Aswad Bicycle Shop

Aswad Bicycle Shop

Share

A Cycle Shop that will cater maximum desire of a passionate Cyclist

21/05/2024

সাইকেল চালানোর স্বাস্থ্য উপকারিতা

কয়েক বছর আগে, শহর এবং গ্রামে প্রায় সর্বত্র সাইকেল চালানো সাধারণ ছিল, কিন্তু মানুষ আজকাল ফিটনেসের উদ্দেশ্যে সাইকেল চালানো বেছে নেয়। শহরাঞ্চলে স্বাস্থ্য রক্ষায় এটি ব্যবহারের পাশাপাশি সাইকেল ব্যবহার করে অনেক তরুণ-তরুণী স্টান্ট করছেন।

সাইকেল চালানো কেন গুরুত্বপূর্ণ?

স্বল্প দূরত্বের ভ্রমণে আপনার সঙ্গী হওয়া ছাড়াও, একটি চক্রের আরও অনেক সুবিধা রয়েছে। সাইকেল চালানোর সময়, বিভিন্ন পেশী সক্রিয় হয়ে ওঠে, ফলে পেশীর গঠন আরও মজবুত হয়। এছাড়াও, সাইকেল চালানোর জন্য অন্যান্য খেলার মতো অনেক শারীরিক দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। কারণ একবার সাইকেল চালানো শিখে গেলে সহজে ভোলা যায় না।

সাইকেল চালানো অন্য যেকোনো ব্যায়াম বা সাঁতারের চেয়ে সহজ কারণ এর জন্য বারবার অনুশীলনের প্রয়োজন হয় না। এটি শরীরকে ঠিক রাখে এবং শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমতে দেয় না। সাইকেল দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক আঘাত থেকে পুনরুদ্ধার করতেও সাহায্য করতে পারে।

অনেক লোকের জন্য যারা জন্মগতভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম, সাইকেল চালানো স্বাভাবিক কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। কিছু ক্লাব এবং সংস্থা আমাদের দেশে প্রতিযোগিতা এবং সাইকেল স্টান্টের আয়োজন করে, যা আমাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে চাঙ্গা রাখার মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সাইকেল চালানো

সাইকেল চালানোর সময় আমাদের ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড এবং শিরা একসাথে কাজ করে, যার ফলে গভীর শ্বাস নেওয়া হয় এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত সাইকেল চালানোর সাথে অন্যান্য সুবিধা পাওয়া যায়:

সাইকেল চালানো শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়ায় এবং মনকে সতেজ রাখে।

• নিয়মিত বিরতিতে সাইকেল চালানো ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়।

• সাইকেল চালানো এবং জগিং প্রায় একই পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করে। প্রতি ঘণ্টায় সাইকেল চালানোর মাধ্যমে শরীর থেকে প্রায় 300 ক্যালরি নষ্ট হয়।

• হাঁটু বা মেরুদণ্ডের আঘাতের মতো বয়স্ক স্বাস্থ্য সমস্যা আছে এমন যে কেউ জগিংয়ের বিকল্প হিসেবে সাইকেল চালানো থেকে উপকৃত হতে পারেন।

• সাইকেল চালানো ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং যারা নিয়মিত সাইকেল চালায় তাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকার সম্ভাবনা বেশি।

• সাইকেল চালানো মানসিক চাপ এবং বিষণ্নতা কমাতে সাহায্য করে।

সাইকেল চালানো শুরু করার আগে

কিশোর এবং তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাইকেল চালানোর উপর কোন বিধিনিষেধ নেই। ট্রাফিক জ্যাম ঠেলে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়, বিশেষ করে স্বল্প দূরত্বের গন্তব্যে যাওয়ার সেরা উপায় হতে পারে সাইকেল। তবে যাদের বয়স একটু বেশি বা যাদের কিছু শারীরিক জটিলতা রয়েছে:

• সাইকেল চালানোর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

• ধীরে ধীরে শুরু করুন, সপ্তাহে দুই বা তিন দিন, তারপর বাড়িয়ে পাঁচ বা ছয় দিন করুন।

• আপনার বয়স এবং উচ্চতা অনুযায়ী সঠিক চক্র নির্বাচন করুন।

• ধীরে ধীরে সাইকেল চালানোর গতি বাড়ান।

• সাইকেল চালানোর আগে হেলমেট, নীপ্যাড, কনুই প্যাড পরুন।

• প্রতিদিন আপনার সাইকেল নিয়ে বের হওয়ার আগে নিশ্চিত করুন যে সাইকেলের পাম্প, টায়ার এবং গিয়ারগুলো ভালো অবস্থায় আছে কিনা।

সাইকেল চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র

আপনি যদি সাইকেল চালানোর সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে এখানে কিছু জিনিস আপনার প্রয়োজন হতে পারে:

• গ্রীষ্ম/গরম আবহাওয়ায় সাইকেল চালানোর জন্য ভেন্টেড হেলমেট সবচেয়ে বেশি উপযোগী।

• আপনি যদি লং রাইডিংয়ে যেতে চান, আপনি হালকা বা সাদা পোশাক পরতে পারেন যা আপনাকে অতি-ভায়লেট রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেবে।

• রাস্তায় সাইকেল রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম।

• রোদে পোড়া থেকে হাত বাঁচাতে সানস্ক্রিন সঙ্গে রাখতে পারেন।

• এনার্জি ড্রিংক বা এনার্জি পাউডার নিন।

• যাত্রায় যাওয়ার সময় অনেকে তাদের সাথে জরুরী কিট এবং প্রয়োজনীয় স্ন্যাকসও বহন করে।

গ্রীষ্মে সাইকেল চালানো

তীব্র রোদ উষ্ণ আবহাওয়ায় সাইকেল চালানোর জন্য একটি বাধা। অতিরিক্ত তাপমাত্রার পাশাপাশি রাইডারদের সেই সময় ক্যালোরি পোড়াতে হয়! তাই গরম আবহাওয়ায় সাইকেল চালানোর সময় পর্যাপ্ত সতর্কতা না নিলে ডিহাইড্রেশন বা এমনকি হিট স্ট্রোকের মতো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। তাই গরম আবহাওয়ায় সাইকেল চালানোর সময় আপনার যা যা প্রয়োজন হতে পারে:

