Goal Verse

Goal Verse Where we talk about football .

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ধরা পড়ারকারণে রিয়াল মাদ্রিদ আসেনসিওর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক শৃঙ্খলা তদন্ত শুরু করেছে।আদালতের রায়ে...
02/09/2026

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ধরা পড়ারকারণে রিয়াল মাদ্রিদ আসেনসিওর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক শৃঙ্খলা তদন্ত শুরু করেছে।

আদালতের রায়ে আসেনসিওকে চোদ্দ হাজার চারশো ইউরো জরিমানা এবং আট মাসের জন্য গাড়ি চালানোর লাইসেন্স বাতিলের শাস্তি দেওয়া হয়। পরীক্ষায় তার শরীরে অ্যালকোহলের মাত্রা পাওয়া যায় 0.9 মিলিগ্রাম প্রতি লিটার, যা আইনি সীমার তিন গুণেরও বেশি!

এই ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষ । ক্লাব কর্তৃপক্ষ এখন বিষয়টি পর্যালোচনা করে আসেনসিওর জন্য অভ্যন্তরীণ আর্থিক শাস্তি নির্ধারণ করবে।

চেলসি এবারের ট্রান্সফার উইন্ডোতে প্রায় ৩২৮ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে। প্রিমিয়ার লিগের পরীক্ষিত মানের খেলোয়াড়ের পাশাপাশি স্...
02/09/2026

চেলসি এবারের ট্রান্সফার উইন্ডোতে প্রায় ৩২৮ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে। প্রিমিয়ার লিগের পরীক্ষিত মানের খেলোয়াড়ের পাশাপাশি স্কোয়াডে প্রয়োজনীয় ডেপথ ও ভারসাম্য তৈরি করা ছিল তাদের অন্যতম লক্ষ্য ।

তবে খরচের চেয়েও চেলসির আয় ছিল আরও চমকপ্রদ। খেলোয়াড় বিক্রি ও লোন ফি থেকে তারা প্রায় ৫১৯ মিলিয়ন পাউন্ড আয় করেছে, যা ধারণা করা হচ্ছে চেলসি ইতিহাসে রেকর্ডসংখ্যক আয়।

সবচেয়ে বড় লেনদেনগুলোর একটি ছিল এনজো ফার্নান্দেজকে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে বিক্রি করা। তবে উইন্ডোর শেষ মুহূর্তে লামিন কামারাকে দলে ভেড়াতে না পারাটা ছিল চেলসির জন্য অপ্রত্যাশিত ধাক্কা। যদিও পুরো ঘটনাটার পেছনে ছিল মোনাকোর তৈরি করা এক জটিল ট্রান্সফার সাগা।

সব মিলিয়ে এই গ্রীষ্মে চেলসির প্রথম দলের ১০ জন নতুন খেলোয়াড় এসেছে। আর এবার রিস জেমসকেও মিডফিল্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা যেতে পারে।

অভিনন্দন ঢাবিয়ান!
02/09/2026

অভিনন্দন ঢাবিয়ান!

আর্জেন্টিনার হয়ে খেলাই ছিল যার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন, আজ সেই মানুষটিই আর্জেন্টিনার ইতিহাসের অন্যতম বড় নায়ক। এমিলিয়ানো মার্...
02/09/2026

আর্জেন্টিনার হয়ে খেলাই ছিল যার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন, আজ সেই মানুষটিই আর্জেন্টিনার ইতিহাসের অন্যতম বড় নায়ক। এমিলিয়ানো মার্তিনেজের গল্পটা শুধু একজন গোলকিপারের গল্প নয়; এটা অপেক্ষা, লড়াই, বিশ্বাস আর বড় মুহূর্তে নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার গল্প।

আজ ৩৪ বছরে পা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। আন্তর্জাতিক ফুটবলের মঞ্চে নিজেকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, যেখানে পৌঁছাতে একজন গোলকিপারের শুধু প্রতিভা থাকলেই হয় না, প্রয়োজন অসীম আত্মবিশ্বাস, চাপ সহ্য করার মানসিকতা এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার সাহস।

