Emran YT FF
Free fire
আমার বৌ এর রান্না ভালো ছিলো না😭
ওর রান্নায় কোনদিন নূন কম হত তো কখনো মশলার গন্ধ করতো।
আম্মা অনেক চি'ল্লা'ইতো।
আম্মার কমন ডায়লোগ ছিলো -
এইডি কি রান্ধো?
খাওন যায় না।
আমি মই'রা গেলে আমার পোলার তো না খায়া ম/রা লাগবো।
ও যখন রেগে রেগে আমাকে জিজ্ঞাসা করতো
- কি রান্না কেমন হইসে? খাওন যায়?
আমি খুব নরম স্বরেই বলতাম
- হুম যাবে না কেন?
ভ'য় পাইতাম কিনা জানিনা। কেন মিথ্যা বলতাম তাও জানিনা।
চাইলে বলতে পারতাম
- এমনে না ওমনে রান্না কইরো।
তাহলে ভালো হবে।
কোনদিন বলি নাই।
একদিন অফিসে খাবারের বাটি খোলার সাথে সাথে খুব সুন্দর ঘ্রাণ আসলো।
বিয়ের ৭ মাসে এই ঘ্রাণ আমি ওর রান্নায় পাই নাই।
সেদিন খাবার এত মজা হইসিলো যে আমাকে আরো ২ প্লেট খেতে দিলে খেয়ে ফেলতে পারতাম।
আবেগ ধরে রাখতে না পেরে ওকে ফোন করলাম। হয়ত বলা উচিৎ ছিলো
- আজ রান্না অনেক দারুন হইসে।
এমনে রান্না কইরো।
কিন্তু প্রশংসা করলাম না।
আমার কাছে জিনিসগুলা খুব বিব্র'তকর লাগতো।
স্বামী আবার স্ত্রীকে থ্যাঙ্কস , সরি , প্রশংসা কেন করবে?
রান্নাটা তার ডিউটি। ভালো করলে প্রশংসা করাটা আমার ভালো লাগে না।
আমি ফোন করে বললাম
- কই আজকে না মার্কেটে যাইতে চাইসিলা?রেডি হয়ে আমার অফিসে ৫ টার সময় চলে আইসো।
বৌ ব্যাপক খুশি হয়ে গেলো।
আচ্ছা বলে ফোনটা রেখে দিলো।
আমি অফিস শেষ করে ঘড়ির কাটায় দেখলাম ৫.১০ বাজে।
ফোন দিলাম।
ফোন রিং বাজে কেউ ধরে না।
ফোন দিতেই থাকলাম।
ফোন বাজতেই থাকলো।
কোন খবর নাই।
আম্মা কে ফোন দিলাম পরে শুনলাম ও অনেক আগেই বাসা থেকে বের হয়ে গেছে।
৬ টা বেজে গেলো।
অস্থির লাগা শুরু করলো।
এদিক সেদিক খোঁজ করা শুরু করলাম।
হাতে ফোনটা দিয়ে কল দিয়েই যাচ্ছি। এরপর একজন ফোন ধরলো।
দৌড়ে গেলাম আয়েশা মেমরিয়াল হাসপাতালে। মহাখালীর ফ্লাইওভার পার হওয়ার সময় বাসের চাপা খেয়েছে বৌ আমার।
পা দুইটা নাকি ঐখানেই ঝুলতেসিলো।
ফোন ধরলো এক সার্জেন্ট … সে ই বললো।
এতক্ষণ ফোনটা তারা খেয়াল করে নাই।
তাই রিসিভ করতে পারে নাই।
যত দ্রুত সম্ভব গেলাম।
আমাকে দেখতে দেয় না ডাক্তাররা। বারবার অনুরোধ করলাম। দিলোনা। বলল
- এত মু'মূ'র্ষু অবস্থায় আপনি দেখতে পারবেন না।
৪ ঘন্টা পর তখন রাতের ১২.৩০ টা বেজে গেছে।
ঢাকায় যত আত্মীয় ছিলো সবাই চলে আসলো।
আমাকে ডাক্তার ডেকে বলল
- পা তো আমরা কে'টে ফেলেছি। র'ক্ত অনেক গিয়েছে। জ্ঞান নেই। আসলে আপনে দেখে আইসেন।
ভোর হয়ে গেলো
"ভাবী ভাত রান্না করোনি?"
