Psc/Jsc/Ssc/Hsc/Admission test/Madical/ Question and Result Help Line

Psc/Jsc/Ssc/Hsc/Admission test/Madical/ Question and Result Help Line

Share

Any help any question any result help like this page shear this page

Photos 13/05/2017
Photos 11/05/2017

ai obosta.....

09/05/2017

█▒▒▒▒ এইচ এস সি পরীক্ষার পর হতে ভর্তি পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত তোমাদের কি করা উচিৎ? ▒▒▒▒█
:::::::
[: পোষ্টটি একটু বড় হলেও সবাই অবশ্যই পড়বেন আশা করি। কারন পোষ্টটি আপনার লাইফের মোড় ঘুড়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে।]
:::::::
শিরোনামের প্রশ্নটি হয়ত ৯৫% শিক্ষার্থী এবং তাদের পিতা মাতার মনের গভীরে ঘুরপাক খাচ্ছে। এইচ এস সি পরীক্ষার পরে ফলাফল কেমন হবে চিন্তা করেই তোমার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা উচিৎ যে আসলে তুমি কোন দিকে যাবে। যদি তুমি মানবিক বা ব্যাবসা শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থী হও তাহলে তোমার সিদ্ধান্ত খুব সহজ আর তাহল তোমাকে যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে। আর তুমি যদি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হও তাহলে তোমাকে একটু টেকনিক্যালি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। খুব ভালো জিপিএ না থাকলে ইঞ্জিনিওয়ারিং বা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর দিকে লক্ষ্য স্থির করাই শ্রেয় কারন মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষাতে এইচ এস সি এবং এস এস সি এর ফলাফলের ভুমিকা অনেক বেশি। প্রথম থেকেই এই সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে তোমার ফলাফল খারাপ হবার সম্ভাবনা বেশি।

এখন প্রশ্ন আসবে কোন কোচিং এ ভর্তি হব? যদিও already সবাই ভর্তি হয়ে গেছো। এই প্রশ্নের জবাবে আমি বলব বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ভর্তি পরীক্ষা অনেকটাই তোমার বিগত ১২ বছরের শিক্ষা জীবনে বোর্ড বই গুলো হতে তুমি কি শিখেছ এবং তোমার সাধারন জ্ঞানের উপর নির্ভর করে। প্রশ্নগুলোর বেশির ভাগই খুব মৌলিক বিষয়ের উপর হয় যে বিষয় গুলো শিক্ষার্থীরা সহজেই এড়িয়ে যায়। কারন ‘এ+’ পেতে হলে এই বিষয় গুলোর খুঁটিনাটি না জানলেও চলে কিন্তু এই খুঁটিনাটি বিষয় গুলো উচ্চ শিক্ষার জন্য অনেক বেশি দরকারি। ফলশ্রুতিতে অনেক ‘এ+’ পাওয়া শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষাতে ফেল করে বসে। তাই এই সময় টুকুনের মধ্যে তোমাকে খুব সতর্কতার সাথে এবং নিয়মিত ভাবে চর্চা করে যেতে হবে। এই কাজ যদি তুমি বাসাতে বসে করতে পার তাহলে তোমার কোন কোচিং এ যাওয়ার দরকার নাই। আর কেউ যদি তা করতে অসমর্থ হও তাহলে আমি তোমাকে পরামর্শ দিব এমন কোন কোচিং এ ভর্তি হও যাঁদের উদ্যেশ্য অর্থ নয় সেবা। যারা তোমার ভর্তি পর্যন্ত সযতনে তোমাকে পথ দেখাবে। তবে এমন কোচিং খুঁজে পাওয়া দুস্কর। যেখানেই ভর্তি (কোচিং) হও মনে রাখবে উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তোমার ভর্তি হবার জন্য যে জ্ঞান বা তথ্য তোমার মনে হয় জানা দরকার তা তাঁদের থেকে আদায় করে নিবে। বিশেষ করে মফঃস্বল বা গ্রামের ছেলেরা যারা এই কাজ টুকুন করতে পারবে তাঁদের চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। শহরের ছেলে মেয়েরা এ ব্যাপারে অনেক সচেতন।

অনেকেই এই সময়ে শহরে এসে বা স্কুল কলেজের বাধ্যবাধকতা না থাকাতে কোচিং এর ক্লাসের পরে ঘুরেফিরে সময় নষ্ট করে। তুমি যখন কোঁথাও চান্স পাবে না তখন চোখ বন্ধ করলেই দেখবে চান্স না পাওয়ার মূল কারন হল তোমার এই অকারণ সময় নষ্ট করা। আবার অনেকে এইচ এস সি এর ফলাফল আশানুরূপ না হলে হতাশ হয়ে পড়াশুনা কমিয়ে দেয় এটাও অনেক সময় তোমাকে তোমার কাঙ্খিত উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার জন্য বাঁধার সৃষ্টি করে। এই প্রসঙ্গে আমি আমার পতিচিত এক বড় ভাইয়ের জীবনের উদাহরণ দেই। যদি তোমাদের এই গল্প থেকে কিছু শিক্ষা নেবার বা অনুপ্রেরণা নেবার কিছু থাকে তো আমার বলা সার্থক হবে।
[ :- ভাইয়ের উক্তি ওনার নিজের ভাষায় তুলে দিলাম ]


