Saiful Lanju

Saiful Lanju

Share

Saiful Lanju is a Corporate Growth Trainer, Leadership & Life Coach, Business Consultant, Pearson certified career counsellor, Author.

I am Saiful Islam Lanju working for inspiring people for potential developments, Bangladeshi young entrepreneur and motivated to earth community of global village from the early years I started to speaking for potential development of human brain and mind and how to use their brain more and more by practicing, training their brain in a monk method how to become successful, become healthier happier

12/05/2026

মানু‌ষ শুধু সেই কাজেরই প্রতিফল পা‌বে, যার জ‌ন‌্যে সে প্রাণান্ত প্রয়াস চালা‌বে।
সূরা নজম-৩৯

12/05/2026

জীবনে আমরা সবাই কোনো না কোনো সমস্যায় আছি। কেউ ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত, কেউ পারিবারিক সমস্যায় জর্জরিত, আবার কেউ নিজের চেহারা বা সক্ষমতা নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগছে। অথচ, একটা বিষয় আমরা প্রায়ই ভুলে যাই—এই সমস্যাগুলো ঠিক করার দায়িত্ব কারো নয়, শুধুমাত্র আপনার।

আপনি যতই আশেপাশের মানুষকে বলুন, কেউ আপনার সমস্যার গভীরতা বুঝবে না। কিছু মানুষ হয়তো আপনাকে সহানুভূতি দেখাবে, কিন্তু দিন শেষে তাদের জীবন নিয়ে তারা এতটাই ব্যস্ত যে আপনার জন্য তাদের কাছে সময় থাকবে না।

আমরা প্রায়ই ভাবি, কেউ এসে আমাদের জীবন বদলে দেবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, কেউ আপনার জন্য সময় নষ্ট করবে না। এই পৃথিবী স্বার্থপর, এখানে সবাই নিজের স্বার্থ দেখছে। তাই অন্য কারো দিকে তাকিয়ে থাকার চেয়ে নিজেই নিজের সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা সবচেয়ে ভালো।

আপনার সমস্যা কীভাবে ঠিক করবেন?
১. নিজের সমস্যা চিনতে শিখুন:

কেউ আপনাকে এসে বলবে না, “এই জিনিসটা তোমার জীবনে ভুল।” আপনাকেই বুঝতে হবে কোথায় আপনি আটকে আছেন। নিজেকে সময় দিন, চিন্তা করুন।

২. দুঃখ নিয়ে পড়ে থাকবেন না:

সমস্যা সবার জীবনে আছে। যারা এগিয়ে যাচ্ছে, তারা দুঃখে ডুবে না থেকে কাজ করছে। নিজের উপর দয়া করা বন্ধ করুন।

৩. ছোট ছোট পদক্ষেপ নিন:

একদিনে সব ঠিক করা সম্ভব নয়। আপনার সমস্যা যত বড়ই হোক, প্রতিদিন ছোট ছোট পদক্ষেপ নিন। সময়ের সাথে সাথে দেখবেন, সব ঠিক হয়ে যাচ্ছে।

৪. অন্যের সাথে তুলনা করবেন না:

তুলনা করা মানেই নিজের কষ্ট বাড়ানো। আপনি জানেন না, অন্যের জীবনে কী কী সমস্যা আছে। আপনার নিজের গতিতে এগিয়ে যান।

৫. ডিসিপ্লিন মেনে চলুন:

কিছু সমস্যা শুধু ডিসিপ্লিনের মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব। সকালে উঠুন, নিজের কাজ ঠিকভাবে করুন, এবং প্রতিদিন কিছু না কিছু শিখুন।

৬. অভ্যাস বদলান:

যে অভ্যাসগুলো আপনাকে পিছিয়ে দিচ্ছে, সেগুলো চিহ্নিত করুন। ধীরে ধীরে সেগুলো বদলান।

Remember, no one is coming to save you. It’s all on you.