ভাবী বসে টিভি দেখছিলো। আমার কথায় চোখ মুখ কালো করলেও, তা প্রকাশ না করে বললো,
"আসলে মেঘ ফ্রিজে অনেক ভাত তাই ভাত বেশি রাঁধিনি। তোমার ভাই খেয়ে গেছে আর অল্প ভাত ছিলো সেইটা আমি খেয়ে নিয়েছি। তুমি বরং ফ্রিজের থেকে ভাত নামিয়ে গরম করে খেয়ে নাও।"
আমি হেসে বললাম,
" ঠিকি করেছো ভাবী। এতো ভাত ফ্রিজে রেখে অল্প ভাত রান্না করাতে ভালোই হয়েছে। নয়তো নষ্ট হতো।"
ফ্রিজ থেকে ভাত বের করেছি। ভাতগুলোতে পানি জমে গেছে। অনেকদিন আগের ভাত। তাও গরম করে কষ্ট করে খেয়ে নিয়েছি। যদিও নষ্ট ছিলো ভাতগুলো। তবে পেট কি আর শূন্যতা মানে?
ভাইয়া অফিস থেকে আসতেই ভাইয়ার কাছে গেলাম। বললাম,
"ভাইয়া স্যার বলেছে কলেজের বেতন দিতে।"
ভাইয়া চারিদিকে তাড়াতাড়ি চোখ বুলিয়ে আমার হাতে কিছু টাকা গুঁজে দিয়ে বললো,
" নে মেঘ তোর বেতন। তাড়াতাড়ি যাহ। গিয়ে পড়তে বস।"
"আমার থেকে লুকিয়ে বোনকে বেতন দাও তাইনা? আমি একটা জিনিস চাইলে টাকা নেই, এই নেই,সেই নেই। এখন এতো টাকা কোত্থেকে আসে শুনি?"
"আস্তে কথা বলো রাই। মেঘ শুনতে পাবে।"
" শুনলে শুনুক। বলেছিলাম তোমায় ভালো বিয়ে আসছে..বিয়ে দিয়ে দাও। কিন্তু তুমি! আমার কথা শুনতেই চাচ্ছোনা।"
"মেঘ পড়াশোনা করতে চাই রায়। আমার একটাইতো বোন..."
আর শুনতে পারলাম না। ভাবীদের রুমের বাইরে থেকে চলে এলাম নিজের রুমে। চোখে পানি টলমল করছে। গিয়েছিলাম পানি আনতে। ভাবীর ঘর পেরিয়ে যেতে হয়। আসার সময় এইসব শুনবো কল্পনাও করিনি। মা-বাবা ভাইয়ার কাছে আমাকে দিয়ে মুক্ত হয়ে গেলো কিন্তু আমিতো ভালো নেই..একদম ভালো নেই। চোখের পানিটুকু মুছে বললাম,
" ব্যাপার না..আমার সাথে এ আর নতুন কি?!"
