Dalas Gym And Fitness Center

Dalas Gym And Fitness Center

Share

� Be your own hero �
Train with the experts

13/06/2026

DISCIPLINE STAY FOCUS, WORK HARD

12/06/2026

জিমে পায়ের ব্যায়ামটা অনেকেই ঠিকমত করতে চাই না। শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ পা এর ব্যায়াম নিয়মিত করা খুবই জরুরী কারণ হৃদপিণ্ড দেহের রক্ত সঞ্চালনের মূল চালিকাশক্তি হলেও, পায়ের গভীরে একটি বিশেষ পেশি রয়েছে যা অগোচরেই একইরকম গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে চলেছে। এটি হলো সোলিয়াস পেশি, যাকে প্রায়শই “দ্বিতীয় হৃদপিণ্ড” নামে অভিহিত করা হয়। বৈদ্যুতিক স্পন্দনের মাধ্যমে নয়, বরং গতির মাধ্যমেই এই গভীর ও নীরব পেশি রক্ত সঞ্চালনে অবদান রাখে।

প্রতিবার হাঁটার সময়, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামার সময় অথবা পায়ের আঙুলের ওপর ভর করে দাঁড়ানোর সময় সোলিয়াস পেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। সক্রিয় হওয়ার সাথে সাথেই এটি অসাধারণ ভাবে কাজ সম্পূর্ণ করে – অভিকর্ষের বিরুদ্ধে পায়ের শিরা থেকে রক্তকে পুনরায় হৃদপিণ্ডে পাঠায়।

এই অসাধারণ পেশির অবস্থান পায়ের পিছনের অংশে, গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াস (পেণ্ডুলাম বা কাফ মাসল) পেশির গভীরে। এই মাসল বিস্ফোরক বা দ্রুতগতির না হলেও, অত্যন্ত দৃঢ় এবং সহনশীল। দেহের ভারসাম্য ও স্থায়িত্ব রক্ষায় এর ভূমিকা অপরিসীম।

কেন সোলিয়াস এত গুরুত্বপূর্ণ?

১. দেহের নিম্নভাগে রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে এবং সুষ্ঠু রক্ত প্রবাহ নিশ্চিত করে।

২. রক্ত জমাট বাঁধা ও শিরায় রক্ত জমাটবদ্ধতা প্রতিরোধ করে।

৩. পায়ের অপ্রয়োজনীয় পানি জমা (এডেমা) প্রতিরোধ করে ফোলাভাব কমায়।

৪. হৃদপিণ্ডের ওপর চাপ কমিয়ে সামগ্রিক কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, এই পেশি স্থির অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকলেও কাজ করে।

দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করার অভ্যাস থাকলে সোলিয়াস পেশিকে সক্রিয় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এর জন্য কয়েকটি সহজ উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে:

❥ কয়েক মিনিট হাঁটা।
❥ পায়ের গোড়ালি বারবার ওঠানো-নামানো
(হিল রেইজ)।
❥ গোড়ালি বা অ্যাঙ্কেল ফ্লেক্স করা।
❥ পায়ের পাতা দিয়ে বৃত্তাকার নড়াচড়া করা।

এগুলো ছোট ছোট দৈনন্দিন অঙ্গভঙ্গি মনে হলেও, সোলিয়াস পেশির কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে এবং সামগ্রিক সুস্থতায় এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী।

অনুবাদ:

তথ্যসূত্র:
1. Aster Hospitals: The Second Heart – Your Soleus Muscle.

