12/06/2026
বিগত দশকের ইউরোপের ফাইনেস্ট স্ট্রাইকারদের লিস্ট করলে এডিন জেকোর নাম সবার উপরেই থাকবে। আর সম্ভবত সবচেয়ে আন্ডাররেটেড এলিট স্ট্রাইকারও জেকোই!
বসনিয়া হারজিগোভিনার মতো ইউরোপের ছোটখাটো মুসলিম প্রধান দেশে মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া জেকোর গল্পটা ইউনিক।
জেকো ক্লাব লেভেলে জুলিয়ান আলভারেজের মতো ক্ষণজন্মা। যেখানেই গিয়েছে, তাঁর দলের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে।
ভলসবার্গের একমাত্র বুন্দেসলিগা জয়, সিটির প্রথম প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা, ইন্টারের এক দশক পর শিরোপা জেতা - সব জায়গায় জেকো ছিল।
ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টপ ফাইভ লিগে প্রতিটায় ৫০+ গোল করা খেলোয়াড় ছিলো জেকো। ৪০ বছরের জেকো কিছুদিন আগেও শালকেকে বুন্দেসলিগায় ব্যাক করতে সাহায্য করলো ১১ ম্যাচে ৬ গোল, ৩ এসিস্ট করে। এই শালকে নিয়ে রাল্ফ রাঙনিক চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে গিয়েছিল।
ফুটবল পিচের মতো অফ দ্যা ফিল্ডেও জেকোর ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিলো। ৩৫ স্কয়ার ফিটের দাদার বাসায় থাকতেন ১৫ জন মিলে। একদিন তার মা জেকো কে খেলতে যেতে দেয়নি। পরেরদিন জানতে পারে যে তার বন্ধুরা কেউ বেঁচে নেই।
চেক রিপাবলিকের একটি ক্লাবে খেলার সময় প্রস্তাব পান চেকদের প্রতিনিধিত্ব করার। জেকো সেদিন রাজি হলে মিলান বারিওস, রসিস্কিদের লিগ্যাসী ধরে সহজেই বড় লিজেন্ড হতে পারতো কিন্তু নিজ জন্মভূমির সংগ্রামকে কোনোদিন ভুলে যায়নি।
বসনিয়াকে ইয়ুথ লেভেল থেকে রিপ্রেজেন্ট করে ১৪ সালে প্রথম নিয়ে গেছে বিশ্বকাপে। ১২ বছর পর আবারো নিয়ে বিশ্বকাপে জেকো ফিরলো। ইতালিকে হারিয়ে কোয়ালিফাই করার পর জেকোর কান্নার ক্লিপটা পিক মেইল হ্যাপিনেস কন্টেন্ট। ৪০ বছরে বসনিয়ার মতো দেশে জন্ম নিয়ে বিশ্বকাপ খেলার ভাগ্য কয়জনের হয়!
আমার দেদিচ, কারিম আলাইবেগোভিচ,আসমীর আজরাখতারেভিচ এর মতো টপ ইয়াং প্লেয়ারের আইডল জেকো। তাঁর কারণেই বসনিয়ার একটা প্রজন্ম বসনিয়াকে রিপ্রেজেন্ট করতে চায় প্রাউডলি।
বসনিয়ার ন্যাশনাল হিরোর জন্য হলেও বসনিয়ার জন্য সফট কর্নার কাজ করবে।
12/06/2026
লেট নাইন্টিজ আর মিলেনিয়ালের শুরুতে জন্ম নেওয়া জেন জি দের বেশিরভাগের মোটামুটি জ্ঞানবুদ্ধি হওয়ার পর প্রথম দেখা বিশ্বকাপ ছিলো ২০১০ বিশ্বকাপ।
প্রথমবারের মতো 'অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ' আফ্রিকায় বসেছিল বিশ্বকাপের আসর। পেপসির এপিক ক্যাম্পেইন, ফ্রেঞ্চদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, অক্টোপাস পল, Waving Flag, শাকিরার Waka Waka আর জাবুলানি, মেসি - রোনালদো - কাকাদের ক্রেজ, এদেশের ঘরে ঘরে টিভি পৌঁছানো - এই বিশ্বকাপ নিয়ে উন্মাদনা ছিল ভিন্ন মাত্রার।
তবে বিশ্বকাপ খেলা হবে যেই জাবুলানী দিয়ে, সে - ই নাকি বশ মানে না। মেসি, রোনালদো, ল্যাম্পার্ড, দ্রগবাদের মতো তারকারাও জাবুলনিকে বশে আনতে হিমশিম খাচ্ছিলেন।
কিন্তু একজন ব্যতিক্রম হয়ে থাকলেন - উরুগুয়ের স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলান।
বিশ্বকাপ শুরুর কয়েক মাস আগেই অ্যাডিডাসকে বললেন তাঁর জন্য একটা জাবুলানি বল পাঠাতে। অ্যাটলেটিকোর ট্রেনিংয়ে নিয়মিত জাবুলানি বল নিয়ে এক্সট্রা কয়েক ঘণ্টা প্র্যাক্টিস করতেন , বলের গতি আর মুভমেন্ট বোঝার চেষ্টা করতেন। লং রেঞ্জ আর ফ্রি কিক থেকে গোল করার চেষ্টা করতেন নিয়মিত।