অ
পৃথিবীর ইতিহাসে কেউ কারো জন্য এত কাঁদেনি😭😭😭, হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার উম্মতের জন্য যতটা কেঁদেছেন😭😭😭😭😭 আমিন🤲🤲🤲🤲
আমার বিয়ের সাতমাস পর আমার শ্বাশুড়ি ঢাকায় এলেন চিকিৎসা করাতে। আমি যথারীতি মাথায় কাপড় দিয়ে ওনাকে সালাম করতে গেলাম। উনি পা সরিয়ে নিলেন।
অপরাধ, আমি শ্যামা। উনি দুধে আলতা মেশানো অপরূপ সুন্দরী।
আমাদের দেশে সুন্দরী বলতে ধবধবে ফর্সা রং। শরীরে স্বাস্থ্য ভারি। মুখের আদল সেটা নাইবা বললাম।
খুব ভয় পেয়ে গেলাম। আমি তখন এইচএসসি পাশ করেছি। পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি। একহারা গঠন। এক ঢাল চুল।কৃষ্ণকলি।
এত সৌন্দর্য ম্লান হয়ে গেলো রংএর কাছে।
আমরা দুজন দুজনকে ভালোবেসেছিলাম।পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়েছিলো।
ওদের তরফ থেকে আমার শ্বশুর আর কয়েকজন আত্মীয় এসেছিলেন।
প্রতিটি বেলা আমি আতংকিত থাকতাম।শ্বাশুড়ি মা কথা বলতেন না। অবহেলা করতেন।
আম্মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী সেবা করতাম।এমন কি তিঁনি মাঝে মাঝে একা বাথরুমে যেতে পারতেন না।
ওনার গোসল, কাপড় পরিয়ে বিছানায় শুইয়ে দেয়া। মুখে করে খাইয়ে দেয়া। সময়মত ঔষধ খাওয়ানো সব কাজ করে দিতাম।
শিশির মানে আমার স্বামী মহা খুসি আমার আচরণে।
এত কষ্ট করতাম কিন্তু আম্মার মন গলতো না। আমি তাতে কিছু মনে করতাম না। মা তো, একদিন না একদিন বুকে টেনে নেবেন।
অসুখ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেলো। বাড়ি থেকে আমার ননদ চলে এলো। সেও মায়ের আদল রং পেয়েছে। এবার এসএসসি দিয়েছে। সেও মায়ের চেয়ে একহাত বেশি।
প্রথমেই ভেবে নিলো আমি কাজের বুয়া। কথায় কথায় আদেশ। অবাক হতাম ওর আচরণ দেখে! কিছুই মনে করতাম না।
আমার ভালোবাসা দিয়ে সবার মন জয় করবো। আমার বাবা-মাকে কিছু জানাতাম না।আস্তে আস্তে আম্মা সুস্থ হলেন।
মাঝেমাঝে আমাকে এটা সেটা আনতে বলতেন। বৌ পানি দাও,বৌ ওয়াসরুমে যাবো এই এতটুকু।
রাতে খুব কাঁদতাম। শিশির সব বুঝতো। শুধু কাছে টেনে নিয়ে বলতো,আর ক'টা দিন মা সুস্থ হয়ে গেলে চলে যাবেন।
ওনার খাবার রুটিন চার্ড দেখে অবাক হতাম। আমার মা'কে দেখেছি। সকালে উঠে সবার নাস্তা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। আসলে মা কখন নাস্তা করতেন জানি না।
আমরা তিন ভাইবোন, বাবা। আমরা পড়তে বসে যেতাম। বাবা অফিসে যাবার প্রস্তুতি নিতেন। ওই সময়ের মধ্যে বাবা দুপুরের খাবার। আমাদের স্কুলে - কলেজে যাবার তাড়া।মা প্রচন্ড ব্যস্ত।
একটা বুয়া আছে।তবুও মা'য়ের ব্যাস্ততা
কমতো না।
শ্বাশুড়ি মা ফজরের নামাজ পড়ে ভোরে একগ্লাস দুধ আর দু'টো বিস্কুট। এরপর আটটায় গরম ভাত,সাথে ডাল, সবজি।
আম্মাকে খাওয়ানো পর ঔষধ দিতাম।সকালেও ঔষধ খাওয়াতাম। উনি ন
বল্টুকে ধমক দিয়ে বললেন শিক্ষিকাঃ এই! ক্লাসে ঘুমাচ্ছ
কেন?’
