবং তাকে বিয়ে করার প্রধান এবং একমাত্র কারণ ছিলো - সে আগে হিন্দু ছিলো এবং তার ভাষ্যমতে সে ইসলাম ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করে মনেহয়েছে একমাত্র এই ধর্মটাই সত্য তাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। তারপর তার পরিবার জেনে যাওয়ার কারণে তাকে বাসা থেকে বের করে দেয় এবং সমস্ত যোগাযোগ এবং সম্পত্তি সবকিছু থেকে বঞ্চিত করে দেয়। তার অনেক স্ট্রাগলের কাহিনি যা শুনে সম্পূর্ণ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাকে বিয়ে করি এবং বিয়ের আগে তার বংশও যাচাই করে নিই। তার পরিবার যথেষ্ট শিক্ষিত, ভদ্র ও সম্পদশালী তাই বংশমর্যাদাও দেখি আমরা, যেহেতু সম্পত্তি পাওয়ার ইচ্ছে নেই কিন্তু ছেলে তার ব্যবহার তো পরিবার থেকেই পাবে তাই বংশমর্যাদা খুবই গুরুত্বের সাথে দেখি। এবং আমি সহ আমার বিয়ে যেসব মুরুব্বি রা দেখে দিয়েছেন সবাই অনেক বার ইস্তিখারার নামাজ পরি। এবং আসলেই আল্লাহ সবকিছু সহজ করে দেন। বিয়ের পর তার দ্বীনদারিত্ব দেখার মতো ছিলো, আমার চেয়েও বেশি সচেতন বলা যায়। ২০২৪ সাল পর্যন্ত সে যথেষ্ট ভালো হাজবেন্ড ছিলো এবং আমাদের পরিবারের মূল কেন্দ্রবিন্দু বলা যায়। কিন্তু ২০২৪ এর নভেম্বর থেকে সে যা কান্ড করছে এখন পর্যন্ত যা আগের ভালো গুলোর সবকিছু ছাড়িয়ে গেছে। তাকে নিয়ে আমি তবুও ফেইসবুকে লিখতাম না, এতোদিনও কিছু লিখি নি। কিন্তু আজ কিছুদিন তার ফেইসবুক, টিকটকের পোস্ট গুলো আমি দেখি নি, কিন্তু বিভিন্ন পরিচিত মানুষ রা দেখছে ও আমাকে নানান প্রশ্ন করছে, এতে আমার দোষ না থাকা স্বত্তেও সম্মানহানি হচ্ছে। সবকিছুর ছবি সহ প্রুভ এখানেই দিয়ে দিবো।
সে ২০২৪ সালে আবুধাবিতে তার অফিসের স্টাফ একজন পাকিস্তানি মহিলা যার স্বামী ও ৩ জন বাচ্চা সহ সংসার আছে, এমন মহিলার সাথে আমার আড়ালে পরকিয়া শুরু করে। হঠাৎ তার সন্দেহজনক আচরণে তার ফোন থেকে সে ধরা খায়। ওইসময় সে আমাকে এবং আমার মেয়ে আয়েশাকে আবুধাবিতে কি পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণা দিছে তা লিখে প্রকাশ করা অসম্ভব! সে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত বাসায় আসতো না। কখনো যদি আসেও তবুও আমার সাথে কথা বলতো না, আর প্রচুর খারাপ ব্যবহার তো আছেই। আর ওইদিক দিয়ে ওই মহিলার হাজবেন্ড ও পরিবারেও তাকে নিয়ে ঝামেলা হয়। সে ওই মহিলাকে লেটেস্ট আইফোন কিনে দেয়া সহ বিভিন্নভাবে ৯-১০ লক্ষ টাকা খরচ করে। তারপর এই সবকিছু নিয়ে ওই মহিলা চলে যায়।