2. ResearchGate: Role of Soleus Muscle in Venous Return.

3. Corporate Wellness Magazine: How the
Soleus Muscle is Your Second Heart.

4. PubMed/NCBI: The muscle pump of the lower leg.

5. Journal of Applied Physiology: The soleus muscle: a key player in human metabolism and blood pressure regulation.

11/06/2026

⭕🔴♦️🔴অতিরিক্ত ওজন কমাতে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় সমূহ 🔴♦️🔴⭕

সবাই চায় নিজের সুগঠিত, সুন্দর, মেদহীন ও কার্যক্ষম শরীর। কিভাবে ওজন কমানো যায়, এই প্রশ্ন সব সময়ই ঘুরপাক খায় যারা ওজন কমাতে চান। পরিমিত খাবার গ্রহন ও শরীর চর্চাই সুস্থ স্বাভাবিক ওজন নিয়ে মানুষকে বাচাতে পারে ।অনেকেই চায় অল্প সময়ের মধ্যে ওজন কমাতে চান । অল্প সময়ে ওজন কমাতে চাইলে অনেক কানুন নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে জীবনযাপনের বেশ কিছু ক্ষেত্রে অবশ্যই পরিবর্তন আনতে হবে। মেনে চলতে হবে কঠিন কিছু নিয়ম। । ওজন কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমানো। আপনি কখনই একবারে অধিক ওজন কমাতে পারবেন না বা সেটা ঠিক ও না । দ্রুত ওজন কমানোর উপায় আছে, কিছু টিপস ও বিজ্ঞান রয়েছে । কিন্তু তাদের বেশিরভাগই আপনার খিদে বাড়িয়ে তুলবে অথচ আপনার খাওয়া-দাওয়া ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকবে।তাই এমন কিছু নিয়ম অনুসরন করতে হবে যাতে এমন কোন সমস্যা না থাকে কিন্তু আপনার ওজন হ্রাস হয়।
বাড়তি ওজন আমাদের একটি প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যা ও বিভিন্ন রোগ ব্যাধির কারণ। এ ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে এবং জীবনভর মেনে চলার একটি জীবন পদ্ধতি তৈরি করতে হবে। প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে আপনি চিরস্থায়ী পরিবর্তনই চাচ্ছেন এবং আপনি তা করছেন সঠিক অর্থেই।

🔴অতিরিক্ত ওজন কি::

অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা তখনই বলা হবে যখন শরীরে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাবে। উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ ওজন অপেক্ষা ওজন যদি ১৫ থেকে ২০% বেশি হয় তবে তাকে স্থূল বা মোটা ব্যক্তি বলে গণ্য করা হয়।

🔴অতিরিক্ত ওজনের কারণ::

♦️উচ্চতা অনুযায়ী প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করা।

♦️Lifestyle disorder জনিত কারণ বা আধুনিক জীবনযাপন যেখানে শারীরিক পরিশ্রম খুবই কম অথচ মানসিক পরিশ্রম অনেক বেশি, তৈলাক্ত খাবার, নোনতা খাবার খাওয়া, ঘি, তেল, চর্বিযুক্ত মাছ ও মাংস, অ্যালকোহল, মিষ্টি ইত্যাদি গ্রহণ করা।

♦️মানসিক সমস্যা যেমন হতাশা, অকৃতকার্যতা, একাকীত্ববোধ এর কারণে অতিরিক্ত আহার গ্রহণ।

♦️নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস না থাকা।

♦️দীর্ঘক্ষন খালি পেটে থেকে একেবারে প্রয়োজনাতিরিক্ত খাবার গ্রহণ।

♦️হঠাৎ করে ব্যায়াম, খেলাধূলা, নাচ, হাটাচলা চলাফেরা ছেড়ে দেওয়া ওজন বৃদ্ধির কারণ।

♦️বংশগত পারিবারিক খাদ্যাভ্যাস এর কারণে ও অনেক সময় মোটা হবার প্রবণতা দেখা দেয়।

🔴অতিরিক্ত ওজন কমাতে করনীয়ঃ

ওজন কমাতে আপনার নিজের ব্যাপারে নিজেকেই দায়িত্ব নিতে হবে। নতুন করে খাদ্যাভাস শুরু করুন, ওজন বৃদ্ধি পায় এমন খাবার খাওয়া খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাতে আপনার খাদ্যে ক্যালোরির পরিমাণ কমে যায়।

খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।খাদ্যতালিকায় এমন খাবার যুক্ত করুন যাতে আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

