01/06/2024
"চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের আগে ইসরায়েলের অস্ত্র সরবরাহ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলো 'বরুসিয়া ডর্টমুন্ড' "
"জার্মানি" অস্ত্র তৈরি প্রতিষ্ঠান "রাইনমেটাল" এর সাথে ৩ বছরের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে "জার্মান" ক্লাব "বরুসিয়া ডর্টমুন্ড"!মূলত 'ফিলিস্তিনে' চলমান 'ইসরাইল' আগ্রাসন এবং গণহত্যায় এই 'রাইনমেটাল' কোম্পানি 'ইসরাইল' কে সেই প্রথম থেকেই বিপুল পরিমাণের অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডার স্পিগেলকে উদ্ধৃত করে ইসরায়েলি ওয়েবসাইট ‘ইসরায়েল ডিফেন্স’ গত জানুয়ারিতেই জানিয়েছিল, জার্মান সরকার তাদের ১০ হাজার ১২০ মিলিমিটার ক্যালিবার ট্যাঙ্ক শেল পাঠাচ্ছে, যেগুলো তৈরি করেছে রাইনমেটাল। এমন কি নানান সময় বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং মিডিয়ার বরাতে জানা যায়, এই 'রাইনমেটাল' এখন অব্দি 'ইসরাইল' এর অস্ত্র সরবরাহ প্রতিষ্ঠান গুলোর মাঝে অন্যতম সেরা অবস্থানে রয়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের ঠিক আগ মুহুর্তে এসে "বরুসিয়া ডর্টমুন্ড" এর এমন চুক্তি গোটা বিশ্বে ফেলে দিয়েছে হইচই। বইছে নিন্দার ঝড়৷ এমন পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ডর্টমুন্ডের প্রধান নির্বাহী হাঞ্জ জোয়াকিম ওয়াশকে বিবৃতিতে চুক্তির ব্যাখ্যা দিয়েছেন এভাবে, ‘নিরাপত্তা ও রক্ষণ এ সময়ের গণতন্ত্রের একটি ভিত। সে কারণেই এই ভিতগুলোকে কীভাবে সংরক্ষণ করা যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে এটাকেই ঠিক সিদ্ধান্ত বলে আমাদের মনে হচ্ছে। বিশেষ করে আজকের দিনে, যখন প্রতিদিনই আমরা দেখতে পাই কেন ইউরোপে স্বাধীনতা রক্ষা করা জরুরি হয়ে পড়েছে।’
পাশাপাশি জার্মানির বাণিজ্যমন্ত্রী রবার্ট হাবেক বলেছেন, রাইনমেটালের সঙ্গে ডর্টমুন্ডের এমন চুক্তি একটু অস্বাভাবিক এবং এটাই বোঝায় ‘আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি।’
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের ঠিক আগ মুহুর্তে 'বরুসিয়া ডর্টমুন্ড' এর এমন মানবতাবিরোধী পদক্ষেপ ক্রিড়া জগতে এক কালো অধ্যায় বলেও অনেকে মনে করছেন।
21/04/2024
আজ থেকে প্রায় ১৯ বছর আগের কথা। ক্রিকেটের পূণ্যভূমি খ্যাত "লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড"-এ মাত্র ১৫ বছর বয়সে একমাত্র বাংলাদেশি খেলোয়াড় হিসেবে নিজের অভিষেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন বর্তমান বাংলাদেশ দলের "মি:ডিপেন্ডেবল" খ্যাত তারকা ক্রিকেটার এবং উইকেট কিপার ব্যাটার "মুশফিকুর রহিম"। " লর্ডেস" এর মাটিতে যেখানে একটি ম্যাচ খেলা দুনিয়ার প্রায় সকল ক্রিকেটারের স্বপ্ন, সেখানে নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রথম ম্যাচটাই (টেস্ট ম্যাচ) খেলেছিলেন আজকের "মুশি"।