তারপর তার মাথায় ঢুকে সে ২য় বিয়ে করবে, সে মর্ডান মেয়ে একজন চায় বউ হিসেবে হালাল ভাবে। সে নিজেও পুরোপুরি চেঞ্জ হয়ে যায়, যেখানে সে আগে পরিপূর্ণ সুন্নাহ পালন করতো সেখানে সে এখন পুরোপুরি তার বিপরীত। গান বাজনা শুনা, লাইফস্টাইলে সবকিছু তে ১০০% চেঞ্জ। তার সুন্নতি দাড়িও কেটে ফেলে। সে ২য় বিয়ের আরও একটা কারণ বলে, আমার বাচ্চা মানে আয়েশা যে হলো, এই প্রেগ্ন্যাসি টা অনেক ট্রিটমেন্টের পর হয়েছিলো। তাই সে আমার আত্নীয় দের বলে তার নাকি অনেক বাচ্চা লাগবে, অনেক বংশধর লাগবে কিন্তু নিগারের তো আর বাচ্চা হবেনা। তাই নাকি তার বিয়ে করতে হবে আরও বাচ্চার জন্য। কিন্তু আল্লাহর কি হুকুম, সে এটা যে মাসে বলেছিলো সেই মাসেই আমি প্রেগন্যান্ট হয়ে যাই। এটাতে সে খুশির বদলে যেনো মন খারাপ করে ফেললো। তারপরও তার ২য় বিয়ে করতেই হবে, এইবার বাংলাদেশে মেয়ে দেখতেছে। তার মর্ডান মেয়ে লাগবে। গাড়িতে একসাথে গান শুনবে, মুভি দেখতে যাবে, পেন্ট শার্ট পরবে , নাচ দেখাবে। এইগুলো নাকি তার শখ। অথচ আল্লাহ ২য় বিয়ে হালাল করেছেন, হালাল চাহিদা পূরনে। আর তার যখন শুন্য পকেট ছিলো তখন আরও ভালো ভালো ডাক্তার প্রস্তাব বাদ দিয়ে তাকে বিয়ে করলাম, স্ট্রাগল শেষ হয়ে যখন বিদেশ গিয়ে টাকা হলো তখন সে আল্লাহর থেকেই দূরে সরে গেলো। অথচ টাকার প্রতি লোভ থাকলে ওইসব সবদিক থেকে স্যাটেল প্রস্তাব তো নিজ হাতে বাদ দিতাম না। আমার পরিবার শুধুমাত্র "আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং একজন নওমুসলিমের হাতে নিজেদের মেয়ে দেয়ার মাধ্যমে জান্নাত পাওয়ার উসিলায়" ওর কাছে বিয়ে দেয়। সত্যি বলতে তখন ওর মেডিকেল কলেজ সহ বিভিন্ন জায়গায় ওর ব্যাপারে খবর নিয়ে সবকিছু পজিটিভ ই পেয়েছিলো। সাথে ডা হবার পরও সবকিছু পরিপূর্ণ সুন্নাহ মোতাবেক পালন করা দেখে আমিও আর দুনিয়াবি সম্পদের কথা ভাবিনি।
যাইহোক আমি ২য় বার প্রেগন্যান্ট হবার পর জোড় করে আমাকে বাংলাদেশে রেখে চলে যায় এবং প্রতিটি দিন-রাতে আমাকে শুধু ফোনে ২য় বিয়ের কথা বলতো, তার নাকি একটা মেয়ে পছন্দ হইছে। তাকে বিয়ে করবে। আমি একদিকে প্রেগন্যান্ট আর অন্যদিকে সে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন কোনো রাত যেতো না কান্না না করে থাকতাম আর মানসিক অশান্তি ত আছেই। তারপর হঠাৎ সাড়ে পাচ মাসে বাচ্চা ডেলিভারি পেইন উঠে যায় এবং একজন ছেলেবাবু ডেলিভারি হয়ে যায়। অথচ ডেলিভারির ২ দিন আগেও এনোম্যালি স্ক্যান করি, সবকিছু নরমাল ছিলো, সার্ভাইক্যাল লেন্থও। ডা: নিজেও অবাক....!
