18/11/2022
আসসালামু আলাইকুম🖤
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন 😇
প্রেসার কমে গেলে...বা মাথা ঘুরালে...অনেকে ডিম খান...একটায় কাজ না হলে দুইটা খান...তাতেও কাজ না হলে ডাক্তারের কাছে যান!
কি থাকে ডিমে?
মূলত প্রোটিন ও ফ্যাট। অন্য উপাদান থাকে খুবই সামান্য।
এসব দিয়ে কি আর দ্রুতই প্রেসার বাড়ে!
সত্যিই যদি হঠাৎ প্রেসার কমে যায়...অতিরিক্ত ঘাম হয়...পাতলা পায়খানা হয়...
তবে...
ডিম নয়।
খাবার স্যালাইন খেতে দিন...দোকান থেকে কিনে খান...অথবা নিজেই বানিয়ে খান!
15/11/2022
আসসালামু আলাইকুম🖤
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন 😇
তেঁতুল আমাদের দেশের বসন্তকালের টকজাতীয় ফল হলেও সারা বছর পাওয়া যায়। অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল, বরং তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজ গুণ। তেঁতুল দেহে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগীদের জন্য খুবই উপকারী। তেঁতুল দিয়ে কবিরাজি, ইউনানী,হোমিও ও এলোপ্যাথিক ওষুধ তৈরি করা হয়। তেঁতুলকে হার্টের টনিক বলা হয়। এটা লিগুমিনোসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এর বৈজ্ঞানিক নাম Tamarindus indica । তেঁতুলের ফলে এসিডিক পাল্প থাকে। এটা সরাসরি খাওয়া যায় এবং জ্যাম, জেলী, আচার, সিরাপ ও পানীয় তৈরী করেও খাওয়া যায়। তেঁতুলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন, আঁশ, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান বিদ্যমান🥰। তেঁতুল যেসব রোগের জন্য উপকারী তার মধ্যে-স্কার্ভি রোগ, কোষ্টবদ্ধতা, শরীর জ্বালা করা অন্যতম। এসব রোগে তেঁতুলের শরবত খুব উপকারী।
তেঁতুল রক্তের কোলেস্টেরল কমায় । দেহের মেদভুঁড়ি কমায়। পেটে গ্যাস হলে তেঁতুলের শরবত খেলে ভালো হয়😚। তেঁতুল খেলে কোনো ক্ষতি হয় না। তবে বেশি খেলে রক্তের চাপ কমে যেতে পারে। তবে প্রতিদিন কমপক্ষে বীজ ছাড়া আঁশসহ ২৫ গ্রাম তেঁতুল লবণ ও মিষ্টি ছাড়া ভক্ষণ করলে ব্লাড প্রেসার ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। অনেকেরই ভ্রান্ত ধারণা আছে তেঁতুল খেলে সেক্স কমে যায়, কিন্তু নিয়মিত তেঁতুল খেলে শরীর থেকে অতিরিক্ত ফ্যাট বের হয়ে সেক্স আরো বাড়িয়ে দেয়। পাকা তেঁতুল কফ ও বায়ুনাশক, খিদে বাড়ায় ও উষ্ণবীর্য হয়। তেঁতুল খাওয়ার পরে যদি পাতলা পায়খানা হয় তাহলে বোঝা যাবে তেঁতুল শরীরে ভাল কাজ করছে। অবশ্য একবারের বেশী পাতলা পায়খানা হবে না। পাতলা পায়খানার সাথে ফ্যাট গলে বের হয়ে যায়। পাতলা পাযখানা না হলেও উপকার হবে। যদি কেউ প্রতিদিন নিয়মিত এক ঘন্টা দ্রুত হাটে ও কমপক্ষে ২৫ গ্রাম করে তেঁতুল খায়, তাহলে তার হাটে ব্লক হতে পারবে না।🤗 তেঁতুল ভরাপেটে খাওয়াই ভাল।👍
প্রতিদিন নিয়মিত তেঁতুল খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায় তার কিছু নিম্নে বর্ণনা করা হল: * তেঁতুল হার্ট ভাল রাখে। * তেঁতুল ডায়াবেটিস কমায় 🙂l * তেঁতুল শরীরের কোলেষ্টেরল ও ফ্যাট কমায় । * তেঁতুল শরীরের ত্বকের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও ত্বক ভাল রাখে। * তেঁতুল এন্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভাল উৎস যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে 🥰l
15/11/2022
আসসালামু আলাইকুম🖤
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন 😊
মধু আমাদের সকলেরই পরিচিত একটি নাম। আবার অনেকের কাছে নিত্যদিনের একটি খাবার।যারা নিয়মিত মধু খাচ্ছেন তারা হাজার রকম রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে যাচ্ছেন 🥰।কেননা মধু আমাদের শরিরের জন্য খুব উপকারী।চলুন আজকে জেনে আসি মধুর কিছু উপকারিতা সম্পর্কে 🤗