ফলাফলও পেলেন হাতেনাতে। লং রেঞ্জে গোল করলেন গ্রুপ স্টেজে, কোয়ার্টারে ফ্রি কিক থেকে গোল করলেন, উরুগুয়ে ডাচদের কাছে ৩-২ গোলে হেরে বাদ পড়ার ম্যাচেও গোল করলেন। ৭ ম্যাচে ৫ গোল করলেন, টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
বিশ্বকাপে মানুষের চোখ মেসি - রোনালদো - কাকায় না, বরং ফোরলানে আটকে গেলো। ১০ নম্বর জার্সি পরে গোল্ডেন বলও জিতলেন ঐবার। দিয়েগো ফোরলান হয়ে গেলেন জাবুলানির মনিব আর আমাদের কাছে হয়ে গেলেন চাইল্ডহুড নস্টালজিয়ার একটা চ্যাপ্টার।
12/06/2026
সবার স্বপ্ন আছে... কিন্তু একজন মানুষ আছেন যিনি স্বপ্ন ভাঙতে আমেরিকায় অপেক্ষা করছেন! 😮🔥
নেইমার চান ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ দিতে 🇧🇷
রোনালদো চান পর্তুগালকে বিশ্বকাপ দিতে 🇵🇹
হ্যারি কেন চান ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ দিতে 🏴
লামিন ইয়ামাল, হালান্ড, এমবাপ্পেসহ সব তরুণ তারকারা চান নিজেদের লেগ্যাসি শুরু করতে 💫
এত স্বপ্ন, এত প্রতিযোগী...
কিন্তু আমেরিকায় অপেক্ষায় আছেন সেই একজন মানুষ, যিনি সবার স্বপ্ন ছুঁয়েও নিজেই জ্বলে উঠবেন 😎
তাঁর নাম বলতে হবে? 🐐🇦🇷
LIONEL MESSI — ইতিহাস একবারই লেখা হয়, আর তিনি বারবার লিখেছেন! ✍️🏆
12/06/2026
আমি আগেই থেকে লেবানন ফ্যান🫣✌️🏆
12/06/2026
বিশ্বকাপ কোনো ফুটবলারের জন্য ৫/৬ ম্যাচের একটা টুর্নামেন্ট।
তবে প্রায় সব ফুটবলারের জন্য এটা সারাজীবনের স্বপ্ন।
বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন সব ফুটবলারই দেখে, এর পাশাপাশি স্বপ্ন দেখে নিজের দেশকে বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করার।
বালের্দির ইনজুরির পর থেকেই একটা আশা ছিল, হয়তো বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়া সেনেসি তার পরিবর্তে দলে আসবে।
সিজন শেষ হবার পর সেনেসি ছুটি কাটাচ্ছিলেন তার পার্টনারকে নিয়ে।
তবে এরপরও, তার মধ্যে অপেক্ষা ছিল।
একটা কলের অপেক্ষা।
স্কালোনির পক্ষ থেকে সেই কাঙ্খিত ফোনকল।
অতঃপর সেটা আসলো।
তার গার্লফ্রেন্ড সেই মুহূর্তটা ক্যামেরাবন্দি করতে ভুললো না।
এই যে স্কোয়াডে জায়গা পাবার পর সেনেসির খুশিতে লাফিয়ে পড়া, চোখে আনন্দ অশ্রু আসা - এটাই আসলে বিশ্বকাপকে ডিফাইন করে।
একজন ফুটবলারের কাছে জাতীয় দল কতোটা দামি আর বিশ্বকাপ খেলা কতো বড় স্বপ্ন, সেটাকে প্রকাশ করে।
আজ সেনেসির জন্য তার জীবনের সেরা দিন। বোর্নমাউথের হয়ে দুর্দান্ত সিজন পার করার পরও মনে হয়েছিল সেটা যথেষ্ট না। অল্পের জন্য বিশ্বকাপের টিকিট মিস হয়ে গেছিলো।
নিজের সেরা ফর্মে থেকে বিশ্বকাপ না খেলার আক্ষেপটা তার ক্যারিয়ারে আর থাকলো না।
12/06/2026
🚨🥹𝐂𝐔𝐓𝐄 𝐌𝐞𝐱𝐢𝐜𝐚𝐧 𝐟𝐚𝐧𝐬 enjoying their first 𝐆𝐎𝐀𝐋 celebration! ❤️ 🇲🇽
How 𝐂𝐔𝐓𝐄! The World Cup 𝐏𝐀𝐒𝐒𝐈𝐎𝐍 has already started, and the scenes are simply beautiful to watch ⚽🔥
12/06/2026
🚨 𝐁𝐑𝐄𝐀𝐊𝐈𝐍𝐆:😳The first World Cup opening match turns dramatic with 𝟯 RED CARDS 🟥🔥
🇿🇦 South Africa — 𝟮 RED CARDS
🇲🇽 Mexico — 𝟭 RED CARD
What a chaotic start to the tournament! 🌍⚽
12/06/2026
পাশের টেবিলে সাউথ আফ্রিকাকে ব্রাজিল ভেবে
এক আর্জেন্টিনা ফ্যান…See More