Football Gimmick

Football Gimmick

Share

Football Gimmick is a place where football is felt with emotion but judged by reality.

Not names or fame, but the 90 minutes on the pitch, tactics, and real performance matter. Reason over emotion, truth over drama, where analysis comes before opinions.

23/02/2026

২০১৯ সালে প্রি সিজন ফ্রেন্ডলিতে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কাছে ৭-৩ গোল ব্যাবধানে হারের পর ক্যাসেমিরো :
যখন আমি আমার দলকে প্রি সিজন ফ্রেন্ডলিতে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হারতে দেখেছি তখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আমি আর ছুটি কাটাতে পারবো না। এবং আমি ডিজনি ওয়ার্ল্ডেও যেতে পারবো না। তাই আমি আমার মেয়েকে তখন বলেছিলাম,
"বাবার সমস্যা আছে এবং কাজ আছে তাই আমি আর ছুটি চালিয়ে যেতে পারবো না। "
রিয়াল মাদ্রিদে ক্যাসেমিরো নিজের যেই লেগাসি রেখে গেছেন তা কেউই ব্রেক করতো পারবে না। তবে রিয়ালের হয়ে ক্যাসেমিরোর লেগাসি ছাড়িয়ে বেশকিছু আবেগঘন মুহুর্তই মাদ্রিদিস্তাদের মনের গহিনে আজীবনের মতো থেকে যাবে।
যেমনটা রয়ে গেছে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের রাগ করে ক্যাসেমিরোর সাথে কথা না বলার মাধ্যমে কিংবা ক্লাব ছাড়তে চাওয়ায় কার্লো আনচেলত্তির চোখের সেই দু'ফোটা অশ্রুজলের মধ্যে।
রিয়াল মাদ্রিদের থ্রিপিট জয়ী দলের অন্যতম সদস্য এবং চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ইতিহাসে সর্বোচ্চ চ্যাম্পিয়ন্সলীগ জয়ী এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার আজ নিজের ৩৪ তম বসন্তে পা দিয়েছেন। শুভ জন্মদিন কার্লোস হ্যানরিক ক্যাসেমিরো।

23/02/2026

🇧🇷 আরেকবার পেনাল্টি শট সেইভে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিলেন হুগো সৌজা। পাউলিস্তা কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে কারিনস্থান্সের হয়ে মূল ম্যাচে ১ টি ও টাইব্রেকারে ২ টি পেনাল্টি সেইভ দিয়ে দলকে সেমিফাইনালে তুলেছেন এই গোলকিপার!
সর্বশেষ ৩৭ টি পেনাল্টি শটের ১২ টি তিনি সেইভ দিতে সক্ষম হয়েছেন। ব্রাজিলের টাইব্রেকার সমস্যার সমাধান হতে পারবেন হুগো সৌজা? 👀

23/02/2026

মডার্ন ফুটবলে, " উইঙ্গার " বহুল আলোচিত শব্দ। রাইট উইঙ্গার /লেফট উইঙ্গার, এদের উইঙ্গারের পরিবর্তে "আউটসাইড রানার" বলা হয় না কেন?
উইঙ্গার আসলে কী?

— উইঙ্গার হলো এটাকিং জোনের প্লেয়ার। সাধারনত স্ট্রাইকারের সাথে পিচের একদম ডান ও বামদিকে দুইজন উইঙ্গার থাকে। উইং মানে 'পাখা বা পাখির পাখনা' বলা হয়, সেখান থেকেই উইঙ্গার নামের উৎপত্তি।

মূলত উইঙ্গাররা স্বভাবতই খুবই ফাস্ট। এদের ওয়ান অফ দা মেইন জবই হচ্ছে, ডিফেন্ডারদের ড্রিবল পাস্ট করে ফরওয়ার্ড মুভ / ক্রস বা কাটব্যাক করে গোলস্কোরিং চান্স তৈরি করা। এবং ওয়াইড এরিয়া থেকে এটাকিং জোনে সাপোর্টিং উইপনের রোল প্লে করা । একই সাথে পিচে পেইস, ড্রিবলিং স্কিল, ক্রিয়েটিভিটি, ফরওয়ার্ডদের সাথে লিংকআপ প্লের মাধ্যমে চান্স ক্রিয়েট করা।

