আমরা গাছ লাগাইয়া সুন্দরবন পয়দা
করি নাই। স্বাভাবিক অবস্থায়
প্রকৃতি এটাকে করে দিয়েছে
বাংলাদেশকে রক্ষা করার জন্য।
বঙ্গোপসাগরের পাশে দিয়ে যে
সুন্দরবনটা রয়েছে এইটা হলো
বেরিয়ার। এটা যদি রক্ষা করা না হয়
তাহলে একদিন খুলনা, বরিশাল,
পটুয়াখালী, কুমিল্লার কিছু অংশ,
ঢাকার কিছু অংশ এ পর্যন্ত সমস্ত
এরিয়া সমুদ্রের মধ্যে চলে যাবে এবং
এগুলো হাতিয়া, সন্দ্বীপের মতো
আইল্যান্ড হয়ে যাবে। একবার যদি
সুন্দরবন শেষ হয়ে যায়—তো সমুদ্র
যে ভাঙন সৃষ্টি করবে সেই ভাঙন
থেকে রক্ষা করার কোনও উপায় আর
নাই।'...
— বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
[১৯৭২ সালের ১৬ জুলাই ঢাকার
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু
বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উদ্বোধন করেন।
সেই উপলক্ষে জনসভায় ভাষণে তিনি
এই কথা বলেন।
Rising Stars
Sporting & social working club
Mahi Al Jawad
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি? আপনার
থেকে আমাদের শেখা লাগবে না
জনাব। আমরা ওঠাবসা করি আমাদের
হিন্দু ভাইদের সাথে। তাদের সাথে
মিশি। একই ক্যান্টিনে খাই। একই
গ্লাসে পানিও খাই। আমাদের জাত
যায় না হালাল খাওয়া খাইতে।
আমাদের রমাদ্বানে তারাও আমাদের
থেকে গোপনে খায়। তারা শ্রদ্ধা
করে ইসলামকে। আমরা আলোচনা
করি দ্বীন নিয়ে, শেষ নবী নিয়ে।
বিতর্ক করি, ঝগড়া করি না। একে
অপরকে সাহায্য করি। তাদের উপর
কোন জুলুম হলে রুখে দাঁড়াই।
তাদের পুজোয় আমরা যাই না। কারণ
এটা ইসলামে আল্লাহর সাথে শিরকে
সঙ্গ দেওয়া তুল্য। আবার তাদেরকে
আমরা আমাদের কুরবানে গরু
জবাইয়ের সময় গরুর শিং চেপে ধরতে
ডাকি না। কারণ, আমরা জানি তাদের
ধর্মে গোহত্যা নিষিদ্ধ না হলেও
এতে তারা তাদের ধর্মবিশ্বাসে
আঘাত পায়। এতে আমাদের
সম্প্রীতি কোন অংশে কমে নাই।
তারা আমাদের ঈদের শুভেচ্ছা
জানায়। আমরাও তাদেরকে ভালবাসি
আর সত্যের পথে আহবান করি।
প্রকাশ্যে বা গোপনে কখনোই
তাদের ভগবানকে নিয়ে মন্দ কথা বলি
না। কারণ, আল্লাহ এটা হারাম
ঘোষণা করেছেন(সূরা আন'আম,
আয়াত: ১০৮)। এতে তারাও
ইসলামকে সন্মান করে। আমাদের
ভালবাসে।
তাই আপনার থেকে আমাদের
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পাঠ
নেওয়ার কোন দরকার নাই। যদি
আপনি মনে করেন যে সম্প্রীতি
দেখাইতে একজন মুসলমানকে
আল্লাহর সাথে শিরক করতে হবে
কিংবা হিন্দুকে জুমু'আর স্বলাহ
আদায় করতে হবে তাহলে আপনার
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সংজ্ঞাটা
জানায় ভুল আছে।
Zunayed Evan
আমি দেখলাম একটা ছোট কুকুরের
বাচ্চার মাথা থেতলে গেছে। গলা
থেকে রক্ত গড়িয়ে গড়িয়ে রাস্তার এক
পাশের গর্তে একটা ছোট পুকুর তৈরি
হল। কুকুরটা যখন পেছনের একটা পা
একটু করে নাড়াল তখন আমার কষ্টটা
বেড়ে গেল; আমি বুঝলাম তার মৃত্যু
যন্ত্রণা এখনো শেষ হয় নি।
আমি মুখ থেকে ওহহ! জাতীয়
দীর্ঘশ্বাস ফেলে একটা চায়ের
দোকানে গিয়ে বসলাম। কুকুরটার কথা
যখন আমি প্রায় ভুলেই গেছি তখন
দেখলাম তিনজন যুবক তাকে কোলে
নিয়ে একটা গাড়ির পেছনের সীটে
বসাল। তারা একটা প্রায় মৃত
বেওয়ারিশ কুকুরকে পশু হাসপাতালে
নিয়ে যাচ্ছে এই দৃশ্যটা অনেকটা
আমার শার্টের কলার ধরে বুঝিয়ে
দিয়েছে, মুখ দিয়ে ওহহ শব্দ করে