২০২২ বিশ্বকাপের সেই অবিশ্বাস্য যাত্রায় গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন মার্তিনেজ। যখন কোটি কোটি আর্জেন্টাইন হৃদয় একই সঙ্গে ভয় আর স্বপ্নের মধ্যে দুলছিল, তখন তিনি হয়ে উঠেছিলেন দলের শেষ প্রহরী। পেনাল্টি শুটআউটে তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্স, গুরুত্বপূর্ণ সেভ আর সেই অদম্য আত্মবিশ্বাস, সব মিলিয়ে মেসির হাতে বিশ্বকাপ তুলে দেওয়ার পথে তাঁর অবদান হয়ে আছে চিরস্মরণীয়।

এরপর টানা দুই কোপা আমেরিকা জয়েও তিনি ছিলেন আর্জেন্টিনার অন্যতম ভরসার নাম। বড় ম্যাচ যত কঠিন হয়েছে, চাপ যত বেড়েছে, মার্তিনেজ তত বেশি নিজের সেরাটা বের করে এনেছেন।

তবে তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ হয়তো থেকে যাবে শেষ বিশ্বকাপ ফাইনালটাকে ঘিরে। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে তিনি আবারও দেখিয়েছিলেন কেন বড় মঞ্চে তাঁকে এতটা ভরসা করা হয়। একের পর এক দুর্দান্ত সেভ, অসাধারণ প্রতিরোধ আর শেষ পর্যন্ত হার না মানা মানসিকতা, সবকিছু উজাড় করে দিয়েও সেদিন কাঙ্ক্ষিত ট্রফিটা ছুঁতে পারেননি।

একজন গোলকিপারের জন্য এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কী হতে পারে? নিজের সর্বস্ব দিয়ে লড়াই করার পরও যখন শেষ বাঁশিটা পরাজয়ের গল্প বলে, তখন সেই আক্ষেপটা হয়তো কোনো পরিসংখ্যান দিয়ে মুছে ফেলা যায় না। তবুও সেই ম্যাচেও মার্তিনেজ বুঝিয়ে দিয়েছেন, ম্যাচটা হারলেও কিছু পারফরম্যান্স ইতিহাসের পাতায় থেকে যায়।

তাঁকে ভালোবাসা যায়, আবার তাঁর আচরণ নিয়ে বিতর্কও হতে পারে। কিন্তু বড় মুহূর্তে তাঁর উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ খুব কম। কারণ তিনি শুধু গোলপোস্ট পাহারা দেন না, চাপের মুহূর্তে একটি পুরো দলের বিশ্বাসকেও আগলে রাখেন।

আজ ৩৪ বছর বয়সে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, দুইবারের কোপা আমেরিকা জয়ী এবং অসংখ্য বড় রাতের নায়ক তিনি। এবার সামনে নতুন অধ্যায়, চেলসির জার্সিতে নতুন চ্যালেঞ্জ, নতুন শহর, নতুন প্রত্যাশা।

একসময় স্বপ্ন ছিল জাতীয় দলের গোলপোস্টে নিজের জায়গা করে নেওয়া। সেই স্বপ্ন পেরিয়ে এখন তিনি ইতিহাসের অংশ। তবুও গল্পটা শেষ হয়নি। হয়তো সামনে আবার কোনো এক বড় রাতে কোটি চোখ তাকিয়ে থাকবে তাঁর দিকে। আবারও হয়তো প্রয়োজন হবে সেই সাহসী মার্তিনেজকে যে চাপের মধ্যে ভেঙে পড়ে না, বরং আরও শক্ত হয়ে দাঁড়ায়। শেষটা ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালের পিটার ড্রুরির আইকনিক লাইন দিয়ে শেষ করতে চাই , " ফরওয়ার্ড বাই কোনাতে, কোলো মুয়ানি, হোয়াট এ স্টপ, হোয়াট এ স্টপ বাই মার্তিনেজ!! "

শুভ ৩৪তম জন্মদিন, এমিলিয়ানো দিবু মার্তিনেজ!

