K.P. sports CLUB

K.P. sports CLUB

Share

K.P. sports CLUB That means (Khordonow Para sports club).

04/05/2026

আজ আমাদের মাঠের পানির সমস্যা দূর করতে Siam ও Al-Amin দারুণ উদ্যোগ নিয়েছে 💪
নিজেদের পরিশ্রমে ড্রেন কেটে পানি সরানোর কাজ করেছে—❤️
KP Sports Club সবসময় এমন উদ্যোগকে সম্মান জানায়। 👏

01/05/2026

Every win starts with a strong plan 💯

Photos from K.P. sports CLUB 's post 30/04/2026

🌧️ বৃষ্টির কারণে KP Sports Club এর মাঠে পানি জমে গেছে।
মাঠটা আবার খেলাযোগ্য করতে হলে আমাদের সবার একসাথে কাজ করা খুব দরকার।
তাই ক্লাবের সকল সদস্য, খেলোয়াড় এবং এলাকার ভাইদের কাছে জানতে চাই—
👉 কোন দিন এবং সময় কাজ করলে সবার জন্য ভালো হবে?
আপনাদের মতামত কমেন্টে জানান।
সবার সুবিধামতো সময় ঠিক করে আমরা একসাথে মাঠ ঠিক করবো ইনশাআল্লাহ ❤️
আমাদের একতা, আমাদের শক্তি!
Play together, win together!

30/04/2026

KP Sports Club মাঠ কাঁপাচ্ছে Himel! 💪

24/04/2026

Clean bowled! Kawser couldn’t handle Tanvir’s delivery! 🏏

17/05/2025

Kp Sports Club-এর ছেলেরা লড়েছে

03/05/2025

আজকে মাঠে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, আমরা ভেবেছিলাম আজকে আর খেলা সম্ভব না, কিন্তু ফুহাদ একা পরিশ্রমে মাঠ প্রস্তুত করেছে এবং খেলার উপযোগী করে তৈরি করেছে. আমরা ফুয়াদকে আমাদের ক্লাবের পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই

02/05/2025

গল্পের শিরোনাম: "ফিরে এসো শাওন"

এক সময় আমাদের গ্রামের ক্রিকেটে এক স্বর্ণালী অধ্যায় ছিল। মাঠে নামলেই প্রতিপক্ষ দল কাঁপতে শুরু করত—কারণ ওপেনিংয়ে নামত শাওন ও তারেক। শাওনের ব্যাটে যেন যাদু ছিল। প্রথম বল থেকেই যেন বলকে বলেন, "তুই বাউন্ডারির বাইরে যা।" আর তারেক ছিল ছায়ার মতো, ঠাণ্ডা মাথায় ম্যাচের ভিত গড়ে দিত।

ওয়ান ডাউনে নামত কাউসার। দল যখন চাপে থাকত, কাউসার তখন ইঞ্চি ইঞ্চি করে ম্যাচ নিজের করে নিত। মিডল অর্ডারে আকাশ ছিল দলকে ভরসা দেওয়ার প্রতীক, আর ম্যাচ ফিনিশ করত সাহেদ। তার ছক্কাগুলো এখনো অনেকেই রাতের স্বপ্নে দেখে।

বোলিংয়ে তো যেন মেঘনাদ, ঘূর্ণি ও বজ্রপাত একসঙ্গে। সাহেদের সুইং, মামুনের বাউন্সার, খোকনের স্পিন আর তারেকের ইয়র্কার—সবকিছু মিলিয়ে পুরো এক বিধ্বংসী বোলিং লাইনআপ। আমাদের গ্রামে তখন ক্রিকেট ছিল ধর্ম, আর শাওন ছিল তার পূজার পুরোহিত।

কিন্তু একদিন হঠাৎ করেই সেই আলো নিভে গেল। শাওন বিদেশ চলে গেল—ভবিষ্যতের জন্য, নিজের উন্নতির জন্য। আমরা বুঝি, ওর সিদ্ধান্ত ভুল ছিল না। কিন্তু তবুও ওপেনিং জুটিতে এক ফাঁকা জায়গা রয়ে গেল। অনেকেই এসেছে, চেষ্টা করেছে, কিন্তু শাওনের মতো কেউ পারেনি।