,
বল্টুঃ ম্যাডাম, আপনার কণ্ঠস্বর এতই মধুর, শুনলেই আমার ঘুম এসে
যায়!
,
শিক্ষিকা : তো বাকিরা কেউ ঘুমাচ্ছে না কেন?
,
বল্টু : কারণ, ওরা আপনার কথা শুনছেই না!
,
শিক্ষিকা বল্টুর ওপর খুব খে/পে গেলেন।
হাতের স্কেলটা বল্টুর দিকে ই/ঙ্গিত করে বললেন
,
শিক্ষিকাঃ এই স্কেলের এক প্রান্তে একটা গর্দভ দাঁড়িয়ে
আছে।’
,
বল্টুঃ কোন প্রান্তে ম্যাডাম?’
এই প্রান্তে না ওই প্রান্তে।
,
ম্যাডাম রেগে আগুন
।
।
শিক্ষিকা: বল্টু আচ্ছা জলেতে বাস করে এমন পাঁচটি প্রাণীর নাম
বল?
,
বল্টুঃ ব্যা/ঙ।
,
শিক্ষিকা: আর বাকি চারটা?
,
বল্টুঃ ব্যা/ঙের মা, বাবা, বোন আর প্রেমিকা।
,
শিক্ষিকাঃ আচ্ছা তুই বড় হয়ে কি হবি বলতো?
,
বল্টুঃ (খুব লাজুক ভাবে)আমি বড় হয়ে গো/য়ে/ন্দা হব!
,
,
শিক্ষিকাঃ (চমকে উঠে)কী তুই গো/য়েন্দা হবি?
,
বল্টুঃ আপনি জানেন? আমি এখন থেকে
গো/য়ে/ন্দাগীরি করি।
,
শিক্ষিকাঃ তা কার উপর গ/য়ে/ন্দা গীরি করিস শুনি?
,
বল্টুঃ কেন মা বাবার উপর।
,
শিক্ষিকাঃ(চমকে উঠে) মানে?
,
বল্টুঃ হ্যাঁ মা বাবা ঘুমিয়ে পড়ে আর আমি জেগে থাকি।
,
শিক্ষিকাঃ কেন?
,
বল্টুঃ একদিন ঘুমিয়ে ছিলাম কেস খতম
অর্ধেক সম্পত্তি হাত ছাড়া।
,
শিক্ষিকাঃ কেন কিভাবে?
,
বল্টুঃ আমার একটা ভাই হয়ে গেলো।
শিক্ষিকাঃ বেহুস।
যারা আইডি ফলো না করে গল্প পড়ছেন তাঁদের বলছি আইডি ফলো করেন আইডির গল্প গুলো মন ছুঁয়ে যাবে 👉👉 Emran YT ff
মামাতো বোনের সাথে বিয়ে
পর্বঃ২৪
#আবির হাসান নিলয়
জান্নাতঃহাতের ব্যথা কি কমছে?
আমিঃহুম একটু
জান্নাতঃকি দরকার ছিলো হাত কাটার
আমিঃতুমিই তো কথা শুনছিলে না
জান্নাতঃতাই বলে হাত কাটতে হবে
আমিঃহবেই তো।হাত না কাটলে তুমি কি রাজি হতে
জান্নাতঃহুহ আইছে।এখন আর শুয়ে না থেকে
ফ্রেস হয়ে নাও।
আমিঃতুমি কোথায় যাবে?
জান্নাতঃকাজ করতে হবে
আমিঃকোনো কাজ করতে হবে না।এখন থেকে
নিজের খেয়াল রাখবে
জান্নাতঃতাহলে তোমার খেয়াল রাখবে কে?