মেসির পর আর্জেন্টিনার দশ নম্বর জার্সি কার?লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের ক্যারিয়ারের ইতি টানলেও তার বিখ্যাত দশ নম্বর...
02/09/2026

মেসির পর আর্জেন্টিনার দশ নম্বর জার্সি কার?

লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের ক্যারিয়ারের ইতি টানলেও তার বিখ্যাত দশ নম্বর জার্সি কিন্তু অবসরে যাচ্ছে না। প্রায় দুই দশক ধরে মেসির গায়ে থাকা জার্সিটি এখন খালি। স্বাভাবিকভাবেই একটাই প্রশ্ন উঠছে, মেসির পর কে পরবেন আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী দশ নম্বর?

অবশ্যই, এখনই কাউকে এই জার্সি দিতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। আর মেসি না খেললেও তার ক্যারিয়ার চলাকালীন অনেক খেলোয়াড়ই সাময়িকভাবে দশ নম্বর জার্সি পরেছেন।

তবে বিশ্বকাপের নিয়মের কারণে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, এক থেকে ছাব্বিশ সব জার্সি নম্বরই খেলোয়াড়দের দিতে হয়েছে। ফলে দশ নম্বর জার্সিকে চিরতরে অবসরে পাঠানোর সুযোগ থাকবে না। অর্থাৎ ভবিষ্যতে কোনো এক বিশ্বকাপেঙ দশ নম্বর জার্সির নতুন মালিক হতেই হবে। কিন্তু তিনি কে?

আর্জেন্টিনার দশ নম্বর জার্সির কিংবদন্তি অবশ্য মেসির হাত ধরে শুরু হয়নি। মেসির আগে দিয়েগো মারাদোনা এই নম্বরকে অমর করে গেছেন।১৯৮৬ বিশ্বকাপে প্রায় পুরো দলকে বর্ণানুক্রমে জার্সি নম্বর দিয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু তিনজনের ক্ষেত্রে ছিল ব্যতিক্রম। দানিয়েল পাসারেলা ছয়, হোর্হে ভালদানো এগারো এবং মারাদোনা তার প্রিয় দশ নম্বর পেয়েছিলেন। এরপর সেই জার্সি উঠে আসে মেসির গায়ে।

দুই হাজার নয় সালের মার্চে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে প্রথমবার আর্জেন্টিনার সিনিয়র দলে দশ নম্বর জার্সি পরেন মেসি। এরপর ধীরে ধীরে জার্সিটি হয়ে ওঠে তার পরিচয়েরই অংশ।
মারাদোনা ও মেসি আর্জেন্টিনার দুই প্রজন্মের দুই মহাতারকার সঙ্গে একই নম্বরের এমন সম্পর্ক ফুটবল ইতিহাসে খুবই বিরল। তাই মেসির পর দশ নম্বরের উত্তরসূরি খোঁজা মানে ‘পরবর্তী মেসি’ খোঁজা নয়। কারণ, পরবর্তী মেসি বলে কেউ নেই।

দশ নম্বর জার্সিকে যদি আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী সৃষ্টিশীল খেলোয়াড়ের প্রতীক হিসেবে রাখা হয়, তাহলে নিকো পাজ হতে পারেন সবচেয়ে আকর্ষণীয় নাম। মাত্র একুশ বছর বয়সেই কোমোর এই মিডফিল্ডার আর্জেন্টিনার নতুন প্রজন্মের অন্যতম উজ্জ্বল প্রতিভা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বাঁ-পায়ের এই খেলোয়াড় মাঝমাঠ ও আক্রমণের মাঝখানে খেলতে পছন্দ করেন। সৃষ্টিশীলতা, পাসিং এবং আক্রমণ তৈরির দক্ষতার কারণে অনেকের চোখেই তিনি ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হতে পারেন।

