Life Lineヅ

Life Lineヅ share like follow

ঈদ মোবারক গায়েস
20/03/2026

ঈদ মোবারক গায়েস

আমি খুব বেশি টাকার মালিক না কিন্তু সুইডেন থেকে যতবার বাংলাদেশে গিয়েছি রাস্তাঘাটে পিঠার দোকানে , চায়ের দোকানে, কিংবা ঝালম...
03/12/2025

আমি খুব বেশি টাকার মালিক না কিন্তু সুইডেন থেকে যতবার বাংলাদেশে গিয়েছি

রাস্তাঘাটে পিঠার দোকানে , চায়ের দোকানে, কিংবা ঝালমুরির দোকানে, কিংবা রিক্সাওয়ালার সাথে কোন ধরনের দাম মুলামুলি আমি করিনাই। আল্লাহ চাইলে নেক্সট গেলেও করবো না।

২০ টাকার জন্য দাম মুলামুলি তাও আবার ফুলের বিক্রেতার কাছে!! ভাংতি না থাকলে একটা মালা কম নিলেও তো হত।

আল্লাহ মনের দিক থেকে এত গরীব বানাইওনা আর যাই করো 🥹

বাংলাদেশীরা কেন ইউরোপের এক দেশ থেকে আরেক দেশে পালায়?শুনলে হাসবেন! 🤣ইতালি, ফ্রান্স, পর্তুগাল —এদেশগুলোতে না গেলে নাকি বি...
03/12/2025

বাংলাদেশীরা কেন ইউরোপের এক দেশ থেকে আরেক দেশে পালায়?
শুনলে হাসবেন! 🤣
ইতালি, ফ্রান্স, পর্তুগাল —
এদেশগুলোতে না গেলে নাকি বিয়ে হয় না! 🙈

বাংলাদেশি কিছু মেয়ের পরিবারের “ইউরোপ জ্ঞান” 🤣🤣

মেয়ের পরিবার – ১

👦 ছেলে থাকে: Luxembourg
💶 বেতন: €5000

👨‍👩‍👧 মেয়ের পরিবার:
— “না না! বিয়ে দেবো না!

— “ইতালি থাকলে বিয়ে দিতাম।”

🇮🇹 Italy salary: €1500
👉 Logic: 5000 ইউরো = না
1500 ইউরো = হ্যাঁ
বাংলাদেশি গণিত 😅

⸻

মেয়ের পরিবার – ২

👦 ছেলে থাকে: Austria
💶 বেতন: €4000

👨‍👩‍👧 মেয়ের পরিবার:
— “না না! অস্ট্রিয়ায় বিয়ে দেবো না…
ফ্রান্সে থাকলে দিতাম!”

🇫🇷 France salary: €2000
👉 Logic: 4000 ইউরো = না
2000 ইউরো = হ্যাঁ
বাংলাদেশি গণিত 😅

⸻

মেয়ের পরিবার – ৩

👦 ছেলে থাকে: Monaco
💶 বেতন: €4500

👨‍👩‍👧 মেয়ের পরিবার:
— “Monaco-তে থাকা মানে খুব luxury… না না বিয়ে না!”
— “Portugal-এ থাকলে দিতাম!”

🇵🇹 Portugal salary: €600
👉 মেয়ের পরিবার: “600 চলবে, 4500 চলবে না!”
🤣🤣🤣

⸻

শেষ কথা:

বেতন-টেতন কিছুই না…
বাংলাদেশি কিছু পরিবারের নিজস্ব একটা “EU স্কেল” আছে—
যেটা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে পাওয়া যায় না! ইউরোপ মানেই ইতালি, ফ্রান্স, পর্তুগাল ইত্যাদি 😀

লেখক: Md Fahim Hossain

লাইফে টাকার গুরত্ব তখন বুঝতে পারবেন যখন দেখবেন মার্কেটে আপনার আদরের সন্তান একটা খেলনা পছন্দ করেছে কিন্তু আপনি কিনে দিতে ...
02/12/2025

লাইফে টাকার গুরত্ব তখন বুঝতে পারবেন যখন দেখবেন মার্কেটে আপনার আদরের সন্তান একটা খেলনা পছন্দ করেছে কিন্তু আপনি কিনে দিতে পারছেন না।

যখন দেখবেন স্ত্রী সহ বিয়েতে গিয়েছেন, আপনার স্ত্রীকে একদম ফিকে লাগছে।

শশুরবাড়িতে গিয়েছেন, আপনি এবং অন্য জামাই দুজনের প্রতি দুই রকমের ব্যাবহার এবং সমাদর।

আপনার বউয়ের গোমড়া মুখ দেখলে বুঝবেন টাকা কেনো প্রয়োজন। বউয়ের ছোট ছোট ইচ্ছেগুলো পুরন করতে না পারলে বুঝবেন টাকা কেনো প্রয়োজন।

সন্তান বায়না ধরে বসলো একটা সাইকেল লাগবে, বাবা হিসেবে তখন বুঝবেন টাকা কত প্রয়োজন।

পরিবার নিয়ে রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে বুঝবেন টাকা কেনো প্রয়োজন।

আপনার বউ যখন দেখবে, আপনার কাছে টাকা নেই বলে কেউ আপনাকে পাত্তা দেয় না, তখন বুঝবেন টাকা কেনো দরকার!!