২০০১ সালে এস এস সি তে তখনকার ভালো ফলাফল করলেও এইচ এস সি তে আশানুরপ পড়াশুনা করতে পারি নি। থানা সদরের কলেজ পড়াশুনা করেছি তাই এ ব্যাপারে শিক্ষকগণও অত ভালোভাবে খেয়াল রাখেন নি। ২০০৩ সালের মাঝামাঝি তে এইচ এস সি পরীক্ষা শেষ করে ঢাকাতে আসি বলে রাখা ভালো আমি জানতাম না যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হতে হয়। কোচিং এ ভর্তি হবার পূর্বে আমাদের এলাকার এক বড় ভাই, মাহাতাব ভাই এর সাথে দেখা করতে বুয়েট এ উনার হল এ গেলাম। উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন বুয়েটে ভর্তির জন্য নির্দিষ্ট বিষয় গুলোতে ভালো ফলাফল হবে কিনা। আমি সম্মতি জানাতে তিনি বললেন তাহলে ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য ওমেকা তে ভর্তি হয়ে যাও। উনি এবং আমার ভগ্নিপতি আমাকে নিয়ে গ্রিন রোডের শাখাতে আমাকে ভর্তি করিয়ে দিলেন। ভর্তির পরে ক্লাসে গিয়ে বুঝলাম আসলে আমি এইচ এস সি তে কিছুই শিখি নাই যা শিখেছি তা দিয়ে পাশ হবে কিন্তু চান্স হবে না। “রসায়নের গণিত ৮-১২ নম্বরের আসে এই গণিত বাদেও তুমি ‘এ+’ পেতে পার” এটা আমার কলেজের একজন অভিজ্ঞ স্যারের কথা যিনি আমাদের রসায়ন পড়াতেন। অথচ এই কোচিং এ এসে ভাইয়াদের থেকে জানলাম গানিতিক রসায়ন নামের একটি আলাদা বই ই আছে যা শ্রদ্ধেয় মুনিমুল হক স্যার লিখেছেন। এহেন অবস্থাতে আমি বুঝে নিলাম সহজে এই ভর্তি পরীক্ষার বৈতরণী পার হওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। ওমেকার প্রেশারে আমার অনেক বন্ধু কোচিং ছেড়ে দিল। অনেকে কোচিং এ যাওয়া কমিয়ে দিল। এখানে চুপিচুপি বলে রাখি এটা ওদের ব্যবসায়ী মনোভাবের অংশ এবং এটা বুঝেছিলাম যখন আমি নিজে কোচিং এর শিক্ষক হলাম (এটা একান্তই আমার মতামত এবং আমি কাউকে ছোট করার জন্য বলছি না আমার উপলব্ধি টুকুন শেয়ার করছি)। এর ভালো দিক (ওদের জন্য) হল তিনটি ব্যচ কমে একটি ব্যচে পরিণত হয়। আর আমার জন্য এর ভালো দিক ছিল আমি নিজের না জানার সাগরের পরিসীমা জেনে ফেলেছিলাম এই চাপের ফলেই। পড়াশুনা বাড়িয়ে দিলাম পুরদমে এবং পরীক্ষাগুলোতে ভালো করার চেষ্টা শুরু করলাম যেন ওদের স্পেশাল ব্যাচে চান্স পাই। বিছানার তোষক সরানো হতে শুরু করে অনেক কিছুই করেছি যাতে ঘুম আমার কাছে আরামের মনে না হয়। সিদ্ধান্ত নিলাম কোথাও চান্স না পেয়ে আর বাড়ি যাব না। এই কঠোর দিন গুলোতে আমার এক মাঐ (বড় ভগ্নীপতির চাচি) ছিলেন আমার সাথে (বন্ধুরা তো সর্বদাই থাকবে তাই তাঁদের কথা বললাম না)। উনি আমাকে রান্না করে খাওয়াতেন। এভাবে চলছিল আমার যুদ্ধ প্রস্তুতি। একদিন এই যুদ্ধের মাঝেই শত্রু পক্ষের হাতে এটম বোমা তুলে দিল আমার এইচ এস সি এর ফলাফল। ফলাফল অনুযায়ী আমি আমার সাধের বুয়েট এর ভর্তি পরীক্ষার ফরম কিনার যোগ্যতা হারালাম। বাবা ফলাফল আমাকে জানাতে গিয়ে নিজেই কেঁদে দিলেন (এটাই প্রথম ও শেষ বার আমি ওনাকে কাদতে দেখেছি)। আমি আজো আমাদের কলেজের ঐ বছরের ফলাফলকে এক রহস্যময় কারনে মেনে নিতে পারি নাই। কারন আমার এক বন্ধু এস এস সি তে ৪.৫০ পেয়ে জেলাতে প্রথম হলেও ও এইচ এস সি তে ২.৯০ এর মত ফলাফল করে। যাই হোক বাবাকে উল্টা সান্ত্বনা দিয়ে আমি মোবাইল রেখে চিন্তা করতে বসে গেলাম কি করা যায়। মোবাইল হাতে নিয়ে এলাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের এক বড় ভাই ইকরামুল হক ভাইকে ফোন দিলাম ভাই আমি আপনার সাথে দেখা করতে চাই। উনি মৌচাকে উনার কোচিং (একটি বিশ্ববিদ্যালয় কোচিং এর মৌচাক শাখার পরিচালক ছিলেন উনি তখন) এ যেতে বললেন। আমি উনার সাথে দেখা করে সব খুলে বললাম উনি আমার বর্তমান কোচিং এর পরীক্ষার নম্বর জিজ্ঞেস করলেন বলার পরে উনি বললেন “বুয়েট বাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ফাইট দিয়া দেও তোমারে দিয়া হবে, ইনশাল্লাহ”। এর পরে নামমাত্র ভর্তি ফী নিয়ে উনি আমাদের চার বন্ধুকে ঐ কোচিং এর ঐ শাখাতে ভর্তি করিয়ে ফার্মগেট শাখাতে স্থানান্তর করে দিলেন। আবার নতুন উদ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য পড়া শুরু করলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম যেহেতু বুয়েট এ পড়তে পারবনা সেহেতু বি আই টি (আমাদের বছর থেকেই ওগুলো বিশ্ববিদ্যালয় হয়) তেও পরীক্ষা দিব না। বন্ধুরা অনেকেই ইম্প্রুভমেন্ট পরীক্ষা দিতে বাড়ি চলে গেল আমি রয়ে গেলাম কাজিপারার সেই টিনের ঘরেই। অনেকে ফোন দিয়ে বলল তোর চেয়ে ভালো ফলাফল করে আমরা চলে এসেছি তুই কোন হিসেবে এখনো কোচিং করছিস? আমি বললাম মানোন্নয়ন আমিও হয়ত দিব এবং এই বইগুলো হতেই প্রশ্ন হবে তাই এই বইগুলোই আগে পড়ে নেই। আমি আমার পড়াশুনা এবং কোচিং চালু রাখলাম। ঈদেও আমি বাড়ি যাওয়া হইতে বিরত থাকলাম এবং কোঁথাও চান্স পেয়ে বাড়ি যাব এই প্রতিজ্ঞাতে অটল রইলাম।