সূরা নাহল এর আয়াত ৬৯-এ আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন-- "তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার।
হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে হুজুর পাক (সা.) বলেছেন, তোমরা দুটি সেফা দানকারী বস্তুকে নিজেদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় করে নাও। একটি মধু অপরটি কুরআন। -(মিশকাত)
মধুর ৫ উপকারিতাঃ
১.ঘুমাতে যাওয়ার আগে মধু খেলে মস্তিষ্কের ক্রিয়াকর্ম সঠিকভাবে চলতে সাহায্য করে । মধুতে বিদ্যমান উপাদান, ফ্রুক্টোজ মানবদেহের যকৃতে শক্তি সঞ্চয় করে এবং তা মস্তিষ্কে শক্তি সরবরাহ করে ।
২.বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগ, বিশেষ করে সর্দি-কাশিতে মধুর প্রভাব খুবই কার্য্কর । তাছাড়া মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে; যে কোনো সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করে ।
৩.বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়, পাকস্থলির বিভিন্ন রোগ, যেমন-গ্যাস্ট্রিক-আলসার থেকে পরিত্রাণ পেতে নিয়মিত মধু সেবন করা দরকার ।
৪.মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহ যা সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
৫.মধু ওজন কমাতেও সাহায্য করে । প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। এতে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়, এতে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয় ।
15/11/2022
আসসালামু আলাইকুম 🖤
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন 😇
আখ এর খুব জনপ্রিয়!!🥰🥰 চলুন আজ আমরা জেনে নিবো আখের রস আমাদের ভালো সাস্থ্যর জন্য কি কি কাজ করে থাকে!! এবং কি কি রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে!!
আখের রস পান করলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শরীর শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে ফলে অনেক ধরনের অসুস্থতা থেকে শরীর রক্ষা পায়। আখের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের বিপজ্জনক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হার্ট ভালো রাখে।
14/11/2022
আসসালামু আলাইকুম🖤
আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছেন 😊।
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছি যাদের ঘুমের সমস্যা হয়।আবার অনেকেই আছি যাদের রাতে একেবারেই ঘুম হয় না। আর ঘুম না হলে সারাদিন শরির অনেক ক্লান্ত থাকে 😔।তাদের জন্য আজ ছোট্ট একটি পরামর্শ। আশা করছি উপক্রিত হবেন🥰
#চা_কফি
রাতে চা এবং কফি থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।পারলে ঘুমানের ৫-৬ ঘন্টা আগে থেকেই চা-কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।ইনশাআল্লাহ রাতে ভালো ঘুম হবে🥰🥰
14/11/2022
আসসালামু আলাইকুম 🖤
আশা করি সবাই আল্লাহর ভালো আছেন ।😇
আজ আপনাদের সাথে নিউ বর্ন বেবি নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করব।আমাদের সমাজে অনেক শিশুরাই আছে যারা জন্মের পর নানারকম পুষ্টিহীতায় ভোগে।এক্ষেত্রে মায়ের কিছু দুর্বলতা রয়েছে।চলুন তাহলে আজকে নতুন বাচ্চা হওয়ার পরের কিছু দিক নির্দেশনা সম্পর্কে জেনে আসি 👉👉
৬ মাস শেষ হলে অর্থাৎ ১৮১ দিন পর সলিড খাবার দিতে হয়।অনেকেই বুঝতে পারে না কি দিয়ে শুরু করবে? দিনে কয় বার? কি কি দিবে?