একটা সময় উইঙ্গাররা শুধু টাচলাইনেই অপারেট করতো, আর স্ট্রাইকারদের ক্রস দিতো। তবে মডার্ন ফুটবলে উইঙ্গারের শুধু চান্স ক্রিয়েট করলেই হয় না। বরং স্পেস তৈরি করা, গোল করা এবং করানো এবং ডিফেন্সে হেল্প করা।

আগে উইঙ্গার ছিল অনেকটা “সার্ভিস বয়”, এখন উইঙ্গার অনেক সময় দলের মেইন গোল থ্রেট। যুগের সাথে এই পজিশনের পরিবর্তন হয়েছে, নাম এবং রোলের পরিবর্তন হয়েছে। মডার্ন ফুটবলে যাদের এপ্রোচ আলাদা, মোটিভ আলদা, প্লেয়িং স্টাইল আলাদা। যেমন—

ট্রেডিশনাল উইঙ্গারঃ
এরা হলো ওল্ড-স্কুল ফুটবলার। তাদের মূল কাজই সাইডলাইন ঘেঁষে খেলা এবং ড্রিবলিং করে ডিফেন্ডারকে বিট করে বক্সে ক্রস করা। ব্যাস। ওল্ড স্কুল বলার রিজন হলো, একটা সময়ে উইঙ্গার ছিলোই এমন। রাইট ফুটেড প্লেয়ার রাইট উইঙ্গে খেলবে আর লেফট ফুটেড লেফট উইঙ্গে।

যাতে এন্ড লাইন পর্যন্ত গিয়ে বক্সে ক্রস করতে পারে। মূল দায়িত্ব ছিলো- টাচলাইন ধরে রাখা, উইংয়ে স্পেস তৈরি করা এবং স্ট্রাইকারের জন্য চান্স ক্রিয়েট করা, দলের উইথ ঠিক রাখা, অপোনেন্ট ডিফেন্সকে নিজের দিকে অ্যাট্রেক্ট করে রাখা।

বর্তমানে শুধুই ক্রস দিয়ে ম্যাচ খেলা যায় না, তাই এই স্পেসিফিক টাইপ বিলুপ্তপ্রায়। ট্রেডিশনাল উইঙ্গার বললেই সবার আগে নাম আসবে স্যার ডেভিড বেকহ্যাম, রায়ান গিগস, গ্যারিনচা, লুইস ফিগোর মতো গ্রেটদের।

ইনভার্টেড উইঙ্গারঃ
বর্তমান মডার্ন ফুটবলে এটাই সবথেকে জনপ্রিয়। এখানে রাইট-ফুটেড প্লেয়ার খেলে লেফট উইংয়ে এবং লেফট-ফুটেড খেলে রাইট উইংয়ে। তারা উইং থেকে বল নিয়ে হাফ-স্পেসে ঢোকে এবং তাদের স্ট্রং লেগ দিয়ে গোলবারে শট নেয়।

ভেতরে কাট ইন করে শট নেয় বা থ্রু বল দেয়। গোল থ্রেট তৈরি করা, ফুলব্যাকের জন্য ওভারল্যাপ বা আন্ডারল্যাপ করার জায়গা করে দেওয়াই এদের মেইন রোল। সাধারনত বর্তমানে এই ইনভার্টেড উইঙ্গাররাই অনেক সময় দলের মেইন স্কোরার হয়ে থাকে।

আরিয়েন রবেন, কাট ইন করে শট নেওয়া তার সিগনেচার ট্রেইট ছিলো। তাছাড়া রিয়াদ মাহরেজ, বেল এবং ভিনি এই পজিশনের টপ প্লেয়ার।