স্কালোনিও এর আগে পাজকে নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, পাজের সামনে ‘দারুণ ভবিষ্যৎ’ রয়েছে এবং সে একাধিক পজিশনে খেলতে পারে। এইবারে বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে আঠারো নম্বর জার্সি পরা পাজ বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মেসির জায়গায়। এতে অবশ্য পাজ মেসির উত্তরসূরি হয়ে যান না। কিন্তু মেসির জার্সির উত্তরাধিকার পাওয়া আর মেসিকে প্রতিস্থাপন করা—দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

আরেকজন সম্ভাব্য প্রার্থী থিয়াগো আলমাদা। পাজের তুলনায় জাতীয় দলে তার অভিজ্ঞতা বেশি। ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের সদস্য ছিলেন তিনি এবং ২০২৬ বিশ্বকাপের দলেও জায়গা পেয়েছিলেন । হয়তো পাজের মতো তাকে ঘিরে ‘ভবিষ্যতের সুপারস্টার’ হওয়ার উত্তেজনা নেই। কিন্তু টেকনিক্যালি তিনি দুর্দান্ত, ফরোয়ার্ডদের পেছনে খেলতে পারেন এবং স্কালোনির কৌশল সম্পর্কে তার ভালো ধারণা রয়েছে। স্কালোনি যদি ভবিষ্যতের জন্য তরুণ প্রতিভার বদলে অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিকতাকে বেশি গুরুত্ব দেন, তাহলে আলমাদা হতে পারেন যৌক্তিক পছন্দ।

আরেকটি পথ অবশ্য রয়েছে। আর্জেন্টিনা চাইলে ঐতিহ্যবাহী প্লেমেকারের বদলে দলের ভবিষ্যৎ আক্রমণভাগের সবচেয়ে বড় তারকাকে দশ নম্বর জার্সি দিতে পারে। সেক্ষেত্রে আলোচনায় আসবেন হুলিয়ান আলভারেজ।
২০২৬ বিশ্বকাপে তিনি নয় নম্বর জার্সি পরেছেন এবং দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রাইকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাই তার জার্সি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অবশ্য নেই। তবুও ছাব্বিশ বছর বয়সে আলভারেজ এখন ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে প্রবেশ করছেন। তার রয়েছে বিশ্বকাপজয়ের অভিজ্ঞতা এবং মেসির পরবর্তী প্রজন্মের অন্যতম প্রধান মুখ হওয়ার সম্ভাবনা।

হান্সি ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনা শুধু বল পজেশন করছে না, বরং পজেশন দিয়েই প্রতিপক্ষকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তিন ম্যাচে প্রায় ৭০% ...
01/09/2026

হান্সি ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনা শুধু বল পজেশন করছে না, বরং পজেশন দিয়েই প্রতিপক্ষকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তিন ম্যাচে প্রায় ৭০% পজেশন, গড়ে ৫০০+ সঠিক পাস, ১২ গোল এবং ১৯টির বেশি তৈরি করা চান্স, পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কতটা বার্সার হাতে।

তবে এই পজেশন শুধু খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত কোয়ালিটির ফল নয়। পেছন থেকে বল প্রগ্রেশন, প্রেসারের মধ্যে বিল্ড-আপ এবং সঠিক পজিশনিং—সব মিলিয়ে ফ্লিকের সিস্টেম প্রতিপক্ষকে নিজেদের অর্ধে আটকে রাখছে।

প্রথম সিকোয়েন্সে রায়ো ভায়েকানোর হাই প্রেস ভাঙতে ক্রিস্তেনসেন একদিকে, কুবার্সি অন্যদিকে অবস্থান নেন। মাঝখানে পেদ্রি নেমে তৃতীয় সেন্টার-ব্যাকের মতো ভূমিকা নিয়ে বল এগিয়ে দেন। এরপর কুবার্সির একটি নিখুঁত পাস রায়োর প্রেসিং লাইন ভেঙে দেয়। গর্ডন নিচে নেমে বল গ্রহণ করতেই বার্সা ট্রানজিশন তৈরি করে এবং রায়োকে পেছনে সরে যেতে বাধ্য করে।

