Saiful Lanju

Saiful Lanju

Share

Saiful Lanju is a Corporate Growth Trainer, Leadership & Life Coach, Business Consultant, Pearson certified career counsellor, Author.

I am Saiful Islam Lanju working for inspiring people for potential developments, Bangladeshi young entrepreneur and motivated to earth community of global village from the early years I started to speaking for potential development of human brain and mind and how to use their brain more and more by practicing, training their brain in a monk method how to become successful, become healthier happier

11/06/2026

Fear” — “যদি হেরে যান?”

“Doubt” — “তুই যথেষ্ট ভালো না।”

“Society” — “মানুষ কি বলবে?”

“Failures” - প্রতিদিন পুরনো হারগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়।

সমুদ্রপাড়ের এক রহস্যময় দ্বীপ। যেখানে একটা অদ্ভুত নারিকেল গাছ ছিল। সাধারণ গাছের মতো না — এই গাছের নারিকেলগুলোতে পানি না, মানুষের “স্বপ্ন” জমা থাকত।

লোকজন বলত,

“যে এই গাছে উঠতে পারবে, সে নিজের স্বপ্ন ছুঁতে পারবে।”
কিন্তু সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়।

গাছের নিচে বাঁধা ছিল ছয়টা পাথর — Fear, Doubt, Rejection, Failures, Society, People।

এই পাথরগুলো শুধু ভারী না, এগুলো কথা বলতে পারত।
যখনই কেউ গাছে উঠতে যেত,

“Fear” ফিসফিস করে বলত —
“পড়ে গেলে?”

“People” হাসত —
“তোর দ্বারা হবে না।”

“Failures” পুরনো কষ্টগুলো মনে করিয়ে দিত।

আর বেশিরভাগ মানুষ মাঝপথেই হাল ছেড়ে দিত।
কিন্তু একদিন ছোট্ট একটা ছেলে সেখানে এলো। তার চোখে ছিল আগুনের মতো জেদ।

গাছে উঠতে শুরু করল।

প্রথম ধাপে “Society” চিৎকার করে বলল —
“মানুষ কি বলবে?”

ছেলেটা হেসে বলল,
“মানুষের কাজ বলার, আমার কাজ চলার।”

দ্বিতীয় ধাপে “Doubt” তার কানে বলল —
“তুই পারবি না।”

ছেলেটা উত্তর দিল,
“আমি না পারলে শিখব, কিন্তু থামব না।”
ঝড় এলো। দড়ি ছিঁড়ে যাওয়ার উপক্রম। হাত রক্তে ভরে গেল।

তবুও ছেলেটা উঠতে থাকল। কারণ সে বুঝে গিয়েছিল —
স্বপ্নের উচ্চতা যত বড় হয়, পরীক্ষাও তত কঠিন হয়।
অবশেষে সে গাছের চূড়ায় পৌঁছাল।

একটা “Dream” লেখা নারিকেল হাতে নিতেই পুরো দ্বীপ আলোয় ভরে গেল। আর তখনই সে সবচেয়ে বড় সত্যটা বুঝল— পাথরগুলো তাকে নিচে টানার জন্য ছিল না।
ওগুলো ছিল পরীক্ষা।

দেখার জন্য — সে সত্যিই নিজের স্বপ্নের জন্য লড়তে পারবে কিনা। সেদিনের পর থেকে দ্বীপের মানুষ একটা কথাই মনে রাখে— “স্বপ্ন পূরণ করার আগে জীবন তোমাকে ভয় দেখাবে, মানুষ হাসবে, ব্যর্থতা থামাতে চাইবে। কিন্তু যে মানুষ শেষ পর্যন্ত উঠতে থাকে, আকাশ একদিন তাকেই জায়গা দেয়।”


#মাইন্ডম্যাপিং

#স্থিরজীবন
#বইয়েরপোকা




#উদ্যোক্তা

10/06/2026

If you are confident, I am waiting to have a coffee with you ...