খাবারের তালিকায় একটি প্রোটিনযুক্ত খাবার এবং সবুজ শাকসবজি রাখতে হবে । পুষ্টির এ উপকরণগুলো রেখে প্রতিদিন ২০ থেকে ৫০ গ্রাম রাখুন। আপনার খাবারের তালিকার প্রোটিনের উৎসগুলোও রাখুন। এগুলো হলো মুরগির মাংস, ছোট চিংড়ি, সামুদ্রিক মাছ এবং ডিম এর সাদা অংশ। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে
রাতে ঘুমানোর আগে কম ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন। যেহেতু প্রোটিন হলো পুষ্টির রাজা তাই সঠিক পুষ্টির জন্য খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখা প্রয়োজন। ফুলকপি, টমেটো, পাতাকপি, লেটুস পাতা, শসা ইত্যাদি কম কার্বনযুক্ত সবজি খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ উপকরণগুলো দিয়ে প্রতিদিন খাবার খেলে ওজন বাড়বে না। মুরগির মাংস, মাছ, সবজি, ভিটামিন এবং খনিজ আপনার শরীরে উপযুক্ত পুষ্টি যোগান দেবে। প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ বার খাবার খান অর্থাৎ একেবারে প্রচুর খাবার না খেয়ে অল্প অল্প খাবার বারবার খান। সবচেয়ে বড় কথা হলো, প্রতিদিন আপনার খাবারের তালিকায় পরিপূর্ণ ও উপযুক্ত পুষ্টি উপকরণ রাখুন।

ওজন কমানোর কার্যকারী উপায় হচ্ছে ব্যায়াম । ওজন কমাতে বা শরীর চর্চার উদ্দেশ্য হলো ক্যালোরি পুড়ানো বা খরচ করা, কতটুকু ক্যালোরি খরচ হলো তা নির্ভর করে আপনার শরীরচর্চার পরিমাণ ও কত সময় ধরে করলেন তার ওপর।

সপ্তাহে আপনাকে দুই থেকে তিনবার জিমে যেতে হবে। আপনাকে ওজন কমানোর জন্য উপযুক্ত ব্যায়ামগুলোও করতে হবে। জিমে নতুন যাওয়া শুরু করলে প্রথম দিনেই কষ্টকর ব্যায়াম করা উচিত নয়। এতে উল্টো ফল হতে পারে। তাই ব্যায়াম করার আগে প্রশিক্ষকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন। তাহলে আপনি যার জন্য ব্যায়াম করবেন সেই ফলটা পাবেন।

যাদের জিমে যাওয়া সম্ভব হবে না তাদের সবচেয়ে ভালো সহজ উপায় হলো—প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা। আর ছোটখাটো সহজ উপায়ে শারীরিক তত্পরতা বাড়াতে পারেন—লিফটে না উঠে সিঁড়ি বেয়ে উঠুন, গাড়িটা বাদ রেখে আশপাশের বাজারঘাট, অফিস হেঁটেই যান। তবে শুধু হাটলেই হবে না, খেয়াল রাখতে হবে সঙ্গে যেন ঘাম ঝরে। জগিং বা সাঁতারও সম্ভব হলে কাটতে হবে। এতে আপনার ক্যালোরি বার্ন হবে বেশি। নিচে কি করলে কতোটা ক্যালোরি খরচ হবে তার একটা তালিকা দেওয়া হলো-

🔴ক্যালোরি বার্ন::::

♦️হাঁটা ৭৫ ক্যালোরি/ প্রতি ১ কি.মি

♦️জগিং ৮৫ ক্যালোরি/ প্রতি ১ কি.মি

♦️বাইসাইকেলিং/ সাঁতার কাটা ৭৫ ক্যালোরি/ ২০ মিনিট

♦️গানের তালে তালে এক্সারসাইজ ৭৫ ক্যালোরি/ ২০ মিনিট,

♦️দৌড়ানো ৩৫৫ ক্যালোরি/ ৩০ মিনিট,

এখন প্রশ্ন ওজন কমাতে আপনাকে কি ডায়েট চার্ট অনুসরণ করতে ই হবে। ১ কেজি মানে কমবেশি ৭০০০ ক্যালোরি। সুতরাং ৫ কেজি মানে কমবেশি ৩৫০০০ ক্যালোরি। ১ মাসে এই ৩৫০০০ ক্যালোরি কম খেলে বা ব্যায়াম করে ঝরিয়ে ফেললেই কমবে কমপক্ষে ৫ কেজি ওজন। বেশী হলে ৭ থেকে ১০ কেজিও কমতে পারে।

