13/07/2015
৯৩ রানে যখন দক্ষিণ আফ্রিকার পঞ্চম উইকেটের পতন
ঘটলো, ম্যাচে তখন স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে গেছে
বাংলাদেশ। তারপরও ভয় যেটুকু ছিল তার সবটাই
আগের তিন ম্যাচের দুস্মৃতির কারণেই। আর, সেজন্যই
কিনা মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট
স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৬২ রানে আটকে
ফেলার পরও ভয় ধরেছিল বাংলাদেশ জাতীয়
ক্রিকেট দলের বুকে। ভয় ধরার কারণ ছিল মাত্র ২৪
রানের মধ্যে তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাসের
সাজঘরে ফেরা। কিন্তু, বাকিটা সময় ছিল হুঙ্কার।
আহত; ক্ষুধার্ত বাঘের হুঙ্কার। সৌম্য সরকার ও
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ১৩৫ রানের জুটিতে ছিটকে
গেলো পরাক্রমশালী দক্ষিণ আফ্রিকা। হেরে গেলে
সাত উইকেটের বড় ব্যবধানে; ২২ ওভার দুই বল বাকি
থাকতেই। সৌম্য ৮৮ ও রিয়াদ ৫০ রান করেন। তাদের
দু’জনের যোগ করা ১৩৫ রানই যেকোন উইকেটে দক্ষিণ
আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের
জুটি। টসের জয়টা ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। আর তাতে
ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন হাশিম আমলা। আর তাতে
নাসির হোসেনের স্পিন আর মুস্তাফিজুর রহমানের
পেসে বিভ্রান্ত হয়ে মাত্র ১৬২ রানেই চার ওভার
বাকি থাকতেই অল আউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
নাসির ও মুস্তাফিজ প্রত্যেকে তিনটি করে উইকেট
পান। সফরকারীদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন ফাফ
ডু প্লেসিস। আর বাকিটা ইতিহাস! ইতিহাসে মাত্র
দ্বিতীয়বারের মত যেকোন ফরম্যাটে দক্ষিণ
আফ্রিকাকে হারিয়ে দিলো বাংলাদেশে। গায়ানার
স্মৃতি ফিরে এলো মিরপুরে। আশরাফুল হয়ে গেলেন
সৌম্য! কিভাবে? শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে বিজয়ের
বন্দরে দলকে নিয়ে যান সৌম্য। আর আশরাফুলকে
ছাড়িয়ে সৌম্য হয়ে গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার
বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসের
মালিক।
01/07/2015
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন ২ ম্যাচ টি-২০
সিরিজের জন্য ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ দল:
১। মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক)
২। সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক)
৩। তামিম ইকবাল
৪। মুশফিকুর রহিম
৫। নাসির হোসেন
৬। সাব্বির রহমান
৭। রুবেল হোসেন
৮। সৌম্য সরকার
৯। লিটন দাস
১০। রনি তালুকদার
১১। জুবায়ের হোসেন লিখন
১২। আরাফাত সানি
১৩। মুস্তাফিজুর রহমান
১৪। সোহাগ গাজী
22/06/2015
অভিষেকের পর
দ্বিতীয় মাচেও পাঁচ উইকেট নিয়ে ইতিহাসের
পাতায় নিজের নাম লিখালেন মুস্তাফিজুর
রাহমান। অভিষেকের পর টানা দুই ম্যাচে পাঁচ
উইকেট নেওয়া দ্বিতীয় ও দশম বোলার
বাংলাদেশের নতুন এই তুর্কী।
এর আগে হারারেতে জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান
ভিটোরি বাংলাদেশের বিপক্ষেই অভিষেকে
টানা দুই ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন।
প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৫০ রানে ৫
উইকেট নেবার পর এবার ৪৩ রানে ৫ উইকেট তুলে
নেন এই টাইগার।
রোববার ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয়
ম্যাচে শুরু থেকেই দুর্দান্ত বল করে আসছেন এই
তরুন। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তুলে নেন আগের
ম্যাচে অর্ধশত পাওয়া রোহিতকে। এরপর একে
একে তুলে নেন ধোনি, রায়না, অক্ষর এবং
আশ্বিনকে।
22/06/2015
ওয়ানডে ক্রিকেটে
বাংলাদেশের অর্জনের মুকুটে অনেক পালকই