নিচের রুটিন টা একটু ফলো করতে পারেন-
১৮২ তম দিন থেকে বেবিকে
পাকা কলা ও মিস্টি আলুর পিউরি দিবেন ১ টেবিল চামচ করে দিনে ২ বার প্রথম ৩ দিন।
পরের ৩ দিন ও একই থাকবে + হোম মেড সুজি ফর্মুলা মিল্কের সাথে, দিনে ১ বার অল্প করে।
এরপর ৩ দিন সবজি( আলু, পেপে, গাজর, মিস্টি কুমড়া, শাক যে কোন
সবজির পিউরি) দিনে ২ বার+ সুজি_★ প্রথম ৯ দিন এভাবেই চলবে।
১০ দিন থেকে সকালে ডিমের কুসুম দিয়ে সুজি+ দুপুরবেলা সিদ্ধ চাল, ডাল এর পাতলা খিচুরি+ বিকালে সবজি/ ফলের পিউরি। ৭ দিন এভাবে চলবে।
১৮ তম দিন থেকে খিচুরির সাথে একটা করে শাক, সবজি এ্যাড করবেন, বাকি সব ঠিক থাকবে।এভাবে ৭ মাস পর্য়ন্ত চলবে।
নোট:
★চিনি, লবন, গরুর দুধ এক বছরের আগে না দেওয়া ভাল।
★খাবারের পাশাপাশি পানি খাওয়াবেন অল্প করে।
★দুধের তৈরি খাবার যেমন, পায়েস, পুডিং, দই খাওয়াবেন।
★সলিড শুরুর প্রথমে পটি নরম হতে পারে, ঘন গন হতে পারে এটা নিয়ে চিন্তা করবেন না।এটা এমনি ঠিক হয়ে যায়।
★ অনেক সময় পটির সাথে গোটা গোটা খাবার ও দেখা যেতে পারে।এটাও সমস্যা না।
★যে কোন খাবার এর রিএ্যাকশন ৩ দিনে বোঝা যায়।কোন খাবারে বাবুর এ্যালার্জি হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখবেন
🍷পাশাপাশি বুকের দুধ চলবে।সলিড শুরুর আগে ও পরে বুকের দুধ দিবেন তাহলে হজমে সুবিধা হবে।
14/11/2022
আসসালামু আলাইকুম। 💙
আশা করি সাবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন।😊
আজকের আলোচনা শশা নিয়ে, শশা এমন একটি ফল যা আমরা প্রায় সময় খেয়ে থাকি😇
আমরা জানি শশা খেতে খুব ভাল এবং স্বাস্থ্যের জন্য ও উপকারি যেমন এর উপকারিতা রয়েছে তেমনি অপকারিতা ও রয়েছে 🙂
নিম্নে এর কিছু উপকারীতা ও অপকারিতা তুলে ধরলাম।😇
এক নজরে শসার কিছু উপকারিতাঃ-
১. ফাইবার ও ফ্লুইডসমৃদ্ধ শসা শরীরে ফাইবার এবং পানির পরিমাণ বাড়ায়। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবার থাকার কারণে শসা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে।
২. শসায় রয়েছে স্টেরল নামের এক ধরনের উপাদান, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন, শসার খোসায়ও স্টেরল থাকে।
৩. ওবেসিটি নিয়ন্ত্রণে শসা খুব উপকারী।
৪. কিডনি, ইউরিনারি, ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় শসা বেশ সাহায্য করে থাকে।
৫.এরেপসিন নামক অ্যানজাইম থাকার কারণে শসা হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধান করে থাকে।
শশার অপকারিতা
শশা হচ্ছে, একটি লো ক্যালরি বা খুব কম ক্যালরিযুক্ত একটি খাবার। শশার মধ্যে পানির পরিমাণ অনেক। ১০০ গ্রাম শসাতে পানির পরিমাণ ৯৪.৯ গ্রাম এবং ক্যালরি ২২ কিলো ক্যালরি এছাড়াও শশা একটি ভাল মানের এন্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার।
শশাতে কিছু পরিমাণ ভিটামিন,মিনারেলস এবং আঁশ থাকে।কিন্তু ভাল একটি খাবার শশাও মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে যায় যখন কেউ মনে করে শুধুমাত্র শশা খেয়ে ওজন কমানো যায়। শশাকে ওজন কমানোর একমাত্র ওষুধ মনে করে। আমরা ডায়টেশিয়ানরা ডয়েট চার্টে শসাটা রাখি। কিন্তু শুধু শশা খেয়ে আমরা ওজন কমাতে বলি না। কিন্তু অনেকেই ওজন কমানোর জন্য শশাকে ওষুধ হিসবে ধরে নিয়ে সারাদিন ধরে শশা খেতে থাকে। যখনই ক্ষুধা লাগে শশা খেতে শুরু করে।
