11/01/2026
গতোকাল ১০ জানুয়ারি ২০২৬ এর কোয়াব কাপের মীরশংকর ক্রীড়া চক্রের ১ম রাউন্ডের ২য় ম্যাচ দিয়ে একটা বর্ণিল ক্যারিয়ারের ইতি টানেন ক্লাবের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন শাহীন।
ক্লাবের হয়ে শাহীনের বর্ণিল ক্যারিয়ারের শুরুটাও ছিলো রঙিন। ২০০৩ সালে ব্যক্তিগত অভিষেক ম্যাচেই ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় মাত্র ৯৩ রানের ইনিংসের মধ্যে ৩৩ রান এবং বোলিংয়ে অবিশ্বাস্য হ্যাট্রিক সহ ৫ উইকেট নিয়ে নিজের আধিপত্যের যাত্রার জানান দিয়ে পথচলা শুরু শাহীনের। এরপর থেকে ধারাবাহিক পারফরমার হয়ে দলের অপরিহার্য সদস্য হিসেবে খেলে গিয়েছেন। কখনও মিডল অর্ডারে নেমে সময়োপযোগী ব্যাটিং করে , আবার কখনও টপ অর্ডারে নেমে লম্বা ইনিংস খেলে দলের জয়ের ভীত গড়ে, আবার কখনও লোয়ার অর্ডারে বিপক্ষের বোলারদের উপর ত্রাস হয়ে টর্নেডো ইনিংস খেলতেন শাহীন। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও ছিলো চমকপ্রদ নৈপুণ্য। গতি, সুইংয়ের দারুণ সমাহার। তবে শাহীনের সবচেয়ে স্পেশাল গুণ ছিলো তার ফিল্ডিং। দুর্দান্ত সব ক্যাচ এবং ফিল্ডিংয়ে তৎকালীন কুলাউড়ার অন্যতম সেরা ফিল্ডার ছিলেন শাহীন।
মাঝখানে পড়ালেখা এবং কর্মব্যস্ততায় ক্রিকেট থেকে কিছুদিন দূরে থাকার পরে ২০১৬-১৭ মৌসুমে কর্মস্থল হিসেবে এলাকায় পোস্টিং হওয়ার পরে নতুন উদ্যোমে ক্রিকেটে ফিরেন তিনি। তখন ক্লাব ম্যানেজমেন্ট ও ক্রিকেট বলে চ্যাম্পিয়নশিপের আশায় শাহীন কে অধিনায়ক ঘোষণা করে দল ঘোষণা করে। অধিনায়কত্ব পেয়ে ম্যানেজমেন্টের আস্থার প্রতিদান দিতে একটুও কার্পণ্য করেন নি তিনি, প্রথম মৌসুমেই কুলাউড়া উপজেলার প্রথম সাদা বলের ক্রিকেট বলের টুর্নামেন্টে কটারকোনায় দলকে চ্যাম্পিয়ন করান। ঠিক তার পরের সিজনেই কুলাউড়া উপজেলার সবচেয়ে সম্মানজনক টুর্নামেন্ট সিপিএ তে ক্লাবের বহুল আকাঙ্ক্ষিত ট্রফির স্বাদ আসে শাহীনের হাত ধরেই। একই বছর কটারকোনার সাদা বলের টুর্নামেন্টের ২য় আসরে রানার্সআপ হন।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে জেপিএলের ক্রিকেট বলের টুর্নামেন্টে প্লেয়ার হিসেবে ক্রিকেট বলের টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বরূপ তার মুকুটে আরেকটি পালক যুক্ত হয়।
খেলাধুলার পাশাপাশি একজন সফল ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে ক্লাব এবং খেলোয়াড়দের উন্নয়ন নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন শাহীন। শুধুমাত্র ক্রিকেট নয়, ফুটবলেও খেলোয়াড়দের নিয়ে কাজ করেন শাহীন, তার হাত ধরেই অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় নিজেদের প্রতিভার বিকাশ করে যাচ্ছে।
আজ শাহীনের অবসরের মাধ্যমে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে শুধুমাত্র তার প্রতি কৃতজ্ঞতাই জ্ঞাপন করতে পারি, তবে প্রত্যাশা রাখি বরাবরের মতো নিজের তুখোড় মেধা,শ্রম এবং সময়োপযোগী উপদেশের মাধ্যমে নতুন জেনারেশনের খেলোয়াড়দের সহযোগিতা করার মধ্য দিয়ে আমাদের ক্লাব তথা এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।
আমরা মীরশংকর ক্রীড়া চক্র শাহীনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।।
23/11/2024
আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী প্রাইজমানি ও প্রাইজমানি ট-২০ টুর্নামেন্টের আজকের ম্যাচে মীরশংকর ক্রীড়া চক্র র ইমার্জিং অলরাউন্ডার Mohammad Musaddik Hossain ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত৷
08/11/2024
জনাব বিশ্বজিৎ দাস।
আমাদের ক্লাবের নিয়মিত ডোনার৷ আমাদেরকে ৫,০০০/- টাকা দিয়ে দুটি টেপ টেনিস ব্যাট উপহার দিয়েছেন৷