তো যোগ হয়েছে। শুরুটা সেই কেনিয়া আর
জিম্বাবুয়েকে দিয়ে। এক সময় সমপর্যায়ের দল
ছিল কেনিয়া। এরপর বাংলাদেশের উন্নতি
হলো। হলো জিম্বাবুয়ের সমপর্যায়ের।
তাদেরকে হারানোর ধারাবাহিকতা ছিল ২০০৭
বিশ্বকাপে। ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে
হারানো এবং সুপার এইটে খেলা। উন্নতির
ধারাবাহিকতা থেমে ছিল না। ২০১০ সালের পর
দু’দুবার নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করা
হয়েছে। সিরিজ জয় হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের
বিপক্ষেও। খেলেছে ২০১২ এশিয়া কাপের
ফাইনাল।
এরপর এলো অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের
বিশ্বকাপে বাউন্সি উইকেটে নিজেদের
প্রমাণের পালা। সেখানে বাংলাদেশ
দেখিয়ে দিল, তারা শুধু উদীয়মান শক্তিই নয়,
সমীহ আদায় করে নেওয়ার মত একটি দলও। এরপর
এলো পাকিস্তান সিরিজ। বাংলাদেশের
সামনে যারা সবসময় অপরাজেয়। তাদের সেই
অহমিকা ভেঙে খান খান করে মাশরাফিরা
করলো হোয়াইট ওয়াশ।
সর্বশেষ ধরাশায়ী ভারত। ক্রিকেটের মোড়ল।
দম্ভ আর অহমিকায় যাদের পা মাটিতে পড়ে
না। বাংলাদেশকে সুযোগ পেলেই তুচ্ছ-
তাচ্ছিল্য করা যাদের নিয়মিত অভ্যাস। সেই
দলটির বিপক্ষেই এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ
জয়। নিশ্চয় বাংলাদেশের অর্জনের মুকুটে
সেরা পালক! টিম বাংলাদেশ অধিনায়ক
মাশরাফিও মনে করছেন, এটাই বাংলাদেশের
সেরা অর্জণ। ওয়ানডে অধিনায়ক জানিয়েছেন,
প্রথম দুই ম্যাচের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে চমকে
গেছেন তারা নিজেরাও।
ভারত সিরিজের আগে ৩-০ ব্যবধানে
বাংলাদেশ উড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তানকে।
কিন্তু ওয়ানডে র্যাংকিয়ের দুই নাম্বার দলের
বিপক্ষে দুই ম্যাচেই দাপুটের জয়ে এক ম্যাচ
হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত হওয়াটা
বাংলাদেশের ক্রিকেটকে নিয়ে গেছে নতুন
এক উচ্চতায়।
দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ শেষে সংবাদ
সম্মেলনে তাই প্রশ্ন উঠল, এটিই বাংলাদেশ
ক্রিকেটের সেরা সাফল্য কি না। মাশরাফি
এটাকেই সেরা সাফল্য বলে থেমে থাকতে চান
না। বরং এমন সাফল্যকে নিয়মিত করতে চান
তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটে।
এ বিষয়ে মাশরাফি বলেন, ‘অবশ্যই এটি
সবচেয়ে বড় অর্জনগুলির একটি। তবে প্রতিটি
জয়ই গুরুত্বপূর্ণ। এখনও আমরা উন্নতি করছি। আশা
করি, এই ধারা চলতে থাকবে। তবে ভারতের
মতো দলের বিপক্ষে, র্যাংকিংয়ে যারা দুই
নম্বরে আছে, তাদের হারানো অনেক বড়
অর্জন।’
বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য অবশ্যই এটা
মাইলফলক হিসেবে বেশি বিবেচিত হবে। এ
বিষযে মাশরাফি বলেন, ‘ভারতের বপক্ষে
সিরিজ জয় অন্যতম একটা। আমি মনে করি
ছেলেরা অনেক আত্মবিশ্বাসী। হয়তো
প্রত্যাশা কারোরই এতোটা ছিল না যে, আমরা
সিরিজ জিততে পারি।’
মাশরাফি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের
পরিকল্পনা ছিল জয়ের জন্য খেলব এবং খেলার
শেষ বল পর্যন্ত লড়ে যাব। আমরা জানি,
আমাদের সেরা ক্রিকেট খেললে ভারতের
সঙ্গে অনেক প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ হবে। সে
ক্ষেত্রে আমরা জিততেও পারি। আমি বলব এই
জয়ে ভাগ্যেরও অনেক সহায়তা ছিল। সবকিছু
আমাদের ফেভারেই গিয়েছে, তাই আমরা
জিতিছি।’
19/06/2015
টেস্ট ক্রিকেটে রীতিমতো পত্রিকায় ‘পেস বোলার
চাই’ বিজ্ঞাপন দেওয়ার পরিস্থিতি হয়। চোটের
কারণে কারও দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেট খেলা বারণ,
কেউ এখনো টেস্ট ম্যাচের চাপ নেওয়ার জন্য তৈরি নন।
অথচ ওয়ানডেতে দেখুন! ১৪ জনের দলে চার পেসার এবং
কাল চারজনই কিনা খেললেন ভারতের বিপক্ষে প্রথম
ওয়ানডেতে!