09/06/2026
08/06/2026

ভুল করলে স্বীকার করুন, মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়, মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে। আপনিও ভুল করতে পারেন। একটা ভুল করার পর বেশিরভাগ মানুষই যা করে তা হলো—

▪ ভুল স্বীকার করে না।
▪ সুযোগ থাকলে এড়িয়ে যায়।
▪ ভুলটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে উঠে পড়ে লাগে।

এখানেই হবে সাধারণ মানুষ আর আপনার পার্থক্য। আপনি এসবের কোনোটাই করবেন না। এরপর আপনার কখনও ভুল হয়ে গেলে, সাথে সাথে তা বিনয়ের সাথে স্বীকার করুন যে, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’ সেই সাথে ভুলের সমাধানে সচেষ্ট হোন এবং পরবর্তীতে যাতে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখুন। আপনার ভুলটা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাবে না, সবাই সমাধানটাই দেখবে।

বেঁটে, লম্বা ইত্যাদি পারিবারিক কোনো বিষয় বা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নিয়ে কিছু বলবেন না।

• তর্কের মাধ্যমে যুক্তির হার জিত হবে, কোনো ব্যক্তির নয়।
আর আমি মানি আমার গুরুজির কথা, ‘তর্কে জেতার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো—তর্ক না করা’।


#মাইন্ডম্যাপিং

#বইয়েরপোকা
#স্থিরজীবন




#উদ্যোক্তা

07/06/2026

আরিফ বদলাতে শুরু করল।

সে প্রতিদিন একটা নতুন বিষয় শিখত।ইতিহাস, ব্যবসা, মনোবিজ্ঞান, নেতৃত্ব—যা পেত পড়ত।আগে সে বন্ধুদের আড্ডায় বসে মানুষ নিয়ে কথা বলত। এখন সে বলত,
চলো নতুন কিছু শিখি।” অনেকে হাসত।বলত, বেশি জ্ঞানী হয়ে গেছিস?”কিন্তু আরিফ থামেনি। একদিন সে গ্রামের তরুণদের নিয়ে ছোট্ট একটা লাইব্রেরি তৈরি করল। পুরোনো বই সংগ্রহ করল, দেয়ালে লিখল—

“জ্ঞান মানুষকে মুক্ত করে।”শুরুতে কেউ আসত না।
কিন্তু ধীরে ধীরে কিছু ছেলে-মেয়ে সেখানে আসা শুরু করল।একদিন এক ছোট ছেলে তাকে জিজ্ঞেস করল,
“ভাইয়া, বড় মানুষ হতে হলে কী করতে হয়?”আরিফ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, “বড় মানুষ হতে হলে বড় চিন্তা করতে হয়। অন্যের ভুল না খুঁজে নিজের জ্ঞান বাড়াতে হয়।”
বছর কেটে গেল। একসময় সেই ছোট লাইব্রেরি একটা শিক্ষাকেন্দ্রে পরিণত হলো। দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসত শেখার জন্য।

এক রাতে আবার বৃষ্টি হচ্ছিল। আরিফ সেই পুরোনো লাইব্রেরির একই টেবিলে বসে ছিল। সামনে নীল আলো জ্বলছিল। সে ডায়েরির প্রথম পাতাটা আবার খুলল।
লাইনটা এখনও আগের মতোই জ্বলজ্বল করছে—

“শক্তিশালী মন আলোচনা করে জ্ঞান,
সাধারণ মন আলোচনা করে ঘটনা,
দুর্বল মন আলোচনা করে মানুষ।”

আরিফ মৃদু হেসে বুঝল—

মানুষের আসল শক্তি তার শরীরে না, তার চিন্তায়।
কারণ,যে মন জ্ঞান খোঁজে,সে একদিন নিজের অন্ধকারও আলোকিত করতে পারে।