তারপর সে ডিসেম্বরের ১৫ তারিখ আমাকে না জানিয়ে দেশে এসে বিয়ে করে এক টিকটকার ও পতিতা মেয়েকে। ওই মেয়ের বয়ফ্রেন্ড কিভাবে যেনো আমার ফেইসবুক পায় সে আমাকে মেসেজ দিয়ে বলে " আপু আপনার হাজবেন্ড তো আমার ওয়াইফ কে বিয়ে করে ফেলছে আজকে " তারপর সে তাদের অনেক ঘনিষ্ট ছবি পাঠায় এবং বলে ওই মেয়ের সাথে অনেক বার তার শারীরিক সম্পর্ক হইছে, ইভেন জুনায়েদ ওই পতিতাকে বিয়ের ১০ দিন আগেও ওই মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। তখন আমি জুনায়েদ কে ফোন দেই কিন্তু সে অস্বীকার করে সে বাংলাদেশে আছে কিন্তু আমি তো ধারণা করে বুঝেছি এবং প্রমানও পেয়েছি। তাই তাকে চিল্লাই চিল্লাই কান্না করে বললাম " ঠিক আছে আপনি বিয়ে করেন কিন্তু এই মেয়ের এই অবস্থা, অন্তত দ্বীনদার না হোক কিন্তু ভালো প্রফেশনাল, ভদ্র দেখে কাউকে বিয়ে করেন, এই মেয়ে আপনার জীবন শেষ করে দিবে" কিন্তু আসলে সে ততক্ষণে বিয়ে করে ফেলে। তারপর আমার এই কষ্টে কি অবস্থা গেছে সেটা নাহয় না-ই বলি! আর হ্যা আমি তাকে বারবার ডিভোর্স দিতে চাইছি কিন্তু সে আমাকে ডিভোর্স দিতে রাজি ছিলো না, আমার পরিবারও আরও ধৈর্য ধরতেই বলছিলো যেহেতু একটা বাচ্চা আছে। ও হ্যা, সে এই মেয়েকেও বিভিন্ন দামি গিফট সহ, স্বর্ণ, লেটেস্ট আইফোন ও ১০ লক্ষ টাকা কাবিন পরিশোধ করে দেয়। অথচ আমার কাবিন কিন্তু এখনো পরিশোধ করে নি।আমাকে বাংলাদেশেই ফেলে রাখে। আবুধাবিতে নিতে বললে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অযুহাত ও শর্ত দেয়। বাংলাদেশে আমার ও আমার মেয়ের খরচ ঠিকমতো দিয়েছে কিন্তু আড়ালে তারচেয়ে অনেক গুন বেশি খরচ করে ওই মেয়ের পিছনে এবং তার লাইফস্টাইলে। আর হ্যা, ওই পতিতা মেয়ে রেগুলার সিগ্যারেট ও মদ খায়। ও নিজে বলেছে, ওই মেয়েকে নিয়ে যেখানেই ঘুরতে যায় সেখানেই মদ আর সিগারেটের জন্য পাগল হয়ে যায়। জুনায়েদ ওই মেয়েরে বিভিন্ন 5 star হোটেলের বারেও নিয়ে গেছে।
তারপর জুনায়েদ ওই মেয়েকে বিয়ের পর আবুধাবিতে চলে যায়, যেহেতু ওই মেয়ের ভিসা হচ্ছিলো না তাই দেশেই রেখে যায়। ও যাওয়ার একমাসের মধ্যে ওই মেয়ে বয়ফ্রেন্ডের কাছে আবার চলে যায় এবং জুনায়েদ কে জানুয়ারি তে ডিভোর্স দিয়ে ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে বয়ফ্রেন্ড কে বিয়ে করে কোনো প্রকার ইদ্দদ পালন করা ছাড়াই। মানি ইসলাম মতে ওই বিয়ে টাও হারাম। তারপর ওইখানে বয়ফ্রেন্ডের সাথে ৫/৬ মাস সংসার করে, সেখানেও প্রচুর ঝামেলা হয় তাদের মধ্যে, সেটা আর না বলি। বয়ফ্রেন্ড পয়সা ওয়ালাও না,মাইরপিট