🔴 অম্বলের কোন সমস্যা না থাকলে ঘুম থেকে উঠে সকালে খালি পেটে ঈষদুষ্ণ এক গ্লাস গরম জল ও একটি পাতি লেবু একসাথে খান। লেবুতে উপস্থিত পেকটিন জাতীয় উপাদান অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।

🔴♦️সকাল ৭ টার সময়:

ব্রেকফাস্ট পেট ভরেই খেতে হবে। সারাদিনের সবচেয়ে ভারী খাবার হবে ব্রেকফাস্ট। কারণ ভরপেট খেলে সারাদিনে বাড়তি খাবার প্রবণতা কমে যায় ও গৃহীত খাবার সারাদিনে খরচ করার পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় হলে খাবার মেদ আকারে সঞ্চিত হয় না। ব্রেকফাস্টে খাবেন দুই থেকে তিনটি টি লাল আটার রুটি , আলু ছাড়া সবজি ( বরবটি, বেগুন ইত্যাদি দিয়ে), একটি ডিমের সাদা অংশ, স্যালাড, ভিজে ছোলা ও সঙ্গে শসা জাতীয় ফল ও তিন চামচ ঘরে পাতা টক দই থাকতে পারে।

চা খাবার অভ্যাস থাকলে চিনি ছাড়া লিকার চা । লিকার চা খেতে খুব অসুবিধা হলে চিনি ছাড়া ও মাখন বিহীন দুধ দিয়ে চা খাবেন।

🔴♦️ সকাল ৯:৩০ টার সময়::

ভাজাভুজি বা অন্য কিছু বাদ দিয়ে এই সময়ে খাবেন তাজা ফল বা ফলের রস।

🔴♦️দুপুরে ১২ টার সময়:

ডায়েট প্ল্যান-১:
যারা ভাত জাতীয় খাবার পছন্দ করেন
অনেকেই আছেন যারা ভাবেন ভাত খেয়ে ওজন কমানো যায় না। কথাটি সম্পূর্ণ ভুল। পরিমিত পরিমাণ ভাত ওজন কমাতে বেশ সহায়ক।
যারা ভাত খেতেই চান, তারা চায়ের কাপে মেপে ঠিক এক কাপ ভাত খাবেন। সাথে নেবেন ইচ্ছা মতন আলু ছাড়া সবজি। তবে রান্না করার চাইতে কাঁচা বা সবুজ হলেই ভালো। সাথে নেবেন মুরগির মাংস কিংবা চর্বি ছাড়া মাছ এক টুকরো ( পাকা মাছ কখনোই নয়)। খাসির মাংস একদম খাবেন না। ২ কাপ ডাল খান। সঙ্গে বাড়িতে পাতা টক দই খাওয়া যেতে পারে।

ডায়েট প্ল্যান-২:

•১ কাপ ভাতঃ ভাতের পরিমাণ ১ কাপই হতে হবে। কোনো ভাবেই এর চাইতে বেশী নয়।

•১ টুকরো মাছ/ মাংসঃ মাঝারি আকৃতির এক টুকরো মাছ/ মুরগির মাংস শরীরের আমিষের চাহিদা পূরণ করবে।

•১ কাপ সবজিঃ কম তেলে বা তেল বিহীন সবজিভাজি ফ্যাট অনেকাংশে কমায়। ১ কাপ পরিমাণ সবজি অবশ্যই ডায়েট চার্টে রাখবেন। সব চাইতে ভালো হয় কাঁচা সবজির স্যালাড রাখলে।