ইনসাইড ফরওয়ার্ড (উইঙ্গার +স্ট্রাইকার হাইব্রিড)ঃ
অনেকেই ইনভার্টেড উইঙ্গারের সাথে ইনসাইড ফরওয়ার্ডদের গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য হলো 'ইন্টেনশন'। ইনসাইড ফরওয়ার্ডরা উইঙ্গার হিসেবে শুরু করলেও প্রায়ই বক্সে ঢুকে পড়ে এবং মূলত সেকেন্ড স্ট্রাইকারের রোল প্লে করে।

এদের উইংয়ে খুব একটা দেখা যায় না। মোস্ট অব দ্যা টাইম, বক্সে ঢুকে পড়ে এবং গোল করার উদ্দেশ্যে। অবশ্য এদের মেইন রোলই হচ্ছে গোল করা, স্ট্রাইকারদের প্রেশার এবজর্ব করা, কাউন্টারে প্রোএক্টিভ হওয়া । এরা ক্রসিংয়ের চেয়ে ফিনিশিংয়ে বেশি ফোকাসড।

ইনসাইড ফরওয়ার্ডদের সেরা কিছু উদাহরণ হলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (উইনাইটেড ও মাদ্রিদের টাইমে এই পজিশনেই ফুটবল মাতিয়েছেন), থিয়েরি অঁরি, সন হিউং-মিন, মো সালাহ, সাদিও মানে, রাফিনহা ইত্যাদি।

ওয়াইড প্লেমেকারঃ
এরা গতি দিয়ে নয়, বরং বুদ্ধিমত্তা এবং পাসিং রেঞ্জ দিয়ে খেলা নিয়ন্ত্রণ করে। খেলার ধরন হলো এরা উইংয়ে থাকলেও মূলত মিডফিল্ডারের মতো খেলে। বল ধরে রাখে, পাস দেয়, টেম্পো নিয়ন্ত্রণ করে ম্যাচ ক্যারি করে । ভেতরের দিকে এসে থ্রু-বল দেয় বা খেলার রিদম ঠিক করে।

ওয়াইড প্লেমেকাররা দৌড়ে কম করে, কিন্তু মাথা বেশি খাটায়। তাদের মূল দায়িত্বই ক্রিয়েটিভিটি। এদের ড্রিবলিং স্পিড কম থাকলেও ভিশন থাকে তুখোড়।

বেস্ট উদাহরণ হলো লিওনেল মেসি। মেসি রাইট উইং থেকে শুরু করলেও আসলে প্লেমেকার হিসেবেই অপারেট করে থাকেন। এরপর আরো ভালো কিছু প্লেয়ার হলেন ডেভিড সিলভা, বার্নার্ডো সিলভা, কুলুসেভস্কি, জ্যাক গ্রিলিশ।

উইঙ্গার ফরওয়ার্ড/হাইব্রিড উইঙ্গারঃ
এই এক ধরনের উইঙ্গার আছে, এটা এদের অফিশিয়াল পরিচিতি না তবে বিশেষভাবে অপারেট করে থাকে। এদের খেলার ধরণ হচ্ছে এরা উইঙ্গার + স্ট্রাইকার + প্লেমেকার। সবই করে, ভয়ংকরভাবে।

অনেক সময় দলের অ্যাটেকিং এর মূল দায়িত্বই থাকে এদের ঘাড়েই যেমন গোল, অ্যাসিস্ট, ড্রিবলিং, প্রেসিং, প্লেমেকিং সবই করবে। দলের অ্যাটাকে লীড দিবে এবং সর্বোচ্চ আউটপুট দেওয়ার চেষ্টা করবে। পারফেক্ট উদাহরণ হচ্ছে নেইমার, এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

আজকের দিনে উইঙ্গার মানে শুধু দৌড় নয়, শুধু স্কিল নয়, শুধু গোল নয়। বর্তমান ম্যানেজাররা চায় হচ্ছে ইনভার্টেড বা ইনসাইড ফরওয়ার্ড টাইপ উইঙ্গারস। যারা গোল করতে পারে, প্রেসিং বুঝে, পজিশনাল প্লে বুঝে।