আমিঃসেটাও রাখবে।চলো
জান্নাতঃকোথায়
আমিঃবাথরুমে
জান্নাতঃনা আমি যাবোনা।
আমিঃনা গেলা।পড়ে যখন হাতে ঘা হয়ে যাবে
তখন বুঝবা কেনো সাথে যেতে বলছিলাম।
জান্নাতঃতাহলে চলো
আমিঃথাক তোমার যাওয়া লাগবে না মামাতো বোন
জান্নাতঃঐ আবার মামাতো বোন?😡
আমিঃহিহিহি
জান্নাতঃদাত কেলানো বাদ দিয়ে চলো।
ঘুম থেকে উঠার পর জান্নাতের সাথে কথা বললাম।
হাতে এখনো প্রচুর ব্যথা আছে।তারপরেও জান্নাতকে
বললাম না।পরে আবার কষ্ট পাবে।
বাথরুমে এসে জান্নাতই সব করে দিতে লাগলো।
আমিঃআমার মাথায় একটা কথা কাজ করছে না
জান্নাতঃকি কথা
আমিঃআমাদের যখন সন্তান হবে।তখন তোমাকে
কি বলবে আর আমাকে কি বলবে?
জান্নাতঃআব্বু আম্মু বলবে।তাছাড়া কি বলবে
আমিঃনা,ও যদি জানে আমরা ফুফাতো মামাতো
ভাই বোন তখন আমাকে বলবে আব্বু আর
তোমাকে আন্টি,হিহিহিহি😀
জান্নাতঃখুন করে ফেলবো তোকে হারামজাদা।
লজ্জা লাগে না এসব কথা বলতে?
আমিঃলজ্জা পাওয়ার কি আছে, ঠিকি তো বললাম
জান্নাতঃদেখো,তোমার সাথে এই আজাইরা প্যাঁচাল
পাড়তে ভালো লাগছে না।
আমিঃতুমি বললে কিছুনা আর আমি বললেই
আজাইরা কথা তাই না
জান্নাতঃহুহ।এখন চুপ থাকো।
আমিঃঠিক আছে এখন থেকে আর বলবো না
জান্নাতঃধন্যবাদ।
বাথরুম থেকে বের হয়ে নিচে আসলাম।
সবাই আগে থেকেই নিচে বসে আছে।মামা মামি
মানে শ্বশুর শ্বাশুরিও আছেন।
আম্মুঃনিলয়,তোর হাতে কি হয়েছে
আমিঃতেমন কিছু না।একটু কেটে গেছে
আম্মুঃকিভাবে কাটলো?
আমিঃবাদ দাও।
ভাবিঃআয় নাস্তা করে নে
আমিঃহুম।আর আব্বু একটা কথা ছিলো
আব্বুঃহুম বল
আমিঃএখন থেকে আমিও অফিসে যেতে চাই
আব্বুঃসেটা তো অনেক ভালো কথা।কবে থেকে
জয়েন্ট করতে চাস
আমিঃকয়েকটা দিন বাসায় থাকার পর জয়েন্ট
করে নিবো।আর আব্বু.....
আব্বুঃহুম বল
আমিঃআরো তিনজন অফিসে নিতে হবে
ভাইয়াঃতিনজন কেনো?আর কারা?
আমিঃজয়,রাহুল আর রাফি।
ভাইয়াঃকিন্তু ওরা তো আগে থেকেই আমাদের
অফিসে কাজ করছে
আমিঃআগে থেকে মানে?
ভাইয়াঃপ্রায় ৮মাস আগে তিনজন একসাথে
ইন্টার্ভিউ দিতে আসছিলো।
ভার্সিটি যাবো জন্য সিঁড়ি বেয়ে নামছিলাম । হঠাৎ সায়েম আঙ্কেল পথ আটকে বললেন,
- তোমার নাম কি ?
আমি সহাস্যে উত্তর দিলাম, শুভ ।
- আমার মেয়ে ক্লাস নাইনে পড়ে । পড়াতে পারবে ?