14/11/2022
আসসালামু আলাইকুম। 💙
আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন 😇
আজকের আলোচনা ছোট্ট ও একটি অপছন্দের খাবার এলাচি নিয়ে যার অনেক উপকারীতা রয়েছে 😊
এলাচি হজম প্রক্রিয়ায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই অনেকেই খাবারের পর এক দানা এলাচি মুখে দেন। এটি গ্যাস শোষণ করে হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে বলে পেট ফাঁপা ও জ্বলুনি কমায়। এলাচিতে প্রচুর ম্যাংগানিজ আছে, যা শরীরে ক্ষতিকর উপাদানগুলো বিরুদ্ধে লড়ার এনজাইম তৈরি করে শরীরকে বিষমুক্ত রাখে।🙂
14/11/2022
আসসালামু আলাইকুম। 🤍
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। 😇
আজকের আলোচনা লাউ নিয়ে।লাউ অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন একটি ফল। আমরা প্রায়ই খাবারে লায় খাবারে লাউ খেয়ে থাকি চলুন আজকে লাউ এর উপকারিতা গুলো।🥰
শরীরের পানির ঘাটতি কমাতে:
মানব শরীরের পানির ঘাটতি সমস্যা দূরীকরণে এ সবজি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।লাউয়ে থাকা ৯৬% পানি শরীরের পানির অভাব অনেকটাই হ্রাস করে শরীর স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে থাকে।তাই এ সবজি খেলে শরীরের পানির অভাব যে কমবে তা বলা বাহুল্য।
ত্বকের যত্নে :
ত্বকের যত্নে এ সবজি খাওয়ার উপকারিতা অনেক।ত্বকের বার্ধক্য ভাব কাটাতে লাউয়ের ভূমিকা রয়েছে।ত্বকের তৈলাক্ততা একটি বড় সমস্যা। এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে নিয়মিত কদু খেতে পারেন।লাউয়ে থাকা ভিটামিন ও প্রোটিন উপাদান আপনার ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করবে।এ সবজি খেলে মুখে ব্রণ উঠার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে:
মানব শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে লাউয়ের জুস বিশার ভূমিকা পালন করে।লাউয়ের জুস অথবা এর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।লাউয়ের জুস শ্বাসপ্রশ্বাস সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে সহায়তা করে থাকে।🍐😊
তো আপনারা প্রতিদিনের খাবারের সাথে লাউ খাবেন তো।😉
13/11/2022
আসসালামু আলাইকুম। 💙
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। 😇
আজকের আলোচনা দারুচিনি নিয়ে।
দারুচিনি আমাদের সকলেরই পরিচত নাম।সবাই এটিকে মসলা হিসেবেই চিনি আমরা।কিন্তু দারুচিনি ও আমাদের সকলের শরিরের জন্য খুব উপকারী ঔষধ হিসেবে কাজ করে।চলুন তাহলে দারুচিনির কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আসি 🤗
দারুচিনির উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম
পরিপাকতন্ত্রের অসুখ, দাঁত ও মাথাব্যথা, চর্মরোগ, মাসিকের সমস্যা দারুচিনি সেবনে সেরে যায়। এর সাথে ডায়রিয়া, যক্ষ্মা রোগেও এর ব্যবহার উপকারী। আপনি অবশ্যই জানেন যে দারুচিনি ব্যবহারের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যাতে আপনি সময়মতো দারুচিনি ব্যবহার করার সুবিধা নিতে পারেন।
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়
এখানে দারুচিনির উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম এবং ব্যবহারের পরিমাণ:-