তারেক এখনো মাঠে নামে, কিন্তু একা। প্রতিপক্ষ দল জানে, এখন ভয় নেই। আমাদের দলে অভাব নেই প্রতিভার, অভাব নেই ইচ্ছের—কিন্তু নেই শাওনের মতো একজন আত্মবিশ্বাসী সূচনাকারী। মাঝেমধ্যে মাঠের এক কোণে সবাই চুপ করে বসে থাকে, শাওনের সেই কভার ড্রাইভের কথা মনে করে।

তবুও আমরা আশাবাদী। বিশ্বাস করি, একদিন আবার হঠাৎ করে হাটের মোড়ে দেখা মিলবে শাওনের। সে হাসবে, বলবে, “চলো আবার মাঠে নামি।” মাঠে আবার শোনা যাবে দর্শকদের চিৎকার, “শাওন ভাই, মারো একটা ছক্কা!”

শাওন, এই গল্প তোমার জন্য। ফিরে এসো, শুধু আমাদের নয়—গ্রামের ক্রিকেটের স্বপ্নটা আবার জাগাতে।

02/05/2025

**গল্পের নাম: "শাহেদের অভ্যুত্থান"**

শাহেদ—নামটা শুনলেই গ্রামের সবার চোখে ভেসে উঠত এক দুর্দান্ত ক্রিকেটারের ছবি। ব্যাটিং হোক বা বোলিং, সবেতেই সমান পারদর্শী। এক কথায়, সে ছিল গ্রামের সেরা অলরাউন্ডার। তার খেলা দেখার জন্য আশপাশের গ্রাম থেকেও মানুষ ছুটে আসত।

কিন্তু হঠাৎ করেই সব কিছু বদলে গেল।

কয়েকটা ম্যাচে পারফর্ম করতে না পারায় আত্মবিশ্বাসে ভাটা পড়ল। তার উপর অনুশীলনের সময় হঠাৎ করে পা ভেঙে গেল। পুরো গ্রাম যেন স্তব্ধ হয়ে গেল খবরটা শুনে।

শাহেদ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকত আর ভাবত, “সব শেষ। আর কিছুই সম্ভব না।” সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিল—এই খেলাধুলা থেকে এবার সরে দাঁড়াতে হবে।

তবে একজন সেটা মেনে নিতে পারেনি—তারেক। সে শুধু শাহেদের সতীর্থ ছিল না, ছিল তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু। একদিন সকালে হেঁটে গিয়ে হাজির হল শাহেদের বাড়িতে।

চোখে চোখ রেখে বলল,
“তুই না থাকলে খেলার মানে থাকছে না রে কাকু। তুই ছাড়া মাঠটা ফাঁকা ফাঁকা লাগে। আমরা সব ম্যাচ হেরে যাচ্ছি, শুধু তোর অভাবে। তুই ফিরে আয়, প্লিজ।”

তারেকের কথাগুলো যেন আগুনের মতো জ্বালিয়ে দিল শাহেদের হৃদয়ে। অদ্ভুত এক শক্তি অনুভব করল সে। আবার শুরু করল অনুশীলন, ধীরে ধীরে হাঁটতে শিখল, ব্যাট ধরল, বোলিংয়ে ঘূর্ণি ফেরাল।

অবশেষে প্রতিযোগিতার মাঠে ফিরে এল সে। প্রথম ম্যাচেই দেখিয়ে দিল তার নতুন রূপ—ব্যাটে ৭৫ রান, বল হাতে ৪ উইকেট! পরের ম্যাচে আরও ভালো পারফর্মেন্স।

শাহেদ শুধু ফিরে আসেনি—সে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী, বেশি পরিণত, আর ভয়ঙ্কর এক ক্রিকেটার হয়ে উঠেছে। এখন সে আবার গ্রামের সেরা অলরাউন্ডার—তবে এবার শুধু প্রতিভা দিয়ে নয়, মনোবল আর প্রত্যাবর্তনের গল্প দিয়েও।

