26/08/2025
মৃত্যু
রাতের নিস্তব্ধতা আমার লেখার সাথী।
26/08/2025
মৃত্যু
06/08/2025
মায়ের একটা ছোট্ট মিথ্যাতেই বদলে গিয়েছিল বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের পুরো জীবন..
একদিন ছোট্ট টমাস স্কুল থেকে ফিরে এসে তার মাকে একটি চিঠি দেয়। সে মাকে বলে: "মা, আমার শিক্ষকরা এই চিঠিটা তোমাকে দিয়েছে। বলেছে, তুমি পড়বে।"এডিসনের মা, ন্যান্সি এলিয়ট, চিঠিটি খুলে পড়লেন। পড়ে তিনি চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না। ছেলে উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞেস করলো, “চিঠিতে কি লেখা আছে মা?” মা হাসিমুখে বললেন:
"তোমাকে নিয়ে আমি খুবই গর্বিত বাবা। তোমার শিক্ষকরা লিখেছে: ‘আপনার ছেলে একজন জিনিয়াস। আমাদের ছোট স্কুলে তার মতো প্রতিভাধর ছেলেকে শেখানোর জন্য যথেষ্ট শিক্ষক নেই।অনুগ্রহ করে আপনি নিজেই তাকে শিক্ষা দেয়ার দায়িত্ব নিন।’"
এরপর থেকে এডিসনের মা নিজেই তাকে ঘরে পড়ানো শুরু করলেন। তিনি কখনো তার ছেলেকে ছোট করে দেখেননি। তার ভেতরের বিশ্বাস ছিল—ছেলেটি একদিন বড় কিছু করবে।কারণ নিজের ছেলেকে তিনি খুব ভালোভাবেই চিনতেন, বুঝতেন।
এবং ঠিক তাই-ই হলো। টমাস আলভা এডিসন হয়ে উঠলেন পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবক—যার নামের পাশে আছে ১০০০টির বেশি পেটেন্ট। বৈদ্যুতিক বাল্ব, ফোনোগ্রাফ, মুভি ক্যামেরার মতো যুগান্তকারী আবিষ্কারগুলো এসেছিল তার হাত ধরেই।
অনেক বছর পর, মা মারা যাওয়ার পর, এডিসন পুরনো জিনিস ঘাঁটতে গিয়ে সেই চিঠিটি খুঁজে পান। তখন তিনি কাঁপতে কাঁপতে চিঠিটি খুলে পড়েন। সেখানে লেখা ছিল:
"আপনার ছেলে মানসিকভাবে দুর্বল (mentally ill)। দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমরা ওর মত কোন নির্বোধকে আর আমাদের স্কুলে রাখতে পারছি না।"
চিঠিটি পড়ে এডিসনের চোখে পানি চলে আসে। সাথে সাথে তিনি নিজের ব্যক্তিগত ডায়েরির শেষ পৃষ্ঠায় লিখলেন :
"টমাস আলভা এডিসন ছিল একজন মানসিকভাবে দুর্বল ছেলে, যাকে তার মা নির্বোধ থেকে একজন জিনিয়াসে রূপান্তরিত করেছিলেন।"
একবার ভাবুন তো, এডিসনের মায়ের স্থানে আপনি বা আমি থাকলে কি করতাম? হয়তো সাথেই চর-থাপ্পড় দিয়ে ছেলেকে বলতাম, "তোর মত গর্দভের কারণে আমার আর মান-সম্মান থাকলো না রে"...। অথবা হয়তো রাগ করে ছেলের সাথে কথা বলাই বন্ধ করে দিতাম আর মনে মনে ছেলের নির্বুদ্ধিতার জন্য আফসোস করতাম। কিন্তু এডিসনের মা গতানুগতিক ছিলেন না। হয়তো প্রতিটি অসাধারণ মানুষের পেছনেই এমন একজন অনন্যসাধারণ মা/বাবা থাকেন । সত্যি বলতে, একজন ভালো অভিভাবক হওয়ার জন্য নিজের বড় বড় প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি থাকার দরকার হয়না, শুধু দরকার সঠিক জীবনবোধ ও দূরদ
05/03/2025
-🥀নিজেকে নিজেই সামলাতে শেখো, যা দেখছো সবটাই মোহমায়া ,বাকিটা প্রয়োজন আর স্বার্থ!! আর মানুষ?? সে তো আবহাওয়া ! 🥀😊
05/03/2025
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দূরত্ব কোনটি জানো?
নাহ, জীবন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, উত্তরটা সঠিক নয়। সবচেয়ে বড় দূরত্ব হলো যখন আমি তোমার সামনে থাকি, কিন্তু তুমি জানো না যে আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি।
___রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
🍂_____
--মানুষ তার জীবনের একটি বড় অংশ ‘অপেক্ষা’ করে কাটিয়ে দেয়। জীবনের জন্য অপেক্ষা, জীবন পেলে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা। উপেক্ষার জন্য অপেক্ষা, অপেক্ষার জন্য অপেক্ষা। আক্ষেপের অপেক্ষা।
রাতের আকাশের চাঁদ, চাঁদের পাশের ধ্রুবতারা, দিনের সূর্য, নক্ষত্র, চন্দ্রের গ্রহণ, সূর্যের গ্রহণ, আকাশ, অবকাশ, নিরবে থাকা মহাকাশ— ধ্রুবতারার পাশে জ্বলজ্বল করে জ্বলতে থাকা একটুকরো নিমের ডাল। সে ডালের পাতা! সবাই অপেক্ষা করে থাকে।
শতবছরের প্রতীক্ষা 💖💖
siter abohawwa
26/12/2024