#মাইন্ডম্যাপিং

#বইয়েরপোকা




#উদ্যোক্তা

11/05/2026

আরিফ বদলাতে শুরু করল।

সে প্রতিদিন একটা নতুন বিষয় শিখত।ইতিহাস, ব্যবসা, মনোবিজ্ঞান, নেতৃত্ব—যা পেত পড়ত।আগে সে বন্ধুদের আড্ডায় বসে মানুষ নিয়ে কথা বলত। এখন সে বলত,
চলো নতুন কিছু শিখি।” অনেকে হাসত।বলত, বেশি জ্ঞানী হয়ে গেছিস?”কিন্তু আরিফ থামেনি। একদিন সে গ্রামের তরুণদের নিয়ে ছোট্ট একটা লাইব্রেরি তৈরি করল। পুরোনো বই সংগ্রহ করল, দেয়ালে লিখল—

“জ্ঞান মানুষকে মুক্ত করে।”শুরুতে কেউ আসত না।
কিন্তু ধীরে ধীরে কিছু ছেলে-মেয়ে সেখানে আসা শুরু করল।একদিন এক ছোট ছেলে তাকে জিজ্ঞেস করল,
“ভাইয়া, বড় মানুষ হতে হলে কী করতে হয়?”আরিফ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, “বড় মানুষ হতে হলে বড় চিন্তা করতে হয়। অন্যের ভুল না খুঁজে নিজের জ্ঞান বাড়াতে হয়।”
বছর কেটে গেল। একসময় সেই ছোট লাইব্রেরি একটা শিক্ষাকেন্দ্রে পরিণত হলো। দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসত শেখার জন্য।

এক রাতে আবার বৃষ্টি হচ্ছিল। আরিফ সেই পুরোনো লাইব্রেরির একই টেবিলে বসে ছিল। সামনে নীল আলো জ্বলছিল। সে ডায়েরির প্রথম পাতাটা আবার খুলল।
লাইনটা এখনও আগের মতোই জ্বলজ্বল করছে—

“শক্তিশালী মন আলোচনা করে জ্ঞান,
সাধারণ মন আলোচনা করে ঘটনা,
দুর্বল মন আলোচনা করে মানুষ।”

আরিফ মৃদু হেসে বুঝল—

মানুষের আসল শক্তি তার শরীরে না, তার চিন্তায়।
কারণ,যে মন জ্ঞান খোঁজে,সে একদিন নিজের অন্ধকারও আলোকিত করতে পারে।


#মাইন্ডম্যাপিং

#স্থিরজীবন
#বইয়েরপোকা
#উদ্যোক্তা



10/05/2026

Fear” — “যদি হেরে যাও?”

“Doubt” — “তুই যথেষ্ট ভালো না।”

“Society” — “মানুষ কি বলবে?”

“Failures” - প্রতিদিন পুরনো হারগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়।

সমুদ্রপাড়ের এক রহস্যময় দ্বীপ। যেখানে একটা অদ্ভুত নারিকেল গাছ ছিল। সাধারণ গাছের মতো না — এই গাছের নারিকেলগুলোতে পানি না, মানুষের “স্বপ্ন” জমা থাকত।

লোকজন বলত,

“যে এই গাছে উঠতে পারবে, সে নিজের স্বপ্ন ছুঁতে পারবে।”
কিন্তু সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়।

গাছের নিচে বাঁধা ছিল ছয়টা পাথর — Fear, Doubt, Rejection, Failures, Society, People।

এই পাথরগুলো শুধু ভারী না, এগুলো কথা বলতে পারত।
যখনই কেউ গাছে উঠতে যেত,

“Fear” ফিসফিস করে বলত —
“পড়ে গেলে?”

“People” হাসত —
“তোর দ্বারা হবে না।”

“Failures” পুরনো কষ্টগুলো মনে করিয়ে দিত।

আর বেশিরভাগ মানুষ মাঝপথেই হাল ছেড়ে দিত।
কিন্তু একদিন ছোট্ট একটা ছেলে সেখানে এলো। তার চোখে ছিল আগুনের মতো জেদ।

গাছে উঠতে শুরু করল।

প্রথম ধাপে “Society” চিৎকার করে বলল —
“মানুষ কি বলবে?”