টাকার গুরুত্ব তখন বুঝবেন যখন দেখবেন, আপনার কাছে টাকা নাই বলে আপনার সন্তানকে কেউ ওভাবে আদর করে না।

আপনার কাছে টাকা না থাকলে টাকার গুরুত্ব বুঝবেন।

হে যুবক!! রঙ ঢং করে দিন কাটিয়ে দিচ্ছো। তুমি কি জানো তোমার ভবিষ্যৎ কি হবে? টাকা কামাও আর আল্লাহর ইবাদত করো। যত বেশি টাকা কামাবা, ইবাদতের পরিমান তত বাড়িয়ে দিবা। টাকা কামানো যাবে, অহংকার কামানো যাবে না। যত বেশি টাকা, মাথা তত নত।

টাকা কবরে নিয়ে যাইতে পারবেন না। টাকার জন্য আমল ছাড়া যাবে না।

Earn money... You need this.

রিদওয়ান নারায়ণগঞ্জের এক গরিব পরিবারে জন্ম।বাবা নেই,মা মানুষের বাসায় কাজ করে সংসার চালান।ঘরের ভেতরে বৃষ্টির পানি পড়ে,ছাদে...
28/11/2025

রিদওয়ান নারায়ণগঞ্জের এক গরিব পরিবারে জন্ম।
বাবা নেই,
মা মানুষের বাসায় কাজ করে সংসার চালান।

ঘরের ভেতরে বৃষ্টির পানি পড়ে,
ছাদের কোনা দিয়ে মাটির গন্ধ ওঠে।
তবু ছেলে স্বপ্ন দেখে—
কিছু একটা হবে জীবনে।

রাতে বাসার বাইরে দাঁড়িয়ে
ফ্যাকাশে আলোয় ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করত,
কারণ ঘরে ইন্টারনেট ধরত না।

সেদিনও দাঁড়িয়ে ছিল রাস্তায়।
হঠাৎ একটা গ্রুপ কলে ঢুকল
ইংলিশ প্র্যাকটিসের জন্য।

সেখানেই প্রথম শুনল
একটা মেয়ের কণ্ঠ—
ইসাবেল রোমান।
আর্জেন্টিনা থেকে।

সে হাসলে মনে হয়
অপর প্রান্তে বসে কেউ সূর্য নিয়ে খেলছে।
রিদওয়ান বুঝল না—
এই কণ্ঠটা কেন তার বুকের ভেতর আলো জ্বালায়।

ইসাবেল ধনী পরিবারে জন্ম।
বাড়িতে তিনটা কুকুর,
দুইটা গাড়ি,
মা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক,
বাবা একজন আর্কিটেক্ট।

আর রিদওয়ানের মা?
ভোরে উঠে বাসা-বাড়িতে কাপড় ধোয়।

দুটি জগত,
যেন আকাশ আর মাটি।
তবু প্রতিদিন তারা একটাই জায়গায় এসে মিশে যেত—
রাতের ভিডিও কলে।

ইসাবেল তাকে বলে—
“Your smile feels peaceful.”
রিদওয়ান হেসে জবাব দিত—
“তুমি দেখলে লজ্জা পাই।”

মুসলিম-খ্রিস্টান
এদের ধর্ম।
বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনা
এদের দেশ।
দারিদ্র্য-ধন
এদের পরিবার।

তবু কোনোদিন নিজেদের ভিন্ন মনে হয়নি।

বড়দিনের রাতে
ইসাবেল কাঁপা গলায় বলল—
“I think… I’m in love with you.”

রিদওয়ান কিছুক্ষণ চুপ।
তারপর সত্যি কথাটা বলল—
“আমি খুব গরিব…
আমি তোমার লাইফের মতো না।”

ইসাবেল উত্তর দিল—
“I didn’t fall in love with your life.
I fell in love with YOU.”

কিন্তু এখানেই শুরু হল সমস্ত ঝড়।

ইসাবেলের পরিবার শুনে ক্ষেপে গেল।
“Bangladesh?
A poor boy?
Not possible.”

মা বলল—
“If you continue this…
you’re no longer my daughter.”

বাবা বলল—
“একটা বিদেশি দরিদ্র ছেলের জন্য
তুমি আমাদের মুখ কালো করবে?”

ইসাবেল কাঁদতে কাঁদতে রিদওয়ানকে বলল—
“They want me to block you.”

