22/07/2026
পাইকারি দামে বিক্রি করা হয় কারো লাগলে কল দিবিন 01725361522
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rs Raisa & Shop, Sport & recreation, খাগড়াছড়ি, Khagrachari.
এখানে পাচ্ছেন আলকুশি, শিমুল, অশ্বগন্ধা, শতমূল বা জিনসেনের মতো ওষুধি গাছ-গাছড়া এবং মধু, কালোজিরা ও চিয়া সিডের মতো পুষ্টিকর খাবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যুগ যুগ ধরে দারুণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে মানুষ কৃত্রিম জিনিসের চেয়ে প্রাকৃতিক ও অর্গানিক পণ্যে দিক
22/07/2026
পাইকারি দামে বিক্রি করা হয় কারো লাগলে কল দিবিন 01725361522
02/07/2026
মধুময় বাদাম পাহাড়ি অরিজিনাল মধু দিয়ে তৈরি যারা অর্ডার করতে চান তারা কল দিবিন,,WhatsApp,, 01725-361522
মাথায় নতুন চুল গজাতে এবং চুল পড়া বন্ধ করতে ঘরে তৈরি ভেষজ তেল অত্যন্ত কার্যকরী। কোনো রাসায়নিক ছাড়া সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি এই তেল চুলের গোড়া শক্ত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
নিচে একটি অত্যন্ত কার্যকরী ভেষজ তেল (Herbal Hair Oil) তৈরির সহজ রেসিপি দেওয়া হলো:
প্রয়োজনীয় উপাদান
তেল তৈরির জন্য নিচের উপাদানগুলো সংগ্রহ করুন:
নারকেল তেল: ২০০ মিলি (ভিত্তি বা বেস তেল হিসেবে)
ক্যাস্টর অয়েল (Castor Oil): ৫০ মিলি (চুল গজাতে এটি দারুণ কার্যকরী)
কালিজিরা: ১ টেবিল চামচ (নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে)
মেথি দানা: ১ টেবিল চামচ (চুলের গোড়া শক্ত করে)
আমলকী গুঁড়ো বা শুকনো আমলকী: ১ টেবিল চামচ (ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, চুল পাকা রোধ করে)
জবা ফুল ও পাতা: ৪-৫টি (চুলের উজ্জ্বলতা ও বৃদ্ধি বাড়ায়)
ছোট পেঁয়াজ: ১টি, কুচি করা (পেঁয়াজের সালফার নতুন চুল গজাতে জাদুর মতো কাজ করে)
অ্যালোভেরা জেল: ২ টেবিল চামচ (তাঁজা পাতা থেকে নেওয়া ভালো)
কিছু প্রস্তত নাম সিক্রেট হিসেবে দেয়া হবে না,,
তেল তৈরির প্রস্তুত প্রণালী
১. উপাদান প্রস্তুত করা: প্রথমে মেথি ও কালিজিরা হালকা একটু গুঁড়ো বা থেঁতো করে নিন। পেঁয়াজ কুচি করে নিন এবং জবা ফুল ও অ্যালোভেরা ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন।
২. তেল গরম করা: একটি পাত্রে (সম্ভব হলে লোহার কড়াই) নারকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েল একসাথে মিশিয়ে হালকা আঁচে গরম করুন।
৩. ভেষজ উপাদান মেশানো: তেল কিছুটা গরম হলে একে একে পেঁয়াজ কুচি, মেথি, কালিজিরা, আমলকী, জবা ফুল এবং অ্যালোভেরা দিয়ে দিন।
৪. জ্বাল দেওয়া: একদম কম আঁচে ১০ থেকে ১৫ মিনিট মিশ্রণটি জ্বাল দিন। উপাদানগুলো যখন গাঢ় বা হালকা কালো রঙের হতে শুরু করবে, তখন বুঝবেন ওগুলোর গুণাগুণ তেলের সাথে মিশে গেছে। খেয়াল রাখবেন যেন পুড়ে ধোঁয়া না বের হয়।
৫. ঠাণ্ডা ও ছাঁকন: জ্বাল দেওয়া শেষ হলে চুলা বন্ধ করে তেলটি পুরোপুরি ঠাণ্ডা হতে দিন। ঠাণ্ডা হওয়ার পর একটি পাতলা সুতি কাপড় বা ছাঁকনি দিয়ে তেলটি ভালো করে ছেঁকে নিন।
৬. সংরক্ষণ: একটি পরিষ্কার ও শুকনো কাঁচের বোতলে তেলটি সংরক্ষণ করুন। এই তেল অনায়াসে ২-৩ মাস ব্যবহার করা যায়।
ব্যবহার বিধি
সপ্তাহে ২-৩ দিন এই তেল আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে চুলের গোড়ায় (Scalp) ম্যাসাজ করুন।
ম্যাসাজ করার পর অন্তত ১ থেকে ২ ঘণ্টা মাথায় রাখুন। চাইলে রাতে লাগিয়ে পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলতে পারেন।