মূলত তৎকালীন সময় বাংলাদেশে দলের উইকেট কিপার ব্যাটার ছিলেন "খালেদ মাসুদ পাইলট" ২০০৫ সালে বাংলাদেশ দল যখন প্রথম এবং এখন অব্দি শেষ বারের মত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ডে যায়, সেইসময় তৎকালীন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ "ডেভ হুয়াইট মোর" প্রস্তুতি ম্যাচ গুলোতে দলের মূল উইকেট কিপার ব্যাটার "খালেদ মাসুদ পাইলট"কে বিশ্রাম দেবার জন্য "মুশফিকুর রহিম" কে উড়িয়ে নিয়ে যান। "মুশফিক" প্রস্তুতি ম্যাচে এতটাই ভালো করে বসেন যে, কোচ এবং অধিনায়ক এর নজরে চলে আসেন। আর তারই ফল স্বরূপ ২০০৫ সালের মে মাসের ২৫ তারিখে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তৎকালীন সময় সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন "মুশফিকুর রহিম"। মূল ম্যাচে যেখানে এক "তামিম ইকবাল" ব্যাতিত বাকি ব্যাটাররা ব্যর্থ হয়েছিলেন সেখানে "মুশফিক" ও নিজের অভিষিক্ত ম্যাচে বলার মত তেমন স্কোর করতে না পারলেও গড়েছিলেন অনন্য এক রেকর্ড। প্রথম কোনো বাংলাদেশি এবং এশিয়ান ক্রিকেটার হিসেবে "লর্ডস" এর গ্রাউন্ডে মাথায় পরেছিলেন নিজের টেস্ট ক্যাপ।
সেইদিনের সেই ১৫ বছর বয়সের বালক "মুশফিকুর রহিম" আজ বাংলাদেশ দলের অন্যতম ভরসার নাম৷ দুনিয়ায় অন্যতম সেরা উইকেট কিপার ব্যাটারদের তালিকায় উপরের সারিতে তার অবস্থান।ব্যাক্তিগত ইনিংসে টেস্টে দেশের হয়ে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ২১৯ রান এবং একমাত্র উইকেট কিপার ব্যাটার হিসেবে সারা বিশ্বে ৩ বার ডাবল সেঞ্চুরির মালিক ও তিনি। সময়ের নিয়মে তাকেও একদিন বিদায় জানাতে হবে মাঠের ক্রিকেটকে।তুলে রাখবেন সকল অর্জনের স্মৃতিগুলো।তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটে "মুশফিকুর রহিম" অই একজন'ই আছেন, আর চিরকাল থাকবেন "মি: ডিপেন্ডেবল" তমকা নিয়ে।
08/02/2024
আরো একবার নিয়ম ভেঙ্গে মূল ট্রফি নিয়ে যাচ্ছে ভারত। বাংলাদেশ কে দেয়া হবে ডামি ট্রফি!
Fifa এর নিয়ম অনুযায়ী যদি কোনো টুর্নামেন্টে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয় তবে মূল ট্রফি পাবে হোস্ট টিম। মানে আজকের ম্যাচের পর যেহেতু যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত এবং বাংলাদেশ সেক্ষেত্রে মূল ট্রফি পাবার কথা বাংলাদেশের। তবে সেই নিয়ম কে বুড়ো আংগুল দেখিয়ে মূল ট্রফি নিয়ে যাচ্ছে ভারত এবং বাংলাদেশের জন্য তৈরী করা হবে একটি ডামি ট্রফি।
ফিফার ইতিহাসে এমন অনিয়মে ভড়া একটি টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ হয়তো এর আগে ফুটবল বিশ্ব দেখে নি। এতকিছুর পর ফিফা থেকে যে বড়সড় শাস্তি আসতে যাচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষায় থাকে না৷ এমনিতেই ভারত ফিফা এর ব্ল্যাক লিস্টে। কিছুদিন আগেও ছিলো তারা নির্বাশিত। এরপর এখন এমন একটি ঘটনা। এই ম্যাচের প্রভাব বাংলাদেশের উওঅঅর কতটা আসে তারই দেখার অপেক্ষায় থাকতে হবে এখন পুরো জাতী কে
26/01/2024
চুক্তির মেয়াদ থাকা অবস্থাতেই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার "শোয়েব মালিক" কে ছেড়ে দিয়েছে 'ফরচুন বরিশাল'!