দ্বিতীয় সিকোয়েন্সে রায়ো যখন নিজেদের ১১ জনকে বলের পেছনে নামিয়ে দেয়, তখন বার্সার প্রায় পুরো দলই প্রতিপক্ষের অর্ধে অবস্থান নেয়। উইং, সেন্টার, হাফ-স্পেস ও লাইনের মাঝখানে খেলোয়াড়দের পজিশনিং এমনভাবে করা হয় যে প্রায় প্রতিটি খেলোয়াড়ের সামনে থাকে দুই-তিনটি পাসিং অপশন।

এটাই পজিশনাল প্লে-র মূল সৌন্দর্য।

দ্রুত পাসিং, নিখুঁত পজিশনিং এবং ইয়ামাল, রাফিনহা ও গর্ডনের ব্যক্তিগত কোয়ালিটি মিলিয়ে বার্সেলোনা সেই পজেশনকে পরিণত করছে চান্সে, আর চান্সকে গোলে।

He is the one who made me fall in love with football for the very first time. Watching him play made me start following ...
31/08/2026

He is the one who made me fall in love with football for the very first time. Watching him play made me start following Argentina and Barcelona, even staying up for midnight games, no matter who they were playing. Just for him, I started supporting Barça, Argentina, and eventually, football itself.

It hurts so much to say goodbye to my love. You will always be the reason I fell in love with this beautiful game.

আর্জেন্টিনার জার্সিতে আর দেখা যাবে না লিওনেল মেসিকে! দীর্ঘ দুই দশকের আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের পর অবশেষে জাতীয় দল থেকে অবসরের...
31/08/2026

আর্জেন্টিনার জার্সিতে আর দেখা যাবে না লিওনেল মেসিকে!

দীর্ঘ দুই দশকের আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের পর অবশেষে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা ও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সর্বকালের সেরা এই ফুটবলার। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর থেকেই তাঁর আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ছিল। এবার সেই প্রশ্নের উত্তরটা মেসি নিজেই দিয়ে দিলেন, শেষ হলো আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর এক অবিশ্বাস্য অধ্যায়!

একসময় যে আকাশি-সাদা জার্সিটা ছিল তাঁর স্বপ্ন, সেটাই ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছিল তাঁর সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মঞ্চ। একের পর এক ফাইনালে ব্যর্থতা, সমালোচনা আর হতাশার ভেতর দিয়েও থামেননি মেসি। ২০২১ কোপা আমেরিকা, ২০২২ বিশ্বকাপ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা আর্জেন্টিনার সোনালি প্রজন্মের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি।

আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির গল্পটা তাই শুধু ট্রফির গল্প নয়; এটি অপেক্ষা, ব্যর্থতা, প্রত্যাবর্তন এবং শেষ পর্যন্ত পূর্ণতার গল্প। যে মানুষটিকে একসময় জাতীয় দলের জার্সিতে শিরোপা জিততে না পারার জন্য প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল, সেই মানুষটিই শেষ পর্যন্ত দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলোর অন্যতম কারিগর হয়ে বিদায় নিচ্ছেন। তাঁর আন্তর্জাতিক অধ্যায়ে রয়েছে একটি বিশ্বকাপ, দুটি কোপা আমেরিকা এবং অসংখ্য ব্যক্তিগত ও দলীয় অর্জন।

হয়তো ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনা আবার বিশ্বকাপ জিতবে, আবার কোপা আমেরিকার ট্রফিও উঠবে আকাশি-সাদা পতাকার নিচে। নতুন কোনো অধিনায়ক দলকে নেতৃত্ব দেবেন, নতুন কোনো তারকা হয়ে উঠবেন মানুষের আশার প্রতীক। কিন্তু মেসির জায়গাটা পূরণ করা সহজ হবে না। কারণ তিনি শুধু একজন ফুটবলার ছিলেন না; একটি প্রজন্মের আবেগ, স্বপ্ন, অপেক্ষা আর ভালোবাসার নাম ছিলেন লিওনেল মেসি।

Lionel Messi has just announced that he is retiring from Argentina National Team! “After all this time since the final, ...
31/08/2026

Lionel Messi has just announced that he is retiring from Argentina National Team!

