আমার ক্ষেত্রে কেউ আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে আমি তাকে ক্ষমা করে দেই, কেননা আমি নিজেই সব চাইতে বেশি আমার বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি।
Kabir-কবীর
Sports Analysis
সর/ক/রের কোনো দোষ নাই, ইন্টেলিজেন্সের কোনো দোষ নাই!
দেশের ডাক্তার, আইন-শৃঙ্খলা, বিচার ব্যবস্থা - কারো কোনো দোষ নাই।
দোষ শুধুমাত্র সিংগাপুরের ডাক্তারদের। তারাই পারেনি হাদীকে বাঁচাতে।
বাহ! Nice Play Interim!
কোনো আবেগী কথা এখন আসতেছেনা। হাদীরা ফিরে আসবে, আমরা হাদী হয়ে উঠবো, এইসব হাবিজাবি কথা এখন আসতেছেনা।
বুকের মধ্যে আ-গুন জ্ব/ল-তেছে। কোনো কিছুই কী করতে পারবেনা ইন্টেরিম? আর কত ধৈর্যের পরীক্ষা দিলে মুক্তি পাবে বাঙালি?
শরীর ঠিক আছে, চোখে ঘুম, মুখে হাসি সবই আছে! কিন্তু কেউ জানে না, প্রতিদিন আমি একরাশ হতাশা নিয়ে ঘুমাতে যাই।
জীবন এমন এক জায়গায় এনে ফেলেছে, যেখানে বাঁচার ইচ্ছে আছে, কিন্তু আনন্দ নেই যেখানে মানুষ আছে, কিন্তু সম্পর্ক নেই। ভেতরে কেমন যেন ফাঁকা লাগ সব সময়, এটা কি দুঃখ? না কি নিজেকেই আর খুঁজে না পাওয়ার যন্ত্রণা?
16/12/2025
গেল বছরের ভুলে ভরা অতীতকে আমি কোলে পিঠে মানুষ করব; ভুল মানে ফেলে দেয়া না, ভুল মানে শুধরে নিয়ে সাথে রাখা।
চিন্তার ভেতরে‚
তোমার অতীত কথা গত হয়েছে...
আমার মুগ্ধ হবার ক্ষমতা কমে গেছে। একটা সময় ছিল যখন ভোর চারটা বাজে একটা বই শেষ করে মলাটের শেষে লেখকের ছবির দিকে তাকিয়ে থেকে আবার প্রথম পৃষ্ঠা থেকে পড়া শুরু করেছি। বৃষ্টির দিনে কনস্ট্রাকশন ভবনে বাঁশের খুটিতে দাড়িয়ে থাকা রঙ মিস্ত্রীকে কাঁপতে দেখে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকতাম।
এক একটা সাদামাটা গানকে মনে হত, এর একটা জ্যান্ত শরীর আছে, কপালের নিচে দুটা কাজল মিশ্রিত চোখ আছে। দুয়োর বন্ধ করে গান রিপিট দিয়ে সেই চোখের দিকে তাকালে মনে হত প্রিয়তমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছি!! গ্রামের বাড়ির উঠানে সিডি ভাড়া করে বাণিজ্যিক হিন্দি সিনেমা দেখে যে আনন্দ হয়েছিল; কোথায় যে হারিয়ে গেলো।
আমার মুগ্ধ হবার ক্ষমতা কমে গেছে, ভার্সিটির লাইফে স্যার গুলো যখন কেরানি মার্কা রসিকতা করে ছাত্রদের হাসানোর চেষ্টা করত, আমি তখন দাঁতে দাঁত কেলিয়ে শক্ত হয়ে বসে থাকতাম।
আমার কষ্ট পাবার ক্ষমতা কমে গেছে। একটা সময় ছিল যখন মুরগির বাচ্চা জবাই করার সময় চোখ মিটমিট করে যেভাবে আমার দিকে তাকাত, মনে হত সে যেন আমার কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইছে ; কষ্ট হত খুব। অর্ধেক শরীর রাস্তার আইলেনে আর অর্ধেক শরীর রাস্তায় ফেলে দেয়া পাগলীর শরীর দেখে কষ্ট পেতাম।