মূলত খুলনার বিপক্ষে ঢাকা পরর্বের ম্যাচে টানা ৩ টি নো বল করেন তিনি। সেখান থেকেই দলের মাঝে অস্বস্তির সূত্র পাত। পরবর্তীতে ঢাকা পর্ব শেষে সিলেট পর্বের আগে কিছুদিনের জন্য ছুটিতে দুবাই গিয়েছিলেন "শোয়েব" কথা ছিলো সিলেট পর্বের 'বরিশালের' প্রথম ম্যাচ থেজেই দলের সাথে থাকবেন তিনি। কিন্তু শোয়েব তার ছুটি আরো কিছুদিন বাড়াতে চাইলে "ফরচুন বরিশাল" টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে এই BPL থেকে রিলিজ করে দেয়
25/01/2024
প্রাথমিকভাবে চোখের চিকিৎসা করিয়ে দেশে ফিরেছেন "সাকিব আল হাসান" যোগ দিচ্ছেন "রংপুর রাইডারসের ক্যাম্পে। সিলেট পর্ব থেকে আবারো তার মাঠে নামার গুঞ্জন রয়েছে
20/01/2024
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে এই বলটা নো-বল ডাকা হয়েছে!
এই বলেই আবার ভারতীয় ওপেনার 'আদর্শ সিং' স্লিপে ক্যাচ দিয়েছিলেন। ক্যাচটি ক্যারি করার ফুটেজ দেখানোর আগেই অনফিল্ড আম্পায়ার বলটি "নো বল" হিসেবে কাউন্ট করেন। স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব মূলক আম্পায়ারিং-এর প্রমাণ মিলছে যুবাদের এই ম্যাচে
19/01/2024
রাজনীতির মাঠ থেকে কোনো প্রকার প্রস্তুতি ছাড়া সরাসরি ক্রিকেটের মাঠে! সিলেটের মালিক পক্ষ অবশ্য আগেই বলেছে, "মাশরাফি তাদের দলে শুধুমাত্র অধিনায়ক হিসেবে থাকুক। দরকারে স্পিন বল করুক অথবা ব্যাটিং-বোলিং কিছুই না করুক" কতটা ভরসার পাত্র হলে এমন অবস্থায় নিজেকে নিয়ে যাওয়া যাত তা দেখিয়েছেন ক্যাপ্টেইন ফ্যান্টাস্টিক "মাশরাফি বিন মর্তুজা"
08/01/2024
"বসুন্ধরা কিংস এরেনা" কে ২য় বারের মত নিজেদের হোম ভ্যানু হিসেবে ব্যাবহার করতে যাচ্ছে "রংপুর রাইডারস" শুধু তাই নয় BPL এর ইতিহাসে একমাত্র দল হিসেবে নিজেদের হোম ভ্যানু ব্যাবহার করবে রাইডারসরা।
মূলত "রংপুর রাইডারস" এর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'বসুন্ধরা' গ্রুপ। যেহেতু 'বসুন্ধরার' অধিনে দেশের বৃহৎ ক্রীড়া কমপ্লেক্স 'কিংস এরেনা' অবস্থিত সেই হিসেবে "রংপুর রাইডারসের" এমন সুযোগ পাওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে, রংপুরের মত বাকি ফ্রাঞ্চাইজি গুলো যদি নিজেদের হোম ভ্যানু ব্যাবহার করতে শুরু করে তবে "বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ" বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দারাবে বলে আশা করা যায়। এক্ষেত্রে ফ্রাঞ্চাইজি গুলো কে নিজ নিজ ডিভিশনের জেলা স্টেডিয়াম গুলো জাতী ক্রীড়া সংস্থার থেকে লিজ নেবার এক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কারন বাংলাদেশের সকল স্ট্যাডিয়াম জাতীয় ক্রিড়া সংস্থার অধিনে থাকে। তবে এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা ভ্যানু! কারন BCB ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট বাদে অন্য কোথাও BPL আয়োজন করে না। এবং ICC অনুমোদিত কিছু স্ট্যাডিয়াম এখন খেলার অযোগ্য! এই জাগায় ক্রিকেটারদের ভ্রমণ ক্লান্তির বিষয় রয়েছে। কারন আপনি সকালে প্রেক্টিস করলেন রাজশাহী পরেরদিন বিকেলে আপনার দলের ম্যাচ পরলো ঢাকায়। যা কিনা যাচ্ছে তাই অবস্থার একটি প্রেক্ষাপটে দাঁড়াবে। তাই BPL কে দেশবাসী এবং বিশ্ববাসীর কাছে আরো গ্রহণযোগ্য করে গড়ে তুলতে BCB এর সমস্ত বিষয় গুলোর দিকে মনযোগ দেয়াটা অতিব জরুরী
05/01/2024
যুব বিশ্বকাপ দলের ১৫ জনকে নিজের স্পনসর কোম্পানি "CA" এর ব্যাট উপহার দিলেন 'তামিম ইকবাল খান'
আজ মিরপুরে এমন ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, স্কোয়াডের ৪-৫ জন ক্রিকেটার তামিমের থ্রো তে "CA" কোম্পানির ব্যাট কিনতে চেয়েছিলো। পরবর্তীতে 'তামিম' বোর্ডের সাথে কথা বলে স্কোয়াডের সবার জন্য নিজের ব্যবহৃত হাই প্রোফাইল 'CA Gold' এডিশনের ব্যাট উপহার হিসেবে পৌঁছে দেন। ঠিক এর জন্যই ত "মাশরাফি বিন মর্তুজা" তাকে ডাকেন 'কলিজা ওয়ালা খান' বলে ❤️
04/01/2024
BPL 2024 Update!
BPL এর জন্য পুরোদস্তুর কাজ চলছে "রকিবুল ইসলাম" এর নেতৃত্বে টেকনিক্যাল কমিটির অধীনে। ইতিমধ্যে সিলেট, চট্টগ্রাম এবং ঢাকায় পিচ সংস্করণের জন্য আনা হয়েছে নতুন মাটি। আগের পিচ থেকে পুরনো মাটি সরিয়ে এই নতুন মাটি স্থাপন করা হবে পিচগুলোতে। যাতে করে বোঝাই যাচ্ছে এবারের BPL এ হাই স্কোরিং পিচ প্রোভাইড করতে যাচ্ছে BCB. এমন কি ট্যাকনিকাল কমিটির প্রধান "রকিবুল হাসান" ইতিমধ্যে গণমাধ্যমে বলেছেন, "এবারের টুর্নামেন্টে ১৮০ থেকে ২০০ এর মধ্যকার স্কোর যাতে হয় সেইরকম পিচ তৈরি করবে তারা।" কাজের গতি এবং কর্তাদের কথার সাথে মিল থাকায় এইবারে আশা করাই যাচ্ছে BPL এ রোমাঞ্চকর ম্যাচ দর্শকরা উপভোগ করতে পারবে!
03/01/2024
"B.C.B এখন 'মুস্তাফিজ' এর চাইতে 'তাসকিন' 'শরিফুল' দের বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে!"
শিরোনাম দেখে হয়তো অনেকে বুঝে গেছেন কি বলতে চাচ্ছি আবার অনেকের হয়তো খটকা লাগছে। চলুন শিরোনাম কে ক্লিয়ার করা যাক -
IPL 2024 এ বাংলাদেশ থেকে তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহিমান সহ ৩ জন খেলোয়াড় চূড়ান্তভাবে দল পাবার লিস্টে থাকলেও B.C.B শুধুমাত্র "মুস্তাফিজুর রহিমান" কে NOC দিয়েছে। এখানে আপনারা হয়তো "তাসকিন আহমেদ" এর শুরে আক্ষেপ করতেই পারেন B.C.B কেনো এমন সুযোগ শরীফুল, তাসকিন কে কাজে লাগাতে দিলো না? অথবা মুস্তাফিজ কেই বা কেনো দিলো? গতকাল 'ক্রিক ফ্রেঞ্জী' কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে 'তাসকিন আহমেদ' আক্ষেপের