• পর্যাপ্ত পানি: গ্রীষ্মকালে রাইডের আগে, চলাকালীন এবং পরে পানি প্রয়োজন। বাইক চালানোর সময় আপনাকে নিয়মিত বিরতিতে জল পান করতে হবে এবং স্যালাইন পান করার কথাও বিবেচনা করা উচিত। গরম আবহাওয়ায় সাইকেল চালানোর সময় স্যালাইন আপনার শক্তি বাড়ায়।

• সূর্য সুরক্ষা: তাপ এবং বিকিরণ হল বাইক চালানোর সময় অসুস্থ হওয়ার কিছু প্রধান কারণ। তাই রোদ থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই ভালো সানস্ক্রিন পরতে হবে প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষামূলক পোশাক, টুপি ইত্যাদি।

• ধীরে ধীরে শুরু করুন: এই সতর্কতাগুলি অনুসরণ করার পরেও, আপনি যদি উচ্চ তাপমাত্রায় সাইকেল চালাতে অভ্যস্ত না হন তবে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। তাই তাপমাত্রা বেশি হলে সপ্তাহে একবার বাইরে যান। এই সময়ে, ঘর্মাক্ত শরীর আপনাকে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় বাইক চালানোর সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে। যদিও এটি প্রথমে একটি কঠিন কাজ বলে মনে হতে পারে, এটি পরে সহায়ক হবে।

• ছায়ায় বিশ্রাম নিন: শহরের রাস্তায় সাইকেল চালানোর সময়, রাস্তায় গাছ থাকলে এবং ছায়া থাকলে সুযোগ নিন। এছাড়াও, মধ্যবর্তী বিশ্রামের সময় ছায়া থাকে এমন জায়গা বেছে নিন।

উপসংহারে

সাইকেল চালানোর অনেক সুবিধা রয়েছে, যার কয়েকটি আমরা এই লেখায় উল্লেখ করেছি। আমরা আশা করি এই সুবিধাগুলি এবং টিপসগুলি আপনার সাইকেল চালানোকে আরও উপভোগ্য করে তুলবে৷

Photos from Aswad Bicycle Shop's post 21/05/2024

দু’চাকায় ভর করে কমবে পেটের মেদ, কী ভাবে সাইকেল চালালে সহজে ঝরবে অতিরিক্ত ওজন?

অতিরিক্ত ওজন শরীরে একাধিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে। তবে ওজন ঝরাতে যে জিমেই যেতে হবে, এমন নয়। সাইকেল চালানোর মতো নিত্যদিনের কাজেও ঝরতে পারে অতিরিক্ত মেদ। শুধু প্রয়োজন সঠিক কৌশলের।

শারীরিক গঠন যেমনই হোক, সকলেই নিজের মতো করে সুন্দর। এ কথা যেমন সত্য, তেমনই অতিরিক্ত ওজন শরীরে একাধিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে, এ কথাও মিথ্যা নয়। তাই অনেকেই এখন নানান কৌশলে অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলতে চাইছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু জিমে ঘাম ঝরানোই নয়, সাইকেল চালানোর মতো নিত্যদিনের কাজেও ঝরতে পারে অতিরিক্ত মেদ। শুধু প্রয়োজন সঠিক কৌশলের।

১। জিমে শরীরচর্চা শুরুর আগে যেমন হাল্কা কিছু ব্যায়াম করে নিতে হয়, তেমনই সাইকেল চালানোর আগেও একটু হাত পা স্ট্রেচ করার দরকার। সাইকেল চালানো শুরু করার মিনিট পনেরো আগে হাল্কা একটু হাঁটাহাঁটি করে নিন। এতে পেশির জড়তা দূর হবে, ঝরঝরে লাগবে শরীর।

২। সাইকেল চালানোর সময় কোন ধরনের পোশাক পরবেন তা-ও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সাইকেল চালানোর সময় পরতে হবে খোলামেলা পোশাক কিংবা সুতির জমাকাপড়। এর ফলে দেহ থেকে বার হওয়া ঘাম সহজে শুকিয়ে যেতে পারে।

৩। সমতলেই চালানো শুরু করুন সাইকেল। যাঁরা উঁচুনিচু জায়গায় সাইকেল চালাচ্ছেন, তাঁরা প্রথমে কিছুক্ষণ সমতলে চালিয়ে ধীরে ধীরে চড়াইতে উঠতে পারেন, এতে শরীরের উপর আকস্মিক ধকল পড়ে না।

৪। সাইকেলে চাপলে কিছুটা গতি বজায় রাখতেই হবে। প্রথমে মাঝারি গতিতে শুরু করে ক্রমশ বাড়াতে হবে গতি। আবার একটানা দ্রুত গতিতে সাইকেল চালালে চলবে না। কিছুটা দ্রুত গতিতে চালিয়ে আবার কিছুটা বিশ্রাম দিতে হবে শরীরকে। ধীরে ধীরে চালিয়ে যদি ঘাম না ঝরে, তবে তেমন উপকার মিলবে না।

৫। শুধু সাইকেল চালানোই নয়, চালানোর পর তিরিশ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজন অনুসারে কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন জাতীয় খাদ্য খেতে হবে। পাশাপাশি, সাইকেল চালানোর সময় ঘামের সঙ্গে অনেকটা জল বেরিয়ে যেতে পারে। সুতরাং, পান করতে হবে পর্যাপ্ত জল।

Photos from Aswad Bicycle Shop's post 21/05/2024

ঘরে বাইরে গরমে সতেজ কিশোরী

সজীব থাকাটাই কৈশোরের সৌন্দর্য। রোদ, ঘাম ও ধুলাবালি মলিন করে দেয় সজীবতা। কিছু নিয়ম মেনে গরমেও সতেজ থাকা যায়। রূপ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন মোনালিসা মেহরিন।

কিশোরীদের বেশির ভাগ সময় কাটে স্কুলে পড়াশোনার ব্যস্ততা নয়তো দুরন্তপনায়। সকালে স্কুল, বিকেলে কোচিং, ছুটির দিনে ঘোরাঘুরি নয়তো আড্ডা—কোনো কিছুতেই খামতি নেই। গরমের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটতে হয় তাদের। অত্যধিক গরমে ও ঘামে নাজেহাল হয়ে পড়ে।

সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদে অতিবেগুনি রশ্মি সবচেয়ে বেশি থাকে। এ সময়ই স্কুল, কোচিং, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন কাজে বাইরে থাকে কিশোরীরা। পানিশূন্যতা, অতিবেগুনি রশ্মি, রোদ, ধুলা-ময়লা মিলে মলিন হয়ে পড়ে ত্বক ও চুল। সতেজ বয়সটাতে নিস্তেজ হয়ে পড়ে তারা।

এ সময় পোশাক ও দিনযাপনে কিছু প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ সতেজ রাখতে পারে কিশোরীদের।

ছাতা বা টুপি

নানা প্রয়োজনে কিশোরীদের বাইরে বেরোতেই হয়। এ সময় রোদ মোকাবেলা করতে ছাতা বা টুপি ব্যবহার করতে হবে। ফ্যাশনেবল ছাতা কিনতে পাওয়া যায় বাজারে। কিশোরীদের এসব ছাতায় মানায় ভালো।

স্টাইলও হয়। কিছু ছাতার কাপড় সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকেও সুরক্ষা দিতে সক্ষম। ছাতার বিকল্প হিসেবে বড় গোল টুপি ব্যবহারেও রোদ থেকে ছায়া মিলবে। ফ্যাশনেবল এসব টুপিও পাওয়া যাবে হাতের নাগালেই।

বাইরে এরকম টুপি রোদ আটকাতে সহায়ক হবে
পোশাকে আরাম

ভাপসা গরম বা প্রচণ্ড রোদের এ সময় ঢিলেঢালা কাটের আরামদায়ক পোশাক পরতে হবে। মাঝেমধ্যে হয়তো বৃষ্টির দেখা মিলছে, তাতেও কমছে না গরমের দাপট। সুতি ও লিনেনের নরম পোশাকে গরমে আরাম বেশি পাওয়া যায়। হালকা রঙের একরঙা বা ফুলেল মোটিফের পোশাক বেছে নিতে পারেন। ফ্যাশন ও আরাম দুই-ই মিলবে। কম ঘামে এবং বাতাস চলাচলের উপযোগী পোশাক বেছে নিতে হবে। ফ্যাশনের সঙ্গে যেন আরামটাও নিশ্চিত হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

এ সময় হালকা রঙের ও ঢিলেঢালা কাটের পোশাক আরাম ও ফুরফুরে ভাব এনে দেবে। মডেল : কেয়া ও রায়া।

পানি ও ছোট্ট ফ্যান

বাইরে গেলে সঙ্গে পানির বোতল রাখতে হবে। পানিশূন্যতা গরমে সবচেয়ে বেশি ভোগায়। এতে অনেক সময় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। ত্বক নিস্তেজ হয়ে পড়ে। কাস্টমাইজড অনেক পানির বোতল পাওয়া যায় বাজারে। এসব বোতলে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত পানি ঠাণ্ডা থাকে। গরমে ঘন ঘন পানি পান করতে হবে। দাবদাহে ত্বকের সুরক্ষায় ও ঘাম থেকে বাঁচতে ছোট্ট পোর্টেবল ফ্যান কাছে রাখতে হবে। স্কুল অথবা কাঁধ ব্যাগেই এমন ফ্যান সেটে যায়। কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত সচল থাকে ফ্যানগুলো। বাতাস হয়তো বেশি না। তার পরও এই গরমে সামান্য শান্তির জন্য ফ্যানগুলো মন্দ নয়। উপরন্তু ফ্যাশনেবলও।

বাইরে ছোট ফ্যান, ঘরে ছিমছাম পোশাকে স্বস্তি বেশি পাবে কিশোরীরা। মডেল : কেয়া, নির্বানা ও রায়া
ত্বকের খেয়াল

বয়ঃসন্ধিতে হরমোনজনিত কারণে কিশোরীদের শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। এ সময় বাড়ির বাইরে থাকার ফলে ঘাম ও ধুলাবালিতে চুল ও ত্বকের বেশ ক্ষতি হয়। এ জন্য ত্বক ও চুলের ঘরোয়াভাবে যত্ন নিতে হবে। রূপচর্চায় বড়দের সাহায্য নিতে পারে কিশোরীরা। এই বয়সে বড়দের প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবে না। ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে হবে। রূপচর্চায় শসা, দুধ, দই, মধু, বেসন ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।

বাসায় ঘরোয়া প্যাকে রূপচর্চায় ত্বক ভালো থাকবে।
ঘরে ছিমছাম

গরমের সময় প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে থাকা যাবে না। ঘরে ছিমছাম ও আরামদায়ক পোশাক পরলে ভালো লাগবে। বই পাঠ, গান শোনা, নিজের যত্নের মধ্য দিয়ে ঘরের সময়টাকে উপভোগ্য করে তুলতে পারলে সতেজতা স্বাভাবিকভাবেই ফুটে উঠবে শরীরে।

21/05/2024

ইনডোর প্লান্ট যেভাবে ঠাণ্ডা রাখে ঘরের পরিবেশ

গরমের তীব্রতা যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। কোথাওই স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে না। ঘরের ভেতরও যেন ভাপসা গরম। এমনকি এসি ছেড়ে রাখলেও অস্বস্তি কমছে না।

এগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিরক্তি। আসলে আবহাওয়া আমাদের মনের ওপরও প্রভাব ফেলে থাকে। এসবের জন্য বাসার ভেতর কিছু গাছ রাখতে পারেন, যা তাপ শোষণ করে এবং বাসার পরিবেশ সুন্দর রাখে। এতে স্বস্তি পেতে পারেন।

চলুন সে রকমই কিছু ইনডোর প্লান্ট সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
• স্পাইডার প্লান্ট : ইনডোর প্লান্ট হিসেবে বেশ জনপ্রিয় এই গাছ আমাদের অনেকের বাসায়ই রয়েছে। এটি ঘরের বাতাস শুদ্ধ রাখার পাশাপাশি বাতাসের আর্দ্রতাও শুষে নেয়। ফলে ঘরের ভাপসা ভাব দূর হয়।

• স্নেক প্লান্ট : অল্প পানিতে বেঁচে থাকা এই গাছ ঘরের বাতাস থেকে আর্দ্রতা শুষে নিতে সাহায্য করে। যার ফলে অস্বস্তি কম হয়। আবার এই গাছের বেঁচে থাকার জন্য খুব বেশি সূর্যের আলোরও প্রয়োজন হয় না। ঘরের এক কোনায় রেখে দিয়ে সপ্তাহে দু-এক দিন পানি দিলেই ভালোমতো বেঁচে থাকবে এই স্নেক প্লান্ট।