এমন নয় যে, বাংলাদেশ দল এর আগে কখনো চার পেসার
খেলায়নি। ১৯৮৬ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক ওয়ানডে
থেকে শুরু করে প্রথম দিকের অনেক ম্যাচেই জোরে
বোলারদের তালিকাটা লম্বা থাকত। ২০০৪ সালে
ভারতের বিপক্ষে প্রথম জয় পাওয়ার ম্যাচটার কথাই ধরুন
—চার পেসার ছিল সেই ম্যাচের দলেও। অবশ্য মাশরাফি
বিন মুর্তজা, তাপস বৈশ্য আর নাজমুল হাসানের সঙ্গে
খালেদ মাহমুদ ছিলেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার
হিসেবে। দলে বিশেষজ্ঞ পেস বোলার তাই ছিলেন
তিনজন।
এবারের চার পেসারের দলের সঙ্গে আগেরগুলোর
এখানেই পার্থক্য। মাশরাফি, রুবেল হোসেন, তাসকিন
আহমেদ ও নবাগত মুস্তাফিজুর রহমান—চারজনই
বিশেষজ্ঞ পেস বোলার। বাংলাদেশ দলের চরিত্রে
এটা একেবারেই নতুন সংযোজন, কারণ এর আগে যতবারই
চার পেসার নিয়ে খেলা হয়েছে, প্রত্যেকবারই ‘কোটা’
পূরণ হয়েছে দুই বা তিনজন বিশেষজ্ঞ পেস বোলারের
সঙ্গে এক-দুজন পেস বোলিং অলরাউন্ডার নিয়ে। সে
রকম একজন অলরাউন্ডার অবশ্য এবারও দলে আছেন,
সৌম্য সরকার। তাঁকে ধরলে তো প্রথম ওয়ানডের দলে
পেস বোলার হয়ে যায় পাঁচজন!
টেস্ট আর ওয়ানডের বাংলাদেশ দলের চেহারায় তাই
পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে পেসারদের তালিকাটাই।
ওয়ানডের দল গড়তে গিয়ে কোন পেসারকে বাদ দিয়ে
কোন পেসার নেবেন, সেটা ঠিক করতে মধুর সমস্যায়ই
পড়তে হয় কোচ-অধিনায়ক-নির্বাচকদের। মাশরাফি,
তাসকিন, রুবেল, আল আমিন (যদিও বিশ্বকাপের পর
থেকে অস্পষ্ট কারণে বিবেচনায় নেই), মুস্তাফিজদের
সঙ্গে চাইলে শফিউল ইসলাম, আবুল হাসান, মোহাম্মদ
শহীদদের নামও জুড়ে দেওয়া যায় সম্ভাব্যদের
তালিকায়। অথচ টেস্টে রীতিমতো পেস বোলারের
আকাল! হাঁটুর সমস্যার কারণে মাশরাফি, তাসকিন
বিবেচনাতেই আসেন না। বাকিদের মধ্যেও নেই ভরসা
দেওয়ার মতো কেউ। এক রবিউল ইসলাম ছিলেন।
ফিটনেসের অভাবে তাঁকেও আপাতত বিবেচনার বাইরে
রাখছেন নির্বাচকেরা।
পেসনির্ভর বোলিং আক্রমণের চিন্তাটা মূলত কোচ
চন্ডিকা হাথুরুসিংহে আর অধিনায়ক মাশরাফি বিন
মুর্তজার। তবে নির্বাচক কমিটিরও সায় ছিল তাতে। চার
পেসার খেলানোর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে প্রধান
নির্বাচক ফারুক আহমেদ বললেন, ‘উইকেটে সামান্য ঘাস
ছিল। তা ছাড়া বৃষ্টির সময় বলে উইকেটে পেসারদের
জন্য বাড়তি সাহায্যও থাকার কথা। সে কারণেই টিম
ম্যানেজমেন্ট চেয়েছে চার পেসার নিয়ে খেলতে।
আমাদেরও মনে হয়েছে, সিদ্ধান্তটা সঠিক।’ কাল রাতে
শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হয়েছে সেটাই। ভারতের ১০
উইকেটের মধ্যে পেসাররাই নিয়েছেন আটটা।
ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের স্পিন বলপ্রীতিও পেস
বোলার বেশি খেলানোর একটা কারণ। প্রথম
ওয়ানডের দলে বিশেষজ্ঞ স্পিনার বলতে তাই শুধু এক
সাকিব আল হাসান। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে
খেলা দেখতে দেখতে প্রধান নির্বাচকও বলছিলেন,
‘ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা স্পিন ভালো খেলে। আমাদের