মেডিক্যাল, বাকৃবি, টেক্সটাইল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরম কিনালাম, বাবা বললেন সব জায়গার ফর্ম কিনতে আমি বললাম না এগুলো তে চান্স না হলে কোঁথাও হবে না আর তাহলে ভোলা কলেজে বি এস সি পড়ব (যদিও এমন সিদ্ধান্ত নেয়া আত্মঘাতী এবং এমন কোন সিদ্ধান্ত না নিতেই অনুরোধ করব)। এর পরে বাকৃবি তে চান্স পেলাম সেখানে ক্লাস চলাকালীন ঢাবি তেও চান্স পেলাম চলে এলাম ঢাবির রসায়ন বিভাগে ভর্তি হতে (আমাদের সময় বাকৃবি অনেক আগে ক্লাস শুরু করেছিল)। এর পর যে পড়াশুনা শুরু হল আজো তা চলমান। জানি না শেষ হবে কিনা তবে ভর্তি যুদ্ধে আমি কোন এক অবস্থানে নিজের একটি সীট রক্ষা করতে সমর্থ হয়েছিলাম। এইচ এস সি এর ফলাফল নামক অ্যাটম বোমা আমার ভর্তি আটকে রাখতে পারে নি।

তাই তোমাদের বলব এই সময় টুকুন মনোযোগ দিয়ে পড়াশুনা কর তুমিও তোমার লক্ষ্যের উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে। এই সময় টুকুন তুমি যত যত্ন সহকারে এবং নিয়মানুবর্তিতার মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত করতে পারবে তোমার চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা তত বাড়বে। অনেক ছাত্রছাত্রীদের দেখি এইচ এস সি এর পরে এত কষ্ট করতে পারব না বলে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এ ভর্তি হয়ে যায়, যা আমাকে অনেক পীড়া দেয়। আমি বলছি না যারা প্রাইভেটে পরে তাঁরা ভালো কিছু করতে পারে না, আমি এই কথা এই জন্যই বললাম তোমার মেধার মূল্যায়ন করে সরকার তোমাকে সল্পমুল্যে পড়ানোর ব্যবস্থা রাখা সত্যেও তুমি তার ব্যবহার না করে অর্থের অপচয় করছ। আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে মৌলিক বিষয় পড়ার সুযোগ তো নাই বললেই চলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দিনের রসায়ন ল্যাবে তারা প্রায় ২৪ হাজার টাকার শুধু সিলভার নাইট্রেট খরচ করে পড়াশুনা করে। এমন ল্যাব সপ্তাহে ৫ দিন হয় এবং সিলভার নাইট্রেট এর চেয়েও অনেক দামি কেমিক্যাল তারা ব্যবহার করছে। মাসিক এত কম টাকা বেতন দিয়ে দৈনিক এত খরচ করতেছে। একটু হিসাব কর কত অর্থ সরকার তোমার পিছনে ব্যয় করার জন্য বসে আছে আর তুমি মেকী মহৎ সেজে এই ব্যয় তোমার বাবা মায়ের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছ। আমি বলব না সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিক্যাল তোমার জীবনকে সফল করে দিতে পারবে তবে দশ তলা ভবনের বেজমেন্ট যত স্থিতিশীল মাটি হতে গড়া যায় ততই সেই ভবনের স্থায়িত্ব বাড়ে।

আসলে জীবনটা হল ক্রিকেটের ২২ গজের অংশের মত। এখানে তুমি একজন পেস বলার আর তোমার ছোড়া বলটাই হল জীবনের সফলতা রূপী স্ট্যাম্প গুলোকে আঘাত করার একমাত্র উপায়। তোমার চার পাশের সবাই ব্যাট হাতে দাড়িয়ে আছে কোন কারনে হাফ বলি বা বলের গতি কম কিংবা স্ট্যাম্পের একটু দুরের কোন বল পেলেই নির্দয় ভাবে তাকে ব্যাটের আঘাতে দূরে ছুড়ে ফেলে দিবার জন্য। তাই তোমার ওভারের প্রতিটি বলই খুব সাবধানে এবং একাগ্রতার সাথে করতে পারলেই তুমি সকল ক্ষেত্রেই সফল হবে। তবে যদি তুমি সাকিব আল হাসান হও তাহলে কৌশলী স্পিন বল দিয়েও সফল হতে পারবে। তবে সকলেই সাকিব হয় না এটা তো তোমাকে মানতেই হবে। তাই ভালো লেন্থের পেস বলকেই আমি স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে নিলাম। যা করতে আমি নিজেও হয়ত পারি নি এর প্রমাণ আমার এইচ এস সি এর ফলাফলের মত অনেক কিছুতেই আমি খুঁজে পাই। আমার করা ভুলগুলো তুমি যেন আর না কর তাই এই লেখাটি লিখলাম। আশা করি তোমাদের সকলেরই কাজে আসবে।

পরিশেষে বলব জীবন যুদ্ধের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সাহসের, একাগ্রতার, অধ্যবসায় এবং ধৈর্যের সাথে এগিয়ে যাও সফলতা তোমার কাছে আসবেই। আজ যে আড্ডাবাজী তোমার মধুর লাগছে কাল তুমি যখন বিফল হবে এই আড্ডার সঙ্গীদের খোঁচা তোমাকে হজম করতে হজমুলা খেতে হবে এইটুকুন নিশ্চিত জেনে নাও। তাই এই সময়টুকুন খুব গুরুত্বের সাথে মূল্যায়ন করে সঠিক ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে তোমারা যুদ্ধে নামবে এই আশাবাদ ব্যাক্ত করছি।
(সংগ্রহীত)