রিদওয়ান দীর্ঘশ্বাস ফেলল—
“Block করো…
কিন্তু ভুলে যেও না,
তোমাকে ভালোবেসেছিল একজন সত্যি মানুষ।”

তারপর…
সে কল কেটে দিল।

পরের ২২ দিন দুজনেই একে অপরের সাথে কথা বলেনি।
রিদওয়ান ভেঙে পড়েছিল।
ধীরে ধীরে রাতে কান্না থামিয়ে
আবার কাজ, আবার সংগ্রাম।

ইসাবেল?
ছয় কেজি ওজন কমে গেল।
ঘুম হয়নি, খাওয়া হয়নি।

২২ দিনের মাথায়
সে হঠাৎ ভিডিও কল দিল।

চোখ আর লাল নাক নিয়ে বলল—
“Ridhwan… I can’t live without talking to you.”

এটাই তাদের প্রেমের পুনর্জন্ম।

কয়েক মাস পর
ইসাবেল ঠিক করল—
সে বাংলাদেশে যাবে।

কিন্তু আর্জেন্টিনায় পাসপোর্ট অফিসার বলল—
“Bangladesh? Tourist visa?
Why?”

ইসাবেল দ্বিধা করছিল।
একটু চুপ থেকে বলল—
“Someone I love lives there.”

পাসপোর্ট অফিসার হেসে বলল—
“Then go.
These kinds of journeys…
change your life forever.”

সেই মানুষের এ অনুমতিই
ইসাবেলের জীবন বদলে দিল।

রিদওয়ান তখন চাকরি খুঁজছে।
হঠাৎ ফোন—
“I'm at Dhaka airport.”

রিদওয়ান ভেবেছিল মজা করছে।
যখন সত্যি বুঝল,
তার হাত-পা কেঁপে গেল।

এয়ারপোর্টের দরজায়
সে দাঁড়িয়ে ছিল পাঞ্জাবি পরে,
মাটির মতো সাধারণ।

ইসাবেল এগিয়ে এল ব্যাকপ্যাক পিঠে নিয়ে।
ঘাম, ক্লান্তি, চোখে জল—
তবু ঠোঁটে নরম হাসি।

সে বলল—
“I told you… I will come.”

রিদওয়ান কাঁদতে কাঁদতে তার হাত ধরল।
মুহূর্তটা যেন সিনেমার দৃশ্য।

ইসাবেল বাসায় ঢুকতেই
রিদওয়ানের মা তাকে জড়িয়ে ধরলেন—
“মা, দূর দেশ থেকে এলে,
তুমি তো আমাদেরই।”

ইসাবেলের চোখ ছলছল।

বাড়ির মাটির গন্ধ,
রাতে রিকশার টুংটাং শব্দ,
আজানের সুর—
এসব তাকে অদ্ভুতভাবে শান্ত করে দিল।

কিছুদিন আগে রিদওয়ান সিদ্ধান্ত নেয়
ইসাবেলকে তার গ্রামের বাড়ি দেখাবে।
ধুলো উড়া রাস্তা,
সবুজ ধানক্ষেত,
ছেলেমেয়েদের খেলাধুলা—
সবকিছুতে সে মুগ্ধ।

শিশুরা তাকে জিজ্ঞেস করে—
“আপু, তোমার দেশ কই?”
ইসাবেল হাসে—
“অনেক দূরে… কিন্তু মন এখন এখানেই।”

গ্রামের লোকজন তাকে এত ভালোবাসল
যেন সে রিদওয়ানের ঘরের মানুষ বহুদিনের।

এক রাতে দুজন বসে ছিল পুকুরপাড়ে।
আকাশ ভরা তারা।

ইসাবেল বলল—
“I don’t want to go back.”
রিদওয়ান হেসে বলল—
“তবুও যেতে হবে… তোমার ভবিষ্যতের জন্য।”
ইসাবেল তার কাঁধে মাথা রাখল—
“My future… feels like it’s with you.”

বাংলাদেশে কয়েক সপ্তাহ থাকার পর
ইসাবেল ফিরে গেল
কিন্তু এবার একা না—
নতুন সাহস নিয়ে।

তার পরিবার অবশেষে মেনে নিল,
কারণ দেখল—
মেয়ের চোখের আলো ফিরে এসেছে।

কয়েক মাস পর
রিদওয়ান কানাডায় চাকরি পেল।
ইসাবেলও কানাডায় মাস্টার্সে ভর্তি।

এখন তারা দুজনেই কানাডায় থাকে।

কিন্তু সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপার?
ইসাবেল প্রতিবারই বলে—
“We must visit Bangladesh again.
Your country feels like my second home.”