• পিস লিলি : ঘরের বাতাস পরিশুদ্ধ রাখার পেছনে এই গাছেরও অবদান রয়েছে।

Photos from Aswad Bicycle Shop's post 21/05/2024

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে যতটা হাঁটা জরুরি

হাঁটলে শরীর ভালো থাকে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ওজন কমানো সব সমস্যার সমাধান লুকিয়ে রয়েছে হাঁটায়। শরীর সুস্থ রাখতে হাঁটার কোনও বিকল্প নেই। সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয়েছে সারা দিনে ১০ হাজার পা হাঁটলে কমে হৃদরোগের ঝুঁকি।

ব্রিটিশ জার্নাল অব স্পোর্টস মেডিসিনে প্রকাশিত নতুন সমীক্ষা অনুযায়ী, যারা দিনে ৯,০০০ থেকে ১০,০০০ পা হাঁটেন তাদের হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমে। তবে রোজকার কর্মব্যস্ত জীবনে আলাদা করে রোজ ১০ হাজার পা হাঁটা সম্ভব নয়। কাজের ফাঁকেই হেঁটে নিন ১০ হাজার পা।

সিঁড়ি ব্যবহার করুন
লিফটের ব্যবহার যতটা সম্ভব ছেড়ে দিয়ে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা শুরু করুন। অনেকেই আছেন যারা লিফটের ওপর নির্ভরশীল। তবে শরীর ফিট রাখতে চাইলে সিঁড়ির ব্যবহার শুরু করুন। যা আপনার শরীরকে রাখবে সুস্থ। সেইসাথে হাঁটার ঘাঁটতিও পূরণ করবে।

গাড়ি দূরে পার্ক করুন
অফিসে গাড়ি নিয়ে যান? সেক্ষেত্রে অফিসের সামনেই গাড়ি পার্ক না করে একটু দূরে পার্ক করুন। বা পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে থাকলে গন্তব্যের কিছু আগে নেমে যান। এতে আপনার কিছুটা হাঁটাহাঁটি করার সুযোগ তৈরি হবে।

বাজারে যান
বাজারে মনের মতো জিনিস কিনতে হলে বেশ অনেকটা ঘোরাঘুরি করতে হয়। তাই অনলাইনে বাজার করার প্রতিই ঝোঁক অনেকের। অভ্যাসটা বদলে ফেলুন। রোজ টুকটাক বাজার করুন এতে শরীরও থাকবে ফিট সেইসঙ্গে টাটকা বাজারও আসবে ঘরে।

রাতে খাওয়ার পর হাঁটুন
সারাদিন সময় না পেলেও রাতে খাওয়ার পর অবশ্যই ২০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস তৈরি করুন। প্রয়োজনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে অল্প হাঁটুন। এতে শরীর থাকবে চাঙ্গা এবং সুস্থ।

Photos from Aswad Bicycle Shop's post 21/05/2024

দাবদাহে স্কুলগামী শিশুর সুরক্ষায়

প্রচণ্ড গরমে এক সপ্তাহ স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনার পর আবারও স্কুল-কলেজ চালু হওয়ার ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছে। এই প্রচণ্ড গরমে বাচ্চাদের স্কুলে যাতায়াতের সময়ে নানা ধরনের সমস্যাই হতে পারে। আবার অনেক স্কুল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত থাকলেও সব স্কুলে তো আর সে সুযোগ নেই। তাই বাড়তি একটু দুশ্চিন্তা থাকেই। এই বাড়তি দুশ্চিন্তার জায়গা থেকেই শিশুর যত্নের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। শিশুর পোশাক থেকে শুরু করে তার আরামের সবকিছুর দিকেই খেয়াল রাখা জরুরি। সামান্য ভুলে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তো থাকেই সঙ্গে আরো যুক্ত হয় নানা অনুষঙ্গ। এসব বিষয় সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি।

পোশাকের ভাবনা

স্কুলের ড্রেসকোড তো আর আলাদা করা যায় না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সুতির পোশাক দেবেন ওদের সঙ্গে। স্কুলে যাওয়ার আগে শিশুদের মাথায় ক্যাপ দিন। চোখ রক্ষার জন্য সানগ্লাস আর ত্বকে সানস্ক্রিন লোশন লাগিয়ে দেবেন। এভাবে রোদের তাপ সরাসরি গায়ে লাগবে না। ওদের সঙ্গে সবসময় ছাতা দেবেন। স্কুলে প্রয়োজনের বেশি বই বহন করতে দেবেন না। গরমে শিশুদের চুল বড় না রাখাই ভালো। মেয়েদের ছোট চুল আটকে রাখতে সুবিধা হয়। জুতার ব্যাপারটিও মাথায় রাখবেন। জুতা যেন আরামদায়ক হয়।

বিশুদ্ধ পানি
এই গরমে বিশুদ্ধ পানি পান করাবেন আপনার শিশুকে। স্কুলগামী শিশুদের ব্যাগে ছোট বোতলে বিশুদ্ধ পানি দিয়ে দেওয়া জরুরি। পানির বোতলটি পরিষ্কার রাখুন। স্কুলে যাওয়ার পথে শিশুকে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি, আইসক্রিম, কোমল পানীয় খাওয়া থেকে বিরত রাখুন। রাস্তায় বিভিন্ন কুলফি, মালাই বা লেবুর শরবতও তাদের খেতে দেবেন না। স্কুল থেকে ফেরার পর চিনি, লেবুর শরবত অথবা দইয়ের ল্যাসি বানিয়ে দিতে পারেন। স্যালাইনও দিতে পারেন। বাইরের কোনো স্ন্যাকস বা ভাজাপোড়া খেতে দেবেন না।

টিফিনে দিন বাড়তি যত্ন

এই গরমে শিশুর টিফিন নিয়েও বাড়তি দুশ্চিন্তা রাখা দরকার। পানি তো দেবেনই সঙ্গে মৌসুমি ফল দিলে ভালো হয়। কমলা, পেঁপে বা অন্য মৌসুমি ফল স্লাইস করে দিন। সঙ্গে দই বা অন্য কিছু দিতে পারেন। সকালের নাস্তাতে সবজির প্রাধান্য রাখুন।