- জ্বি পারবো ।
- ঠিক আছে কাল থেকে এসো ।
কথাটা বলেই উনি চলে যাচ্ছিলেন । আমি বললাম, বেতনের কথাটা ঠিক করে নিলে হয়না ?
উনি আমার কাঁধে হাত রেখে মুচকি হেসে বললেন, ভয় পেয়ো না । আমার স্ত্রী বলেছে তোমার কথা । তোমার সাথে নাকি এর আগে একদিন কথা হয়েছিলো !
আমি বুঝতে পারলাম রেবেকা আন্টি বলেছে । সায়েম আঙ্কেল সরকারি কর্মকর্তা, একই ফ্ল্যাটে থাকি তাই উনি না চিনলেও আমি চিনতাম ।
আজ পড়ানোর প্রথম দিন । আমি রিডিং রুমে বসে আছি । একজন কে নাস্তা আনতে দেখে একটু নড়েচড়ে বসলাম । আন্টি নিজেই নাস্তা নিয়ে এসেছেন ।
- আন্টি আমার স্টুডেন্ট কোথায় ? অনেকক্ষণ হলো বসে আছি ।
- তুমি বসো বাবা । আমি পাঠিয়ে দিচ্ছি ।
আচ্ছা ঠিক আছে, কথাটা বলেই আমি দেয়ালের পেইন্টিং গুলো দেখছিলাম । কি সুন্দর করে আঁকা ! মনে হচ্ছিল পাবলো পিকাসো একসময় থাকতেন এখানে ।
- আসসালামুয়ালাইকুম ।
- ওয়ালাইকুমুস সালাম, বসো ।
- আপনি কি পেইন্টিং গুলো দেখছিলেন ? ওগুলো আমার আঁকা ।
কথাটা শুনে আমার চক্ষু চড়কগাছ । ক্লাস নাইনে পড়ুয়া একটা মেয়ের হ্যান্ড পেইন্টিং এত কড়া লেভেলের সুন্দর হতে পারে তা নিজের চোখে না দেখলে হয়তো বিশ্বাসই করতাম না ।
আমার স্টুডেন্টের নাম রিয়া । পরিচয় পর্ব শেষ করে সেদিনের মতো চলে আসলাম । আমি ভেবেছিলাম যার পেইন্টিং এত সুন্দর সে নিশ্চয়ই পড়াশোনায় খুব মনোযোগী ।
কিন্তু আমার ভাবনায় তা একদমই ভুল ছিলো । ওকে পড়াতে গিয়ে বুঝলাম পড়াশোনা তার একেবারেই ভাল্লাগে না । পড়াশোনা বাদে পৃথিবীর সকল কাজের কাজি সে । এত চঞ্চল আর বাচাল টাইপের মেয়ে আমি জীবনে খুব কমই দেখেছি ।
একদিন পড়াতে গিয়ে যদি দেখি ও ফুচকা বানাচ্ছে, তো আরেকদিন আইসক্রিমের রেসিপি নিয়ে গবেষণা করছে । আজ পর্যন্ত এমন একটা দিনও পাইনি যেদিন গিয়ে দেখেছি ও পড়াশোনা করছে ।
আমার যেমন খুব বিরক্ত লাগতো, তেমন হাসিও আসতো । যতদূর বুঝতাম পড়াশোনা টা ওর জন্য বাধ্যতামূলক ছিলো তাই মনের বিরুদ্ধেই পড়াশোনা করতে হতো ।
আজ বাইরে খুব বৃষ্টি পড়ছে ।
ভাবলাম পড়াতে যাবোনা, ভিজবো । যেই ভাবা সেই কাজ । একদৌড়ে চলে গেলাম ছাদে । গিয়ে দেখি রিয়া বৃষ্টিতে ভিজছে । ওখানে থাকবো কিনা বুঝতে পার
মেয়েদের নিয়ে বাস্তব কিছু কথা
মেয়ে মানে??
চেহারা খারাপ হলে বিয়ে হবে না।😢😥
মেয়ে মানে??