দূরত্ব বাধা নয়।
ধর্ম-ধন-দেশ বাধা নয়।
বিশ্বের আয়তন যতই বড় হোক—
যাকে ভালোবাসা হয়
তার কাছে পৌঁছাতে মানুষ
পুরো পৃথিবীও পাড়ি দেয়।

এবার খেলা হবে।🤣
25/11/2025

এবার খেলা হবে।🤣

সিলেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর Dipankar Das Dip আর নেই। মালয়েশিয়ায় একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। কিছুদিন আগে উচ্চ...
12/11/2025

সিলেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর Dipankar Das Dip আর নেই। মালয়েশিয়ায় একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। কিছুদিন আগে উচ্চশিক্ষার জন্য সে মালয়েশিয়া গিয়েছিলো।
লিখে বুঝাতে পারবোনা দিপের জন্য কতটা ভালোবাসা স্নেহ, লিখার শক্তিও হারিয়ে ফেলেছি।

সেদিন দিপ যখন আমাকে এসে বলে ভাই আমি মালয়েশিয়া চলে যাবো সেখানে পড়া লেখা করবে সে। আমি বলছিলাম এই খবর বা সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যদি তুমি আমাকে বলতা তাহলে আমি বলতাম আরো এক দেড় বছর পরে এই সিদ্ধান্ত নাও, বলছিলাম অন্য কিছু কারনে। বেশি মিস করছিলো সে দেশ এবং তার পরিবারকে। খুবই ভালো মনের অমায়িক অত্যান্ত ভদ্র মানুষ ছিলো প্রিয় দিপ। আমাকে অন্যরকম শ্রদ্ধা করতো ফোন দিলেই বলতো ভাই মালয়েশিয়া কবে আসবেন আপনাকে দেখবো থাকার জন্য কোন ভাবে হোটেল বুকিং দিবেন না আমি অনেক বড় বাসা নিয়েছি।আমাকে আইডল ডাকতো সে 😔 তার ভদ্রতা আমাকে বেশি মুগ্ধ করেছে।
তাকে অনেক মিস করবো।

১১ জন ফুটবল খেলেও বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৪ তম অথচ তারা দুজনে খেলে বাংলাদেশকে ৮ নাম্বার অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু আজ তা...
22/10/2025

১১ জন ফুটবল খেলেও বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৪ তম অথচ তারা দুজনে খেলে বাংলাদেশকে ৮ নাম্বার অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু আজ তারা কট! আর ২ জন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হারালো বাংলাদেশ! ...
চা খাবেন?
🙊

এত বার নেয় কেমনে
ব্যা*থা লাগে না,নাকি রাবার ওটা।

এবার দুবাইয়ের এক রেষ্টুরেন্টে ওয়েটারের সাথে হাতা*হাতিতে জড়ালেন ভাত শামীম। খাবার মেন্যুতে ভাত না থাকায়, ওয়েটারকেই খেয়ে ফে...
01/10/2025

এবার দুবাইয়ের এক রেষ্টুরেন্টে ওয়েটারের সাথে হাতা*হাতিতে জড়ালেন ভাত শামীম। খাবার মেন্যুতে ভাত না থাকায়, ওয়েটারকেই খেয়ে ফেলবেন বলে হু*ম*কি দিলেন এই ভাতখেঁকো।

ভালোবাসার রং বদলAbanti IslamPart: 21+22 সমাপ্ত পর্ব অভয় অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,,,---"ওইসব কথা তোর মনে করার দরকার নাই। তুমি...
26/09/2025

ভালোবাসার রং বদল
Abanti Islam
Part: 21+22 সমাপ্ত পর্ব

অভয় অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,,,

---"ওইসব কথা তোর মনে করার দরকার নাই। তুমি আমার সাথে এখান থেকে চলে আয়।ওইসব কিছু তোর মনে করতে হবে না।আর তুমি কাজটা ঠিক কর নি।মাইশা কে উদ্দেশ্য করে বলল,,,,

মাইশা চোখের পানি মুছে বলল,,,

---"আমি ওদের ভালোর জন্য এটা করেছি আমাকে বিশ্বাস কর। আমি চাই অনু আর অভি ভালো থাক ওদের সব ঝামেলা শেষ করে এক সাথে থাকুক।"

অভয় মাইশাকে ধমক এর সুরে বলল,,,

---"এটা কখনও সম্ভব না। অনুকে আমি আবার কোন ধরনের বিপদে ফেলতে পারি না। ওর জীবন আর নষ্ট হতে দিব না। এমনি জীবনে অনু অনেক কষ্ট পেয়েছে। আর কষ্ট পেতে হবে না।"

মাঈশা অভয় দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থেকে বলল,,,

---"তুমি এটা কি বলছ তুমি জানো তোমার ভাইয়ার অবস্থা তখন কেমন ছিল সেটাও তুমি ভালো করে জানো।তাহলে এখন এইরকম কথা কেন বলছ। অভি এখন আর আগের মতো নেই নিজেকে অনেক পরিবর্তন করে ফেলেছে।এখন অভি অনুকে অনেক ভালোবাসবে। আমার কথা তোমাদের বিশ্বাস না হলে কৌশিক কে জিগ্যেসা করে দেখ। "