•১ কাপ ডালঃ ডাল ফ্যাট কমাতে সহায়তা করে। পাশাপাশি পুষ্টি যোগায় শরীরে।

•১ টি ফল ও দইঃ খাবার শেষে ১ টি আপেল কিংবা ১ টি কমলা খাবেন। এই ফলগুলো ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। আর ১/৪ কাপ টক দই। এটা খাবার হজমে সাহায্য করবে।

ডায়েট প্ল্যান-৩: যারা রুটি জাতীয় খাবার পছন্দ করেন
ভাত খেতে পারেন না বা খেতে চান না তাদের জন্য এই ডায়েট চার্ট। অনুসরন করুন।
•২ টি পাতলা আটার রুটিঃ রুটিটি অবশ্যই আটার হতে হবে। লাল আটা হলে ভালো হয়। ময়দা ও পাউরুটি হলে চলবে না। কারন ময়দার রুটি ও পাউরুটি খেলে ওজন বাড়ে
•১/২ কাপ সবজিঃ কম তেলে বা তেল বিহীন সবজি আটার রুটির সাথে খেতে পারেন।
•১ টি ডিমের সাদা অংশঃ ডিম প্রোটিনের খুব ভালো একটি উৎস। ডিমের সাদা অংশে ক্যালোরি অনেক কম থাকে। কিংবা এক টুকরো মাছ বা মুরগির মাংস যা আপনার পছন্দ।
•১/২ টি ফলঃ আপেল কিংবা কমলা যে কোন ১ টি খাবেন। দই খেতে চাইলে ঘরে পাতা ৩/৪ টেবিল চামচ খেতে

🔴♦️বিকাল ৪ টার সময়:

এক কাপ মাখন বিহীন দুধ ও ডায়াবেটিক বিস্কুট।

🔴♦️ বিকাল ৫ টার সময়:

ফল। সাথে হাল্কা মুড়ি বা খই, ছোলা ভিজে বা শুকনো অর্থাৎ তেলছাড়া ভাজা।

🔴♦️রাত ৮:৩০ টার সময় খাবার-

আবার অনেকে রাতের বেলায় না খেয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করে যেটা সবচেয়ে ভুল সিদ্ধান্ত ।রাতের বেলায় না খেয়ে ঘুমালে শরীরের অনেক ক্ষতি হয় । রাতের বেলা খাবার না খেয়ে থাকলে লাভের থেকে ক্ষতির পরিমাণই বেশী। ওজন তো কমবেই না বরং স্বাস্থ্যহানি ঘটবে। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল চটজলদি ওজন কমাতে সহায়ক রাতের বেলার ডায়েট প্ল্যান। রাতে বেলা না খেয়ে থাকার চেয়ে এই ডায়েট চার্ট অনুসরণ করুন। দ্রুত ওজন কমাতে পারবেন।

রাতে একদমই কার্বোহাইড্রেট জাতীয় কোনও খাবার খাবেন না। হালকা খাবার খাবেন। স্যালাড নিন, সাথে ২ কাপ ডাল বা বিভিন্ন সবজির সূপ। থাই সূপ বর্জনীয়। একটুকরো পূর্বে বর্ণিত মাছ বা মাংস খান অবশ্যই।

সবচাইতে দ্রুত ওজন কমানোর জন্য
এই ডায়েট প্ল্যানটি যে কেউ অনুসরণ করতে পারেন খুব দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে। দ্রুত ওজন কমাতে খুবই কার্যকরী।

•আধকাপ হাই ফাইবার কর্ণফ্লেক্সঃ হাই ফাইবার কর্ণফ্লেক্স ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে কর্ণফ্লেক্স অবশ্যই চিনি ছাড়া হতে হবে। যদি চিনি ছাড়া খেতে না পারেন তবে খুব সামান্য মধু ( ১/৪ চামচ )ব্যবহার করতে পারেন।

•১ কাপ মাখন ছাড়া দুধঃ মাখন ছাড়া দুধে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক কম থাকে। তাই ডায়েট চার্টে ১ কাপ মাখন গরম দুধ অবশ্যই রাখবেন।

