02/23/2026
অন্যান্য দেশে রমজান আসে আত্মশুদ্ধির জন্য, ইবাদতের জন্য, আল্লাহর কাছে আরও কাছে যাওয়ার জন্য…
কিন্তু আমাদের দেশে?
রমজান মানেই যেন এক শ্রেণির মানুষের জন্য “মুনাফার সিজন”! 😢
এই পবিত্র মাসটাকে তারা তিন ভাগে ভাগ করে নেয়—
🔹 প্রথম ১০ দিন
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসায়ীদের উৎসব।
চাল, ডাল, তেল, চিনি— সবকিছুর দাম হঠাৎ করেই আকাশ ছুঁয়ে ফেলে।
একজন রোজাদার যখন ইফতারের চিন্তায় থাকে, তখন বাজারে তার চোখে পড়ে শুধু বাড়তি দামের বোঝা। 😓
🔹 দ্বিতীয় ১০ দিন
কাপড় ব্যবসায়ীদের সোনালি সময়।
ঈদের আনন্দকে পুঁজি করে বাড়ানো হয় দাম, যেন এক মাসেই উঠে আসে সারা বছরের লাভ।
একজন বাবা তার সন্তানের মুখের হাসির জন্য দরদাম করতে করতে ভেঙে পড়ে ভেতরে ভেতরে… 😥
🔹 শেষ ১০ দিন
পরিবহন ব্যবসায়ীদের রাজত্ব।
নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষগুলোর কাছে দ্বিগুণ, কখনও তিনগুণ দামে বিক্রি হয় টিকিট।
মায়ের মুখটা একবার দেখার জন্য, পরিবারের সাথে ঈদ করার জন্য— মানুষ বাধ্য হয়ে সেই বাড়তি দামই দেয়। 🥹👨🦳
রমজান তো হওয়ার কথা ছিল রহমত, মাগফিরাত আর নাজাতের মাস…
কিন্তু আমরা কি এটাকে বানিয়ে ফেলছি লোভ আর সুযোগের মাস?
কবে আমরা বুঝবো—
রমজান শুধু রোজা রাখার নাম না,
রমজান হলো বিবেক জাগ্রত করার নাম। 💔
02/11/2026
হলুদ মিডিয়াগুলোর শুধু হাত পরিবর্তন হয়েছে, চরিত্রের পরিবর্তন হয়নি।
সেটা আজ আবার প্রমাণিত হলো !
02/11/2026
সাবাস সেনাবাহিনী। হারু পাট্টি এইসব কী শুরু করলো?
(যুগান্তর আবার যেন ডিলিট না দেয়। স্ক্রিনরেকর্ড নিয়ে রাখছি)
02/07/2026
যারা শহীদ ওসমান হাদীকে নিয়ে কটুক্তি কর ভিডিও বা পোস্ট করতেছেন দয়া করে তারা একটু শহীদ শরীফ ওসমান হাদী ইতিহাসটা পড়ে দেখবেন।
শহীদ শরীফ ওসমান হাদী।
একটি নাম নয়—একটি ত্যাগ।
ইতিহাস সাক্ষী, অন্যায়ের সামনে নত না হওয়াই ছিল তাঁর পথ।
আমরা ভুলে যাই না।
ত্যাগ কখনো হারায় না—তা পথ দেখায়
02/06/2026
এই পুলিশ সদস্যের নাম রাশেদ কাজী। এই লোক আজকে রাস্তায় মানুষ পিটায়ে বলে বেড়াইসে, আয় আয় হাদীর লাশ নিয়া যা।
ভাবসিলাম ছাত্রলীগ মনে হয়, পরে দেখি না, সে ছাত্রদল করতো।
অবাক হই নাই আসলে। এখন আর অবাক হওয়ার মত কিছু দেখি না।
ব্যর্থ ফ্যাসিস্ট অনেকদিন ক্ষমতায় না থাকলে সফল ডেমোক্র্যাটের ভুমিকায় অভিনয় করে।
02/06/2026
যে ভাইটি পুলিশের উপুর্যুপরি আঘাতের মুখেও অটল পর্বতের ন্যায় দাঁড়িয়েছিলেন আমরা তার পরিচয় পেয়েছি। তিনি ছারছীনা মাদরাসার সাবেক শিক্ষার্থী। বর্তমানে কবি নজরুল কলেজে মাস্টার্সে পড়াশোনা করছেন।
মাইরের একটা পর্যায়ে তিনি অটল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে একজন পুলিশ বাকিদের সরিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরতে চাইলে তিনি তাকে দু'হাত দিয়ে শক্ত ভাবে সরিয়ে দেন। কি প্রচন্ড অভিমান আর ক্ষোভ জমে থাকলে এমন ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা যায় ভাবছি! গাইরত কতখানি শক্তিশালী হলে ওভাবে আলিঙ্গনের আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দেয়া যায়! জানিনা তিনি তখন কি ভাবছিলেন, হাদির কথা ভাবছিলেন কি??