ডাক্তার কৌশিক এতক্ষন চুপ করে ওদের কথা শুনে যাচ্ছিল। কোন কথা বলে নি। কিন্তু মাইশা কৌশিক এর নাম নেওয়াতে কৌশিক বলতে শুরু করে।

দেখ অভি চৌধুরী অবস্থা আগে অনেক খারাপ ছিল কিন্তু রিহেব এ থাকার পর আমি নিজে ওটার ট্রিটমেন্ট করেছি। ওনি আর আগের মতো নেই অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। অভি চৌধুরী বদলে গেছে। সভাবিক জীবনে চলে এসেছে।

অনু সবার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল,,,

---"তোমরা সবাই নিজেদের মতো যা ইচ্ছে বলে যাচ্ছ। আমার ইচ্ছে অনিচ্ছা কথা শোনার কোন দরকার আছে কি তোমাদের।"

অনুর কথা শুনে অভয় মাইশা আর কৌশিক সবাই অনুর দিকে তাকায়।

অনু সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল,,,

---"আমার জীবন এর সিদ্ধান্ত আমি একা নিতে পারি। কারো কথা শুনার কোন দরকার নেই আমার।কিন্তু আমার সাথে কি কি হয়েছে সব কিছু আমাকে অভয় তুই জানাবি কিনা সেটা বল।"

অভয় অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,,,

---"তুই শান্ত হয়ে বস আমি তোকে সব কিছু বলছি। বলে অনুর পাশে বসে কিছু বলতে যাবে তার আগে অভয় ফোন বেজে ওঠে। অভয় ফোন হাতে নিয়ে দেখে অভির নাম্বার থেকে ফোন এসেছে। তাই ওখান থেকে ওঠে একটু দূরে যেয়ে ফোন রিসিভ করে। কথা বলে অনুর কাছে এসে বলল,,,

---"আমার সাথে এখনি চল। আমাদের এখন যেতে হবে। মাইশাকে উদ্দেশ্য করে বলল,,,

---" তোমরাও আমাদের সাথে এস।"

সবাই অভয় কথা শুনে ওর দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখে। অভয় চোখ লাল হয়ে গেছে। মুখে ভয় আর চিন্তার ছাপ পরে আছে।

অনু অভয় কাছে যেয়ে জানতে চায় কি হয়েছে বলবি তো। কে ফোন করেছিল আর সবাইকে কোথায় যাওয়ার কথা বলছিস।

অভয় অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,,,

---"এখন এত কথা বলার সময় নেই। তাড়াতাড়ি চল ভাইয়া এক্সিডেন্ট করেছে। অবস্থা ভালো না।হসপিটালে ভর্তি করতে হয়েছে।"

অভয় কথা শুনে মাইশা অনেক বড় একটা সক পায়। দাড়ানো থেকে বসে পরে। ডাক্তার কৌশিক মাইশাকে ঝড়িয়ে ধরে। মাইশা নিজেকে সামলে নিয়ে বলল,,

---'আমরা কেন এখনো এখানে আছি।তাড়াতাড়ি হসপিটালে যেতে হবে চল এখনি।"

মাইশার কথা শুনে সবাই হসপিটালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। রাস্তায় যেতে যেতে অভয় মাকে ফোন করে হসপিটালে চলে আসতে বলে।

________________________

হসপিটালে পৌঁছে জানতে পারে অভির অবস্থা ভালো না। অপারেশন করতে হবে তার জন্য আই সিও তে রাখা হয়েছে লাইফ সাপোর্ট এ। ডাক্তাররা বাড়ির লোকের জন্য অপেক্ষা করে যাচ্ছে।

অভয় ডাক্তারদের সাথে কথা বলে জানতে পারে অভির অবস্থা খুব খারাপ। রাস্তায় একটা বাচ্চাকে বাঁচাতে যেয়ে নিজের গাড়ি ট্রাক এর সাথে বাড়ি লেগে যায়। যার ফলে গাড়ি ছিটকে রাস্তার পাশে থাকা গাছের সাথে বাড়ি লেগে নিচে পরে আগুন ধরে যায়। কিন্তু স্থানীয় মানুষরা অভিকে কোন ভাবে গাড়ি থেকে বাহির করে হসপিটালে নিয়ে আসে।

অভির মাথার মগজে রক্তে জমাট বেধে গেছে ঘারের কিছু রগ ছিড়ে গেছে। বাঁচানোর কোন চাস ডাক্তারদের জানা নেই।

অভয় চোখের পানি মুছে ডাক্তার কেবিন থেকে বাহির হয়ে আসে। অভয়কে আসতে দেখে সবাই দৌড় অভয় কাছে চলে আসে। অভির কি অবস্থা সেটার জানার জন্য আগ্রহ নিয়ে অভয় মুখের দিকে তাকিয়ে আছে।