শীতের রাতে জ্যাকেটের পকেটে হাত ঢুকিয়ে হাঁটতে বের হতাম, মৌলিক কোন দুঃখ না থাকলেও কোথায় যেন একটা দুঃখ থাকত !! দুঃখটা এমন যে এর কোন নির্দিষ্ট কারণ নেই। আমার কষ্ট পাবার ক্ষমতা কমে গেছে এর মানে এই না যে আনন্দ পাবার ক্ষমতা বেড়ে গেছে। নদীর স্রোতে ভাসতে থাকা মানুষের লাশের মত, স্রোত বাড়ুক অথবা কমুক , তার আর কিছুই আসে যায় না।
আমার আমাকে চেনার ইচ্ছেটা বেড়ে গিয়েছে। জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় গুলো কাটাতে চাই একান্তই নিজের সাথে। আয়নার মানুষটার দিকে তাকালে প্রথমে খুব চেনা লাগে, আরও কিছুক্ষণ তাকালে অচেনা লাগে, আরও কিছুক্ষণ তাকালে এত চেনা লাগে যে, ভয় হয় খুব।
আমি অপবাদ অসম্মান নিতে পারিনা। কেউ যদি আমাকে ভুল বুঝে তবে আমি তার ভুল ভাঙানোর যথাযথ চেষ্টা করতে পারি।
কিন্তু সে যদি ভুল বুঝে নিজ ধারণা থেকেই আমাকে অপবাদ দিতে থাকে, অসম্মান করতে থাকে, আমি মেনে নিতে পারিনা।
এমনো কনকনে শীতের সময়ে যে তোমার আলিঙ্গন পেয়েছে, তার প্রিয় ঋতু শীত হবে এতে আমি কোনো সন্দেহ রাখিনা।
যেকোনো মুহূর্তে যে তোমার হাতের মুঠো স্পর্শ করবার অধিকার পেয়েছে, শীতকাল তার নির্ঘাত সবচেয়ে বেশি পছন্দের।
হিমেল বাতাসের স্পর্শে, শীতের নির্মম ছোঁয়ায় দেহ কাঁপছে থরথর করে। তখনও আমি শীতল মেঝেতে খালি পায়ে দাঁড়িয়ে ভাবছি, শীতকাল মন্দনয়।
ভাবছি যদি তোমাকে এক নজর দেখার সৌভাগ্য হতো, তবে পুরো শীতকাল আমার অনায়াসে কেটে যেতো।
ওসমান ছেড়ে যাইসনা ভাই🙏
12/12/2025
ফিরে আয় ভাই।😰
এই দেশে তোদেরকেই লাগবে। 😰
আমার দায়বদ্ধতা আমাকে মুক্ত করে পাপ থেকে
কিন্তু আমার পাপ বন্দী করে আমাকে;
নানান লোভনীয় কায়দায়।
আমি লোভী না, কিন্তু আমার লোভ হয়,
সুখের প্রতি।
আমার সুখ আমাকে নিয়ে চলে
পাপের কাছে।
আমি পাপী না কিন্তু আমার দ্বারা পাপ হয়।
আমার 'পাপ' তার পক্ষে সাফাই গাওয়ার
একটা যুক্তি খুঁজে নেয়।
কিন্তু আমার মুক্তি মেলে না।
সনাতন পদ্ধতিতে খুঁজে বেড়াই
ঈশ্বর প্রদত্ত হৃদয়ের মৌলিক চাহিদা।
যবে থেকে আমার পাপ আমাকে আর
পূর্বের ন্যায় সুখী করে না।
ভারি আশ্চর্য এক দায়বদ্ধতা ঝিনুকের মতো
ভেসে আসে জোয়ারের পানিতে।
আমার দায়বদ্ধতা আমাকে
মুক্ত করে পাপ থেকে।
কিন্তু আমার পাপ বন্দী করে আমাকে;
নানান লোভনীয় কায়দায়।
Zunayed Evan
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Dhaka