One Cricket

One Cricket

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from One Cricket, Mymensingh.

ক্রিকেট দুনিয়ার সব খবর সবার আগে পেতে ""ওয়ান ক্রিকেট"" পেইজটি ফলো করুন
আমাদের খেলার অফিসিয়াল প্রথম পেইজটি ফলো করুন
https://www.facebook.com/share/1GrP3uCFQd/

23/04/2026

ভাগ্যের ছুয়ায় তরুণ বয়সেই ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছিলেন তরুণ তুর্কি আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া। অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া এই দায়িত্বটা ঠিকঠাক মতো পালন করতে পারবেন না। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। এমনকি আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়ার কিছু সিদ্ধান্ত অতীতের অনেক তোক্কারি নেতার চেয়েও বেশি সঠিক ছিল। বিশেষ করে ক্রিকেট বোর্ড ঢেলে সাজানোর যে চেষ্টাটা করেছিলেন সেটা ছিল অত্যন্ত জরুরি, সময়োপযোগী এবং কার্যকারী। কারণ আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া ক্রিকেট বোর্ডে আনতে চেয়েছিলেন দেশ প্রেমিক মানুষদেরকে। তিনি তার চেষ্টায় সফলও হয়েছিলেন। তার চাওয়াতেই ক্রিকেট বোর্ডে এসেছিলেন সবার প্রিয় ফারুক আহমেদ, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, আব্দুর রাজ্জাক, খালেদ মাসুদ পাইলট, আসিফ আকবর, এম নাজমুল ইসলাম, নাজমুল আবেদীন ফাহিমের মতো ক্রিকেট প্রেমী মানুষদেরকে। যেই বুলবুলকে দেশের সবাই চাইতো যেনো তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কাজ করেন, সেই বুলবুল ভাইকে এনেছিলেন আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া। আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া যদি এই উদ্যোগটা না নিতো তাহলে হয়তো কখনোই দেশের ক্রিকেট নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেতো না আমিনুল ইসলাম বুলবুল। স্বল্প সময়ের জন্য হলেও এই সব ক্রিকেট প্রেমী মানুষরা বিসিবিতে কাজ করতে পেরেছিলেন শুধু মাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়ার জন্যই। তাই বলা যায় বয়সে তরুণ হলেও ক্রিকেট নিয়ে আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়ার সিদ্ধান্ত গুলো ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা সিদ্ধান্ত।

22/04/2026

বাংলাদেশ ফুটবলের সবচেয়ে বড় সমস্যা একজন প্রপার স্ট্রাইকারের। জাতীয় দলে এখন পর্যন্ত অনেকেই খেলেছেন। কিন্তু মনে রাখার মতো কোনো স্ট্রাইকার কি আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ফুটবল পেয়েছে? না পায়নি। তবে সেই আক্ষেপ হয়তো কিছুটা গুছতে যাচ্ছে। কারণ বাংলাদেশের হয়ে খেলতে চান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ট্রেভর ইসলাম। যিনি মূলত একজন প্রপার স্ট্রাইকার। গোল করাতেও বেশ পারদর্শী। ট্রেভর ইসলামের জন্ম বাংলাদেশে না হলেও তার দাদা বাংলাদেশের। তাই ট্রেভর ইসলাম চাইলেই বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে বাফুফে যদি ট্রেভর ইসলামকে দলে‌‌ ভেড়াতে চেষ্টা করে তাহলে নিঃসন্দেহে ট্রেভর ইসলাম বাংলাদেশের হয়ে খেলবেন। কারণ বিভিন্ন সূত্রমতে ট্রেভর ইসলাম বাংলাদেশের হয়ে খেলতে আগ্রহী। এখন শুধু বাফুফে একটু হাতটা বাড়ালেই হবে। ট্রেভর ইসলাম ১২ আগস্ট ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মূলত পিতৃসূত্রে বাংলাদেশি যেমনটা উপরে বলেছি। ট্রেভর ইসলামের উচ্চতা প্রায় ১.৭৫ মিটার। ট্রেভর একজন প্রপার সেন্টার ফরোয়ার্ড বা স্ট্রাইকার। তিনি বাম পায়ে খেলতে বেশি পারদর্শী। বর্তমান ট্রেভর ইসলাম স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির হয়ে খেলছেন।

21/04/2026

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নাহিদ রানা একাই নিয়েছেন ৫ উইকেট। তাতেই এই গতি তারকাকে প্রশংসায় ভাসালেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার ও গতির রাজা শোয়েব আখতার। তিনি বলেন,

""দেখুন নাহিদ রানা পিএসএলে খেলার সময় আমি বলেছিলাম বাংলাদেশের হয়ে ক্রিকেট বিশ্বে রাজত্ব করবে নাহিদ। আমি বলেছিলাম হয়তো আমার গতির রেকর্ডও ছাড়িয়ে যেতে পারে নাহিদ। সেটারই যেনো একটা প্রমাণ দিলেন নাহিদ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নাহিদের ৫ উইকেট নেওয়া সেটাই প্রমাণ করে যে, সে সঠিক পথেই আছে। নিঃসন্দেহে আগামীর ক্রিকেট বিশ্বে রাজত্ব করবে নাহিদ। শুভকামনা আমার বাংলাদেশী ভাই।""