অভয় সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল,,,

---*ভাইয়া অবস্থা খুব খারাপ হয়ত আর কিছু সময় ভাইয়ার হাতে আছে। অপারেশন করে লাভ হবে না।তাই ডাক্তার অপারেশন করাতে চাইছে না।তোমরা যেয়ে শেষ বারের মতো ভাইয়াকে দেখে আস।"

অভয় কথা শুনে সাহারা বেগম পরে যেতে নিলে আহেলী উনাকে ধরে ফেলে।

সাহারা বেগম নিজেকে সামলে উঠে দাঁড়িয়ে অভয় কাছে এসে বলল,,,

---"যে ভাবে হোক আমার বড় ছেলেকে বা তোল। আমি অভিকে ছাড়া বাচতে পারব না। কিছু একটা তো উপায় আছে অভিকে ভালো করার। তোরা আরো বড় বড় ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ কর। দরকার হলে বিদেশ নিয়ে যা কিন্তু আমার ছেলেকে ভালো করে দে।"

মাইশা নিরবে চোখের পানি ফেলে যাচ্ছে। কৌশিক মাইশাকে ঝড়িয়ে ধরে রেখেছে। কৌশিক কে ছেড়ে মাইশা অভয় এর সামনে এসে বলল,,,

---"যা করা দরকার কর। অপারেশন করা যাবে না কেন। এত ডাক্তার কি করতে আছে একটা অপারেশন করতে পারবে না। অভিকে ভালো হতে হবে।"

অভয় মাইশাকে উদ্দেশ্য করে বলল,,,

---"যদি কিছু করা সম্ভব হতো তাহলে কি আমি চুপ করে এখানে দাড়িয়ে থাকতাম। আমার ও ভাইয়ার জন্য তোমাদের থেকে বেশি কষ্ট হচ্ছে। ভাইয়ার কাছে সময় খুব কম আছে। তোমরা ভাইয়ার সাথে শেষ বারের মতো দেখা করে আস। বলে ওখান থেকে চলে যায়।"

অনু চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে কি করবে কিছু বুঝতে পারছে না। এই মুহুর্তে কি করা উচিৎ সেটাও অনুর কাছে অজানা লাগছে।

সাহারা বেগম আর আহেলী কোহেলী মিলে অভির কেবিনে দাঁড়িয়ে আছে। অভির সারা মাথা বেন্ডেজ করা নাক মুখ দিয়ে রক্ত পরছে। চেহারা বিভ্যৎস দেখা যাচ্ছে। অভির অবস্থা দেখে সাহারা বেগম জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। দুই বোন আর একজন নার্স উনাকে একটা কেবিনে নিয়ে যায়। ডাক্তার উনার চেকাপ করে জানায় সাহারা বেগম ব্রেন স্টোক করেছে। হঠাৎ করে এতবার শোক মেনে নিতে পারে নি। যার ফলে ব্রেন স্টোক করে।

মাইশা আর ডাক্তার কৌশিক আইসিও তে অভিকে দেখার জন্য যায়। মাইশা অভিকে এক পলক দেখে কৌশিক কে ঝড়িয়ে ধরে চিৎকার দিয়ে কৌশিক কে ঝড়িয়ে ধরে। কৌশিক মাইশা অবস্থা বুঝতে পেরে ওকে শক্ত করে ঝড়িয়ে ধরে মাইশাকে নিয়ে বাহির হয়ে আসে।

অনু ওখানে চুপচাপ বসে আছে। কি করবে সেটাই ভেবে যাচ্ছে।

চলবে,,,,,,,,.

অভয় অনুর সামনে বসে বলল,,,

---"শেষ বারের জন্য ভাইয়ার সাথে একবার দেখা করবি না। কথা বলতে বলতে চোখের পানি মুছছে।"

অনু ছল ছল চোখে বলল,,,

---"আমাকে একবার নিয়ে যাবি। আমি একবার উনার সাথে দেখা করতে চাই। বলে অভয় দিকে তাকায়। অভয় অনুর অবস্থা বুঝে বলল,,,

---"ঠিক আছে চল আমার সাথে বলে অনুকে সাথে নিয়ে যায়। অনুর চোখ গুলো ছল ছল করছে। চোখের পানি গুলো মুছে অভয় এর সাথে কেবিনে চলে যায়।"

অভয় অভির পাশে বসে অভির হাতের উপর হাত রেখে বলল,,,

---"ভাইয়া দেখ কে এসেছে। একবার তাকাও আমার দিকে। ভাইয়া আমি তোমার সাথে খুব অন্যায় করেছি। আমাকে ক্ষমা করে দেও ভাইয়া চোখ থেকে পানি পরছে।"

অভি একবার চোখ খুলে অভয় দিকে তাকায়। কিছু একটা বলার চেষ্টা করে কিন্তু শেষ কথাটা বলার হয়তো সুযোগ ছিল না। তাই চোখ বেয়ে দুইফোটা পানি ফেলে নিশ্বাস বন্ধ করে ফেলে। অভয় চিৎকারে সবাই আই সিও তে চলে আসে।