রেজাল্ট খারাপ হলে বিয়ের হুমকি শোনা😢
মেয়ে মানে??
রাস্তাঘাটে বাজে কথা শোনা😪😴
মেয়ে মানে??
পরিবারের জন্য প্রিয় মানুষটাকে বিসর্জন দেওয়া।😪😒
মেয়ে মানে??
ভালোবাসার মানুষটাকে ছেড়ে অচেনা কেউ একজনকে বিয়ে করা।😇😢
মেয়ে মানে??
বিয়ের পরে সন্তানের জন্ম নিয়ে খোটা শোনা।😒😢
মেয়ে মানে??
সারাদিন কষ্ট করেও শ্বশুর-শাশুড়ির খোটা শোনা😪😢
মেয়ে মানে??
ভালো না থেকেও বাবা-মাকে ভালো আছি বলা😒😇
মেয়ে মানে??
শত শত কষ্ট আর অত্যাচার সহ্য করে শ্বশুরবাড়ি পড়ে থাকা😇😔
মেয়ে মানে??
হাজার হাজার অভিযোগ নিয়ে হাসিমুখে মানিয়ে নেওয়া😇🙂
মেয়ে মানে??
ভালো না থেকেও ভালো থাকা😢
যারা এখনো আমাদের পেজে ফলো না করে গল্প পড়ছেন তারা তারাতাড়ি ফলো করুন এই পেজের গল্প মন ছুঁয়ে যাবে 🥰🥺🥺
গল্পটা পড়ুন মন ছুঁয়ে যাবে
ছেলে মেয়ে সবাই পড়বেন শেষে মজা আছে
🤪🤪গার্লফ্রেন্ড_এর_বাসায়🥰🥰
বাসার সামনে গার্লফ্রেন্ড কে ড্রপ করে দিতেই সে আমার হাত চেপে ধরলো।
আমি হেলমেট খুলে তার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললাম,
-কি হয়েছে?
লাজুক হেসে সে বললো,
-আজ বাসায় কেও নেই...
কথাটা শুনে খুবই খুশি হলাম। বাইকটা সামনের গলিতে রেখে এসে বাড়ির সামনে দাড়ালাম।
আমার হাত টেনে ধরে আস্তে করে দরজা খুলে বাসার মধ্যে ঢুকালো সে।
লাজুক চোখে তাকিয়ে বললো,
-সময় কিন্তু বেশি নেই...মাত্র ৫ মিনিট ।
আমি তার চেয়েও বেশি লজ্জা পেয়ে বললাম,
-৫ মিনিট?? ইয়ে মানে...
সে আমাকে কথা শেষ করতে দিলো না। হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো বেডরুমে। তারপর খাটের উপর বসিয়ে বললো,
-আমি রেডি হয়ে আসছি...দাড়াও...
আমি মাথা নিচু করে বললাম,
-না মানে...ভয় করতেছে...
-হোয়াটস রং উইথ ইউ, মাফি? ভয় করবে কেন?
-ইয়ে মানে...এই প্রথমবার তো...
-প্রথমবার??
-হুম্ম
-রিয়াল বয়স কত তোমার?
-ইয়ে..১৭ বছর প্রায়...
-১৭ বছরে এই প্রথম?বিশ্বাস হয় না...
-সত্যি বলতেছি...
-আচ্ছা..সমস্যা নাই...আমার উপর ছেড়ে দাও..অনেক মজা পাবে...৫ মিনিট দাড়াও...