শুরেই বলেছেন, "টানা ৩ বার IPL এ সুযোগ আসার পরেও B.C.B এর ইচ্ছায় আর যাওয়া হলো না" তিনি আরো বলেন, "B.C.B অবশ্য তার ফিটনেস ইস্যু নিয়েও কনসার্ন"। এই হলো মূল পয়েন্ট। বিশ্বকাপে লক্ষ্য করলে দেখবেন 'তাসকিন আহমেদ' পুরো ফিট ছিলেন না। আমরা সবাই জানি তিনি ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ইঞ্জুরী প্রবণ। এমন কি বিশ্বকাপের আগে জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিতব্য T-10 লিগ খেলে আসার পর তার ইঞ্জুরী বেরে যায় যার ফলে বিশ্বকাপে পুরো রিদমে কিন্তু তাকে পাওয়া যায় নি! পাশাপাশি ম্যাচ ও মিস করেছিলেন।এই বিষয়ে B.C.B এর চিন্তা কে আমি সাধুবাদ জানাই। তারপর লক্ষ্য করুন ২ মাসের বেশি সময় ধরে চলা IPL এর পর পর রয়েছে T-20 বিশ্বকাপ। যেখানে একজন ফিট এবং ফ্রেস খেলোয়াড়ের গুরুত্ব সব দেশের রয়েছে। তার উপর এবার বিশ্বকাপ হতে যচ্ছে "ওয়েস্ট ইন্ডিজ" এর কন্ডিশনে। যেখানে প্রত্যেকটি দেশের ফাস্ট বোলাররা এক্সট্রা বেনিফিট পাবেন। সেখানে দেশগুলো অবশ্যই চাইবে তার দলের সেরা বোলার গুলো ফিট থাকুক ফ্রেশ থাকুক। একটি জিনিস লক্ষ্য করবেন! IPL এ এইবার ফ্রাঞ্চাইজি গুলো ফাস্ট বোলারদের বেশি প্রাধান্য দিয়েছে। কেনো? হঠাৎ করেই এমন টা কেনো? কারন হিসেবে যদি আমি বলি, বিশ্বের সব নামি-দামি ফাস্ট বোলারদের প্রায় দুই মাস সময় ধরে ম্যাচ খেলিয়ে। একটি টুর্নামেন্টের মাঝে রেখে টায়ার্ড করে দেয়া! 😬 এতে করে বিশ্বকাপে তারা দেশের হয়ে ফুল ফ্রেশ পারফরম্যান্স করতে ব্যার্থ হন! এই জাগাটাও একটি বিগ কন্সার্ণ হিসেবে নিয়েছে B.C.B এমনিতেই আমাদের দলের অন্যতম সেরা বোলার 'ইবাদত হোসেইন' কবে আবার ইঞ্জুরী থেকে ফিরে পুরো দমে ব্যাক করবেন তার কোনো সঠিক তথ্য আমরা জানি না। তার উপর যদি 'তাসকিন' 'শরিফুল' এই ধকলের মাঝ দিয়ে যায় তবে ক্যারিবিয়ান কন্ডিশনে আমাদের পেইস ইউনিটে যে একটি বড় ধাক্কা আসতে পারে কিংবা আসবে এই বিষয় টি B.C.B খুব ভালোভাবে অব্জার্ভ করেছে। এবং তারই ফলাফল "তাসকিন" "শরীফুল" কে NOC দেয় নি।
এখন আসি "মুস্তাফিজ" এর বিষয়ে। "মুস্তাফিজ" ক্যারিবিয়ান কন্ডিশনে কখনোই "তাসকিন" "শরীফুল" এর চাইতে বেশি কার্জকরী নন। তার কাটার, স্লোয়ার আমরা জানি আউটার এশিয়াতে অতটা ইম্পেক্টফুল না। যতটা না "তাসকিন" "শফিফুল" এর স্পিড, লেন্থ, বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং কার্জকরী। B.C.B খুব ভালো ভাবে জানে T-20 বিশ্বকাপে ফিজ কে ২-৩ ম্যাচ বসিয়ে দিলেও অতটা খারাপ হবে না যতটা না খারাপ হবে 'তাসকিন' 'শরীফুল' কে ফুল ফর্মে না পেলে।
তাই বলাই যায়, 'তাসকিন আহমেদ' এবং 'শরীফুল ইসলাম' কে NOC না দিয়ে B.C.B ভারতের পাতা ফাঁদ থেকে বাংলাদেশের পেইস ইউনিট কে রক্ষা করেছে ❤️