গ্রামের ছোট ছেলেরা এখন বলে, “শাহেদ ভাইয়ের মতো খেলোয়াড় হওয়ার আগে, শাহেদ ভাইয়ের মতো লড়াকু হতে হবে।”

02/05/2025

**গল্পের নাম: হারিয়ে যাওয়া ছায়া — বাবুয়া আরিফের গল্প**

গ্রামের মাঠজুড়ে একসময় শুধু একটাই নাম শোনা যেত—**বাবুয়া আরিফ**। ছেলেটার ব্যাট থেকে যেন শব্দ না, আগুন বের হতো। ছোট্ট বয়সেই টানা পাঁচটা হাফ-সেঞ্চুরি করে সে পেয়েছিল “গ্রামের কোহলি” তকমা। সবাই বিশ্বাস করত, একদিন আরিফ জেলার হয়ে খেলবে, হয়তো আরও দূর যাবে।

কিন্তু তার জীবনে এল প্রেম।

একটা মেলার দিনে পাশের গ্রামের এক মেয়ের সাথে দেখা। ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব, তারপর প্রেম। আরিফ বদলে যেতে লাগল—প্র্যাকটিসে ফাঁকি, ম্যাচে অনিয়ম, কোচের উপদেশে কান না দেওয়া। কিন্তু প্রেমটা টিকল না। হঠাৎ একদিন মেয়েটা জানিয়ে দিল—সব শেষ। আরিফ ভেঙে পড়ল।

প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে আরিফ হারিয়ে গেল এক অন্ধকারে। শুরু করল সস্তা নেশা, বন্ধ করল খেলাধুলা। গ্রামের মাঠ তার ছাড়া ফাঁকা লাগত, তবু সে আর ফিরে আসত না। একসময় সবাই তাকে ভুলে গেল, নতুন খেলোয়াড় এল, নতুন নাম ছড়াল।

একদিন গ্রামের ছোট্ট এক ছেলে মাঠে বল নিয়ে আসল। বলটা সোজা গিয়ে পড়ল বাবুয়া আরিফের পায়ে, যে তখন এক কোণে বসে নেশার ঘোরে ডুবে ছিল। ছেলেটা বল তুলতে এসে বলল,
“আপনি না একসময় আমাদের সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন? একটা শট দেখান না দাদা!”

আরিফ কিছুক্ষণ চুপ করে রইল, তারপর হঠাৎ বলল,
“একটা বল কর তো…”

ছেলেটা বল করল। আরিফ কাঠের টুকরো দিয়ে এমন এক শট মারল, যেটা দেখে আশেপাশে থাকা সবাই থমকে গেল। বলটা মাঠের বাইরে গিয়ে পড়ল।
কিন্তু এ ছিল শেষ শট।

তারপর সে উঠে দাঁড়াল, ছেলেটার কাঁধে হাত রেখে বলল,
“ভুল কোরো না… খেলাটাকে কখনো হারিয়ে ফেলো না কারো জন্য। আমি ফিরে আসতে পারলাম না। কিন্তু তুই পারবি।”

**বাবুয়া আরিফ আর কখনো মাঠে ফিরল না**, কিন্তু তার সেই এক শট আর কথাগুলো থেকে গেল গ্রামের প্রতিটি উঠতি খেলোয়াড়ের মনে—একটা আক্ষেপের গল্প হয়ে।

02/05/2025

গল্প: খোকন মাস্টারের গতি হারানো

খোকন মাস্টার, একসময় গ্রামের ক্রিকেট দলের কিংবদন্তি বোলার ছিলেন। তার বল ছিল এক সময় বিরাট বিপদ, প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানরা তার গতির কাছে ভয়ে কাঁপত। তবে এখন আর সেই আগের মতো গতি নেই, তার বল হালকা হয়ে গেছে।

