20/04/2026
এতদিন টাইগারদের যাতায়াতের জন্য ভাড়ায় বাস ব্যবহার করা হতো। সিরিজ বা অনুশীলনের সময় বাস ভাড়ায় নিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচ হতো।
এই খরচ কমাতে এবার নিজস্ব বাস কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। নতুন বাসগুলোতে থাকবে টাইগারদের বিশেষ ডিজাইন ও ব্র্যান্ডিং।
Score To Status-S2S
20/04/2026
নাহিদ রানার থিওরি খুব সিম্পল। ভালো বল করো, সফল হও। নিজের স্ট্রং জোনে বল করেই নিয়মিত সাফল্য পাচ্ছেন টাইগার পেসার। উইকেট নেওয়ার জন্য না ছুটে, নিয়ন্ত্রণে ফোকাস করছেন।
আজও দেখা গেল, রানা গুড জোনে বল করেছেন। উইকেটের ব্যবহার করে বাউন্স আদায় করেছেন। গতির সঙ্গে সুইং করিয়েছেন বেশ ভালোই। ফলাফল তো পেলেনই। কিউইদের বিপক্ষে ম্যাচসেরা।
20/04/2026
এমন একটি দিনের অপেক্ষায় গোটা বাংলাদেশ। সেদিন মিরপুরের আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হবে " সাকিব সাকিব" স্লোগানে
Shakib Al Hasan
Score To Status-S2S
20/04/2026
২০০ নিচে যখন টার্গেট থাকে তখন লর্ডস তামিম!😅
20/04/2026
BEAUTIFUL GESTURE from BCB🖤✅
Rubel Hossain gets honoured for his international career after his retirement, with his loving son beside him.
19/04/2026
দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের বাইরে মোহাম্মদ রিজওয়ান। সবশেষ বিশ্বকাপেও ছিলেন দর্শকের ভূমিকায়। অনেকেই টি-টোয়েন্টিতে তার শেষ দেখছেন। তবে রিজওয়ান এখনও শেষ না দেখলেও মানছেন তার বর্তমান ফর্ম দলে ফেরার জন্য যথেষ্ট নয়।
রিজওয়ান বলেন, 'আমি সেখানেও পরিষ্কার বলেছি যে, বর্তমান খেলার ধরনে আমি পাকিস্তান দলে জায়গা পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারাই একদিন বলেছিলেন আমি ছক্কা মারতে পারি না। আজও আমি সততার সাথে বলছি, হ্যারিস রউফও সাক্ষী আছে। ডিনার করার সময় আমি তাকে বলেছিলাম যে, 'আমার বর্তমান পারফরম্যান্স দিয়ে জাতীয় দলে খেলার অধিকার নেই।'
জাতীয় দলে ফিরতে রিজওয়ানের সামনে দারুণ মঞ্চ ছিল পিএসএল। কিন্তু সেখানেও ভালো করতে পারছেন না উইকেটকিপার এই ব্যাটার। তবে এখনই হাল ছাড়তে রাজি নন রিজওয়ান।
তিনি বলেন, 'আমরা সবাই মানুষ। আমি ভুল করেছি এবং আমার পারফরম্যান্স মানসম্মত ছিল না। কিন্তু এর মানে এই নয় যে আমি সাহস হারিয়ে ফেলব কিংবা ক্রিকেট ছেড়ে দেব। যত দিন শক্তি আছে, আমি লড়াই চালিয়ে যাব। তবে আমি আগেও অধিনায়কের কাছে গিয়ে বলেছি, আমার পারফরম্যান্স ভালো না হলে জুনিয়রদের সুযোগ দেওয়া উচিত।'
সমালোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে নিচ্ছেন রিজওয়ান। সেই সাথে ত্রুটি থাকলেও স্বীকার করছেন তিনি। রিজওয়ান বলেন, 'আমি প্রশ্ন বা মিডিয়াকে ভয় পাই না। আমার মধ্যে কোনো ত্রুটি থাকলে সেটি স্বীকার করতে দ্বিধা নেই। আপনারা যদি মনে করেন এই বয়সে আমার অবসর নেওয়া উচিত, আমি তা-ই করব। আমি ব্যর্থ হয়েছি এবং পারফরম্যান্স ছাড়াই আপনাদের সামনে বসে আছি। হয়তো আমি যথেষ্ট কঠোর পরিশ্রম করিনি। আমি আরও কঠোর পরিশ্রম নিয়ে আবারও ফিরে আসব।'
19/04/2026
ক্যামেরার ঝলকানি থেকে দূরে, আলোচনার বাইরে-তবুও নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন Yuvraj Singh। সামনে না থাকলেও, তাঁর অবদান স্পষ্ট-তাঁর হাত ধরেই উঠে আসছে একের পর এক প্রতিভাবান ক্রিকেটার। তিনি নিজে হয়তো আলোয় নেই, কিন্তু তৈরি করছেন আগামী দিনের তারকাদের।
আমাদের বাংলাদেশেও কি এমন একজন 'যুবরাজ' আসবে না?