আমার হাত পা কেমন যেন কাপতে লাগলো। চোখেও ঝাপসা ঝাপসা দেখতে পাচ্ছিলাম।
টেনশন কমাতে পায়ের মোজা খুলে ফেললাম।
এতে টেনশন না কমে বাড়তে লাগলো।
বড় বড় করে শ্বাস নিচ্ছিলাম,যাতে করে হার্টের স্পিড কমে যায়।
পাশের রুম থেকে তার আওয়াজ আসলো,
-এইতো হয়ে গেছে বাবু..আর ১ মিনিট।
আর ১ মিনিট।
পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলাম, পা মারাত্বক ভাবে কাপাকাপি করতেছে।
দরজার বাইরে থেকে আওয়াজ আসলো,
-তুমি রেডি? আসলাম আমি...চোখ বন্ধ করো।
আমি টেনশনেই চোখ বন্ধ করে ফেললাম।
ধীরপায়ে এগোনোর শব্দ কানে এলো। অসম্ভব সুন্দর একটা সুগন্ধ নাকে আসলো।
সে আমার সামনে দাড়িয়ে বললো,
-এইবার হাত সামনে বাড়াও...
আমি কাপাকাপা হাতে, হাত সামনে বাড়ালাম।
হাতে গরম কিছু একটা স্পর্শ করলো।
চোখ খুলে দেখি বড় একটা বাটি। সেখান থেকে ভেসে আসছে নুডুলস এর অসাধারণ এক সুবাস..
সে বললো,
-দেখলে তো? এটাই মিস্টার নুডুলস...মাত্র ৫ মিনিট। জলদি খাও..নয়তো ঠান্ডা হয়ে যাবে!😁😁😁
যারা এখনো গ্রুপে জয়েন না হয়ে গল্প পড়ছেন তাদের বলছি। এখনি আমাদের গ্রুপে জয়েন হন নিচে নিল লেখায় চাপ দিয়ে গ্রুপে জয়েন হন।গ্রুপের গল্প গুলো মন ছুয়ে জাবে৷👉 Single
গল্পটা ছেলে মেয়ে সবাই পড়বেন শেষে মজা আছে🥰
বল্টু তার বাবা-মা'র সাথে খেতে বসেছিল..🥹🫰
বল্টু হটাৎ বলল,
বল্টু:বাবা গতদিন তুমি যখন একজন আন্টির হাত ধরে রাস্তা পার হচ্ছিলে, আমি কিন্তু তোমাকে দেখেছি..!🫣🫣
বল্টুর বাবা: ধমকে উঠে বলল, তোমাকে একদিন বলেছি না খাবার মুখে কথা বলবে না..!😤😤
তখন বল্টুর মা বলল...
বল্টুর মা: কেন শুধু শুধু ধমকাচ্ছ! কি বলতে চায়, শেষ করতে দাও না। হ্যা বাবা তারপর কি হয়েছে?🫠🫠
বল্টু : বাবা আন্টি টাকে নিয়ে পার্কে ঢুকল..!☺️☺️
বল্টুর মা : তারপর?😱😱
বল্টু :আন্টিটাকে নিয়ে একটা ঝুপের আড়ালে বেঞ্চে
গিয়ে বসলো..!😒😒
বল্টুর মা :{ব্যস্ত হয়ে বলল} তারপর?🤨🤨
বল্টু চুপ করে রইল!🙂🙂
বল্টুর মা: তোকে একটা কিন্ডারজয় দিব, বল বল তারপর কি হয়েছে..!🫤🫤
বল্টু: তারপর বাবা ঐ আন্টিটাকে জড়িয়ে ধরলো, যেমন করে পাশের ফ্লাটের আংকেল তোমাকে জড়িয়ে ধরে..!🥹🥹
বল্টুর মা: থাপড়িয়ে দাঁত ফেলে দিব ফাজিল কোন হানের, খাবার মুখে কথা বলতে তোর বাবা একদিন নিষেধ করেছে না..!🤬🤬
শখের মানুষ - ছিঁড়ে ফেলা চিরকুট 🙂
যারা আইডিতে ফলো না করে গল্প পড়ছেন তাদের বলছি আইডিটা ফলো করেন আইডির গল্প গুলো মন ছুয়ে জাবে 👉👉
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Rajshahi