26/04/2017

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইউনিটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ▬▬▬
►কারা পরীক্ষা দিতে পারবে?
উত্তর: ২০১২, ২০১৩,২০১৪,২০১৫ সালে এসএসসি এবং ২০১৭ সালে HSC পরীক্ষা দিয়েছে তারা।
► মেধাক্রম কিভাবেকরা হয়?
উত্তর: মেধাক্রম দিবে ২০০ নাম্বার এর। ১২০ তোমার পরীক্ষা থেকে। বাকি ৮০ তোমার SSC GPA কে ৬ দ্বারা এবং HSC GPA কে ১০ দ্বারা গুণ করে পাবে।
► পাশ নম্বর কত?
উত্তর: ৪৮
►ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে?
উত্তর: না।
►ইউনিট ভিত্তিক বিস্তারিত বলবেন প্লিজ?
►ক ইউনিটঃ
১। আবেদনের যোগ্যতাঃ SSC এবং HSC তে ৪র্থ বিষয় সহ সর্বমোট GPA ৮ পেতে হবে।
২। ১২০ নাম্বার এর পরীক্ষা হবে। সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। ভুল উত্তর এর জন্য .২৫ কাটা যাবে।
৩। যে যে বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবেঃ
পদার্থ- ৩০, রসায়ন-৩০, গনিত-৩০, জীববিজ্ঞান-৩০ এছাড়া বাংলা প্রশ্ন থাকবে ৩০ টা এবং ইংরেজি ৩০ টা।
তুমি যদি ইচ্ছে করো তাহলে তমার HSC ৪র্থ বিষয়ের বদলে বাংলা অথবা ইংরেজি দিতে পারবে।
►খ ইউনিটঃ
১। আবেদনের যোগ্যতাঃ SSC এবং HSC তে ৪র্থ বিষয় সহ সর্বমোট GPA ৭ পেতে হবে।
২। ১২০ নাম্বার এর পরীক্ষা হবে। সময় ১ ঘণ্টা। ভুল উত্তর এর জন্য .৩০ কাটা যাবে। প্রশ্ন থাকবে ১০০ টি।
৩। যে যে বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবেঃ বাংলা- ৩০, ইংরেজি-৩০, সাধারন জ্ঞান -৬০
৪। বাংলায় ৭, ইংরেজিতে ৮ সাধারন জ্ঞান ১৭ না পেলে ফেল ধরা হবে।
►গ ইউনিটঃ
১। আবেদনের যোগ্যতাঃ SSC এবং HSC তে ৪র্থ বিষয় সহ সর্বমোট GPA ৭.৫ পেতে হবে।
২। ১২০ নাম্বার এর পরীক্ষা হবে। সময় ১ ঘণ্টা । ভুল উত্তর এর জন্য .২৪ কাটা যাবে।
৩। যে যে বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবেঃ বাংলা- ২৪, ইংরেজি-২৪, হিসাব বিজ্ঞান- ২৪, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ- ২৪
মার্কেটিং অথবা ফিন্যান্স-২৪
►ঘ ইউনিটঃ
১। আবেদনের যোগ্যতাঃ SSC এবং HSC তে ৪র্থ বিষয় সহ সর্বমোট GPA বিজ্ঞান- ৮,মানবিক-৭,ব্যবসা- ৭.৫ পেতে হবে।
২। ১২০ নাম্বার এর পরীক্ষা হবে। সময় ১ ঘণ্টা। ভুল উত্তর এর জন্য .৩০ কাটা যাবে। প্রশ্ন থাকবে ১০০ টি।
৩। যে যে বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবেঃ বাংলা- ৩০, ইংরেজি-৩০, সাধারন জ্ঞান -৬০(বাংলাদেশ-৩০, আন্তর্জাতিক -৩০)
৪। বাংলা তে ৭, ইংরেজিতে ৮ সাধারন জ্ঞান এ ১৭ না পেলে ফেল ধরা হবে।
►IBA (BBA)
1.Total point required 7.5(including 4th subject)
2.Marks: English-30, Math-30, Analytical ability 20, written 20
3.Total seat: 130

25/04/2017

এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাওয়ার জন্যে খুব বেশি জরুরী নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর সার্কুলার অনুযায়ী ফরম কেনার জন্যে এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট টা ভীষণ জরুরী।

অনেক সিনিয়র দের কাছ থেকে আপনি হয়তো অনুপ্রেরণা পেয়েছেন যে, রেজাল্ট খারাপ হলে সমস্যা নেই, ভালো করে পড়লেই চান্স পাওয়া সম্ভব।

কিন্তু, রেজাল্ট যেন এতটা খারাপ না হয়, যা দিয়ে আপনি ভর্তির ফরম'ই কিনতে পারবেন না। এইচএসসি তে রেজাল্ট ভালো করাটা তাই খুব জরুরী।

আপনাকে আরও একটি তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারি। সেটি হলো, কিছু কিছু ভার্সিটির ভর্তি সার্কুলারে সাবজেক্ট ওয়াইজ রেকুয়ারমেন্ট চাওয়া হয়।

যেমন- পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদে আবেদন করার জন্যে এইচএসসি তে পদার্থ বিজ্ঞানে আপনাকে পেতে হবে নূন্যতম 'এ' গ্রেড।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সহ আরও কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ কিছু ইউনিটের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি তে এরকম বিষয়ভিত্তিক রেকুয়ারমেন্ট চাওয়া হয়ে থাকে।

এছাড়া আরও একটি বিষয় এখানে বলতে চাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটা সাবজেক্টে ভর্তি হতে চাইলে আপনাকে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়গুলোর উপর সাবজেক্ট ওয়াইজ বরাদ্দকৃত মিনিমাম মার্কস পেতে হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় আপনি ফার্স্ট হয়েও মনের মত সাবজেক্টে ভর্তি হতে পারবেন না, যদি না আপনি ভর্তি পরীক্ষায় সাবজেক্ট ওয়াইজ নূন্যতম মার্কস পেয়ে থাকেন।