হইতো প্রচুর। তারপর ওই মেয়ে আবার জুনায়েদ এর কাছে যাইতে পাগল হয়ে যায়। অবাককর বিষয় হলো এই জুনায়েদও তারে আনার জন্য পাগল হয়ে যায় কিন্তু আমাকে প্রতিনিয়ত মিথ্যা বলে, যদিও আমি বুঝতাম কিন্তু আমি দূরে থাকার কারনে কিছু করতেও পারতাম না আর মানুষ কে জোড় করে ধরে রাখার ইচ্ছেও আমার নেই। আমি অনেক বার তাকে ডিভোর্স দেয়ার এটেম্প নেই কিন্তু পারিনি। আর ওই মেয়ে বাংলা তে ডিগ্রি পাশ করছে, ইংরেজিও রিডিং পারেনা। শুধু টিকটকে ফিল্টার দিয়ে ভিডিও করে। টিকটকের মতো ছাপড়ি এপ এখনো আমার ফোনে নেই। আমাদের পুরা গুষ্টিতেও কেউ এই এপ চালায় না। কিন্তু জুনায়েদ ডা: হিসেবে ওর সব পার্সোনালিটি শেষ করে দিছে, তার টিকটকের পোস্ট, বিভিন্ন ইডিট, ভিডিও এইগুলা দেখলে মনেহয় না সে যে একজন শিক্ষিত পার্সন। তার চলাফেরা, স্টাইল সব ওই মেয়ের মতোই ছাপড়ি হয়ে গেছে। আজ প্রায় ২ বছর হয়ে যাচ্ছে আমাকে দেশে রেখেছে, প্রতিবার আবুধাবি নিতে বললে বিভিন্ন অজুহাতের শেষ নেই।
এখন আজকে কয়েকদিন সে টিকটক ফেইসবুকে সরাসরি ওই মেয়েকে নিয়ে রোমান্টিক পোস্ট দিচ্ছে। তার সাথে আমি এড নেই। তার প্রতি আমার রুচি, ভালোবাসা একদম উঠে গেছে কিন্তু আমার কিছু পরিচিত মানুষ তার ফেইসবুক, টিকটকে এড আছে তারা আমাকে এইগুলো পাঠিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করছে এবং আমাদের পুরো ফ্যামিলি লজ্জায় পরে যাচ্ছে। সে যা করছে আমার সাথে সেগুলো কখনো ই বলতাম না যদি না সে নিজে অনলাইনে এইরকম শুরু না করতো, যেহেতু সে আমার মেয়ের বাবা। মেয়ের কাছে আমি সবসময়ই ওর বাবাকে হিরো বানিয়ে রেখেছি। ভাবছি বাবা হিসেবে সে আসলে কতটা হতভাগ্য, নিজের এতো কিউট একটা বাচ্চা মেয়ে কে দূরে সরিয়ে আরেক পতিতার সাথে লুতুপুতু করছে। অথচ বাচ্চাটা কত অভিনয় করে, কত পাকা পাকা কথা বলে, এই নিয়ামত সে দূরে ঠেলে রেখেছে।
যাই হোক দুই বছর অনেক কান্না করেছি, মানুষের সামনে ভালো থাকার অভিনয় করেছি,সব ঠিক করার চেষ্টা করেছি কিন্তু i'm tired. এখন বুঝতে পারছি আসলে ছেড়ে দেয়াই শান্তি তাই তাদের এইসকল পোস্ট দেখে কেউ আমাকে নক দিবেন না প্লিজ। ওর সাথে আমি আর নেই। ওর সাথে জোড় করে থাকলে হয়তো দুনিয়ার চাকচিক্য পেতাম কিন্তু আল্লাহ কে হারিয়ে ফেলতাম।
আর হাস্যকর কথা হচ্ছে -- সে এখন ওই পতিতা মেয়ে কে বিয়ে করলে এটাও তো হালাল হবেনা,তাদের বাচ্চা হলে সেগুলোও🙄। কারণ ওই মেয়েতো ওরে একবার ডিভোর্স দিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে বয়ফ্রেন্ড কে বিয়ে করে.. !