এরপর একটি মাইল্ড বা ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
বিশেষ পরামর্শ: পেঁয়াজ ও ক্যাস্টর অয়েল থাকার কারণে প্রথম দিকে তেলের গন্ধ একটু কড়া লাগতে পারে। সুগন্ধির জন্য আপনি চাইলে এতে কয়েক ফোঁটা রোজমেরি এসেনশিয়াল অয়েল (Rosemary Essential Oil) মিশিয়ে নিতে পারেন, যা নতুন চুল গজানোর গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।
08/06/2026
আলকুশি (বোটানিক্যাল নাম: Mucuna pruriens) একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং শক্তিশালী আয়ুর্বেদিক ভেষজ উদ্ভিদ। প্রাচীনকাল থেকেই এর বীজ বিভিন্ন শারীরিক ও স্নায়বিক সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আধুনিক গবেষণাতেও এর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যগুণ প্রমাণিত হয়েছে। নিচে আলকুশির প্রধান প্রধান উপকারিতাগুলো আলোচনা করা হলো:
১. স্নায়বিক শক্তি বৃদ্ধি ও পারকিনসন্স রোগ প্রতিরোধ
আলকুশির বীজে প্রচুর পরিমাণে এল-ডোপা (L-Dopa) নামক উপাদান থাকে, যা আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। ডোপামিন কমে গেলে মানুষের হাত-পা কাঁপা বা 'পারকিনসন্স' রোগ দেখা দেয়। আলকুশি স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত রাখে এবং এই রোগ প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে।
২. হরমোনের ভারসাম্য ও প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি
পুরুষদের ক্ষেত্রে: এটি শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে শারীরিক স্ট্যামিনা বা কর্মক্ষমতা বাড়ে, শুক্রাণুর গুণগত মান ও সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা দূর করতে এটি কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
নারীদের ক্ষেত্রে: রক্তস্বল্পতাজনিত কারণে পিরিয়ড বা মাসিকের সময় কম রক্তপাতের সমস্যা দূর করতে এটি সাহায্য করে।
৩. মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা দূর করা
আলকুশি ডোপামিনের মাত্রা বাড়িয়ে মন-মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি নিয়মিত সেবনে মানসিক দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং অবসাদ দূর হয়, যা ভালো ঘুমেও সহায়তা করে।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও বাতের ব্যথা উপশম
এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি (প্রদাহনাশক) উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ক্রনিক বা দীর্ঘদিনের বাতের ব্যথা ও জয়েন্টের ব্যথা কমাতে বেশ সাহায্য করে।
সেবনবিধি বা খাওয়ার নিয়ম
বাজারে সাধারণত আলকুশি বীজের গুঁড়া (Alkushi Powder) পাওয়া যায়।
সাধারণ নিয়ম: ১ চা চামচ আলকুশি বীজের গুঁড়া ১ কাপ কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে বা সকালে খাওয়া যায়। স্বাদের জন্য সামান্য মধু মিশিয়ে নিতে পারেন।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য: দুধের পরিবর্তে হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে সকালে ও রাতে খালি পেটে খাওয়া ভালো।
বিশেষ সতর্কতা: আলকুশি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভেষজ। তাই এটি একটানা দীর্ঘদিন অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, স্তন্যদায়ী মা এবং কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এটি সেবনের আগে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড আয়ুর্বেদিক বা ল্যাবরেটরি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।