তোয়ালে আর টিস্যু সঙ্গে দিন

সন্তানকে যতটা সম্ভব ঘাম থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। ঘাম থেকে দূরে রাখার কাজটি সহজ না। স্কুলে থাকলে গরম ভয়াবহভাবে কাবু করতেই পারে। তাই তোয়ালে বা টিস্যু দিন। আপনার সন্তান স্কুলে গেলে মুখ, হাত ধোবেই। তাই তাদের যেন হাত-মুখ মোছার সুযোগ থাকে তা নিশ্চিত করুন।

Photos from Aswad Bicycle Shop's post 21/05/2024

স্মার্টফোন ব্যবহারে হোন স্মার্ট

আধুনিক এক বিশ্বে বসবাস করছি আমরা। সেখানে ‘স্মার্টফোন’ নামক বস্তুটি আপনার হাতে না থাকলে আপনি খুব সহজেই পেয়ে যাবেন আনস্মার্টের তকমা। আজকাল ছোটো-বড় সবার হাতের মুঠোয় স্মার্টফোন থাকা বাধ্যতামূলক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন স্মার্টফোনকে আপনি ঠিক কিভাবে ব্যবহার করছেন?

নতুন স্মার্টফোন নিয়েছেন। হঠাৎই মনে হলো, পরিচিত বা অপরিচিত কাউকে কিছুক্ষণ বিরক্ত করা যাক। ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দিনের পর দিন নিখুঁতভাবে চালিয়ে গেলেন এই কাজটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন খুশি যেমন খুশি একটি ছবি আপলোড করে দিলেন, সাথে এমন কিছু ক্যাপশন যা আপনার ইমেজ নষ্ট করে দিতে পারে সবার কাছে, কারো ইনবক্সে গিয়ে হয়রানিমূলক বার্তা প্রদান করলেন।

এসব ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে। স্মার্টফোন ব্যবহার আমাদের জীবনকে নিঃসন্দেহে অনেকটা সহজ করেছে। জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। আমরা স্মার্টফোন ব্যবহারের সুফল যেমন ভোগ করছি সেই সাথে যেন পাল্লা দিয়ে শিখছি স্মার্টফোনের অপব্যবহার।

স্মার্টফোনকে ঘিরে দিনের পর দিন বেড়েই চলছে অন্যায়। আপনি আপনার স্মার্টফোন কিভাবে ব্যবহার করছেন তার ওপর নির্ভর করে আপনার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হয়। স্মার্টফোনের মাধ্যমে আপনি আপনার ইচ্ছে বা পছন্দের বিষয়টি প্রকাশ করেন। আমরা বাস্তবে সামনাসামনি যা প্রকাশ করতে না পারি স্মার্টফোনের মাধ্যম তা ঠিকই প্রকাশ করছি। মোদ্দাকথা আপনি আপনার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে মানুষকে একটি অলিখিত সার্টিফিকেট দেখাচ্ছেন।

আপনি আপনার স্মার্টফোনে কোন কোন অ্যাপ ব্যবহার করছেন, আপনি কোন বিষয়গুলো সার্চ করছেন, সামাজিক মাধ্যমে কোন বিষয়ে মন্তব্য করছেন এ সবকিছু আপনার দর্পণ হিসেবে কাজ করছে। আপনি হয়তো এই ব্যবহারগুলোকে স্মার্টনেস মনে করতে পারেন তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এরূপ ব্যবহার সামনের মানুষটির কাছে আপনার একটি নেতিবাচক ইমেজ তৈরি করে দেয়।

সমাজে চলার জন্য আমরা অনেক ধরনের নীতিমালা অনুসরণ করে থাকি। আধুনিক সমাজে প্রতিনিয়তই আমরা চেষ্টা করছি কে বেশি স্মার্ট হতে পারি। তবে আমরা ভুলে যাই স্মার্টনেস মানে শুধু আইফোনের লেটেস্ট মডেল ব্যবহার নয়, ফোনটি ব্যবহারের জন্যও কিছু নীতি মেনে চলা। আপনি গলা ফুলিয়ে বলতেই পারেন, ‘মগের মুল্লুক নাকি, আমার টাকার ফোন আমি যেভাবে খুশি ব্যবহার করবো!’ তবে এর প্রতিউত্তরে বলবো, স্মার্টফোন ব্যবহার করে স্মার্ট হতে শিখলেন কই?

Photos from Aswad Bicycle Shop's post 21/05/2024

গরমে বরফেই মিলবে ত্বকের স্বস্তি

সাধারণত ব্যথা বা ফোলাভাব কমাতে আমরা বরফ ব্যবহার করি। কিন্তু ত্বকের পরিচর্যায়ও বরফ দারুণ কাজ দেয়। প্রতিদিন এক টুকরো বরফ ব্যবহারে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে। ত্বকের দাগ ও ব্রণ কমে। রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। চোখের নীচে ফোলা ভাবও দূর হয়। তাই বাইরে থেকে ফিরে ভালো করে মুখ পরিষ্কার করে এক টুকরো বরফ ঘষে নিন। দেখবেন এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। ত্বকের নানা সমস্যাও কমবে।

শুধু বরফও মুখে ঘষতে পারেন, আবার বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে আইস কিউব তৈরি করেও মুখে লাগাতে পারেন। রইলো ত্বকে আইস কিউব ব্যবহারের কিছু টিপস:

অ্যালোভেরা ও বেসিল আইস কিউব

অ্যালোভেরা ও বেসিল উভয়ই ত্বকের জন্য উপকারী। অ্যালোভেরা ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব কমায়। ব্রণ নিরাময় করে। আর বেসিলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য। এটি ত্বকের ট্যান কমায়। ত্বককে প্রশমিত করে। এই কিউব তৈরি করতে বেসিল পাতা গুঁড়ো করে ১ কাপ পানিতে মেশান। এতে ২ চা চামচ অ্যালোভেরা মিশিয়ে নিন। সব উপকরণ ভালো ভাবে মেশানো হয়ে গেলে একটি আইস কিউব ট্রেতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। বরফ জমে গেলে এক একটা করে কিউব মুখে মাখুন।

গোলাপ জল ও আইস কিউব

ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে গোলাপ জল। প্রতিদিন গোলাপ জলের আইস কিউব দিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলে ত্বক উজ্জ্বল হয়, দাগছোপ কমে, বলিরেখাও দূর হয়। এটি তৈরিতে ১ কাপ গোলাপ জলের সঙ্গে ১ কাপ সাধারণ পানি মিশিয়ে আইস কিউব ট্রেতে ঢেলে দিন। ফ্রিজে রাখুন বেশ কিছুক্ষণ। বরফ জমে গেলে একটা করে কিউব প্রতিদিন মুখে মাখুন।