তার নাম মো: সাজিদ। তার আইডির বায়োতে লেখা "শাহাদাতের জন্যেই মায়ের উদর থেকে পৃথিবীতে পা রেখেছি"
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, তিনি মাথায় মারাত্মক চোট প্রাপ্ত হয়েছেন। পিঠে এবং পায়েও আঘাত পেয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে এখন বাসায় অবস্থান করছেন। তবে আরও ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে৷ সাহসী ভাইটির জন্য আমরা দু'আ চাই।
তথ্যসূত্র : সাধারণ আলেম সমাজ
02/06/2026
যে ভাইটি পুলিশের উপুর্যুপরি আঘাতের মুখেও অটল পর্বতের ন্যায় দাঁড়িয়েছিলেন আমরা তার পরিচয় পেয়েছি। তিনি ছারছীনা মাদরাসার সাবেক শিক্ষার্থী। বর্তমানে কবি নজরুল কলেজে মাস্টার্সে পড়াশোনা করছেন।
মাইরের একটা পর্যায়ে তিনি অটল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে একজন পুলিশ বাকিদের সরিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরতে চাইলে তিনি তাকে দু'হাত দিয়ে শক্ত ভাবে সরিয়ে দেন। কি প্রচন্ড অভিমান আর ক্ষোভ জমে থাকলে এমন ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা যায় ভাবছি! গাইরত কতখানি শক্তিশালী হলে ওভাবে আলিঙ্গনের আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দেয়া যায়! জানিনা তিনি তখন কি ভাবছিলেন, হাদির কথা ভাবছিলেন কি??
তার নাম মো: সাজিদ। তার আইডির বায়োতে লেখা "শাহাদাতের জন্যেই মায়ের উদর থেকে পৃথিবীতে পা রেখেছি"
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, তিনি মাথায় মারাত্মক চোট প্রাপ্ত হয়েছেন। পিঠে এবং পায়েও আঘাত পেয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে এখন বাসায় অবস্থান করছেন। তবে আরও ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে৷ সাহসী ভাইটির জন্য আমরা দু'আ চাই।
তথ্যসূত্র : সাধারণ আলেম সমাজ
02/06/2026
ইমুতে সরকারি কর্মকর্তাদের আন্দোলন আপনি সমর্থন করেন কিনা?
02/06/2026
হাসনাত আব্দুলাহ এর পডকাস্ট দেখছিলাম।
তিনি একটি কথা বললেন
শুনে বুকের ভেতরটা হঠাৎ করে ভারী হয়ে গেল।
উনি বললেন, উনি নিজের ছেলের দিকেও বেশি তাকান না। কারণ যদি মায়া জন্মে যায়?
আর যদি সেই মায়ার জন্য…
দেশের কোনো সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে নরম হতে হয়?
তাই তিনি ইচ্ছে করেই নিজের ছেলের প্রতি মায়া বাড়ান না।
এই কথাটা উনি বলছিলেন মুখে হাসি নিয়ে।
আর আমি শুনে চুপ হয়ে গিয়েছিলাম।
দেশকে আমরা সবাই ভালোবাসি
এই কথাটা বলা খুব সহজ।
কিন্তু এমনভাবে ভালোবাসতে পারা কয়জন?
নিজের সন্তানের মায়াকেও পেছনে রেখে দেশের কথা ভাবতে পারা কয়জন?
এই ভালোবাসা আবেগের না, এই ভালোবাসা দায়িত্বের।
এই ভালোবাসা কথার না, সিদ্ধান্তের।
খুব সম্ভবত বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম আমরা এমন একজন মানুষকে পেয়েছি, যিনি দেশকে নিজের সবকিছুর ওপরে রাখতে পারেন এমনকি নিজের সন্তানের মায়ারও ওপরে।
WE LOVE YOU CAPTAIN
দেশ তোমাকে মনে রাখবে, হাসনাত আব্দুলাহ ভাই।©