ছেলেটা হেসে বলল,
“মানুষের কাজ বলার, আমার কাজ চলার।”

দ্বিতীয় ধাপে “Doubt” তার কানে বলল —
“তুই পারবি না।”

ছেলেটা উত্তর দিল,
“আমি না পারলে শিখব, কিন্তু থামব না।”
ঝড় এলো। দড়ি ছিঁড়ে যাওয়ার উপক্রম। হাত রক্তে ভরে গেল।

তবুও ছেলেটা উঠতে থাকল। কারণ সে বুঝে গিয়েছিল —
স্বপ্নের উচ্চতা যত বড় হয়, পরীক্ষাও তত কঠিন হয়।
অবশেষে সে গাছের চূড়ায় পৌঁছাল।

একটা “Dream” লেখা নারিকেল হাতে নিতেই পুরো দ্বীপ আলোয় ভরে গেল। আর তখনই সে সবচেয়ে বড় সত্যটা বুঝল— পাথরগুলো তাকে নিচে টানার জন্য ছিল না।
ওগুলো ছিল পরীক্ষা।

দেখার জন্য — সে সত্যিই নিজের স্বপ্নের জন্য লড়তে পারবে কিনা। সেদিনের পর থেকে দ্বীপের মানুষ একটা কথাই মনে রাখে— “স্বপ্ন পূরণ করার আগে জীবন তোমাকে ভয় দেখাবে, মানুষ হাসবে, ব্যর্থতা থামাতে চাইবে। কিন্তু যে মানুষ শেষ পর্যন্ত উঠতে থাকে, আকাশ একদিন তাকেই জায়গা দেয়।”


#মাইন্ডম্যাপিং

#স্থিরজীবন
#বইয়েরপোকা




#উদ্যোক্তা

09/05/2026

আপনার বিকাশে সুযোগের উদাহরণ—

প্রযুক্তিগত উন্নয়ন :

অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম, নতুন সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন, সামাজিক মাধ্যম এবং ডিজিটাল মার্কেটিং-এর সুযোগ।

সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন :

নতুন শিল্পের উদ্ভব, চাকরির বাজারের পরিবর্তন, সরকারি নীতি এবং সুযোগ সুবিধা।

শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ :

নতুন কোর্স, ওয়ার্কশপ, সেমিনার, মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম, স্কলারশিপ।

নেটওয়ার্কিং এবং সম্পর্ক :

নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া, কর্মশালা এবং কনফারেন্সে অংশগ্রহণ, অনলাইন কমিউনিটিতে যোগদান।

ব্যক্তিগত আগ্রহ এবং প্যাশন :

নতুন শখ খুঁজে বের করা, পছন্দের কাজ শুরু করার সুযোগ, সৃজনশীল প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ।

Opportunities বা সুযোগ কীভাবে খুঁজে বের করবেন?
চারপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করুন : বর্তমান ট্রেন্ড, নতুন প্রযুক্তি, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক পরিবর্তনের দিকে নজর রাখুন।

সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করুন : কোন ক্ষেত্রে আপনার দক্ষতা এবং আগ্রহের সাথে সুযোগের সমন্বয় ঘটতে পারে তা খুঁজে বের করুন।নেটওয়ার্কিং করুন : বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলুন, তাদের অভিজ্ঞতা জানুন এবং নতুন সুযোগ সম্পর্কে ধারণা নিন।

সংবাদপত্র এবং ওয়েবসাইট অনুসরণ করুন :

বিভিন্ন শিল্পের খবর এবং সুযোগ সম্পর্কে জানতে নিয়মিত সংবাদপত্র এবং ওয়েবসাইট পড়ুন।

পরিকল্পনা করুন :