মনে হয়েছে, স্পিনারদের তুলনায় পেসাররাই ওদের বেশি
সমস্যায় ফেলতে পারবে। তা ছাড়া বাঁহাতি পেসার
মুস্তাফিজ থাকায় বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্যও
থাকবে, এ রকমই চিন্তা ছিল।’
চার পেসারের দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে
বতর্মান নির্বাচক কমিটিতে ফারুকের ‘সতীর্থ’ হাবিবুল
বাশারের। ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ভারতকে
হারানো ওই ম্যাচে যে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক
ছিলেন তিনিই! ১১ বছরের পুরোনো স্মৃতি হাতড়ে
হাবিবুল বলছিলেন, ‘ওই সময়ের সম্ভাব্য সেরা
খেলোয়াড়দের নিয়েই গড়া হয়েছিল দলটা। এখন অনেক
সময় আমাদের পেস বোলিং অপশন কম থাকে, চাইলেও
বেশি পেসার নেওয়া যায় না। তখন অপশন বেশি ছিল।
পেস বোলিং অলরাউন্ডার থাকায় চার পেসার
নেওয়ার সুবিধাও ছিল।’ তবে দ্বিতীয় চিন্তাটা
এখনকার মতোই, ‘ওরা বরাবরই স্পিন ভালো খেলে।
ভারতের বিপক্ষে দল গড়ার সময় সব সময়ই আমরা স্পিনার
কম খেলানোর চিন্তা করি।’
কালও সেই চিন্তাটাই কাজে লেগেছে। ভারতকে
কাঁপিয়ে দিল চার পেসারের বাংলাদেশ।
19/06/2015
প্রতিশোধের পারদটা তাঁতানো ছিলো ১৯শে মার্চের
কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই। ক্ষুদ্ধ জাতির বুকের
হাঁপরে প্রশান্তির ছোঁয়া এনে দিলো টিম বাংলাদেশ ।
দাপুটে বোলিংয়ে আত্মবিশ্বাসী টাইগারদের সামনে
বিশ্বসেরা ব্যাটিং লাইন-আপ হয়ে গেলো অসহায়
আত্মসমর্পনকারী দল। অভিনন্দন বাংলাদেশ জাতীয়
ক্রিকেট দলের প্রত্যেক সদস্যকে।
ক্রিকেট জাতিকে কখনো হাসায়, কখনো কাঁদায় ।
ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা নিয়ে আমাদের খেলা দেখা
উচিত। আমরা আমাদের খেলোয়াড়দের জুতা, ঝাড়ু
প্রদর্শন করতে এয়ারপোর্ট গিয়েছিলাম । ফেসবুকে
বাঘকে বিড়াল বানিয়ে জাতীয় দলকে তুচ্ছ
তাচ্ছিল্যের সাথে অপমান করেছি। আবার সেই টিম
বাংলাদেশকে নিয়ে আমরা উচ্ছাসে ফেটে পড়ছি।
ভারত নিঃসন্দেহে বিশ্বের সেরা একটি দল। আমাদের
ছেলেরাও এখন বুক চিতিয়ে খেলছে। কাপ্তান
মাশরাফি বলেছে-ভাগ্য সাহসীদের পক্ষেই থাকে। চার
পেসার তত্ত্বে হয়েছেও তাই। ভারতীয় ক্রিকেটারদের
আরেকটু ভদ্র হতে হবে। ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা। আর
আম্পায়ারসহ তেরোজনের বিরুদ্ধে খেলে বাংলাদেশ
অভ্যস্ত হয়ে গেছে আরো আগেই ।
মোস্তাফিজের সাথে বেশ কিছুদিন আগে ফোনে কথা
হয়েছে । সরল ছেলেটা এতো ভয়ঙ্কর হতে পারে !!!
সাব্বাশ আমাদের বাচ্চা বাঘ। ওয়াসিম আকরাম কিংবা
চামিন্ডা ভাসের মত আমরা মোস্তাফিজকে চাই।
সাবাশ বাংলাদেশ । এখন শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়ার
পালা। আবারো অভিনন্দন টিম বাংলাদেশ
19/06/2015
After showing tremendous batting display, now it's turn
for the bowlers to bring the final smile. Keep the tigers in
your prayer!
19/01/2015
A power packed 138 with 9 fours and 4 sixes, Rohit Sharma also broke the record of highest runs by an Indian Cricketer at MCG!