যিনি ব্যক্তিগত গৌরবের চেয়ে দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নেওয়াকেই বড় মনে করবেন।
যিনি নিজের অভিজ্ঞতা, পরিশ্রম আর ভালোবাসা ঢেলে দেবেন নতুন প্রজন্ম গড়ার কাজে।
বাংলাদেশ ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী করতে-কোনো এক কিংবদন্তি কি এগিয়ে আসবেন এই নীরব বিপ্লবে নেতৃত্ব দিতে?
19/04/2026
জামাল যখন প্রথম ডেনমার্ক থেকে বাংলাদেশে খেলতে আসেন, তখন তার সতীর্থরাই তাকে আপন করে নেয়নি। তিনি বাংলা বুঝবেন না ভেবে তারা তার সামনেই তাকে 'পাস না দিতে' বলত। এটি একজন খেলোয়াড়ের জন্য চরম অপমানজনক, কারণ সতীর্থদের সাহায্য ছাড়া মাঠে ভালো খেলা অসম্ভব।
অধিকাংশ মানুষ এমন পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়ে বা ঝগড়া শুরু করে। কিন্তু জামাল বলেছেন, তিনি এসব কথায় "পাত্তা দেননি"। তিনি জানতেন, তর্কে জড়িয়ে সময় নষ্ট করার চেয়ে নিজের কাজে মন দেওয়া বেশি জরুরি।
তিনি মুখে কোনো প্রতিবাদ না করে মাঠের খেলায় মন দিয়েছেন। ধীরে ধীরে যখন তিনি সেরা পারফর্মার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেন, তখন সেই একই মানুষগুলো তাকে মেনে নিতে বাধ্য হলো।
জামালের এই বক্তব্যটি আমাদের শেখায় যে-লোকে আপনার সম্পর্কে কী ভাবছে বা বলছে তা দিয়ে আপনার যোগ্যতা বিচার হয় না। আপনি যদি নিজের কাজে সৎ থাকেন এবং ধৈর্য ধরেন, তবে আপনার সাফল্যই একদিন সবার মুখ বন্ধ করে দেবে।
17/04/2026
তামিম ইকবালের ম্যাজিক...😍
আগের মত সেই বস্তাপচা রিয়েল ইমপ্যাক্টেকে ব্রডকাস্টিংর এর দায়িত্ব দিয়েছে তামিম ইকবালের বোর্ড। অথচ কিছুদিন আগেই পাকিস্তান সিরিজে ও বিশ্বকাপ কভার করা নেপের ক্যামেরা দিয়ে ব্রডকাস্টিং করিয়েছিল বুলবুলের বোর্ড। পার্থক্য তো দেখতেই পারছেন। ফাহিম সিনহা মত বাটপারদের নিয়ে বোর্ড করেছে তামিম। ফাহিম সিনহা রিয়েল ইমপ্যাক্টের কাছ থেকে কমিশন খেয়ে লো কোয়ালিটির ক্যামেরা এনে ব্রডকাস্টিং করাই। অথচ টিপিটি এর থেকে কয়েকগুণ ভালো মানের ক্যামেরা ও কালার দিয়ে ব্রডকাস্টিং করেছিল। আপনারা জানলে অবাক হবেন প্রতি সিরিজে তারা রিয়েল ইমপ্যাক্টের থেকে ৪-৫ কোটি টাকা কম নিয়েও রিয়েল ইমপ্যাক্টের থেকে কয়েকগুণ ভালো সার্ভিস দিতো। কিন্তু ভালো জিনিস তো আমাদের আবার হজম হয় না। এইসব বাটপার যতদিন বোর্ড থেকে বিদায় না হবে ততদিন ভালো কিছু আশা করা বোকামি।