সকল এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্যে শুভ কামনা।

19/04/2017

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - ঢাবি, DUপ্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সাল থেকেই এদেশের অনেক ছাত্রছাত্রীর স্বপ্নের আরেকনাম। শাহবাগ, নিউমার্কেট এবং গুলিস্তান- এরই মাঝে অবস্থিত আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিজ্ঞান, ব্যবসা এবং মানবিক - তিনটি বিভাগসহ এখানে চারুকলা অনুষদও তার নিজ ঐতিহ্যে সমুজ্জ্বল।যাই হোক, । তাই আমি এখানে ক ইউনিটের কিছু সাধারন প্রশ্ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ঘুরতে থাকা কিছু অযাচিত প্রশ্ন তুলে ধরছি। #কইউনিটে বিভিন্ন অনুষদে আসন সংখ্যা কত?- আসন সংখ্যা অনেকটা এইরকমঃ* বিজ্ঞান অনুষদপদার্থবিজ্ঞান ১৪০, ভূগোল ও পরিবেশ ৫০, গনিত ১৭০, ভূতত্ত ৫০, রসায়ন ৯০, পরিসংখ্যান ৮৮ (মোটঃ ৫৮৮)* ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদফলিত রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তি ৬০, ফলিত পদার্থবিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ৭০,কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল ৬০ (মোটঃ ১৯০)* জীববিজ্ঞান অনুষদমৃত্তিকা,পানি ও পরিবেশ ১২০, প্রাণিবিদ্যা ১০০, উদ্ভিদ বিজ্ঞান ৭৫, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান ৬০, মনোবিজ্ঞান ৪৫, অনুজীব বিজ্ঞান ৪০,মৎস্য বিজ্ঞান ৩০, জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি ১২ (মোটঃ ৪৮২টি)* অন্যান্য অনুষদের আসন সংখ্যাঃফার্মাসি ৬০, পরিসংখ্যান গবেষনা ও শিক্ষণ ইন্সটিটিউট ৫০, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ৩৫, তথ্য ও প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট ৩০, লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি ইন্সটিটিউট ১২০ #পাসকরতে কত বছর লাগে?- আগে একটা সময় ছিল যখন ঢাবি নামটা শুনলেই সেশন জট এর কথা মাথায় চলে আসত। মনে করা হত, ঢাবিতে পড়লে আর পাস করে বের হতে হবে না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি অনেকটাই উল্টা। সেশন জট তোনেই বরং অনেক ডিপার্টমেন্টে নির্ধারিত সময়ের আগেই কোর্স কমপ্লিট হয়ে যায়।। এমনকি হরতাল বা অন্য কোনও কারণে যদি ক্লাস বন্ধ থাকে তাহলে শুক্রবার ক্লাস করানোর রেকর্ডও আছে। তাই মোটামুটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনার্স শেষ হবার সম্ভাবনাও বেশিই থাকে। ঢাবির বেশিরভাগ ডিপার্টমেন্ট ৪বছর অনার্স প্রোগ্রামচালায়, যদিও ফার্মাসি অনুষদ এখন ৫ বছর অনার্স প্রোগ্রাম চালু করেছে। #ঢাবিরপ্রথম সাবজেক্ট কোনটা?- এটা নিয়ে মতভেদ আছে। সত্যি কথা হচ্ছে যে এটা নিয়ে প্রথম দিকের সাবজেক্টের ছেলেপিলেদের মধ্যে একটা স্নায়ুযুদ্ধও চলে।যাই হোক, এটা কোনও বড় ইস্যু না। ইন ফ্যাক্ট প্রথম সাবজেক্ট কোনটা এটা কারো কাছেই বড় ব্যাপার হওয়া উচিত না। যার যেই সাবজেক্টে আগ্রহ বেশি তার সেটাই পড়া উচিত। আবার অনেকেই পাস করার পরে কী করবে সেই ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করেও সাবজেক্ট পছন্দ করে করে। তাই কোন সাবজেক্টকেই ছোটবড় করে দেখার সুযোগ নাই। অনেকেই মেরিট লিস্টে পিছেথেকেও পরে নিজের ডিপার্টমেন্টে অনেক ভালো রেজাল্ট করে। যাই হোক, চলতি বছরগুলো থেকে দেখা যায়, জেনেটিক্স, ফার্মাসি, আই.টি., সি.এস.ই. এইসব সাবজেক্টে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। #ছাত্ররাজনীতি?- ঢাবিতে ছাত্ররাজনীতি আছে, এটা কারোইঅজানা থাকার কথা না। তাই এটা নিয়ে মাতামাতি করেও লাভ নেই। রাজনীতি রাজনীতির জায়গায় থাকবে। কারো যদি নিজেকে যুক্ত করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে এখানে সুযোগের অভাব নেই। আবার কেউ যদি মনে করে, রাজনীতিতে যুক্ত হবে না, তাহলে তাকে কেউ জোর করবে বলে আমার মনে হয় না। তবে ছাত্রদের মধ্যে যারা হলে উঠবে প্রথমে তাদের জন্য পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। তবে বুদ্ধিমান হলে সেইপরিস্থিতি সামাল দেওয়াটা অসম্ভব নয়। মোট কথা, ঢাবি মানেই রাজনীতি এটা মনে করার কোনও কারণ নেই। #ভর্তিহবার পর কই থাকব? হল নাকি বাসা? হল কি নিরাপদ?- নিরাপত্তা ব্যাপারটা আপেক্ষিক। ঢাবিতে পড়াশোনা করে যদি কেউ হলে না থাকে তাহলে তার ছাত্রজীবনটা অপূর্ণ থেকে যাবে। যাদের ঢাকায় বাসা আছে তাদের কথা আলাদা, কিন্তু যাদের ঢাকায় নিজের বাসা নেই তাদের জন্য প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত হল। যদিও হলে প্রথম দিকে একটু থাকাখাওয়ার অসুবিধা হতে পারে। কিন্তু এটা নিতান্তই সাময়িক। কিছুদিন পরই সব ঠিক হয়ে যায়। আর হলে যারা থাকে তাদের সুবিশাল ফ্রেন্ডসার্কেল,সিনিয়রদের সান্নিধ্য, যেকোনো বই, খাতা, নোট – এইগুলার কোনও অভাব হয় না। আর তাছাড়া হলে থেকে ক্লাস করা এবং লাইব্রেরি ওয়ার্ক করাও ইজি। তাই আমি বলব, হলে থেকেই ঢাবি জীবন পার করা উচিত। ও আচ্ছা, আরেকটা কথা বলে নেওয়া দরকার। হলে থাকলে বাংলাদেশের সকল প্রান্তের মানুষের সাথেই পরিচিত হওয়া যায়, এটা কিন্তু মোটেই কম কিছু না। আর হলে যারা থাকে তাদের জন্য নতুন কারো সাথে মেশাটা একটু সহজ হয় বলেই আমার বিশ্বাস। #তারমানেঢাবিতে মারামারি হয় না?- অবশ্যই হয়। কেন হবে না? মারামারি হবে, কেউ খুন হয়ে যাওয়াটাও অসম্ভব নয়। তবে এগুলো শুনে ভয়ে কুঁকড়ে যাবার কোনও কারণ নেই। চোখকান খোলা রেখে চললে এগুলা থেকে নিজেকে দূরে রাখা কঠিন কিছুই না। ঢাবির কিছু মারামারি হয় হলকেন্দ্রিক রাজনীতির কারণে, আর কিছু মারামারি হয় ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে। নিজে ঠিক থাকলে এগুলোর কোনও কিছুই আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না। আর সবচেয়ে বড় কথা, মারামারি শুধু ঢাবিতেই না, সবখানেই হয়ে থাকে। #ঢাবিতেক্লাস নাকি হয় না? টিচাররা নাকি প্রাইভেটে ক্লাস নিতে ব্যস্ত থাকে?