আবার ট্যাকটিকাল বেজড কোচরা যেমন পেপ গার্দিওলা বা মিকেল আর্টেটার মতো ম্যানেজাররা আবার ট্রেডিশনাল 'টাচলাইন উইঙ্গার' ফিরিয়ে আনছেন যেমন: জেরেমি ডোকু বা বুকায়ো সাকা।

মূল রিজন হলো- উইঙ্গার যদি একদম সাইডলাইনে থাকে, তবে অপনেন্ট ডিফেন্স লাইন চওড়া হয়। ফুলব্যাক আর সেন্টারব্যাকরা একপেশে হয়ে থাকলে হাফ-স্পেসে আর জোন 14-এ স্পেস তৈরি হয়। তখন ফুলব্যাকরা আন্ডারল্যাপ করতে পারে বা মিডফিল্ড থেকে বল সাপ্লাই দিতে পারবে।

মডার্ন ফুটবলে একজন উইঙ্গারকে Decision Making-এ প্রো হতে হয়। কখন ড্রিবল করবে, কখন পাস দেবে আর কখন বক্সের ভেতর সলিড রান নেবে। এই লজিক যার মাথায় যত শার্প, সে তত বেটার প্লেয়ার।

22/02/2026

To win

22/02/2026

🗣️ Endrick: “I hope one day to reunite with Kylian and Vini to win the Champions League and many other titles.”

22/02/2026

All Time XI

22/02/2026

ওসাসুনার বিপক্ষে ম্যাচটা ট্রিকি হবে, হয়তো মাদ্রিদ পয়েন্ট ড্রপ করবে। এসব নিয়ে মানসিক ভাবে প্রস্তুতও ছিলাম। ম্যাচ খেললে হারবো নয়তো জিতবো। তবে প্যারাদায়ক ব্যাপার হচ্ছে যেভাবে হেরেছি।

লুক, শাবির পরে আর্বেলোয়াও বেশ ডিফেন্সিভ খেলছে, প্লেয়ার ম্যানেজমেন্ট ইস্যুতে । ভিনি/ বাপ্পে কে সাব করতে চাইছে না। কার্ভাকে খুশি রাখতে স্টার্ট করানো হয়েছে, ইভেন ৬০+ মিনিট পর্যন্ত খেলানো হলো।

আলাবাকে পুরো ম্যাচ খেলানো হলো। এমবাপ্পে বেশ কয়েক ম্যাচ ধরেই অফফর্মে। আর কাল ছিল সেটা চূড়ান্ত। তারপরেও ৯০ মিনিট খেলানো হলো। যদিও ঐ সময় গার্সিয়া বেটার করতো। গার্সিয়াকে নামানো হলো তবে স্পেসই পেলো না।

আবার আসেনসিও নামানো হলো আলাবার সাথে। অথচ দুইজনই ইনজুরি ফেরত। অন্তত আসেনসিও বা আলাবার সাথে রুডিগারকে খেলানে উচিত ছিল। তাহলে ডিফেন্স এতো এক্সপোজ হতো না।

আর্বেলোয়াকে প্লেয়ারদের তোষন করা বন্ধ করতে হবে। তার দায়িত্ব প্লেয়ার খুশি করা না, ম্যাচ জেতা।আর ম্যাচ জেতার জন্য ভিনি / বাপ্পে বা ক্যাপ্টেন কার্ভাদেরও সাব করাইতে হবে লাগলে বেঞ্চডও করতে হবে।

21/02/2026

আজকেও দুই গোল করলেন, হাজার গোলের কাছাকাছি এগিয়ে গেলেন আরো। বিশ্বকাপের আগে কয় গোল করবেন সেটা সময় হাতেই ছেড়ে দেয়া যাক। রোনালদো যে এখনো দৌড়াচ্ছে এটাই অনেক।

21/02/2026

আলভারো আরবেলোয়া:
এমবাপ্পে যখন ১০০% ফিট নন, তখন তাকে পুরো ৯০ মিনিট খেলিয়ে যাওয়া কি সঠিক সিদ্ধান্ত? আমি গত সপ্তাহান্তেই রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে তাকে বিশ্রাম দিয়েছি।
​আমরা খেলোয়াড় এবং ডাক্তারদের সাথে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে থাকি।