কেশর আইস কিউব

প্রাচীনকাল থেকেই রুপচর্চায় ব্যবহৃত হচ্ছে কেশর। নিয়মিত কেশর আইস কিউব ব্যবহারে ট্যান, দাগছোপ, পিম্পল, পিগমেন্টেশন হালকা হবে। ত্বক ঝলমলে হয়ে উঠবে। ব্যবহারের জন্য কয়েকটি কেশর পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এই পানিতেই পরিমাণমতো গোলাপ জল মিশিয়ে বরফের ট্রে ভর্তি করুন। বেশ কয়েক ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন। তারপর মুখে ব্যবহার করুন।

শসা ও লেবু আইস কিউব

শসা ও লেবুতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ত্বককে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে। ত্বকের সতেজতা বাড়ায়। এই আইস কিউব ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ব্রণ, ব়্যাশ ও ত্বকের লালচেভাব দূর করবে। প্রথমে শসার পেস্ট তৈরি করে নিন। এর সঙ্গে একটি লেবুর রস মিশিয়ে আইস কিউব ট্রেতে ঢেলে ফ্রিজে রাখুন কয়েক ঘণ্টা। তারপরে মুখে মাখুন।

হলুদ আইস কিউব

হলুদে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেয় না। চোখের নীচে কালো দাগ ও পিগমেন্টেশন কমাতে সাহায্য করে। একটি পাত্রে ১ চামচ হলুদ গুঁড়ো ও ১ কাপ গোলাপ জল মিশিয়ে আইস ট্রেতে ঢেলে দিন। ডিপ ফ্রিজে বেশ কয়েক ঘণ্টা রাখুন। বরফ জমে গেলে একটি করে মুখে মাখুন।

Photos from Aswad Bicycle Shop's post 21/05/2024

ঘরের কাজেই ঝরবে ক্যালরি

সংসার ও অফিস সামলাতে গিয়ে বেশির ভাগ নারীই তার নিজের দিকে নজর দেওয়ার সময় পান না। অপরের ভালো-মন্দ খেয়াল রাখতে গিয়ে নিজের প্রতি আর যত্নবান হয়ে ওঠা হয় না তাদের। সারাক্ষণ ব্যস্ত সময় কাটান তারা।

অথচ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নারী দেহে অনেক পরিবর্তন শুরু হয়। অতিরিক্ত চিন্তা, শারীরিক পরিবর্তন থেকে বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, যার ফলে ওজন বাড়তে থাকে। এছাড়াও নারীদের জীবনধারার কিছু অনিয়ম তাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তাই প্রত্যেক নারী যদি নিয়ম করে শরীরচর্চা করতে পারেন তাহলে অনেকটাই সুস্থ্যভাবে জীবন যাপন করতে পরেন। কিন্তু শরীরচর্চার জন্য আলাদা করে সময় যাদের কাছে নেই তারা কিন্তু অনায়াসেই নৈমিত্তিক ঘরের কাজের মাধ্যমেও শরীরচর্চা ও ব্যায়ামের মতোই উপকার পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপির ডাক্তার হিরক পালের পরামর্শ অনুযায়ী কয়েকটি টিপস অনুসরণ করলে ঘরের কাজের মাধ্যমেই নারীরা সহজেই ফিট থাকতে পারবেন।

কাপড় ধোয়া

পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য প্রতিদিনের কাপড় প্রতিদিনই পরিষ্কার করা উচিত। এক্ষেত্রে ওয়াশিং মেশিন নয়, বরং নিজের হাতে পরিষ্কার করলে তা আপনাকে ওয়ার্কআউটে সহায়তা করতে পারে। জামাকাপড় ধোয়ার ক্ষেত্রে বালতি তোলা, কাপড়ে ব্রাশ করা, কাপড় কচলানো বা নিংড়ানো এবং শুকানোর দরকার পড়ে। ভারি বালতি ওঠানো আপনার হাতের পেশীগুলিকে শক্তিশালী করে এবং ব্রাশ করা ও কাপড় কচলানো বা নিংড়ানো হাত এবং হাতের তালুর জন্য ভালো। এছাড়াও, এক ঘণ্টা ধরে কাপড় ধোয়া আপনার প্রায় ১১৬ ক্যালোরি বার্ন করতে সহায়তা করে।

ঝাড়ু দেওয়া

নিয়মিত ঘর ঝাড়ু দেওয়া এক ধরনের ওয়ার্কআউট যা লকডাউনের সময় অতিরিক্ত ক্যালোরি বার্ন করতে সহায়তা করবে। এটি মেটাবলিক ফিটনেসকে উন্নত করতে এবং পেশী শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। ঝাড়ু দেয়ার সময় দু’টি হাত অবিরাম চলতে থাকে, এটি আপনার হাতের পেশীকে খুব শক্তিশালী করে তোলে। এছাড়াও, এটি মেরুদণ্ডকে ফ্লেক্সিবেল করে তোলে। আধা ঘণ্টা ধরে ঘর ঝাড়ু দিলে তা প্রায় ৮০-১০০ ক্যালোরি বার্ন করতে সহায়তা করতে পারে।

বাসনপত্র ধোয়া

বাসনপত্র ধোয়া এক ধরনের থেরাপি যা স্ট্রেস এবং উদ্বেগ কমাতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এটি জীবাণু পরিষ্কার করার পাশাপাশি বেশ অনেকটা ক্যালোরি পোড়াতেও সহায়তা করে। থালা বাসন ঘষার সময় হাতের তালুতে এবং আঙ্গুলের উপরে চাপ প্রয়োগ করার সাথে সাথে সেগুলি আরও শক্তিশালী হয়। যদি আপনি দাঁড়িয়ে থালা বাসন মাজেন তবে আপনার মেরুদণ্ডটি ফ্লেক্সিবেল ওঠে এবং যখন বসে থালা বাসন মাজা হয় তখন পেটের চর্বি হ্রাস করতে এবং হাত, পায়ের পেশী শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