#মাইন্ডম্যাপিং

#স্থিরজীবন
#বইয়েরপোকা
#উদ্যোক্তা



06/06/2026

২০১২ সালের অলিম্পিকের এরকম একটি ঘটনা আমাদেরকে এর পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে পারে— অস্কার পিস্টোরিয়াস দম্পতির সন্তান অস্কার পিস্টোরিয়াস জন্মগ্রহণ করেন ১৯৮৬ সালের ২২ নভেম্বর। তার দুই পায়েরই হাঁটুর নিচের হাড় ছিল না, ফলে ১১ মাস বয়সে তার দুই পা হাঁটুর নিচ থেকে কেটে ফেলতে হয়। যখন অস্কার বড় হতে থাকলেন তখন তার মা তাকে বলতেন, ‘তুমি হাঁটবে, দৌড়াবে এবং খেলবে, যা তোমার অন্যান্য বন্ধুরা করে তুমিও তাই করবে, বরং তুমি ওদের চেয়ে বেশি কিছু করতে পারবে, যদি তুমি চাও।’ মার কথা অস্কারকে বেশ অনুপ্রাণিত করে, প্রভাবিত করে। সে অনেকটাই স্বাভাবিক শিশু-কিশোরদের মতো চলাফেরা করতে শিখতে থাকে। ভর্তি হন কনস্টান্টিয়া ক্রেক প্রাইমারি স্কুলে এবং তারপর প্রিটোরিয়া বয়েজ হাই স্কুলে।

অস্কার স্বপ্ন দেখতে থাকেন সে তার বন্ধুদের সাথে খেলবেন, খেলায় জিতবেন এবং পুরস্কার নিবেন। সেখানে তিনি ১১ থেকে ১৩ বছর বয়সের মধ্যে রাগবি ইউনিয়ন, ওয়াটার পোলো ও টেনিস খেলায় অংশ নেন। পাশাপাশি ক্লাব পর্যায়ে অলিম্পিক ক্রীড়াতেও অংশ নেন। ১৫ বছর বয়সে তার মায়ের অকাল মৃত্যু তার জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। কারণ মা-ই ছিলেন তার প্রেরণার প্রধান উৎস। ২০০৩ সালে হাঁটুতে গুরুতর আঘাত পান। কিন্তু তিনি দমে না গিয়ে ২০০৪ সালে ন্যাশনাল দৌড়ে অংশ গ্রহণ করেন। এরপর তিনি আর পিছনে ফিরে তাকাননি।

দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্রেইজ ভ্যান্ডারওয়াট তার পা হিসেবে ব্লেড আকৃতির অতিরিক্ত অংশ স্থাপন করে দেন। পরে আইসল্যান্ডের ওসার কোম্পানি উপযুক্ত টেকসই ব্লেড তৈরি করেন। যেহেতু তার দুই পা নেই, ফলে তিনি টি-৪৩ শ্রেণিভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও টি-৪৪ শ্রেণিভুক্ত দলের দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি টি-৪৪ শ্রেণিভুক্ত দলের ২০০ মিটার ও৮০০ মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় বিশ্ব রেকর্ডের অধিকারী। এছাড়াও স্বাভাবিকভাবে টি-৪৩ শ্রেণির ১০০ মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় বিশ্ব রেকর্ডে তার নাম আছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘যা আমার নেই তা আমার সফলতার বাধা হতে পারে না। কিন্তু যা আমার আছে তা আমাকে সফল করতে পারে।’ আর তার ছিল স্বপ্ন। স্বপ্ন ছিল অন্যান্য বন্ধুদের মতো হাঁটা-চলা ও খেলাধুলা করা এবং তার চেয়েও কিছু বেশি।

ঠিক এভাবেই স্বপ্ন দেখতে হয়। স্বপ্ন জনপ্রতি ভিন্ন হবে এটাই স্বাভাবিক। আপনি নিজে আপনার স্বপ্নের স্রষ্টা, তাহলে সবচেয়ে সেরাটা নয় কেন? এটা মনে রাখবেন, যা পেলে আপনার সব পাওয়া হবে, আপনি খুশি হবেন, আপনি তৃপ্তি পাবেন, যার জন্য আপনি অনেক ত্যাগ স্বীকার করতেও প্রস্তুত—সেটাই আপনার স্বপ্ন বা গোল।


#মাইন্ডম্যাপিং

#বইয়েরপোকা




#উদ্যোক্তা

05/06/2026

Jummah Mobark

02/06/2026

স্ট্যানফোর্ড মনোবিজ্ঞানী ক্যারল ডওয়েকের-

মানসিকতার উপর ২০০৬ সালের গবেষণাটি পজিটিভ সাইকোলজির ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবেচিহ্ন করেছে। তার গবেষণা দুটি বিপরীত বিশ্বাসের মধ্যে পার্থক্য স্থাপন করেছে—