21/04/2026

সম্প্রতি ইরানের আইআরজিসি ভারতের দুটি জাহাজে হা'মলা করেছে। এই প্রসঙ্গে ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইরফান পাঠান বলেন ইরানকে মাটির সাথে মি'শিয়ে দিবে ভারতের সেনাবাহিনী।

21/04/2026

একজন ক্রিকেট ভক্তকে যদি প্রশ্ন করা হয় পারফরম্যান্স বিচারে বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের একাদশ থেকে এই মূহুর্তে কাকে বাদ দেওয়া উচিত? নিশ্চিত ভাবেই ঐ ভক্ত বলবেন মেহেদী হাসান মিরাজের কথা। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনছেন। পারফরম্যান্স বিচারে এই মুহূর্তে মেহেদী হাসান মিরাজ বাংলাদেশ দলের একাদশে থাকার যোগ্য নয়। কারণ মিরাজের বোলিংয়ে না আছে বৈচিত্র্য, না আছে কোনো বিশেষ ডেলিভারি। আর ব্যাটিং তো আরো ভয়াবহ। এই আধুনিক ক্রিকেটে এই রকম ডাল-ভাত অলরাউন্ডার দিয়ে দলের বিপর্যয় ছাড়া ভালো কিছু আশা করা যায় না। এই মডার্ন ক্রিকেটে অলরাউন্ডার হিসেবে খেলতে গেলেও ব্যাটিং, বোলিং দুইটাই সমানতালে করতে হবে। যেমনটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের নবাব সাকিব আল হাসান করতেন। এখন আসা যাক মূল পয়েন্টে। মিরাজকে বাদ দিয়ে কাকে নেওয়া উচিত দলে। আমি সবার প্রথমে যে নামটি সাজেস্ট করবো সেটা হলো শেখ মেহেদী। কারণ শেখ মেহেদীর বোলিং কিংবা ব্যাটিং দুইটাই মিরাজের চেয়ে অনেক ভালো। বিশেষ করে‌ বোলিংয়ের কথা বললে তো আরো বেশি। যেখানে মিরাজ একাদশে থাকলে একজন বিকল্প বোলারের চিন্তা করতে হয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। কারণ মিরাজের বোলিং সাদা বলের ক্রিকেটে অ্যাভারেজ মানের।

তাই বাড়তি চিন্তা থাকে মিরাজের বোলিং নিয়ে। কিন্তু শেখ মেহেদীর ক্ষেত্রে এমনটা হবে না। কারণ আমরা যারা বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্ত তারা কম বেশি সবাই জানি সাদা বলের ক্রিকেটে শেখ মেহেদী বাংলাদেশের সেরা স্পিনার। বোলিংয়ে ভ্যারিয়েশন ছাড়া ব্যাটারকে সহজে রিড করতে পারা কিংবা মাঝে মধ্যে চালাকি বোলিংয়ের মাধ্যমে ব্যাটারকে চাপে ফেলা সবকিছুতেই পারদর্শী শেখ মেহেদী। তাছাড়া ব্যাটিংয়ে ওপেনিং থেকে শুরু করে ফিনিশিং সব জায়গায় পারফেক্ট শেখ মেহেদী। ফিনিশিংয়ের জন্য মিরাজের চেয়ে ঢের এগিয়ে শেখ মেহেদী। এখন হয়তো অনেকেই প্রশ্ন করবেন তাহলে অধিনায়কত্ব কে করবে? আমার মনে হয় এখানেও বাংলাদেশের বিকল্প ভাবা উচিত। কারণ আধুনিক ক্রিকেটে শুধু ক্যাপ্টেন কোটায় কাউকে নেওয়া উচিত নয়। এক্ষেত্রে আমি মনে করি ওয়ানডেতে মোস্তাফিজুর রহমানকে অধিনায়ক করা যেতে পারে। আর সহঅধিনায়ক হিসেবে লিটন কুমার দাসকে রাখা যেতে পারে। ইনজুরি মুক্ত মোস্তাফিজ ওয়ানডে ক্রিকেটে অটো চয়েস। আর কোনো কারণে যদি ইনজুরির কারণে একাদশে না থাকেন ফিজ তাহলে অধিনায়কত্ব করবেন লিটন দাস। অনেকেই হয়তো বলবেন মোস্তাফিজ কখনো অধিনায়কত্ব করেনি। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই বিভিন্ন লিগে খেলে মোস্তাফিজুর রহমানের যে অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার মনে হয় বাংলাদেশ দলকে সে কন্ট্রোল করতে পারবে। তাই এই মুহূর্তে মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে দলে ঢুকানো উচিত শেখ মেহেদীকে।

20/04/2026

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ উইকেট নেওয়ার পর নাহিদ রানাকে প্রশংসায় ভাসালেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার শোয়েব আখতার।