আটা-ময়দা মাখা
আটা-ময়দা মাখলে তা আমাদের হাত ও কাঁধকে শক্তিশালী করে এবং সমস্ত চাপ দূরে রাখে। যখন আমরা আটা মাখি, তখন আমাদের হাতের তালু এবং কাঁধ অত্যন্ত বেশি ব্যবহার হয়, যা সেগুলোকে ফ্লেক্সিবেল, শক্তিশালী করে তোলে এবং ক্যালোরি বার্ন করতে সহায়তা করে। অন্যদিকে যখন আটা-ময়দার তাল নরম করার জন্য তা ভালো করে ঠেসা হয় তখন স্ট্রেস মুক্ত হয় যা মানসিক চাপের জন্য বেশ ভালো।

ঝুল ঝাড়া

ঘর মোছার চেয়ে এ কাজটা অপেক্ষাকৃত সহজ, কিন্তু এতেও ক্যালরি পোড়ে বিস্তর! যাদের পিঠ আর ঘাড়ের দিকটা ভারী, তারা ঝুল ঝাড়লে দ্রুত পিঠের মেদ কমাতে পারবেন।

ঘর মোছা

এক ঘণ্টা ধরে বসে ঘর মুছলে তা আপনাকে প্রায় ১৭০-২৩৮ ক্যালোরি বার্ন করতে সহায়তা করবে। এটি আপনার উরু, পিঠের পেশী, গোড়ালিকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

গার্ডেনিং

এটি আপনাকে শারীরিকের পাশাপাশি মানসিকভাবে ফিট রাখতে সহায়তা করে। জার্নাল অফ হেলথ ফিজিওলজি অনুসারে, গার্ডেনিং এক ধরনের থেরাপি যা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং স্ট্রেস ও উদ্বেগ থেকে মুক্তি দিতে সহায়তা করে।

Photos from Aswad Bicycle Shop's post 21/05/2024

প্রয়োজন ও ফ্যাশনে এখন ছাতা জরুরি

ছাতা অনেকের জন্যই নিত্যসঙ্গী। আবার অনেকে ছাতা সঙ্গে রাখতে পারেন না। রোদ, ঝড় বা বৃষ্টি যা-ই হোক না কেন ব্যাগে অনেকে ছাতা রাখবেনই। বিশেষত অনেক নারীই এখন রোদের তীব্রতা থেকে ত্বককে বাঁচাতে ব্যাগে নান্দনিক ছাতা রাখছেন। যদি বৈজ্ঞানিকভাবে বলতে চাই তাহলে ছাতা শুধু রোদের তাপ থেকেই আমাদের রক্ষা করে এমন না। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকেও আমাদের রক্ষা করতে পারে। এজন্য বাইরে গেলে সবার প্রথমে ছাতা রাখতে হয়।

ছাতা এখনও সুরক্ষার প্রতীক হিসেবে ব্যবহূত। আবার অনেকের জন্য শুধুই ফ্যাশনের অংশ। ফ্যাশন যদি হয়েও থাকে তখন আবার সুরক্ষার পুরোটা নাও মিলতে পারে। এসব ভেবেই আসলে ছাতা কিনতে হয়। ফ্যাশনের কথা মাথায় রেখে আপনি বেছে নিতে পারেন বাহারি ডিজাইন ও রঙের ছাতা।

নেবেন কোন রঙের ছাতা
ঘর থেকে বের হলেই সূর্যের প্রখর মেজাজ চোখ রাঙাচ্ছে। এই রোদে ত্বকের ক্ষতি হচ্ছে তেমনি ঘর্মাক্ত শরীরে বাসা বাঁধছে নানা রোগ। রোদে নষ্ট হয় চুলের উজ্জ্বলতাও। ত্বক-চুল ভালো রাখতে হলে রোদ থেকে বাঁচা জরুরি। বর্তমানে বিভিন্ন ফ্যাশনেবল ছাতা থাকলেও একদম হালকা রঙের ছাতা এড়িয়ে চলুন। যত বেশি হালকা হবে রং, ততই বেশি গায়ে লাগবে রোদ। কড়া রোদ থেকে নিজেকে আড়াল করতে হলে চাই গাঢ় রঙের ছাতা। ব্যবহার করতে পারেন কালো রঙের ছাতাও। রঙিন ছাতা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি আটকে দিতে পারে। বাজারে এখন দুই রকমের ছাতা বেশি পাওয়া যায়। কালো ছাতা এবং ভাঁজযুক্ত নানা রকমের রঙিন ছাতা। এই ধরনের ছাতাগুলো বেশ টেকসই। শিশুদের জন্য রয়েছে উজ্জ্বল রং ও নকশার ছাতা। দেশি ছাতার পাশাপাশি বিদেশী ছাতার চাহিদাও বেশ। আকৃতিতে ছোট, সহজে বহনযোগ্য ও নানা রঙের সম্ভার থাকায় ভাঁজ করা যায় এমন ছাতার জনপ্রিয়তা বাড়ছে দিন দিন। কালোর পরেই যে রঙের ছাতাকে প্রাধান্য দিতে পারেন তা হলো নীল কিংবা বাদামি ও গাঢ় রঙের ছাতা। কিন্তু গরমে রোদে বাইরে বেরোনোর সময় কখনই সাদা কিংবা হালকা রঙের ছাতা ব্যবহার করা একেবারেই সঠিক নয়। এই রঙের ছাতাগুলো পুরোপুরি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে আপনাকে সুরক্ষিত করতে পারে না। তাই ছাতা কিনতে এখন থেকে কালো, নীল কিংবা বাদামি ও গাঢ় রঙই অগ্রাধিকার দিতে পারেন।