প্রতিদিন সকালে মাঠে এসে খোকন মাস্টার মনের মধ্যে একটা বিষন্নতা নিয়ে বোলিং শুরু করতেন। বয়স ৪০-এর কোঠায় পৌঁছানোর পর তার শরীর আর আগের মতো ছিল না। কাঁধে ও পিঠে পুরনো চোটের ধকল ছিল। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল তার গতি—যে গতি একসময় বোলিং অ্যাকশন থেকে বেরিয়ে আসত, সেটি এখন প্রায় হারিয়ে গেছে।

একদিন মাঠে এসে খোকন মাস্টার তার দলের নতুন পেস বোলারদের সাথে বল চালাচ্ছিলেন। তরুণরা তার সামনে বল করতে করতে তার পাশ দিয়ে হাঁটছিল, তাদের বলের গতি ও শক্তি দেখে খোকন মাস্টারের চোখে অদৃশ্য এক দুঃখের ছায়া পড়লো।

"খোকন কাকু, আপনি কি আর আগের মতো বল করতে পারেন না?"—একদিন নতুন বোলার আদর জিজ্ঞাসা করেছিল। খোকন মাস্টার কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকলেন, তারপর বললেন, "না আদর, বয়স একটু বাড়ছে তো, শরীর আর আগের মতো নেই। গতিও কমে গেছে।"

এটা তার জন্য এক ধরণের বাস্তবতা ছিল, কিন্তু তার মন এখনও যুবক ছিল। একসময়, খোকন মাস্টারের মনে একটা চিন্তা এল। সে মনে করল, "যদি আমি শুধু গতির জন্যই ক্রিকেট খেলি, তবে আমার ক্রিকেটের আসল আনন্দ কোথায়? আমার তো অনেক কিছু শিখানোর আছে, অনেক অভিজ্ঞতা আছে।"

অভিজ্ঞতার শক্তি

অবশেষে খোকন মাস্টার সিদ্ধান্ত নিলেন, তিনি আর গতি নিয়ে চিন্তা করবেন না। তবে তার খেলা থেকে তাকে কিছু শেখাতে হবে। সেদিন থেকে খোকন মাস্টার মাঠে এসে তার নতুন দলের জন্য টেকনিকাল টিপস, মনের শক্তি, এবং বোলিং ভ্যারিয়েশন নিয়ে কাজ শুরু করলেন। তিনি জানতেন, বয়সের সাথে গতি কমে যাওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু অভিজ্ঞতা কখনো হারানো যায় না।

অফস্পিন, স্লোয়ার বল, বাউন্সারের কৌশল—এসব বিষয় খোকন মাস্টার নিজের দলের জন্য শিখিয়ে দিতে লাগলেন। নতুন বোলাররা তার কাছ থেকে শিখতে থাকল, এবং একদিন আদর , যে কখনো ভাবতেও পারেনি, খোকন মাস্টারের কাছে শিখে নিজের বোলিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল।

শান্তি ও আত্মবিশ্বাস

আজও খোকন মাস্টার মাঠে আসেন, কিন্তু তার উদ্দেশ্য বদলে গেছে। এখন তিনি শুধু গতি নিয়ে ভাবেন না, বরং মাঠে অভিজ্ঞতার শক্তিতে গর্বিত। সুতরাং, যখনই মাঠে আসে, তার দলের খেলোয়াড়রা জানে—খোকন মাস্টারের গতি হয়তো কমে গেছে, কিন্তু তার শিখানোর ক্ষমতা আগের মতোই শক্তিশালী। এবং সেই শক্তি দিয়ে তিনি দলকে জয়ী করতে সাহায্য করেন।

এই গল্পে খোকন মাস্টার গতি হারালেও তার অভিজ্ঞতা ও মনোযোগের মাধ্যমে তিনি অন্যদের শেখাতে থাকেন। মনে রাখবেন, গতি কমে গেলেও একেবারে কিছুই হারানো যায় না—অভিজ্ঞতা, আত্মবিশ্বাস এবং শেখানোর আগ্রহ সবসময় তাকে তার নতুন পথ দেখিয়ে যায়।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Narsingdi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Khordonow Para, Madhabdi
Narsingdi
1604