হেঁচকি সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ হেঁচকি একটি খুব সাধারণ বিষয়, তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা সবসময় হেঁচকির অভিযোগ করেন। এই ধরনের মানুষ দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। এটি স্বস্তি দেয়।
ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য দারুচিনি খানঃ 500 মিলিগ্রাম শুঁথি পাউডার, 500 মিলিগ্রাম এলাচ এবং 500 মিলিগ্রাম দারুচিনি পিষে নিন। সকাল-সন্ধ্যা খাবার আগে খেলে ক্ষুধা বাড়ে।
বমি বন্ধ করতে দারুচিনির ব্যবহারঃ বমি বন্ধ করতেও দারুচিনি ব্যবহার করা হয়। দারুচিনি এবং লবঙ্গের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি পরিমাণে খেলে বমি বন্ধ হয়।
চোখের রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ অনেকে অভিযোগ করেন যে তাদের চোখ টলতে থাকে। চোখের ওপরে (চোখের পাতায়) দারুচিনির তেল লাগান। এতে চোখের পলক পড়া বন্ধ হয় এবং দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ যাঁরা দাঁতের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা দারুচিনি খেতে পারেন। তুলো দিয়ে দাঁতে দারুচিনির তেল মাখুন। এটি স্বস্তি দেবে।
মাথাব্যথা উপশমে দারুচিনির উপকারিতাঃ মাথা ব্যাথা হলে দারুচিনি খান। 8-10টি দারুচিনি পাতা পিষে একটি পেস্ট তৈরি করুন। দারুচিনির পেস্ট মাথায় লাগালে ঠাণ্ডা বা গরমে মাথাব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। উপশম পাওয়ার পরে, পেস্টটি ধুয়ে ফেলুন।দারুচিনি তেল দিয়ে আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ঠান্ডাজনিত মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। সমান পরিমাণে দারুচিনি, তেজপাতা এবং চিনি মিশিয়ে নিন। চাল ধোয়া পানির সাথে পিষে একটি সূক্ষ্ম গুঁড়ো তৈরি করুন। নাক দিয়ে নিন। ❤️
13/11/2022
আসসালামু আলাইকুম💟
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন 😊
আজকে আমি আমার একটি প্রিয় ফল কমলালেবু নিয়ে আমার জানা গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস আপনাদের দিতে চাই😊😊
কমলা লেবু দেখতে যেমন চমৎকার এর পুষ্টিগুণও অনেক। গোলগাল আকৃতির এই ফলটি সবাই খেতে পছন্দ করেন। শীতের এই সময়ে বাজারে কমলালেবু বেশ সহজলভ্য। তাই কমলা লেবু খেতে খেতেই শরীরের জন্য করতে পারেন বেশ কিছু উপকার-
১. কমলা বা কমলা লেবুর রস অত্যন্ত পুষ্টিকর,অধিকাংশ রোগে পথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. কমলা খেলে খিদে বাড়ে, খাওয়ার রুচি ও শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৩. অনেক পরিশ্রমের পর অন্য খাবারের সঙ্গে কমলা খেলে ক্লান্তি দূর হয়।
৪. কমলা কৃমি দূর করতে সাহায্য করে।
৫. অন্যান্য লেবুর মতো কমলালেবুও শরীরে ভিটামিন-সি এর ঘাটতি পূরন করে।
৬. টক স্বাদের কমলা খেলে শরীরের চর্বি কমে।
৭. শরীরে বেশিমাত্রায় ও অনেক দিনের মেদ জমে থাকলে খুব একটা উপকার পাওয়া যায় না। তবে শরীরে সদ্য মেদ জমতে শুরু করলে, সেই মেদ ঝরিয়ে দেয় কমলা।
৮. কমলা রস করে খাওয়ার চেয়ে কোয়া খাওয়াই শরীরের পক্ষে ভাল।
তাই আমাদের সবার উচিত প্রতিদিন একটি করে কমলালেবু খাওয়া🥰🥰😊