ছাতার ম্যাকানিজম
এখনকার ফ্যাশনে সুইচ দিয়ে খুলবে এবং বন্ধ হবে এমন ছাতাও পাওয়া যায়। মেয়েদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন রঙের বৈচিত্র্যময় ছাতা। এছাড়াও লাল, সবুজ, হালকা কমলা, বেগুনি, বিভিন্ন প্রিন্টের, পাতার নকশাসহ নানা ডিজাইনের ছাতাও ব্যবহার করতে পারেন। আর পোশাকের সঙ্গে মিল রেখেও ছাতার রং বেছে নিতে পারেন। এতে করে আপনার ফ্যাশনেবল ‘লুকটা’ আলাদা মাত্রা পাবে। তবে শিশু ও বয়স্কদের জন্য লম্বা ধরনের ছাতাই ভালো। কারণ তারা ছাতা হারিয়ে ফেলে বেশি। দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে চাইলে সুইচযুক্ত ছাতার থেকে ম্যানুয়াল ছাতা অনেক ভালো। সুইচযুক্ত ছাতা ভেঙে গেলে সহজে মেরামত করা যায় না। যেমনই হোক না কেন অপেক্ষাকৃত ভালো ব্র্যান্ডের ছাতা কিনবেন। দোকানেই বারবার ছাতা খুলে ও বন্ধ করে পরীক্ষা করে নিতে হবে। ছাতার ক্ষেত্রে সচরাচর অনেকেই কমদামি ছাতা কেনেন। এমনটি না করাই ভালো। বিশেষত নিয়মিত ছাতা সঙ্গী হলে আপনাকে ভাবতেই হবে ছাতাটি যাতে দ্রুত নষ্ট হয়ে না যায়। এ বিষয়ে বাড়তি মনোযোগ দেওয়া জরুরি।

ছাতা চেনার কৌশল
ছাতা তৈরি হয় বিভিন্ন ধরনের কাপড় দিয়ে। তাই কাপড়ের মান দেখে নেওয়া জরুরি। বাজারে বিভিন্ন কাপড়ের ছাতা পাওয়া যায়। প্যারাসুটের কাপড় অথবা বেলপেকের কাপড়ের ছাতাগুলো ভালো মানের। কেননা এই ধরনের কাপড় সহজে ছিদ্র হয় না এবং নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। এছাড়া কিছু ছাতা রয়েছে যেগুলোতে দুই স্তরের কাপড় ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে রোদ-বৃষ্টিতে ছাতার বাইরের কাপড় গরম কিংবা ভেজা থাকলেও ভেতরের কাপড় একই রকম থাকে। ছাতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে শিক। তাই ছাতা কেনার পূর্বে শিক কম অথবা শিক নিম্নমানের কিনা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। কারণ শিক নিম্ন মানের হলে হালকা বৃষ্টি কিংবা তুফানে ছাতা উল্টে গিয়ে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর ছাতায় শিক বেশি হলে ঝড়-বৃষ্টিতেও উল্টে যাওয়ার ভয় থাকে না। স্টিলের শিক ভেজা থাকলে মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। তাই স্টেইনলেস স্টিলের শিক, অ্যালুমিনিয়ামের শিকগুলো বেশ উন্নত মানের। তাছাড়াও শিকের সঙ্গে ফাইবার সংযুক্ত করে দেওয়া ছাতাগুলোও টেকসই হয়। ছাতার ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ছাতার হাতল। কারণ বাজারে কিছু কাঠের হাতল সংযুক্ত ছাতা রয়েছে, যেগুলো ভারী এবং এই ধরনের হাতল ভিজে গেলে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাধারণত প্লাস্টিকের হাতলগুলো মজবুত ও টেকসই হয়।

Photos from Aswad Bicycle Shop's post 21/05/2024

অফিসে ডায়েট করবেন যেভাবে

কর্মজীবী মানুষদের দিনের বেশি সময়টাতে থাকতে হয় অফিসে। সেইসঙ্গে অফিসে ব্যস্ত সময়ও পার করেন অনেকেই। শত ব্যস্ততার মাঝে ভুলে যান নিজের শরীরের দিকে খেয়াল রাখতে। বিশেষ করে যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা।

বিভিন্ন ব্যস্ততার মাঝে সঠিক ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া হয় না। অনেকেই তাই বেছে নেন অস্বাস্থ্যকর খাবারকে। সেইখানে যুক্ত হয় বিভিন্ন ধরনের ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত তেলে রান্না করা খাবার ইত্যাদি। যার ফলে আপনি চাইলেও পুষ্টিকর খাবার খেতে পারছেন না। এতে করে শরীরে ফ্যাট জমে যায় এবং বসে বসে কাজ করার ফলে ভুঁড়ি ও বেড়ে যায় পেটের। তাই অফিসের কাজের ফাঁকে নিজের শরীরের ও খেয়াল নিতে হবে। এক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

অফিসে বাসার খাবার খান
বাইরের খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে এবং ঘরে বানানো খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এতে যেমন ভালো এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া হবে তেমন খরচ ও কম হবে। ফলে ভুঁড়ি বাড়ার ভয় থাকবে না, শরীর ও ভালো থাকবে।

অফিসের শেষে হাঁটুন
অফিসের ফাঁকে ফাঁকে একটু হাঁটাহাঁটি করে নিতে পারেন। এতে করে ক্লান্তি ভাব যেমন থাকবে না তেমন শরীর ও ভালো থাকবে। অফিসে আসার ক্ষেত্রে চাইলে পায়ে হেঁটে ও অফিসে আসতে পারেন যদি কাছের পথ হয়। এতে করে বাড়তি ক্যালরি ঝরে যাবে। সম্ভব না হলে অফিসের পর সময় নিয়ে ঘণ্টা খানিক হাঁটাহাঁটি করতে পারেন।

সঙ্গে বাদাম রাখুন
কাজের ফাঁকে খেতে পারেন এক মুঠ বাদাম। এটি বাড়তি ক্ষুধা দূর করতে সহায়তা করে এবং হেলথ এর জন্য ভালো কাজ করে। কেননা এতে আছে প্রচুর পরিমাণের প্রোটিন। যা কিনা আপনাকে সব সময় ফিট রাখতে সাহায্য করবে।

নিয়মিত পানি পান করুন
সুস্থ থাকার একমাত্র পথ হলো নিয়মিত পানি পান করা। তাই চেষ্টা করুন প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করার। তাই নিয়মিত অফিসের ডেস্কেই রাখুন পানির বোতল। এতে করে পানি পান করা হবে এবং মেদ হওয়ার প্রবণতা ও কমে যাবে।

নিয়মিত ফল খান
স্বাস্থ্য যদি ভালো রাখতে চান তাহলে খেতে হবে বিভিন্ন রকমের ফল। তাই প্রতিদিন অফিসে নিয়ে রাখুন ফল।কাজের ফাঁকে ফাঁকে খেয়ে নিতে পারবেন। তাই সুস্বাস্থ্য পেতে চাইলে জাঙ্ক ফুড ও কোল্ড ড্রিংক বাদ দিতে হবে খাবারের তালিকা থেকে।

18/05/2024

Hello

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhanmondi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

House # 11/B, Road # 28
Dhanmondi
1209