🔴🔴দিনের কোনও সময়েই তাজা শাক সবজি ও ফল খেতে মানা নেই। তবে আম, কলা, কাঁঠাল, লিচু, আঙ্গুর, কিসমিস, কাজু বা চিনা বাদাম ইত্যাদি ক্যালরিযুক্ত বা চর্বি যুক্ত ফল বর্জনীয়। সাথে কিছু এক্সারসাইজ করা যেতেই পারে।

🔴নিজেকে সারাদিন ফিট, চনমনে রাখতে আর অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে কিংবা ওজন কমাতে এক্সারসাইজ অপরিহার্য।

আপনার শরীর যে ধরনের এক্সারসাইজ বহন করতে পারে বা তার সহ্য ক্ষমতা যে ধরনের এক্সারসাইজকে ধারণ করতে পারে সে রকম এক্সারসাইজই বেছে নিন।
তবে এ সবকিছু করার জন্য আপনাকে মানতে হবে সহজ কিছু নিয়ম।

♦️নিয়ম ১

ওয়ার্মআপ করার জন্য বাড়ির ছাদে বা সামনের রাস্তা থেকে ২০ মিনিট হেঁটে আসুন। যদি বাড়িতে ট্রেডমিল থাকে তাহলে ১০ মিনিট ট্রেডমিলে দৌড়াতে পারেন। একেবারেই জায়গা নেই এমন হলে আপনি আপনার রুমেই স্বাচ্ছন্দ্যে দৌড়াতে পারেন।

♦️নিয়ম ২

এরপর পালা শুরু হবে স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ যার মাধ্যমে পিঠ, ঘাড়, হাত এবং পা ভালোভাবে স্ট্রেচ করা দরকার।

♦️নিয়ম ৩

এবার করুন কার্ডিওয়ার্ক আউট। একটু জোরে হেঁটে আসুন, আস্তে আস্তে গতি বাড়ান এরপর ১৫ মিনিট জগিং করতে পারেন। পুরো ৩৫ মিনিট করলে আপনার শরীরের জন্য যথার্থ উপকার পাবেন।

♦️নিয়ম ৪

নিজেকে কোল্ডডাউন করতে ৫ মিনিট একদম আস্তে আস্তে হাঁটুন পরে ৫ মিনিট স্ট্রেচ করতে পারেন। কিছু সহজ এক্সারসাইজ বাড়িতে ট্রাই করতে পারেন।

♦️নিয়ম ৫

সোজা হয়ে দাঁড়ান। হাত সোজা করে ঘরের সিলিংয়ের দিকে স্ট্রেচ করুন। এবার পায়ের আঙ্গুলের উপর ভর দিয়ে যতটা সম্ভব জোরে লাফান। মাটিতে নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে আবার লাফান কোনো ব্রেক দিবেন না। টানা এক মিনিট লাফাতে থাকুন। এক মিনিট ব্রেক দিয়ে আবার শুরু করুন। দশ-বারোবার এইভাবে লাফাতে পারেন। এর পরিবর্তে স্কিপিং ও করা যেতে পারে।

♦️নিয়ম ৬

মাটির উপর শুয়ে পড়ুন তারপর দুটি হাতের সাহায্যে মাটি থেকে উঠার চেষ্টা করুন। হাতে কোনো ভাঁজ যাতে না পড়ে। শুরুতে মোটামুটি ৫-১০টি পুশআপ দিতে চেষ্টা করুন। অনেক সময় এক হাতের উপর ভর দিয়েও পুশআপ করা যায়।