মীরশংকর ক্রীড়া চক্র ক্লাবের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি৷
30/08/2024
আজ ৩০ শে আগস্ট ২০২৪ ইং মীরশংকর ক্রীড়া চক্রের বর্তমান সময়ের তারকা অলরাউন্ডার এবং পোস্টার বয় হোসাইন মোহাম্মদ আব্দুল হাদীর প্রবাস যাত্রা উপলক্ষে একটি বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাদীর প্রবাস জীবনের সুস্থতা এবং সমৃদ্ধি কামনা করে সম্মাননা স্বরূপ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি জাহেদুর রহমান জায়েদ, আজীবন সেক্রেটারি এম এ ওয়াদুদ, ক্লাবের প্রাণপুরুষ উপদেষ্টা কাওছার হোসেইন বাবলু, দলীয় টিম ম্যানেজার শিপলু সুলতান, কোয়াব কুলাউড়ার সম্মানিত সহ সভাপতি রবিউল আওয়াল মিন্টু, মীরশংকর ক্রীড়া চক্রের সাবেক সফল অধিনায়ক সাজ্জাদ হোসেন শাহীন এবং অসিত দাস, বর্তমান অধিনায়ক সুহেল আহমেদ, ক্লাবের শুভাকাঙ্ক্ষী ফজলুল হক, ইব্রাহিম মুসাফির, জনাব আলী হোসেন, আমীর হোসেন, শফিক আহমেদ সহ সাবেক এবং বর্তমান খেলোয়াড়দের একাংশ।
আমরা মীরশংকর ক্রীড়া চক্র আমাদের এই তারকা ক্রিকেটারের সাময়িক বিচ্ছেদে ব্যথিত, তার শূন্যতা অপূরণীয়। হাদী মীরশংকর ক্রীড়া চক্রের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তবুও আমরা আশা করি বরাবরের মতো হাদী দেশে থেকে যেভাবে আমাদের ক্লাব কে একপাশে আগলে রেখে সার্ভিস দিয়ে গেছে দেশের বাইরে থেকেও ক্লাবকে নিজের মতো করে পরামর্শ এবং সহযোগিতা করে যাবে। আমরা হাদীর প্রবাস জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য এবং সমৃদ্ধি কামনা করি এবং তার শারীরিক সুস্থতা কামনা করছি।
26/06/2024
আজ ২৬/০৬/২০২৪ ইং
কুলাউড়া ক্রিকেটের এক সময়ের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার, বর্তমান সফল ক্রীড়া সংগঠক ও সমাজ সেবক, মীরশংকর ক্রীড়া চক্রর প্রাণপুরুষ প্রিয় মোহাম্মদ কাওছার হোসেইন বাবলু ভাইয়ের ৩৮ তম জন্মবার্ষিকীতে মীরশংকর ক্রীড়া চক্র পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও শুভকামনা।
এক নজরে কাওছার হোসেইন বাবলু ভাই-
নামঃ মোহাম্মদ কাওছার হোসেইন বাবলু
পজিশনঃ পেস বোলিং অলরাউন্ডার।
অন্য নামঃ (হাসিম আমলা)
👉কাওছার ভাই মীরশংকর ক্রীড়া চক্রর সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার, বর্তমানে ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা।
👉বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুলাউড়া উপজেলা দলিল লেখক সমিতির কোষাধ্যক্ষ,
👉কুলাউড়া ক্রিকেটের উজ্জ্বল নক্ষত্র,
👉 মীরশংকর ইসলামী-সমাজ কল্যাণ পরিষদ এর উপদেষ্টা,
👉 পরিচালকঃ স্পোর্টস কুলাউড়া
👉কোয়াব - কুলাউড়া শাখার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক,
👉সিপিএ-কুলাউড়ার কোষাধ্যক্ষ,
👉 চেয়ারম্যানঃ মেডি হেলথ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কুলাউড়া।
খেলাধুলা, ব্যবসা ও সমাজ কল্যাণমূলক কাজের জন্য কাওছার হোসেইন বাবলু কুলাউড়া সহ বৃহত্তর মৌলভীবাজার জেলার মধ্যে অন্যতম পরিচিত মুখ।
বাবলু ভাই ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, ফুটবল সহ অন্যান্য খেলায় সমান পারদর্শী ছিলেন। ফুটবল খেলায় ভালো খেলার সাথে চমৎকার ফ্রি কিক নিতে পারতেন। ব্যাডমিন্টন খেলায় ভালো রেকেট না থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানের রেকেট নিয়ে খেলতেন। এর পরও ব্যাডমিন্টনে কুলাউড়া উপজেলার সেরাদের মধ্যে একজন ছিলেন। অন্যান্য খেলায়ও সমান পারদর্শিতা ছিলো। কিন্তু সবচেয়ে বেশী আগ্রহ ছিলো ক্রিকেট খেলায়। যার ফলশ্রুতিতে আমরা পেয়েছি ক্লাবের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা পেস বোলিং অলরাউন্ডার।