কেটে পড়া কতটা হৃদয়হীনতার নমুনা
হতে পারে।
একবার এক তুফান বৃষ্টির রাতে আমি
মেডিক্যালের সামনের রাস্তায় এক
বাচ্চা শিশুকে কাঁদতে দেখে দাড়িয়ে
গেলাম। শিশুটির পাশে তার মা
ঘুমিয়ে আছে দেখে আমার উৎকণ্ঠা
আরও বেড়ে গেল। কেন মানুষটা এই
ঝড়ের রাতে তার শিশুকে নিয়ে
অন্তত একটা সানসেডের নিচে
আশ্রয় নিল না; এইসব ভেবে ভেবে
আমার কাছে তার জননীকে পৃথিবীর
সব থেকে হৃদয়হীন মা মনে হল।
ঝড় যখন বেড়েই চলছিল, আশে
পাশের ফার্মেসী গুলো যখন সাটার
লাগাতে শুরু করল, বাচ্চাটি যখন
কাঁদতে কাঁদতে শীতে কাঁপার
শক্তিটাও হারিয়ে ফেলছিল এবং
তখনো তার মা'কে সাড়াশব্দহীন
দেখার এক পর্যায় বুঝলাম আমি
আসলে দাড়িয়ে দাড়িয়ে পৃথিবীর
ইতিহাসের সব থেকে হৃদয় বিদারক
দৃশ্যটা দেখছি।
একটা সহায়সম্বলহীন মা ঝড়ের রাতে
মেডিক্যালের ফুটপাতে আড়াই তিন
বছরের বছরের বাচ্চাকে ফেলে দিয়ে
শীতে কাঁপতে কাঁপতে নিঃশব্দে মরে
গেল !!! এর চেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য
পৃথিবীতে আর কী হতে পারে ??
শুরু করেছিলাম একটা বেওয়ারিশ
কুকুরের বাচ্চাকে নিয়ে। শেষ করব
বেওয়ারিশ মানুষের বাচ্চার কথা
লিখে।
ভোরে যখন বাচ্চাটাকে নিয়ে আমার
মত কিছু আমজনতা মেডিকেল
হাসপাতালে গেল তখন ডাক্তারদের
ব্যবহার আমাকে রীতিমত আতংকিত
করেছিল। তারা ফর্ম দিল। পুলিশ
ভেরিফিকেশন হবে। কাগজপত্রের
ব্যাপার। বেওয়ারিশ বাচ্চার দায়িত্ব
কে নিবে? তখন সেখানে ইন্টার্নি
করে এরকম একজন ডাক্তার আমাকে
বেশ কিছু সত্য বুঝিয়ে দিল। একটা
বেওয়ারিশ বাচ্চা রাস্তা থেকে তুলে
হাসপাতালে এনে দিয়ে নিজেকে মনিষী
ভাবার কিছু নেই। আপনি বাচ্চাটার
দায়িত্ব না নিলে এই বাচ্চাটির
দায়িত্ব কে নিবে ? ডাক্তার ?
ডাক্তার কতজন বাচ্চার দায়িত্ব
নিবে ?
আমি এবং আমরা যখন মুখ দিয়ে ওহহ
জাতীয় শব্দ করে কেটে পড়ার
পায়চারা করছিলাম ঠিক তখন
হাসপাতালের ব্যাডের প্রায় বয়স্ক
এক মহিলা এই বাচ্চাটির সম্পূর্ণ
দায়িত্ব নিয়ে আমাদের শার্টের কলার
ধরে বুঝিয়ে দিল, মুখ দিয়ে ওহহ
জাতীয় দীর্ঘশ্বাস মানবতার না
কাপুরুষতার সিম্বল।
মানুষ আসলে সামাজিক জীব না।
মানুষ ব্যক্তিগত জীব। টেলিভিশনে
একটা লঞ্চ ডুবে যাবার দৃশ্য দেখে
আমরা মুখ দিয়ে ওহহ জাতীয় শব্দ
করে ঠিকই অন্য চ্যানেলে নাটক
সিনেমা দেখতে চলে যাই। একশজন
মানুষের মৃত্যু সংবাদের চাইতে নিজের
একশ ডিগ্রী জ্বর মানুষকে বেশি
ভাবায়।
তবু পৃথিবীটা এত আশ্চর্য রকমের
সুন্দর কেন জানো ? এই মানুষ
গুলোর বিচরণ সব জায়গাতেই আছে।
বাসে নিজের দাদার বয়সী কাউকে
দাড়িয়ে থাকতে দেখে তুমি যখন সীটে
বসে হেড ফোন লাগিয়ে রক মেটাল
গান শুনছো তখন দেখবে কেউ একজন
সীট ছেড়ে তোমার বিবেগের কলার
চেপে ধরে সামনের মোড়ে নেমে চলে
গেছে।
স্টাররা আছেন নাকি?
রাইজিং স্টার বাড্ডি অকল কইবা????
রাইজিং স্টার রা কোথায় ?
সাড়া দাও।
HaPpY NeW YeAr
সবাই কেমন আছেন?
আমাদের ক্লাবের উপদেষ্টা আব্দুল করিম সাচ্চুর পিতা জনাব আব্দুল গফুর সাহেব গতকাল রাত ১ঃ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল ফরমাইয়াছেন ।
আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা করি
কিতা খবর হখলর
17/11/2013
Logo of our club
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Sylhet