28/07/2025
উয়েফা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ (মহিলাদের ইউরো) হলো ইউরোপীয় মহিলা ফুটবলের প্রধান প্রতিযোগিতা। এটি উয়েফা দ্বারা আয়োজিত হয়।
ইতিহাস ও ফরম্যাট:
* এই প্রতিযোগিতা ১৯৮০-এর দশকে শুরু হয়।
* মহিলা ফুটবলের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার কারণে ১৯৯০-এর দশকের কাছাকাছি সময়ে এটিকে "ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ" নামকরণ করা হয়।
* মূল পর্বে দলের সংখ্যা বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে দলের সংখ্যা ১২ থেকে বেড়ে ১৬ হয়েছে।
সর্বোচ্চ সফল দল:
জার্মানি হলো উয়েফা মহিলা ইউরোতে সবচেয়ে সফল দল, যারা ৮টি শিরোপা জিতেছে।
সাম্প্রতিক চ্যাম্পিয়ন:
* ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়ন: ইংল্যান্ড (জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে তাদের প্রথম শিরোপা জিতেছিল)।
* ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন: ইংল্যান্ড (ফাইনালে স্পেনকে টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে হারিয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে)।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বিজয়ী দল:
* নরওয়ে: ২ বার শিরোপা জিতেছে।
* সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক: প্রত্যেকে ১ বার করে শিরোপা জিতেছে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
* ২০২২ সালের ফাইনালে ইংল্যান্ড এবং জার্মানির মধ্যে খেলা দেখতে ৮৭,১৯২ জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন, যা ছেলেদের এবং মেয়েদের ইউরো মিলিয়ে যেকোনো ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড।
* স্পেন ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলেও, ২০২৫ সালের ইউরো ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয়।
উয়েফা মহিলা ইউরো ইউরোপীয় মহিলা ফুটবলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক টুর্নামেন্ট।
T Sports Cristiano Ronaldo
27/07/2025
আপনি লিটন দাসকে ১০ ম্যাচ খেলান, সে ১০ ম্যাচে ১টা ফিফটি আর ২টা ইম্প্যাক্টফুল ইনিংস উপহার দিবে।
আপনি সৌম্য সরকারকে ১০ ম্যাচ খেলান, সে ১০ ম্যাচে ১টা ফিফটি আর ৪টা ইম্প্যাক্টফুল ইনিংস উপহার দিবে।
আপনি তানজিদ তামিমকে ১০ ম্যাচ খেলান, সে ১০ ম্যাচে ৩টা ফিফটি আর ৩টা ইম্প্যাক্টফুল ইনিংস উপহার দিবে।
আপনি পারভেজ হোসেন ইমনকে ১০ ম্যাচ খেলান, সে ১০ ম্যাচে ১টা সেঞ্চুরি, ৩টা ফিফটি আর ৩টা ইম্প্যাক্টফুল ইনিংস উপহার দিবে।
আর আপনি যদি নাঈম শেখকে ১০ ম্যাচ খেলান, তাহলে আপনি নিজেই ক্রিকেট দেখা ছেড়ে দিবেন।
যে এই কথা বলছে, একদম সেরা বলছে রে ভাই 😃 Shakib Al Hasan T Sports
14/07/2025
Congratulations
Chelsea T Sports Cristiano Ronaldo
10/07/2025
প্যারিস সাঁ-জেরমাঁ ফুটবল ক্লাব (Paris Saint-Germain FC), সংক্ষেপে পিএসজি (PSG) নামে পরিচিত, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একটি পেশাদার ফুটবল ক্লাব। নিচে তাদের ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো:
প্রতিষ্ঠা ও প্রাথমিক বছর (১৯৭০-১৯৮০-এর দশক):
* প্রতিষ্ঠা: পিএসজি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭০ সালের ১২ আগস্ট প্যারিস এফসি এবং স্টাড সাঁ-জেরমাঁ-এর একীভূত হওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল প্যারিসে একটি শক্তিশালী ফুটবল দল তৈরি করা।