​আমাদের এখন আতঙ্কিত হওয়া বা বিশ্বাস হারানো চলবে না, লা লিগায় এখনও অনেক ম্যাচ বাকি এবং আপনি সব ম্যাচ জিততে পারবেন না।

​আমি এখানে ৬ সপ্তাহ ধরে আছি এবং দলের এখনও সেই একই সমস্যাগুলো রয়ে গেছে—তীব্রতার অভাব? হয়তো আমি ভুল বলেছি, আমি বলতে চাইনি যে আমাদের তীব্রতার অভাব আছে, আমি বলতে চেয়েছি আমাদের প্রতিপক্ষের তীব্রতার সাথে তাল মেলাতে হবে।
আমরা যখন খেলতে আসি, দলগুলো তাদের সেরাটা দিয়েই লড়াই করে।
​বিধ্বস্ত? না, একদমই না। লা লিগা এখনও অনেক লম্বা পথ।

21/02/2026

রিয়াল মাদ্রিদে বিহাইন্ড দ্যা লাইনে রান মেক করার জন্য কেউ নাই এবং বক্সে পজিশন নেয়ার মতো কেউ নাই। এই দিকে আমি, আমরা গোলের জন্য হাপিত্যেশ করছি। অবশেষে গোল বের হলো ভিনির পায়ে।
ম্যাচটা ক্রুশাল ছিল। আর লীগের ক্রুশাল ম্যাচ গুলোতেই রিয়াল মাদ্রিদ ওভারশ্যাডো হয়ে যায়। ম্যাচটা জিতলে মোটামুটি লীগে একটা ভালো অবস্থান তৈরি করা যেত তবে ফিনিশ না করতে পারলে গোল তো আর হেটে হেটে আসবে না।
এমবাপ্পে বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিলো তবে গোল বের করতে পারে নাই। এমবাপ্পের অফফর্ম চলছে। আর এই জায়গাতেই মাদ্রিদ স্ট্রাগল করছে। তার উপর মিডের যাচ্ছে তাই অবস্থা।
গুলার এনাফ গেমটাইম পাচ্ছে তবে নিজের নামের সুবিচার করতে পারছে না। সেবায়োসকে কেনো আর্বেলোয়া খেলায় না সেটাও সেবায়োস প্রমান করেই ছাড়লো। যাই হোক, ২-১ গোলে ম্যাচ হেরেছি, আবার বার্সার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।

21/02/2026

আলেহান্দ্রো কুইন্তেরো, ওসাসুনা ম্যাচের রেফারি। সেল্টা ভিগোর ম্যাচে থ্রী রেড কার্ডের নায়ক। ঐ ম্যাচ ২-০ গোলে হেরেছিলাম আর এই ম্যাচে ১-০ গোলে পিছিয়ে। অবশ্য ব্যবধান আরো বাড়তে পারতো যদি না কর্তোয়া ইনসেইন কিছু সেভ না দিতো।
লীগ রেসে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচটা মাস্ট উইন। সেটা অবশ্য প্লেয়াররাও জানে। মাদ্রিদ খুব একটা বাজে খেলছে না। ঠিক ঠাক ফিনিশিং হলে মাদ্রিদের স্কোর শীটেও গোল দেখা যেত।
গুলারকে স্টেপ আপ করা লাগবে। হয়তো সেকেন্ড হাফের আর্লি টাইমে ট্রেন্টকে সাব ইন করা হবে। ওসাসুনা ডিফেন্সিভ খেলবে যেহেতু ১-০ গোলের লীডে তারা। তবে ঠিকঠাক ফিনিশ করতে পারলে ম্যাচটা খুব বেশি কঠিন হবে না।
বাকিটা ৯০ মিনিটের ফাইনাল শেষে জানা যাবে। তবে এখনো হেভিলি কনফিডেন্ট।

21/02/2026

ভালো মন্দ মিলিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ মাঠে নামছে

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Dhaka
1205