10/05/2026
https://youtu.be/8DyDpsOYgys?si=UmTjOYjcqUEDj3Ld
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট আসার পর থেকে খেলা ক্রমশ ব্যাটারদের দিকেই বেশি ঝুঁকে পড়ছে। মাঠের বাউন্ডারি ছোট হয়েছে, ফিল্ডিং বিধিনিষেধ আরও কঠোর হয়েছে এবং ব্যাটও আগের তুলনায় অনেক শক্তিশালী হয়েছে।
ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকর এই পরিবর্তনে খুব একটা সন্তুষ্ট নন। নিজে ব্যাটিং কিংবদন্তি হওয়া সত্ত্বেও তিনি মনে করেন, খেলায় আবার ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার জন্য কিছু নিয়ম পরিবর্তন করা দরকার।
শুরুতেই তিনি নো-বলের নিয়ম নতুনভাবে লেখার দাবি তুলেছেন। সানি গাভাসকর বলেছেন, “ব্যাটারের মাথার সামান্য ওপর দিয়ে গেলেই বাউন্সারকে ‘ওয়াইড’ ডাকা হচ্ছে। এটা যেন এক হাতে বেঁধে ফাস্ট বোলারকে বল করতে বলা হচ্ছে। বোলারদেরও একটু ছাড় দেওয়া উচিত। এখন বাউন্ডারি ছোট করা হয়েছে, অথচ মাঠে জায়গা থাকা সত্ত্বেও তা পেছনে সরানো হচ্ছে না। ফলে বোলাররা আগেই চাপে আছে.
আরও বলেন, “যদি নিয়মে সামান্য বদল এনে ব্যাটারের মাথার ওপর প্রায় এক ফুট পর্যন্ত—অর্থাৎ ব্যাটের হাতলের সমান উচ্চতা পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়, তাহলে ফাস্ট বোলাররা কিছুটা স্বস্তি পাবে এবং আরও আক্রমণাত্মকভাবে বোলিং করতে পারবে।”
গাভাস্কার স্মরণ করিয়ে দেন, এক সময় সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাউন্সার পুরোপুরি নিষিদ্ধ ছিল। তখন টেস্ট ক্রিকেটে নয় বা দশ নম্বরে ব্যাট করা খেলোয়াড়দেরও তিন বা চার নম্বরে নামানো হতো ‘পিঞ্চ হিটার’ হিসেবে। তারা নিশ্চিন্তে বড় বড় শট খেলত, কারণ মাথার দিকে কোনও বাউন্সার আসত না।
তিনি বলেন, “ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনুস, কার্টলি অ্যামব্রোস, কোর্টনি ওয়ালশ, অ্যালান ডোনাল্ড, জাভাগাল শ্রীনাথ, জাহির খানদের মতো বোলারদেরও সহজে মারছিল ব্যাটাররা। পরে আমি আইসিসি ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ার পর অন্য সদস্যদের সঙ্গে মিলে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আবার বাউন্সার ফিরিয়ে আনি, যদিও প্রতি ওভারে একজন ব্যাটারের জন্য একটি করে।”
গাভাসকর প্রশ্ন তোলেন, “ব্যাটারদের তো কোনও শট খেলতে বাধা দেওয়া হয় না। তাহলে বোলারদের কেন তাদের সব রকম কৌশল ব্যবহার করতে বাধা দেওয়া হবে?
শেষে তিনি বর্তমান আইসিসি ক্রিকেট কমিটির প্রধান সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, “পরের আইসিসি ক্রিকেট কমিটির বৈঠকে বোলারদের কথাও একটু ভাবুন। ভালো ব্যাটার ব্যাটারের মাথার একটু ওপরের বাউন্সারও খেলতে পারবে। এতে ব্যাট ও বলের লড়াই কিছুটা হলেও সমান হবে।
সুনীল গাভাসকরের সাথে আপনি কি একমত?