* দ্রুত উন্নতি: প্রতিষ্ঠার পরপরই পিএসজি দ্রুত অগ্রগতি লাভ করে। তারা প্রথম মৌসুমেই (১৯৭০-৭১) লিগ ২ শিরোপা জেতে এবং প্রথম ডিভিশনে উন্নীত হয়।
* ক্লাব বিভাজন: ১৯৭২ সালে প্যারিস এফসি পিএসজি থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং পিএসজি প্রশাসনিকভাবে তৃতীয় ডিভিশনে নেমে যায়। তবে, তারা দ্রুত পরপর পদোন্নতি পেয়ে ১৯৭৪ সালে আবারও শীর্ষ ডিভিশনে ফিরে আসে এবং পার্ক দে প্রিন্সেসে তাদের নতুন ঘরের মাঠে খেলতে শুরু করে।
* প্রথম বড় শিরোপা: ১৯৮০-এর দশকে পিএসজি তাদের প্রথম বড় শিরোপা জেতে। ১৯৮২ এবং ১৯৮৩ সালে তারা কুপ দে ফ্রান্স (ফ্রেঞ্চ কাপ) জেতে। ১৯৮৬ সালে তারা তাদের প্রথম লিগ ১ শিরোপা অর্জন করে।
নব্বইয়ের দশক ও ইউরোপীয় সাফল্য:
* ক্যানাল+ এর আগমন: ১৯৯১ সালে ফরাসি টেলিভিশন চ্যানেল ক্যানাল+ পিএসজিকে কিনে নেয়, যা ক্লাবের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এই সময়ে ক্লাবের আর্থিক ও খেলার মান উভয়ই উন্নত হয়।
* কুপ উইনার্স কাপ: ১৯৯৬ সালে পিএসজি উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ জেতে, যা ছিল তাদের প্রথম বড় ইউরোপীয় শিরোপা। এর আগে তারা ১৯৯৪ সালে লিগ ১ এবং ১৯৯৩ ও ১৯৯৫ সালে কুপ দে ফ্রান্স জেতে। এই সময়ে ডেভিড জিনোলা, রাই, জর্জ উইয়াহ-এর মতো খেলোয়াড়রা পিএসজি-তে খেলতেন।
২০০০-এর দশক:
* মিক্সড ফর্ম: ২০০০-এর দশকে পিএসজি ঘরোয়া লিগে মিশ্র ফল অর্জন করে। কিছু কাপ জিতলেও লিগ ১ শিরোপা জেতা তাদের জন্য কঠিন ছিল। এই সময়ে পাউলেটা-এর মতো খেলোয়াড়রা ক্লাবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
কাতার স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্টস (QSI) অধিগ্রহণ ও আধুনিক যুগ (২০১১-বর্তমান):
* রূপান্তর: ২০১১ সালে কাতার স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্টস (QSI) পিএসজিকে কিনে নেওয়ার পর ক্লাবের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। এই অধিগ্রহণের ফলে ক্লাবের আর্থিক ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায় এবং তারা বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের দলে আনার সুযোগ পায়।
* ঘরোয়া আধিপত্য: QSI-এর অধীনে পিএসজি ফরাসি ফুটবলে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে। তারা একাধিক লিগ ১ শিরোপা (২০১৩, ২০১৪, ২০১৫, ২০১৬, ২০১৮, ২০১৯, ২০২০, ২০২২, ২০২৩, ২০২৪, ২০২৫), কুপ দে ফ্রান্স, কুপ দে লা লিগ এবং ট্রফি দে চ্যাম্পিয়ন্স জেতে। তারা ফরাসি ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি শিরোপা জেতা ক্লাব।
* ইউরোপীয় উচ্চাকাঙ্ক্ষা: ইউরোপীয় মঞ্চে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা তাদের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। নেইমার, কিলিয়ান এমবাপ্পে, লিওনেল মেসি-এর মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের দলে আনা হয়।
* চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সাফল্য: অবশেষে, ২০২৫ সালে পিএসজি তাদের প্রথম উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জেতে, যা ক্লাবের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড়:
পিএসজি-র ইতিহাসে অনেক কিংবদন্তি খেলোয়াড় খেলেছেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
* জর্জ উইয়াহ
* রাই
* ডেভিড জিনোলা
* সাফেট সুসিচ
* পাউলেটা
* জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ
* নেইমার
* কিলিয়ান এমবাপ্পে
* লিওনেল মেসি
* মারকুইনহোস (ক্লাবের হয়ে সর্বাধিক ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়)
* থিয়াগো সিলভা
পিএসজি একটি ক্লাব হিসেবে মাত্র অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বিদ্যমান থাকলেও, তারা ফরাসি এবং ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।
07/07/2025
২০০৭ সালের বিশ্বকাপে মোহাম্মদ আশরাফুলের কথা উঠলে প্রথমেই যে ইনিংসটির কথা মনে পড়ে, সেটি হলো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তার অসাধারণ শতক। সেন্ট কিটসে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে, শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে আশরাফুল মাত্র ১১৪ বলে ৮৭ রান করেন, যার মধ্যে ছিল ১০টি চার ও ৬টি ছক্কা। তার এই ইনিংসের উপর ভর করে বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৭৯ রানের লক্ষ্য দেয় এবং শেষ পর্যন্ত ৬৭ রানে জয়লাভ করে। এটি ছিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে বাংলাদেশের অন্যতম স্মরণীয় জয়।
এরপর আসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার খেলা আরও একটি দুর্দান্ত ইনিংস। সুপার এইটের সেই ম্যাচে আশরাফুল মাত্র ৮৩ বলে ৮৭ রান করেন, যা বাংলাদেশকে একটি সম্মানজনক স্কোর গড়তে সাহায্য করে। যদিও বাংলাদেশ সেই ম্যাচটি হেরে গিয়েছিল, আশরাফুলের ইনিংসটি তার ব্যাটিং প্রতিভার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে রয়ে গেছে।
এই বিশ্বকাপেই ভারতের বিপক্ষে আশরাফুলের খেলা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস রয়েছে। প্রথম রাউন্ডের সেই ম্যাচে ভারত প্রথমে ব্যাট করে ১৯১ রান করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হাতে রেখেই ৪.৫ ওভার বাকি থাকতে জয়লাভ করে। এই ম্যাচে আশরাফুল ৬২ বলে ৮৭ রানের একটি দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন, যা বাংলাদেশের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তার এই ইনিংসটি ভারতকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিতে সাহায্য করে এবং এটি ছিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অঘটনের জন্ম।
প্রিয় আশরাফুল,
শুভ জন্মদিন! আপনার জন্মদিন উপলক্ষে আমরা আপনার বর্ণাঢ্য ক্রিকেট জীবনের কিছু উজ্জ্বল মুহূর্ত স্মরণ করছি। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে আপনার অনবদ্য ব্যাটিং নৈপুণ্য আজও ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন। দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ভারতের বিপক্ষে আপনার ম্যাচ জেতানো ইনিংসগুলো ছিল অবিস্মরণীয়। বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে আপনার ৮৭ রানের ইনিংসটি, যা বাংলাদেশকে এক ঐতিহাসিক জয় এনে দিয়েছিল, তা সত্যিই অসাধারণ।
আপনার আগ্রাসী ব্যাটিং শৈলী এবং ম্যাচ ঘোরানোর ক্ষমতা সবসময়ই মুগ্ধ করেছে।
এই বিশেষ দিনে আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা। আপনার ভবিষ্যৎ জীবন সুখ ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক। ভালো থাকুন সবসময়!
শুভেচ্ছান্তে,
আপনার অগণিত ভক্তবৃন্দ
T Sports Channel i
07/07/2025
With T Sports – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
05/07/2025
Football lovers 🌿⚽Are you ready???
T Sports PSG - Paris Saint-Germain FC Bayern München