যাই হোক এই ব্যপারে আমার অতি উৎসাহি আত্নীয় রা আমার আব্বুকে কল দিবেন না প্লিজ। আর নওমুসলিম ও পরিবারের সহচর্চ ছাড়া মানুষকে বিয়ে করার আগে হাজার বার ভাববেন..!
বি দ্র : স্বামীর একাধিক বিয়ে মানা খুব কঠিন হলেও মেনে নিয়ে থাকা যেতো যদি তার ২য় বিয়ের উদ্দেশ্য হালাল হতো। আর বর্তমানে তো তাদের এই সম্পর্ক টাই হারাম হবে, যতই কবুল বলে বিয়ে হোক। এই হারামের মধ্যে থেকে কখনোই আমি শান্তি পেতাম না তাই আর কেউ অন্তত এটা বলিয়েন না বাচ্চাটার দিকে তাকিয়ে হয়তো সবর করতে পারতাম।

পোস্টটি শেয়ারের রিকুয়েষ্ট 🌸

©️Collected.

উনি বাংলাদেশের ক্ষমতাবান একজন ব্যক্তি৷ যার চুল পর্যন্ত সরকার টাচ করতে ভয় পায়৷ তিনি হলেন রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুল নেত্রক...
02/09/2026

উনি বাংলাদেশের ক্ষমতাবান একজন ব্যক্তি৷ যার চুল পর্যন্ত সরকার টাচ করতে ভয় পায়৷ তিনি হলেন রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুল নেত্রকোনার একজন স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিবিদ৷

কেন তিনি ক্ষমতাবান শুনেন ঘটনা৷

এই লোক ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পড়া একটা মেয়েকে টানা সাড়ে তিন বছর সংঘবদ্ধভাবে যৌ%%ন নি-র্যা-ত-ন করে৷ এবং সেই সময় তা সে ভিডিও আকারে ধারন করে রাখে৷

তারপর শুরু হয় তার পৈশাচিক খেলা৷ সেই ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার ভ%য় দেখিয়ে টানা সাড়ে তিন বছর সে নিজে ও তার সাথে আরো ৫ জন একত্রে মেয়েটার সাথে এমন করে আসছে।

তবে ঘটনা এখানেই শেষ না। মেয়েটাকে এভাবেই টানা সাড়ে তিন বছর নি-র্যা-ত-ন করার ফলে একপর্যায়ে মেয়েটা গর্ভধারণ করে। তবে হায়েনার দল তবুও খান্ত হয়নি। গর্ভধারণ অবস্থাতেও মেয়েটাকে এমন কাজ চালিয়ে যায় তারা। একপর্যায়ে মেয়েটা ৬ মাসের গর্ভবতী হওয়ার পর যখন তাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় তখন তারা সেই ভিডিওটা সোশাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেয়।

মেয়েটা এখন ৬ মাসের গর্ভবতী। এই স্টেজে এসে সন্তান নষ্ট কিংবা গ-র্ভ-পা-ত করানোও সম্ভব না, তীব্র ঝুকি আছে।

মেয়েটার গর্ভে থাকা সন্তানের বাবা কে? তাও জানার কোন উপায় নেই। কারন মেয়েটাকে প্রতিনিয়ত ৫-৬ জন মিলে অ-ত্যা-চা-র করতো, কাজেই গর্ভের সন্তানের বাবার পরিচয় পাওয়া অসম্ভব। এমন একটা সন্তান নিয়ে মেয়েটা সারাজীবন কিভাবে বাঁচবে ভাবুন তো!

এমন একটা ঘটনা হলো এটা নিয়ে মূলধারার মিডিয়া, সুশিল সমাজ, ডান পাড়া বামপাড়া, ইসলামপাড়া দলের সবাই চুপ। কেউ কোন সাড়া শব্দ করছেনা।

কেন জানেন? কারন এই ঘটনার অপরাধীরা হলো বর্তমান সরকারি দলের লোকজন। এবং মূল যিনি তিনি রফিকুল ইসলাম ভূইয়া বকুল হলো ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি। আর বাকি অপরাধীরা তার সাঙ্গপাঙ্গ। তারা সবাই এখন পলাতক।

তবে বিএনপি এই ঘটনার ব্যাপারে কি করেছে জানেন? বকুলকে শুধুমাত্র দল থেকে বহিষ্কার করেই দায় সেরেছে বিএনপি। যেন সামান্য একটা অপরাধ তা'ই বহিষ্কার করলেই যেন মেয়েটার ওপর হওয়া এই সাড়ে তিন বছরের পাষবিক নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে যাবে!

আর কিজন্যে এ লোকরে ক্ষমতাবান বললাম৷ সে যদি এতো ক্ষমতাবান না হতো তাহলে তাকে এতদিনে মৃ%ত্যুদন্ড দিত সরকার৷ সভ্য দেশে হলে এটা নিয়ে পুরোদেশ তোলপাড় হয়ে যেত৷

আফসোস! আমি আপনিও এই লেখাটা পড়েও না দেখার মতন চলে যাব কারণ আমি আপনি তো কিছুই করতে পারবো না :)

#কালেক্টেড #নেত্রকোনা #বকুল #বিএনপি

নিচের ঘটনাগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন বর্তমান সমাজের অবস্থা! এক. এক ছেলে সেদিন ফতোয়া জানতে চাইলো- তার মা পরকিয়া করতো, পরে সে ...
01/09/2026

নিচের ঘটনাগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন বর্তমান সমাজের অবস্থা!