অসাধারণ গতি ও সুইংয়ের সাথে ভালো লাইন-ল্যাংথে বোলিং করার ক্ষমতার থাকায় কুলাউড়া, ফেঞ্চুগঞ্জ, জউড়ী, বড়লেখা, রাজনগর সহ আশেপাশের এলাকাজুড়ে সেরা পেইস বোলারদের মধ্যে কাওছার হোসেইন বাবলু ভাইর দারুণ জনপ্রিয়তা ছিলো।
উনার বোলিং এতো ভয়ংকর ছিলো যে, প্রায় প্রতি ম্যাচে ১ম বলে উইকেট শিকার করতেন। বেশির ভাগ ম্যাচেই ১ম ওভারে উইকেট নিতে পারতেন। ব্যাটসম্যান কিছু বুঝে উঠার আগেই দেখতো স্ট্যাম্প নেই অথবা বল ব্যাটে লেগে কিপার বা স্লিপে ক্যাচ হয়ে গেছে।
বোলিংয়ের সময় মনে হতো পিচে যেন আগুনের গুলা ছুড়ছেন। গতি ও সুইংয়ের এক অভিনব মিশ্রণ থাকায় ব্যাটসম্যানদের কাছে কাওছার বাবলু এক মূর্তিমান আতংককের নাম ছিল। উনার বোলিং যারা দেখেছেন তারা বলতে পারবেন উনার বলে কিরকম পেইস ছিল।
প্রায় প্রতি ম্যাচেই ৩-৪-৫ টা করে উইকেট শিকার করতেন। কাওছার ভাই বোলিংয়ের কোটা পূরণ করেছেন আর উইকেট পাননি, এরকম ম্যাচ নেই বললে চলে।
বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিংয়েও সমান পারদর্শী ছিলেন। দলের ওয়ান ডাউনের ব্যাটিং স্তম্ভ ছিলেন। দলের পক্ষে বাবলু+লিমন জুটি ছিলো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য জুটি।
বাবলু ভাইয়ের অসংখ্য ম্যাচ জয়ী ইনিংস আছে। ক্রিকেট বলে শতরান না পেলেও পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস রয়েছে অসংখ্য।
বোলিং-ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডার হিসেবেও খুব ভালো ছিলেন। মাঝেমধ্যে দলের প্রয়োজনে কিপিংও করতেন। এককথায় ১০০% অলরাউন্ডার।
মাঠে উনার উপস্থিতি দলের বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাত। দলের সবাইকে সর্বদা চাঙা রাখতেন।
ব্যাক্তিগত ঝুলিতে অগণিত ম্যান অব দ্যা ম্যাচ, ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট রয়েছে। উনার ম্যান অব দ্যা ম্যাচের শুধু মেডেল সংখ্যাই ছিল প্রায় ৬০-৭০ টির মত। সেই সাথে দলগত সাফল্যরূপ মীরশংকর ক্রীড়া চক্রের প্রায় সবগুলো ট্রফিতে উনার রয়েছে প্রত্যক্ষ অবদান। ক্লাবের পাশাপাশি অন্যান্য দলের পক্ষেও অনেক ট্রফি ছুয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো
🏆 ইলিভেন স্টার ক্লাবের পক্ষে খেলে উনার বোলিং+ব্যাটিং পারফরমেন্স দিয়ে সিপিএ ২য় বিভাগ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন।
🏆২০১৭ সালের টি-২০ গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট - কটারকোনার চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য,
🏆২০১৮ সালের সিপিএ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের অফিসিয়াল
🏆২০২৩ সালের জেপিএল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য। এছাড়াও
ক্লাবের পক্ষে ২০১৫ সালের সিপিএ টুর্নামেন্টে দলকে সেমিফাইনালে নিয়ে যেতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছিলেন।
খেলাধুলার পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই একজন সফল ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে উদীয়মান খেলোয়াড়দের সঠিক পরামর্শ, আর্থিক সহায়তা সহ অন্যান্য সহযোগীতা দিয়ে সাহায্য করে আসছেন। অনেক সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের বাছাই করে বিভিন্ন ক্লাবে যুক্ত করেছেন, তাদের ক্যারিয়ার শুরু করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। সকল ধারার খেলোয়াড়দের জন্য উনার রয়েছে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।