১.স্থির মানসিকতা বা ফিক্সড মাইন্ডসেট / বনাম

২.বৃদ্ধির মানসিকতা বা গ্রোথ মাইন্ডসেট।

ফিক্সড মাইন্ডসেটের লোকেরা বিশ্বাস করে যে তারা প্রতিটি ক্ষমতার ডোজ নির্ধারণ করেছে, তারা কতটা অর্জন করতে পারে তার একটি সুনির্দিষ্ট সীমা আছে। সমালোচনা তাদের আত্মসম্মানে মারাত্মক আঘাত করে। এরা বেশি কিছু ভাবতে পারে না।

গ্রোথ মাইন্ডসেট হলো মানুষকে নমনীয় বা ফ্ল্যাক্সিবল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া। এই অবস্থান থেকে, নানা রকম কৌশল, চ্যালেঞ্জ শেখার সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং আমাদের সম্ভাবনা সীমাহীন হয়ে যায়।

ইচ্ছাকৃতভাবে কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে আসা একটি গ্রোথ মাইন্ডসেট এর বহিঃপ্রকাশ। যদিও ফিক্সড মাইন্ডসেট আমাদের ব্যর্থতার ভয়ে আটকে রাখে। গ্রোথ মাইন্ডসেট সম্ভাবনাকে প্রসারিত করে। এটি আমাদের শিখতে এবং স্বাস্থ্যকর ঝুঁকি নিতে অনুপ্রাণিত করে, যা জীবনে ইতিবাচক ফলাফল বয়ে নিয়ে আসে।

কাজেই বন্ধু আপনাকে বলছি, যা করতে চান, তা হতে চানতা সুনির্দিষ্ট করুন এবং প্রথম পদক্ষেপটি ফেলুন। দেখুন আপনার পথ অর্ধেকটা শেষ হয়ে গেছে। বাকি অর্ধেক পথ শেষ হওয়া পর্যন্ত কাজে লেগে থাকতে হবে। আপনার জীবন ভাগ্যের চক্রে বলি না করে, নিজেই লিখুন নিজের ভাগ্য। বেরিয়ে আসুন প্রতিদিনের লালিত অভ্যাসের চক্র থেকে। ভেঙে ফেলুন দুঃখের দুষ্ট বৃত্ত। সৃষ্টিকর্তা আপনার সাথেই আছেন। সুরা আল বালাদে আল্লাহ বলেছেন, তিনি মানুষকে পরিশ্রম নির্ভর করে সৃষ্টি করেছেন। প্রাণান্ত প্রচেষ্টা যে চালায়, প্রভু তাকে কখনও ব্যর্থ হতে দেন না। জয় হোক আপনার।


#মাইন্ডম্যাপিং
#উদ্যোক্তা


#বইয়েরপোকা

#স্থিরজীবন

31/05/2026

আপনার কথা অন্যের ভালো নাও লাগতে পারে :

আপনার সব কথাই ঠিক বা যুক্তিসঙ্গত হবে, সবসময় এমনটা নাও হতে পারে। যখন কোনো জমায়েতে অন্তত দুইজন জ্ঞানী ব্যক্তি থাকবেন, সেখানে মতের অমিল হবেই। আমরা চাই সবাই আমাদের মতে চলুক। স্বামী চায় স্ত্রী তার কথা মতো চলুক, স্ত্রীও চায় তার স্বামী তার কথা মতো চলুক; বাবা চান সন্তানরা তার সব কথা শুনুক, অফিসের বসেরা চান কর্মীরা তাদের সব কথা মেনে চলুক। কিন্তু এটা কি ভেবে দেখেছেন- বিরোধীদল না থাকলে দেশের কী হাল হতো? আঁধার না থাকলে আলোর কী মূল্যায়ন হতো? আপনার-আমার ভুলটাকে কে ধরিয়ে দিত? কাজেই কেউ আপনার কথার বিরোধিতা করলে তাকে সাদরে গ্রহণ করুন। ধন্যবাদ দিন- আপনার ভুল শোধরাবার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে। কবির কথায় বলতে হয়, ‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো।


#মাইন্ডম্যাপিং
#স্থিরজীবন




#উদ্যোক্তা
#বইয়েরপোকা

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

House-08, Road-20/A, Sector-03, Uttara
Dhaka
1230