“After all this time since the final, and after thinking about it a lot, I want to tell everyone that I’m retiring from the national team…”

"It was a decision that hurt and still hurts deep inside, but I understand that this is the right moment.”

"I swear I always gave everything, not only in these last few years when we won everything, but before that too. I always fought and gave everything for this shirt, to bring you happiness and make you feel proud to be Argentine through football.”

"There isn’t much time left, and different chapters are coming to an end. This is one that hurts me a lot. I love, I loved, and I will always love being part of the national team. I gave everything I had, and I don’t have anything more to give.”

"Also, there are great young players coming through who deserve to be here.”

"Thank you for all the love during these 20 years. I’m going to miss hearing you from the inside. Now I’ll be one of you, always supporting from the outside, in the good times and even more in the bad ones.”

"Thank you to my family for always being there and for being with me throughout this beautiful but difficult journey. Thank you to every coach, teammate and director I had the chance to share it with. I take with me unforgettable memories and moments.”

"I leave with peace and pride, knowing that together with my teammates we gave you moments we once dreamed of. It was crazy to experience all of this with you. I love you!”

"Thank you God for making me Argentine.”

"Vamos Argentina!”

"I wrote these words on July 21, two days after the final. Today, after what happened with my dad, I’m even more convinced of this decision than before.”

মার্কাস রাশফোর্ডকে স্থায়ীভাবে দলে আনতে যখন ডেকো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন, তখন ইউনাইটেড রাশফোর্ডের জন...
31/08/2026

মার্কাস রাশফোর্ডকে স্থায়ীভাবে দলে আনতে যখন ডেকো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন, তখন ইউনাইটেড রাশফোর্ডের জন্য ৩০ মিলিয়ন ইউরো দাবি করেছিল। কিন্তু ডেকো ২৫ মিলিয়ন ইউরোর বেশি দিতে রাজি হননি। ফলাফল? শেষ পর্যন্ত সেই ডিল ভেস্তে যায়।

এরপর ডেকো মাত্র ২২ মিলিয়ন ইউরোতে করিম আদেয়েমিকে দলে আনেন। যে কি-না রাশফোর্ডের চেয়ে চার বছরের ছোট , পাশাপাশি আদেয়েমি প্রেসিংয়ে বেশি কার্যকর, ট্যাকটিক্যালি আরও ডিসিপ্লিনড এবং বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন। খুব দ্রুতই ফ্লিকের সিস্টেমে মানিয়ে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপ শেষের কিছু দিন পর ডেকো ফেরান তোরেসকে পিএসজির কাছে ৫০ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি করেন। অথচ ফেরানের বার্সেলোনায় চুক্তির মেয়াদও ছিল মাত্র এক বছর। এরপর তাঁর জায়গায় মাত্র ১০ মিলিয়ন ইউরোতে গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে নিয়ে আসেন ডেকো।

অর্থাৎ, মাত্র ৩২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেই ডেকো দুইজন মানসম্মত রিপ্লেসমেন্ট এনেছেন, স্কোয়াডের ডেপথ বাড়িয়েছেন এবং একই সঙ্গে বেতন খরচও রেখেছেন খুবই কম। রিসেন্টলি ট্রান্সফার মার্কেটে কম খরচে সর্বোচ্চ মূল্য বের করে আনার ক্ষেত্রে ডেকোর কাজগুলো সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Goal Verse posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category