এক.
এক ছেলে সেদিন ফতোয়া জানতে চাইলো- তার মা পরকিয়া করতো, পরে সে জিদ করে
তার মা পেশাব করা অবস্থায় লজ্জাস্থান দেখে। এতে তো বাবা মায়ের বিচ্ছেদ (হুরমতে মুসাহারা) হয়ে গেছে। এখন সে তার মাকে হিলা বিয়ে দিয়ে তার বাবার সাথে বিয়ে দিতে চায়! তাই ফতোয়া জানতে চাইলে আমরা বলে দিলাম- সারাজীবনের জন্য হারাম হয়ে গেছে, আর পথ নেই৷ হিলাতেও আর সুযোগ নেই।

দুই.
স্যার প্রাইভেট পড়াতো, ছাত্রীর সাথে প্রেম। ছাত্রী কখনো কখনো বাড়িতে না থাকলে সে স্যার প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে ছাত্রীর মায়ের সাথে জড়াজড়ি ও চম্বন করেছে একাধিকবার। এখন সে সেই মহিলার মেয়ে যেটা তার প্রেমিকা, তাকে বিয়ে করতর চায় মর্মে ফতোয়া জানতে চাইলো!

তিন.
সেদিন এক মেয়ে কান্না করে বললো-
প্রেমিক তার বিয়ের আগেই মিলন করতে চেয়েছে, তারপর কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করেছি, সে আমাকে মিলন করতে বাধ্য করেছে! সে বাড়ির সামনে নিয়মিত দাড়িয়ে থাকতো, বাবা মা জানলে খারাপ হবে, তাই মেয়ে মিলন করায় সাড়া দিয়েছে!
এখন মেয়েটা তালাক নেবে কিভাবে জানতে চায়!!

চার.
এক মেয়ে ভার্সিটিতে পড়ে, হোস্টেলে থাকার বদলে বছর খানেক ধরে প্রেমিককে বিয়ে করে একসাথে রুম ভাড়া করে থাকে। পরিবারের কেউ এসব জানে না। এখন সে মেয়ে তারসাথে থাকতে চায়না, স্বামীর মুখ দিয়ে তালাক বের করে এটা তালাক হয়েছে কিনা, সে মুক্ত কিনা জানতে চায়!!

পাঁচ.
ছেলে মেয়ে প্রেম করে বাড়িতে না জানিয়ে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বিয়ে করেছে। তারপর তারা মিলন করেছে। তারপর সে বিয়ে হয়েছিল কিনা জানতে চায়!!

ছয়.
সেদিন এক প্রেমিকের প্রশ্ন- আরেকজনের বউ তার প্রেমিকা। সে নাকি তার সাথে থাকতে চায়না, এজন্য সে কিভাবে তালাক নিয়ে এ প্রেমিকের সাথে বিয়ে বসবে সেটার ফতোয়া জানতে চায়!!

সাত.
স্বামী বিদেশ, শশুড় ও দেবরের সাথে মিলনে লিপ্ত বছরের পর বছর। স্বামীকে এটার ভিডিও নিজেই দেখিয়েছে! স্বামী দেখার পর তাকে তালাক দিয়ে দেয়। এখন আত্মহত্যা করতে পারবে কিনা ফতোয়া চায়!!

আট.
নিজেরা কাউকে না জানিয়ে কোর্ট ম্যারিজ করেছিল। কতবার মিলন করার পর বাচ্চা পেটে আসলে তা নষ্ট করে ফেলেছে। তারপর সে প্রেমিক স্বামী তার আর খোঁজ খবর রাখে না, তালাকও দেয়না। এখন সে মেয়ে না তালাক নিতে পারছে আর না অন্য কোথাও বিয়ে বসতে পারতেছে, আর না পরিবারকে জানাতে পারতেছে! সে কিভাবে এ থেকে মুক্ত হতে পারে সেটার ফতোয়া জানতে চায়!!

এমন অহরহ অধঃপতন সমাজের মধ্যে ঘটে চলেছে! এসব প্রশ্ন দেখে বুঝা যায় এ যামানার মানুষের অবস্থা কেমন বিগড়ে গেছে! বিয়ে তালাক কেমন ছেলে খেলা হয়ে গেছে!
আর কতো এমন বেহায়াপনা? আর কতো নোংরামি অশ্লীলতা? কবে শিক্ষা হবে এদের? কবে থামবে এসব?