__________________________

অভিকে শেষ বারের জন্য বাসায় নিয়ে আসা হয়। কিছুক্ষন পর কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে। সাহারা বেগম ব্রেন স্টক করে উনার অবস্থা খুব খারাপ তাই উনাকে আই সিও তে সিফট করা হয়।বাকিরা সবাই অভির লাস এর পাশে বসে আছে। অনুর বাবা মা এসেছে। উনারা একপাশে দাড়িয়ে আছে। অভিদের বাকি আত্মীয় সজন অনুকে নিয়ে যায়। গোসল করে সাদা কাপড় পরে আসতে বলে। অনু কোন কিছুতেই বাধা দিচ্ছে না। গোসল করে সাদা একটা কাপড় পরে একপাশে দাঁড়িয়ে আছে।

অভয় একা সব কাজ করে যাচ্ছে। বিকেলে অভিকে নিয়ে যাওয়া হয়। কোহেলি কোন ভাবে অভিকে যেতে দিতে রাজি না। সবাই কোহেলিকে বুঝিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কারো কথা ওর কান পযর্ন্ত যাচ্ছে না। একপ্রকার জোর করে অভিকে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষ জানামাজ নিয়ে কবর দিয়ে সবাই নিজেদের মত করে চলে যায়। অভয় ভাই এর কবর এর পাশে বসে আছে। আকাশ তুহিন অভয় বাকি বন্ধুরা একপ্রকার জোর করে অভয় কে কবর এর কাছে থেকে নিয়ে আসা হয়।

____________________________

বাসার এসে সোফায় চুপ করে বসে আছে। আহেলী কোহেলি অভয় পাশে বসে কান্না করে যাচ্ছে। মাইশা নিজের চোখের পানি মুছে সবাইকে বুঝানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

হঠাৎ অভয় ফোন বেজে ওঠে ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখে হসপিটাল থেকে ফোন এসেছে তাই সবাইকে চুপ করতে বলে। ফোন রিসিভ করে। হসপিটাল থেকে জানায় অভয় এর মার অবস্থা বেশি ভালো না এখনি হসপিটালে যেতে হবে। অভয় কাউকে কিছু না বলে হসপিটালে চলে যায়।

________________________

হসপিটালে এসে ডাক্তারদের সাথে কথা বলে জানতে পারে সাহারা বেগম এর অপারেশন করতে হবে। অপারেশন এ উনি হয়ত বেঁচে যাবে কিন্তু সুস্থ হবে না। সাভাবিক জীবনে আর ফিরে আসতে পারবে না। অভয় নিজেকে সামলে নিয়ে বলল,

মা বেঁচে থাকুক এই টুকু অনেক ভাইয়া পরে মাকে হারাতে পারব না। আপনারা যা ভালো হয় করুন শুধু মাকে ভালো করে দিন। বলে চোখ থেকে পানি পড়ছে।

ডাক্তার অভয় কাধে হাত রেখে বলল,,,

---"তুমি এইভাবে ভেঙে পড়লে বাকিদের কে সামলাবে। সব ঠিক হয়ে যাবে আল্লাহ উপর ভরষা রাখো বলে সবাই ওটিতে চলে যায়।"

অভয় চেয়ারে হাত ভাজ করে বসে আছে। চোখ থেকে পানি পরে যাচ্ছে। এত তাড়াতাড়ি এত কিছু হয়ে যাবে ভাবতে পারে নি। একটা পর একটা বিপদ কি ভাবে সব কিছু সামাল দিবে সেটা ভেবে যাচ্ছে।

প্রায় চার ঘন্টা পর,

অপারেশন শেষ করে ডাক্তার টিম বাহির হয়ে আসে। অভয় ওনাদের দেখে সামনে এগিয়ে যায়। মা ঠিক আছে তো।

ডাক্তার অভয় কাধে হাত রেখে বলল,,,

---"এই যাত্রায় তোমার মা বেঁচে গেছে কিন্তু উনার এক সাইট প্যারালাইস্ট হয়ে গেছে। হয়ত ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যাবে। একটু পরে উনাকে কেবিনে দেওয়া হবে তখন দেখা করতে পারবে। ডাক্তার কথা শুনে অভয় একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বলল,,,

ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে মা ভালো আছে এটা আমাদের জন্য অনেক কিছু। বলে চোখের পানি ফেলছে। পেছন থেকে অনু অভয় কাধে হাত রেখে বলল,,,

---"তুই এতো চিন্তা করিস না সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। এখন আন্টির সাথে দেখা করে বাসায় যাওয়া দরকার তোর। অভয় অনুর দিকে তাকিয়ে বলল,,,,