জানিয়ে দিন কমেন্টে।
ক্রিকপালস টুয়েন্টিফোর।
#খেলাধুলা #ক্রিকেট #ক্রিকেটনিউজ #সুনীলগাভাসকর #সৌরভগঙ্গোপাধ্যায় #টাইগার্স #ক্রিকপালস২৪ #ক্রিকেটআপডেট
04/05/2026
https://youtu.be/5NkV_sNYWdE?si=2nWu8RW-bbliTrTJ
ব্যর্থতা কাটিয়ে টানা তিনটি ম্যাচ জিতে আইপিএলের প্লে-অফে ওঠার দৌড়ে ফিরে এসেছে কেকেআর। রবিবার হায়দরাবাদকে হারিয়েছে সাত উইকেটে। বোলিং বিভাগের প্রশংসা করার পাশাপাশি সাফল্যের কৃতিত্ব দু’জনকে দিয়েছেন অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। দু’জনের কেউই ক্রিকেটার নন। এ দিকে, ম্যাচের সেরা বরুণ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, তিনি তিন দিনের মধ্যে পুরো ফিট হয়ে যাবেন।
ম্যাচের পর রাহানে বলেন, “বোলিং বিভাগ গত পাঁচ-ছ’টা ম্যাচে ভাল খেলছে। কৃতিত্ব দেব দু’জন বোলিং কোচ ডোয়েন ব্র্যাভো এবং টিম সাউদিকে। অনুশীলনে অনেক কথা বলে বোলারদের সঙ্গে। প্রচুর পরিকল্পনা করে। ভিন্ন মাঠ, ভিন্ন প্রতিপক্ষকে দেখে পরিকল্পনা সাজায়। কৌশল তৈরি করা এবং কাজে লাগানোই আসল ব্যাপার। এ দিক-ও দিক একটু রান হজম করতেই হবে। কিন্তু কৌশল স্পষ্ট থাকা দরকার।”
হায়দরাবাদ যে এত কম রান তুলবে ভাবতে পারেননি রাহানে। তাই সাত উইকেটে জয় তাঁর কাছে তৃপ্তির। বলেছেন, “বোলিংয়ের সময় দারুণ প্রত্যাবর্তন করেছি। মনে হচ্ছিল ওরা ১৯০ থেকে ২০০ রান তুলবে। ব্যাটিংয়ের পক্ষে পিচ খুব ভালো ছিল। তবু ১৯০ থেকে ২০০ তুললে রান তাড়া করা কঠিন হয়। স্পিনারেরা খুব ভালো বল করেছে। নিয়মিত উইকেট নিয়েছে। ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই ম্যাচ জেতায়।”
এ দিন শুরুতে রান হজম করেছিলেন বরুণ। দুর্দান্ত ভাবে ফিরে এসে তিনটি উইকেট নিয়েছেন তিনি। তাঁকে নিয়ে রাহানের মতে, “প্রতিযোগিতার আগে এবং খেলতে নেমে সাফল্য পায়নি প্রথম দু’-একটা ম্যাচে। যে ভাবে ফিরে এসেছে তা অসাধারণ। সব সময় আত্মবিশ্বাসী ছিল। কঠোর পরিশ্রম করে থাকে। ওর মতো ক্রিকেটারেরাই কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে সাহায্য করে।”
বরুণ পায়ে চোট পেয়েছিলেন। এখনও পুরোপুরি ব্যথা মিলিয়ে যায়নি। তবে পরের ম্যাচে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরতে চান। বলেছেন, “এখন অনেকটা ভাল আছি। তবে পা খুব ভালোভাবে মাটিতে ফেলতে পারছি না। আগামী তিন দিনে ঠিক হয়ে যাব।
03/05/2026
https://youtu.be/qg7R4e7u90U?si=puyYAN8Aqf3h0ZNi
শাস্তি পেলেন কাইল জেমিসন। দিল্লি ক্যাপিটালসের পেইস বোলারের বিরুদ্ধে আইপিএলের আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ। শুক্রবার রাজস্থান রয়্যালসের বৈভব সূর্যবংশীকে আউট করে অতি আগ্রাসী ভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।
দিল্লির বিরুদ্ধে রান পায়নি বৈভব। ২ বলএ ৪ রান করে জেমিসনের বলে বোল্ড হন ১৫ বছরের ব্যাটার। উইকেট পাওয়ার পর অতিরিক্ত লাফালাফি করে উচ্ছ্বাস করেন নিউজ়িল্যান্ডের ক্রিকেটার। সাজঘরমুখী বৈভবের কাছে গিয়ে তাঁকে কিছু বলতেও দেখা গিয়েছে। কিশোর ব্যাটারকে আউট করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞ একজন ক্রিকেটারের এমন উচ্ছ্বাস ভাল ভাবে নেননি ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ।
রাজস্থানের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বল করতে আসেন জেমিসন। চতু্র্থ বলে তাঁকে চার মারে বৈভব। পরের বলেও আগ্রাসী শট খেলার জন্য তৈরি ছিল বৈভব। কিন্তু জেমিসনের দ্রুতগতির ইয়র্কার তার ব্যাটের কানায় লেগে উইকেট ভেঙে দেয়। তার পরই চিৎকার করে উচ্ছ্বাস করতে শুরু করেন জেমিসন। তাঁর এই অতি আগ্রাসী আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।
আম্পায়ারদের রিপোর্ট অনুযায়ী, আইপিএলের আচরণবিধির ২.৫ ধারা ভেঙেছেন জেমিসন। ম্যাচ রেফারি রাজীব শেঠী তাঁকে ‘লেভেল ওয়ান’ অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। কিউয়ি পেইস বোলারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। দেওয়া হয়েছে ১ ডিমেরিট পয়েন্ট। ভবিষ্যতে আবার এমন করলে এর তুলনায় কঠোর শাস্তি পেতে হবে তাঁকে।
বৈভবকে আউট করে জেমিসন যে ভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, তাতে একটি বিষয় পরিষ্কার। ১৫ বছরের ব্যাটার বিশ্বের সেরা বোলারদের মনেও ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছেন। তার আগ্রাসী ব্যাটিংকে গুরুত্ব দিচ্ছেন সব দলের বোলারেরাই। প্রতিপক্ষ বোলারদের চাপে ফেলে দিয়েছে বৈভব।
জেমিসনের এমন ব্যবহার কি ঠিক হয়েছে?
আপনার মূল্যবান মতামত জানিয়ে দিন কমেন্টে।