- কথাটা মোটেই ঠিক না। ঢাবির কিছু ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকরা প্রাইভেট ভার্সিটিতে ক্লাস নেন, এই কথাটা সত্য। কিন্তু তার কারণে তারা নিজের ক্লাস মিস দেন এটা মেনে নেওয়া গেল না। যদি এমনটাই হত, তাহলে বিগত কয়েক বছরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনেক ডিপার্টমেন্টই অনার্স শেষ করতে পারত না। #ঢাবিতে Co-curricular activities এর সুযোগ কেমন?- ঢাবিতে এহেন কোনও কিছু নেই যেটার চর্চা করা হয়না। গানবাজনা, নাচ, কবিতা,বাদ্যযন্ত্র, চিত্রাঙ্কন এগুলা ছাড়াও সব ধরনের co-curricular activities এর সুযোগ এখানে আছে। বিশেষত, টিএসসির দোতলায় অনেকগুলো সংগঠন আছে যেখান থেকে খুব কম খরচে বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী হওয়া সম্ভব। আর তাছাড়া ঢাবিতে আছে একটি অত্যাধুনিক Swimming pool। এখানে শুধুমাত্র ঢাবিতে যারা পড়ে তাদের জন্য নামমাত্রখরচে সাঁতার শেখা এবং সাঁতার কাটার ব্যবস্থা আছে। এছাড়াও বিশেষ বিশেষ দিবস যেমন পয়লা বৈশাখ, পয়লা ফাল্গুন, সরস্বতী পুজা, ভার্সিটি দিবস ইত্যাদিতে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়ে থাকে। #ঢাবিথেকে বিদেশ গমনের সুযোগ কেমন?- ঢাবি থেকে প্রতিবছরই ছাত্রছাত্রীদের একটা বড় অংশ বিদেশ যায়। যদিও আমি ব্যক্তিগতভাবে সকল ডিপার্টমেন্টের কথা জানিনা, তবে ফার্মাসির অনেক ছেলেমেয়েই অনার্স শেষ করে অথবা মাস্টার্স শেষ করে পাড়ি জমায় বিদেশে। অন্যান্য ডিপার্টমেন্টথেকেও নিশ্চয়ই যায়। আর, এক্ষেত্রে GRE, IELTS, TOEFL ইত্যাদিতে ভালো স্কোর তুললে এবং একটি মোটামুটি মানেরcGPA থাকলেই চলে। #টিউশনিরবাজারটা?- ঢাবিতে যারা পড়তে আসে তাদের অনেকেরইফার্স্ট ইয়ার থেকে নিজের পড়াশোনার খরচ নিজের চালাতে হয়। অনেকেরই আর্থিকসমস্যা থাকতে পারে, তাই টিউশনি করে চলতে হয়। যাই হোক, অনেকেরই ধারণা ঢাবিতে পড়লে টিউশনি পাওয়া যায়না, পেলেও কম পয়সা। কথাটা পুরোপুরি সত্য নয়। টিউশনির বাজারটা পুরোটাই লিঙ্ক আর হাতযশ এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথম দিকে একটু কষ্ট হলেও একবার সুনাম তৈরি করতে পারলে টিউশনির বাজারটা খারাপ না। #ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার প্যাটার্ন সম্পর্কে কিছু বলবেন?ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের"ক ইউনিট" এর ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, জীববিজ্ঞান, বাংলা এবং ইংরেজি মোট ৬টি বিষয়ের প্রশ্ন আসে। প্রতিটি বিষয়ের উপর ৩০টি করে নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকে। পরীক্ষার্থীকে পদার্থ, রসায়নসহ মোট ৪টি বিষয়ের উত্তর দিতে হবে। জীববিজ্ঞান এবং গণিতের মধ্যে যে বিষয়এইচএসসিতে বাধ্যতামূলক ছিলো সে বিষয়ও বাধ্যতামূলকভাবেউত্তর দিতে হবে। তারমানে এইচএসসিতে জীববিজ্ঞান চতুর্থ বিষয় হলে ভর্তি পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান উত্তর না করলেও হবে। ভর্তি পরীক্ষা হয় ১০৫ মিনিট। সুতরাং সময়ের দিকে এখন থেকেই লক্ষ্য রাখতে হবে। কোচিং এর ওএমআর এর চেয়ে ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার ওএমআর এর বৃত্ত খানিকটা বড় হয়। তাই বৃত্ত ভরাট করতে সময়ও বেশী লাগে। এখানে লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে, জীববিজ্ঞান উত্তর না করলে পরীক্ষার্থী জীববিজ্ঞান অনুষদেভর্তি হতে পারবেনা। অন্য দিকে গণিত উত্তর না করলে পদার্থ বিজ্ঞান, ফলিত পদার্থ, সি.এস.ই. ইত্যাদি বিষয়ে ভর্তি হতে পারবে না, যদিও তার মেরিট পজিশন উপরের দিকে হয়ে থাকে। #তাহলেকী বুঝলাম? ইংরেজি নাকি জীববিজ্ঞান?- আবারও বলি ঢাবিতে ক ইউনিটে পরীক্ষারসিস্টেম অনুযায়ী কেউ যদি জীববিজ্ঞান উত্তর না করে সেই ক্ষেত্রে যেসব সাবজেক্টে ভর্তি হতে জীববিজ্ঞানে মিনিমাম একটা মার্ক লাগে সেগুলো বাদ পড়ে যাবে। মনে করুন, জেনেটিক্সে ভর্তি হতে আপনার জীববিজ্ঞানে মিনিমাম 15 লাগবে। এখন আপনি জীববিজ্ঞান যদি উত্তরই না করেন তাহলেতো জেনেটিক্স পাবেন না, অবশ্য জীববিজ্ঞান উত্তর করেও সেখানে ১৫ না তুলতে পারলে জেনেটিক্সের জন্য এপ্লাই করতে পারবেন না। জীববিজ্ঞান উত্তর না দিলে অবশ্য ফার্মাসিতেও চান্স পাওয়া যাবেনা। #ঢাবিতে ভর্তি হবার জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিব?- ঢাবিতে যারা প্রথম দিকের সাবজেক্টে ভর্তি হবার সুযোগ পায় তাদের বেশিরভাগই ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রস্তুতি নেয়। এর একটা প্রধান কারণ হল, ঢাবিতে যে স্টাইলে MCQ আসে তা কোনও বিচারেই খুব একটা সহজ থাকে না। তাই আমার ব্যক্তিগত অভিমত হচ্ছে যদি ঢাবিতে প্রথম দিকে মেরিট পজিশন রাখতেহয়, তাহলে ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্যই পড়া উচিত। অবশ্য ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য পড়লে বায়োলজিটা পড়া হবে না, তাই আলাদা করে বায়োলজি পড়ে নিতে হবে। আর বায়োলজি উত্তর না করতে চাইলে পড়ার দরকার নেই। সেক্ষেত্রে ইংলিশ দিয়ে কাভার দেওয়া যাবে। তাতে অবশ্য বায়োলজি রিলেটেড সাবজেক্ট (যেমন জেনেটিক্স) মিস হয়ে যাবে।** লেখাটা নিতান্তই নিজের অভিজ্ঞতাপ্রসূত এবং ব্যক্তিগত অভিমত। তাই কারো দ্বিমত থাকলে দয়া করে আক্রমন করবেন না।** কোনও কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন।
https://mbasic.facebook.com/PscJscSscHscAdmission-testMadical-Question-and-Result-Help-Line-905322462910995/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C4193491148