---"তুই এই সাদা শাড়ি চেন্জ কেন করিস নি। আর তুই বাসায় চলে যা অনেকক্ষন হয়েছে এসেছিস।অনু অভয় কে থামিয়ে দিয়ে বলল,,,

---"আমাকে নিয়ে ভাবতে হবে না আমি এখন কিছুদিন তোদের বাড়িতে থাকব বাবা মা কে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি। আন্টিকে দেখে একসাথে বাসায় যাব। অভয় কিছু না বলে অনুর দিকে তাকিয়ে আছে। "

অনু কিরে এই ভাবে কি দেখছিস। কি হয়েছে বলবি কিছু।

অভয় কিছুক্ষন চুপ থেকে বলল,,,

---"তুই কত বদলে গেছিস তোকে চেনাই যাচ্ছে না। তুই আমাদের বাড়িতে থাকলে সবার জন্য খুব ভালো হবে।"

অনু অভয় কথা শুনে বলল,,,

---"সময় মানুষকে অনেক বদলে দেয়। এখন চল আন্টিকে দেখে আসি। বলে দুইজনে সাহারা বেগম এর কেবিনে চলে যায়। ওখানে কিছুক্ষন বসে থেকে বাহির হয়ে আসে। বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।"

অনু অভয় বাসায় এসে সব কিছু একা সামলে নিয়েছে। কিছুদিন পর সাহারা বেগম কেও বাসায় নিয়ে আসা হয়। উনি সারাদিন হুইল চেয়ারে বসে থাকে। অভির ছবির সামনে বসে থাকে বেশি সময় আর নিজের মতো করে চোখের পানি ফেলে যায়।

সময় সবকিছু ভুলিয়ে দেয়। ঠিক তেমনি সবাই সবকিছু ভুলে নতুন করে এগিয়ে যায়। আহেলী কোহেলি কলেজ যেতে শুরু করে অভয় হসপিটালে যায় রোজ বাসায় সাহারা বেগম একাই থাকে অনু মাঝে মাঝে এসে ওনাকে দেখে যায়।

দুই বছর পর,,,,

অনু বউ সেজে বাসর ঘরে বসে আছে। এই দুই বছরে অনেক কিছু চেন্জ হয়ে গেছে। অনু বাসর ঘরে বসে ভেবে যাচ্ছে।

সাহারা বেগম আহেলি কোহেলী অনুদের বাসায় এসে। অনুকে নিজের ছেলের বউ করে নেওয়ার দাবী করে। আমেনা বেগম কোন ভাবে উনাদের কথায় রাজি না।

কিন্তু অনুর বাবা উনাদের প্রস্তাব শুনে বলল,,,

---"আমাদের রাজি হওয়ার থেকেও বেশি দরকারি হলো অনুর মতামত জানার অনু রাজি থাকলে আমাদের কোন সমস্যা নেই।"

অনু বাবার পাশে বসে সবকিছু শুনছে। কি বলবে সেটাই ভেবে যাচ্ছে।

সাহারা বেগম রায়হান সরকার এর কথাতে সম্মতি দিয়ে অনুর কাছ থেকে জানতে চায় অনুর কি মতামত। অনু মাথা নিচু করে বলল,,,

---"বাবা যা ভালো বুঝে সেটাই করবে। আর আমি সেটাতেই রাজি বলে ওখান থেকে উঠে চলে যায়। অনুর কথা শুনে সবাই বুঝতে পারে অনু কি চায় তাই দেরী না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওনারা অনু কে বউ করে নিয়ে যেতে চায়।"

আহেলীর বিয়ে হয়ে গেছে ছেলে আহেলী নিজে পছন্দ করেছে। শশুর বাড়ি যেয়ে আহেলী নিজের ভুল বুঝতে পারে। তাই বিয়ের কিছুদিন পর অনুর কাছে যেয়ে ক্ষমা চেয়ে আসে।

হঠাৎ দরজা আওয়াজ শুনে অনু নিজেকে একটু গুটিয়ে বসে। অভয় ভেতরে এসে বলল,,,

---"কিরে তুই এই বিয়েতে রাজি ছিলি না। আমাকে তোর পছন্দ হয় নি।"

অনু অভয় কথা শুনে মাথা নিচু করে আছে কোন কথা বলছে না। লজ্জায় নিজের হাত গুলো মুঠোর মধ্যে নিয়ে রেখেছে।

অভয় কিছু টা এগিয়ে এসে অনুর ঘুমটা সরিয়ে অনুর হাত নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে বলল,,,

ভালোবাসিস আমাকে। পারবি তো সব কিছু ভুলে আমার সাথে সারাজীবন থাকতে। তোর জীবন এর সব কালো ভালোবাসার রং এ বদলে দেওয়ার অধিকার দিবি তো। অনু কোন কথা না বলে অভয় কে জড়িয়ে ধরে। অভয় অনুকে শক্ত করে বুকের মধ্যে ঝড়িয়ে ধরে।

সমাপ্ত

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life Lineヅ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share