ক্রীড়াঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক কল্যাণমুখী কাজেও অবদান রেখে আসছেন।
ভালো ব্যাক্তিত্ব ও মেধাবী-বিজ্ঞ হিসেবে এলাকা সহ মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন সংঠনের দায়িত্বশীল হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। গরিব দুঃখী মানুষের সেবায় সবসময় নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে সহযোগিতা করে থাকেন। কুলাউড়ার সমাজ কল্যাণমুলক সংগঠন গুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় সংগঠন " মীরশংকর ইসলামী-সমাজ কল্যাণ পরিষদ " এর একজন সফল সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের ও এলাকার সেবা করেছেন। বর্তমানে সমাজ কল্যাণের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
কর্ম জীবনে একজন মেধাবী,বিজ্ঞ এবং দক্ষ দলিল লেখক ও সার্ভেয়ার। সেই সাথে একজন সফল উদ্যোক্তা ও ব্যাবসায়ী।
ব্যক্তিগত জীবনে দুই কন্যা সন্তান ও এক পুত্র সন্তানের পিতা।
কাওছার ভাইয়ের জন্মদিনে মীরশংকর ক্রীড়া চক্র পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।
আল্লাহ পাক কাওছার হোসেইন বাবলু ভাইয়ের নেক হায়াত দান করুন, আমীন
16/05/2024
শুভ জন্মদিন মীরশংকর ক্রীড়া চক্রের "Powerhouse' খ্যাত তারকা অলরাউন্ডার Shukur Bin Abdullah. তীব্র গতিতে ইকোনমিক্যাল বোলিংয়ের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তোলে নেওয়ার দুর্দান্ত প্রতিভা রয়েছে শুকুরের মধ্যে। তাছাড়াও স্লগ ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমে বোলারদের উপরে রীতিমতো তান্ডব চালাতে পছন্দ করেন শুকুর। প্রায় বেশিরভাগ সময়েই স্লগ ওভারে নামলে ২০০ এর উপরে স্ট্রাইক রেট রেখে নট থেকে মাঠ ছাড়তে দেখা যায় তাকে । পারিবারিক ব্যস্ততায় ক্রিকেটে তেমন একটা সময় দিতে পারেন না কিন্তু যখনই তার দলের তাকে প্রয়োজন হয় মাঠে নেমে নিজের জাত চিনিয়ে দিতে একটুও ভুল করেন না শুকুর।
শুকুরের জন্য মীরশংকর ক্রীড়া চক্র পরিবার থেকে রইলো অসংখ্য শুভকামনা এবং ভালোবাসা।
15/05/2024
বার্থডে স্পেশালঃ
আজ ১৫/০৫/২০২৪ ইংরেজি
মীরশংকর ক্রীড়া চক্রর সভাপতি মোঃ জায়েদুর রহমান জায়েদের জন্মবার্ষিকী।
জায়েদুর রহমান ক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি। ১৯৯৩ সালে মীরশংকর ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে আজ পর্যন্ত ক্লাবের একজন সফল খেলোয়াড় ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ক্লাবের সুখে-দুঃখে সব সময় অগ্রণী ভূমিকা রেখে আসছেন।
খেলোয়াড় হিসেবে দলের সফল অপেনার ব্যাটসম্যান ও স্পিনার হিসেবে উনার যথেষ্ট নাম ডাক ছিলো।
দীর্ঘসময় ব্যাটিং করার এবিলিটি ছিলো। এমনও ম্যাচ আছে যেখানে উনি ইনিংসের প্রথম বল ও শেষ বল মোকাবেলার রেকর্ড আছে।
বল হাতেও অনেক ম্যাচে দলের প্রয়োজনে অবদান রেখেছেন। বল হাতে উনার উল্লেখযোগ্য রেকর্ড হলো ০৪ ওভার ১ মেডেন ৫ রান ৪ উইকেট।
খেলা থেকে অবসর নেওয়ার পর একজন সফল ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে ক্লাবের ও খেলোয়াড়দের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সেই সাথে নানা সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে মীরশংকর ও পার্শবর্তী এলাকায় অনেক জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে নেজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে কুলাউড়াস্থ আবুল ইলেক্ট্রনিক্সের স্বত্বাধিকারী ও একজন সফল ব্যাবসায়ী হিসেবে সুপরিচিত।
জায়েদুর রহমানের শুভ জন্মবার্ষিকীতে মীরশংকর ক্রীড়া চক্রের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।