20/04/2026

স্টিভ ওয়াহ হচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার। স্টিভ ওয়াহ ছিলেন একজন অলরাউন্ডার। আর এই দিকে আমাদের গতি দানব গদা সুজনও একজন বিশ্বমানের অলরাউন্ডার। কিন্তু তিনি‌ আজ পর্যন্ত একটা ছক্কা হাঁকাতে পারেননি। অথছো এই গদা সুজনকে নাকি স্টিভ ওয়াহ এর সাথে তুলনা করেছিলেন তারেক রহমানের ভাই আরাফাত রহমান কোকো। সম্প্রতি গণমাধ্যমে এমনটাই দাবি করেছেন গতি দানব গদা সুজন। গদা বলেন আরাফাত রহমান কোকো ভাই আমাকে বাংলাদেশের স্টিভ ওয়াহ বলেছিলেন। চিন্তা করা যায় এই গদা কত বড় মাপের তেলবাজ। আওয়ামীলীগ ও পাপনের বিদায়ে গদা সুজনও পল্টি মেরে এখন বিএনপি সেজে বসে আছে।

20/04/2026

বিসিবির নির্বাচিত সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডকে ভেঙে দিয়েছে খয়রাতি মন্ত্রী আমিনুল হক। গঠন করা হয়েছে অ্যাডহক কমিটি, যার সভাপতি তামিম ইকবাল খাঁন। আর বুলবুলের এমন বিদায় বাংলাদেশের জন্য ক্ষতি বয়ে আনবে এমনটাই মনে করেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভি। তিনি বলেন,

""দেখুন বুলবুল ভাইকে যেভাবে বিসিবি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এটা সত্যিই অন্যায়। বুলবুল ভাই একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান। তাছাড়া আইসিসিতে কাজ করার সুবাধে তিনি ক্রিকেটে বিস্তর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বুলবুলের বিদায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট।""

12/04/2026

ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পরই বুলবুলকে সরাতে উঠে পড়ে লাগে খয়রাতি মন্ত্রী আমিনুল হক। আর তার প্রক্রিয়া স্বরূপ বাংলাদেশ কেনো বিশ্বকাপ খেললো না এবং বিসিবি নির্বাচন নিয়ে একটা তদন্ত কমিটি গঠন করে আমিনুল হক। এর মূল কারণ হলো বুলবুলকে সরিয়ে তামিম ইকবাল খাঁনকে বিসিবি সভাপতি বানানো। কিন্তু বুলবুল যেহেতু নির্বাচিত সভাপতি তাই তাকে চাইলেও খয়রাতি মন্ত্রী সরাতে পারছিলেন না। তাই এই তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি রিপোর্টে কোথাও বিসিবি নির্বাচনের অসঙ্গতির কথা পাওয়া যায়নি। তদন্ত কমিটি শুধু এটা বলেছে বিসিবির গঠন তন্ত্রের কিছু ফাঁকফোকরের কারণে সেই সুযোগ গুলো কাজে লাগিয়েছে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া। তদন্ত কমিটি শুধু বিসিবির গঠন তন্ত্রের কিছু জিনিস ঠিক করার কথা সুপারিশ করেছে। অথছো খয়রাতি মন্ত্রী এটাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিসিবির আগের বোর্ডকে ভেঙে দেয়। তাছাড়া বিসিবির গঠন তন্ত্রে অ্যাডহক কমিটির কোনো নিয়ম না থাকলেও অ্যাডহক কমিটি গঠন করে সেটার সভাপতি করা হয়েছে তামিম ইকবাল খাঁনকে। এতে পরিষ্কার শুধু বুলবুলকে বাদ দিতে এবং তামিমকে সভাপতি করতেই এতো সব আয়োজন। খয়রাতি মন্ত্রী অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছিল ভালো কথা, কিন্তু তামিম ছাড়া কি দেশে আর কোনো লোক ছিলনা সভাপতি হওয়ার। এই ঘটনা এটাই বলে দেয় যে শুধু তামিমের ইশারায় বুলবুলকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

12/04/2026

বিশ্বকাপ না খেলা এবং বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিসিবির আগের বোর্ডকে ভেঙে দিয়েছে ফাটাকেষ্ট মন্ত্রী আমিনুল হক এর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। এই প্রসঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভি বলেন,

""বুলবুলের বোর্ড ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলেছে এটাই তাদের অপরাধ। তাদের অপরাধ তারা মোস্তাফিজুর রহমানের অপমানের জবাব দিতে ভারতে যায়নি বিশ্বকাপ খেলতে। তাই ভারতের ইশারায় বুলবুলের বোর্ডকে‌ ভেঙে দিয়েছে সরকার। আইসিসি তো ফিফা নয় যে তারা এর তদন্ত করবে। আইসিসি হচ্ছে ভারতের তাই এটা কোনো বিষয় নয়। আর ভারতের ইশারায় তামিমকে সভাপতি করেছে একটা মহল‌।""

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Mymensingh
2410