Psc/Jsc/Ssc/Hsc/Admission test/Madical/ Question and Result Help Line Any help any question any result help like this page shear this page

19/04/2017

★সাবধান★সাবধান★সাবধান★ফেসবুকে রেজাল্ট চেঞ্জ বলে বেশ কিছু গ্রুপ এ প্রতারকরা স্টুডেন্ট দের থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।এ প্রতারক গুলো থেকে সাব্দধান।ফেসবুক আইডি গুলো নিচে দেখে সাবধান হউন।*****Fake Result changer list***১)Abir khan★★২)Ahmed Tanvir(১নাম্বারবাটপার)★★৩)আশিকুর রহমান আশিক(মারাত্তক বটপার)★★৪) রেজাউল ইসলাম সুমন★৫)Shaharira Hossain Sagor★৬) MD Arif khan(Top batpar)★★৭) আদনান আহমেদ জয় (প্রতারক)★৮) Rifat Ahamed★৯) Aftab Ahmed★★১০)Hasan Mahmud★★১১)রাকিবুল ইসলাম★১২)Arnno smc★★১৩) Naimur Rahman Durjoy★★১৪) আলভি আহমেদ★★১৫)Ashik Islam★★১৬)Aminul islam★★১৭)Md sakib islam★১৮)Raihan ahmed★১৯)Niloy Ahmed★★২০)Abir khan★★২১)Nishwo chowdury★২২)★২৩) Adnan Rahman★★২৪)Md mia★বেশ কিছু মেয়েদের নামেরআইডি, যারা বলে তাদের চাচা/মামা/ ভাইবোডে চাকরি করে।পোষ্টটি শেয়ার করে ছাত্র-ছাত্রি ভাই বোনদের সাবধান করে দিন।আপনার ১টি postএ বেচে যেতে পারে এক জনের টাকা,বাটপারদের হাত থেকে।