📌
মুফতি রাকিবুল ইসলাম হোযায়ফী

28/08/2026

বিয়ে করুন এবং সন্তান নেন।

কারণ জীবনসঙ্গী আর সন্তান, এরাই পার্মানেন্ট। বাকি সবাই চলে যায়।

বন্ধুবান্ধব বিদেশ চলে যায়। কলিগ বেটার স্যালারির জন্য ওয়ার্কপ্লেস চেঞ্জ করে।
ভাই-বোন আলাদা হয়ে যায়। বাবা-মা হয়তো unexpected সময়ে চলে যায়।
থাকে ঐ লাইফ পার্টনারই। আর হয়তো বাচ্চারা।

এজন্য বিয়ে করেন। বউয়ের যত্ন নেন।
তাকে ভালোবাসেন, সাপোর্ট করেন।

সারা পৃথিবী তার বিরুদ্ধে গেলেও আপনি একা তার সাথে থাকেন❤️

আন্দালিব পার্থের মা, শেখ হাসিনার আপন ফুপাতো বোন,   শেখ সেলিম আন্দালিব পার্থের  আপন মামা। শেখ হেলাল আন্দালিব পার্থের শ্বশ...
23/08/2026

আন্দালিব পার্থের মা, শেখ হাসিনার আপন ফুপাতো বোন, শেখ সেলিম আন্দালিব পার্থের আপন মামা।
শেখ হেলাল আন্দালিব পার্থের শ্বশুর ( শেখ নাসেরের ছেলে), শেখ নাসের বংগবন্ধু শেখ মুজিবের ছোট ভাই।

পার্থের আপন ছোট ভাই আশিকুর রহমান শান্ত বংগবন্ধু গবেষক, যুবলীগের সভাপতি।
পার্থের বাবা এরশাদের ৩ হাজার কোটি টাকা মেরে দেয়া মন্ত্রী ( চিনি চোর স্বীকৃত) নাজিউর রহমান মঞ্জু( জাতীয় পার্টি) ।

আপনারা কর্মীরা জীবন দিবেন, মিটিং এ যাবেন ৫০০ টাকা পেলে, সারা জীবন ভিক্ষা করে খাবেন।

আর মন্ত্রী হবে নূরা, রাশেদ, পার্থের মতো চাটুকারেরা!

16/08/2026

ফার্মেসি ব্যবসায়ীদের এত দরদ কেন?

এক পাতার ওষুধের ক্রয়মূল্য ৫২ টাকা ৮০ পয়সা।
MRP ৬০ টাকা।
কাস্টমার বলছেন—“৫৫ টাকায় দেন।”

অর্থাৎ ২ টাকা ২০ পয়সা লাভ রেখে বিক্রি করতে হবে!
ভাই, এই ২ টাকা ২০ পয়সা দিয়ে দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন, বিদ্যুৎ বিল, লাইসেন্স, ট্যাক্স, নষ্ট/মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ—সব সামলাব কীভাবে?

অন্য কোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে কিন্তু এমনটা খুব স্বাভাবিক নয়।

১ কেজি পেঁয়াজ ৪০ টাকা হলে কেউ দোকানদারকে বলে না—
“ভাই, ৩৫ টাকায় দেন, আর আমাকে কমিশনও দেন!”

কাপড়, জুতা, মুদি পণ্য—সব ব্যবসায়ীই লাভ করেন।
তাহলে শুধু ফার্মেসি দেখলেই কেন বলা হয়,
“MRP থেকে আরও কমে দেন, লাভ করবেন না!”

ফার্মেসি ব্যবসায়ীও একজন ব্যবসায়ী।
তাঁরও সংসার আছে, দোকানের খরচ আছে, বিনিয়োগ আছে, ঝুঁকি আছে।

ন্যায্য দামে ওষুধ বিক্রি করা আর অতিরিক্ত দাম নেওয়া—দুটো এক বিষয় নয়।
অতিরিক্ত নেওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি ব্যবসায়ীকে ন্যায্য লাভ থেকেও বঞ্চিত করা ঠিক নয়।

ক্রেতার যেমন সাশ্রয় করার অধিকার আছে, ব্যবসায়ীরও তেমনি ন্যায্য লাভ করার অধিকার আছে।

ফার্মেসি ব্যবসাকে দয়া নয়, ন্যায্য ব্যবসা হিসেবে দেখুন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ¶¶কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স¶¶ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ¶¶কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স¶¶:

Shortcuts

Share

Category