🔴এছাড়া আরও কিছু নিয়ম আপনাকে মানতে হবে।

উঁচু কোথাও উঠার সময় লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করুন।
রিক্সার পরিবর্তে পায়ে হাঁটার অভ্যাস করুন। নিয়মিত প্রতি মিনিটে ১১০ কদম হাঁটার অভ্যাস করুন ৩০-৪০ মিনিট পর্যন্ত কমপক্ষে।
নিজের কাজ নিজে কারার অভ্যাস করুন, যেমন কাপড় ধোয়া।
আপনার খাদ্যভ্যাস পরিবর্তন করুন।
অধিক ক্যালরি যুক্ত খাবারের পরিবর্তে কম ক্যালরি যুক্ত খাবার গ্রহন করুন। যেমন ফলমূল, শাকসবজি বেশি বেশি খেতে হবে।খাওয়ার সময় টেলিভিশন দেখবেন না।(টেলিভিশন দেখতে দেখতে খেলে বেশি খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে)
ফাস্টফুড এর পরিবর্তে ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহন করুন। রাতে ঘুমানোর ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন। চিরস্থায়ী ওজন কমাতে দরকার সময় এবং চেষ্টা। আপনার এ ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে এবং জীবনভর মেনে চলার একটি অভ্যাস তৈরি করতে হবে। বেশি বেশি জল পান করুন।দিনে কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। যারা কম খেতে চান তারা খাবারের আগে জল খেতে পারেন পারেন তাতে খাওয়ার পরিমান কমে যাবে।খাওয়া শেষ হওয়ার সাথে সাথে বেশি জল খাবেন না, আধ ঘণ্টা পর বেশি জল খান। ব্যালেন্স ডায়েটের পাশাপাশি ওজন কমানোর জন্য ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম, সাঁতার কাটা, সাইক্লিং, জগিং ইত্যাদি বেশ কাজ দেয়। এগুলোর ব্যাপারে মনোযোগী হোন। তাই নিয়ন্ত্রিত খাবারের পাশাপাশি শরীর চর্চার জন্য একটি স্পেশাল রুটিন তৈরি করে নিতে পারেন।

🔴সেই রুটিনটা হতে পারে এ রকম :

সোমবার-৩০ মিনিট সাঁতার কাটা।
মঙ্গলবার-২০ মিনিট জগিং।
বুধবার-৪০ মিনিট হাঁটা।
বৃহস্পতিবার-২০ মিনিট জগিং।
শুক্রবার-৩০ মিনিট সাঁতার কাটা।
শনিবার-২০ মিনিট জগিং।
রবিবার-বিশ্রাম।

কি খুব কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে মনে হচ্ছে! একটু তো কষ্ট করতেই হবে। কথায় আছে না, কষ্ট করলেই কেষ্ট মেলে! এই একটুখানি কষ্টের পর এখন ওজন মাপার মেশিনে দাঁড়িয়ে দেখুন,৩০ দিনে আপনার ওজন অন্তত ৫-৭ কেজি তো অবশ্যই কমেছে। সব কষ্ট ভুলে নিশ্চয়ই এখন আপনার মুখে হাসি ফুটেছে!

09/06/2026

Group Posedown 💪

05/06/2026

The ultimate Front Double Biceps breakdown. 💥 Arnold's classic 55" chest and 22" peaks, or Big Ramy's freakish 59" chest and 23.5" arms? Pick your ultimate winner! 🐐🏆

03/06/2026

জীবনে অসম্ভব বলে কিছু হয় না💯। হার না মানা জেদ আর কঠোর পরিশ্রম করলে শূন্য থেকেও ইতিহাস লেখা যায় ।
স্যামসন দাউদা সেটা শুধু মুখে বলেননি - গোটা পৃথিবীকে করে দেখিয়েছেন 🌍👇💪।

Nigeria থেকে UK, সারাদিন কনস্ট্রাকশন সাইটে শ্রমিকের কাজ করতেন Samson Dauda 💦।
ক্লান্ত শরীর নিয়ে রাতের বেলা জিমে ঘাম ঝরাতেন 🏋️‍♂️
লোকে বলতো "শ্রমিকের কাজ করে বডিবিল্ডার হওয়া যায় নাকি?" 🤔

কিন্তু তিনি থামেননি । হার মানেননি ।
চেষ্টা করেছেন, কঠোর পরিশ্রম করেছেন, স্বপ্ন দেখেছেন 🦁🔥