18/04/2017

:তোমার বাবা কি করে...........?:জি ম্যাম! মেডিসিন স্পেশালিষ্ট,:ও আচ্ছা!:স্যারকে আমার সালাম দিও৷নেক্সট,:তোমার বাবা কি করে?:জি ম্যাম! ভার্সিটির অধ্যাপক।:কোন ডিপার্টমেন্ট? নাম কি?:জি ম্যাম ৷ ফিন্যান্স প্রফেসর ড.রফিক চৌধুরী৷:তুমি রফিক স্যারের মেয়ে??স্যারকেআমার কথা বলো৷ .তারপর:তোমার বাবা কি করে?ছেলেটা একটু মাথা নিচু করেরিপ্লাই দেয়,:জি ম্যাম, বাবা গ্রামের নদীতেমাছ ধরে৷সেই প্রথম দিনের এই পরিচয় এর পরথেকে স্যার ম্যামদের মাথায় একটা জিনিস সেট হয়ে যায়..কার বাবা ডক্টর, ইঞ্জিনিয়ার বাউচ্চপদস্থ কেউ।এর পর থেকে প্রতি ক্লাস, কার্ড টার্মবা ভাইবা, প্রেজেন্টেশন এমনকিসেমিস্টার-ফাইনালে ও তাদের একটা এক্সট্রা প্রায়োরিটি দেয়া হয়,অজ'পাড়া গায়ের ক্ষেত থেকে উঠেআসা ছেলেটা মেধার জোরেএগিয়ে থাকলেও, বাবার জোরেঅনেকটা পিছিয়ে পড়ে।আমি কোনদিন যদি কোনোপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হতাম তাহলে, ওইতিন নম্বর এর ছেলেটিকে কানেরঠিক দুই ইঞ্চি নিচে একটা থাপ্পরলাগিয়ে বলবোমাথা নিচু করে বলিস কেন, বাবা নদীতে মাছ ধরে? সবারসামনে দাঁড়িয়ে মাথা উঁচু করে বল,বাবা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে,নদীতে মাছ ধরে তার সন্তানকেদেশের সেরা প্রতিষ্ঠানে পড়াচ্ছে।I m damn proud of my father..... ..তোমার ওই ছোট ভার্সিটিরলেকচারার হবার দরকার নেই।তুমি অক্সফোর্ডের লেকচারার হবে।তোমাকে ওই ছোট্ট মেডিকেল কলেজের, ছোট্ট একটা জবের জন্যলড়াই করতে হবে না।তুমি সিঙাপুরের মাউন্টএলিজাবেথে, কর্তব্যরত চিকিৎসক এরদায়িত্ব নিবা।ক্ষেত থেকে উঠে এসে, আকাশ ছোয়ার দৃষ্টান্ত এই দেশে একটা দুইটানা,হাজারটা। হ্যা, হাজার টা....কাউকে ছোট করে দেখলেই,সে ছোট হয়ে যায় না।যে ছোট করে দেখে, সে ছোট হয়ে যায়।আমাদের পকেটের ব্যসার্ধ বড় করারচেয়ে, মনের ব্যসার্ধ বড় করাটা অনেক জরুরী।

16/04/2017

1.পানি পথের ১ম যুদ্ধ হয় ১৫২৬সালে2.পানি পথের ২য় যুদ্ধ ১৫৫৬ সালে3.পানি পথের ৩য় যুদ্ধ হয় ১৭৬১সালে4. পলাশীর যুদ্ধ হয় ১৭৫৭ সালে5.বক্সারের যুদ্ধ সংগঠিত হয় ১৭৬৪সালে6.ফরাসি বিপ্লব সংগঠিত হয় 1789সালে7.১ম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯১৪ সালে8.রুশ বিপ্লব হয় ১৯১৭ সালে9.২য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে10. আমাদের মুক্তি যুদ্ধ হয় ১৯৭১সালে
Like Page...
https://mbasic.facebook.com/PscJscSscHscAdmission-testMadical-Question-and-Result-Help-Line-905322462910995/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C4271699385

Psc/Jsc/Ssc/Hsc/Admission test/Madical/ Question and Result Help Line Any help any question any result help like this page shear this page

15/04/2017

jotoi problem thakok chesta korle shobi shomvob...

হতাশ?পরীক্ষা খারাপ হয়েছে?একটা গল্প বলি...আমার যখন জন্ম হয় সবাই খুব খুশি হয়েছিল আমি কিউট ছিলাম বলে।কিন্তু সেই খুশির রেশ বেশিদিন রইলনা।আমার বয়স যখন তিন মাস জলবসন্ত উঠে আমার চোখে।জন্ম সৌদি আরবে ওখানে এই রোগ অস্বাভাবিক।সো ডাক্তার ভুল চিকিৎসা দিয়ে ফেলে।আমি চিরতরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়ে যায়।দেশে ফিরে আসলাম।আস্তে আস্তে যখন বড় হতে থাকি নিজেকে অসহায় লাগা স্টার্ট করলো।জাস্ট পড়া লেখা করতে পারছিনা বলে।কান্না করতাম একা একা বসে।একদিন একজন চট্টগ্রাম শহরে একটা স্কুলের ঠিকানা দিলো আমাদের বিশেষ স্কুলের।শুরু করলাম লেখা পড়া।আমার জীবন নতুন মোড় নিলো।আজ আমি অনেক কিছু পারি। দাবা খেলি।বিতর্ক করি।গান করি।আরো অনেক কিছুএবার তোমাদের সাথে ইন্টার দিচ্ছি।আমি বলি হতাশ হবা না নিজের উপর আত্ম বিশ্বাস রাখো সফল তুমি হবেই

12/04/2017

কয়েকটি দেশের ছাত্রকে একই প্রশ্ন করা হল।প্রশ্নটি হল:প্রমান করে দেখাও যে, 2/10=2জাপানি ছাত্রের উত্তর: “প্রশ্ন কোন মেশিনেছাপাইছেন? প্রশ্ন ভুল!”এই কথা শুনে চাইনিজ ছাত্র চুপ!আমেরিকান ছাত্রের উত্তর: “প্রশ্ন কোন গাধায়করছে?!”এবার এই কথা শুনে ভারতীয় ছাত্রটিও চুপ!পাকিস্তানি ছাত্রটি দাঁত বাইর কইরা বলতে যাবে ঠিকসেই মুহুর্তেই বাংলাদেশী ছাত্রের উত্তর:বামপক্ষ থেকে পাইঃ2/10= Two/Ten= wo/en ; [উপরে নিচে T কাটা কাটি ]এখন,w= ইংরেজী বর্নমালার 23 নম্বর অক্ষর0= ইংরেজী বর্নমালার 15 নম্বর অক্ষরe= ইংরেজী বর্নমালার 5 নম্বর অক্ষরn= ইংরেজী বর্নমালার 14 নম্বর অক্ষরসুতরাং=23+15/5+14=38/19=2=ডানপক্ষবামপক্ষ = ডানপক্ষ[প্রমানিত]স্যার!!ভুল ধরলে আপনারই লস হইবো!!যা কইসি মাইনা লন!!

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Bokshi Bazar
Dhaka
1418