সুযোগগুলো কাজে লাগানোর জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করুন।


#মাইন্ডম্যাপিং

#স্থিরজীবন




#বইয়েরপোকা
#উদ্যোক্তা

08/05/2026

গোল সেটিং ফ্রেমওয়ার্ক :

আসুন এবার দেখি কীভাবে গোল সেট করতে হয়, বিশেষ ২০টিরও বেশি গোল সেটিং ফ্রেমওয়ার্ক আছে। যার মধ্যে কয়েকটি বেশ জনপ্রিয়।

তাদের মধ্যে লক্ষ্য নির্ধারণের একটি বহুল ব্যবহৃত কাঠামো হলো— SMART. এর প্রতিটি অক্ষরের একটি বিশেষ অর্থ আছে, যা লক্ষ্যকে সুস্পষ্ট, পরিমাপযোগ্য, অর্জনযোগ্য, বাস্তবসম্মত এবং সময়-সীমাবদ্ধ করে তোলে। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ

S = Specific
M = Measurable
A = Achievable
R = Realistic
T = Timebound

S = Specific (নির্দিষ্ট) :

আপনার লক্ষ্যটি কী, তা স্পষ্টভাবে জানতে হবে। ‘আমি ভালো করব’ এমন অস্পষ্টতা এর পরিবর্তে ‘আমি এই সেমিস্টারে আমার গণিত ক্লাসে A+ পাবো’— এমন নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। লক্ষ্য যত নির্দিষ্ট হবে, তা অর্জন করা তত সহজ হবে। নিজেকে প্রশ্ন করুন, ‘কী অর্জন করতে চাই? কীভাবে? কোথায়? কখন? কার সাথে? কেন?’

M = Measurable (পরিমাপযোগ্য) :

আপনার লক্ষ্য অর্জন করেছেন কি না, তা কীভাবে বুঝবেন? লক্ষ্য পরিমাপযোগ্য হতে হবে। যেমন : ‘আমি প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করব’— এটি পরিমাপযোগ্য। আপনি কতক্ষণ ব্যায়াম করেছেন, তা সহজেই ট্র্যাক করতে পারবেন। যদি আপনার লক্ষ্য হয়— ‘আমি আমার ব্যবসার উন্নতি করব’ তাহলে এটিকে পরিমাপযোগ্য করতে পারেন এভাবে— ‘আমি আগামী ৬ মাসে আমার ব্যবসার আয় ২০% বাড়াবো’।

A = Achievable (অর্জনযোগ্য) :

এমন লক্ষ্য নির্ধারণ করুন যা আপনি অর্জন করতে পারবেন। বাস্তবসম্মত লক্ষ্য হওয়া জরুরি। যদি আপনি এই মুহূর্তে একটিও বই না পড়েন, তাহলে এক মাসে ৫০টি বই পড়ার লক্ষ্য নেওয়া অবাস্তব হতে পারে। তবে, আপনি যদি প্রতিদিন কিছুক্ষণ বই পড়েন, তাহলে মাসে ৫টি বই পড়ার লক্ষ্য নেওয়া সম্ভব। নিজের সামর্থ্য ও পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।

R = Realistic/Relevant (বাস্তবসম্মত/প্রাসঙ্গিক) :

আপনার লক্ষ্যটি আপনার জীবনের অন্যান্য লক্ষ্যের সাথে সংগতিপূর্ণ হতে হবে। যদি আপনার প্রধান লক্ষ্য হয় একজন ভালো সংগীতশিল্পী হওয়া, তাহলে বিজ্ঞান-ভিত্তিক গবেষণায় সময় দেওয়া হয়তো খুব একটা প্রাসঙ্গিক নাও হতে পারে। আপনার লক্ষ্যের গুরুত্ব এবং আপনার বর্তমান পরিস্থিতির সাথে তার সম্পর্ক বিবেচনা করুন। আবার ধরুন আপনি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছেন আর গোল সেট করলেন বা স্বপ্ন দেখলেন বড়ো ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করবেন, তা তো হবে না। তাই আপনার গোল হতে হবে প্রাসঙ্গিক। আপনি যে ফিল্ডে আছেন সেখানে সেরা হওয়ার গোল সেট করুন।