আজ তিনি Samson Dauda - Mr. Olympia 2024 🥇
The Nigerian Lion - $600,000 Winner 💰🏆

এই সাফল্যের পিছনে আছে:
✅ নিয়মিত চেষ্টা
✅ কঠোর পরিশ্রম
✅ হার না মানা জেদ 💯

মনে রেখো: 🌍
পৃথিবীতে এমন কোনো কাজ নেই যেখানে নিয়মিত চেষ্টা এবং কঠোর পরিশ্রম করলে সফল হওয়া যায় না ।
কঠোর পরিশ্রম করলে অসম্ভব বলে কিছু নেই পৃথিবীতে 💪😤।

——-
——-

🎯একটা সাফল্য শূন্য পকেট থেকে কোটিপতি বানিয়ে দেয়:💰

🥺
স্যামসন দাউদা আগে UK তে কনস্ট্রাকশন সাইটে শ্রমিক + কেয়ার হোমে মেইনটেন্যান্সের কাজ করতেন 👷‍♂️। মাস গেলে হাতে থাকতো সামান্য কয়েকশো পাউন্ড । বডিবিল্ডিং এর ডায়েট-সাপ্লিমেন্টের খরচ চালাতে হিমশিম খেতেন 😔
কোভিডের সময় চাকরিও চলে যায় । ব্যাংক ব্যালেন্স প্রায় শূন্য ছিল । স্বপ্ন ছিল, কিন্তু টাকা ছিল না ।

🌟🌟

এখন 🏆💰:
Mr. Olympia 2024 জিতে প্রাইজমানি: $600,000 ডলার = প্রায় ₹5 কোটি টাকা 🏆💰
Arnold Classic 2023 জিতে: $300,000 ডলার = প্রায় ₹2.5 কোটি টাকা 🥇
বর্তমান Net Worth: $500,000 থেকে $1 Million ডলার = প্রায় ₹4.17 কোটি থেকে ₹8.35 কোটি টাকা 💵📈
এখন শুধু খাবারের পেছনেই মাসে খরচ করেন $4,800 ডলার = প্রায় ₹4 লাখ টাকা 🍗🥩 670d

শ্রমিক থেকে লিজেন্ড, শূন্য থেকে কোটিপতি - এটাই কঠোর পরিশ্রমের পাওয়ার 💪🔥

একটা বাস্তব সত্য হলো: 💯
তুমি শ্রমিক হও বা গরিব , ব্যাকগ্রাউন্ড যাই হোক -
স্বপ্ন বড় রাখো, কঠোর পরিশ্রম আর চেষ্টা চালিয়ে যাও 🔥সাফল্য একদিন তোমার দরজায় কড়া নাড়বেই 🚪


31/05/2026

"ইনশাআল্লাহ"আমরা ফিরছি — ৫ জুন, ৬ PM🏋️‍♂️

29/05/2026

🔥💪 GRAND EID REOPENING OFFER 2026 💪🔥

🏋️ Dalas Gym And Fitness Center is back stronger than ever!

💥 Admission Fee: 1500৳
💸 Monthly Fee: Only 500৳
💳 Join with 2000৳ (Prepaid System)

🎓 SPECIAL STUDENT PACKAGE 🎓
✨ No Admission Fee
🔥 3 Months Only 2000৳ 🔥

👦 Separate timing for Boys
👧 Separate timing for Girls

🦸‍♂️ Be Your Own Hero 💪
🏆 Train Hard • Build Strength • Transform Yourself

📍 Lalbag Rail Gate, College Road, Rangpur
📞 Trainer: 01705035716
📞 Owner: 01716101339

📩 Message us on WhatsApp for details & joining!

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

লালবাগ, রেল গেট, কলেজ রোড, রংপুর।
Rangpur
5400

Opening Hours

Monday 14:00 - 18:00
18:00 - 22:00
Tuesday 14:00 - 17:00
18:00 - 22:00
Wednesday 14:00 - 18:00
18:00 - 22:00
Thursday 14:00 - 18:00
18:00 - 22:00
Saturday 14:00 - 18:00
18:00 - 22:00
Sunday 14:00 - 18:00
18:00 - 22:00