T = Timebound (সময়-সীমাবদ্ধ) :

আপনার লক্ষ্য কখন অর্জন করতে চান, তার একটি সময়সীমা থাকতে হবে। ‘আমি এই বছর একটি নতুন ভাষা শিখব’—এর পরিবর্তে ‘আমি আগামী ৬ মাসের মধ্যে স্প্যানিশ ভাষার প্রাথমিক কোর্স সম্পন্ন করব’—এমন সময়সীমা থাকলে লক্ষ্য অর্জন করা সহজ হয়। আপনার গোলের একটা টাইম বাউন্ড থাকবে, কোন সময়ের মধ্যে আপনি কতটুকু কাজ করতে চান তা নির্দিষ্ট করে ফেলুন। সময়সীমা না থাকলে, লক্ষ্য অর্জনে দেরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


#মাইন্ডম্যাপিং

#বইয়েরপোকা
#স্থিরজীবন

#উদ্যোক্তা


08/05/2026

Jummah Mobarak

06/05/2026

SWOT এনালাইসিস কীভাবে কাজ করে?

SWOT এনালাইসিস মূলত চারটি তালিকা তৈরি করার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। আসল কাজ হলো এই চারটি অংশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা এবং সেগুলোকে কাজে লাগিয়ে কৌশল তৈরি করা। নিচে কিছু কৌশল আলোচনা করা হলো:

শক্তি এবং সুযোগ (SO) কৌশল: আপনার শক্তিগুলোকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে সুযোগগুলো গ্রহণ করবেন? যেমন: আপনার যদি ভালো যোগাযোগ দক্ষতা থাকে, তাহলে আপনি নেটওয়ার্কিং ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারেন।

দুর্বলতা এবং সুযোগ (WO) কৌশল:

আপনার দুর্বলতাগুলোকে কাটিয়ে উঠে কীভাবে সুযোগগুলো গ্রহণ করবেন? যেমন: আপনার যদি প্রযুক্তিগত দুর্বলতা থাকে, তাহলে আপনি অনলাইন কোর্স করে সেই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠে নতুন সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেন।

শক্তি এবং হুমকি (ST) কৌশল:

আপনার শক্তিগুলোকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে হুমকিগুলো মোকাবিলা করবেন? যেমন: আপনার যদি সমস্যা সমাধান করার ক্ষমতা থাকে, তাহলে আপনি অর্থনৈতিক মন্দার সময় নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত থাকতে পারবেন।

দুর্বলতা এবং হুমকি (WT) কৌশল:

আপনার দুর্বলতাগুলোকে কমিয়ে কীভাবে হুমকিগুলো এড়িয়ে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন? যেমন:আপনার যদি সময় ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা থাকে এবং চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা একটি হুমকি হয়, তাহলে সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আপনি এই হুমকির প্রভাব কমাতে পারেন।

মাইন্ড ম্যাপিং এবং SWOT এনালাইসিস :

‘মাইন্ড ম্যাপিং’ একটি অত্যন্ত কার্যকর ভিজ্যুয়াল টুলস যা তথ্য সংগঠিত করতে এবং চিন্তাভাবনাকে প্রসারিত করতে সাহায্য করে।

SWOT এনালাইসিসকে মাইন্ড ম্যাপের মাধ্যমে উপস্থাপন করলে, আপনি খুব সহজে চারটি অংশের মধ্যে সম্পর্ক দেখতে পারবেন এবং কার্যকর কৌশল তৈরি করতে পারবেন।


#মাইন্ডম্যাপিং

#বইয়েরপোকা
#স্থিরজীবন




#উদ্যোক্তা

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

House-08, Road-20/A, Sector-03, Uttara
Dhaka
1230